Tag: China Covid 19

China Covid 19

  • China: সামনেই চিনা নববর্ষ, করোনার মধ্যেই ভ্রমণ সংক্রান্ত একাধিক বিধিনিষেধ তুলে নিল জিনপিং সরকার

    China: সামনেই চিনা নববর্ষ, করোনার মধ্যেই ভ্রমণ সংক্রান্ত একাধিক বিধিনিষেধ তুলে নিল জিনপিং সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভ্যন্তরীণ বা বিদেশফেরত ভ্রমণকারীদের জন্য কোয়ারেন্টিন তুলে নিল চিন। আজ, রবিবার থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে সেদেশে। আবার কোভিড অতিমারি শুরুর পর থেকেই আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য চিনের দরজা বন্ধ রেখেছিল জিনপিং সরকার। এর পর বিদেশ থেকে চিনে যাওয়া ব্যক্তিদের গেলে কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশও দিয়েছিল। কিন্তু এবারে কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা তুলে নিল চিন। সামনেই চিনা নববর্ষের সূচনা উৎসব। প্রায় তিন বছর পর সেই উৎসব হবে চিনে। তার আগে পর্যটকদের জন্য বন্ধ দরজাও খুলল চিন। ২০২০ সালের পর এইবার প্রথম কোনও বিধিনিষেধ ছাড়াই দেশের অভ্যন্তরে যেকোনও জায়গায় সফর করতে পারবেন নাগরিকরা।

    করোনা বিধিনিষেধ তুলে নিল চিন

    চিনে যখন কোভিডের বাড়বাড়ন্ত, তখনই এমন সিদ্ধান্ত নিল চিন সরকার। চিনে নতুন করে করোনার দাপট দেখা গেলে জিরো কোভিড নীতি চালু করা হয়েছিল। জিরো কোভিড নীতিতে বাধ্যতামূলক ছিল কোয়ারান্টিন এবং লকডাউন। কিন্তু চিনের নাগরিকদের বিক্ষোভের পর গত ডিসেম্বরে জিরো কোভিড নীতি বাতিলের ঘোষণা করে চিন। এই নীতির বিরুদ্ধে চিনের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ শুরু হয়। তারপরই কঠোর বিধিনিষেধ শিথিল করে চিন। ফলে চিনের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, চিনে আগত অভ্যন্তরীণ যাত্রীদের জন্য কোয়ারেন্টিন তুলে দেওয়া হচ্ছে। কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে বাড়িতেই থাকতে পারবেন। কোয়ারেন্টিন সেন্টারে যেতে হবে না। যদিও, কঠোর নীতি শিথিল করার পরই চিনে কোভিডের বাড়বাড়ন্ত দেখা দিয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২০ সালের মার্চ থেকে, চিনে আগত সকল ব্যক্তিকে কেন্দ্র সরকারের ব্যবস্থাপনায় কোয়ারেন্টিনে থাকতে বাধ্য করা হত। এবার সেই নিয়ম উঠে যাচ্ছে ।

    আরও পড়ুন: করোনার প্রকৃত তথ্য প্রকাশ না করায় এবার চিনের সমালোচনা করল হু-ও

    আগামী ৪০ দিনে ২ বিলিয়ন লোকের যাতায়াত চিনে!

    আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে যাবে চিনা নববর্ষের ছুটি। চিনের বড় উৎসব এই নববর্ষ। ফলে তার আগেই ভ্রমণ সংক্রান্ত একাধিক বিধিনেষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে। এমনকী বিদেশ ভ্রমণের জন্য পাসপোর্ট তৈরি ও ভিসা দেওয়ার জন্য ৮ জানুয়ারি থেকে আবেদন করা যাবে বলে জানা গিয়েছে। এর আগে করোনার কারণে দেশের অভ্যন্তরেই একাধিক জায়গায় সফরে একাধিক নিষেধাজ্ঞা বহাল ছিল। ২০২০ সাল থেকেই সেই নিষেধাজ্ঞা ছিল। এই প্রথম সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, আগামী ৪০ দিনে প্রায় ২ বিলিয়নের বেশি মানুষ চিনের বিভিন্ন প্রান্তে সফর করবেন। তবে চিনে সমস্ত রকমের বিধিনিষেধ তুলে দেওয়ার ফলে পরবর্তীতে বিশ্বব্যাপী এর প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

  • Covid-19 in China: আগামী বছর চিনে কোভিডে মৃতের সংখ্যা হবে ১০ লক্ষের বেশি! চাঞ্চল্যকর দাবি বিশেষজ্ঞের

    Covid-19 in China: আগামী বছর চিনে কোভিডে মৃতের সংখ্যা হবে ১০ লক্ষের বেশি! চাঞ্চল্যকর দাবি বিশেষজ্ঞের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিড ঘিরে ভয়াবহ পরিস্থিতি অব্যাহত চিনে (Covid-19 in China)। হু হু করে করোনা আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ফলে নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনা। চিনে সদ্য কোভিডের কঠোর বিধি তুলে নেওয়া হয়েছে। ‘জিরো কোভিড’ নীতি আরও কিছুটা শিথিল করা হচ্ছে। তারপর থেকেই এক লাফে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে চিনে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যদি চিন কঠোর কোভিড বিধি তুলে নেয়, তাহলে সম্ভবত ২০২৩ সালের শেষে গিয়ে ১০ লক্ষের বেশি কোভিডে মৃতের সংখ্যা হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন, মাত্র তিন মাসের মধ্যেই চিনের ৬০ শতাংশ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হবেন।

    চিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, গতকাল, ১৯ ডিসেম্বর নতুন করে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে ৪,৬৬৬। যেখানে ১৮ ডিসেম্বরই এই সংখ্যা ছিল ১,৯৫৯। বর্তমানে চিনের মোট অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা ৩,৮৩,১৭৫। আক্রান্তের সংখ্যার পাশাপাশি বেড়েছে মৃতের সংখ্যাও। কোভিড নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর ডিসেম্বর মাসের ৩ তারিখ পর্যন্ত কোভিডে সেদেশে কোনও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। কিন্তু এরপরেই গতকাল ৭ জনের মৃত্যুর খবর জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেদেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৫,২৪২ (Covid-19 in China)।

    চিনে করোনায় মৃতের সংখ্যা হতে পারে ১০ লক্ষ!

    মার্কিন প্রতিষ্ঠান ‘হেলথ মেট্রিক্স অ্যান্ড ইভোলিউশন’ জানিয়েছে, চিনে জিরো কোভিড (COVID 19) পলিসি এবং লকডাউন শুরু না করলে আগামী বছরের মধ্যে মৃতের সংখ্যা হতে পারে ১০ লক্ষেরও বেশি। আরও জানানো হয়েছে, ২০২৩ সালের ১ এপ্রিলের মধ্যে ৩,২২০০০ জনের মৃত্যু হতে পারে শুধু কোভিডে। পরিসংখ্যান বলছে, চিনে ওই সময়ে বেড়ে যেতে পারে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। সেই সময়ই কোভিডের ‘পিক’ হতে পারে। আইএইচএমই ডিরেক্টর ক্রিস্টোফার মারে বলছেন, কেউ ভাবতে পারেনি যে জিরো কোভিড নীতিতে এতদিন পর্যন্ত তাঁরা আটকে থাকবেন (Covid-19 in China)।

    আরও পড়ুন: কোভিড-১৯ ম্যান মেড! উহানের ল্যাব থেকেই ছড়িয়েছিল ভাইরাস, দাবি বিজ্ঞানীর

    উল্লেখ্য, চিনের জিরো কোভিড পলিসি শুরু করার পরেই তীব্র প্রতিবাদ, আন্দোলনে নামে সেদেশের সাধারণ মানুষ। তাই শেষ পর্যন্ত চিনা প্রশাসনের তরফে লকডাউনের সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। আর লকডাউন এবং জিরো কোভিড পলিসি শিথিল করার পরেই ফের নতুন করে কোভিড সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে বলে খবর।

    চিনের জনসংখ্যার ৬০ শতাংশই কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা

    আরও এক বিশেষজ্ঞের মতে, চিনের মোট ১.৪ বিলিয়ন জনসংখ্যার ৬০ শতাংশই কোভিডে আক্রান্ত হবে। চিনের সবথেকে যা উদ্বেগের কারণ তা হল ভ্যাকসিন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, চিন সরকার কোভিড ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ দেওয়ার উদ্যোগ নিলেও সেদেশের মানুষরা তা নিতে অনিচ্ছুক। যার মধ্যে রয়েছে ৮০ বছর ও ৮০-র বেশি বয়সী বয়স্করা। ফলে এই আবহে চিনের বয়স্করা কোভিডে বেশি প্রভাবিত হবে বলে জানা গিয়েছে (Covid-19 in China)।

LinkedIn
Share