Tag: china covid situation

china covid situation

  • China Covid Situation: বেজিংয়ের মিথ্যা ফাঁস! উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়ল চিনের বেলাগাম করোনা পরিস্থিতি

    China Covid Situation: বেজিংয়ের মিথ্যা ফাঁস! উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়ল চিনের বেলাগাম করোনা পরিস্থিতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনে করোনা মহামারীর ঢেউ আবার শুরু হয়েছে। সে দেশে করোনা পরিস্থিতি (China Covid Situation) ২০১৯-২০২০ সালের ছবিকে মনে করাচ্ছে। ওমিক্রনের সাব ভ্যারিয়েন্ট বিএফ.৭-এর দাপট চলছে সমগ্র চিন জুড়ে। বেজিংয়ের দাবি, চলতি ঢেউয়ে দেশে মাত্র ৫ হাজার জন মারা গেছেন। কিন্তু,  বেসরকারি মতে আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা অনেকটাই বেশি। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর দাবি, প্রতিদিন গড়ে ১০ লক্ষ করে মানুষ করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন এবং ৫০০০ মানুষ করোনাতে মারা যাচ্ছেন। 

    উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়লো চিনের মিথ্যাচার

    চিনের সরকারি বিবৃতি যে পুরোপুরি মিথ্যা তা প্রমাণ হল সাম্প্রতিক প্রকাশিত উপগ্রহ চিত্রে। সেখানে ধরা পড়ল বেলাগাম করোনা পরিস্থিতিতেও কিভাবে সেখানকার মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন। Maxar Technologies এর শেয়ার করা উপগ্রহ চিত্রে বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। বেজিং থেকে বেশ কিছু দূরে একটি নতুন দেহ সৎকার স্থল তৈরি করা হয়েছে। সৎকার স্থলের বাইরে গাড়ির লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে। যারফলে প্রশ্ন উঠছে এমন করোনা পরিস্থিতি (China Covid Situation) নিয়ে চিন সরকার কি সত্যিই সিরিয়াস? করোনার দাপটে রোগীদের জন্য হাসপাতালে শয্যা নেই, প্রয়োজনীয় ওষুধ নেই তার সঙ্গে এই ভিড় করোনা পরিস্থিতিকে (China Covid Situation) বেলাগাম করে তুলছে।

    এমন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে (China Covid Situation) রেকর্ড মৃত্যু হচ্ছে সে দেশে। আন্তর্জাতিক কিছু সংবাদ সংস্থা দাবি করেছে করোনা নিয়ে মৃত্যুর পরিসংখ্যানে চিন সরকার মিথ্যাচার করছে। তাদের দাবি আক্রান্তের সংখ্যা এবং মৃতের সংখ্যা চেপে যেতে চাইছে চিন। কিন্তু বিশ্বের মানুষের কাছে চিনের পরিস্থিতি (China Covid Situation) প্রকাশ্যে চলে এলো এই উপগ্রহ চিত্রগুলির দৌলতে।

    তথ্য গোপন করছে চিন, অভিযোগ হু-এর

    চিনে সাংহাই শহরের স্থানীয় প্রশাসন ইতিমধ্যে জানিয়েছে যে সে শহরে ৭০% নাগরিকই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। জনসংখ্যার হিসাব অনুযায়ী, ২ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ। ইতিমধ্যে তথ্য গোপন করার অভিযোগ আনা হয়েছে চিনের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগ এনেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তাদের দাবি যে সঠিক পরিসংখ্যান এবং তথ্য চিন প্রকাশ করুক যে করোনাতে (China Covid Situation) সে দেশে কত লোকের মৃত্যু হচ্ছে এবং প্রতিদিন কত আক্রান্ত হচ্ছে।

    সৎকার স্থলের জনৈক কর্মীর দাবি

    চিন সরকারের দাবি, সৎকারের জন্য প্রতিটি পরিবারকে কয়েক মিনিট করেই সময় দেওয়া হচ্ছে এবং কোনও রকমের জমায়েত সেখানে হয়নি। কিন্তু এ যে সম্পূর্ণ মিথ্যা তা প্রমাণিত হল উপগ্রহ চিত্রে। আমেরিকার সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক বিবৃতিতে সৎকার স্থলের জনৈক এক কর্মী বলেন যে আমি এখানে ছয় বছর ধরে কাজ করছি এমন ব্যস্ততা কখনও দেখিনি। ক্রমাগত ফোন বেজেই চলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • China Covid: বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, ফের লকডাউন চিনে

    China Covid: বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, ফের লকডাউন চিনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। তাই আবারও লকডাউনের (Lockdown) সিদ্ধান্ত নিল চিন প্রশাসন। প্রশাসনের এহেন সিদ্ধান্তের আওতায় আসবেন চিনের ২০৮ মিলিয়ন মানুষ। জানা গিয়েছে, দেশের ২৮টি শহরে এই লকডাউন জারি করা হয়েছে। এই শহরগুলির মধ্যে রয়েছে উহানও। বছর তিনেক আগে এই উহানেই প্রথম খোঁজ মিলেছিল মারণ ভাইরাসের (China Covid)। সম্প্রতি করোনার নয়া স্ট্রেইনের সন্ধান মিলেছে। এটি আগেরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি সংক্রামক। চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping) সাফাই গেয়েছেন লকডাউনের পক্ষে। তিনি একে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রুখতে জনতার যুদ্ধ আখ্যা দিয়েছেন। তার পরেই প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছে তাঁর জিরো-কোভিড টলারেন্স নীতি।

    করোনার এই যে দুটি নয়া স্ট্রেইন চোখ রাঙাচ্ছে চিনে, সেগুলি ভয় ধরিয়েছে সে দেশের প্রশাসনের বুকেও। আধিকারিকদের মতে, এবার যে সংক্রমণ হচ্ছে, সেজন্য দায়ী বিএফ.৭ এবং বিএ.৫.১.৭। চিনের স্পেশালিস্ট ফার্ম নোমুরা জানিয়েছে, সরকারি পরিসংখ্যান এবং আমাদের সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে দেশের ২৮টি শহরে বিভিন্ন পর্যায়ের লকডাউন জারি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, উহান জেলায় প্রায় ৮ লক্ষ মানুষকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ঘরবন্দি থাকতে বলা হয়েছে। এই উহানেই চলতি সপ্তাহে প্রতিদিন নথিভুক্ত কোভিড (China Covid) রোগীর সংখ্যা বাড়ছে ২৫ জন করে।

    আরও পড়ুন: পুজোর মুখে ঊর্ধ্বমুখী রাজ্যের করোনা গ্রাফ, পজিটিভিটি রেট বেড়ে ৫.৩১%

    শহরে ঢোকার বিভিন্ন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ওয়াংঝাউয়ে। অর্থনৈতিক দিক থেকে এটি চিনের চতুর্থ বৃহত্তম শহর। বৃহস্পতিবার দিনভর শহরবাসীকে বন্দি থাকতে হয়েছে ঘরেই। আশপাশের শহরগুলিতে ক্রমেই বাড়ছে সংক্রমণের বহর। সেই কারণেই আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে অবলম্বন করা হয়েছে এই পন্থা। করোনার (China Covid) বাড়বাড়ন্তে দেশের অর্থনীতি হাল খারাপ হতে শুরু করেছে চিনে। জিডিপি পড়ে গিয়েছে ২.৬ শতাংশ। চলতি আর্থিক বর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকের হিসেব এটি। এদিকে, করোনা (China Covid) ঠেকাতে একটি টিকা আবিষ্কার করেছে সাংহাই। নয়া এই ভ্যাকসিন ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরে নিতে হবে না, ইনহেল করতে হবে। বিশ্বে এটাই প্রথম এই ধরনের করোনা প্রতিষেধক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share