Tag: CJP

  • Dipke Neha Face Chaos: নেহা-দিপকের বিরুদ্ধে ‘দূর হটো’ স্লোগান! সাংবাদিক সম্মেলনে বিশৃঙ্খলা

    Dipke Neha Face Chaos: নেহা-দিপকের বিরুদ্ধে ‘দূর হটো’ স্লোগান! সাংবাদিক সম্মেলনে বিশৃঙ্খলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধীরে ধীর প্রভাব কমছে! সামনে আসছে চরিত্র! দিল্লিতে সিজেপির (CJP Protest) সাংবাদিক বৈঠকে চরম বিশৃঙ্খলা এবং হট্টগোলের ঘটনায় কী সের ইঙ্গিত? অভিজিৎ দিপকে (Abhijeet Dipke) এবং ‘অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন’ (আইসা)-র সভানেত্রী নেহা বোরার আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত একাংশের প্রবল চিৎকারের জেরে উত্তেজক পরিস্থিতি তৈরি হয়। এই ঘটনায় আবার রাজধানীতে রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়েছে। সাংবাদিক বৈঠকে আইসা সভানেত্রী নেহা বোরা এবং সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে যখন তাঁদের বক্তব্য রাখছিলেন, ঠিক সেই সময়ই হঠাৎ করে উপস্থিত দর্শকদের মধ্য থেকে চরম বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। একাংশ তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলতে শুরু করেন, “বন্ধ কর তোমাদের সম্মেলন। দূর হটো।”

    বাংলাদেশ মন্তব্যে অস্বস্তিতে নেহা-দিপকে

    এই পরিস্থিতিতে নেহা বোরার চোখে-মুখে স্পষ্ট বিরক্তি ও অসন্তোষ ফুটে ওঠে। ঘটনার জেরে বাধ্য হয়েই তিনি এবং অভিজিৎ দিপকে তাঁদের আসন ছেড়ে উঠে চলে যান। তবে আসন ছাড়ার আগে নেহা আয়োজকদের স্পষ্টভাবে অনুরোধ করেন, যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী ও গোলমাল পাকানো ব্যক্তিদের দ্রুত বের করে দেওয়া হয়। সাম্প্রতিক কিছু অত্যন্ত বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে এই প্রতিবাদের সূত্রপাত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। সম্প্রতি আইসা সভানেত্রী নেহা বোরা এবং প্রবীণ আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণের দুটি মন্তব্যকে হাতিয়ার করে শাসক দল বিজেপি কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করতে শুরু করেছে। বিগত দিনে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন বা এসআইআর (SIR) সংক্রান্ত প্রতিবাদের অন্যতম পরিচিত ছাত্র মুখ হিসেবে উঠে আসা নেহা সম্প্রতি প্রকাশ্যে ২০২৪ সালের বাংলাদেশের জেন জি (Gen Z) ছাত্র আন্দোলনের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং দাবি করেন যে সেই আন্দোলনই তাঁদের পথ দেখিয়েছে।

    বাংলাদেশ অনুপ্রেরণা!

    বিজেপির প্রকাশিত একটি ভিডিও ক্লিপে আইসা সভানেত্রীকে বলতে শোনা গেছে যে, ভারতে তরুণ সমাজকে গণতন্ত্র এবং ভোটাধিকারের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ করার পেছনে মূলত ২০২৪ সালের বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের বড় অনুপ্রেরণা রয়েছে। বাংলাদেশের বৃহত্তম ছাত্র সংগঠনের একটি ভার্চুয়াল সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন যে, ভারতে যে জেন জি আন্দোলন এখন দেখা যাচ্ছে, তার সূচনা হয়েছিল বাংলাদেশে এবং সঠিক পথ দেখিয়ে দেওয়ার জন্য তিনি তাঁদের অভিনন্দন জানান। উল্লেখ্য, শুক্রবার দিল্লিতে নতুন বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে দিপকে। ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ বা ‘তেরঙা ওড়াও’ অভিযানে দেশের জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে তরুণ প্রজন্মকে শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে সাধারণ মানুষ এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির কর্মী-সমর্থকদেরও উদ্দেশেও বার্তা দিয়েছেন।

  • PM Modi: “বিশ্বের প্রয়োজনীয় সমাধান দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে তোমাদেরই’’, তরুণ প্রজন্মকে বার্তা মোদির

    PM Modi: “বিশ্বের প্রয়োজনীয় সমাধান দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে তোমাদেরই’’, তরুণ প্রজন্মকে বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তরুণ প্রজন্মের প্রতি ফের বিশেষ বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর মতে, বর্তমান বিশ্বের যেসব সমাধান অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে, সেগুলি খুঁজে বের করার ক্ষমতা রয়েছে নবীন প্রজন্মের (Gen Z) হাতেই। তাই নিজেদের ভবিষ্যৎকে বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখার এবং বড় স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সময় এখনই। তরুণদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, নির্ভয়ে নতুন ভাবনা নিয়ে কাজ করতে হবে, প্রচলিত চিন্তাধারার বাইরে গিয়ে ভাবতে হবে এবং নিজেদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে।

    চেন্নাইয়ের নন্দনবক্কমে চেন্নাই বাণিজ্য কেন্দ্রে জয়গোপাল গারোদিয়া হিন্দু বিদ্যালয় ম্যাট্রিক উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “উন্নত ভারত গড়ে তোলার জন্য যে নতুন ভাবনা ও সমাধানের প্রয়োজন, তা শুধু ভারতের ভবিষ্যৎকেই রূপ দেবে না, গোটা বিশ্বের ভবিষ্যৎ গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।”

    তরুণদের সম্ভাবনার উপর আস্থা (PM Modi)

    তরুণদের সম্ভাবনার উপর আস্থা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আজ গোটা বিশ্ব বিভিন্ন সমস্যার সমাধান খুঁজছে। সেই সমাধান দেওয়ার সম্ভাবনা তোমাদের রয়েছে। আমি চাই, প্রত্যেক তরুণ-তরুণী নিজেদের ভবিষ্যৎকে বৃহত্তর পরিসরে দেখুক। কারণ, এটাই তোমাদের সময়, এটাই তোমাদের সুযোগ।” নিজেকে কাশীর প্রতিনিধি হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী মহান তামিল কবি সুব্রহ্মণ্য ভারতীর কথাও স্মরণ করেন। নির্ভীকভাবে জীবনযাপনের অনুপ্রেরণা জোগানো এই কবির ভাবনা তুলে ধরে তিনি বলেন, “এখানে উপস্থিত প্রত্যেকের কাছে আমার আবেদন, নিজেদের নির্ভীক হওয়ার সুযোগ দাও। নিজেদের ভাবনা নিয়ে কাজ কর। বড় স্বপ্ন দেখ, অন্যভাবে চিন্তা কর এবং নির্ভয়ে এগিয়ে চলো।” তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে আশাবাদী বার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতে অফুরন্ত সুযোগ রয়েছে। এটাই তোমাদের সময়, এটাই তোমাদের সুযোগ। আমরা একসঙ্গে এই কাজ করে দেখাব।”

    তরুণদের ক্ষোভের আবহে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

    প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তা এমন একটা সময়ে এল, যখন দিল্লিতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভে নেমেছে পড়ুয়া ও তরুণদের একাংশ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই সংশোধন প্রক্রিয়াকে ঘিরে প্রতিবাদ ক্রমশ জোরালো হয়েছে।

    শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রস্তাবিত বিক্ষোভের আগে পুলিশ আটক করে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে-সহ দলের আরও দুই নেতা সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রানকাকে। মুম্বই থেকে তাঁদের বিমান দিল্লিতে অবতরণের কিছুক্ষণের মধ্যেই আটক করা হয়। এর পাশাপাশি, প্রায় তিন হাজার মানুষকে আটক করা হয় বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বন্ধ রাখা হয় একাধিক মেট্রো স্টেশন ও পরিষেবা, পাশাপাশি থামিয়ে দেওয়া হয় স্থানীয় ট্রেন চলাচলও (PM Modi)।

    এই পরিস্থিতিতে বিশেষ শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, নিতান্ত প্রয়োজন না হলে সমস্ত ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলতে হবে। একই সঙ্গে বড় জমায়েত নিষিদ্ধ করতে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা, ২০২৩-এর ১৬৩ ধারার প্রয়োগ প্রত্যাহারের বিষয়েও কর্তৃপক্ষকে বিবেচনা করতে বলা হয়।

    তরুণদের অসন্তোষ কি বড় চ্যালেঞ্জ বিজেপির?

    এর আগে চিকিৎসা প্রবেশিকা পরীক্ষা নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে বিক্ষোভ হয়েছিল। সেই আন্দোলনের জেরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হয়।

    রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা হিসেবেও দেখা হচ্ছে চেন্নাইয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে। বেকারত্ব, স্বচ্ছতার অভাব এবং বিভিন্ন সরকারি প্রক্রিয়া নিয়ে তরুণদের মধ্যে যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে, তা কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের কাছে ক্রমশ বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।

    তৃতীয় দফার (Gen Z) শাসনকালে বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তরুণ ভোটারদের আস্থা অর্জন এবং তাঁদের প্রত্যাশার সঙ্গে নিজেদের রাজনৈতিক বার্তাকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলা শাসকদলের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফলে তরুণদের স্বপ্ন, উদ্ভাবনী শক্তি ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের ক্ষমতার উপর প্রধানমন্ত্রীর এই জোর দেওয়াকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে (PM Modi)।

  • CJP and Delhi Police: ‘অমানবিক আচরণের’ অভিযোগ খারিজ! দীপকের দাদির মৃত্যুসংবাদ দেওয়ার ভিডিও প্রকাশ দিল্লি পুলিশের

    CJP and Delhi Police: ‘অমানবিক আচরণের’ অভিযোগ খারিজ! দীপকের দাদির মৃত্যুসংবাদ দেওয়ার ভিডিও প্রকাশ দিল্লি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিজেপির (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের দিদার মৃত্যুসংবাদ তাঁকে জানানোর সময় দিল্লি পুলিশ ‘অমানবিক আচরণ’ করেছে বলে যে অভিযোগ উঠেছিল। প্রমাণ দেখিয়ে সেই অভিযোগ খারিজ করল দিল্লি পুলিশ। অভিযোগের জবাবে একটি ভিডিও প্রকাশ করে পুলিশের দাবি, দীপকে-কে সংবেদনশীলতার সঙ্গেই দুঃসংবাদটি জানানো হয়েছিল। পাশাপাশি, তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ এবং প্রয়োজনে বাড়ি ফেরার ব্যবস্থার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা সাংবাদিক বৈঠকে অভিযোগ করেছিলেন, প্রতিরোধমূলক হেফাজতে থাকা অভিজিৎকে তাঁর দিদার মৃত্যুর খবর জানানোর সময় পুলিশ অমানবিক আচরণ করেছে। এমনকি, সেই মুহূর্তের ভিডিও রেকর্ড করাকেও তিনি পুলিশের অসংবেদনশীলতার উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন।

    দিল্লি পুলিশের দাবি

    সিজেপির অভিযোগের পরই পাল্টা সাংবাদিক বৈঠক করেন দিল্লি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (DCP) নেহা যাদব। সেখানে প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা যায়, এক মহিলা পুলিশকর্মী শান্তভাবে দীপককে তাঁর দাদির মৃত্যুর খবর জানাচ্ছেন। কিছুটা সময় দেওয়ার পর তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে চান কি না, কিংবা বাড়ি ফেরার জন্য বিমানযাত্রার ব্যবস্থা-সহ কোনও সাহায্য প্রয়োজন কি না। পুলিশের দাবি, দীপক সেই প্রস্তাবগুলি প্রত্যাখ্যান করেন। ডিসিপি নেহা যাদবের বক্তব্য, “অভিজিৎ দীপকের দাদির মৃত্যুর খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ আধিকারিকরা তাঁর কাছে গিয়ে বিষয়টি জানান এবং সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার প্রস্তাব দেন। বিমানযাত্রা, ফোনে কথা বলা কিংবা অন্য কোনও সাহায্যের প্রয়োজন রয়েছে কি না, তা সংবেদনশীলতার সঙ্গে জানতে চাওয়া হয়। তাঁকে একাধিকবার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি রাজি হননি।”

    কেন সিজেপি-কে বিক্ষোভের অনুমতি নয়

    এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে দিল্লিতে সিজেপি-র প্রস্তাবিত বিক্ষোভের অনুমতি না দেওয়ার কারণও ব্যাখ্যা করেন ডিসিপি যাদব। তাঁর দাবি, অতীতে বিক্ষোভের অনুমতি ও প্রশাসনিক নির্দেশিকা মেনে চলার ক্ষেত্রে সিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে নিয়মভঙ্গের অভিযোগ ছিল। বিশেষত, প্রশ্নপত্র ফাঁস-বিরোধী বিক্ষোভ চলাকালীন হিংসা, পাথর ছোড়া এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল বলে দাবি পুলিশের। ডিসিপি-র কথায়, “আগে অনুমতি দেওয়া হলেও তাঁরা আইন মেনে চলেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের জমায়েত থেকে ব্যাপক পাথর ছোড়া, অগ্নিসংযোগ ও হিংসার ঘটনা ঘটে এবং সরকারি সম্পত্তির উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়।” তিনি আরও জানান, জনপথে প্রস্তাবিত অবস্থান-বিক্ষোভের ক্ষেত্রে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ না করা, অতীতের নিয়মভঙ্গের অভিযোগ এবং তৎকালীন নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনা করেই অনুমতি দেওয়া হয়নি।

    বিমানবন্দর থেকে আটক, পরে মুক্তি

    উল্লেখ্য, ১০ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে দিল্লিতে অনুমতিহীন বিক্ষোভের আশঙ্কায় বিমানবন্দর থেকে সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক, আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। তাঁদের হেফাজতে রাখা হয়েছিল। পরদিন, অর্থাৎ ১১ অক্টোবর, এক বছরের বন্ড জমা দেওয়ার পর তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে শান্তিভঙ্গ হতে পারে, এমন কোনও কার্যকলাপে জড়িত না হওয়ার অঙ্গীকারও তাঁদের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

  • CJP: লখনউয়ে বিক্ষোভের মাঝে পুলিশের বিরুদ্ধে পোশাক ছেঁড়ার অভিযোগ, ব্লাউজের বোতাম খোলার দাবি ঘিরে বিতর্ক

    CJP: লখনউয়ে বিক্ষোভের মাঝে পুলিশের বিরুদ্ধে পোশাক ছেঁড়ার অভিযোগ, ব্লাউজের বোতাম খোলার দাবি ঘিরে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে চলা বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওয় দাবি করা হয়েছে, পুলিশের বিরুদ্ধে পোশাক ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলার সময় এক মহিলা বিক্ষোভকারী ইচ্ছাকৃতভাবে নিজের ব্লাউজের বোতাম খুলছিলেন (CJP)। ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক মহিলা সাংবাদিকের বক্তব্য ঘিরেই এই বিতর্কের সূত্রপাত।

    সাংবাদিকের বক্তব্য (CJP)

    প্রকাশিত ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, বিক্ষোভস্থল থেকে খবর সংগ্রহ করছিলেন এক মহিলা সাংবাদিক। সেই সময় কয়েক জন মহিলা অভিযোগ করেন, পুলিশ তাঁদের পোশাক ছিঁড়ে দিয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহিলাদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সাংবাদিক তাঁদের বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ করেন (Police Controversy)। ভিডিওয় ওই সাংবাদিককে বলতে শোনা যায়, “হ্যাঁ, হ্যাঁ, উনি আমার সামনেই পোশাক ছিঁড়েছেন।” এরপরই নিজের বক্তব্য সংশোধন করে তিনি এক মহিলার আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সাংবাদিককে আরও বলতে শোনা যায়, “এভাবে নিজেকে নির্যাতিত হিসেবে তুলে ধরবেন না, ম্যাডাম। উনি আমার সামনে ব্লাউজের বোতাম খুলছেন, আর বলছেন পুলিশ তাঁর পোশাক ছিঁড়ে দিয়েছে। মিথ্যা বলবেন না।”

    পোশাক ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ

    সাংবাদিকের অভিযোগ, পুলিশের বিরুদ্ধে পোশাক ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলার সময় ওই মহিলা তাঁর সামনেই ব্লাউজের বোতাম খুলছিলেন। তবে ভিডিওয়  সাংবাদিকের বক্তব্য ও ঘটনাস্থলে তাঁর অভিজ্ঞতার বিবরণ সামনে এলেও, অভিযোগের সমস্ত দিক স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয় (CJP)। উল্লেখ্য, ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ওই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছিল। বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং তা নিয়ে সাংবাদিকের প্রকাশ্য প্রশ্ন তোলার ঘটনাই এখন আলোচনার কেন্দ্রে। ঘটনাটি নিয়ে প্রকাশিত ভিডিওয় মূলত সাংবাদিকের বক্তব্য (Police Controversy) এবং বিক্ষোভকারী মহিলার সঙ্গে তাঁর কথোপকথন তুলে ধরা হয়েছে। পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ করতে হলে ঘটনার সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য খতিয়ে দেখা প্রয়োজন (CJP)।

     

  • India Slams UN: আরশোলাদের প্রতিবাদে শামিল লোকজনকে আটক নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের উদ্বেগে ক্ষুব্ধ দিল্লি, ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনধিকার হস্তক্ষেপ’, তোপ ভারতের

    India Slams UN: আরশোলাদের প্রতিবাদে শামিল লোকজনকে আটক নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের উদ্বেগে ক্ষুব্ধ দিল্লি, ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনধিকার হস্তক্ষেপ’, তোপ ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) শত শত সমর্থককে আটক করার ঘটনায় রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার দফতরের উদ্বেগকে ‘দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনধিকার হস্তক্ষেপ’ বলে আক্রমণ করল ভারত (India Slams UN)। রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের দফতরের (ওএইচসিএইচআর) মন্তব্যের কড়া জবাব দিয়ে নয়াদিল্লির দাবি, এই উদ্বেগের কোনও ভিত্তি নেই। বরং বিশ্বের অন্যত্র হওয়া বৃহৎ বিক্ষোভের দিকেও রাষ্ট্রসংঘের নজর দেওয়া উচিত।

    মুখের মতো জবাব ভারতের (India Slams UN)

    সোশ্যাল মিডিয়ায় রাষ্ট্রসংঘের ভারতের সরকারি অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র। এখানে সংবিধান শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার নিশ্চিত করেছে। শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, স্বাধীন বিচারব্যবস্থা এবং মুক্ত সংবাদমাধ্যম এই অধিকারকে সুরক্ষিত রাখে। অন্য সব গণতান্ত্রিক দেশের মতো ভারতেও জনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে যুক্তিসংগত বিধিনিষেধের আওতায় নাগরিকেরা এই অধিকার প্রয়োগ করেন। অন্যদিকে, প্রশাসন আইন মেনেই কাজ করে এবং যে কোনও অভিযোগের প্রতিকার চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার সুযোগ সবার জন্য খোলা রয়েছে (Delhi Detentions Remarks)।”

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ধর্না দিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন সিজেপির নেতা-কর্মী- সমর্থকেরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বিরোধী দলের নেতারাও। সেই সময় দিল্লি পুলিশ প্রায় তিন হাজার মানুষকে আটক করে। বিক্ষোভকারীদের রাজধানীতে প্রবেশের ঢল আটকাতে ইন্টারনেট পরিষেবা এবং যাতায়াত ব্যবস্থার উপরেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। দিল্লি মেট্রো, বাস ও রেল পরিষেবাও এই বিধিনিষেধের আওতায় আসে।

    শনিবার রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার দফতরের মুখপাত্র থামিন আল-খিতান এক বিবৃতিতে জানান, দিল্লিতে বৃহৎ বিক্ষোভের আগে ও চলাকালীন বিক্ষোভকারী, আন্দোলনের নেতা, নাগরিক সমাজের সংগঠনের সদস্য, আইনজীবী এবং সাংবাদিকদের গণ-আটকের খবর নিয়ে তাঁরা উদ্বিগ্ন।

    তিনি বলেন, “শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার যাতে সম্পূর্ণভাবে সম্মান করা হয় এবং কার্যকর করা হয়, তা নিশ্চিত করার জন্য আমরা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাচ্ছি।” তাঁর আরও বক্তব্য, “শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের উপর বিধিনিষেধ আরোপের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়তা ও আনুপাতিকতার কঠোর মানদণ্ড পূরণ করা আবশ্যক (India Slams UN)।”

    রাষ্ট্রসংঘের ‘অনাকাঙ্খিত জ্ঞান’

    শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের মোকাবিলার ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সংযম দেখানোরও আহ্বান জানান রাষ্ট্রসংঘের ওই মুখপাত্র। পাশাপাশি, বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রচলিত উদ্বেগ ও অভিযোগগুলির সমাধানে কর্তৃপক্ষকে অর্থবহ আলোচনায় বসার পরামর্শ দেন তিনি।

    তবে রাষ্ট্রসংঘের এই মন্তব্যে আপত্তি জানিয়েছে নয়াদিল্লি। ভারতের পাল্টা বক্তব্য, “ওএইচসিএইচআরের উদ্বেগ ভিত্তিহীন এবং তা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনধিকার হস্তক্ষেপের শামিল। এই পরিস্থিতিতে, নিরপেক্ষতা ও পক্ষপাতহীনতার দায়িত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিশ্বের অন্যত্র সংঘটিত বৃহৎ বিক্ষোভগুলির প্রতিও ওএইচসিএইচআরের একই রকম গুরুত্ব দেওয়া উচিত।”

    এদিকে, যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করার অনুমতি চেয়ে সিজেপির আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। শনিবার সকালে মুম্বই থেকে দিল্লিতে পৌঁছনোর পরই আটক করা হয় দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং আরও দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে (Delhi Detentions Remarks)।

    পুলিশের হাতে আটক হওয়া অধিকাংশকেই পরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে সিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এবং ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে এখনও ছাড়া হয়নি বলেই খবর (India Slams UN)।

     

  • Ajinkya Shinde: যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক, দিল্লিতে আটক আরশোলা পার্টির একাধিক নেতা, নিরাপত্তার চাদরে রাজধানী

    Ajinkya Shinde: যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক, দিল্লিতে আটক আরশোলা পার্টির একাধিক নেতা, নিরাপত্তার চাদরে রাজধানী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানেশ কুমারকে কেন্দ্র করে বিতর্কের আবহে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ঘিরে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচির আগেই আটক করা হয়েছে সংগঠনের তিন প্রধান মুখ অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে। তাঁদের অনুপস্থিতিতে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবেন সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা অজিঙ্ক শিন্ডে (Ajinkya Shinde)। এদিকে, বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ব্যারিকেড, কাঁটাযুক্ত প্রতিবন্ধক এবং বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করে কার্যত দুর্গে পরিণত করা হয়েছে রাজধানীকে (Cockroach Janta Party Protest)।

    অভিযোগ, দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথেই আটক করা হয়েছে ককরোচ জনতা পার্টির দেড় হাজারেরও বেশি সমর্থককে। দলের নেতাদেরও দিল্লি বিমানবন্দরে নামার পর আটক করা হয়। বিক্ষোভের মধ্যেই ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকেও গুরুগাঁওয়ের বাড়ি থেকে আটক করা হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আম আদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নেত্রী নেহা বোরার মতো আরও কয়েকজন নেতাকে আটক করা হয়েছে বলে খবর।

    গ্রেফতারির আশঙ্কা (Ajinkya Shinde)

    গ্রেফতারির আশঙ্কা আগেই করেছিলেন দীপকে। সেই কারণে শুক্রবার রাতেই একটি ভিডিও রেকর্ড করে রেখেছিলেন তিনি। সেখানে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনি, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা যত দিন আটক থাকবেন, তত দিন যন্তর মন্তরের বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেবেন সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত অজিঙ্ক শিন্ডে।

    ভিডিওতে অভিজিৎকে বলতে শোনা যায়, “আপনারা যদি এই ভিডিওটা দেখছেন, তার অর্থ আমি, আশুতোষ ও সৌরভ—আমরা তিনজনই গ্রেফতার হয়ে গিয়েছি। আমাদের পর এই আন্দোলনে অজিঙ্ক নেতৃত্ব দেবেন। আপনারা যাঁরাই এই ভিডিওটি দেখছেন, তাঁরা এ বার থেকে অজিঙ্ক শিন্ডেকে অনুসরণ করুন। আমি, আশুতোষ ও সৌরভের পর উনিই এখান থেকে ককরোচ জনতা পার্টিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।”

    যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ ঘিরে কড়া নিরাপত্তা

    প্রস্তাবিত বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ব্যারিকেড বসানো হয়েছে এবং মোতায়েন করা হয়েছে দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর বিপুল সংখ্যক কর্মী। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চল্লিশ হাজারেরও বেশি নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। যন্তর মন্তর ও তার আশপাশের এলাকায় বিক্ষোভকারীদের জমায়েত আটকাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    কর্তব্যপথ সংলগ্ন এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার কথাও জানানো হয়েছে। প্রশাসনিক বিধিনিষেধের পাশাপাশি ট্রেন চলাচল নিয়েও নিয়ন্ত্রণের খবর সামনে এসেছে। দুপুর পর্যন্ত নয়াদিল্লি ও হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশনে কোনও ট্রেন প্রবেশ করবে না বলে জানানো হয়েছে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন (Ajinkya Shinde)।

    এমন পরিস্থিতিতেও আন্দোলনকারীদের পিছিয়ে না আসার বার্তা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। দলের নেতা অজিঙ্ক শিন্ডে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত একটি ভিডিওতে বলেন, “দিল্লি পুলিশ যদি আপনাদের আটকানোর চেষ্টা করে, তা হলে যেখানে আপনাদের আটকানো হবে, সেই জায়গাটাই আপনাদের যন্তর মন্তর হয়ে উঠবে।” দীপকে আটক হওয়ার পর তিনিই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

    কেন ফের আন্দোলনে ককরোচ জনতা পার্টি?

    ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করে আসছে ককরোচ জনতা পার্টি। সংগঠনের অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় একাধিক অনিয়ম হয়েছে। সেই দাবিতে বিভিন্ন সময়ে বিক্ষোভ ও জনসমাবেশ করেছে তারা। গত ২ অক্টোবর মুম্বইয়েও এই ইস্যুতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়েছিল।

    এ বার দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের পরিকল্পনা করা হলেও, প্রয়োজনীয় অনুমতি না থাকায় দিল্লি পুলিশ সেই কর্মসূচির আবেদন খারিজ করে দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জনস্বার্থের কথা উল্লেখ করেই অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক

    জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে একটি ইংরেজি দৈনিকের প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও পদ্ধতি নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশী দশ মাসে অন্তত ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছিলেন।

    এই প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম এবং ভোটার তালিকা সংশোধনের পদ্ধতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ককরোচ জনতা পার্টির দাবি, গোটা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে এবং অনিয়মের অভিযোগের জবাব দিতে হবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে। সেই দাবিতেই জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন জারি রেখেছে সংগঠনটি।

    দিল্লিতে একের পর এক নেতা ও সমর্থক আটক হওয়ার পর আন্দোলন কোন পথে এগোয়, এখন সেটাই দেখার। নেতৃত্বে অজিঙ্ক শিন্ডেকে সামনে রেখে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janta Party Protest)। অন্যদিকে, প্রশাসনের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্তের ফলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে  (Ajinkya Shinde) ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     

  • Congress: কংগ্রেসের সঙ্গে ‘আরশোলা’ পার্টির সংঘাত প্রকাশ্যে, ‘পর্দার আড়ালে সাহায্যে’র দাবি রীতম সিংয়ের

    Congress: কংগ্রেসের সঙ্গে ‘আরশোলা’ পার্টির সংঘাত প্রকাশ্যে, ‘পর্দার আড়ালে সাহায্যে’র দাবি রীতম সিংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলিকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কংগ্রেস (Congress)। কিন্তু সেই বিরোধী ঐক্যের মধ্যেই কংগ্রেস এবং ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) মধ্যে টানাপোড়েন ক্রমশ প্রকাশ্যে আসছে। দুই দলের নেতাদের মধ্যে বারবার প্রকাশ্যে বাগ্‌যুদ্ধও হয়েছে। সম্প্রতি অসম কংগ্রেসের মুখপাত্র রীতম সিং এবং সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কার মধ্যে প্রকাশ্য বাক্‌যুদ্ধকে ঘিরে নতুন করে সামনে এসেছে (Jantar Mantar Protests) দু’পক্ষের সংঘাত। রীতমের অভিযোগ, রাঙ্কা এবং তাঁর দল আম আদমি পার্টির নির্দেশে কাজ করছে এবং একটি স্বতঃস্ফূর্ত ছাত্র আন্দোলনের কৃতিত্ব নিজেদের দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, অতীতে সিজেপিকে পর্দার আড়াল থেকে কংগ্রেসের সাহায্য করার দাবিও।

    সংঘাতের সূত্রপাত (Congress)

    শনিবার রাঙ্কার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে এই সংঘাতের সূত্রপাত। রাঙ্কা কংগ্রেসকে নিশানা করে দাবি করেছিলেন, সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে আক্রমণ করার জন্য একটি গোটা স্বঘোষিত উদারপন্থী পরিসর সক্রিয় হয়ে উঠেছে। রাঙ্কা লিখেছিলেন, “একটি গোটা ‘স্বঘোষিত উদারপন্থী’ পরিসরকে সক্রিয় করা হয়েছে অভিজিৎ দীপকেকে আক্রমণ করার জন্য। দীর্ঘ, দীর্ঘ সময় পর তিনি লাখ লাখ ভারতীয়ের কল্পনাকে প্রভাবিত করতে সক্ষম হয়েছেন। মজার বিষয় হল, এই পরিসরটি শুধু টুইটারে রয়েছে, অথচ কোনওভাবে মনে করে তারাই গণতন্ত্রের একমাত্র রক্ষক।” রাঙ্কার এই মন্তব্যের পরেই পাল্টা আক্রমণে নামেন রীতম। তিনি রাঙ্কার “ষড়যন্ত্র” এবং “মিথ্যা আত্মগরিমা” প্রকাশ্যে আনার হুঁশিয়ারি দেন।

    রীতমের দাবি, অসম পুলিশ রাঙ্কা এবং তাঁর দলের কর্মীদের আটক করার পর তাঁদের মুক্ত করতে কংগ্রেস সাহায্য করেছিল। কিন্তু সেই সাহায্যের প্রতিদান হিসেবে কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতেও রাঙ্কা অস্বীকার করেন বলে অভিযোগ। তাঁর দাবি, আম আদমি পার্টির নির্দেশেই কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে অস্বীকার করেছিলেন রাঙ্কা।

    রীতম বলেন, “অসম পুলিশ যখন আপনাকে আটক করেছিল, তখন আমরা কংগ্রেসের লোকজন সিজেপির সদস্যদের বাইরে বের করে আনতে সাহায্য করেছিলাম। অথচ আপনি স্পষ্টভাবে আমাদের কংগ্রেস নেতাদের এবং গৌরব স্যারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতেও অস্বীকার করেছিলেন। আপনি তা করেছিলেন কারণ আম আদমি পার্টি আপনাকে তা করতে বারণ করেছিল।”

    তিনি আরও দাবি করেন, গুয়াহাটিতে রাঙ্কার আতিথেয়তার দায়িত্বে থাকা কুনকি চৌধুরী তখন কংগ্রেস প্রার্থীর হয়ে নগাঁওয়ে অসম জনতা পরিষদের সভাপতি লুরিন গগৈয়ের সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে ছিলেন। তাঁরাও রাঙ্কাকে কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার অনুরোধ করেছিলেন বলে দাবি রীতমের।

    তিনি বলেন, “তবুও আপনি একবারও কংগ্রেস বা আমাদের ছাত্র শাখার সঙ্গে যোগাযোগ করার সিদ্ধান্ত নেননি। আপনি কংগ্রেস (Congress) নেতাদের বলেছিলেন, ‘এর বাইরে থাকুন’। আপনি বলেছিলেন, এটি আম আদমি পার্টির উদ্যোগ।” উল্লেখ্য, ছাত্রদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে সিজেপির সংগঠন বিস্তারের নামে একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি চালানোর সময় রাঙ্কা-সহ দলের কয়েকজন কর্মীকে অসম পুলিশ আটক করেছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

    রীতমের অভিযোগ

    রীতমের আরও অভিযোগ, আম আদমি পার্টির জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরাসরি নির্দেশে সাম্প্রতিক যন্তর মন্তরের আন্দোলনে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের জাতীয় সভাপতি নেহা বোরাকে পাশ কাটিয়ে গিয়েছিলেন সিজেপি নেতৃত্ব। তাঁর দাবি, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে যোগাযোগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় নেহা বোরাকে আন্দোলন থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

    তাঁর আরও অভিযোগ, সিজেপি একটি ছাত্র আন্দোলনকে নিজেদের দখলে নেওয়ার চেষ্টা করেছে এবং সোনম ওয়াংচুকের অনশন কর্মসূচির ওপর ভর করে তার কৃতিত্ব নিজেদের নামে নেওয়ার চেষ্টা করেছে।

    তিনি বলেন, “ছাত্রদের সমস্যার পক্ষে দাঁড়ানো এক বিষয়। কিন্তু কোনও আন্দোলনকে নিজেদের দখলে নেওয়া সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। আম আদমি পার্টি অন্যদের ইস্যুতে ভর করে সেগুলিকে নিজেদের করে নেওয়ার জন্য পরিচিত।”

    কংগ্রেস মুখপাত্র অতীতের বিভিন্ন ঘটনাও তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময় অন্না হাজারের কর্মসূচিকে ব্যবহার করা থেকে শুরু করে সোনম ওয়াংচুকের অনশন—বিভিন্ন ক্ষেত্রে আম আদমি পার্টি অন্যদের আন্দোলনের কৃতিত্ব নেওয়ার চেষ্টা করেছে।

    রীতম বলেন, “প্রথমে অন্না হাজারেকে সামনে রেখে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ভারতের নামে আপনাদের সেই সাজানো প্রদর্শনী। এরপর সোনম ওয়াংচুক স্যার যখন অনশনে ছিলেন, তখন তাঁকে পুলিশ তুলে নিয়ে যাওয়ার আগে পর্যন্ত আপনারা নিষ্ক্রিয় ছিলেন। আর যখন সমস্ত ছাত্র সংগঠন স্পষ্টভাবে প্রতিবাদ করছিল, তখন আপনারা পুরো বিষয়টিকে সিজেপির আম আদমি পার্টির আন্দোলন হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছিলেন।”

    কী বলছে কংগ্রেস

    কংগ্রেস মুখপাত্রের দাবি, সিজেপি ছাত্র আন্দোলনের ওপর নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার দাবি করে অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে নতুন করে রাজনৈতিকভাবে সামনে আনার চেষ্টা করছে। এদিকে, কংগ্রেস এবং সিজেপির সংঘাতের মধ্যে বিজেপির সঙ্গে সিজেপির যোগসাজশের অভিযোগও সম্প্রতি সামনে এসেছিল। এক কংগ্রেস সমর্থককে বলতে শোনা যায়, “অভিজিৎ দীপকে বলছেন নির্বাচন বয়কট করা উচিত। বিজেপিও চায় সবাই নির্বাচন বয়কট করুক।”

    তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, আম আদমি পার্টির মদতপুষ্ট সিজেপি বিজেপির সঙ্গে কাজ করছে বলে তিনি ইঙ্গিত করছেন কি না। জবাবে ওই কংগ্রেস সমর্থক বলেন, “হ্যাঁ, অবশ্যই। একশো শতাংশ। এটাই সত্যি। কখনও কখনও বড় নেতাদের, যেমন রাহুল গান্ধীর, গুরুত্ব কমিয়ে দেওয়ার জন্য নতুন নেতাদের সামনে আনা হয়।”

    কংগ্রেস এবং সিজেপির এই সংঘাত অবশ্য নতুন নয়। গত মাসেও যন্তর মন্তরে ২০ থেকে ২৫ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত হওয়া বিক্ষোভের সঙ্গে যুক্ত প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর বাতিলের সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের কৃতিত্ব নেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন দেখা যায়। একই মাসে রাজস্থানের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী এবং সম্প্রতি পাঞ্জাবের কংগ্রেসের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা শচীন পাইলটও বিভিন্ন (Jantar Mantar Protests) রাজ্যে স্কুল পরিদর্শনের নামে সিজেপির রাজনৈতিক সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। ফলে বিরোধী শিবিরে (Congress) মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর ঐক্যের বার্তা সামনে এলেও, কংগ্রেস ও সিজেপির পারস্পরিক সংঘাত যে এখনও অব্যাহত, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলিতে তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।

     

  • Sonam Wangchuk: ‘ওঁরা সাধু নন’! সিজেপি প্রতিষ্ঠাতাদের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে, দাবি সোনমের

    Sonam Wangchuk: ‘ওঁরা সাধু নন’! সিজেপি প্রতিষ্ঠাতাদের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে, দাবি সোনমের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির যন্তর মন্তরে ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতাদের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে বলে মন্তব্য করলেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক (Sonam Wangchuk)। তবে তাঁর মতে, রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকা কোনও অপরাধ নয় এবং তরুণদের রাজনীতিতে আসা স্বাভাবিক ও ইতিবাচক বিষয়। প্রখর গুপ্তের সঙ্গে এক পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে ওয়াংচুক বলেন, সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কার ভূমিকা দেখে তাঁর মনে হয়েছে যে তাঁদের রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। তবে তাঁরা সরাসরি তাঁকে রাজনীতিতে প্রবেশের ইচ্ছার কথা জানাননি বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।

    ছাত্র আন্দোলনের মঞ্চে রাজনীতি নয়!

    ওয়াংচুক বলেন, তিনি সিজেপি (CJP) প্রতিষ্ঠাতাদের এমন কোনও ‘সাধু’ হিসেবে দেখেন না, যাঁদের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নেই। তাঁর কথায়, রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকা নিয়ে ‘কোনও সমস্যা নেই’। বরং তরুণদের জনস্বার্থের বিষয় নিয়ে কাজ করতে করতে রাজনীতিতে আসাকে তিনি উৎসাহিত করবেন। প্রয়োজনে তাঁরা কোনও প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে পারেন অথবা নতুন রাজনৈতিক সংগঠনও গড়ে তুলতে পারেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। তবে ছাত্র আন্দোলনকে (Sonam Wangchuk on CJP Protest) রাজনৈতিক দলের প্রভাবমুক্ত রাখার উপর বিশেষ জোর দিয়েছেন ওয়াংচুক। প্রায় দু’মাস ধরে যন্তর মন্তরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অপসারণের দাবিতে চলা ছাত্র আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি জানান, আন্দোলনের মঞ্চকে কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত করা উচিত নয়।

    ছাত্র আন্দোলনের ‘পবিত্রতা’ বজায় রাখা উচিত!

    ওয়াংচুকের বক্তব্য,সিজেপি (CJP) প্রতিষ্ঠাতাদের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকতেই পারে, কিন্তু ছাত্র আন্দোলনের ‘পবিত্রতা’ বজায় রাখতে সেটিকে নিরপেক্ষ, অরাজনৈতিক এবং একটি চাপসৃষ্টিকারী মঞ্চ হিসেবে রাখা প্রয়োজন। তাঁর মতে, আন্দোলনটি সমর্থন পাওয়ার অন্যতম কারণ ছিল মানুষ সেটিকে বিজেপি, কংগ্রেস বা আম আদমি পার্টির (AAP) আন্দোলন হিসেবে দেখেননি। বরং এটি একটি স্বতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন হিসেবেই পরিচিতি পেয়েছিল। সিজেপি (CJP)-র অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের অতীতে আপ-এর সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়েও প্রশ্ন ওঠে। ওয়াংচুক জানান, এতে তাঁর কোনও আপত্তি ছিল না। তাঁর মতে, কোনও ব্যক্তির অতীত রাজনৈতিক সম্পর্ক বা ভবিষ্যতের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং একটি আন্দোলনের রাজনৈতিক চরিত্র—এই দু’টি বিষয়কে আলাদা করে দেখা উচিত।

  • Abhijit Dipke: সিজেপিতে অন্তর্কলহ! অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্ব নিয়ে ‘ককরোচ’দের মধ্যে বাড়ছে বিক্ষোভ!

    Abhijit Dipke: সিজেপিতে অন্তর্কলহ! অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্ব নিয়ে ‘ককরোচ’দের মধ্যে বাড়ছে বিক্ষোভ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থ হয়ে পড়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হল ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের (Abhijit Dipke) নেতৃত্ব ও দলের কার্যপদ্ধতির বিরুদ্ধে অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশনে বসা দুই যুবক। সোমবার, ১০ অগাস্ট শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁদের সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকেরা স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে তাঁদের চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানালে পুলিশ অ্যাম্বুল্যান্সে করে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। অসুস্থ হয়ে পড়া দুই আন্দোলনকারী হলেন মণীশ ব্রহ্মভট্ট ও রাহুল পাণ্ড্য। দু’জনেই আহমেদাবাদের বাসিন্দা এবং ককরোচ জনতা পার্টির সদস্য। গত ৬ অগাস্ট থেকে তাঁরা বিভাগীয় কমিশনারের দফতর চত্বরে অনশন শুরু করেছিলেন। দলের নেতৃত্ব এবং মূল কমিটি গঠনের পদ্ধতি নিয়েও তাঁরা আপত্তি জানিয়েছিলেন।

    দলের মূল কমিটি গঠন নিয়ে ক্ষোভ (Abhijit Dipke)

    মণীশ ও রাহুলের অভিযোগ, অভিজিৎ নিজের ইচ্ছামতো দলের মূল কমিটি গঠন করেছেন। তাঁদের দাবি, এই সংগঠন কোনও এক ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠেনি, বরং এটি একটি বৃহত্তর জাতীয় আন্দোলনের প্রতিনিধিত্ব করে। তাই বিভিন্ন রাজ্য থেকে আরও বেশি প্রতিনিধিত্ব থাকা প্রয়োজন। আন্দোলনকারীদের দাবি ছিল, দীপকের গঠিত মূল কমিটিতে প্রতিটি রাজ্য থেকে পাঁচজন করে সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তাঁদের বক্তব্য, দলের নেতৃত্বের কাছে বিষয়টি একাধিকবার জানানো হলেও, তাঁদের দাবির বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এরপরই ৬ অগাস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশনে বসার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। প্রথমে অভিজিতের বাসভবনের কাছে বসেই তাঁরা অনশন শুরু করেছিলেন। পুলিশ তাঁদের জানায়, তাঁর বাসভবনের কাছে অনশন চালিয়ে যাওয়া যাবে না। পরে পুলিশ আধিকারিকদের পরামর্শে তাঁরা বিভাগীয় কমিশনারের দফতর চত্বরে গিয়ে অনশন শুরু করেন।

    চতুর্থ দিনেই শারীরিক অবস্থার অবনতি

    সোমবার সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ চিকিৎসাকর্মীরা দুই আন্দোলনকারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। পরীক্ষা শেষে তাঁরা পুলিশকে জানান, দু’জনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে এবং তাঁদের চিকিৎসার প্রয়োজন। এরপর পুলিশ অ্যাম্বুল্যান্সে করে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যায় (CJP)। দুই মূল অনশনকারী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় অনশন আদৌ বন্ধ হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। যদিও আন্দোলন থামেনি বলেই খবর। অনশন চালিয়ে যেতে শৃঙ্খল অনশনের পথ নেওয়া হয়েছে আন্দোলনকারীদের তরফে। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া দুই যুবকের পরিবর্তে আরও তিন যুবক শৃঙ্খল অনশনে যোগ দিয়েছেন বলে খবর। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ছত্রপতি সম্ভাজিনগরের আয়ান খান, জলনার ফারুক খান এবং আহমেদাবাদের সুনীল দেশাই। ফলে মূল দুই অনশনকারী হাসপাতালে ভর্তি হলেও অভিজিতের নেতৃত্ব এবং ককরোচ জনতা পার্টির মূল কমিটি গঠন নিয়ে আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।

    এবার দীপকের বিরুদ্ধে পুলিশকর্মীদের সংগঠনের বিক্ষোভ

    এমন আবহেই অভিজিতের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে সরব হয়েছে পুলিশ বয়েজ অ্যাসোসিয়েশন। মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ছত্রপতি সম্ভাজিনগরের জেলাশাসকের দফতরের বাইরে সংগঠনের সদস্যরা মৌন বিক্ষোভ দেখান (Abhijit Dipke)।সংগঠনের দাবি, অভিজিৎকে দেওয়া পুলিশি নিরাপত্তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে এবং তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে। গত ৭ আগস্ট নিজের বাসভবনের বাইরে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের আচরণ নিয়ে অভিজিৎ অভিযোগ তোলেন। তার পরেই সূত্রপাত হয় এই বিরোধের।

    কী নিয়ে পুলিশের সঙ্গে অভিজিতের বিরোধ?

    অভিজিতের অভিযোগ ছিল, তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসা লোকজনের সঙ্গে তাঁর বাসভবনের বাইরে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা দুর্ব্যবহার করেন। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিজিৎ বলেছিলেন, কার সঙ্গে তিনি দেখা করবেন তা ঠিক করার জন্য পুলিশের প্রয়োজন নেই। তিনি এক পুলিশ আধিকারিককে সেখান থেকে চলে যেতে বলেছিলেন বলেও অভিযোগ। অজিজিতের এহেন মন্তব্যের পরেই পুলিশ বয়েজ অ্যাসোসিয়েশন প্রতিবাদে নামে। সংগঠনের অভিযোগ, তিনি পুলিশ- প্রশাসনের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করেছেন। তাঁর আচরণকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে সংগঠনটি পুলিশকর্মী ও তাঁদের পরিবারের অধিকার লঙ্ঘনেরও অভিযোগ তুলেছে (CJP)।

    পুলিশি নিরাপত্তা প্রত্যাহারের দাবি

    পুলিশ বয়েজ অ্যাসোসিয়েশনের দাবি, অভিজিতকে দেওয়া পুলিশি নিরাপত্তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। সংগঠনের বক্তব্য, নাগরিকদের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কোনও পুলিশকর্মীকে প্রকাশ্যে অপমান করা শুধু একজন আধিকারিককে অপমান করা নয়, এটি গোটা পুলিশবাহিনী এবং আইনের শাসনের প্রতি অসম্মান (Abhijit Dipke)। জেলাশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পর আপাতত বিক্ষোভ প্রত্যাহার করে নেয় সংগঠনটি। তবে অভিজিতের “দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণে”র বিরুদ্ধে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

    “গোটা পুলিশবাহিনীর প্রতি অপমান”

    পুলিশ বয়েজ অ্যাসোসিয়েশনের দাবি, প্রশাসনের কাছে আগে দেওয়া স্মারকলিপির ভিত্তিতে কোনও পদক্ষেপ না হওয়ায় মৌন বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছে। সংগঠনের বহু পদাধিকারী ও কর্মী এতে অংশ নেন। তাঁদের বক্তব্য, এই বিক্ষোভ পুলিশকর্মী এবং তাঁদের পরিবারের মর্যাদা ও আত্মসম্মান রক্ষার দাবিতে করা হয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, অভিজিতের পুলিশি নিরাপত্তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করা উচিত। কোনও অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপও করতে হবে (CJP)। এই আন্দোলনের ফলে ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে অভিজিতকে ঘিরে এখন দু’টি পৃথক বিরোধের সূত্রপাত হয়েছে। একদিকে দলের কার্যপদ্ধতি ও মূল কমিটি গঠন নিয়ে ককরোচ জনতা পার্টির সদস্যদের আন্দোলন, অন্যদিকে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তাঁর আচরণ নিয়ে পুলিশ বয়েজ অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিবাদ—দুই ক্ষেত্রেই চাপের মুখে পড়েছেন ‘আরশোলা পার্টি’ সুপ্রিমো স্বয়ং (Abhijit Dipke)।

     

  • RTI Activist Amit Tiwari: সিজেপি-র অর্থের উৎস নিয়ে তদন্তের দাবি, অভিজিৎ ডিপকের বিদেশে পড়ার খরচ নিয়েও প্রশ্ন আরটিআই কর্মীর

    RTI Activist Amit Tiwari: সিজেপি-র অর্থের উৎস নিয়ে তদন্তের দাবি, অভিজিৎ ডিপকের বিদেশে পড়ার খরচ নিয়েও প্রশ্ন আরটিআই কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ ডিপকে (Abhijeet Dipke) এবং দলের অর্থের উৎস নিয়ে তদন্তের দাবি তুলেছেন সুরাটের এক আরটিআই কর্মী (RTI Activist Amit Tiwari)। একই সঙ্গে অভিজিৎ ডিপকের বিদেশে উচ্চশিক্ষার খরচ কীভাবে বহন করা হয়েছিল? তা নিয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত চেয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, দলের আইনি অবস্থান এবং সম্প্রতি ঘোষিত ১ কোটি টাকার লিগ্যাল ডিফেন্স ফান্ড নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

    বিদেশে পড়াশোনার খরচ নিয়ে প্রশ্ন

    সুরাটের আরটিআই কর্মী অমিত তিওয়ারির (RTI Activist Amit Tiwari) দাবি, “অভিজিৎ ডিপকের (Abhijeet Dipke) বাবা ভগবানরাও ডিপকে মহারাষ্ট্র সরকারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী। পরিবারের আর্থিক অবস্থার সঙ্গে অভিজিৎ ডিপকের বিদেশে উচ্চশিক্ষার ব্যয় সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না? তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।পরিবারের ঘোষিত আর্থিক অবস্থার সঙ্গে বিদেশে পড়াশোনার খরচের উৎস মিলিয়ে দেখা হোক।”

    সিজেপি-র আইনি মর্যাদা যাচাইয়ের দাবি

    অমিত তিওয়ারি (RTI Activist Amit Tiwari) নির্বাচন কমিশনের কাছেও একটি আবেদন করেছেন। EC-র কাছে তাঁর দাবি, ককরোচ জনতা পার্টি (CJP) আদৌ নির্বাচন কমিশনের স্বীকৃত বা নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কি না? যদি দলটি নিবন্ধিত না হয়, তাহলে রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে কার্যকলাপ চালানো এবং অর্থ সংগ্রহের বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের খতিয়ে দেখা উচিত। জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ২৯এ ধারার উল্লেখ করে কমিশনের হস্তক্ষেপও চেয়েছেন আরটিআই কর্মী অমিত তিওয়ারি (RTI Activist Amit Tiwari)। পাশাপাশি, শুধু দল বা প্রতিষ্ঠাতার আর্থিক বিষয় নয়, সম্প্রতি ঘোষিত ১ কোটি টাকার লিগ্যাল ডিফেন্স ফান্ড নিয়েও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অমিত তিওয়ারি (RTI Activist Amit Tiwari)। আয়কর দফতর এবং সেন্ট্রাল বোর্ড অব ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সেস অ্যান্ড কাস্টমস (CBIC)-এর কাছে তাঁর আবেদন, এই তহবিলের অর্থের উৎস এবং এর উপর পণ্য ও পরিষেবা কর (GST) প্রযোজ্য কি না? তা খতিয়ে দেখা হোক। উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগে প্রবীণ আইনজীবী ও রাজ্যসভার সাংসদ কপিল সিব্বল সিজেপি-র গঠিত একটি লিগ্যাল ডিফেন্স ফান্ডে ১ কোটি টাকা দেওয়ার ঘোষণা করেন। এই তহবিলের উদ্দেশ্য, দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে আন্দোলনকারী বিক্ষোভকারীদের আইনি সহায়তা দেওয়া।

    এখনও চুপ সিজেপি

    আরটিআই কর্মীর (RTI Activist Amit Tiwari) আবেদনে সিজেপি-র অর্থের উৎস, দলের আইনি বৈধতা, লিগ্যাল ডিফেন্স ফান্ড এবং প্রতিষ্ঠাতার বিদেশে পড়াশোনার ব্যয়ের উৎস খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হলেও, এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন, আয়কর দফতর, সিবিআইসি বা অন্য কোনও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনও প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি। একইভাবে, অভিজিৎ ডিপকে (Abhijeet Dipke), তাঁর পরিবার বা ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) পক্ষ থেকেও এই অভিযোগগুলির বিষয়ে এখনও কোনও প্রকাশ্য বক্তব্য সামনে আসেনি।

LinkedIn
Share