Tag: Christian Conversion

  • West Bengal Conversion Row: বিনামূল্যে পড়াশোনা নাকি ধর্মীয় প্রচার! ‘হিলিং’ ও প্রার্থনা সভার আড়ালে ধর্মান্তরণের অভিযোগ

    West Bengal Conversion Row: বিনামূল্যে পড়াশোনা নাকি ধর্মীয় প্রচার! ‘হিলিং’ ও প্রার্থনা সভার আড়ালে ধর্মান্তরণের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মান্তরণকে ‘অত্যন্ত গুরুতর বিষয়’ বলে আগেই চিহ্নিত করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। এর আগে একাধিক বার আদালত জানায়, বেআইনি ভাবে কাউকে ধর্মান্তরিত করা অপরাধ।পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে ধর্মান্তরণ (West Bengal Conversion Row) সংক্রান্ত অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ, হাসনাবাদ, বাঁকুড়ার সোনামুখী এবং জলপাইগুড়িতে সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে খ্রিস্টান ধর্মীয় সংগঠন বা ধর্মপ্রচারকদের বিরোধ প্রকাশ্যে এসেছে। কোথাও বিদেশি নাগরিকের ধর্মীয় কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, কোথাও বিনামূল্যে পড়ানোর কেন্দ্রকে ঘিরে প্রতিবাদ হয়েছে, আবার কোথাও প্রার্থনা ও ‘হিলিং’ কর্মসূচির আড়ালে ধর্মান্তরণের অভিযোগ উঠেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। পুলিশ ও প্রশাসনের তরফে বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফলে অভিযোগ এবং প্রমাণিত তথ্যের মধ্যে পার্থক্য রাখাও জরুরি।

    হিঙ্গলগঞ্জে বিদেশি নাগরিককে ঘিরে বিতর্ক

    সাম্প্রতিক ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভা এলাকায়। অভিযোগ, আর্জেন্টিনার এক নাগরিক বেশ কয়েক মাস ধরে ওই এলাকায় ছিলেন। স্থানীয় সূত্রের দাবি, তিনি বাংলা ভাষা শিখেছিলেন এবং এলাকার কয়েকটি ‘হাউস চার্চ’-এর সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করেছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ অভিযোগ করেন, ওই বিদেশি নাগরিক স্থানীয় মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণে উৎসাহিত করার চেষ্টা করছিলেন। বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। এরপর গ্রামবাসীরা ওই ব্যক্তিকে তাঁর ধর্মীয় কর্মকাণ্ড এবং এলাকায় থাকার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন করেন। তাঁর কাছে প্রয়োজনীয় অনুমতি রয়েছে কি না, ধর্মীয় কার্যকলাপের সঙ্গে তিনি যুক্ত কি না—তা নিয়েও স্থানীয়রা জানতে চান।

    পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ, আর্থিকভাবে দুর্বলরাই নজরে

    হিঙ্গলগঞ্জের সান্দেলেরবিল গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় কথিত ধর্মীয় সমাবেশের খবর পেয়ে পুলিশ তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তাঁদের মধ্যে দু’জন বিদেশি নাগরিক বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিভিন্ন দেশ থেকে আসা কয়েকজন একটি বাড়িতে জড়ো হয়ে আদিবাসী এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বী মানুষকে ধর্ম পরিবর্তনের জন্য প্রভাবিত করার চেষ্টা করছিলেন। স্থানীয়দের দাবি, কলকাতার পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, বাংলাদেশ এবং আর্জেন্টিনা থেকেও লোকজন নিয়মিত ওই বাড়িতে আসতেন। আর্থিকভাবে দুর্বল সুন্দরবন-সংলগ্ন পরিবারের মানুষকে টাকা বা অন্য কোনও সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ ওঠে। তবে পুলিশ এখনও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয়, তাঁদের এলাকায় আসার উদ্দেশ্য এবং ধর্মান্তরণের অভিযোগের কোনও বাস্তব ভিত্তি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে।

    হাসনাবাদে বিনামূল্যে কোচিং কেন্দ্র ঘিরে প্রতিবাদ

    একই ধরনের বিতর্ক দেখা দিয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার হাসনাবাদ এলাকাতেও। একটি খ্রিস্টান পরিচালিত বিনামূল্যের কোচিং সেন্টারে শিশুদের পড়াশোনা করানো হলেও সেখানে যিশু ও বাইবেল সংক্রান্ত (Christian Conversion Activities) বিভিন্ন ধর্মীয় উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ তুলে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবাদ করেন। হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ ওই কেন্দ্রে গিয়ে কার্যকলাপ বন্ধের দাবি জানান। প্রতিবাদকারীদের একজন সুপর্ণা বেরার অভিযোগ, শিশুদের বিনামূল্যে পড়ানোর পাশাপাশি সেখানে খ্রিস্টান ধর্মীয় বিষয়বস্তু সম্পর্কে তাদের জানানো হচ্ছিল। কেন্দ্রের দেওয়ালে যিশুর ছবি থাকার বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই সেখানে এই ধরনের কার্যকলাপ চলছিল। তবে এতদিন স্থানীয়রা সংগঠিতভাবে প্রতিবাদ করেননি। সম্প্রতি স্থানীয়দের একাংশ একত্রিত হয়ে এর বিরোধিতা করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।

    শিশুদের বিনামূল্যে পড়াশোনার সুযোগই উদ্দেশ্য!

    অন্যদিকে, কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তি অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, মূল উদ্দেশ্য ছিল শিশুদের বিনামূল্যে পড়াশোনার সুযোগ করে দেওয়া। স্থানীয় বাসিন্দারা আপত্তি জানানোর পর কেন্দ্রের কার্যক্রম নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে বলেও তিনি জানান। ধর্মীয় কার্যকলাপ নিয়ে স্থানীয়দের আপত্তি থাকলে তা চালিয়ে যাওয়া হবে না বলেও ওই ব্যক্তি ইঙ্গিত দেন।

    সোনামুখীতেও ধর্মীয় অনুষ্ঠান ঘিরে উত্তেজনা

    বাঁকুড়ার সোনামুখীতেও একটি খ্রিস্টান ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের সঙ্গে আয়োজকদের বিরোধের ঘটনা সামনে এসেছে। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ‘হিলিং’ বা প্রার্থনা সভার আড়ালে স্থানীয় মানুষ এবং আদিবাসীদের ধর্মান্তরণের চেষ্টা করা হচ্ছিল। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয় একটি সংগঠনের সদস্যরা অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে আয়োজকদের কাছে বিভিন্ন বই ও বিতরণ করা সামগ্রী সম্পর্কে জানতে চান। কথোপকথনের সময় তাঁরা প্রশ্ন করেন, ওই বইগুলির মধ্যে বাইবেল রয়েছে কি না এবং অনুষ্ঠানে আসলে কী ধরনের বিষয় শেখানো হচ্ছে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, বিতরণ করা সামগ্রী প্রার্থনার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছিল। তবে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দু’পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়।

    জলপাইগুড়িতে ধর্ম নিয়ে তর্কে মুখোমুখি মহিলা ও ধর্মপ্রচারক

    জুলাই মাসে জলপাইগুড়িতেও ধর্মপ্রচারকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার একটি ভিডিও সামনে আসে। সেখানে এক বাঙালি মহিলা এক খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকের সঙ্গে ধর্ম নিয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। ভিডিওতে ওই মহিলাকে সনাতন ধর্মের উৎপত্তি ও পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুলতে দেখা যায়। তিনি বলেন, সনাতন ধর্মের কোনও একক প্রতিষ্ঠাতা নেই এবং ‘সনাতন’ কোনও ব্যক্তির নাম নয়, এটি একটি ধর্মীয় ঐতিহ্য। ঘটনাটি ধর্মীয় প্রচার, বিশ্বাস এবং ধর্মান্তরণ নিয়ে স্থানীয় স্তরে তৈরি হওয়া উত্তেজনারই আরেকটি উদাহরণ হিসেবে সামনে আসে।

    ধর্মান্তরণ নিয়ে বাড়ছে স্থানীয়দের প্রতিবাদ

    হিঙ্গলগঞ্জ, হাসনাবাদ, সোনামুখী এবং জলপাইগুড়ির ঘটনাগুলিকে একসঙ্গে দেখলে একটি বিষয় স্পষ্ট—ধর্মীয় প্রচার ও ধর্মান্তরণের অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় স্তরে প্রতিক্রিয়া বাড়ছে। কোথাও বিদেশি নাগরিকের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, কোথাও শিশুদের পড়াশোনার সঙ্গে ধর্মীয় বিষয়বস্তু যুক্ত করার অভিযোগ উঠছে, আবার কোথাও প্রার্থনা বা ‘হিলিং’ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন স্থানীয়রা। প্রতিবাদকারীদের বক্তব্য, আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবার, আদিবাসী সম্প্রদায় বা শিশুদের শিক্ষা, চিকিৎসা, সাহায্য কিংবা প্রার্থনার নামে ধর্মীয়ভাবে প্রভাবিত করা উচিত নয়। তাঁদের অভিযোগ, টাকা বা অন্য কোনও সুবিধার বিনিময়ে ধর্ম পরিবর্তনের চেষ্টা হলে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

    ধর্মীয় প্রচার-ধর্মীয় শিক্ষা বা প্রলোভন দেখিয়ে ধর্মান্তরণ!

    তবে ধর্মীয় প্রচার বা ধর্মীয় শিক্ষা এবং বেআইনি বা প্রলোভন দেখিয়ে ধর্মান্তরণের মধ্যে আইনি পার্থক্য রয়েছে। কোনও ব্যক্তিকে জোর করে, প্রতারণার মাধ্যমে বা অবৈধ প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ম পরিবর্তনে বাধ্য করা হয়েছে কি না, তা নির্ধারণের জন্য যথাযথ তদন্ত ও প্রমাণ প্রয়োজন। ফলে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলিতে স্থানীয়দের প্রতিবাদ যেমন ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রদায়ের উদ্বেগের বিষয়টি সামনে আনছে, তেমনই অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়াও প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

  • Hindus Under Attack: ভারত ও বিদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা নিয়ে সাপ্তাহিক প্রতিবেদন, একাধিক ঘটনায় উদ্বেগ

    Hindus Under Attack: ভারত ও বিদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা নিয়ে সাপ্তাহিক প্রতিবেদন, একাধিক ঘটনায় উদ্বেগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর হামলার ঘটনা ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে (Hindus Under Attack)। হত্যাকাণ্ড, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি অপবিত্র করা, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—বিভিন্ন ধরনের ঘটনার উল্লেখ রয়েছে সাপ্তাহিক এক প্রতিবেদনে (Roundup Week)। ২৬ জুলাই থেকে ১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের ঘটনাগুলিকে তুলে ধরে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বিশ্বের বহু অঞ্চলে হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন ধীরে ধীরে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, এর পেছনে হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ, ধর্মীয় মতাদর্শ এবং রাজনৈতিক অবস্থানের ভূমিকা রয়েছে।

    ভারতে একাধিক ঘটনা নিয়ে অভিযোগ (Hindus Under Attack)

    কর্নাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কে ছাত্রদের একটি বিক্ষোভ চলাকালীন জেলে থাকা ইসলামপন্থী উগ্রপন্থী উমর খালিদ ও শারজিল ইমামের প্রশংসাসূচক লেখা-সহ উসকানিমূলক প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে অজ্ঞাতপরিচয় এক মহিলার বিরুদ্ধে। পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভের আড়ালে দেশবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগও তোলা হয়েছে। বিবিসির ভারতীয় সংবাদকর্মী গীতা পাণ্ডের বিরুদ্ধে ভারতের হিন্দু ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপনের অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মহাকুম্ভকে “দৃশ্য প্রদর্শনী”, রামমন্দিরকে “ধ্বংস করা মসজিদ” এবং “জয় শ্রী রাম”-কে “হত্যার স্লোগান” হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

    অবৈধ ধর্মান্তর

    উত্তরপ্রদেশে অবৈধ খ্রিস্টান ধর্মান্তর কার্যকলাপের অভিযোগে একটি আন্তঃরাজ্য চক্রের সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছে পুলিশ। লখনউয়ের মোহনলালগঞ্জ এলাকা থেকে পরিচালিত ওই চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে (Hindus Under Attack)। ধৃতদের মধ্যে মূল অভিযুক্ত যাজক ড্যানিয়েল এবং তাঁর স্ত্রীও রয়েছেন। তামিলনাড়ু থেকে উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন জেলায় এই নেটওয়ার্কের যোগাযোগ ছিল এবং প্রলোভন ও সংগঠিত প্রার্থনাসভার মাধ্যমে গ্রামীণ মানুষকে ধর্মান্তরের জন্য নিশানা করা হত বলে দাবি পুলিশের। শিক্ষা সংস্কার এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত অনিয়মের প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া আন্দোলন-উত্তর সময়ে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিতর্কের রূপ নেয় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদনের অভিযোগ, আন্দোলনে অংশ নেওয়া কিছু ব্যক্তির বক্তব্য ছিল হিন্দু-বিরোধী এবং মুসলিমপন্থী। হিন্দু-বিরোধী বক্তব্য আন্দোলনের মঞ্চ থেকে ছড়িয়ে পড়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

    হিন্দু ধর্ম অবমাননা!

    দিল্লির যন্তর মন্তরের ছাত্র বিক্ষোভ পাকিস্তান থেকে পরিচালিত বলে সন্দেহ করা ৪০০-রও বেশি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করে বন্ধ করে দেওয়ার দাবি করেছে দিল্লি পুলিশ। উপ-পুলিশ কমিশনার রোহিত রাজবীর সিংয়ের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। এআই দিয়ে তৈরি ভুয়ো ভিডিও, বিকৃত ছবি এবং এডিটেড সরকারি বিবৃতি ব্যবহার করে জনমত বিভ্রান্ত ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার জন্য একটি আন্তঃসীমান্ত অপপ্রচার চালানো হচ্ছিল বলে পুলিশের অভিযোগ। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের বিরুদ্ধে হিন্দু ধর্ম অবমাননা করার অভিযোগ তুলেছেন প্রতিবেদকরা। বিজেপির সমালোচনার আড়ালে তিনি ধারাবাহিকভাবে হিন্দু-বিরোধী মন্তব্য করছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনায় প্রধান বিচারপতির সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত অভিজিৎ দীপকেকে ভগবান বিষ্ণুর অবতার হিসেবে উল্লেখ করে তিনি হিন্দু ধর্মকে অপমান করেছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

    হিন্দু ‘সেজে’ বিপাকে মনোয়ার আনসারি

    ঝাড়খণ্ডের সাহিবগঞ্জ জেলার বারহেটের বাসিন্দা মনোয়ার আনসারির বিরুদ্ধে ধর্মীয় পরিচয় গোপন করে রাঙ্গার এক নাবালিকা হিন্দু মেয়েকে প্রলোভিত করার অভিযোগ উঠেছে। মেয়েটির মায়ের দায়ের করা এফআইআরে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত নিজেকে মনোহর বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ তাঁকে জেলে পাঠিয়েছে। আদালতে রেকর্ড করা হয়েছে মেয়েটির বয়ানও (Roundup Week)। এক হিন্দু কিশোরীকে ধর্ষণ, নির্যাতন এবং তাঁর আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে ভয়াবহ এক ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। শোয়েব, সালমান এবং আরও এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। হোটেল থেকে আতঙ্কিত অবস্থায় বেরিয়ে আসার সময় জনৈক হিমাংশু পটেল, দেবেন্দ্র পটেল এবং নির্দোষ রাঠোর তাঁর ছবি তুলে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেন বলে (Hindus Under Attack) অভিযোগ। শারীরিক ও মানসিক আঘাতে জর্জরিত নবম শ্রেণির ওই ছাত্রী শেষমেশ আত্মহত্যা করেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

    বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ

    জাতীয় পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে লোকসভায় আলোচনার সময় আইআইটি মাদ্রাজের অধিকর্তা ভি কামাকোটিকে উদ্দেশ করে কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরার মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক ও শিক্ষামহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি “গোমূত্র” শব্দ ব্যবহার করে কটাক্ষ করেছেন। উত্তরপ্রদেশের মিরাটে এক তরুণীকে ভুয়ো পরিচয়ে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক মুসলিম যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তের মা ও মাসির হুমকির পর ওই তরুণী বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্ত আরমান, তাঁর মা ও মাসির বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার মামলা করেছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। কর্নাটকে হিন্দু জনজাগৃতি সমিতির গুরু পূর্ণিমা মহোৎসব নিয়ে এসডিপিআই নেতা আশরাফের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বান্টওয়াল থানায় অভিযোগ দায়ের করে তিনি আয়োজকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এবং গুরু পূর্ণিমার অনুষ্ঠানকে “দেশ-বিরোধী” বলে অভিহিত করেন। ঘটনায় ক্ষুব্ধ বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন ও ভক্তরা।

    হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ ও বৈষম্যের অভিযোগ

    প্রতিবেদনটির দাবি, অধিকাংশ হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষমূলক অপরাধের পেছনে নির্দিষ্ট ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রভাব রয়েছে। ইসলামি দেশগুলিতে হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ তুলনামূলকভাবে স্পষ্ট হলেও, নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষ বলে দাবি করা দেশগুলির প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও আরও সূক্ষ্ম ধরনের হিন্দু-বিরোধী মনোভাব রয়েছে বলে প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে। এই ধরনের দৈনন্দিন বৈষম্য অনেক সময় সরাসরি চোখে পড়ে না। আইন, সরকারি নীতি এবং সামাজিক আচরণের দীর্ঘমেয়াদি ধারা বিশ্লেষণ করলে এর উপস্থিতি বোঝা যায় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি ব্যবহারের ওপর ধীরে ধীরে আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণের যুক্তিতে এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলেও, বৃহত্তর পরিসরে হিন্দু ধর্মীয় উৎসবের ওপর আরোপিত বিভিন্ন বিধিনিষেধ এবং সেগুলির যুক্তির (Roundup Week) মধ্যে অসামঞ্জস্য রয়েছে।প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়েছে, হিন্দুদের ওপর আক্রমণ ও বৈষম্যের ঘটনাগুলিকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে না দেখে (Hindus Under Attack) বৃহত্তর মানবাধিকার সঙ্কটের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

     

  • Hindus Under Attack: রাজস্থানে শিশু পাচারের অভিযোগ থেকে দিল্লি দাঙ্গা মামলার রায়, আইএস জঙ্গি নিয়োগ চক্রে চার্জশিট, আর কী?

    Hindus Under Attack: রাজস্থানে শিশু পাচারের অভিযোগ থেকে দিল্লি দাঙ্গা মামলার রায়, আইএস জঙ্গি নিয়োগ চক্রে চার্জশিট, আর কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের (Hindus Under Attack) ওপর হামলা। এক সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের বহু অঞ্চলে হিন্দুদের ওপর (Roundup Week) নির্যাতনের পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা ধীরে ধীরে গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশ হিন্দুদের ওপর হওয়া হামলার প্রকৃত ব্যাপ্তি ও গভীরতাকে উপেক্ষা করে এসেছে। এর পেছনে হিন্দুবিরোধী পক্ষপাতমূলক মনোভাব কাজ করছে বলেও দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, হিন্দুদের বিরুদ্ধে খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা, প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য-সহ নানা ধরনের নির্যাতনের অভিযোগ সামনে এসেছে। এর ফলে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে হিন্দুদের অস্তিত্ব ও ধর্মীয় স্বাধীনতা ক্রমশ আরও বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে। ১৯ জুলাই থেকে ২৫ জুলাই, ২০২৬ পর্যন্ত সময়কালের ঘটনাবলির ভিত্তিতে তৈরি এই সাপ্তাহিক প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য, হিন্দুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত বলে অভিযোগ ওঠা অপরাধগুলির একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরা এবং এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে বিশ্বের আরও বেশি মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা।

    ধর্মীয় উত্তেজনায় চাঞ্চল্য (Hindus Under Attack)

    দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ, ধর্মীয় উত্তেজনা এবং প্রশাসনিক অভিযানের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রাজস্থানে আদিবাসী শিশুদের পাচারের অভিযোগ, ২০২০ সালের উত্তর-পূর্ব দিল্লি দাঙ্গায় গোয়েন্দা বিভাগের কর্মী অঙ্কিত শর্মা হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়া, চেন্নাইয়ে হিন্দু মুন্নানির নেতার ওপর হামলার অভিযোগ, বিহারে এক স্কুলশিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ, আইএস জঙ্গি নিয়োগ চক্রে এনআইএর চার্জশিট, তামিলনাড়ুর এক মন্দিরের জমি নিয়ে বিতর্ক এবং মহারাষ্ট্রে খাদ্য সুরক্ষা আইনে একটি বেকারি বন্ধ করে দেওয়ার মতো ঘটনাগুলি সামনে এসেছে।

    শিশু পাচারের অভিযোগ

    বিনামূল্যে শিক্ষাদানের টোপ দিয়ে রাজস্থানের উদয়পুর জেলা থেকে তামিলনাড়ুতে পাচার করা হচ্ছিল সাত আদিবাসী শিশুকে। খবর পেয়ে উদ্ধার করা হয় তাদের। উদ্ধার হওয়া শিশুদের মধ্যে দুজন মেয়ে এবং পাঁচজন ছেলে। তাদের বয়স সাত থেকে বারো বছরের মধ্যে। গোয়া রেল পুলিশ শিশুদের উদ্ধার করে। অভিযোগ, রাজস্থান, গুজরাট এবং গোয়া হয়ে তামিলনাড়ু পর্যন্ত বিস্তৃত একটি সংঘবদ্ধ চক্র এই পাচারের সঙ্গে জড়িত। অভিযোগ, ধর্মান্তরের উদ্দেশ্যে এই নেটওয়ার্ক কাজ করছিল (Hindus Under Attack)। এদিকে, ২০২০ সালের উত্তর-পূর্ব দিল্লির দাঙ্গায় গোয়েন্দা বিভাগের কর্মী অঙ্কিত শর্মা হত্যাকাণ্ডে আম আদমি পার্টির প্রাক্তন কাউন্সিলর (Roundup Week) তাহির হুসেন-সহ পাঁচজনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে দিল্লির একটি আদালত। এই মামলার রায়কে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

    বাছুর জবাইয়ের অভিযোগ

    তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ে হিন্দু মুন্নানির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শ্রী শিবাজি অভিযোগ করেন, বাছুর জবাইয়ের খবর পেয়ে তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান এবং ঘটনাস্থলে পুলিশকে নিয়ে যান। অভিযোগ, এরপর প্রায় ২০০ জন মুসলিম ধর্মাবলম্বী সেখানে জড়ো হয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায়। তাঁর গাড়ি কেড়ে নেওয়া হয়, দেওয়া হয় প্রাণনাশের হুমকি। পুলিশের উপস্থিতিতেই ঘটনাটি ঘটেছে বলেও অভিযোগ (Hindus Under Attack)। বিহারের ছাপরা শহরের একটি বেসরকারি স্কুলের অঙ্কের শিক্ষক ইনাম রাজার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি ও অশালীন আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এক হিন্দু ছাত্রীর পরিবারের তরফে এমন অভিযোগ পেয়ে ওই শিক্ষককে ভগবান বাজার থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। এই ঘটনায় দায়ের হয়েছে এফআইআর, চলছে তদন্তও। ঘটনার জেরে বেসরকারি ওই স্কুলটির ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।

    এনআইএর চার্জশিট

    অন্যদিকে (Roundup Week), জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ পাঁচজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে। অভিযোগ, তারা আইএস জঙ্গি সংগঠনের সক্রিয় সদস্য। তারা বেঙ্গালুরুর যুবকদের চিহ্নিত করা, উগ্রপন্থায় প্রভাবিত করা এবং জঙ্গি সংগঠনে নিয়োগের ষড়যন্ত্রে জড়িত। তদন্তকারীদের দাবি, “ইকরা ক্যাম্প” নামে ব্যক্তিত্ব বিকাশ শিবির এবং নিয়মিত কোরআন পাঠ চক্রের আড়ালে মতাদর্শগত প্রভাব বিস্তার ও নিয়োগের কাজ চলত (Hindus Under Attack)। তামিলনাড়ুর বেদারণ্যমের বেদারণ্যেশ্বরের মন্দিরের হাজার হাজার একর জমি এবং অন্যান্য সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে দখল, বিতর্ক বা আইনি জটিলতায় আটকে রয়েছে বলে সরকারি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। করুর ইনাম জমি বিতর্কের মধ্যেই এই বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে।

    বেকারি বন্ধ

    মহারাষ্ট্রের পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড়ের মোশি এলাকার আকসা বেকারি বন্ধ করে দিয়েছে মহারাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন। খাদ্য সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে ওই বেকারি পরিদর্শনের পর অবিলম্বে সেটি বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয় হিন্দু সংগঠনগুলির অভিযোগ, গত পাঁচ বছর ধরে বেকারির আড়ালে সেখান থেকে চালানো হচ্ছিল একটি অবৈধ গোমাংস কষাইখানা। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই প্রশাসনের এই পদক্ষেপ বলে খবর (Hindus Under Attack)। বিশ্বজুড়ে হিন্দুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অধিকাংশ ঘৃণাপ্রসূত অপরাধের পেছনে নির্দিষ্ট কিছু ধর্মীয় শিক্ষা এবং রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত হিন্দুবিদ্বেষ কাজ করে বলে দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামি দেশগুলিতে হিন্দুবিদ্বেষ প্রকাশ্য হলেও, আপাতদৃষ্টিতে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির, যেমন ভারতের, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং জনপরিসরেও হিন্দুদের প্রতি এক ধরনের সূক্ষ্ম বিদ্বেষ বিদ্যমান। এই পরিবেশই হিন্দুবিদ্বেষ এবং হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাপ্রসূত অপরাধ সংঘটিত হওয়ার অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করে বলে অভিযোগ।

    দ্বৈত মানদণ্ড কেন?

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই ধরনের সূক্ষ্ম ও দৈনন্দিন বৈষম্য সহজে চোখে পড়ে না। তবে প্রচলিত আইন, নীতি এবং দীর্ঘদিনের বিভিন্ন ঘটনার ধারা বিশ্লেষণ করলে তার উপস্থিতি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলির সময় আতশবাজি বা পটকা ফাটানোর ওপর ধাপে ধাপে আরোপিত নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনের দাবি, আপাতভাবে এই নিষেধাজ্ঞাকে পরিবেশ দূষণ রোধের পদক্ষেপ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর (Roundup Week) আরোপিত বিভিন্ন বিধিনিষেধ এবং সেই সিদ্ধান্তগুলির পক্ষে পর্যাপ্ত ও যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যার অভাব পর্যালোচনা করলে দ্বৈত মানদণ্ডের বিষয়টি জলের মতো স্পষ্ট হয়ে ওঠে (Hindus Under Attack)।

     

LinkedIn
Share