Tag: cji chandrachud

cji chandrachud

  • Supreme Court: ‘‘ইয়া ইয়া আবার কী কথা’’! আইনজীবীর ভাষা শুনে ক্ষুব্ধ প্রধান বিচারপতি, করলেন ভর্ৎসনা

    Supreme Court: ‘‘ইয়া ইয়া আবার কী কথা’’! আইনজীবীর ভাষা শুনে ক্ষুব্ধ প্রধান বিচারপতি, করলেন ভর্ৎসনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘ইয়া ইয়া আবার কী কথা’’! ভরা আদালতে আইনজীবীর আচরণে বেজায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠলেন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে ভাষা নিয়ে আইনজীবীকে কড়া বার্তা দিলেন তিনি। তাঁর প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে আইনজীবী যে ভাষায় উত্তর দেন, তাতে কার্যত বিরক্ত হন প্রধান বিচারপতি আইনজীবীকে ভর্ৎসনা করেছেন। সেই সঙ্গে মনে করিয়ে দিয়েছেন, ‘‘এটা আদালত। কোনও ক্যাফে নয়।”

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Supreme Court)

    সোমবার শীর্ষ আদালতে (Supreme Court) ২০১৮ সালের একটি মামলার শুনানি চলছিল। সেই মামলায় প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈকে রেসপন্ডেন্ট হিসেবে যুক্ত করেন আইনজীবী। প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় (CJI Chandrachud) প্রশ্ন করেন, কোনও জনস্বার্থ মামলায় বিচারপতিকে কী ভাবে যুক্ত করা যেতে পারে? সংবিধানের ৩২ নম্বর ধারায় ওই ধরনের মামলা করা যায়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সেই ধারা প্রযুক্ত হচ্ছে না, মনে করিয়ে দেন প্রধান বিচারপতি। তার উত্তরেই ওই আইনজীবী বলেন ওঠেন, ‘‘ইয়া ইয়া.. তখন প্রধান বিচারপতি ছিলেন গগৈ। আমি মামলা করছিলাম…’’। এখানেই ওই আইনজীবীকে থামিয়ে দেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়। ধমক দিয়ে তিনি বলে ওঠেন, ‘‘এটা কোনও ক্যাফে নয়। ইয়া ইয়া আবার কী ভাষা! এতে আমার অ্যালার্জি আছে। আদালতের মধ্যে এই ধরনের ভাষা ব্যবহার করতে দেওয়া যায় না।’’ ওই আইনজীবীর উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, ‘‘বিচারপতি গগৈ এই আদালতের প্রাক্তন বিচারপতি। তাঁর বেঞ্চে আপনি সাফল্য পাননি বলে এখন বিচারপতির বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে আপনি জনস্বার্থ মামলা করতে পারেন না।’’

    আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামে ফের গেরুয়া ঝড়, সমবায় ভোটে খাতাই খুলল না তৃণমূলের

    আইনজীবী কী বললেন?

    আইনজীবী উত্তরে বলেন, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জন গগৈ আমার আবেদন খারিজ করে দিয়েছিলেন। আমার কোনও দোষ নেই। আমি অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস ঠাকুরকেও বলেছিলাম শ্রম আইন সংক্রান্ত আবেদন শোনা হোক। কিন্তু সেটাও খারিজ হয়ে যায় আইনজীবীর এই বক্তব্য শুনে প্রধান বিচারপতি (Supreme Court) বলেন, ‘‘হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করার সময় কোনও বিচারপতির বিরোধিতা করা যায় না।’’ প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আবেদনকারীকে বিচারপতি গগৈর নাম বাদ দিতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির স্ত্রীকে নিয়ে ফেক ট্যুইট, অভিযোগ দায়ের

    Supreme Court: সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির স্ত্রীকে নিয়ে ফেক ট্যুইট, অভিযোগ দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি (Chief Justice of India) ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের (DY Chandrachud) স্ত্রীকে নিয়ে ট্যুইটের জেরে ‘সাইবার অভিযোগ’ দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত চিকিৎসকের সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের স্ত্রী কল্পনা দাসের পারিবারিক সম্পর্ক উল্লেখ করে সম্প্রতি একটি ট্যুইট করা হয়। যা পুরোপুরি ভুল এবং মিথ্যা বলে জানানো হয়েছে। আরজি কর কাণ্ডে তরুণী পড়ুয়া-চিকিৎসক খুনের ঘটনায় সামনে এসেছে দুর্নীতির পাহাড়। আর সেই দুর্নীতিতে বারবারই উঠে এসেছে ‘উত্তরবঙ্গ লবি’-র কথা। চিকিৎসক মহলের একটা বড় অংশের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই ‘লবি’ই নাকি বাংলার স্বাস্থ্যক্ষেত্রের অনেক ক্ষতি করে ফেলেছে। এই পরিস্থিতিতে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে একটি নতুন দাবি উঠে এসেছে, যে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের সঙ্গে পারিবারিক যোগ রয়েছে উত্তরবঙ্গ লবির ‘মাথা’ হিসেবে চিহ্নিত এসপি দাসের!

    কী বলা হয়েছে ভুয়ো ট্যুইটে

    ট্যুইটারে-ফেসবুকে ভাসছে, মমতা-অভিষেকের সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠ’ যোগ রয়েছে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের। এমনকী, বিচারপতির স্ত্রীর নামেও কিছু দাবি করা হচ্ছে নানা ভাইরাল পোস্টে। বলা হচ্ছে, সম্পর্কে জাস্টিস চন্দ্রচূড়ের স্ত্রী কল্পনা দাসের কাকা হন এসপি দাস। এখানেই নয়, রাজ্য সরকারের সঙ্গে প্রধান বিচারপতির যোগ রয়েছে বলেও দাবি করা হয়। এই ট্যুইট নিয়ে ইতিমধ্যেই দিল্লির সাইবার সেলে অভিযোগ জানানো হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) রেজিস্ট্রির তরফে। বলা হয়েছে, ‘এই ট্যুইট উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও অসত্য। এটি বিচারব্যবস্থার অবমাননা করছে।’ 

    আরও পড়ুন: রেকর্ড মুদ্রাস্ফীতি! অস্থিরতার জেরে চরম অর্থনৈতিক সংকটের মুখে বাংলাদেশ

    আইনি পদক্ষেপ 

    কয়েক দিন ধরেই একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে দেখা গিয়েছে, জাস্টিস চন্দ্রচূড়ের সঙ্গে এসপি দাসের ‘পারিবারিক যোগ’ থাকার কারণেই, ‘ষড়যন্ত্র’ করে আরজি কর নিয়ে সুয়ো মোটো মামলা করেছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। এমনকী, ৫ সেপ্টেম্বরের নির্ধারিত শুনানিও নাকি এই জন্যই পিছিয়ে গিয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় এসব ছড়াতে দেখে যে কেবল দিল্লিতে অভিযোগ দায়ের হয়েছে তাই নয়, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের তরফেও নেটিজেনদের সতর্ক করা হয়েছে এই বিষয়ে। প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছে, ‘বাকস্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে মিথ্যাচার ছড়ানো যায় না। বিশেষ করে শীর্ষ আদালতের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ছড়ানো হলে তা বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য। এই ক্ষেত্রে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ করা হবে। যারা বিচার ব্যবস্থাকে কালিমালিপ্ত করতে চাইছে, তাদের নিস্তার দেওয়া হবে না।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: হাজারো তদন্তের চাপ সিবিআইয়ের ওপর, কীভাবে সামাল দেওয়া যাবে? টোটকা প্রধান বিচারপতির

    CBI: হাজারো তদন্তের চাপ সিবিআইয়ের ওপর, কীভাবে সামাল দেওয়া যাবে? টোটকা প্রধান বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই ছিল সিবিআই দিবস (CBI)। এদিনই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় জানালেন, তদন্তের চাপে সঠিকভাবে কাজ করতে পারছে না সিবিআই। সেই সঙ্গে দেশের তদন্তকারী সংস্থাকে তাঁর পরামর্শ, ‘‘কেবলমাত্র সেই মামলাগুলোতেই নজর দিতে হবে যা জাতীয় নিরাপত্তা এবং জাতির বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অপরাধের সঙ্গে জড়িত।’’

    কী বললেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি?

    প্রসঙ্গত, বর্তমান পরিস্থিতিতে সিবিআইয়ের (CBI) ওপর মামলার চাপ বেড়েই চলেছে। একের পর এক তদন্তের দায়িত্ব তাদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। এ নিয়েই সোমবার বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। তার মতে, ‘‘দুর্নীতি-বিরোধী তদন্তকারী সংস্থা হিসেবে সিবিআইয়ের (CBI) যে মূল ভূমিকা আছে, সেই বৃত্তের বাইরে গিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে বিভিন্ন রকমের ফৌজদারি মামলায় তদন্ত করতে বলা হচ্ছে। তার ফলে নিজের নীতি মেনে চলার ক্ষেত্রে সিবিআইয়ের উপর প্রচুর দায়-দায়িত্ব বেড়ে যাচ্ছে।’’

    আরও পড়ুন: ভোটের উত্তাপে রাজ্যের স্কুলগুলিতে এগিয়ে এল গরমের ছুটি, বাড়ল দিনও, কবে থেকে?

    বিচার প্রক্রিয়ায় ডিজিটাইজেশন দরকার

    এর পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এদিন আরও জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির বেশিরভাগ অফিসারই ডেপুটেশনে আসেন। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির মতে, গোটা তদন্ত প্রক্রিয়ার ডিজিটাইজেশন দরকার। যদি এফআইআর দায়ের থেকে শুরু করে তদন্তের পুরো প্রক্রিয়া ডিজিটাইজেশন করা যায়, তাহলে সমস্যার অনেকটাই মোকাবিলা করা সম্ভব হয়। বিচারব্যবস্থার আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে এগুলি খুবই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি। তিনি আরও জানিয়েছেন, ডিজিটাল প্রক্রিয়া চালু হওয়ার ফলে তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হবে না। এর ফলে তদন্তকারী সংস্থা (CBI) এবং আদালতের মধ্যে সমন্বয় আরও বাড়বে। এনিয়ে তিনি বলেন, ‘‘প্রযুক্তি অপরাধের পরিসর বদলে দিয়েছে। তদন্তকেও তার সঙ্গে তাল মেলাতে হবে।’’

    আরও পড়ুন: পক্ষপাতের অভিযোগে রাজ্যের ২ সিনিয়র নির্বাচনী অফিসারকে সরাল কমিশন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CAA: সিএএ-তে স্থগিতাদেশ নয়, তিন সপ্তাহে কেন্দ্রের জবাব তলব সুপ্রিম কোর্টের

    CAA: সিএএ-তে স্থগিতাদেশ নয়, তিন সপ্তাহে কেন্দ্রের জবাব তলব সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বা সিএএ-তে (CAA) স্থগিতাদেশ দিল না দেশের শীর্ষ আদালত। ৯ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। ওই দিন হলফনামার আকারে কেন্দ্রীয় সরকারের বক্তব্য চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রসঙ্গত, সিএএ-র বিরোধিতা করে একাধিক মামলা দায়ের হয় দেশের শীর্ষ আদালতে। সেগুলিকে এক করে মঙ্গলবারই সিএএ নিয়ে শুনানি শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট (CAA)। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চ এই মামলাগুলি শোনে। প্রধান বিচারপতি ছাড়া ওই বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি জেবি পরদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্র। কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা হাজির ছিলেন সরকার পক্ষের আইনজীবী হয়ে। সলিসিটর জেনারেল এদিন আদালতে বলেন, “সিএএ-তে কারও নাগরিকত্ব যাবে না।”

    মোট ২৩৭টি আবেদন জমা পড়ে সুপ্রিম কোর্টে

    সিএএ (CAA) নিয়ে একাধিক মামলার মধ্যে সর্বশেষ মামলাটি দায়ের করে কেরলের বাম সরকার। রবিবার  সিএএ-র সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতে যায় তারা। সেসময় কেরল সরকার ঘোষণা করেছিল, রাজ্যে সিএএ কার্যকর করতে দেওয়া হবে না। অন্যদিকে এর আগে, শনিবার সিএএ-তে স্থগিতাদেশ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ‘অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন’ (মিম) দলের নেতা তথা হায়দরাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েইসি। এর পাশাপাশি কংগ্রেসের তরফে জয়রাম রমেশ, তৃণমূলের ঘুষকাণ্ডে বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া মৈত্র, সিপিএমের যুব সংগঠনও এই ইস্যুতে দ্বারস্থ হয় সুপ্রিম কোর্টে। প্রসঙ্গত, মোট ২৩৭টি আবেদন জমা পড়ে সুপ্রিম কোর্টে। এর মধ্যে ২০টি ক্ষেত্রেই সিএএ-র ওপর স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে। কিন্তু শীর্ষ আদালত সিএএ-র ওপর স্থগিতাদেশ দিলনা এদিন।

    ৪ বছর পরে লাগু সিএএ

    ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর সিএএ (CAA) পাশ করে মোদি সরকার। কিন্তু মাঝখানে করোনা মহামারী চলে আসায়, আইন তখন কার্যকর করা যায় নি। চারবছর পরে ২০২৪ সালের ১১ মার্চ সিএএ লাগু করে সরকার। এই আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে এ দেশে আসা শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেবে ভারত। এই ৬ সম্প্রদায় হল, হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি এবং খ্রিস্টান।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share