Tag: CID

CID

  • CID: ‘হেনস্থা’ করছে সিআইডি! প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতিকে চিঠি বিচারপতি অমৃতা সিনহার স্বামীর

    CID: ‘হেনস্থা’ করছে সিআইডি! প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতিকে চিঠি বিচারপতি অমৃতা সিনহার স্বামীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিআইডি (CID) তাঁর ওপর কার্যত অত্যাচার চালাচ্ছে, এই অভিযোগ তুলে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিলেন হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার স্বামী আইনজীবী প্রতাপচন্দ্র দে। জানা গিয়েছে, এর পাশাপাশি বিচারপতির স্বামী চিঠি পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বাংলার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ও কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীকেও।

    নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে বিচারপতি অমৃতা সিনহার রায়ে খুশি চাকরিপ্রার্থীরা 

    আইনজীবী প্রতাপচন্দ্র দে-র বক্তব্য, তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে ডাকা হয়েছিল যেখানে সিআইডি (CID) তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা বয়ান লেখার জন্যও চাপ দিতে থাকে। প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিচারপতি অমৃতা সিনহার একের পর এক নির্দেশে খুশি হয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা। সম্প্রতি, বিচারপতি সিনহা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তির উৎস কী, তাও জানতে চেয়েছেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই  বিচারপতি সিনহার স্বামীকে এভাবে হেনস্থা করছে রাজ্যের সিআইডি (CID)।

    জিজ্ঞাসাবাদের সময় বিচারপতির স্বামীকে কিছু খেতেও দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ

    সিআইডির বিরুদ্ধে প্রতাপচন্দ্র দে আরও জানিয়েছেন, আদালতের কাজকর্ম শেষ করে দুপুর দুটো নাগা তিনি সিআইডি (CID) অফিসে হাজিরা দিতে যান। তখন থেকে রাত্রি এগারোটা পর্যন্ত সেখানে সিআইডি অফিসাররা তাঁর ওপর কার্যত অত্যাচার চালায় বলে অভিযোগ। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁকে খেতে পর্যন্ত দেওয়া হয়নি বলে দাবি বিচারপতির স্বামীর। শারীরিক অসুস্থতার জন্য তাঁকে ওষুধ নিতে হয় সেদিন সিআইডি সে বিষয়ে কোনও গুরুত্বও দেয়নি বলে অভিযোগ প্রতাপচন্দ্র দের।

    প্রতাপবাবুর মতে, যে মামলায় তাঁকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হয়েছে, সেই বিষয়ে প্রশ্ন করার পরিবর্তে বিচারপতি সিনহার বিষয়ে নানান তথ্য জানান চেষ্টা করেছে সিআইডি (CID) অফিসাররা। তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে সাজানো কথা বলাতে চাপ দেওয়া হয়। প্রতাপবাবুর দাবি, নানা কুকথা বলে মিথ্যে অভিযোগ করার কথা বলা হয়। এমনকি টাকা, বাড়ি গাড়ি দেওয়ার লোভ দেখানো হয়। প্রতাপবাবুর অভিযোগ, তাঁকে টানা ন’ঘণ্টা ধরে মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। সবটাই গভীর ষড়যন্ত্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CID: আদালতের চাপ! অবশেষে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে এআই সুশীল বর্মনকে গ্রেফতার করল সিআইডি

    CID: আদালতের চাপ! অবশেষে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে এআই সুশীল বর্মনকে গ্রেফতার করল সিআইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ জেলার সূতির গোঠা এ আর হাইস্কুলে জাল নথি দিয়ে শিক্ষক নিয়োগকাণ্ডে এবার এআই অফ স্কুল সুশীল কুমার বর্মনকে গ্রেফতার করল সিআইডি (CID)। সোমবার ধৃত সুশীলবাবুকে মুর্শিদাবাদ জেলা আদালতে তোলা হয়। তিন দিনের সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দিলেন বিচারক। ২১ তারিখে পুনরায় হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    মুর্শিদাবাদ জেলার সূতির গোঠা এ আর হাইস্কুলে জাল নথি দিয়ে শিক্ষক নিয়োগ করার অভিযোগ উঠেছিল। এই অভিযোগের মামলায় তদন্তে নামে সিআইডি। তদন্তে নেমে নথি জাল করে চাকরি পাওয়া শিক্ষক অনিমেষ তেওয়ারিকে গ্রেফতার করে সিআইডি। প্রসঙ্গত উল্লেখ থাকে, ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক অনিমেষ তেওয়ারির বাবা আশিস তেওয়ারিকে সিআইডি (CID) গ্রেফতার করেছিল। ওই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা করে সিআইডি। তদন্তে নেমে এই মামলায় শিক্ষা দফতরের কয়েকজন কর্মী এবং আধিকারিকের জড়িত থাকার প্রমাণ মিলে ছিল। স্কুল শিক্ষা দফতরের কাছে অনুমতি নেওয়া হয়েছিল এদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার জন্য।  কলকাতা হাইকোর্টে একথা জানিছে সিআইডি। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি এই রাজ্যের অন্যতম এক জ্বলন্ত ইস্যু। এ তদন্তে নেমে মুর্শিদাবাদের ওই স্কুলের একাধিকবার অভিযান চালান সিআইডি গোয়েন্দারা। ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং তাঁর ছেলে ভুয়ো শিক্ষক অনিমেষ তেওয়ারিকে গ্রেফতার করা হয়। রাজ্যের যে তদন্তকারী সংস্থা ঠিকমতো কাজ করছে না বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন বিচারপতি। তিনি বলেন, এই নিয়োগের বিরুদ্ধে একটা বিরাট চক্র রয়েছে, সেই কারণে আদালত চক্র খোঁজার নির্দেশ দিয়েছিলেন সিআইডিকে। কিন্তু, মোহভঙ্গ হচ্ছে। বিচারক আরও বলেন সিআইডিকে রিপোর্ট দিয়ে ব্যাখ্যা করতে হবে। কেন এই মামলায় সিবিআই তদন্ত হবে না। এরপরই নড়েচড়ে বসে সিআইডি।

    কী বললেন ধৃত এআই অফ স্কুল?

    সূতির গোঠা হাইস্কুলের নথি জাল করে নিয়োগের ঘটনায় প্রাক্তন ডিআই পূরবী দাস সহ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছিল। বর্তমানে তাঁরা জামিনে আছেন। এর আগে সিআইডির জালে ধরা পড়েছিলেন ভুয়ো শিক্ষক অনিমেষ তেওয়ারি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর সুশীল কুমার বর্মনের নাম উঠে আসে। এরপরই সিআইডি (CID) তাঁকে গ্রেফতার করে। সুশীল বর্মন এদিন বলেন, আমি নির্দোষ। আমাকে পরিকল্পিতভাবে  ফাঁসানো হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bomb Blast: দত্তপুকুরে বিস্ফোরণের পরই আরও একটি বোমা তৈরির কারখানায় তাণ্ডব এলাকাবাসীর

    Bomb Blast: দত্তপুকুরে বিস্ফোরণের পরই আরও একটি বোমা তৈরির কারখানায় তাণ্ডব এলাকাবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুরের জগন্নাথপুরে মোচপোলে বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের (Bomb Blast) কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আরও একটি বোমা তৈরির কারখানার হদিশ পেলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাস্থল থেকে ঢিল ছোঁড়়া দুরত্বে পাঁচিল ঘেরা পরিত্যক্ত জমিতে কারখানাটি চলত। সেখানে তিনটি ঘরের মধ্যেই বোমা তৈরির সরঞ্জাম মিলেছে। অনেক রাসায়নিক জিনিস মিলেছে। আর একটি প্রাইভেট গাড়ি ছিল। এখানে রমরমিয়ে বোমা তৈরি হত। বিস্ফোরণের পর পরই এই জায়গা ছেড়ে সকলেই পালিয়ে যায়। উত্তেজিত জনতা ওই কারখানায় এসে তাণ্ডব চালায়। কারখানার ভিতরে থাকা সমস্ত জিনিসপত্র ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ভাঙচুর করা হয় গাড়ি।

    কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা? (Bomb Blast)

    বেআইনি বাজি কারখানার মালিক আজিবর রহমান। তিনি স্থানীয় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিল। ঘটনার পর থেকে তার হদিশ পাওয়া যায়নি। এদিন বিকেলের পর নতুন যে বোমা তৈরির কারখানার খোঁজ মিলেছে, সেই কারখানার কয়েকজন মালিক রয়েছে। সকলেই শাসক দলের সঙ্গে জড়িত। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, তৃণমূল নেতাদের মাথায় হাত থাকায় তারা রংবাজি করত। এলাকায় তাদের বিরুদ্ধে কারও মুখ খোলার সাহস ছিল না। এখন বিস্ফোরণ (Bomb Blast) হতেই সকলেই এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। আমাদের দাবি, অবিলম্বে অভিযুক্তদের সকলকে গ্রেফতার করতে হবে। এই এলাকায় তৃণমূলের মদতেই এই সব বেআইনি কারখানা চলত। পুলিশকে হাত করেই এখানে এসব কারবার চলত।

    ঘটনাস্থলে ফরেন্সিক দল?

    এদিন বোমা বিস্ফোরণের (Bomb Blast) ফলে কারখানাটি প্রায় ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছে। আশপাশের বেশ কয়েকটি বাড়ি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যুদ্ধের পর ধ্বংসস্তূপের মতো গোটা এলাকা হয়ে রয়েছে। এদিন পুলিশ, দমকল বাহিনীর পর ঘটনাস্থলে বোম্ব স্কোয়ার্ডের লোকজন আসে। সিআইডি আধিকারিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এলাকার মানুষের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেন। বিকেলের দিকে এলাকায় ফরেন্সিক টিম ঢোকে। তাঁরা কারখানার ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে নমুনা সংগ্রহ করে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেকের কনভয়ে হামলা, ১১ জন কুড়মি নেতাই জামিন পেয়ে গেলেন! 

    Abhishek Banerjee: অভিষেকের কনভয়ে হামলা, ১১ জন কুড়মি নেতাই জামিন পেয়ে গেলেন! 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবজোয়ার কর্মসূচিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ের উপর হামলার অভিযোগে ধৃত কুড়মি (Abhishek Banerjee) নেতারা জামিন পেলেন। জানা গিয়েছে, জামিনে মুক্ত হলেও আপাতত অনুপ মাহাতো ছাড়া বাকি সবাইকে জেল হেফাজতেই থাকতে হচ্ছে। কারণ কুড়মি নেতা অনুপ মাহাতো বাদে রাজেশ মাহাতো, শিবাজী মাহাতো সহ গ্রেফতার হওয়া মোট ১০ জন নেতা ও আন্দোলনকারীর নামে একাধিক থানায় মামলা রয়েছে। শাসকদলের অভিযোগ ছিল, ঘটনায় ষড়যন্ত্র অন্য কোথা থেকে পরিকল্পনা মাফিক করা হয়েছে। কিন্তু কুড়মি নেতাদের জামিন মেলায়, এই অভিযোগ ধোপে টিকল না বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষরা।

    মে মাসের ২৬ তারিখ ঝাড়গ্রামে ঘটে এই ঘটনা

    গত মে মাসের ২৬ তারিখ নবজোয়ার কর্মসূচি চলাকালীন ঝাড়গ্রাম থানার গড়শালবনি এলাকায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ের উপর হামলা এবং মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। ঘটনার রাত্রেই ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ আদিবাসী নেগাচারি কুড়মি সমাজের রাজ্য সভাপতি অনুপ মাহাতো সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করে। তার পরের দিন ওড়িশা সীমানা লাগোয়া এলাকার নয়াগ্রাম থানা এলাকা থেকে কুড়মি সমাজ পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সভাপতি রাজেশ মাহাতো, আদিবাসী জনজাতি কুড়মি (Abhishek Banerjee) সমাজের রাজ্য সভাপতি শিবাজী মাহাতো সহ চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    সিআইডি তদন্তভার নেয় 

    পরে মামলা তদন্তভার তুলে দেওয়া হয় সিআইডির হাতে। ঘটনা তদন্তে নেমে সিআইডি আরও ৩ জনকে গ্রেফতার করে। ঘটনায় মোট গ্রেফতার হয় ১১ জন। সিআইডি রাজেশ মাহাতো, শিবাজী মাহাতোকে নিজেদের হেফাজতের চেয়েও পায়নি। এই প্রভাবশালী কুড়মি নেতাদের জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ার কর্মসূচির দিন গড় শালবনির ঘটনায় মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার গাড়ি চালক এবং ঝাড়গ্রাম শহর তৃণমূল কংগ্রেসের শহর সভাপতি নবু গোয়ালা ঝাড়গ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন। সিআইডি-র মামলাটি ঝাড়গ্রামের এডিজে-১ আদালতে চলছিল। সোমবার ঝাড়গ্রামের এডিজে-১ আদালত রাজেশ মাহাতো, শিবাজী মাহাতো, অনুপ মাহাতো সহ মোট ১১ জন কুড়মি (Abhishek Banerjee) নেতা ও আন্দোলনকারীর জামিন মঞ্জুর করে। অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবী অশ্বিনী মণ্ডল ও তপন চৌধুরী বলেন,‘‘এই মামলার তদন্তে নতুন কোনও তথ্য উঠে আসেনি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CID: কালিয়াগঞ্জে মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের গ্রামে গিয়ে ক্ষোভের মুখে সিআইডি

    CID: কালিয়াগঞ্জে মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের গ্রামে গিয়ে ক্ষোভের মুখে সিআইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিয়াগঞ্জে পুলিশের গুলিতে মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে গিয়ে গ্রামবাসীদের ক্ষোভের মুখে পড়লেন সিআইডি-র (CID) তদন্তকারী অফিসাররা। ঘটনার তদন্ত এবং সিআইডি-র কাজকর্ম নিয়ে প্রশ্ন তোলেন গ্রামবাসীরা। তবে, এখনও সিবিআই তদন্তের দাবিতে অনড় রয়েছে মৃত্যুঞ্জয়ের পরিবার।

    সিআইডি-র সামনে কী ক্ষোভ জানালেন বাসিন্দারা?

    শুক্রবার ফের কালিয়াগঞ্জের রাধিকাপুরের চাঁদগায় নিহত মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের বাড়িতে যান সিআইডি-র (CID) আধিকারিকরা। সেই সময় সিআইডি-র আধিকারিকদের তদন্ত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা। সিআইডি-র আধিকারিকদের এদিন গ্রামবাসীরা সরাসরি প্রশ্ন করেন, এই মামলায় যে দোষী, তাকে এখনও পর্যন্ত কেন গ্রেফতার করা হয়নি? এমনকী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে বলছেন গুলি চালিয়েছে বিএসএফ, সেখানে আপনাদের ওপর কীভাবে ভরসা করব? এই খুনের ঘটনার গতিপ্রকৃতি এবং সিআইডি-র কাজকর্ম নিয়েও তাঁরা প্রশ্ন তোলেন। গ্রামবাসীরা তদন্তকারী অফিসারদের উদ্দেশে বলেন, খুনের ঘটনা ঘটলে আগে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। তারপরেই তদন্ত শুরু হয়। অবিলম্বে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করার তাঁরা দাবি জানান। গ্রামবাসীদের ক্ষোভ-বিক্ষোভের মধ্যে সিআইডি আধিকারিকরা মূলত এই ঘটনায় নিহত মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের বাবা রবীন্দ্রনাথ বর্মন ও স্ত্রী গৌরী বর্মনের বয়ান রেকর্ড করেন।

    কী বললেন নিহত মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের বাবা?

    এখনও সিবিআই তদন্তের দাবিতে অনড় নিহত মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের পরিবার। তাঁর বাবা রবীন্দ্রনাথ বর্মন বলেন, “পুলিশই আমার ছেলেকে মেরেছে। সিআইডি (CID) তদন্তে আমাদের কোনও আস্থা নেই। কারণ যাদের বয়ান সাক্ষী হিসেবে নেওয়া হচ্ছে, ঘটনার সময় তারা কেউই উপস্থিত ছিল না। ফলে সিআইডির ওপর কী করে ভরসা থাকবে।” তিনি আরও বলেন, “অবিলম্বে ছেলে খুনের ঘটনার সিবিআই তদন্ত হোক।”

    এলাকাবাসীর ক্ষোভ নিয়ে কী বললেন সিআইডি আধিকারিক?

    সিআইডি-র (CID) এক আধিকারিক অনীশ সরকার বলেন, “কোনও বিক্ষোভ নয়। গ্রামবাসীরা তাঁদের অভাব-অভিযোগ আমাদের কাছে বলেছেন। সমস্ত বিষয়টি রেকর্ড করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।”

    প্রসঙ্গত, গত ২১শে এপ্রিল কালিয়াগঞ্জের সাহেবঘাটা সংলগ্ন পালোইবাড়ি এলাকার একটি পুকুরপাড় থেকে উদ্ধার হয় এক নাবালিকার মৃতদেহ। ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ ঘিরে দফায় দফায় উত্তপ্ত হয় সাহেবঘাটা এলাকা। মৃত নাবালিকার দেহ টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ায় রাজ্য জুড়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে পুলিশ। ভাঙচুর ও থানায় অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। আক্রান্ত হয় পুলিশ। পরবর্তীতে চাঁদগা গ্রামে তল্লাশি অভিযানে গেলে রাজবংশী যুবক মৃত্যুঞ্জয় বর্মনকে গুলি করে খুনের অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় সিট গঠন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। তবে, হাইকোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: এগরায় বিস্ফোরণের পর লাভপুরে ১০০ কেজি বাজির মশলা উদ্ধার! গ্রেফতার ৪

    Birbhum: এগরায় বিস্ফোরণের পর লাভপুরে ১০০ কেজি বাজির মশলা উদ্ধার! গ্রেফতার ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এগরায় বিস্ফোরণের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতির পরেই অতিসক্রিয় হয়ে উঠল পুলিশ। বীরভূম (Birbhum) জেলা জুড়ে যৌথভাবে তল্লাশি চালাল পুলিশ ও সিআইডি। উদ্ধার হয়েছে প্রচুর বাজি তৈরির মশলা এবং সরঞ্জাম। পুলিশ একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করছে। শাসক দল একে পুলিশের সাফল্য বললেও বিরোধীদের দাবি, সবটাই লোক দেখানো।

    বাজি তৈরির মশলা উদ্ধার (Birbhum) 

    এগরার ঘটনার পর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বাজি কারখানার উপর নজর রাখতে শুরু করেছে প্রশাসন৷ বেআইনি কারখানাগুলিতে তল্লাশি চলবে বলেও জানানো হয়েছে। বিস্ফোরণের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে সমালোচনা শুরু হতেই নড়েচড়ে বসেছে রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসন। এদিন বীরভূমের (Birbhum) লাভপুর থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে যৌথ তল্লাশি চালায় সিআইডি৷ লাভপুরের (Lavpur) পূর্ণা গ্রামে একটি বাজি তৈরির কারখানা থেকে ১০০ কেজির বেশি বাজি তৈরির মশলা উদ্ধার করা হয়৷ পাশাপাশি, বাজি তৈরির প্রচুর সামগ্রীও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা যায়৷ বেআইনি ভাবে প্রচুর বারুদ মজুত করে রাখা হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে৷ এই ঘটনায় ৪ জন অভিযুক্তকে আটক করেছে সিআইডি৷ আরও জানা গেছে, বাজি তৈরির মশলাগুলিকে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

    বিরোধীদের অভিযোগ

    পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরার খাদিকুল গ্রামে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে ইতিমধ্যে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাজি তৈরির আড়ালে বোমা তৈরি হত, এই অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে বিরোধীরা। ইতিমধ্যেই ঘটনায় এনআইএ তদন্তে চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধী নেতার অভিযোগ ছিল, পুলিশের কাছে এই বাজি কারখানার খবর ছিল এবং রীতিমতো ওই কারখানা থেকে তোলা আসত। বিরোধী দলের আরও অভিযোগ, বগটুই হত্যাকাণ্ডের পরও অবৈধ অস্ত্র এবং বোমা কারখানায় তল্লাশির কথা পুলিশকে বলেছিলেন স্বয়ং পুলিশমন্ত্রী। যার ফলস্বরূপই লোক দেখানো মাত্র কয়েকটি জায়গাতে তল্লাশি (Birbhum) হচ্ছে। আসল অপরাধীরা শাসক দলের আশ্রয়েই রয়েছে। রাজ্যে সিংহভাগ অবৈধ বাজি কারখানার মালিক তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারাই, এমন অভিযোগও উঠেছে। সমানে পঞ্চায়েত ভোট আসছে। তাই দেশি বাজির কারখানায় দেশি বোমা তৈরি হচ্ছে কি না, তা সাধারণ মানুষকে রীতিমতো ভাবাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CID: সিআইডি অফিসার পরিচয় দিয়ে জালিয়াতি! অবশেষে গ্রেফতার ভুয়ো পুলিশ অফিসার, কোথায় জানেন?

    CID: সিআইডি অফিসার পরিচয় দিয়ে জালিয়াতি! অবশেষে গ্রেফতার ভুয়ো পুলিশ অফিসার, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগে হাওড়া থেকে শুভজিত্ বারুই নামে এক ভুয়ো সিবিআই (CBI) অফিসারকে পুলিশ গ্রেফতার। রাজারহাট থানার পুলিশ ওই টাওয়ার লোকেশন দেখে গ্রেফতার করেছিল। সেই জের মিটতে না মিটতেই এবার ভুয়ো সিআইডি (CID) অফিসারের হদিশ মিলল কলকাতা উত্তর শহরতলি এলাকা। নিজেকে তিনি সিআইডি-র (CID) এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট বলে পরিচয় দিতেন। পুলিসের বড় পদে রয়েছেন এই পরিচয় দিয়ে সোদপুরের বিষ্টুভদ্র মোড় এর কাছে একটি বাড়িতে ভাড়াও নিয়েছেন। নিজে একটি বুলেট বাইক নিয়ে ঘুরে বেড়াতেন। যে বাইকের সামনে পুলিস স্টিকার লেখা থাকতো। তার চালচলন, আবভাব ছিল পুলিসের মতই। ভয়ে তার সঙ্গে কেউ কথা বলতেন না।

    কী করে ধরা পড়ল ওই ভুয়ো পুলিশ অফিসার (CID)?

    সোদপুরের যে বাড়িটি তিনি ভাড়া নিয়েছেন সেই বাড়ির মালিক মীনাক্ষী দাসের অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করল খড়দহ থানার পুলিস। তার কাছ থেকে পুলিসের পোশাক, টুপি, এনফিল্ড বুলেট বাইক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বুধবার তাকে বারাকপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক ৬ দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ব্যক্তির নাম সুবীর বণিক। বয়স ৪৫ হবে। আসল বাড়ি জগদ্দলের আতপুরে। বেশ কিছুদিন ধরে সে পুলিশ অফিসার পরিচয় দিয়ে এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছিল। তবে, তার আচরণ দেখে বাড়ির মালিকের সন্দেহ হয়। তিনি খড়দহ থানায় সমস্ত বিষয়টি জানান। এরপরই পুলিশ তদন্তে নেমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে।

    কী বললেন বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের কর্তা?

    বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক কর্তা বলেন, সিআইডি (CID) অফিসার পরিচয় দিয়ে তাঁর নামে নানা রকম প্রতারণা করার অভিযোগ আসছিল। বাড়ির মালিকের কাছ থেকে বিপ্লব দাস নামে বাড়ি ভাড়া নিয়েছিল। আমরা সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছি। পুলিশের পরিচয় দিয়ে লোকদেরকে প্রতারণা করছিল এই সুবীর। কাকে কাকে প্রতারণা করেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সমস্ত বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sk. Shahjahan: হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য! শেখ শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে দিল না সিআইডি

    Sk. Shahjahan: হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য! শেখ শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে দিল না সিআইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও শেখ শাহজাহানকে (Sk. Shahjahan) সিবিআই-এর হাতে তুলে দিল না সিআইডি। যাবতীয় প্রস্তুতি নিয়ে সন্দেশখালিকাণ্ডের (Sandeshkhali Incident) মূল অভিযুক্ত শাহজাহানকে নিয়ে যেতে ভবানী ভবনে পৌঁছে গিয়েছিলেন সিবিআই-এর আধিকারিকরা৷ সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীও। কিন্তু ২ ঘণ্টারও বেশি সময়ের অপেক্ষার পর শাহজাহানকে ছাড়াই খালি হাতে ফিরে যেতে হল সিবিআইকে। সূত্রের খবর, রাজ্য সরকার শেখ শাহজাহানকে নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছে৷ সেই যুক্তিতেই এদিন সিআইডির পক্ষ থেকে শেখ শাহজাহানকে সিবিআইকে হস্তান্তর করা হয়নি।

    হাইকোর্টের নির্দেশ

    সন্দেশখালির ঘটনায় (Sandeshkhali Incident) অবিলম্বে শেখ শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। ইডির উপরে হামলার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। আজই বিকেল ৪.৩০টার মধ্যে শেখ শাহজাহানকে (Sk. Shahjahan) হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ওই সময়ের মধ্যে সিবিআইকে নথি দেওয়ারও নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়ে ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, ‘৫০ দিন পালিয়ে থাকার পর ২৯ ফেব্রুয়ারি গ্রেফতার হন শেখ শাহজাহান। শেখ শাহজাহান একজন সাধারণ নাগরিক নন, তিনি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। যে রাজনৈতিক দলের হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন, সেটা রাজ্যের শাসক দল। ন্যায়বিচারের স্বার্থে, স্থানীয়দের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যেই সিবিআই।’

    কোথায় শাহজাহান

    বিকেল পাঁচটা নাগাদ সিবিআই-এর দুই আধিকারিক প্রায় ২৫ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানকে নিয়ে শেখ শাহজাহানকে (Sk. Shahjahan) হেফাজতে নিতে ভবানী ভবনে পৌঁছন৷ মনে করা হচ্ছিল, হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে হয়তো শাহজাহানকে সিবিআই-এর হেফাজতেই তুলে দেবেন সিআইডি আধিকারিকরা৷ কিন্তু প্রায় দু’ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অপেক্ষার পর যখন সিবিআই আধিকারিকরা ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে আসেন, তখন তাঁদের সঙ্গে শেখ শাহজাহান ছিলেন না৷ শাহজাহানকে না নিয়েই ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে যায় সিবিআই আধিকারিক এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নিয়ে আসা চারটি গাড়ি৷  

    আরও পড়ুুন: ‘‘তৃণমূল আর বেশিদিন থাকবে না’’, ইস্তফা দিয়েই হুঙ্কার অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    সুপ্রিম কোর্টের অজুহাত

    সন্দেশখালিকাণ্ডের (Sandeshkhali Incident) তদন্তভার সিবিআইকে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবারই ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে তৃণমূল সরকার। সূত্রের খবর, রাজ্য সরকারের হয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলাটি লড়বেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। শীর্ষ আদালতে জরুরি ভিত্তিতে মামলাটির শুনানি চেয়েছিল রাজ্য। যদিও সুপ্রিম কোর্ট ওই আর্জিতে সাড়া দেয়নি। তবুও সুপ্রিম কোর্টে মামলা লড়বে রাজ্য এই অজুহাতেই মঙ্গলবারও শাহজাহানকে সিবিআই-এর হাতে তুলে দেয়নি সিআইডি। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

    .

  • Sheikh Shahjahan: ইডি অফিসে শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী! কোন পথে এগোচ্ছে তদন্ত?

    Sheikh Shahjahan: ইডি অফিসে শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী! কোন পথে এগোচ্ছে তদন্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহাজাহান। গত ৫ জানুয়ারি তাঁকে ধরতে গিয়েই আক্রান্ত হয় ইডি। সে থেকেই ঘটনার সূত্রপাত। টানা ৫৫ দিন গা ঢাকা দিয়েছিলেন শাহজাহান। অবশেষে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যদিও ইডির দাবি, তথ্য লোপাটের চেষ্টা করা হবে। এমনকী শাহজাহানকে আড়াল করবে রাজ্য পুলিশ। তাই দ্রুত শাহজাহানকে ঘিরতে চাইছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। চলছে তারই প্রস্তুতি। এরইমধ্যে ইডি ডেকে পাঠিয়েছে শাহজাহান ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী অরুণ সেনগুপ্ত,  অরূপ সোমকে।

    অরূপ সোমকে তলব

    শেখ শাহজাহান গ্রেফতার হতেই তাঁর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ব্যবসায়ী অরূপ সোমকে ডেকে পাঠাল এনফোরেসমেন্ট ডিরেক্টরেট। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ইডি’র সমন পেলেন তিনি। অনুমান, শাহজাহানের বিরুদ্ধে প্রমাণ জোগাড় করতেই এই তলব। চলতি সপ্তাহেই অরূপের দক্ষিণ কলকাতার বিজয়গড়ের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। ইডি সূত্রে খবর, শেখ শাহজাহানের চিংড়ি মাছের ব্যবসা সংক্রান্ত মামলায় তলব করা হয়েছে ব্যবসায়ীকে। এই ব্যবসায়ী শাহজাহানের থেকে চিংড়ি মাছ নিয়ে অন্যান্য কোম্পানিদের বিক্রি করত বলে জানা গিয়েছে। এই কোম্পানির সঙ্গেই শেখ শাহজাহানের ব্যবসায়িক যোগাযোগ ছিল। তদন্তকারীরা মনে করছেন যে, রেশন দুর্নীতির সঙ্গে যেহেতু শেখ শাহজাহান ওতপ্রোতভাবে যুক্ত, ফলে তাঁর অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি কালো টাকা আসত ৷ সেই কালো টাকা অরূপ সোমের কোম্পানিতে বিনিয়োগ করা হত মাছের ব্যবসার নামে। ফলে কতবার কত কোটি টাকা তাঁদের মধ্যে লেনদেন হয়েছে, সেই সমস্ত বিশদে জানার জন্যই ফের অরূপ সোমকে ডেকে পাঠিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

    আরও পড়ুন: ইডি থেকে বাঁচতেই কি ইডি’র ওপর হামলার দায় স্বীকার শাহজাহানের?

    অরুণ সেনগুপ্তকে জেরা

    শাহজাহান ঘনিষ্ঠ বিরাটির ব্যবসায়ী অরুণ সেনগুপ্তও হাজির হলেন ইডির দফতরে। সোমবারই তাঁর মেয়ে এসেছিলেন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে। সূত্রের খবর, বেশ কিছু নথি নিয়ে সোমবার তদন্তকারী সংস্থার দফতরে যান অরুণ-কন্যা। এরপরই এদিন যান অরুণ নিজে। আমদানি-রফতানির সংস্থা রয়েছে তাঁরও। চিংড়ি মাছের আমদানি-রফতানি সংক্রান্ত কাজ করে তাঁর সংস্থা। শেখ শাহজাহান সম্পর্কে দ্বিতীয় যে ইসিআইআর হয়েছে, মূলত তা অরুণ সেনগুপ্তের সংস্থার একটি পুরনো এফআইআরের ভিত্তিতে। অরুণ সেনগুপ্ত সি ফুড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনেরও সদস্য। ইডি সূত্রে খবর, শেখ শাহজাহানের সঙ্গে অরুণ সেনগুপ্তের সংস্থার লেনদেন সংক্রান্ত যোগ ছিল।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: ‘‘হচ্ছেটা কী?’’ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের রাজ্যকে ভর্ৎসনা বিচারপতি বসুর

    Recruitment Scam: ‘‘হচ্ছেটা কী?’’ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের রাজ্যকে ভর্ৎসনা বিচারপতি বসুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) তদন্তে ফের বিচারপতির তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়ল রাজ্য সরকার ৷ সোমবার গোথা হাইস্কুল মামলায় তদন্তকারী সিটের সদস্যরা কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) হাজিরা দেন। কিন্তু সকল ডিআই-দের রিপোর্ট জমা দিতে পারেনি রাজ্য সরকার। এরপরই নিয়োগ দুর্নীতি প্রসঙ্গে রাজ্যের উদাসীনতা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। এদিন এই মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হতে তুলে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন বিচারপতি।

    আদালতে সওয়াল-জবাব

    শিক্ষকের নিয়োগে (Recruitment Scam) বেনিয়মের অভিযোগ যাচাই করতে তদন্ত করছে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশে গঠিত স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (সিট)। এদিন সংশ্লিষ্ট মামলাটিতে রাজ্যের আইনজীবীর উদ্দেশে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু প্রশ্ন তোলেন, “সিআইডি কী তদন্ত করছে? তিনজনের সিট গঠিত হয়েছে। সুতি সহ আরও যে অভিযোগ জমা পড়েছে সেই তদন্ত কতদূর এগিয়েছে? স্কুল সার্ভিস কমিশনের পশ্চিমাঞ্চলের চেয়ারম্যান সিরাজউদ্দিন শেখ কি গ্রেফতার হয়েছেন?” উত্তরে রাজ্য সরকারের আইনজীবী রুদ্র নন্দী জানান, “সিটের সদস্যদের কাছে অভিযোগের ভিত্তিতে তারা তদন্ত করছে। গোথা হাই স্কুলে বাবা ও ছেলে গ্রেফতার হয়েছে। আব্দুল রাকিবকে সম্প্রতি গ্রেফতার করা হয়েছে। সকলেই এই স্কুলের শিক্ষক ও ক্লার্ক হিসাবে কাজ করতেন। এছাড়াও জাসমিনা খাতুন নামে আর একজন গ্রেফতার হয়েছে।” 

    আরও পড়ুন: জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি, আজ তিন রাজ্যের ১৫ আসনে রাজ্যসভা নির্বাচন

    ক্ষোভ প্রকাশ বিচারপতির

    বিচারপতি বসু বলেন, “সমস্ত জেলার ডিআইদের রিপোর্ট কোথায়? আদালত জানতে চায় তারা কী তথ্য দিচ্ছে?” রাজ্যের তরফে জানানো হয়, রিপোর্ট তৈরি হলেও এই মুহূর্তে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আরও সময় দেওয়া হোক। রাজ্যের বক্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু বলেন, “কী অদ্ভুত! আমি কীভাবে অ্যাডভোকেট জেনারেলকে আমার প্রশ্নগুলো করব? আজ সেই রিপোর্ট নিয়ে এলে মামলাটা এগিয়ে যেত। স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম এত উদাসীন! হচ্ছেটা কী?” এরপর রাজ্যকে সতর্ক করে রাজ্যের আবেদনে সাড়া দিয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য সময় দিয়েছে আদালত (Calcutta High Court)। আগামী বৃহস্পতিবার মামলার পরবর্তী শুনানি। সেদিন ডিআই-দের রিপোর্টের সঙ্গে রাজ্যকে মামলার কেস ডায়েরি জমা দিতে বলা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share