Tag: Chit Fund

Chit Fund

  • K. D. Singh: লগ্নিকারীদের সঙ্গে প্রতারণা! উত্তরপ্রদেশে মামলায় অভিযুক্ত প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ কে ডি সিং

    K. D. Singh: লগ্নিকারীদের সঙ্গে প্রতারণা! উত্তরপ্রদেশে মামলায় অভিযুক্ত প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ কে ডি সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লগ্নিকারীদের সঙ্গে প্রতারণার করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ কে ডি সিং-এর (K. D. Singh) বিরুদ্ধে। মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সেন্ট্রাল বিউরো অফ ইনভেস্টিগেশন। কে ডি সিং ছাড়াও আরও ছয়জনের বিরুদ্ধে উত্তরপ্রদেশের ভাদোহি জেলায় লগ্নিকারীদের ঠকানোর অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগ অ্যালকেমিস্ট রিয়েলিটি (Alchemist Reality) এবং অ্যালকেমিস্ট টাউনশিপ লিমিটেডের (Alchemist Township Project) আওতায় ২০০৯ সালে বিনিয়োগ করতে বলা হয়েছিল। এই দুটি কোম্পানিতে যারা বিনিয়োগ করেছেন তাঁদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে। এর আগেও ভুঁইফোড় সংস্থা খুলে প্রতারণার মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। ইডি তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। নতুন মামলায় ফের বিপাকে প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ।

    বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারনার অভিযোগ  (K. D. Singh)

    জানা গিয়েছে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ করা অর্থের  ১৮% বার্ষিক রিটার্ন এবং বিনিয়োগের পরিমাণ অনুসারে জমি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ উঠছে হাজারো বিনিয়োগকারীকে না জমি দেওয়া হয়েছে, না তাদের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। ২০১৮ অবধি বিনিয়োগকারীরা তাঁদের টাকা ফেরত পাওয়ার আশায় ছিলেন। এবছর কোম্পানির (Alchemist) আধিকারিকদের উপর বিনিয়োগকারীরা টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া শুরু করতেই কোম্পানি দফতর গুটিয়ে পালায়, এমনটাই এফআইআরে অভিযোগ করা হয়েছে। কে ডি সিং  (K. D. Singh) ছাড়া আর বাকি ৬ জন অভিযুক্ত কোম্পানির ডিরেক্টর এবং অফিসের আধিকারিক বলে জানা গিয়েছে।

    পশ্চিমবঙ্গেও মামলা রয়েছে কে ডি সিং-এর বিরুদ্ধে  (K. D. Singh)   

    অ্যালকেমিস্ট এর বিরুদ্ধে উত্তরপ্রদেশে মামলা হওয়ার আগে পশ্চিমবঙ্গে একাধিক মামলা রয়েছে (K. D. Singh)  তাঁর বিরুদ্ধে। সারদা রোজভ্যালি ছাড়া অ্যালকেমিস্ট সংস্থাও সেবি’র কালো তালিকাভুক্ত ভুঁইফোড় সংস্থা বলে  চিহ্নিত হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গেও আলকেমিস্টের ফাঁদে পড়ে কয়েক হাজার মানুষ সর্বস্ব খুইয়েছেন। “যে ব্যক্তি চিট ফান্ড খুলে বহু মানুষকে প্রতারণা করেছে বলে অভিযোগ তাঁকেই একদা তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যসভার সাংসদ করেছিল।

    আরও পড়ুন: ভরদুপুরে সিনেমার কায়দায় বেলঘরিয়ায় ব্যবসায়ীর গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি

    সারদা চিটফান্ড সহ অন্যান্য মামলা এখন স্মৃতির অতলে চলে গিয়েছে। নতুন যে মামলা হয়েছে তাতে যেন যারা সাধারণ মানুষকে ঠকিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠছে তাঁদের সঙ্গে যাতে ন্যায় বিচার হয়।” বলছেন বিজেপি মুখপাত্র রাজর্ষি লাহিড়ি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chit Fund: সব চিটফান্ড মামলার বিচার হবে একই আদালতে, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Chit Fund: সব চিটফান্ড মামলার বিচার হবে একই আদালতে, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারদা (Sarada), রোজভ্যালি (Rose Valley), টাওয়ার, এমপিএসের মতো সব বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার (Chit Fund) বিচার প্রক্রিয়া হবে একই আদালতে। আগেই এ ব্যাপারে আদালতের কাছে আর্জি জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তার পরেও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় আলাদা আলাদা আদালতে বিচার চলছিল নানা চিটফান্ড মামলার। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, এবার থেকে রাজ্যের বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন চিটফান্ড মামলাগুলির বিচার করতে হবে আদালতের একই এজলাসে। আদালতের আরও নির্দেশ, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্ত বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার মামলার বিচার প্রক্রিয়া সিবিআই আদালতে করার ব্যবস্থা করতে হবে হাইকোর্টের রেজিস্ট্রারকে।

    বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থা (Chit Fund)…

    প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় এজেন্সির পাশাপাশি এমপিএসের কর্ণধার প্রবীর কুমার চন্দ্র সহ তিনজন আদালতে বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন আদালতে মোট ২৮টি মামলা চলছে। সেগুলির তদন্ত করছে সিবিআই। সেই সমস্ত মামলা এক জায়গায় এনে বিচার করা হোক। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতেই সব মামলা একই সিবিআই আদালতে চালানোর নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সারদা, রোজভ্যালির মতো অর্থলগ্নি সংস্থাগুলির (Chit Fund) বিরুদ্ধে মামলা চলছে বেশ কয়েক বছর ধরে। কিন্তু আজও সিবিআই কিংবা ইডি ওই সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিতে পারেনি।

    ২০১৩ সালে প্রকাশ্যে এসেছিল সারদা চিটফান্ড কেলেঙ্কারি। তারপর থেকে ঝুলি থেকে বের হতে থাকে একের পর এক চিটফান্ড কেলেঙ্কারি। এমপিএস, পিনকন, টাওয়ার, ত্রিভুবন অ্যাগ্রো সহ বহু চিটফান্ডের বিরুদ্ধে দায়ের হয় একাধিক মামলা। সারদা কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আসতে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন সুদীপ্ত সেন, দেবযানী মুখোপাধ্যায় সহ আরও অনেকে। পরে গ্রেফতার করা হয় রোজভ্যালির কর্ণধার গৌতম কুণ্ডুকেও। তারও পরে ধরা পড়েন আইকোর কর্তা অনুকূল মাইতি সহ অন্যরা। সেই থেকেই জেল খেটে চলেছেন তাঁরা।

    আরও পড়ুুন: ‘গরমে মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে’! মমতাকে কটাক্ষ করে আর কী কী বললেন সুকান্ত?

    ২০১৪ সাল থেকে সারদা ও রোজভ্যালি (Chit Fund) মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। তদন্ত শুরু হয়েছে নারদকাণ্ডেও। তার পর থেকে এ পর্যন্ত কোনও মামলায়ই চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিতে পারেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সারদা কেলেঙ্কারির পিছনে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তারপর এতগুলো বছর কেটে গেলেও, সেই ষড়যন্ত্রের কিনারা করতে পারেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chit Fund: বীরভূমে চিটফান্ডের হদিশ, আত্মসাত ৩০ কোটি, যুবক গ্রেফতার

    Chit Fund: বীরভূমে চিটফান্ডের হদিশ, আত্মসাত ৩০ কোটি, যুবক গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খবরের শিরোনামে অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) জেলা বীরভূম। এবার পর্দা ফাঁস চিটফান্ডকাণ্ডের (Chit Fund)। ৩০ কোটিরও বেশি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ। জেলার প্রায় দেড়শো যুবকের কাছে সুদ সহ টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই পরিমাণ টাকা তোলা হয়েছে। পরে সংস্থাকে দেউলিয়া ঘোষণা করে গা ঢাকা দেন সংস্থার কর্ণধার শুভ্রায়ন শীল নামে এক যুবক। রবিবার তাঁকে আটক করেছে বোলপুর থানার পুলিশ। বীরভূমে গোরুপাচার মামলার তদন্তে নেমে একাধিক দুর্নীতির হদিশ পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। ওই মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে। বর্তমানে তিনি বন্দি জেলের অন্ধকার কুঠুরিতে। সিবিআইয়ের দাবি, লটারির টিকিটের মাধ্যমে গোরু পাচারের কোটি কোটি কালো টাকা সাদা করা হয়েছে। এহেন আবহে জেলায় চিটফান্ডের হদিশ মেলায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    কারবার…

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এসএস কনসালটেন্সি নামের একটি সংস্থা (Chit Fund) শেয়ার বাজারে লগ্নির নামে বাজার থেকে তুলেছে কোটি কোটি টাকা। চড়া সুদ সহ টাকা ফেরত দেওয়ার নাম করে ব্যক্তি বিশেষে দু লাখ থেকে শুরু করে দু কোটি টাকা পর্যন্ত তুলেছে এই সংস্থা। এভাবে তারা বাজার থেকে তুলেছে ৩০ কোটি টাকারও বেশি। পরবর্তীকালে নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করে গা ঢাকা দেন সংস্থার কর্তাব্যক্তিরা। মাস তিনেক পরে সংস্থার কর্ণধার শুভ্রায়নকে খুঁজে পান লগ্নিকারীরা। তাঁর বিরুদ্ধে প্রলোভন দেখিয়ে ১৫০ জনেরও বেশি যুবকের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

    আরও পড়ুুন: বাজেটে রেকর্ড বরাদ্দ, অথচ জমি জটে আটকে রেল প্রকল্প, খরচ কীভাবে?

    শুভ্রায়নকে জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করেছে বোলপুর থানার পুলিশ। তিনি শহরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। শুভ্রায়নের গ্রেফতারির খবর পেয়ে তাঁর বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান লগ্নিকারীরা। তিনি বলেন, আমি একটা কোম্পানি খুলেছিলাম। তাতে আমার অনেক টাকা লোকসান হয়েছে। টাকা ফিরিয়ে দেব বলে আমি ওঁদের কাছে সময় চেয়েছিলাম।

    কয়েকজন লগ্নিকারী বলেন, সুদ সহ টাকা ফেরত দেবে বলে আমাদের কাছে টাকা তুলেছিল (Chit Fund)। বোলপুরের শতাধিক ছেলে লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়েছে। সেই টাকা না ফিরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। ৩০ কোটির বেশি টাকা লুঠ করেছে। আমরা চাই পুলিশ আমাদের টাকা আদায় করে দিক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Chit Fund Scam: চিটফান্ড কাণ্ডে চারজনকে গ্রেফতার সিবিআই-এর, কোন মামলার তদন্ত?

    Chit Fund Scam: চিটফান্ড কাণ্ডে চারজনকে গ্রেফতার সিবিআই-এর, কোন মামলার তদন্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিট ফান্ড (Chit Fund) কাণ্ডে মঙ্গলবার আরও চারজনকে গ্রেফতার করল সিবিআই (CBI)। সন্মার্গ চিটফান্ড সংস্থার তদন্তে নেমে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে হালিশহর পুরসভার চেয়ারম্যান রাজু সাহানিকে। এবার সংস্থায় ডেপুটি ম্যানেজার, ফান্ডিং ডিরেক্টর, টেরটরি ম্যানেজার-সহ মোট চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার নজরে রয়েছে বীজপুরের তৃণমূল বিধায়ক সুবোধ অধিকারী এবং তাঁর ভাই তথা কাঁচরাপাড়া পুরসভার চেয়ারম্যান কমল অধিকারী। আর এবার মঙ্গলবার চিটফান্ড মামলায় কলকাতায় তল্লাশি চালাল সিবিআই। গতকাল বিরাটি থেকে এই ৪ জনকে গ্রেফতার করেন সিবিআই গোয়েন্দারা। তাদেরকে জেরা করে নতুন তথ্য হাতে পেয়েছেন গোয়েন্দারা। তবে এই তল্লাশি অভিযানের সঙ্গে রাজু সাহানির মামলার সরাসরি যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও জানা যায়নি।   

    আরও পড়ুন: গরুপাচার মামলায় কেন হবে সিআইডি তদন্ত? রাজ্যের জবাব তলব হাইকোর্টের       

    সিবিআই সূত্রে খবর, বিরাটি থেকে ধৃত চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে যে নয়া তথ্য মিলেছে, তার ভিত্তিতেই দক্ষিণ কলকাতার একটি আবাসনে তল্লাশি অভিযান চালান আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, ২৫৫ নং যোধপুর পার্কের দ্বিতীয় তলায় এক চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানো হয়৷ অন্যদিকে, গণেশ চন্দ্র অ্যাভিনিউতেও তল্লাশি করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা।   

    আরও পড়ুন: স্বস্তি জিতেন্দ্রর, কয়লা পাচার কাণ্ডে সিআইডি তদন্তে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    জানা যায়, সকাল সকাল তিনটি গাড়িতে করে সিবিআই তদন্তকারীরা তল্লাশি অভিযানে বের হন। এর মধ্যে একটি গাড়ি যোধপুর পার্কের একটি  বহুতলে যায়। ফ্ল্যাটটির মালিক চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। তিনি তখন বাড়িতেই ছিলেন। তাঁর এবং তাঁর পরিবারের লোকের সঙ্গে তদন্তকারীরা কথা বলছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে ঠিক কোন মামলার তদন্ত চালানো হচ্ছে সে বিষয়ে এখনই কিছু বলতে নারাজ তদন্তকারী গোয়েন্দারা। তাই এই সিবিআই হানা নিয়ে ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share