Tag: Children

Children

  • Cancer: শিশুদের মধ্যে বাড়ছে ক্যান্সারের ঝুঁকি! ভারতে এর সংখ্যা বাড়ছে কেন?

    Cancer: শিশুদের মধ্যে বাড়ছে ক্যান্সারের ঝুঁকি! ভারতে এর সংখ্যা বাড়ছে কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ জীবন যাপনে বদল হয়েছে অনেকখানি। আধুনিক জীবনে ব্যস্ততা বাড়ছে। বদলে যাচ্ছে খাদ্যাভ্যাসের ধরন। তার সঙ্গে বদল হচ্ছে ঘুমের সময়ের। পাশাপাশি পরিবেশ, আবহাওয়ার অনেকটাই পরিবর্তন হয়েছে। আর এই সবকিছুর শরীরে গভীর প্রভাব পড়ছে। বিশেষত শিশুদের (Children) শরীরে এর প্রভাব মারাত্মক। গত বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালের রিপোর্ট জানাচ্ছে শিশুদের মধ্যে ক্যান্সারের (Cancer) প্রকোপ বাড়ছে। যা যথেষ্ট দুশ্চিন্তার বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কী বলছে রিপোর্ট?

    ন্যাশনাল ক্যান্সার (Cancer) রেজিস্ট্রি প্রোগ্রামের সাম্প্রতিক রিপোর্ট জানাচ্ছে, ১৫ বছরের কম বয়সিদের মধ্যে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ছে। আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশের মোট ক্যান্সার আক্রান্তের মধ্যে ০ থেকে ১৪ বছর বয়সিদের সংখ্যা ৪ শতাংশ। যা বছর দশেক আগেও অনেকটাই কম ছিল। উল্লেখযোগ্যভাবে শিশু (Children) ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, কন্যাসন্তানের তুলনায় পুত্রসন্তানের মধ্যে ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি। সদ্যোজাত থেকে ১৪ বছর বয়সি এক মিলিয়ন ছেলের মধ্যে ২০৩ জন ক্যান্সার আক্রান্ত হয়েছে। সেই তুলনায় মেয়েদের সংখ্যা ১২৫ জন।

    কেন শিশু শরীরে ক্যান্সার বাড়ছে?

    ক্যান্সার (Cancer) বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, জিনগত মিউটেশনের জন্যই শরীরে ক্যান্সার হয়। হঠাৎ করেই শরীরের কোষে, জিনে এক ধরনের পরিবর্তন শুরু হয়। যার ফলেই ক্যান্সারের মতো জটিল রোগ তৈরি হয়। এর নির্দিষ্ট কারণ বলা কঠিন। তবে‌ বেশ কিছু কারণের জেরেই এই জিনগত পরিবর্তন। যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ‘জেনেটিক মিউটেশন’ বলা হয়।

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, খাদ্যাভ্যাস ক্যান্সারের (Cancer) ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দিচ্ছে। বিশেষত শিশুদের (Children) প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় একাধিক প্রক্রিয়াজাত খাবার থাকছে। যার প্রভাব শরীরে মারাত্মকভাবে পড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, নানান রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে প্রক্রিয়াজাত মাংস নিয়মিত খেলে কিডনির, লিভার এবং পাকস্থলীতে মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। দেহের ওজনও মারাত্মক বাড়তে থাকে।‌ স্থুলতা ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

    নিয়মিত শারীরিক কসরত এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম দরকার

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত ফল, সবজি, ডাল, রুটি খাওয়ার অভ্যাস শিশুদের (Children) মধ্যে কমছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের খাবারে প্রচুর পুষ্টিগুণ থাকে। কিন্তু অধিকাংশ শিশু এখন সবজি খায় না। নিয়মিত রুটি, ফলও খায় না। তার ফলে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের অভাব দেখা দেয়। তাই ক্যান্সারের মতো রোগের ঝুঁকও বাড়ে।

    শরীর সুস্থ রাখতে প্রয়োজন নিয়মিত পর্যাপ্ত বিশ্রাম। অনেক সময়েই শিশুদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম হয় না। নিয়মিত শরীরিক কসরত এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম হলে তবেই শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। নানান রোগের ঝুঁকি কমে। তাই ক্যান্সারের (Cancer) মতো‌ জটিল রোগের ঝুঁকি কমাতে স্বাস্থ্যকর রুটিন থাকা জরুরি বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

    ক্যান্সার (Cancer) বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, শিশুদের প্রথম থেকেই স্বাস্থ্যকর অভ্যাস তৈরি করতে হবে। সেদিকে অভিভাবকদের নজর দেওয়া দরকার। সময় মতো স্বাস্থ্যকর খাবার‌ খাওয়া, পর্যাপ্ত ঘুম এবং নিয়মিত রুটিন মাফিক শারীরিক কসরত, এগুলো যাতে হয় সেদিকে নজরদারি করলে রোগের ঝুঁকি কমবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Manipur: মণিপুরে নারী ও শিশুদের নৃশংস হত্যার তীব্র নিন্দা, কেন্দ্র-রাজ্যকে সমাধানের বার্তা আরএসএস-এর

    Manipur: মণিপুরে নারী ও শিশুদের নৃশংস হত্যার তীব্র নিন্দা, কেন্দ্র-রাজ্যকে সমাধানের বার্তা আরএসএস-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে (Manipur) নারী ও শিশুদের নৃশংস হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS)। কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের কাছে অবিলম্বে সমাধান চেয়েছে এই হিন্দুত্ববাদী সামাজিক সংগঠন। ইতিমধ্যে খুনের পাশাপাশি দেখা গিয়েছে বহু মানুষ এখনও নিখোঁজ! গোটা রাজ্যজুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। উল্লেখ্য গত বছরের ৩ মে থেকেই এই রাজ্যে হিংসার ধারা অব্যাহত। এখনও পর্যন্ত ৫০ হাজার মানুষ ঘরছাড়া এবং ২২০ জনের বেশি মানুষ গোষ্ঠী সংঘর্ষের বলি হয়েছেন। সাধারণ জনজীবন অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন।

    নিরপরাধ মানুষের দুর্ভোগ অব্যাহত (Manipur)

    মণিপুর (Manipur) প্রান্তের রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS) হিংসা কবলিত এলাকার পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত। বিবৃতি দিয়ে তারা জানিয়েছে, “নিরপরাধ মানুষের দুর্ভোগ অব্যাহত। সংঘাতের জেরে রাজ্য গভীর সঙ্কটে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া হিংসার ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। নারীহত্যা, শিশুহত্যা এবং অপহরণ অত্যন্ত কাপুরুষোচিত ঘটনা, যা মানব সমাজের জন্য অত্যন্ত লজ্জার। সভ্যতার নিরিখে মানব স্বার্থের পরিপন্থী। এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের উচিত সদর্থকভাবে এগিয়ে আসা। প্রচুর সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তাই সামাজিকভাবে আইনশৃঙ্খলাও বলবৎ করতে হবে।”

    জিরি ও বরাক নদীর মিলনস্থলে উদ্ধার দেহ!

    চলতি বছরের নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকেই মণিপুরে (Manipur) ফের দুষ্কৃতীরা নাশকতার পন্থা অবলম্বন শুরু করেছিল। গত ১১ নভেম্বর থেকে জিবিরাম জেলায় বেশ কিছু নারী এবং শিশু নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছিল। এরপর ১৫ এবং ১৬ নভেম্বর তাঁদের মধ্যে মোট ছ’জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। যার মধ্যে ৩ জন নারী এবং ৩ জন শিশু। এই মৃতদেহগুলি মণিপুর-অসম সীমান্তের কাছে জিরি এবং বরাক নদীর মিলনস্থলের কাছে খুঁজে পাওয়া যায়। তবে সবগুলি দেহ এখনও শনাক্ত করা যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য অসমের শিলচর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    কুকি জঙ্গিদের সঙ্গে সিআরপিএফ-এর সংঘর্ষ

    জানা গিয়েছে, গত ১১ নভেম্বর কুকি জঙ্গিদের সঙ্গে সিআরপিএফ-এর ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এই লড়াইতে মোট ১০ জন সন্দেহজনক জঙ্গি নিহত হয়। আবার অন্য আরেকটি ঘটনায় জিবিরাম জেলায় বোরোবেকরা মহকুমায় অবস্থিত জাকুরাধোর একটি ত্রাণশিবির থেকে জঙ্গিরা ১০ জন সাধারণ নাগরিককে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযানের ফলে মাইবাম কেশো (৭৫) এবং লাইশরাম বেরল (৬১) নামে দুই প্রবীণ নাগরিকের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তবে এই হিংসার ঘটনায় কুকি জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে মেইতি গোষ্ঠী দাবি করেছে, “উদ্ধার হওয়া তিন নারী এবং তিন শিশুকে প্রথমে অপহরণ করে রাখা হয়েছিল। এরপর তাঁদের নির্মম ভাবে খুন করা হয়েছে। যদিও তাঁদের পরিচয় এখনও স্পষ্ট ভাবে জানা যায়নি। মানুষের মনে হিংসাকে আরও বড়িয়ে দিচ্ছে এইসব ঘটনা। যার জেরে মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভেরও সঞ্চার হয়েছে।”

    মন্ত্রী, বিধায়কের বাড়িতে হামলা 

    সম্প্রতি এই রাজ্যের (Manipur) রাজনৈতিক জনপ্রতিনিধি, মন্ত্রী, বিধায়ক, সরকারি আমলা-সহ একাধিক ব্যক্তির বাড়িতে পর্যন্ত হামলা হয়। বিশেষ করে ইম্ফল পূর্ব ও পশ্চিমে বহু ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ক্রমবর্ধমান অশান্তির ঘটনা ক্রমে মারাত্মক রূপ নিচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে আরএসএস দুই গোষ্ঠীর রক্তপাতের বিষয়ে আলোচনা, পরস্পর সহাবস্থান এবং সরকারের ভূমিকাকে বিশেষ ভাবে ইঙ্গিত করে সমাধানের দাবি জানিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ হিংসার আগুনে ফের অগ্নিগর্ভ মণিপুর, ৩টি মূল মামলার তদন্তে এনআইএ

    সরব আরএসএস

    উল্লেখ্য, গত এক বছরের বেশি সময় ধরে আরএসএস (RSS) হিংসার বিরুদ্ধে সরব। মণিপুর (Manipur) সরকারের প্রত্যক্ষ ভূমিকা নিয়েও বার বার প্রশ্ন তুলেছে তারা। সরকারি ক্ষমতার অক্ষমতাকে ইঙ্গিত করে সতর্কবার্তা দিয়েছে এদিন। গত ১৯ মাসের বেশি সময় ধরে মণিপুর উত্তপ্ত। গত লোকসভা নির্বাচনের পর একটি সভায় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্খের সঙ্ঘ চালক মোহন ভাগবত বলেছিলেন, “মণিপুরের সমস্যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কেন্দ্র সরকারের উচিত অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। শান্ত পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার পক্ষকে সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Children: জানেন পাহাড়ে বসবাসকারী ভারতীয় শিশুদের বৃদ্ধি তুলনায় কম কেন?

    Indian Children: জানেন পাহাড়ে বসবাসকারী ভারতীয় শিশুদের বৃদ্ধি তুলনায় কম কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাহাড়ে বসবাসকারী ভারতীয় শিশুদের বয়স তাদের প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম। ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নাল নিউট্রিশন, প্রিভেনশন অ্যান্ড হেলথ-এ প্রকাশিত নতুন গবেষণা অনুসারে, ভারতের পাহাড় ও পাহাড়ে বসবাসকারী শিশুদের উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধির ঝুঁকি বেড়ে যায়। গবেষণা অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ জাতীয় পারিবারিক স্বাস্থ্য জরিপ (NFHS-4) থেকে তথ্য বিশ্লেষণ করে, ২০০০ মিটার বা তার উপরে বসবাসকারী শিশুদের জন্য স্টান্টিংয়ের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ১০০০ মিটার নীচে বসবাসকারী শিশুদের তুলনায়, এই উচ্চ-উচ্চতা অঞ্চলের শিশুদের ৪০ শতাংশের বৃদ্ধি কম হয়।

    বৃদ্ধি রোধ বা স্টান্টিং

    দীর্ঘস্থায়ী অপুষ্টি হিসাবেও পরিচিত, গর্ভাবস্থায় মায়ের দুর্বল স্বাস্থ্যের কারণে সন্তানের স্টান্টিংয়ের (stunting) অবস্থা জন্মের আগে থেকেই শুরু হয়, যার ফলে শিশুর অস্বাভাবিক ও অসম্পূর্ণ বৃদ্ধি ঘটে। দীর্ঘ সময় ধরে স্টান্টিং ঘটে এবং তাই এর দীর্ঘস্থায়ী পরিণতি হয়। শিশুর স্টান্টিংয়ের মূল কারণগুলি হল দুর্বল বুকের দুধ খাওয়ানো, শরীরে পুষ্টির অপর্যাপ্ত সরবরাহ এবং অবিরত সংক্রমণ। স্টান্টিং বিপজ্জনক, কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট বয়সের পরে অপরিবর্তনীয় হয়ে যায়। সুতরাং, গর্ভাবস্থায় সঠিক স্বাস্থ্য এবং জন্মের পরে সন্তানের ব্যাপক যত্ন নিশ্চিত করা গর্ভবতী মহিলাদের পক্ষে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাহাড়িয়া অঞ্চলের শিশুদের জন্য স্টান্টিং একটি বড় সমস্যা। 

    ভারতে কোথায় দেখা যায়

    মূলত অপুষ্টির কারণে শিশুদের বয়স অনুযায়ী উচ্চতা বাড়ে না বা তারা ‘স্টান্টিং’-এর শিকার হয়। পার্বত্য অঞ্চল এবং অপর্যাপ্ত অবকাঠামোর কারণে, ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলটি শারীরিকভাবে দেশের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন। ভৌগলিক অবস্থানের ফলে ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলিতে অসংখ্য জেলায় স্টান্টিং, অপচয় এবং কম ওজনের প্রকোপ দেখা যায়। স্টান্টিংয়ের জন্য জনতাই পাহাড়, পূর্ব খাসি পাহাড়, পশ্চিম খাসি পাহাড়, এবং মেঘালয়ের রিভোই এবং আসামের জেলার ধুবরি, বোঙ্গাইগাঁও এবং বারপেটা পরিচিত। ভারতের এই পাহাড়ি অঞ্চলগুলিতে শিশুদের উচ্চতা কম হয়। 

    স্টান্টিংয়ের ঝুঁকি

    ভারতে একটি প্রধান জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ  হল স্টান্টিং। এটি পাঁচ বছরের কম বয়সী এক তৃতীয়াংশ শিশুকে প্রভাবিত করে। চিকিৎসক ও গবেষকদের মতে, পাতলা বাতাসের কারণে উচ্চ উচ্চতায় থাকা শিশুদের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। উচ্চ উচ্চতায় বাতাস হালকা হয়। বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকে। অক্সিজেন কম থাকায় খাদ্য থেকে শক্তির রূপান্তর করা কঠিন হয়। এর ফলে বৃদ্ধির প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। গবেষকরা বলছেন, স্টন্টেড বাচ্চাদের দুর্বল ইমিউন সিস্টেম থাকে, যা তাদের পরবর্তী জীবনে সংক্রমণ এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। স্টন্টেড হল এক ধরনের হরমোনাল অসুখ যা বৃদ্ধিকে ব্যাহত করে। শিশুদের পেশি শক্তি কম হয়ে যায়। শারীরিক সক্ষমতা কমে যায়। উচ্চ উচ্চতায় বা পাহাড়ি অঞ্চলে খাদ্য সমস্যা এবং কঠোর জলবায়ু এই সমস্যাকে বাড়িয়ে তোলে।

    আরও পড়ুুন: ২০১৪ সালের টেট নিয়োগেও দুর্নীতি! অনিয়মের ইঙ্গিত সিবিআই রিপোর্টে

    গবেষকদের পরামর্শ

    গবেষণায় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে উচ্চ উচ্চতায় বসবাসকারী শিশুদের খাদ্য তালিকায় প্রোটিন, ক্যালোরি এবং প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে। যা তাঁদের পুষ্টির চাহিদা মেটাবে। সঠিক স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করতে হবে। দ্রুত স্টান্টিংকে শনাক্ত করত হবে। শুরু থেকেই চিকিৎসা করালে এটি কমে যেতে পারে। সঠিক পুষ্টি এবং স্বাস্থ্যবিধি অনুশীলনের গুরুত্ব সম্পর্কে অভিভাবকদের শিক্ষিত করা শিশুর স্বাস্থ্যের দিকে বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া। অভিভাবকদের বোঝাতে হবে যে, সন্তানের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করতে ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফ্যাট এবং শর্করা জাতীয় পুষ্টি সমৃদ্ধ এক ভারসাম্যযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করা জরুরী। একটি শিশুর সর্বোত্তম বৃদ্ধি এবং বিকাশ নিশ্চিত করার জন্য একটি সুষম খাদ্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এবং খনিজ সহ প্রয়োজনীয় পুষ্টিতে প্রচুর হওয়া উচিত। এই উপাদানগুলি শক্তিশালী হাড়ের পাশাপাশি সাধারণ স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: ফল খেয়ে বিপত্তি! অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ১১ জন শিশু, কী করে হল জানেন?

    Dakshin Dinajpur: ফল খেয়ে বিপত্তি! অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ১১ জন শিশু, কী করে হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খেলার সময় ফল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ল একই গ্রামের ১১ জন শিশু। ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলার হরিরামপুর ব্লকের গোকর্ণ গ্রাম পঞ্চায়েতের বলদু গ্রামে। বর্তমানে গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অসুস্থ শিশুরা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Dakshin Dinajpur)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার বিকেলে দক্ষিণ দিনাজপুরের (Dakshin Dinajpur) হরিরামপুর ব্লকের বলদু গ্রামে খেলা করছিল একদল বাচ্চা। যেখানে তারা খেলা করছিল, সেখানে কয়েকটি গাছ রয়েছে। তারমধ্যে একটি গাছ থেকে এক শিশু ফল পেড়ে খায়। তার ওই ফল খাওয়া দেখে বাকীরাও ওই গাছ থেকে ফল খায়। ফল খাওয়ার পর তারা ফের খেলায় মত্ত হয়ে যায়। ঘণ্টা দুয়েক পড়ে একজন বমি করা শুরু করে। এরপরই বাড়ির লোকজন ছুটে আসে। ততক্ষণে বাকি শিশুরা বমি, পায়খানা করা শুরু করে। কয়েকজন অজ্ঞানও হয়ে যায়। অসুস্থ শিশুদের প্রথমে হরিরামপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছিল। পরে, শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদেরকে নিয়ে আসা হয় গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত শিশুরা সুস্থ রয়েছে। চিকিৎসকদের আশঙ্কা, শিশুরা খেলার সময় বিষাক্ত কোনও ফল খেয়ে এই বিপত্তি হয়েছে। এই ঘটনায় চরম আতঙ্কিত পরিবারের লোকজন। পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, ওই গাছের পাশে তারা প্রতিদিন খেলা করে। কোনওদিন এরকম ঘটনা ঘটেনি। এদিন গাছের ফল খেয়ে এই ঘটনা ঘটেছে। আমরা আতঙ্কে রয়েছি।

    হাসপাতালের সুপার কী বললেন?

    এই বিষয়ে গঙ্গারামপুর হাসপাতালের সুপার বাবুসোনা সাহা বলেন, ওই ১১ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তাঁদের চিকিৎসা চলছে তারা আপাতত তারা সুস্থ রয়েছে। তাদেরকে আরও দুদিন হাসপাতালে নজরদারির মধ্যে রাখতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: নার্সিং হোম থেকেই চলছে শিশু বিক্রির রমরমা! পুলিশের জালে ধৃত ৩

    Purba Medinipur: নার্সিং হোম থেকেই চলছে শিশু বিক্রির রমরমা! পুলিশের জালে ধৃত ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিঘা হাসপাতালের (Purba Medinipur) তৎপরতায় শিশু বিক্রির বড়সড় চক্রের হদিশ পেল দিঘা মোহনা থানার পুলিশ। জনকাল্যাণ নার্সিং হোম কর্তৃপক্ষ প্রসবের পর বলে, মৃত সন্তান জন্ম হয়েছে। তাই শিশুর পরিবার দেখতে চাইলেও দেখাতে দেয়নি নার্সিং হোম কর্তৃপক্ষ। শনিবার মাঝ রাতে যখন পুলিশ আসে, তখন পরিবারের লোক জানতে পারেন, তাঁদের শিশুটি জীবিত আছে। পরে বাচ্চাটিকে বিক্রি করে দিয়েছে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ। আর এমন অভিযোগেই তোলপাড় এলাকা। পুলিশের কাছে অভিযোগ করলে ঘটনায় ইতিমধ্যে গ্রেফতার হয় ৩ জন।

    কীভাবে জানা গেল শিশু বিক্রি (Purba Medinipur)?

    সূত্রের খবর, গত সোমবার দিঘা (Purba Medinipur) রাজ্য সাধারণ হাসপাতালের বহির্বিভাগে জন্মের পর টিকাকরণের জন্য নিয়ে আসা হয়েছিল ৪ দিনের এক শিশুপুত্রকে। টিকাকরণের আগে শিশুটির জন্ম শংসাপত্র-সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু শিশুটির সঙ্গে থাকা ৩ মহিলা তা দেখাতে পারেনি। তাছাড়া তাদের কথাবার্তায় অসঙ্গতি থাকায় সন্দেহ হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। বিষয়টি পুলিশের নজরে আনা হয়। এরপর উদ্ধার হওয়া শিশুটিকে তুলে দেওয়া হয় চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির হাতে।

    পুলিশের ভূমিকা

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু হলে, ৩ মহিলাকে আটক করে দিঘা মোহনা (Purba Medinipur) থানার পুলিশ। পরবর্তীতে উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ না মেলায় ২ মহিলাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। শিশু কেনার অভিযোগে গত মঙ্গলবার গ্রেফতার করা হয় রামনগর থানার দুর্গাপুরের বাসিন্দা মর্জিনা বিবিকে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বুধবার এগরার একটি নার্সিংহোমের ( জনকল্যাণ নার্সিং হোম) মালিক সঞ্জয় গোল ও তার স্ত্রী সুপ্রিয়া গোলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। নন্দীগ্রামের রানীচকের বাসিন্দা তারা। ধৃত দম্পতি, ২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বাচ্চাটিকে কেনার জন্য নিঃসন্তান মর্জিনাকে সহযোগিতা করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। শুক্রবার ধৃতদের কাঁথি আদালতে পেশ করা হলে, বিচারক তাদের ৫ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। দিঘা মোহনা থানার ওসি মৌসুমি সর্দার আরও বলেন ‘এছাড়াও শিশু বিক্রির এই ঘটনায় আর কে কে জড়িত আছে, তার খোঁজ চলছে। পাশাপাশি বাচ্চাটির মা ও দাদুকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Political Violence: রাজনৈতিক হিংসায় বাড়ছে মানসিক অবসাদ! শিশুদের সুস্থ রাখবেন কীভাবে?

    Political Violence: রাজনৈতিক হিংসায় বাড়ছে মানসিক অবসাদ! শিশুদের সুস্থ রাখবেন কীভাবে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    টিভির পর্দা, খবরের কাগজ কিংবা মোবাইলের স্ক্রিন, সর্বত্রই হিংসার দাপট (Political Violence)। রক্তের বন্যা। রাজনৈতিক নির্বাচন হোক কিংবা বিনোদনের ওটিটি চ্যানেল, হিংসার পাল্লা সর্বত্রই ভারী। আর তার জেরেই বাড়ছে বিপদ, এমনটাই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    কোন বিপদের আশঙ্কা? 

    বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, হিংসা (Political Violence) প্রতিদিন বাড়ছে। রাজ্যে সবে শেষ হল পঞ্চায়েত নির্বাচন। মনোনয়ন তোলা থেকে জমা দেওয়া, ভোট গ্রহণ থেকে ফল প্রকাশ, প্রত্যেক পর্বেই চলেছে হিংসা। শাসক দলের দাপটে কখনও বিরোধী দলের কর্মীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে, আবার কখনও গুলি চালানোর জেরে আহত অবস্থায় হাসপাতাল ভর্তির খবর জানা গিয়েছে। লাগাতার হিংসার ঘটনার জেরে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষত, শিশু ও বয়ঃসন্ধিকালে থাকা ছেলেমেয়েদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বিগ্ন বিশেষজ্ঞ মহল। এই ধরনের হিংসার ঘটনার জেরে তাদের মানসিক স্বাস্থ্য বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন তাঁরা। রাজনৈতিক হিংসার পাশপাশি বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, বিনোদনের দুনিয়াতেও এখন হিংসাত্মক ঘটনা বেশি দেখানো হয়। বিশেষত ১৫-১৮ বছর বয়সি বহু ছেলেমেয়ে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে নানা বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান, সিরিজ দেখে। যেগুলোতে মূলত নানা ধরনের হিংসার ঘটনা বেশি দেখানো হয়। আর এই সব মিলিয়ে কম বয়সিদের মধ্যে বাড়ছে নানা মানসিক সমস্যা।

    কোন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে? 

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, কম বয়সিদের মধ্যে বাড়ছে মানসিক অবসাদ, রাগ, মানসিক চাপ এবং সিদ্ধান্তহীনতার মতো সমস্যা। তাঁরা জানাচ্ছেন, খুব সামান্য ব্যাপারেই দেখা যাচ্ছে, কম বয়সি ছেলেমেয়েরা ভয়ানক প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। আবার ছোট কোনও সমস্যাতেও তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছে। সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। তারা এমন কিছু করে ফেলছে, যা অনভিপ্রেত। আসলে, তারা সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে। কোনও কিছুর উপরে বিশ্বাস করতে পারছে না। ফলে, মানসিক চাপ ও অবসাদ তৈরি হচ্ছে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল? 

    বিশেষজ্ঞ মহলের পরামর্শ, খুব কম বয়স থেকেই পারিপার্শ্বিক পরিবেশ সম্পর্কে শিশুদের সচেতন করতে হবে। সেটা সামাজিক হোক বা রাজনৈতিক (Political Violence)। নিয়মিত খবর দেখানো যেমন দরকার, তেমনি সেগুলো সম্পর্কে আলোচনাও জরুরি। কনসালট্যান্টদের মতে, হিংসার ঘটনা বাড়ির ছোটদের সামনে এলে, তাদের বোঝানো দরকার, যা হচ্ছে তা ঠিক নয়। হিংসার মাধ্যমে আসলে সাফল্য পাওয়া যায় না। তবে, কখনই তাকে বাস্তব বিমুখ করা যাবে না। হিংসার ঘটনা (Political Violence) হচ্ছে বলে তা লুকিয়ে যাওয়া উচিত নয়। কোন ধরনের রাজনৈতিক পরিবেশে সে আছে, সে সম্পর্কে অবহিত থাকা জরুরি। তবে, বিভিন্ন বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান নিয়ে অভিভাবকদের সতর্ক হতে হবে বলেই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। অতিরিক্ত হিংসা যাতে কম বয়সিরা না দেখে, বিশেষত বয়ঃসন্ধিকালে থাকা ছেলেমেয়েরা যাতে অপরাধমূলক অনুষ্ঠান বিশেষ না দেখে, সে সম্পর্কে অভিভাবকদের সতর্ক থাকা জরুরি। কারণ, অনেক ক্ষেত্রে তারা এই ধরনের অপরাধ দেখে তা অনুকরণের চেষ্টা করে। যা তাদের জন্য মর্মান্তিক হতে পারে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • WHO: বাড়ছে মিজেলস, রুবেলা! শিশুদের জন্য সতর্কবার্তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

    WHO: বাড়ছে মিজেলস, রুবেলা! শিশুদের জন্য সতর্কবার্তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা মহামারীর দাপটের স্মৃতি এখনও তরতাজা! এর মধ্যেই আরেক আশঙ্কার কথা জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। বিশেষত শিশুদের জন্যই এই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তারা। দ্রুত সরকারি পদক্ষেপ ছাড়া এই বিপদ আটকানো যাবে না বলেও তারা জানিয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, সচেতনতাই পারবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুস্থ রাখতে।

    কোন বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)?

    সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, হাম, মিজেলস ও রুবেলা ভাইরাসের প্রকোপ বেড়েছে। ইউরোপ ও আফ্রিকার একাধিক দেশে কয়েক লাখ শিশু এই রোগে আক্রান্ত। ভারতের জন্যও আশঙ্কা রয়েছে। তাই বিশ্ব জুড়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। তাদের তরফে জানানো হয়েছে, শিশুদের সুস্থ রাখতে এই তিন রোগ সম্পর্কে সজাগ হতে হবে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)? 

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ভ্যাকসিন হচ্ছে সব চেয়ে বড় হাতিয়ার। শিশুর ন’মাস বয়সের পরে এমএমআর ভ্যাকসিন নেওয়া আবশ্যক। তাহলেই এই বিপদ কমানো যাবে। চিকিৎসকরাও জানাচ্ছেন, ভ্যাকসিন নেওয়া থাকলে রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি ৮০ শতাংশ কমে। আর আক্রান্ত হলেও বড় বিপদ হয় না। তাই ভ্যাকসিনকেই রোগ মোকাবিলার সব চেয়ে বড় হাতিয়ার হিসেবে জানাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)।

    কেন বাড়লো এই রোগের প্রকোপ? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, করোনা কালে একাধিক বিপর্যয় চলেছে। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে শুধু মৃত্যু বিপর্যয় হয়নি। যারা সদ্যোজাত, তাদের জন্যও নানা জটিল পরিস্থিতি তৈরি করেছিল করোনা। সংক্রমণের ভয়ে অধিকাংশ বাবা-মা শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে যাননি। ফলে, তাদের অনেককে ভ্যাকসিন দেওয়া যায়নি। স্কুল বন্ধ থাকার কারণে স্কুলে স্কুলে ভ্যাকসিন নিয়ে যে প্রচার হয়, সেটাও বন্ধ ছিল। অনেক সময়ই শিশুর ন’মাস বয়সে ভ্যাকসিন দেওয়া হয় না। ১৪ বছর পর্যন্ত শিশুকে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। করোনার জেরে এক দিকে সদ্যোজাতদের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়নি, তেমনি স্কুলেও ভ্যাকসিন প্রোগ্রাম বন্ধ ছিল। তাই সব মিলিয়ে পরিস্থিতি জটিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) রিপোর্ট অনুযায়ী, গোটা পৃথিবীর ৮০ কোটি শিশু ২০২০-২২ সালের মধ্যে এমএমআর ভ্যাকসিন থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

    কীভাবে সতর্ক হবেন? 

    চিকিৎসকদের পরামর্শ, এই রোগ থেকে বাঁচতে ভ্যাকসিন হবে প্রথম হাতিয়ার। কিন্তু তার পরেও আক্রান্ত হলে, অযথা ভয় নয়। বরং সচেতনতার মাধ্যমে শিশু দ্রুত সুস্থ হবে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের ভাইরাসে আক্রান্ত হলে কয়েকটি উপসর্গ স্পষ্ট হয়। যেমন, জ্বর, সর্দি-কাশি। মুখের ভিতরে সাদা গুটি দেখা যায়। দেহের একাধিক জায়গায় লাল গুটি স্পষ্ট হয়। বিশেষত, কানের পিছনে লাল গুটি দেখা যায়। এই লক্ষণ দেখলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তবেই বড় বিপদ এড়ানো যাবে বলে জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল (WHO)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: তৃণমূল নেতার গোয়াল ঘরে মজুত বোমায় বিস্ফোরণ, উড়ে গেল টালির চাল

    Murshidabad: তৃণমূল নেতার গোয়াল ঘরে মজুত বোমায় বিস্ফোরণ, উড়ে গেল টালির চাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ফরাক্কা ব্লকের উত্তর ইমামনগর বিডিও মোড় সংলগ্ন একটি আমবাগানে খেলতে গিয়ে বোমা ফেটে আহত বেশ কয়েকজন শিশু। অপরদিকে রানীনগরে এক তৃণমূল নেতার বাড়ির গোয়াল ঘরে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। বোমার আতঙ্কে গ্রাম বাংলা কতটা সুরক্ষিত? এই প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা।

    ফরাক্কায় কীভাবে আহত হল শিশু?

    সোমবার সকাল সাড়ে ১১ টা নাগাদ ঘটে এই দুর্ঘটনা। গুরুতর ভাবে যে শিশুরা আহত হয়, তারা হল, আরিয়ান শেখ (৮), দাউদ শেখ (১০), আসাদুল সেখ (৭), সুভান শেখ (১১), ইমরান শেখ (৯)। এরা প্রত্যেকেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র। এলাকার আমবাগানে বোমাকে বল ভেবে খেলতে গিয়ে এই শিশুরা আহত হয় বলে জানা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের লোকজন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রথমে শিশুদের উদ্ধার করে এবং এরপর ফরাক্কা (Murshidabad) বেনিয়াগ্রাম প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। এইভাবে আমবাগানের মধ্যে বোমা পড়ে থাকায় গ্রামবাসীদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছায় ফরাক্কা থানার পুলিশ। পঞ্চায়েত ভোটের মুখে এই ভাবে কারা বোমাগুলি ছড়িয়ে ছিটিয়ে রেখেছিল, তা পুলিশ তদন্ত করে দেখছে বলে জানা গেছে।

    রানীনগরে বোমা বিস্ফোরণ

    এবার বিস্ফোরণ হল রানীনগর (Murshidabad) থানার নবীরমোড় এলাকায়। তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী মফিজুল মোল্লার বাড়ির সামনে গোয়াল ঘরে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। জানা যায়, সোমবার দুপুরে এই বিস্ফোরণ ঘটে। গোয়াল ঘরে প্রচুর বোমা মজুত করা ছিল। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে, গোয়াল ঘরের টালির চাল পর্যন্ত উড়ে গিয়েছে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

    রাজ্যের নির্বাচনকে ঘিরে মনোনয়নের সময় থেকেই ভাঙড়, ক্যানিং, মথুরাপুর, চোপড়া, খানকুল, পিংলা, নানুর, সাহেবগঞ্জ, বকচা ইত্যাদি এলাকায় প্রচুর বোমাবাজি হয়েছে। ড্রামে ড্রামে ভর্তি করা বোমা পাটক্ষেত বা আমবাগান থেকে উদ্ধার হয়েছে। ফলে নির্বাচনের দিন এই অবৈধ বোমার ব্যবহার করা হবে কিনা, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করছে বলে মনে করছেন মানবাধিকার কর্মীরা। রাজনৈতিক মহল বিশেষ করে বিরোধীরা এই বোমাবাজি, বোমা বিস্ফোরণ নিয়ে শাসক দলের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়তই সরব হচ্ছেন। এখন এই বোমার বোঝায় নির্বাচন কেমন কাটে, সেটাই দেখার। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anganwadi Center: দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে অতিষ্ঠ এলাকার মানুষ, বাদ যাচ্ছে না অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রও!

    Anganwadi Center: দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে অতিষ্ঠ এলাকার মানুষ, বাদ যাচ্ছে না অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতের অন্ধকারে এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে দুষ্কৃতীরা! তাদের তাণ্ডবে কার্যত অতিষ্ঠ দাসপুরের খাটবাড়ই এলাকার মানুষ। দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব থেকে বাদ যাচ্ছে না এলাকার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রও (Anganwadi Center)। তাই স্বাভাবিকভাবেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। একইসঙ্গে মানুষের ক্ষোভও বাড়ছে।

    কীভাবে তাণ্ডব চালাচ্ছে দুষ্কৃতীরা (Anganwadi Center)?

    এলাকার ভুক্তভোগী মানুষজন জানাচ্ছেন, দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যা চলছে। রাত বাড়লে দুষ্কৃতীরা বেপরোয়া হয়ে ওঠে। দাসপুর এক নম্বর ব্লকের বাসুদেবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের খাটবাড়ই এলাকায় তারা দাপিয়ে বেড়ায়। বাড়ে মদ্যপদের দাপাদাপি। এমনকী রেহাই পায় না শিশুদের জন্য তৈরি এলাকার আইসিডিএস কেন্দ্রও (Anganwadi Center)। গত বুধবার রাতে তাণ্ডব কার্যত চরমে ওঠে। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় আইসিডিএস কেন্দ্রের চেম্বার। বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। জানা গিয়েছে, দাসপুরের প্রত্যন্ত এলাকার এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে পড়াশোনা করে প্রায় ৬০ জন শিশু। প্রায় ৪০ জন গর্ভবতী মহিলার পুষ্টিকর খাদ্যেরও সরবরাহ করা হয় এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থেকেই। কিন্তু সেখানেই দুষ্কৃতীদের দাপটে চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী থেকে সহায়িকাদের।

    কী বলছেন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের (Anganwadi Center) কর্মীরা?

    অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী কাবেরী সিংহরায়ের অভিযোগ, এর আগে পানীয় জলের ট্যাপের মুখ খুলে নিয়ে চম্পট দিত দুষ্কৃতীরা। পরে তারা ভেঙে ফেলে আস্ত কল। ফলে এখন পানীয় জলের বন্দোবস্ত করতে হয় বাইরে থেকেই। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের আবর্জনা ফেলার জন্য দিন কয়েক আগে তৈরি করা হয়েছিল চেম্বার। এবার সেই চেম্বারটিকেও ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। এমন কাণ্ডে রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের (Anganwadi Center) কর্মী থেকে এলাকাবাসীর মধ্যে। উল্লেখ্য, অতীতেও এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে তালা ভেঙে চুরির ঘটনা ঘটেছিল। কিন্তু এত কিছুর পরেও কেন টনক নড়েনি প্রশাসনের? সে নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। গোটা বিষয়টি পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে জানিয়েছেন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মীরা। কেন এমন ঘটনা ঘটছে, তা খতিয়ে দেখা হবে বলেই জানাচ্ছেন দাসপুর এক পঞ্চায়েত সমিতির আধিকারিকরা। এখনও পর্যন্ত থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। তবে গোটা বিষয়টি নিয়ে থানার দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানিয়েছেন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মীরা। এতকিছুর পরেও আদৌ কি এলাকায় কমানো যাবে দুষ্কৃতিদের তাণ্ডব? বাগে আনা যাবে মদ্যপদের? এটাই এখন বড় প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cough Syrup: ৪ বছরের কমবয়সিদের কাশির সিরাপ না খাওয়ানোর নির্দেশ কেন্দ্রীয় সংস্থার, কী কারণ?

    Cough Syrup: ৪ বছরের কমবয়সিদের কাশির সিরাপ না খাওয়ানোর নির্দেশ কেন্দ্রীয় সংস্থার, কী কারণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার বছরের কমবয়সি শিশুদের জন্য সর্দি-কাশি কম করার জন্য নানা ধরনের সিরাপকে (Cough Syrup) নিষিদ্ধ ঘোষণা করল ভারতের ওষধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা— সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অরগানাইজেশন (সিডিএসসিও)। সম্প্রতি একটি সমীক্ষার মাধ্যমে জানা গিয়েছে, কাশির সিরাপে ২০১৯ সালের মাঝামাঝিতে বিশ্বব্যাপী গাম্বিয়া, উজবেকিস্তান এবং ক্যামেরুনে মোট ১৪১ জন শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। আর তাই ভারতে সতর্কতা জারি করে বেশ কিছু কাশির সিরাপকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তালিকায় রয়েছে অ্যান্টি-কোল্ড ড্রাগ, তাকেও এক নির্দেশিকায় নিষিদ্ধ করেছে বলে জানা গিয়েছে।

    কোন কোন সিরাপ নিষিদ্ধ (Cough Syrup)?

    শীতের সময় ঠান্ডা লাগলেই থাকে সাধারণ ভাবে। আর তাই ঠান্ডা আর কাশি (Cough Syrup) থেকে মুক্তি পেতে কাশির সিরাপের ব্যবাহার ব্যাপাক ভাবে বেড়ে যায়। তবে সব সিরাপ ব্যবহার যোগ্য এমনটাও নয়। শিশুদের জন্য ফিক্সড ড্রাগ কম্বিনেশন বা এফডিসি-র অন্তর্গত কোনও সিরাপ ঠান্ডায় ব্যবহার করা যাবে না বলে কেন্দ্রীয় সংস্থা জানিয়েছে। সেই সঙ্গে আরও বলা হয়, ক্লোরোফেনিরামাইন ম্যালেট এবং ফেনাইলেফ্রাইন— এই দুই ধরনের উপাদান মিশ্রিত ওষধ বন্ধ করতে হবে। এমনকী, নিজের উৎপাদনের উপর সতর্কতা জ্ঞাপক কথা হিসাবে “৪ বছরের কম বয়সি শিশুদের মধ্যে এফডিসি ব্যবহার করা উচিত নয়” লিখতে হবে বলে গত ১৮ ডিসেম্বর ওষধ প্রস্তুত কারক সংস্থাগুলিকে একথা জানিয়েছে সিডিএসসিও। 

    সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোলের বক্তব্য

    সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অরগানাইজেশন জানিয়েছে, “২১০৪টি পরীক্ষার রিপোর্টে দেখা গিয়েছে ১২৮টি সংস্থার মধ্যে ৫৪টি ওষধ কাশি (Cough Syrup) নিরাময়ে সাফল্য লাভ করেনি। বর্তমানে বিভিন্ন প্রদেশের ওষধের নমুনা সংগ্রহ করে এই সমীক্ষা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, গাম্বিয়ার ৬৬টি শিশু মারা গিয়েছে নিম্নমানের ওষধ খাওয়ার কারণেই। এর পরে পরেই আমেরিকা এবং গাম্বিয়ার স্বাস্থ্য দফতরের যৌথ উদ্যোগে কাশির সিরাপের নমুনা সংগ্রহ করে সমীক্ষা করেছে বলে জানা গিয়েছে। আর তারপর থেকে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রক এই সিরাপ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” এই প্রসঙ্গে অবশ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অবশ্য পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশুদের সর্দি-কাশির সমস্যাগুলির চিকিৎসার জন্য ওভার-দ্য-কাউন্টার কাশি সিরাপ ব্যবহার না করাই ভালো বলে জানিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share