Tag: Chittagong

Chittagong

  • Bangladesh: ইউনূসের বাংলাদেশে শুরু প্রতিরোধ, চট্টগ্রামে গণরোষে মৃত ২ জামাত নেতা

    Bangladesh: ইউনূসের বাংলাদেশে শুরু প্রতিরোধ, চট্টগ্রামে গণরোষে মৃত ২ জামাত নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনূসের বাংলাদেশে (Bangladesh) ক্ষুদ্ধ জনতার হাতে এবার নিহত দুই জামাত নেতা। পালাবদলের বাংলাদেশে এই দুই নেতার বিরুদ্ধে ব্যাপক সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ ছিল, অবশেষে গণরোষে তাঁদের মরতে হল। জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রামের (Chittagong) সাতকানিয়া উপজেলার এওচিয়ায়। এখানেই ক্ষুব্ধ জনতা ওই দুই জামাত নেতাকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে বলে খবর। নিহত দুই জামাত নেতার নাম নেজাম উদ্দিন ও আবু সালেহ বলে জানা গিয়েছে। দুজনেরই বয়স প্রায় ৩৫ বছর হবে বলে চট্টগ্রামের পুলিশ জানিয়েছে। একইসঙ্গে এই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরও ৫ জন। যাঁদের মধ্যে দুজনের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক বলে জানা যাচ্ছে।

    পালাবদলের বাংলাদেশে (Bangladesh) সন্ত্রাস চালাত জামাত নেতারা

    বাংলাদেশের (Bangladesh) সংবাদপত্র প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গতকাল সোমবার রাত ১০টা নাগাদ সাতকানিয়ার এওচিয়া ইউনিয়নের ছনখোলা ১ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, নিহত জামাত নেতা নেজামের দেহের পাশে পড়ে রয়েছে একটি রিভলবার। অভিযোগ, গত বছরের ৫ অগাস্ট আওয়ামি লিগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে ওই এলাকায় নেজাম ও তার সহযোগীরা সন্ত্রাস চালাত। এবার সেই নেজামকেই পিটিয়ে মেরে ফেলল উত্তেজিত জনতা।

    ঘটনার বিস্তৃত বিবরণ (Bangladesh)

    প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতের নামাজের পর ৯টার দিকে অন্তত ২০ জন সশস্ত্র অনুগামীকে নিয়ে স্থানীয় জামাত নেতা নেজাম উদ্দিন এওচিয়া ইউনিয়নের ছনখোলা এলাকায় যান। সেখানে দাঁড়াতেই এলাকার জনগণ স্থানীয় মসজিদ থেকে মাইকে ‘ডাকাত আসছে ডাকাত আসছে’ বলে ঘোষণা করে দেয়। এরপরেই তৈরি হয় ব্যাপক ভিড়। এমন সময় নেজামের সহযোগীরা জনতাকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছুঁড়তে থাকে। আধঘণ্টা ধরে চলে গোলাগুলি। অবস্থা বেগতিক বুঝে পালাতে যায় জামাত নেতারা। এই আবহে মধ্যেই আরও ১০০ থেকে ১৫০ এলাকাবাসী লাঠিসোটা ও দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে ভিড় করে।

    পুলিশও সমীহ করত নেজামকে (Bangladesh)

    নেজাম ও তাঁর সহযোগী আবু সালেহসহ আরও কয়েকজনকে ধরে ফেলে জনতা। ক্ষুব্ধ জনতার মারধরে নেজাম ও আবু সালেহ ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ঘটনায় আরও অন্তত পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হলেও ইকবাল ও ওবায়দুল হক নামের দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা নেজাম উদ্দিন ও তাঁর সহযোগীরা এলাকায় ফিরে আসেন বলে জানা গিয়েছে। এরপর থেকে নেজাম ও তাঁর বাহিনী তোলাবাজি শুরু করে। চলতে থাকে সন্ত্রাস। জানা গিয়েছে, ইউনূস জমানায় পুলিশও ওই দুই জামাত নেতাকে সমীহ করে চলত।

  • Masterda Surya Sen: আজ ‘মাস্টারদা’র আত্মবলিদান দিবস, ১২ জানুয়ারি ফাঁসি হয় বিপ্লবী সূর্য সেনের

    Masterda Surya Sen: আজ ‘মাস্টারদা’র আত্মবলিদান দিবস, ১২ জানুয়ারি ফাঁসি হয় বিপ্লবী সূর্য সেনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ মাস্টারদা (Masterda Surya Sen) সূর্য সেনের আত্মবলিদান দিবস।  ১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি তাঁর ‘ফাঁসি’ হয়। ফাঁসির আগে মাস্টারদার ওপর নৃশংস অত্যাচার চালায় ব্রিটিশ পুলিশ। পিটিয়ে হাতুড়ি দিয়ে সূর্য সেনের দাঁত ও নখ ভাঙা হয়। গোটা শরীরের হাড়পাঁজরা টুকরো টুকরো করা হয়। সেই অবস্থাতেই তাঁকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল বলে জানা যায়। মৃত্যু ঘোষণার পরে সূর্য সেনের পরিবারের হাতে দেহ তুলে দিয়ে সৎকারের ব্যবস্থাও করা হয়নি।

    জন্ম ১৮৯৪ সালের ২২ মার্চ (Masterda Surya Sen) 

    জানা যায়, বিপ্লবী সূর্য সেনের (Masterda Surya Sen) আসল নাম সূর্যকুমার সেন। ডাকনাম ছিল কালু। ১৮৯৪ সালের ২২ মার্চ চট্টগ্রামের রাউজান থানার নোয়াপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। তাঁর মায়ের নাম ছিল শশীবালা সেন এবং পিতার নাম রাজমণি সেন। জানা যায়, পিতা-মাতার অকালপ্রয়াণের পর কাকা গৌরমণি সেনের কাছে বড় হন মাস্টার দা সূর্য সেন। দয়াময়ী উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়, নোয়াপাড়া উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়, নন্দনকাননের ন্যাশনাল হাইস্কুল, চট্টগ্রাম কলেজ ও পরে বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজে তিনি পড়তে আসেন বলে জানা যায়। বহরমপুর থেকে থেকে বিএ পাশ করে চট্টগ্রামে (Chittagong) ফিরে ন্যাশনাল হাইস্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন তিনি।

    মাথার দাম ঘোষণা করা হয় ১০ হাজার

    পরে দেওয়ানবাজারে উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়ে গণিত শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন তিনি। এ সময় থেকেই বিপ্লবীদলের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ বাড়তে থাকে। তখনই তিনি হয়ে ওঠেন ‘মাস্টারদা’ (Masterda Surya Sen)। ইংরেজ শাসকের কাছে ত্রাস হয়ে ওঠেন তিনি। ইতিহাসের পাতায় আজও যা লিপিবদ্ধ হয়ে আছে। ব্রিটিশদের ত্রাস মাস্টারদার (Masterda Surya Sen) মাথার দাম প্রথমে ৫০০০ টাকা এবং পরবর্তীতে ১০,০০০ টাকা ঘোষণা করা হয়। জানা যায়, গৈরলা গ্রামে ক্ষীরোদপ্রভা বিশ্বাসের বাড়িতে আত্মগোপন করে থাকাকালীন তাঁকে ধরে ব্রিটিশ পুলিশ।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: ৮ দফা দাবিতে হিন্দুদের বিরাট গণসমাবেশ চট্টগ্রামে, ঢাকার অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা

    Bangladesh: ৮ দফা দাবিতে হিন্দুদের বিরাট গণসমাবেশ চট্টগ্রামে, ঢাকার অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) ৮ দফা দাবিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরাট গণসমাবেশ। এই সমাবেশ থেকে ঢাকার অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা ছিলেন  বাংলাদেশ সনাতন জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র এবং পুণ্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণদাস ব্রহ্মচারী। তিনি কট্টর মৌলবাদী ইসালামি জেহাদিদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “সনাতনীদের এদেশ থেকে উৎখাতের চেষ্টা হলে পরিণতি ভয়াবহ হবে। সনাতনীদের (Hindu Mass Gathering) উপর অত্যাচার যত হবে আমরা তত বেশি ঐক্যবদ্ধ হব। দাবি আদায়ে বিভাগ ও জেলায় সমাবেশ শেষে আমরা ঢাকা অভিমুখে লংমার্চ করব।”

    ট্রাইব্যুনাল গঠন করে হিন্দু নির্যাতনের বিচার (Bangladesh)

    শুক্রবার, বাংলাদেশে (Bangladesh) মহম্মদ ইউনূস পরিচালিত অন্তর্বর্তী সরকারের সীমাহীন হিন্দু নিধনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম শহরের লালদিঘি মাঠে গণসমাবেশ করেন নির্যাতিত হিন্দুরা। গত ৫ অগাস্ট গণভবনে ছাত্র আন্দোলনের নামে ওই দেশে রাজনৈতিক তীব্র অস্থিরতা শুরু হয়। ছাত্র আন্দোলনের নামে জামাত এবং বিএনপি সমর্থকরা দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছে। এরপর দেশের বেশিরভাগ থানা, আওয়ামী লীগ সমর্থক সহ হিন্দুদের উপর চরম আঘাত নেমে আসে। আইনের শাসন ছিল না। অন্তর্বর্তী সরকারে সেনার শাসন থাকলেও জেলা থেকে শহর সর্বত্র হিন্দুদের বাড়ি-ঘর, দোকান, চাষের জমি সহ সম্পত্তি লুট, মন্দির ধ্বংস করা, হিন্দু নারীদের জোর তুলে নিয়ে ধর্ষণের মতো ঘটনা বহু জায়গায় ঘটেছে। এবছর হিন্দুদের বড় উৎসব দুর্গাপুজোর নানা ভাবে হামলা করেছে দুষ্কৃতীরা। চলেছে নির্বিচারে হত্যাকাণ্ড। এই অবস্থায় ভারতের কোচবিহার সীমান্তে প্রচুর শরণার্থী আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। তবুও ইউনূস প্রশাসন নির্বিকার। সকল অত্যচারের বিরুদ্ধে এদিন বিরাট প্রতিবাদ সভা হয় লালদিঘিতে। সমস্ত হিন্দুরা মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। এদিনের আট দাফ দাবির মধ্যে ছিল, ট্রাইব্যুনাল গঠন করে সংখ্যালঘু হিন্দু (Hindu Mass Gathering)  নির্যাতনের বিচার, সংখ্যালঘু কমিশন সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় গঠন এবং দুর্গাপুজায় ৫ দিন ছুটি ঘোষণা।

    এদেশ ছেড়ে কোথাও যাব না

    শুক্রবারের সমাবেশে নিপীড়িত হিন্দু (Hindu Mass Gathering) সমাজের (Bangladesh) দাবি ছিল, ‘‘আমার মাটি আমার মা এদেশ, কোথাও ছেড়ে যাব না।’’ এই স্লোগান দিয়ে হাজার হাজার নারী-পুরুষ, ছাত্র-ছাত্রী সহ প্রচুর মানুষ দলে দলে সমাবেশে যোগদান করেন। বেলা আড়াইটার পর থেকে চট্টগ্রাম শহর এবং বিভিন্ন জেলা, উপজেলা থেকে জনসমাগম আসতে শুরু করে। বেলা ৩টেয় লালাদিঘি মাঠ ভর্তি হয়ে আশেপাশের এলাকা ভরে যায়। বিকশিবিট থেকে শুরু করে কেসি দে রোড, জেল রোড, লাল দিঘির চারপাশ হয়ে কতোয়ালি মোড় পর্যন্ত লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সকলের হাতেই পতাকা ফেস্টুন ছিল।

    দ্বিতীয়–তৃতীয় শ্রেণির নাগরিক নই

    এদিন বক্তা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস বলেন, “কেউ যদি আমাদের (Bangladesh) উৎখাত করে শান্তিতে থাকার চেষ্টা করেন, তাহলে এভূমি আফগানিস্তান হবে, সিরিয়া হবে। সাম্প্রদায়িক আচরণ করে কোনও শক্তি গণতান্ত্রিক সুবিধা পাবেন না। ক্ষমতার পরিবর্তন হলেও দেশে কোনও স্থিরতা আসছে না। সহনশীলতা লুপ্ত হচ্ছে। সম্মানবোধ হারিয়ে যাচ্ছে, শিক্ষককে পদত্যাগ করানো হচ্ছে। শুধু সংখ্যালঘু পরিচয়ে ৯৩ জনকে পুলিশের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে হিন্দুদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। আমরা এই অপকর্মের বিরদ্ধে নীরব থাকতে পারব না। বাংলাদেশে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তাতে আমাদের আপত্তি নেই। দ্বিতীয়–তৃতীয় শ্রেণির নাগরিক নই আমরা, তাই আমাদের স্বার্থকে আঘাত করে সংবিধান সংশোধনকে মানব না। পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি একজন হিন্দু (Hindu Mass Gathering) হয়েছেন। আর এ দেশে একজনকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করা হয়েছে। জেএম সেন হলে মামলায় আসামিদের জামিন হয়ে গেল। আমাদের ধর্মের অনুভূতিতে আঘাত হানলে জামিন পায়। আর হিন্দুধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতির কথা বললে গ্রেফতার করে জেলে ঢোকানো হচ্ছে। এই কাজ অত্যন্ত অন্যায়। প্রশাসন-সরকার অত্যন্ত অমানবিক আচরণ করছে।”

    আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার আন্দোলন

    আবার পটিয়া পাঁচরিয়া তপোবন আশ্রমের অধ্যক্ষ রবীশ্বরানন্দ পুরী মহারাজ বলেন, “এই মাটির (Bangladesh) স্বাধিকারের জন্য বিপ্লবী সূর্য সেনরা জীবন দিয়েছেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথে থাকব। এই আন্দোলন আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার আন্দোলন।” একই ভাবে এদিন শংকর মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ তপনানন্দ গিরি মহারাজ, ইসকন প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের অধ্যক্ষ লীলারাজ গৌর দাস ব্রহ্মচারী, বাঁশখালী ঋষিধামের মহন্ত সচিদানন্দ পুরী মহারাজ, কৈবল্যধামের মহারাজ কালিপদ ভট্টাচার্য, স্বামী গোপীনাথ মহারাজ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। ক্রমবর্ধমান হিন্দু অত্যাচারের বিরুদ্ধে একাটাই আওয়াজ, এই দেশ কাউর বাপ-দাদার নয়, আমরা দেশ ছেড়ে যাবো না।

    শুভেন্দুর প্রতিক্রিয়া

    পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপির বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী বাংলাদেশে (Bangladesh) এই প্রতিবাদ সভা সম্পর্কে বলেন, “বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সনাতনী সম্প্রদায়ের (Hindu Mass Gathering) উপর আধিপত্য বিস্তার ও নিপীড়নের মধ্যেই, হিন্দুরা আজ বাংলাদেশের চট্টগ্রাম শহরের ঐতিহাসিক লাল দিঘিতে সমবেত হয়েছে। আমি সীমান্তের ওপারের আমার সনাতনী বোন ও ভাইদের আশ্বস্ত করতে চাই, এই সংকটের সময়ে আমরা আপনাদের পাশে আছি। প্রকৃতপক্ষে, সারা বিশ্বের সমগ্র সনাতন সম্প্রদায় আপনার সাথে আছে। ধৈর্য ধরে থাকুন, ঐক্যবদ্ধ থাকুন এবং শক্ত থাকুন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশের পাহাড়ে অমুসলিমদের উপর হিংসা, আদিবাসীদের অবরোধে স্তব্ধ পার্বত্য চট্টগ্রাম

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশের পাহাড়ে অমুসলিমদের উপর হিংসা, আদিবাসীদের অবরোধে স্তব্ধ পার্বত্য চট্টগ্রাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে সেনা এবং মুসলিম কট্টরপন্থীরা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী চাকমাদের উপর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। গণহত্যার শিকার হচ্ছে পার্বত্য বাংলাদেশের আদি বাসিন্দারা। এমনই অভিযোগ তুলল ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি জনজাতি সংগঠন। অবিলম্বে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে স্মারকলিপি পাঠিয়েছে তারা। শুক্রবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ওই স্মারকলিপি পাঠানো হয়। সূত্রের খবর, বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিস্থিতি ভায়াবহ। সেনাবাহিনীর অত্যাচারের প্রতিবাদে সেখানে শনিবার সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বৈষম্য বিরোধী পাহাড়ি ছাত্র আন্দোলন। সেনার গুলিতে  বৃহস্পতিবার সেখানে তিনজন পাহাড়িয়াবাসী মারা যায়। তারপরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি।

    ঘটনার সূত্রপাত

    সূত্রের খবর, বুধবার খাগড়াছড়ি নোয়াপাড়া এলাকায় মহম্মদ মামুন নামে এক দুষ্কৃতী মোটরসাইকেল চুরি করে পালাতে গিয়ে দুর্ঘটনার মুখে পড়েন। আহত অবস্থায় ধরা পড়ার পরে তাঁকে মারধর করা হয়। পরে তিনি হাসপাতালে মারা যান। স্থানীয় দিঘিনালা সরকারি কলেজের বিএনপি এবং জামাতে ইসলামির সমর্থক ছাত্ররা অভিযোগ তোলে মানুনকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। এরই জেরে ঝামেলা শুরু হয়। অভিযোগ, কলেজ থেকে মিছিল নিয়ে গিয়ে খাগড়াছড়ি শহরের বোয়ালপাড়া বাজার, লারমা স্কোয়ারের মতো এলাকায় অমুসলিম আদিবাসীদের বাড়িঘর, দোকান, ধর্মস্থান ভেঙে আগুন ধরানো হয়। পিটিয়ে মারা হয় কয়েক জনকে।

    হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই অত্যাচার

    আদিবাসীদের অভিযোগ, হাসিনা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই বাইরে থেকে এসে বসতি গড়া লোকেরা চাকমাদের উপরে হামলা, জমি দখল এবং দেশছাড়ার জন্য হুমকি দিতে শুরু করেছে। হামলাকারীদের প্রত্যক্ষ মদত দিচ্ছে বাংলাদেশ সেনা। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলা, খাগড়াছড়ি, বান্দারবন এবং রাঙামাটিতে আদি বাসিন্দা চাকমা এবং অন্যান্য জনজাতি গোষ্ঠীর উপর গত ৭২ ঘণ্টা ঘরে ধারাবাহিক হামলা চলছে। খুন হয়েছেন অন্তত ১০ জন অমুসলিম। পোড়ানো হয়েছে চাকমা, কুকি, ব্রু এবং অন্যান্য আদিবাসী সম্প্রদায়ের হাজারেরও বেশি বাড়িঘর, ধর্মস্থান, দোকান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ সেনা, বিজিবি এবং র‌্যাব বাহিনীও বিচ্ছিন্নতাবাদী দমনের অছিলায় অমুসলিমদের উপর নির্বিচারে হামলা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ। চট্টগ্রামের সমতল এলাকাতেও বৌদ্ধ, হিন্দু, খ্রিস্টানদের উপর হামলার ঘটনা ঘটছে। পরিস্থিতি সামলাতে সেনা মোতায়েন করা হলেও তাতে অমুসলিম জনজাতিদের মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। পরিকল্পিত ভাবে অন্তর্বর্তী সরকার হিংসা ছড়িয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে জনবিন্যাসের চরিত্র বদলে দিতে চাইছে বলে অভিযোগ। 

    দীর্ঘমেয়াদি আন্দোলনের ডাক

    শুক্রবার চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি-সহ বিভিন্ন এলাকার সমাবেশ করে দীর্ঘমেয়াদি আন্দোলনের ডাক দিয়েছে পাহাড়ে বসবাসকারী চাকমা-সহ বিভিন্ন অমুসলিম জনজাতি সংগঠনগুলি। তাঁদের ‘আদিবাসী’ তকমা ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার সক্রিয় হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে ‘মার্চ ফর আইডেন্টিটি’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে পাহাড়ি অমুসলিমরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঢাকার সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামে ১৪৪ ধারা জারি করেছে। কিন্তু তাতে সমস্যা বাড়বে বলেই মত সাধারণ বাসিন্দাদের।

    কবে থেকে সংঘাতের শুরু

    আশির দশকে পার্বত্য চট্টগ্রামের জনবিন্যাস বদলে দেওয়ার উদ্দেশ্যে সেনাশাসক জিয়াউর রহমানের আমলে প্রায় ৫০ হাজার সমতলের মানুষকে পাহাড়ে বসতি গড়ে দেওয়া হয়। ‘সেটলার’ নামে পরিচিত সেই জনগোষ্ঠী আজ সংখ্যায় বহুগুণ বেড়ে চাকমা ও অন্য জনজাতিদের অস্তিত্বের সঙ্কটে ফেলে দিয়েছে। আর সেখান থেকেই সংঘাতের সূত্রপাত। নতুন সরকারের আমলে তাঁদের ‘আদিবাসী’ পরিচয়ও মুছে ফেলার চেষ্টা শুরু হয়েছে বলে চাকমা সংগঠনগুলির অভিযোগ। কয়েকশো বছর ধরে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় কুকি-চিন জনগোষ্ঠীর বাস। ভারত এবং মায়ানমার সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের অঞ্চলগুলি নিয়ে কুকি স্বশাসিত অঞ্চলের দাবিতে দীর্ঘ দিন ধরেই লড়াই চালাচ্ছে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)। সম্প্রতি কুকি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দমনের নামে নতুন করে অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ সেনা এবং র‌্যাব। জঙ্গি দমন অভিযানের নামে সাধারণ কুকিদের উপর অত্যাচারের অভিযোগও উঠেছে।

    আরও পড়ুন: কীভাবে হিজবুল্লার বিরুদ্ধে পেজার অপারেশনের ছক কষেছিল মোসাদ?

     প্রধানমন্ত্রী মোদির হস্তক্ষেপ দাবি 

    বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলে অমুসলিমদের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদে ত্রিপুরার শিল্প-বাণিজ্য ও কারামন্ত্রী সান্তনা চাকমা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখেছেন। চিঠিতে তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদির হস্তক্ষেপ দাবি করে জানিয়েছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবনে হিংসায় মোট ৪০ জন জনজাতি বা পাহাড়ের আদি বাসিন্দা নিহত হয়েছেন। ১০০ বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে, ভারতে জনজাতিদের একাধিক সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হস্তক্ষেপ দাবি করেছে। চাকমা ফাউন্ডেশন অফ ইন্ডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা সুহাস চাকমা, ভারতের জাতীয় তফশিলি উপজাতি কমিশনের সদস্য নিরুপম চাকমা এবং মিজোরামের বিধায়ক রশিক মোহন চাকমা প্রধানমমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে চট্টগ্রামে চাকমাদের উপর মুসলিমদের নির্যাতনের প্রতিবাদে বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থগিত রাখার দাবি জানিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Sitrang: বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের আঘাতে মৃত বেড়ে ৩৫

    Cyclone Sitrang: বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের আঘাতে মৃত বেড়ে ৩৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে সিত্রাং (Cyclone Sitrang) ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে শেষ খবর অনুযায়ী ৩৫ জন নিহত হয়েছে। সংবাদসূত্রে জানা গিয়েছে, ১০ হাজারেরও বেশী ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    বাংলাদেশের দূর্যোগ মোকাবিলা মন্ত্রকের মুখপাত্র মহম্মদ মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সরকার ঘূর্ণিঝড় (Cyclone Sitrang) মোকাবিলার জন্য ৬ হাজার দুশো পঁচিশটি নিরাপত্তা কেন্দ্র প্রস্তুত রেখেছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ২ লক্ষেরও বেশী মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।এক সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, ১০ হাজার ঘরবাড়ি জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে এবং ৬ হাজার হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে,জমি গুলি জলমগ্ন।

    তবে বিভিন্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে মূলত বাংলাদেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ পশ্চিমের উপকূলীয় অঞ্চল গুলিতেই ঝড়ের প্রভাবে বেশী লক্ষ্যণীয়।

    [tw]


    [/tw] 

    এদিকে, বাংলাদেশে জাতিসংঘের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভাসানচর দ্বীপের প্রায় ৩০ হাজার ও কক্সবাজারে ১০ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে কোনও বন্যা বা বড়োসড়ো ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

    ভারতের উওর পূর্বের রাজ্যগুলিতে এই ঝড়ের (Cyclone Sitrang) প্রভাব দেখা গিয়েছে।উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলির কিছু অঞ্চলে ঝড়ের দাপটে কিছু গাছ উপড়ে পড়েছে এবং বেশ কিছু ঘরবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, সিত্রাং ঘূর্ণিঝড়টি সোমবার রাত সাড়ে ৯ টা থেকে সাড়ে ১১ টা নাগাদ পশ্চিমবঙ্গ উপকূল ঘেঁষে বাংলাদেশের বরিশালে এসেই তান্ডব শুরু করে।

    উত্তর পূর্বের রাজ্য মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের (Cyclone Sitrang) কারণে, মেঘালয়ের বিভিন্ন জেলাগুলিতে ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন করতে জেলা কালেক্টরদের সাথে বৈঠক করেন। ড্রোন ব্যবহার করে দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন করে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে ত্রাণ তুলে দেবার নির্দেশ দিয়েছেন।

    [tw]


    [/tw] 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • India vs Bangladesh: ঈশানের দ্বি-শতরান, কোহলির সেঞ্চুরি! ২২৭ রানে বাংলাদেশকে হারাল ভারত

    India vs Bangladesh: ঈশানের দ্বি-শতরান, কোহলির সেঞ্চুরি! ২২৭ রানে বাংলাদেশকে হারাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নিয়মরক্ষার ম্যাচে রেকর্ডের পর রেকর্ড গড়লেন ঈশান কিষান, বিরাট কোহলি। প্রথম জন হাঁকালেন ডাবল সেঞ্চুরি। আর বিরাট কোহলি থামলেন শতরান করে। দুই ব্যাটসম্যানের সৌজন্যে ভারত নিয়মরক্ষার ম্যাচে বাংলাদেশকে হারাল ২২৭ রানে। এই জয় হয়তো হোয়াইট ওয়াশের হাত থেকে ভারতকে বাঁচালো ঠিকই, কিন্তু সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতল বাংলাদেশ।

    ম্যাচের নায়ক ঈশান

    চট্টগ্রামে শনিবারের মাচের নায়ক ঈশান কিষান। ১৩১ বলে তাঁর সংগ্রহ ২১০ রান। দ্বিশতরান করতে তার লেগেছে ১২৬টি বল। যা একদিনের ক্রিকেটে দ্রুততম। ঈশান ভেঙে দিলেন ক্রিস গেইলের রেকর্ড। ওয়েস্ট ইন্ডিজ তারকা ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ১৩৮ বলে ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন। শুধু তাই নয়, সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরি করলেন ঈশান। তিনি পিছনে ফেললেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে। এদিনের ম্যাচে ঈশানকে যোগ্য সঙ্গত দিয়েছেন বিরাট কোহলি ৯১ বলে করেছেন ১১৩ রান। একদিনের ফরম্যাটে এটি তার ৪৪তম সেঞ্চুরি। একই সঙ্গে মোট আন্তর্জাতিক শতরানের তালিকায় রিকি পন্টিংকে টপকে গেলন তিনি। পন্টিং ৭১টি সেঞ্চুরি করেছেন। কোহলির ঝুলিতে ৭২টি শতরান। শীর্ষে শচীন তেন্ডুলকর (১০০টি)।

    আরও পড়ুন: আগামী তিন মাসে টানা ম্যাচ টিম ইন্ডিয়ার! শ্রীলঙ্কার সঙ্গে খেলা ইডেনেও

    ম্যচের ইতিউতি

    টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেটে ভারত তোলে ৪০৯ রান। যা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এই ফরম্যাটে সবচেয়ে বেশি রান। চোটের কারণে খেলেননি রোহিত শর্মা। তাঁর জায়গায় শিখর ধাওয়ানের সঙ্গে ওপেন করেন ঈশান কিষান। শুরুতেই ফিরে যান শিখর। তবে সেই ধাক্কা সামলে ঈশানের সঙ্গে জুটি বেঁধে বিরাট কোহলি দ্বিতীয় উইকেটে ২৯০ রানের রেকর্ড পার্টনারশিপ গড়েন। ঈশান আউট হওয়ার পর ভারতের বাকি ব্যাটসম্যানরা দ্রুত মাঠ ছাড়েন। না হলে স্কোর আরও বেশি হতে পারত। শ্রেয়স আইয়ার ৩, লোকেশ রাহুল ৮ রান করে আউট হন। অক্ষর প্যাটেল ২০ ও ওয়াশিংটন সুন্দর ৩৭ রান যোগ করেন।
    বাংলাদেশ জবাবে ৩৪ ওভারে ১৮২ রানে অলআউট হয়ে যায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share