Tag: Christians

Christians

  • FCRA Bill: বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণে প্রস্তাবিত আইন নিয়ে মার্কিন কংগ্রেস সদস্যের সমালোচনা, কড়া জবাব ভারতের

    FCRA Bill: বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণে প্রস্তাবিত আইন নিয়ে মার্কিন কংগ্রেস সদস্যের সমালোচনা, কড়া জবাব ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণে প্রস্তাবিত সংশোধনী আইন (FCRA Bill) নিয়ে মার্কিন কংগ্রেস সদস্য রাইলি মুরের সমালোচনা (US) খারিজ করে দিল ভারত। ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, আইন প্রণয়ন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। একই সঙ্গে মন্ত্রকের বক্তব্য, বিদেশি অর্থায়ন নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের একাধিক দেশের নিজস্ব আইন রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে আমেরিকাও। বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “ভারতে আইন প্রণয়নের একটি সুপ্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া রয়েছে। তাই দেশের অভ্যন্তরীণ আইনকে তার যথাযথ সাংবিধানিক ও আইনি প্রেক্ষাপটে বিচার করা উচিত।” তিনি আরও বলেন, “বিশ্বের বিভিন্ন দেশ নিজেদের আইনি কাঠামোর মাধ্যমে বিভিন্ন সংগঠনের কাছে বিদেশি অনুদানের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। আমেরিকায়ও বিদেশি অর্থায়ন নিয়ন্ত্রণের জন্য নিজস্ব আইন রয়েছে।”

    গির্জার নিয়ন্ত্রণ সরকারের হাতে যেতে পারে, দাবি মুরের (FCRA Bill)

    গত ৪ অগস্ট এক বিবৃতিতে পশ্চিম ভার্জিনিয়ার রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য রাইলি মুর দাবি করেছিলেন, প্রস্তাবিত সংশোধনী কার্যকর হলে ভারতের সরকার গির্জা এবং ধর্মীয় দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সুযোগ পেতে পারে। বিশেষ করে কোনও প্রতিষ্ঠানের বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে নিবন্ধন বাতিল হয়ে গেলে অথবা তার পুনর্নবীকরণ না হলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। মুরের অভিযোগ, এই ধরনের বিধান খ্রিস্টান সংগঠনগুলির ওপর তুলনামূলকভাবে বেশি প্রভাব ফেলতে পারে। তাই ভারত সরকারকে প্রস্তাবিত আইনটি পুনর্বিবেচনার আহ্বানও জানান তিনি। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, এই সংশোধনী ভারত ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

    কী রয়েছে প্রস্তাবিত সংশোধনীতে?

    প্রস্তাবিত বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ সংশোধনী আইন, ২০২৬-এর মাধ্যমে ২০১০ সালের বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইনে পরিবর্তন আনার কথা বলা হয়েছে। ভারতে ব্যক্তি, সংগঠন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলির বিদেশি অনুদান গ্রহণ ও ব্যবহারের বিষয়টি এই আইনের আওতায় নিয়ন্ত্রিত হয়। বিদেশি অর্থায়নের মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা, নিরাপত্তা, জনস্বার্থ বা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান যাতে কোনওভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তা নিশ্চিত করাই এই আইনের অন্যতম উদ্দেশ্য। প্রস্তাবিত সংশোধনী অনুযায়ী, কোনও প্রতিষ্ঠানের বিদেশি অনুদান গ্রহণের নিবন্ধন বাতিল হলে, প্রতিষ্ঠানটি স্বেচ্ছায় তা সমর্পণ করলে অথবা নিবন্ধনের মেয়াদ পুনর্নবীকরণ না হলে, সরকার মনোনীত কোনও কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে ওই প্রতিষ্ঠানের বিদেশি অনুদান এবং সংশ্লিষ্ট সম্পদ পরিচালনা করতে পারবে (FCRA Bill)। তবে উপাসনাস্থল বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ওই সম্পদ পরিচালনার সময় তাদের ধর্মীয় চরিত্র অক্ষুণ্ণ রাখার কথা বলা হয়েছে প্রস্তাবিত আইনে।

    সম্পদ সুরক্ষাই উদ্দেশ্য, দাবি কেন্দ্রের

    কেন্দ্রীয় সরকারের বক্তব্য, প্রস্তাবিত সংশোধনীর মূল উদ্দেশ্য হল বিদেশি অনুদানের মাধ্যমে তৈরি জনসম্পদ সুরক্ষিত রাখা এবং বিদেশি অর্থায়নে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের চলমান দাতব্য কার্যক্রম যাতে আইন মেনে পরিচালিত হয়, তা নিশ্চিত করা (FCRA Bill)। সরকারের মতে, কোনও প্রতিষ্ঠান বিদেশি অনুদান গ্রহণের যোগ্যতা হারালে তার সম্পদ ও কার্যক্রম যাতে অনিয়মের শিকার না হয়, তা নিশ্চিত করার জন্যই এই পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং সুষ্ঠু প্রশাসন নিশ্চিত করাও সংশোধনীর অন্যতম লক্ষ্য (US)। তবে প্রস্তাবিত আইন নিয়ে দেশের রাজনৈতিক মহল এবং আন্তর্জাতিক স্তরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সমালোচকদের একাংশের আশঙ্কা, এর ফলে বিদেশি অনুদান গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলির ওপর সরকারের নজরদারির পরিধি আরও বাড়বে। রাইলি মুরের মন্তব্যের পর বিদেশমন্ত্রকের এই বক্তব্যই বিষয়টি নিয়ে ভারতের প্রথম সরকারি প্রতিক্রিয়া। মন্ত্রক সাফ জানিয়ে দিয়েছে, আইন প্রণয়ন ভারতের অভ্যন্তরীণ নীতিগত বিষয় (US) এবং প্রস্তাবিত সংশোধনীকে দেশের সংবিধান ও প্রচলিত আইনি কাঠামোর পরিপ্রেক্ষিতেই বিচার করা উচিত (FCRA Bill)।

     

  • Nepal PM: নেপালের নয়া প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি, কারণ কী জানেন?

    Nepal PM: নেপালের নয়া প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি, কারণ কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের নয়া প্রধানমন্ত্রী (Nepal PM) বালেন শাহকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতের পড়শি এই দেশে। রবিবার, ২৬শে এপ্রিল, নেপালের বালেন শাহ নেতৃত্বাধীন সরকার ভক্তপুরের মনোহরা বসতিতে অবৈধ (Christian Activists) ঘরবাড়ি ও অন্যান্য কাঠামো সরাচ্ছিল। উচ্ছেদ অভিযানের সময় একটি গির্জাও ভেঙে ফেলা হয়। এর ফলে খ্রিস্টান গোষ্ঠীগুলির মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

    শাহকে হুমকি (Nepal PM)

    তারা এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী শাহকে হুমকি দিয়ে বলেছে, যদি গির্জার জন্য অন্য কোনও জায়গা না দেওয়া হয়, তাহলে এটি তাঁর জন্য অশুভ হবে। প্রসঙ্গত, “…আমরা মেনে নিয়েছি যে যেখানে গির্জাটি ছিল, সেই জমি দখলকৃত ছিল, এবং সরকারকে তা খালি করতেই হত। সেই কারণেই জিনিসপত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে গির্জা কোনও ব্যক্তি নয়। এটি একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। দেশের লাখ লাখ মানুষ এই ধর্মের অনুসারী। এটি খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ওপর আক্রমণ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ যদি পাপ ও ধর্ম নিয়ে চিন্তা করেন, তবে তিনি যেন অবিলম্বে আমাদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলির যথাযথ ব্যবস্থা করেন। অন্যথায়, এটি তাঁর পক্ষে অশুভ হবে বলেই বিবৃতিতে বলা হয়েছে (Nepal PM)।

    মুক্তিরাজ রাইয়ের দাবি

    মনোহর ভজন মণ্ডল (গির্জা)-এর সম্পাদক মুক্তিরাজ রাইয়ের দাবি, খ্রিস্টানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা হয়েছে। তিনি বলেন, “গির্জা ভাঙার পর কোথায় যাওয়া হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল (Christian Activists)।” তাঁর দাবি, মনোহরা বসতির ৪৫ শতাংশ বাসিন্দা খ্রিস্টান। তাঁদের প্রশ্ন, ভেঙে দেওয়ার পর (Christian Activists) ৩০০ খ্রিস্টান কোথায় যাবেন উপাসনা করতে (Nepal PM)?

     

  • CAA: সিএএ অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া কার্যকর করল কেন্দ্র, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    CAA: সিএএ অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া কার্যকর করল কেন্দ্র, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন (CAA) অনুযায়ী নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া কার্যকর করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। একই সঙ্গে রাজ্যে আইনটির অধীনে আবেদনগুলি প্রক্রিয়াকরণের জন্য একটি ‘এমপাওয়ার্ড কমিটি’ গঠনের কথাও জানানো হয়েছে। এই পদক্ষেপটি এমন একটা সময়ে নেওয়া হল, যখন পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছে। তৃণমূল কংগ্রেস সরকার বিভিন্ন ইস্যুতে কেন্দ্রের সঙ্গে মতবিরোধ রয়েছে এবং সিএএকে বৈষম্যমূলক বলে বিরোধিতা করে আসছে।

    সরকারি নির্দেশিকা (CAA)

    অতিরিক্ত সচিব নীতেশ কুমার ব্যাস জারি করা এক নির্দেশিকায় বলেন, “নাগরিকত্ব আইন, ১৯৫৫-এর ধারা ৬বি(১) এবং নাগরিকত্ব বিধি, ২০০৯-এর বিধি ১১এ(১) ও (৩) অনুসারে প্রাপ্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে কেন্দ্র পশ্চিমবঙ্গের সেনসাস অপারেশন্স দফতরের ডেপুটি রেজিস্ট্রার জেনারেলকে কমিটির প্রধান হিসেবে নিয়োগ করছে।” নির্দেশিকা অনুযায়ী, কমিটির সদস্যদের মধ্যে থাকবেন— সাবসিডিয়ারি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর একজন ডেপুটি সেক্রেটারি পর্যায়ের আধিকারিক, সংশ্লিষ্ট বিদেশি আঞ্চলিক নিবন্ধন আধিকারিকের (FRRO) মনোনীত প্রতিনিধি, পশ্চিমবঙ্গের ন্যাশনাল ইনফরমেটিক্স সেন্টারের স্টেট ইনফরমেটিক্স অফিসার (উভয়েই আন্ডার সেক্রেটারি পর্যায়ের নীচে নন), এবং পোস্টমাস্টার জেনারেল বা মনোনীত ডেপুটি সেক্রেটারি পর্যায়ের ডাক বিভাগের আধিকারিক।

    নাগরিকত্ব আইন

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এই নির্দেশের মাধ্যমে নাগরিকত্ব আইনের ধারা ৬বি এবং নাগরিকত্ব বিধির ১১এ/১৩এ অনুসারে পশ্চিমবঙ্গে ‘এমপাওয়ার্ড কমিটি’ আনুষ্ঠানিকভাবে গঠন করে সিএএ-র কাঠামো কার্যকর করা হল। এর আগে ২০২৪ সালের ১১ মার্চ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এক বিজ্ঞপ্তিতে সারা দেশে নাগরিকত্ব আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য একটি সর্বভারতীয় কাঠামো তৈরি করা হয়েছিল। তবে বাস্তবে কার্যকর করার জন্য রাজ্যভিত্তিক কমিটি গঠনের প্রয়োজন ছিল। এই কমিটির কাজ হবে— সিএএ-তে নির্ধারিত যোগ্য নির্যাতিত সংখ্যালঘু আবেদনকারীদের আবেদন যাচাই করা, জেলা পর্যায়ের যাচাইকরণ সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয় করা এবং নাগরিকত্ব মঞ্জুর বা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া। আরও বলা হয়েছে, বৈঠকে দু’জন আমন্ত্রিত সদস্য থাকবেন। একজন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি (গৃহ) বা অতিরিক্ত মুখ্য সচিব (গৃহ) দফতরের একজন প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজারের একজন মনোনীত প্রতিনিধি।

    কী বলছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক 

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের মতে, এই বিজ্ঞপ্তি ২০২৪ সালের ১১ মার্চের নির্দেশিকার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যার মাধ্যমে অন্যান্য রাজ্যেও একই ধরনের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এই কমিটিগুলির কাজ হল পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪-এর আগে ভারতে প্রবেশ করা নির্যাতিত অ-মুসলিম অভিবাসীদের নাগরিকত্ব যাচাই ও প্রদান করা। ২০২৪ সালে সরকার নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন, ২০১৯ কার্যকর করে এবং সংশ্লিষ্ট বিধি জারি করে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আগত অনথিভুক্ত অ-মুসলিম অভিবাসীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুততর করে। এখন সিএএর অধীনে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আগত নির্যাতিত অ-মুসলিম অভিবাসী— হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্শি ও খ্রিস্টানদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

     

  • Nigeria: নাইজেরিয়াতে ইসলামিক জঙ্গি সংগঠন ফুলানির হামলায় নিহত ১০০ খ্রিস্টান

    Nigeria: নাইজেরিয়াতে ইসলামিক জঙ্গি সংগঠন ফুলানির হামলায় নিহত ১০০ খ্রিস্টান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফ্রিকা মহাদেশে খ্রিস্টানদের উপর গণহত্যা চলছেই। ইসলামিক মৌলবাদীরা (Islamic Terrorists) এই মহাদেশে খ্রিস্টানদের নির্মূল করার একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে একের পর এক দেশে চলছে খ্রিস্টান গণহত্যা।

    ফুলানি ইসলামিক মিলিট্যান্টস (Islamic Terrorists)

    মহাদেশটির অন্যতম ইসলামী জঙ্গি সংগঠন হল ফুলানি ইসলামিক মিলিট্যান্টস। সম্প্রতি তারাই নাইজেরিয়ার (Nigeria) ইয়েলেওতা গ্রামের উপর ভয়ংকর সন্ত্রাসী হামলা চালায় এবং হত্যা করে শতাধিক খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষকে। এই হামলা শুরু হয় গত শুক্রবার এবং চলে শনিবার পর্যন্ত। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল-এর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অজস্র পরিবার গৃহবন্দি অবস্থায় ছিল। বহু পরিবারকে ঘরের ভিতর থেকে তালা বন্ধ করে আটকে রাখা হয় এবং গোটা বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। গৃহবন্দি অবস্থায় থাকা এই পরিবারগুলির এভাবেই মারা যায়। কয়েক ডজন মানুষ এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন এবং শতাধিক মানুষ গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। এই হামলায় গুরুতরভাবে আহত হওয়া ব্যক্তিরা প্রাথমিক চিকিৎসাও পাচ্ছেন না।

    আফ্রিকার খ্রিস্টান জনগোষ্ঠীকে নিশ্চিহ্ণ করাই উদ্দেশ্য

    এই ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে নাইজেরিয়ার (Nigeria) বেনুয়ে রাজ্যে। এই রাজ্যেই বড় সংখ্যক খ্রিস্টান বসবাস করেন। সেখানে জিহাদিরা হামলা চালিয়ে এই জনগোষ্ঠীকে নির্মূল করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। উল্লেখযোগ্য যে, এটি কোনো নতুন ঘটনা নয়। ফুলানি নামক এই জঙ্গি সংগঠনের জিহাদিরা দীর্ঘদিন ধরেই এই গণহত্যা চালিয়ে আসছে। এদের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে বোকো হারাম, আইএসডব্লিউএপি-সহ একাধিক ইসলামিক জঙ্গি সংগঠন। এই সংগঠনগুলোর লক্ষ্য হল আফ্রিকার খ্রিস্টান জনগোষ্ঠীকে নিশ্চিহ্ণ করা।

    এপ্রিল-মে মাসেও চলে হামলা, হত্যা করা হয় খ্রিস্টানদের

    এই জঙ্গিদের বিরুদ্ধে যেমন সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ রয়েছে, তেমনি অভিযোগ রয়েছে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জমি দখলেরও। ২০২৫ সালের জুন মাসের ১ তারিখেই ফুলানি জিহাদিরা নাইজেরিয়ার (Nigeria) বেনুয়ে রাজ্যে হামলা চালায়, এখানে ৪৩ জন খ্রিস্টান নিহত হন। এই হামলা চলে জুন মাসের ১ ও ২ তারিখের মধ্যে। এর আগে ২৪ ও ২৫ মে, নাইজেরিয়ার প্লেটো রাজ্যে আরেকটি হামলা চালায় জঙ্গিরা, যেখানে ৫০ জন নাগরিক নিহত হন, যাদের অধিকাংশই ছিলেন খ্রিস্টান। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে প্লেটো স্টেট-এ আরেকটি সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হন ৪০ জন খ্রিস্টান। এই হামলা কয়েকদিন ধরে চলে। তারও আগে, মে মাসের শুরুতেই ফুলানি ইসলামিক জঙ্গি সংগঠন বেনুয়ে স্টেটে হামলা চালিয়ে (Nigeria) হত্যা করে ২০ জনকে।

  • Congo: আফ্রিকার কঙ্গোতে ইসলামিক মৌলবাদীদের টার্গেট খ্রিস্টানরা, ফেব্রুয়ারিতে গণহত্যায় নিহত ৭০

    Congo: আফ্রিকার কঙ্গোতে ইসলামিক মৌলবাদীদের টার্গেট খ্রিস্টানরা, ফেব্রুয়ারিতে গণহত্যায় নিহত ৭০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি, আফ্রিকা মহাদেশের কঙ্গোতে (Congo) এক নির্মম গণহত্যায় অন্তত ৭০ জন খ্রিস্টান নিহত হন। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটায় এক ইসলামিক মৌলবাদী সংগঠন। নৃশংস বর্বর এই হত্যাকাণ্ডে নিন্দা জানায় বিশ্বের সব মহলই। নিহতদের মধ্যে মহিলা, শিশু এবং বয়স্করাও ছিলেন। তাঁদের বাড়ি থেকে তুলে এনে শরীর থেকে মাথা আলাদা করা হয়।

    মাইবা গ্রামে চালানো হয় এই ভয়ঙ্কর হত্যাকাণ্ড (Congo)

    এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে মাইবা নামক একটি গ্রামে, যা কঙ্গোর উত্তর কিভু প্রদেশে অবস্থিত। নিহতদের প্রত্যেকের হাত পিছনে দড়ি দিয়ে বাঁধা ছিল। হত্যাকাণ্ডের কয়েক দিন পরে তাঁদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এই গণহত্যার দায় স্বীকার করে উগান্ডার ইসলামিক জঙ্গি সংগঠন Allied Democratic Forces (ADF)। পুরো অঞ্চলে এই হামলা এক ভয়াবহ আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করে, বিশেষত খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে (Africa)।

    অর্থডক্স পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটির রিপোর্ট কী বলছে?

    অর্থডক্স পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, যাঁদের হত্যা করা হয়েছে, তাঁদের আগে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং পরে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এই সংগঠনটি খ্রিস্টানদের অধিকার এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করে। তারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এটিকে মানবাধিকারের ওপর গুরুতর আক্রমণ বলে আখ্যা দিয়েছে।

    ২০২৩ সালের একশোর ওপর হত্যা করে এই জঙ্গি সংগঠন

    উল্লেখ্য, এর আগেও ADF বহু হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। শুধুমাত্র ২০২৩ সালেই এই সংগঠনের বিরুদ্ধে একশোরও বেশি হত্যার অভিযোগ উঠেছে। তারা একের পর এক গ্রামে হামলা চালিয়ে সাধারণ মানুষকে অপহরণ করছে এবং চার্চসহ ধর্মীয় স্থানে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আফ্রিকা মহাদেশে খ্রীস্টানদের জীবন-জীবিকার সংশের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইসলামিক জঙ্গিরা (Congo)।এই ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি প্রকাশ করেছে ক্যাথলিক চার্চ এবং এই ঘটনাকে তারা নৃশংস গণহত্যা বলে আখ্যা দিয়েছে।

  • Ghar Wapsi: পূর্ব পুরুষের ধর্মে ফিরলেন বাংলাদেশের ১০০ খ্রিস্টান, যজ্ঞে আহুতি দিয়ে হলেন হিন্দু

    Ghar Wapsi: পূর্ব পুরুষের ধর্মে ফিরলেন বাংলাদেশের ১০০ খ্রিস্টান, যজ্ঞে আহুতি দিয়ে হলেন হিন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু মন্দিরে মুসলমান দুষ্কৃতী হামলার খবরে নানা সময়ে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে ভারতের পড়শি দেশ বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশই সম্প্রতি হেডলাইন হয়েছে ভিন্ন কারণে। কারণটি হল, ১০০ জন বাংলাদেশি খ্রিস্টান ধর্ম ছেড়ে দীক্ষা নিলেন সনাতন ধর্মে (Ghar Wapsi)। খাগড়াগাছি জেলার ঘটনায় উৎসাহিত বাংলাদেশের সনাতনীরা।

    হিন্দু বিতাড়ন

    ১৯৭১ সালে স্বাধীন দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ। দেশটিতে তখন হিন্দু ছিলেন মোট জনসংখ্যার ৯ শতাংশ। তার পর কখনও হিন্দু বিতাড়ন, কখনও আবার রীতিমতো নির্যাতন করে ভিটে ছাড়া করা হয় সংখ্যালঘু হিন্দুদের। হিন্দু মন্দিরে হামলা করে মূর্তি পুজোর বিরোধী মুসলমানরা। নানা জায়গায় ভেঙে দেওয়া হয় হিন্দুদের আরাধ্য দেবতার মূর্তিও। বেশিরভাগ সময়ই দুষ্কৃতীরা ধরা পড়ে না। কখনও কখনও ধরা পড়লেও ছাড়া পেয়ে যায় সহজেই। তাই বাংলাদেশে হিন্দু মন্দিরে হামলার লেখচিত্র ঊর্ধ্বমুখী।

    ফিরলেন হিন্দু ধর্মে

    কেবল হিন্দু (Ghar Wapsi) নন, সে দেশে সংখ্যালঘু খ্রিস্টানরাও দুষ্কৃতী হামলার শিকার। অভিযোগ, এই দুষ্কৃতীরা ধর্মে মুসলমান। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার টোপ দিয়ে বাংলাদেশেও ধর্মান্তরিত করছেন খ্রিস্টান ধর্ম প্রচারকরা। অভিযোগ, এই টোপ গিলে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশের বহু হিন্দু। এমনই একশোজন ফিরলেন হিন্দু ধর্মে। যাঁরা এবার হিন্দু ধর্মে দীক্ষা নিলেন, তাঁরা জয়ন্তিয়া ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের। খ্রিস্টান মিশনারিদের টোপ গিলে বহু বছর আগে ওই ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন তাঁরা। খাগড়াগাছি জেলা সহ চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকায় সক্রিয় এই মিশনারিরা। এই পাহাড়ি অঞ্চলে জয়ন্তিয়া সম্প্রদায়ের যেসব গরিব মানুষ বাস করেন, মূলত তাঁদেরই টোপ দিয়ে ধর্মান্তরিত করেন খ্রিস্টান মিশনারিরা।

    আরও পড়ুুন: “টাটাকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে তৃণমূলের ফান্ড থেকে, না হলে আন্দোলন”, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    স্থানীয় সূত্রে খবর, সম্প্রতি এঁদেরই একশো জন পূর্বপুরুষের ধর্মে ফিরতে চেয়ে যোগাযোগ করেন স্থানীয় হিন্দুত্ববাদীদের সঙ্গে। আর্য সমাজের সহযোগিতায় তাঁরাই আয়োজন করেন ঘরে ফেরার অনুষ্ঠানের। দীক্ষার দিন ঠিক হয় ২৮ অক্টোবর, শনিবার। বীর চাট্টালা গ্রামে হয় অনুষ্ঠানের আয়োজন। যজ্ঞে আহুতি দিয়ে এবং বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণ করে ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের ওই জয়ন্তিয়া মানুষজন দীক্ষিত হন সনাতন ধর্মে (Ghar Wapsi)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share