Tag: Civic volunteer

Civic volunteer

  • TMC: তৃণমূলের কমিটিতে চারজন সিভিক ভলান্টিয়ারের নাম! শোরগোল

    TMC: তৃণমূলের কমিটিতে চারজন সিভিক ভলান্টিয়ারের নাম! শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব বর্ধমান জেলায় তৃণমূলের (TMC) যুব এবং ব্লক কমিটিতে চারজন সিভিক ভলান্টিয়ারের নাম! এদের একজন আবার ব্লক কমিটির সভাপতি, অপর তিনজন ব্লক কমিটির সদস্য। সদ্য প্রকাশিত তৃণমূল জেলা যুব কমিটি এবং মাস কয়েক আগে প্রকাশিত তৃণমূলের ব্লক কমিটিতে কালনা ২ নম্বর ব্লকের বিভিন্ন অঞ্চলের দায়িত্বে এলাকার চার সিভিক ভলান্টিয়ারের নামের তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। এদের মধ্যে তিন সিভিক ভলান্টিয়ার কালনা থানার অধীনে কর্মরত। ওই তিনজন হলেন সঞ্জয় ঘোষ, সৈকত পূজারি এবং রেজাউল মন্ডল। বাকি একজন সৌভিক ঘোষ। ওই এলাকার তৃণমূলের ব্লক সভাপতির দাবি, নাম থাকতেই পারে। এর মধ্যে তিনি অন্যায় কিছু দেখছেন না। তিনি যাই বলুন, দলের কমিটিতে সিভিক ভলান্টিয়ারদের নাম ওঠায় অস্বস্তিতে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল। 

    কী বলছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের বক্তব্য, সিভিক ভলান্টিয়ার ডিউটির পরে রাজনীতি করতেই পারে। আসলে বিরোধীদের কোনও কাজ না থাকায় তারা এই নিয়ে খোঁচাখুঁচি করছে। গণতান্ত্রিক অধিকার তো সব মানুষেরই আছে। রাজনৈতিক দল করারও স্বাধীনতা আছে। যারা সরাসরি রাজ্য বা কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারী, তারা রাজনীতি করতে পারে না। কিন্তু সিভিক ভলান্টিয়াররা তো রাজ্য সরকারের কর্মচারী নয়। তারা মাস গেলে একটা ভাতা পায়। এরা শ্রম দেয় এবং তার বিনিময়ে সরকার তাদের কিছু মজুরি দেয়। সংবিধান বা আইনগতভাবে কোনও বাধা আছে বলে আমার মনে হয় না। বিজেপির তো পায়ের তলায় মাটি নেই। তাই যতটা সম্ভব বিব্রত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

    তীব্র সমালোচনায় বিজেপি

    স্থানীয় বিজেপি নেতা বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। দল এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। এরা তো প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত। তাহলে তৃণমূল (TMC) দলের পদাধিকারী হয়ে তারা কী করে নিরপেক্ষভাবে পঞ্চায়েত ভোট পরিচালনা করবে? এই ধরনের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই আমরা দাবি করেছি, পঞ্চায়েত নির্বাচনে কোনও সিভিক ভলান্টিয়ারকে কাজে লাগানো যাবে না। সিভিক ভলান্টিয়ারদের দিয়ে সরকার যে আসলে পার্টির কাজ করায়, এই ঘটনায় সেটা প্রমাণ হয়ে গেল। আসলে ভলান্টিয়ারদের মাধ্যমে বিরোধী দলের কোন নেতা কী করছেন, কোথায় যাচ্ছেন, সেই সমস্ত খবরাখবর নেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Civic Volunteer: সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ, সিআইডি তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Civic Volunteer: সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ, সিআইডি তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খরচ বাঁচাতে এবং দলীয় কর্মীদের খুশি করতে স্থায়ী পুলিশ কর্মী নিয়োগ না করে অস্থায়ী সিভিক ভলান্টিয়ার (Civic Volunteer) নিয়োগ করেছিল তৃণমূল (TMC) পরিচালিত রাজ্য সরকার। সেই সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে ওঠা নানা অভিযোগে জেরবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সরকার। সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন সময়। তার পরেও টনক নড়েনি রাজ্য সরকারের। এবার মুখ পুড়ল কলকাতা হাইকোর্টে। কল্যাণীর ঈশ্বর গুপ্ত সেতুতে গাড়ি থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে।

    সিভিক ভলান্টিয়ার (Civic Volunteer)…

    কল্যাণী পুরসভার এক তৃণমূল কাউন্সিলরের দায়ের করা পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার মামলায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। শুক্রবার ওই মামলার প্রেক্ষিতে বিচারপতি মান্থা বলেন, যেহেতু এ ক্ষেত্রে পুলিশের বিরুদ্ধেও জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে, তাই নিরপেক্ষ সংস্থা হিসেবে সিআইডি তদন্ত করবে। প্রসঙ্গত, কিছু দিন আগেই সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteer) বিষয়ে নির্দেশিকা তৈরি করতে রাজ্য পুলিশের আইজিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি মান্থা। মামলাকারীর আবেদনের ভিত্তিতে এই মামলায় অংশ নেয় সিবিআইও। বিচারপতি মান্থা জানান, আগামী ১৩ এপ্রিল সিআইডি রিপোর্ট দেবে। সেদিনই হবে পরবর্তী শুনানি।

    ঈশ্বর গুপ্ত সেতুতে বালির ট্রাক আটকে ২ সিভিক ভলান্টিয়ার তোলাবাজি করছিলেন বলে অভিযোগ। পরে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। তোলাবাজির পাশাপাশি হুমকি দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। তার ভিত্তিতেই রাজকুমার মান্না ও আশিকুল রহমান নামে অভিযুক্ত দুজনক গ্রেফতার করা হয়। তোলা চেয়ে হুমকি, তোলা না দেওয়ায় টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুুন: ‘ডিগ্রি দেখানোর প্রয়োজন নেই মোদির’, জানিয়ে দিল গুজরাট হাইকোর্ট

    প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে রাজ্য পুলিশ রীতিমতো সার্কুলার দিয়ে জানায়, আইন-শৃঙ্খলাজনিত কোনও দায়িত্বপূর্ণ কাজ সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteer) দিয়ে করানো যাবে না। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে জারি করা হয়েছিল ওই সার্কুলার। সার্কুলারে এও বলা হয়েছিল, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে পুলিশকে সহযোগিতা করবেন সিভিক ভলান্টিয়াররা। বিভিন্ন উৎসবে ভিড় সামলাতে, বেআইনি পার্কিং রুখতে, মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে পুলিশের সাহায্যকারীর ভূমিকায় থাকবেন সিভিক ভলান্টিয়াররা। এই প্রথম নয়, এর আগেও সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে। তবে হাইকোর্টের নির্দেশের পর জারি করা হয় সার্কুলার। রাজ্য পুলিশের এক কর্তা বলেন, সদ্য জারি হয়েছে নয়া নির্দেশিকা। এর পরেও অভিযোগ আসে কি না, দেখা প্রয়োজন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: রাজ্যে সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভূমিকা নিয়ে নির্দেশিকা তৈরির নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: রাজ্যে সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভূমিকা নিয়ে নির্দেশিকা তৈরির নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আইন শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteer) ভূমিকা  নিয়ে নির্দেশিকা তৈরির নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। রাজ্য পুলিশের আইজিকে এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। মঙ্গলবার তিনি জানান, আগামী ২৯ মার্চের মধ্যে নির্দেশিকা তৈরি করে আদালতে জমা দিতে হবে।

    কী বলল আদালত

    মঙ্গলবার একটি মামলার শুনানির সময় কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভূমিকা সম্পর্কে রাজ্যের কাছে জানতে চান। রাজ্যের কাছে আদালত জানতে চেয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে সিভিক ভলান্টিয়ারদের কী ভূমিকা রয়েছে? কোন কোন কাজে ব্যবহার করা হয় সিভিক ভলান্টিয়ারদের? 

    সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভূমিকা

    সম্প্রতি সরশুনা থানার দুই সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে  এলাকার এক যুবককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। ওই যুবকের পরিবারের অভিযোগ, দু’জন সিভিক ভলান্টিয়ার তাকে তুলে নিয়ে যায়। সঙ্গে পুলিশও ছিল। তার পর থেকে আর ওই যুবককে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এর পরেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় পরিবার। ওই যুবকের পরিবারের আইনজীবী সব্যসাচী চক্রবর্তী জানান, এর আগে হাওড়ার যুব নেতা আনিস খানের বাড়িতেও গভীর রাতে দুই সিভিল ভলান্টিয়ার গিয়ে হামলা চালান। পরবর্তীতে আমতা থানার পুলিশ আনিস খানকাণ্ডে সিভিক ভলান্টিয়ারদের জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে নেয়। এক্ষেত্রেও সিভিকদের ভূমিক নিয়ে সন্দেহ উঠছে। আদালতে এদিন বিষয়টি ওঠার পরই বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা (Calcutta High Court) সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়ে একটি বিস্তারিত গাইডলাইন তৈরির নির্দেশ দেন।

    আরও পড়ুন: প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সচিবকে তলব ইডির! কী জানতে চাইলেন তদন্তকারী আধিকারিকরা?

    উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই রাজ্য সরকার জানিয়েছিল, ভালো কাজ করলে এবার থেকে রাজ্যে কর্মরত সিভিক ভলান্টিয়ারদের পদোন্নতি হবে বলে চিন্তাভাবনা রয়েছে নবান্নের। এই সিভিক ভলান্টিয়ারদের কনস্টেবল পদে নিয়োগ করা হবে। নবান্নের প্রশাসনিক বৈঠকে এমনই সিদ্ধান্ত নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিরোধীদের দাবি, রাজ্যে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগে এটা একটা টোপ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘বাংলার লজ্জা’! প্রাথমিকে পড়াবেন সিভিক ভলান্টিয়াররা? ‘সরকারি শিক্ষা বন্ধের চক্রান্ত’, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘বাংলার লজ্জা’! প্রাথমিকে পড়াবেন সিভিক ভলান্টিয়াররা? ‘সরকারি শিক্ষা বন্ধের চক্রান্ত’, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে যখন উত্তাল রাজ্য, সেই আবহেই বাঁকুড়ায় বিতর্কিত পদক্ষেপ নিল পুলিশ। সেখানে সিভিক ভলান্টিয়ারদের প্রাথমিক শিক্ষায় যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। বাঁকুড়া পুলিশের তরফে ‘অঙ্কুর’ প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়েছে। তার আওতায় প্রাথমিক স্কুলগুলিতে ক্লাস নেবেন সিভিক ভলান্টিয়াররা। আর এই সিদ্ধান্ত ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। এরপরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি অভিযোগ করেছেন, মুখ্যমন্ত্রী স্কুল শিক্ষাকে বেসরকারি করার জন্য ফন্দি এঁটেছেন। আর এ নিয়ে ট্যুইটও করেছেন শুভেন্দু।

    ট্যুইটে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেছেন, রাজ্যে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ইতিমধ্যেই চার লক্ষ কমেছে। রাজ্যের ৮,২০৭টি সরকার পরিচালিত স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা ৩০-এর কম। প্রাথমিকস্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য পরিপূরক ক্লাস করানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিভিক ভলান্টিয়ারদের। যার অর্থ, রাজ্য সরকার সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা একেবারে বন্ধ করার পরিকল্পনা করে ফেলেছে। এর পাশাপাশি ট্যুইটে একটি চিঠিও শেয়ার করেছেন। দেখা গিয়েছে, এই সরকারি চিঠিটি বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার জেলাশাসককে লিখেছেন। যাতে বলা হয়েছে, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সিভিক পুলিশরা ‘অঙ্কুর’ নামে এক প্রকল্পের আওতায় বাঁকুড়ার ৪৬টি স্কুল বা কমিউনিটি সেন্টারে শিশু পড়ুয়াদের পরিপূরক ক্লাস করাবে। জেলাশাসককে এই ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিতে অনুরোধ করেছেন পুলিশ সুপার।

    পুলিশের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে বাঁকুড়ার সাংসদ তথা কেন্দ্রের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী চিকিৎসক সুভাষ সরকার বলেন, “সিভিক ভলান্টিয়াররা শিশুদের ইংরাজি আর অঙ্ক শেখাবে এটা একবিংশ শতকে পশ্চিমবাংলার লজ্জা। এখানে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি, শিক্ষক নিয়োগ হচ্ছে না। সরকার শিক্ষাব্যবস্থা চালাতে না পারলে দায়িত্ব নিয়ে পদত্যাগ করুক।”

    শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর প্রতিক্রিয়া

    রাতে বিষয়টি জানতে পেরে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, “বিষয়টি নিয়ে বাঁকুড়ার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমাদের মতামত নেওয়া হয়নি। সেই কারণে আমাদের কাছে মতামত চাওয়ার জন্য ওঁদের বলা হয়েছে। তার পর দেখা যাবে এটা চালু হবে কি না। এখন চালু করা যাবে না।”

LinkedIn
Share