Tag: civil war

civil war

  • Indias Border: গৃহযুদ্ধ চলছে মায়ানমারে, শরণার্থীরা ঢুকছে মণিপুরে! সীমান্তে সতর্ক ভারত

    Indias Border: গৃহযুদ্ধ চলছে মায়ানমারে, শরণার্থীরা ঢুকছে মণিপুরে! সীমান্তে সতর্ক ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গৃহযুদ্ধ চলছে মায়ানমারে। যুদ্ধ যত তীব্র হচ্ছে, ততই উদ্বেগ বাড়ছে ভারতের (Indias Border)। প্রত্যাশিতভাবেই মণিপুর (Manipur) সীমান্ত বরাবর শরণার্থী পরিস্থিতি সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলি।

    মায়ানমারের শরণার্থী মণিপুরে (Indias Border)

    জানা গিয়েছে, ২৭ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত আনুমানিক ২৬০ জন মায়ানমারের শরণার্থী মণিপুরের মোরেহতে ঢুকেছে। সর্বভারতীয় এক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় কর্তারা বিশ্বাস করেন মায়ানমারে মণিপুরী যুবকদের হতাহত সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলি অতিরঞ্জিত হতে পারে। এগুলি বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলির প্রচারের অংশ হতে পারে। গত সপ্তাহে মণিপুরের ইম্ফল পূর্ব জেলার অন্দ্রোয় পিপলস লিবারেশন আর্মির এক সদস্যের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিয়েছিলেন শয়ে শয়ে মানুষ। পিপলস লিবারেশন আর্মি একটি নিষিদ্ধ মেইতেই বিদ্রোহী সংগঠন, যা মণিপুরকে ভারতের থেকে বিচ্ছিন্ন করার পক্ষে আন্দোলন চালায়।

    প্রতীকী অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া

    অবশ্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়াটি প্রতীকীভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কারণ কোনও দেহ উপস্থিত ছিল না। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর, সরকার একটি তদন্তের নির্দেশ দেয়। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহত ক্যাডার (Indias Border) ২৭ জানুয়ারি মণিপুর-মায়ানমার সীমান্তের কাছে একটি সশস্ত্র সংঘর্ষে মারা যান। পিএলএর রাজনৈতিক শাখা বিপ্লবী জনগণের ফ্রন্ট এক বিবৃতিতে দাবি করে, ক্যাডারটি ভারতীয় সেনাবাহিনীর হামলায় জখম হয়ে মারা যান। তাদের দাবি, ওই ক্যাডার ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পিএলএতে যোগ দেন।

    এই ঘটনাটি ঘটেছিল মণিপুরে ৩ মে ২০২৩ সালে কুকি-জো ও মেইতেই সম্প্রদায়ের মধ্যে জাতিগত হিংসা ছড়িয়ে পড়ার কয়েক মাস পরেই। নিষিদ্ধ মেইতেই বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলি ভ্যালি-বেইজড ইনসারজেন্ট গ্রুপস নামেও পরিচিত। এই গোষ্ঠী মায়ানমার থেকে তাদের কার্যকলাপ পরিচালনা করে। তারা (Manipur) প্রায়ই মায়ানমারের সামরিক জুন্টার বিরুদ্ধে যারা লড়াই করছে, সেই পিপলস ডিফেন্স ফোর্স এবং কুকি ন্যাশনাল আর্মি (বর্মা)-এর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। উল্লেখ্য, ১ ফেব্রুয়ারি তামু শহরের কাছে (এলাকাটি মণিপুরের মোরেহ সীমান্ত থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে) পিডিএফ ও মায়ানমারের জুন্টা বাহিনীর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ ঘটে (Indias Border)।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশের বন্দরে ভিড়ল পাকিস্তানের জাহাজ, কী এল কার্গো শিপে, রহস্য!

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশের বন্দরে ভিড়ল পাকিস্তানের জাহাজ, কী এল কার্গো শিপে, রহস্য!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছেড়েছেন। দেশ চালাতে গঠিত হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার (Bangladesh Crisis)। সেই সরকারের প্রধান করা হয়েছে মহম্মদ ইউনূসকে। মুদ্রাস্ফীতি-সহ নানা সমস্যার সমাধানে সেই ইউনূসই ব্যর্থ বলে জানিয়ে দিয়েছে আন্তর্জাতিক একটি ক্রাইসিস গ্রুপ।

    ব্যর্থ ইউনূস (Bangladesh Crisis)

    সদ্য প্রকাশিত এক (Pak Ships) প্রতিবেদনে তারা সতর্ক করে দিয়েছে এই বলে যে, ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের আকাশচুম্বী মূল্যবৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ। এই ব্যর্থতা আরও জটিল হয়ে উঠেছে নানা অছিলায় ইউনূসের নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার ইচ্ছার স্পষ্ট ইঙ্গিতের কারণে। প্রতিবেদনে আশঙ্কা করা হয়েছে, এই সব বিষয় শেষ পর্যন্ত দেশটিকে দীর্ঘস্থায়ী সামরিক শাসনের দিকে ঠেলে দিতে পারে। ইউনূস প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স দেখাতে না পারায় উদ্বিগ্ন সে দেশের সেনাবাহিনী।

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তন

    এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তন এবং ইউনূসকে লক্ষ্য করে ওয়াশিংটনের কঠোর পদক্ষেপের সম্ভাবনায়ও উদ্বেগে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্তারা। ইউনূস বহুদিন ধরেই বিল এবং হিলারি ক্লিনটন এবং ডেমোক্র্যাটিক পার্টির কয়েকজন শীর্ষ নেতা এবং জর্জ সোরোসের মিত্র হিসেবে পরিচিত। ট্রাম্প প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে। ইউনূস ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা, হিযবুত তাহরির ও হেফাজতে ইসলামের মতো চরমপন্থী ইসলামি গোষ্ঠী এবং জেনারেল ওয়াকের উজ জামানের মতো সামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হতে পারে বলে অনুমান।

    জারি হতে পারে সামরিক শাসন!

    এই ধরনের (Bangladesh Crisis) নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি এড়াতে, জেনারেল জামানের সহকর্মীরা দ্রুত ইউনুসের কাছ থেকে ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে সামরিক শাসন জারি করার জন্য চাপ বাড়াচ্ছেন বলে খবর। এদিকে, ইউনুস সরকারকে উৎখাত করার চেষ্টা করা হলে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে খোলাখুলি হুমকি দিচ্ছে সেনাবাহিনীর ইসলামপন্থী গোষ্ঠী। তাদের মতে, এটি বাংলাদেশে ভারতের প্রভাব পুনঃপ্রতিষ্ঠার নয়া সুযোগ সৃষ্টি করবে। বাংলাদেশের আকাশে যখন এমন অনিশ্চয়তার মেঘ ঘনাচ্ছে, তখন পাকিস্তান ইউনূস ও তাঁর উপদেষ্টাদের পৃষ্ঠপোষকতায় নতুন একটি কৌশল অবলম্বন করেছে। এই কৌশল অনুযায়ী, সামরিক বাহিনী যদি অভ্যুত্থান ঘটায় তবে সশস্ত্র সংঘাতের দিকে এগোতে প্রস্তুত তারা।

    আরও পড়ুন: ‘‘এক দশকে দেশের ২৫ কোটি মানুষের দারিদ্রতা দূর করা গিয়েছে’’, জি২০ সম্মেলনে বললেন মোদি

    বাংলাদেশে ভিড়ল পাক জাহাজ

    মিডিয়া সূত্রে খবর, পাকিস্তানের করাচি বন্দর থেকে একটি কার্গো জাহাজ (Pak Ships) ১৩ নভেম্বর চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করেছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পর পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে এই প্রথম সরাসরি যোগাযোগ হল সমুদ্রপথে। ঘটনায় উদ্বেগে ভারত। পাকিস্তানের হাই কমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ উপস্থিত ছিলেন ওই কার্গো জাহাজ নোঙরের সময়। তিনি বলেন, “এটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ। এই নয়া রুট সাপ্লাই চেনকে আরও কার্যকর করবে, কমাবে পরিবহণের সময় এবং দ্বার খুলবে উভয় দেশের নতুন ব্যবসায়িক সুযোগের।”

    ভারতের দুই পড়শির ‘সামুদ্রিক যোগাযোগ’

    বাংলাদেশ প্রশাসন এই (Bangladesh Crisis) ‘সামুদ্রিক যোগাযোগ’কে স্বাগত জানিয়েছে। পাকিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্যের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে এই বাণিজ্যের পরিমাণ নেমে গিয়েছিল ৮০০ মার্কিন মিলিয়ন ডলারে নীচে। ভারতের পূর্ব ও পশ্চিম দুই দিকের দুই প্রতিবেশীর মধ্যে সরাসরি সামুদ্রিক যোগাযোগ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা। কারণ এই রাজ্যগুলি অবস্থিত বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের কাছাকাছি। গত ২৯ সেপ্টেম্বর একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বাংলাদেশ সরকার। তাতে বলা হয়েছে, পাকিস্তান থেকে আসা সব চালান কাস্টমস পরিদর্শন ছাড়াই ছেড়ে দেওয়া হবে। এর আগে, ১০ সেপ্টেম্বর পাক হাইকমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ অর্থ উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। জানা গিয়েছে, একই ধরনের গোপন বৈঠক হয়েছে পাকিস্তানের হাইকমিশনার এবং ইউনূস ও তাঁর দুই উপদেষ্টা – নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ সাজিব ভুঁইয়ার সঙ্গেও। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসলাম ও ভূঁইয়া হিযবুত তাহরীরের সঙ্গে যুক্ত। হাসিনা বিরোধী বিদ্রোহের শীর্ষ কমান্ডারদের মধ্যেও ছিলেন তাঁরা।

    কী ছিল চালানে?

    জানা গিয়েছে, চট্টগ্রামে নোঙর করা জাহাজের ২০০ কন্টেইনারের চালানটি কড়া পুলিশ প্রহরায় এবং ইউনূসের অনুগামী ছাত্র-কর্মীদের উপস্থিতিতে নামানো হয়। সঙ্গে সঙ্গেই পাঠিয়ে দেওয়া হয় অজানা জায়গায়। দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলিও জানে না, চালানে কী ছিল, সেগুলি নিয়েই বা যাওয়া হল কোথায়।
    সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, জুলাই-অগাস্টে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে বিদ্রোহ শুরু হয়েছিল, যা প্রথমে ছাত্রদের সংরক্ষণ সংস্কার আন্দোলনকে সামনে রেখে হয়েছিল, তার কয়েক মাস আগে নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, ড. আসিফ নজরুল এবং আরও কয়েকজন ব্যক্তি কাতার এবং দুবাই সফর করেছিলেন। সেখানে তাঁরা ডোনাল্ড লু, জর্জ সোরোস এবং পাকিস্তানি আইএসআইয়ের (Pak Ships) প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন বলেও খবর (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • Imran khan: “তিন টুকরো হয়ে যাবে পাকিস্তান!” কেন এমন কথা বললেন ইমরান?

    Imran khan: “তিন টুকরো হয়ে যাবে পাকিস্তান!” কেন এমন কথা বললেন ইমরান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে (pakistan) অবিলম্বে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা না হলে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে। বিস্ফোরক ইমরান খান (Imran khan)।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা তেহরিক-ই ইনসাফ (Pakistan Tehreek-e-Insaf) পার্টির প্রধান বলেন, পাকিস্তান এখন দেউলিয়া হওয়ার পথে। পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা হারালে তিন টুকরো হয়ে যাবে পাকিস্তান। যদি চলতি সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া না হয়, তাহলে এদেশ আত্মঘাতী হতে যাচ্ছে। ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে তিনি যে এখনই ফিরে আসছেন না, এদিন তাও জানান ‘কাপ্তান’। তিনি বলেন, ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে ফিরে আসার মানে হবে ষড়যন্ত্র স্বীকার করে নেওয়া।

    আরও পড়ুন : চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের কাজ বিশবাঁও জলে, কেন জানেন?

    ইমরানেরকে ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতায় আসে শাহবাজ শরিফের (Shehbaz Sharif) সরকার। ইমরানের দাবি, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। দ্রুত নির্বাচনের দাবিতে দিন কয়েক আগে ইসলামাবাদে বিশাল জমায়েত করেন ইমরান। ওই জমায়েত ঠেকাতে চেষ্টার কসুর করেনি শাহবাজের সরকার। তার পরেও রোখা যায়নি প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীকে। ইসলামাবাদের বুকে জনসভা করেন তিনি।

    ওই দিনই ইমরান জানিয়েছিলেন, তিনি এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের জন্য অপেক্ষা করছেন। তিনি বলেন, আমি নিরঙ্কুশ ক্ষমতা ভোগ করিনি। ক্ষমতার প্রকৃত কেন্দ্রগুলি পড়ে রয়েছে অন্যত্র। সবাই জানে যে কোথায় আছে। ইমরান আরও বলেন, ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আমাদের সরকার দুর্বল ছিল। তাই জোটসঙ্গী খুঁজতে হয়েছিল। তবে এরকম পরিস্থিতি আবার দেখা দিলে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠনে নির্বাচন বেছে নেবেন বলেও জানান পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন : অশান্ত পাকিস্তান! ৬ দিনের মধ্যে নির্বাচন ঘোষণা করতে শাহবাজ সরকারকে হুঁশিয়ারি ইমরানের

    তাঁর সরকার ব্ল্যাকমেলের শিকার বলেও অভিযোগ করেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। ইমরান বলেন, আমাদের হাত বাঁধা ছিল। সব জায়গা থেকে আমাদের ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছিল। ক্ষমতা আমাদের সঙ্গে ছিল না। এর পরেই তিনি বলেন, আমরা দেখব তারা আমাদের আইনি ও সাংবিধানিক উপায়ে নির্বাচনের দিকে যেতে দেয় কিনা, অন্যথায় এই দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে।

    এদিকে, দেশের বিরুদ্ধে নগ্ন হুমকি দেওয়ায় বৃহস্পতিবার পূর্বসূরি ইমরান খানকে পাবলিক অফিসের জন্য অযোগ্য বলে অভিযুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। পাকিস্তানের বিভাজনের বিষয়ে কথা না বলতে তাঁকে সতর্কও করেন।

     

LinkedIn
Share