Tag: CID

CID

  • TMC Resolution Sign: ‘সই কি ভূতে করল?’ বিধানসভায় স্বাক্ষর বিতর্কে দলের বিরুদ্ধেই বোমা ফাটালেন তৃণমূল বিধায়ক! তদন্তে সিআইডি

    TMC Resolution Sign: ‘সই কি ভূতে করল?’ বিধানসভায় স্বাক্ষর বিতর্কে দলের বিরুদ্ধেই বোমা ফাটালেন তৃণমূল বিধায়ক! তদন্তে সিআইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচনকে ঘিরে এক নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী থাকল রাজ্য রাজনীতি। বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচন সংক্রান্ত একটি রেজোলিউশনে বিধায়কদের স্বাক্ষর (TMC Resolution Sign) নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের জেরে, আচমকাই একাধিক তৃণমূল বিধায়কের (Trinamool Congress MLA) বাসভবনে হানা দেয় রাজ্য পুলিশের সিআইডি (CID) প্রতিনিধি দল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    চার তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে সিআইডি

    শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা ঘোষণা করে তৃণমূলের পরিষদীয় দলের তরফে নিয়ম মেনে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছিল বিধানসভার সচিবকে। সেখানে নয়নার স্বাক্ষরে অসঙ্গতি রয়েছে বলে বিধানসভার তরফে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল হেয়ার স্ট্রিট থানায়। জানা গিয়েছে, পরবর্তীতে তদন্তের দায়িত্বভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়। তার ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার চৌরঙ্গীর বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh), ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক বাহরুল ইসলামের বাড়িতে পৌঁছে যান সিআইডি কর্তারা।  এর পর শুক্রবার সকালে ডোমজুড়ের বিধায়ক তাপস মাইতি, প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বোলপুরের বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিনহার বাড়িতেও পৌঁছয় সিআইডি। তবে এর মধ্যেই বিধায়ক বাহারুল ইসলামের একটি দাবি এই বিতর্ককে আরও উস্কে দিয়েছে; তাঁর দাবি—‘‘ওই রেজোলিউশনে থাকা স্বাক্ষরটি আমার নয়।’’

    নয়নার ২ স্বাক্ষরের মধ্যে বিস্তর ফারাক!

    সূত্রের খবর, শপথের দিন নয়না প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়ের সামনে যে সই করেছিলেন, তার সঙ্গে পরিষদীয় দলের চিঠির সইয়ে ফারাক রয়েছে। সেই অসঙ্গতি নিয়ে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমেছে। এই প্রেক্ষিতেই বৃহস্পতিবার বিকেল আনুমানিক ৩টে নাগাদ সিআইডির একটি দল চৌরঙ্গীর তৃণমূল বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে পৌঁছায়। রেজোলিউশনে থাকা স্বাক্ষরটি (TMC Resolution Sign) আদৌ তাঁর কি না, তা যাচাই করাই ছিল তদন্তকারীদের মূল উদ্দেশ্য। হস্তাক্ষর বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত সিআইডির ৬ সদস্যের এই দলটি বিধায়কের প্যান কার্ডও পরীক্ষা করে দেখে। সিআইডির এই আকস্মিক পরিদর্শনে চরম বিস্ময় প্রকাশ করে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় গোটা ঘটনাটিকে ‘শকিং’ বা অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে বর্ণনা করেছেন।

    কী বললেন নয়না? (TMC Resolution Sign)

    নয়নার দাবি, হাতের লেখা তাঁর। তিনি বলেন, “গত ৬ মে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের লক্ষ্যে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে একটি বৈঠক হয়েছিল। সেই সময় দলের (Trinamool Congress MLA) তৈরি করা একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাটে আমি স্বাক্ষর করি। তবে আমি প্রথাগত সই না করে বড় হাতের অক্ষরে নিজের নাম লিখেছিলাম। বর্তমানে যে কাগজটি নিয়ে তদন্ত হচ্ছে, সেটি আমারই হাতের লেখা (TMC Resolution Sign)।’’ ২০০১ সালে প্রথমবার বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর, পাঁচবারের বিধায়ক জীবনে এমন অস্বস্তিকর ও নজিরবিহীন পরিস্থিতির মুখোমুখি তাঁকে কখনও হতে হয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। বিষয়টি তিনি ইতিমধ্যেই দলের প্রবীণ নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে জানিয়েছেন এবং দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পুরো ঘটনাটি অবগত করার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

    ‘সই কি ভূতে করল?’ প্রশ্ন ক্যানিং পূর্বের বিধায়কের

    এদিকে এই ঘটনাপ্রবাহে সম্পূর্ণ ভিন্ন সুর শোনা গেছে ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক বাহারুল ইসলামের (Trinamool Congress MLA) গলায়। রেজোলিউশনে নিজের স্বাক্ষর (TMC Resolution Sign) থাকার বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে তিনি স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে প্রশ্ন তোলেন, ‘‘গত ৬ মে, যেদিন রেজোলিউশনে সই নেওয়া হয়েছিল, আমি বাড়ি থেকেই বের হইনি। কে করে দিল বুঝতে পারছি না। তাহলে আমার সইটা কি ভূতে করল?’’ বাহরুলের গলায় স্পষ্ট ক্ষোভের সুর শোনা যায়। তিনি আরও বলেন, “আমি তো সই করিনি। দল একবার আমাকে জানাতে পারত। আমি সই করতে চাই কি না, জানতেও চাওয়া হয়নি।” সাধারণত বিধানসভায় বিরোধীদলের পরিষদীয় দলের নেতাদের সম্মতিতেই বিধানসভার স্পিকার বিরোধীদলের নেতা নির্বাচনে সিলমোহর দেন।

    কী বলছে বিজেপি?

    যেহেতু নাম প্রস্তাব এবং স্বাক্ষর নিয়ে বিভ্রাট তৈরি হয়েছে তাই ঘটনার তদন্তে নেমছেন রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা। কুণাল ঘোষ এখনও এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। ডোমজুড়ের বিধায়ক তাপস মাইতি, বোলপুরের বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিনহার বাড়িতেও একই অভিযোগ নিয়ে হাজির হয়েছে সিআইডি। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই সিআইডি গিয়েছে। প্রক্সি সিগনেচারও হতে পারে। কলকাতা পুরনিগমে এরকম হয়। আর একটু অপেক্ষা করুন। সত্যিটা বেরিয়ে আসবে। যদি তিনি সই করে থাকেন, তাহলে কোনও অসুবিধা নেই। যদি কোনও রকম ট্যাম্পারিং করে থাকেন, তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

     

  • I-PAC Case Hearing: ‘মুখ্যমন্ত্রী যা করেছেন, তা মোটেও সুখকর নয়’, আইপ্যাক-কাণ্ডে মমতার ভূমিকায় বিরক্ত সুপ্রিম কোর্ট

    I-PAC Case Hearing: ‘মুখ্যমন্ত্রী যা করেছেন, তা মোটেও সুখকর নয়’, আইপ্যাক-কাণ্ডে মমতার ভূমিকায় বিরক্ত সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে (SC) ফের ভর্ৎসনার মুখে রাজ্য। ‘ইডির তদন্তে কোনও মুখ্যমন্ত্রীর ঢুকে পড়াটা অনভিপ্রেত ঘটনা’! আইপ্যাক-কাণ্ড (I-PAC Case Hearing) নিয়ে মামলার শুনানিতে মন্তব্য শীর্ষ আদালতের। বুধবার আইপ্যাক মামলার শুনানি চলাকালীন আরও সময় চাইল রাজ্য। ইডি-র তরফে যে হলফনামা দেওয়া হয়েছে তার উত্তর দেওয়ার জন্য সময় চাওয়া হল। বাড়তি সময় চাওয়ার তীব্র বিরোধিতা করা হয় ইডি-র তরফে। ৪ সপ্তাহ সময় ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে, জানান বিচারপতি মিশ্র।

    সময় নষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে

    বুধবার সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়া বেঞ্চে ফের সময় চেয়ে আবেদন জানান রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল। তাতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার বক্তব্য, “সময় নষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ।” সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার বক্তব্য,“এটা অত্যন্ত আশ্চর্যের ব্যাপার, যে একজন মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে হস্তক্ষেপ করছেন। ৪ সপ্তাহ পরেও তাঁরা কিছু জমা দেওয়ার জন্য সময় চাইছেন।”

    আদালত কীভাবে চলবে, সেটা তার বিষয়

    ইতিমধ্যেই রাজ্যকে যে আদালত চার সপ্তাহ সময় দিয়ে দিয়েছে, তা রাজ্যকে স্মরণ করান বিচারপতি। বর্ষীয়ান আইনজীবী কপিল সিব্বল তখন বলেন, “আমরা রিজয়েনডার জমা দিতে চাই।” ৪ সপ্তাহ সময় ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে, জানান বিচারপতি মিশ্র। আমরা শুনব, শুনানি শুরু করুন, মন্তব্য বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রর। রাজ্যের আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান সওয়াল করেন, ‘ইডি যে রিজয়েন্ডার জমা দিয়েছে, তাতে মূল মামলার আবেদনের থেকেও বেশি কথা বলা হয়েছে।’ সঙ্গে তিনি জানান, আদালত যদি সময় না দিতে চায়, আদালত তা করতেই পারে। এতেই ক্ষিপ্ত হন বিচারপতি মিশ্র। বলেন, ‘আপনারা আদালতকে এটা বলতে পারেন না যে, আদালতে কীভাবে শুনানি চালাবে। কেউ সময় নিয়েছে বলে আপনাকেও সময় নিতে হবে… এটা কোনও যুক্তি হতে পারে না, মামলা হবে কিনা সেটা নিয়ে যুদ্ধ চলতে পারে না।’

    ইডি-র মামলা নিয়ে প্রশ্ন রাজ্যের

    রাজ্যের আইনজীবী শ্যাম দেওয়ান ইডির মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তুলে সওয়াল শুরু করেন। রাজ্যের আইনজীবীর বক্তব্য, ইডি কোনও জুরিস্টিক এনটিটি নয় এবং সেই কারণে ইডি সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে কোনও পিটিশন দাখিল করতে পারে না। দ্বিতীয়ত, যদি ইডির মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হওয়ার কোনও সুযোগ না থাকে, তবে ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে করা পিটিশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ইডি আদৌ কোনও পিটিশন দাখিল করতে পারে কি না, তা এখানে বিবেচ্য। আর্টিকেল ৩২ অনুযায়ী সংবিধানের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন হওয়ার অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার অধিকার একজন নাগরিক বা ব্যক্তির থাকতে পারে অথবা একটি লিগ্যাল কর্পোরেট সংস্থার থাকতে পারে। যদি তা না হয়, তাহলে এই মামলা করা যায় না। রাজ্যের তরফে বলা হয়, “আমরা বলছি, কেন্দ্রীয় সরকার এক্ষেত্রে মামলা করতে পারে। কিন্তু কোনও দফতর নয় বা সিআইডি বা ইডির মত সংস্থা নয়। যদি তারা করেন, তাহলে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৫ ধারা অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টে পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ গঠন করে এ ধরনের সংস্থার ক্ষমতা এক্তিয়ার সব নতুন করে ঠিক করতে হবে।”

    এটা মোটেই সুখকর চিত্র নয়

    সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা অভিযোগ করেন, “যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী জোর করে তদন্ত চলাকালীন ঢুকেছেন, তা অত্যন্ত ‘আনইউজুয়াল।’এর আগে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা পেশ করে ইডি। হলফনামায় ইডি-র তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়, রাজ্য় পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষীদের মুখোমুখি সংঘর্ষ এড়াতেই তল্লাশি বন্ধ করতে বাধ্য হয় ইডি অফিসাররা, হলফনামায় এমনটাই উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি, কোনও তদন্তকারী সংস্থা কখনওই তল্লাশি চলাকালীন কোনও তৃতীয় ব্যক্তিকে সেখানে প্রবেশ করতে এবং জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিতে পারে না, সেটাও উল্লেখ করে ইডি। বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র বলেন, “একজন মুখ্যমন্ত্রী যেখানে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সি তদন্ত করছে, সেখানে বলপূর্বক ঢুকে পড়ছেন, এটা মোটেই সুখকর চিত্র নয়। যদি আর্টিকেল ৩২ বা আর্টিকেল ২২৬ অনুযায়ী মামলা করা না যায়, তাহলে কী করা যাবে? কাল অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রী একই কাজ করতে পারেন।”

    মামলা স্থগিত নয়, রাজ্যের আর্জি খারিজ

    আইপ্যাক মামলায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তল্লাশি চলাকালীন হস্তক্ষেপের অভিযোগ এনেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডি এই মামলায় মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ চেয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যের তৎকালীন ডিজিপি রাজীব কুমার এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনার মনোজ কুমারকেও এই মামলায় যুক্ত করা হয়েছে। শুনানির সময় পশ্চিমবঙ্গ সরকার ইডির হলফনামার জবাব জমা দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চেয়েছে। তবে সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা এই আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, এই মামলাকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বিত করার চেষ্টা করছে রাজ্য। ইডি ইতিমধ্যেই দুই সপ্তাহ আগে তাদের প্রতিক্রিয়া আদালতে দাখিল করেছে। এদিন আইপ্যাক মামলা স্থগিত করার রাজ্যের সিদ্ধান্তকে খারিজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে ইডির অভিযোগের জবাব দিতে রাজ্যকে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে ফের হানা হিন্দু মন্দিরে, ভাঙচুর করা হল প্রতিমা

    Bangladesh: বাংলাদেশে ফের হানা হিন্দু মন্দিরে, ভাঙচুর করা হল প্রতিমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) ফের ভাঙচুর করা হল হিন্দুদের প্রতিমা (Kali Murti Vandalised)। দক্ষিণ বাংলাদেশের শতাব্দীপ্রাচীন একটি মন্দিরে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। ভাঙচুর করা হয় মা কালীর প্রতিমা। পটুয়াখালি জেলার এই ঘটনায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরে হানা (Bangladesh)

    মন্দিরটি সদর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ভূবনসাহার কাছারিতে অবস্থিত। জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে রাত প্রায় সাড়ে ৯টা নাগাদ পটুয়াখালির বাউফল উপজেলার দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরে হানা দেয় দুষ্কৃতীরা। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, অজ্ঞাতপরিচয় একদল ব্যক্তি অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে মন্দির প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়। হামলার সময় মন্দিরের ভেতরে থাকা একটি কালী মূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনার পরপরই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শতাধিক বছরের পুরোনো এই মন্দিরটি এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভাঙচুরের এই ঘটনায় হিন্দুদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁরা ঘটনাটিকে অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক বলে অভিহিত করেছেন (Bangladesh)।

    পুলিশের বক্তব্য

    হামলার পর বাউফল থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ক্ষয়ক্ষতির তথ্য নথিভুক্ত করে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতির মোকাবিলা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ এও জানিয়েছে, সিআইডির একটি বিশেষজ্ঞ দল মন্দির প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করবে। তারা নমুনা সংগ্রহের জন্য ফরেনসিক পরীক্ষা চালাবে। এটি অপরাধীদের শনাক্ত করতে সহায়ক হতে পারে (Kali Murti Vandalised)। তদন্তের ফল ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে (Bangladesh)। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। একটি কালী মূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

     

LinkedIn
Share