Tag: clash

clash

  • BJP TMC Clash: তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে তপ্ত নন্দীগ্রাম, বোমাবাজি, গুলি

    BJP TMC Clash: তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে তপ্ত নন্দীগ্রাম, বোমাবাজি, গুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমবায় নির্বাচনে চলল গুলি। হল বোমাবাজিও। বাদ যায়নি অগ্নিসংযোগও। রবিবার নির্বাচন ছিল তমলুকের এগ্রিকালচার সোসাইটির। ভোট গ্রহণকে কেন্দ্র করে এদিন বেলার দিকে সংঘর্ষ (BJP TMC Clash) বাঁধে নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের কাঞ্চননগর গ্রামে। খবর পেয়ে এলাকায় যায় পুলিশ।

    পুলিশের সামনেই হয় বোমাবাজি (BJP TMC Clash)

    পুলিশের সামনেই হয় বোমাবাজি। চলে গুলিও। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান তমলুকের প্রাক্তন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। তপ্ত পরিস্থিতির জেরে কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ হয়ে যায় ভোটগ্রহণ। ঘটনার জেরে ভীত সন্ত্রস্ত্র হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। ভয়ে ভোট দিতে যাননি বহু ভোটার। বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক মেঘনাদ পাল বলেন, “শনিবার থেকেই বুথ এলাকায় জারি করা হয়েছিল ১৪৪ ধারা। ১০০ মিটারের বাইরে ক্যাম্প করার কথা বলা হয়েছিল। অথচ সেখানে রীতিমতো প্রহসন চালিয়েছে তৃণমূল। পুলিশের সামনেই ব্যাপক বোমাবাজি করেছে ওরা। আমাদের এক নেতার মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে।” তিনি বলেন (BJP TMC Clash), “এই ঘটনার জেরে আমি নিজেও আমার ভোটটা দিতে পারিনি। নন্দীগ্রামের ভোটারদের ওপর তৃণমূলের আস্থা নেই বলেই এমন বোমাবাজি করছে।”

    আরও পড়ুন: হিন্দু নির্যাতনের মাশুল! বাংলাদেশিদের জন্য বন্ধ ত্রিপুরার হোটেলের দ্বার

    ভীত স্থানীয় বাসিন্দারা

    এদিন সকাল আটটা থেকে কাঞ্চননগর হাইস্কুলে শুরু হয় কৃষি সমবায়ের ভোটগ্রহণ। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন ২২ জন। নির্বাচন শুরুর দিকে নির্বিঘ্নে ভোট হলেও, বেলা বাড়তেই শুরু হয় উত্তেজনা। সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল ও বিজেপির নেতা-কর্মীরা। তার পরেই শুরু হয় বোমাবাজি, চলে গুলিও। দেবপ্রসাদ মাইতি নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “আমার বাড়ি এখানেই। বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎই দেখি, কয়েকজন এসে বোমাবাজি করে পালিয়ে যায়। আমরা খুব আতঙ্কে রয়েছি (BJP TMC Clash)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur Clash: অশান্ত মণিপুরে আসছে আরও ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, উদ্ধার ৩ হাজার অস্ত্রশস্ত্র

    Manipur Clash: অশান্ত মণিপুরে আসছে আরও ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, উদ্ধার ৩ হাজার অস্ত্রশস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অশান্তির আগুনে পুড়ছে মণিপুর (Manipur Clash)। উত্তর-পূর্বের এই পাহাড়ি রাজ্যে শান্তি ফেরাতে আরও ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীতে জওয়ান রয়েছেন প্রায় ১০ হাজার ৮০০ জন। সব মিলিয়ে মণিপুরে মোতায়েন করা হচ্ছে ২৮৮ কোম্পানি জওয়ান। মণিপুর সরকারের প্রধান নিরাপত্তা উপদেষ্টা কুলদীপ সিং বলেন, “অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে ঝুঁকিপূর্ণ, সংবেদনশীল, সীমান্তবর্তী এবং মিশ্র জনসংখ্যার এলাকাগুলিতে।”

    অশান্ত জিরিবাম (Manipur Clash)

    ৭ নভেম্বর থেকে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মণিপুর। সব চেয়ে বেশি অশান্তি হচ্ছে জিরিবাম জেলায়। এই দফার গোষ্ঠী সংঘর্ষে এই জেলায় মৃত্যু হয়েছে ২০ জনের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৪ নভেম্বর ফের লাগু হয়েছে আফস্পা। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ১৮ নভেম্বর সেখানে ৫০ কোম্পানি আধাসেনা মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র। এবার পাঠানো হচ্ছে আরও ৯০ কোম্পানি সেনা (Manipur Clash)।

    কী বলছেন মণিপুরের নিরাপত্তা উপদেষ্টা?

    মণিপুরের নিরাপত্তা উপদেষ্টা কুলদীপ সিং জানান, এই জওয়ানরা এলাকার বাসিন্দাদের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষা করবেন। প্রত্যেক জেলায় আলাদা করে কন্ট্রোল রুম ও কো-অর্ডিনেশন সেল খোলা হচ্ছে। আধাসেনার তালিকায় রয়েছে সিআরপিএফের পাশাপাশি থাকবে বিএসএফ, সেনা, অসম রাইফেলস, আইটিবিপি এবং সশস্ত্র সীমাবল। জানা গিয়েছে, যেসব অস্ত্রশস্ত্র লুট করা হয়েছিল, তার মধ্যে এ পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। মায়ানমার সীমান্তের পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাবে নিরাপত্তাবাহিনী। কড়া হাতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বাহিনীকে।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্র-ঝাড়খণ্ডে শুরু ভোট গণনা, দুই রাজ্যেই এগিয়ে বিজেপি জোট

    এর আগে প্রবীণ এক পুলিশ কর্তা বলেছিলেন, গত বছরের ৩ মে থেকে মণিপুর অশান্ত হওয়ার পর থেকে সব মিলিয়ে লুঠ হয়েছিল ৫ হাজার ৬৬৯টি উন্নতমানের অস্ত্র এবং লক্ষাধিক রাউন্ড বিভিন্ন ধরনের (Central Forces) গুলি। প্রধান নিরাপত্তা উপদেষ্টা জানান, জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ তাদের কাছে হস্তান্তরিত সমস্ত মামলার তদন্ত শুরু করেছে (Manipur Clash)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Kosba Clash: গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই কসবায় গুলি করে মারার চেষ্টা তৃণমূল কাউন্সিলরকে!

    Kosba Clash: গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই কসবায় গুলি করে মারার চেষ্টা তৃণমূল কাউন্সিলরকে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি তৃণমূলের নেতা। রাজ্যও তৃণমূলের (TMC Inner Clash) দখলে। সেই রাজ্যেই তৃণমূলের কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ল এক দুষ্কৃতী (Kosba Clash)। বরাত জেরে বেঁচে গিয়েছেন সুশান্ত। গ্রেফতার হয়েছে মূল ষড়যন্ত্রী জনৈক গুলজার। প্রশ্নটা সেখানে নয়, যে প্রশ্নটা তৃণমূল নেতাদের বুকেও ভয় ধরিয়ে দিয়েছে, তা হল দলের অন্তর্দ্বন্দ্বের জেরেই কী দুষ্কৃতীর চাঁদমারিতে পরিণত হয়েছিলেন সুশান্ত?

    ‘টাগ অফ ওয়ার’

    এ প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে আমাদের যেতে হবে দক্ষিণ কলকাতার কবসা অঞ্চলে। এই অঞ্চলেরই নেতা সুশান্ত। কলকাতা পুরসভার ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তিনি। তাঁকে যেখানে খুন করার চেষ্টা করা হয়, সেই জায়গাটা আবার পড়ে ১০৭ নম্বর ওয়ার্ডে। এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর লিপিকা মান্না। ২০১০ সাল থেকে ২০২১ পর্যন্ত ১০৭-এর কাউন্সিলর ছিলেন সুশান্ত। আসনটিকে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত হওয়ায় সুশান্তকে সরানো হয় পাশের কেন্দ্রে। ১০৭-এ প্রার্থী করা হয় লিপিকাকে। পুরসভা নির্বাচনে দু’জনেই জিতেছেন ঘাসফুলের টিকিটে। তার পর থেকে এলাকার দখল কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে দুই কাউন্সিলরের মধ্যে চলছে ‘টাগ অফ ওয়ার’।

    গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব!

    অথচ, সুশান্ত ও লিপিকা দু’জনেই রাজ্যের মন্ত্রী জাভেদ খানের কাছের লোক (Kosba Clash)। লিপিকাকে জাভেদের লোক বলেই চেনেন তৃণমূলের লোকজন। আবার সুশান্তর সঙ্গেও জাভেদের সম্পর্কও বেশ ভালো। এহেন সমীকরণের চালচিত্র যেখানে শোভা পাচ্ছে, সেখানেই কিনা প্রকাশ্যে গুলি করা হল সুশান্তকে লক্ষ্য করে! এবং তার পরেও কোনও মন্তব্য করেননি জাভেদ। লিপিকাও স্পিকটি নট। দায়সারা গোছের উত্তর দিয়েছেন সুশান্ত। তিনি বলেন, “এর মধ্যে রাজনীতি নেই।” বিরোধীদের হাত রয়েছে, তাও বলছেন না তিনি। তাহলে কী পরকীয়া কিংবা পারিবারিক শত্রুতা?

    আরও পড়ুন: লাহোরে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পাক জঙ্গি লখভি, প্রকাশ্যে সেই ছবি

    স্থানীয় সূত্রে খবর, দুটোর কোনওটাই নয়। তাঁদের দাবি, ঘটনার নেপথ্য রয়েছে নির্ভেজাল রাজনীতি। সুশান্ত ১০৮ এর কাউন্সিলর হলেও, পুরানো ওয়ার্ডের দখল ছাড়েননি। লিপিকো গোষ্ঠীর দাপটে তাঁর বাহিনী অবশ্য কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। তাই তৃণমূলের জমানায় তৃণমূলেরই এক কাউন্সিলরকে প্রকাশ্যে গুলি করার সাহস দেখাল দুষ্কৃতী। বুকের পাটা আছে বলতে হয়!

    খেয়োখেয়ির এই রাজনীতিতে আর যাই হোক উন্নয়ন হয় না বলেই দাবি স্থানীয়দের। তাঁদের মতে, উন্নয়ন না হলেও, ‘কামাই’ হয়। যে ‘কামাই’কে ঘিরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্য-রাজনীতি। চলে গোলা-গুলি (TMC Inner Clash)। আক্রান্ত হন খোদ শাসক দলের নেতাই (Kosba Clash)!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu And Kashmir: শুরুতেই জোটে ঘোঁট! ওমরের মন্ত্রিসভায় যোগ দিচ্ছে না কংগ্রেস, কী কারণ?

    Jammu And Kashmir: শুরুতেই জোটে ঘোঁট! ওমরের মন্ত্রিসভায় যোগ দিচ্ছে না কংগ্রেস, কী কারণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপিকে হারাতে জোট বেঁধেছিল ন্যাশনাল কনফারেন্স এবং কংগ্রেস (NC Congress Clash)। সফল হয়েছে মিশনও। জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) সরকার গড়তে চলেছেন ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লা। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন তিনি। তবে এই সরকারের অংশ হতে চায় না কংগ্রেস। জোটের অন্দরে ঘোঁট পেকে যাওয়ায় যারপরনাই খুশি ন্যাশনাল কনফারেন্স-কংগ্রেস জোটের বিরোধীরা।

    ছড়ি ঘোরাবে ন্যাশনাল কনফারেন্স (Jammu And Kashmir)

    ১০ বছর পর বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরে। সেই নির্বাচনে ৯০টি আসনের মধ্যে ৪২টিতে জয়ী হয়েছে ওমর আবদুল্লার দল ন্যাশনাল কনফারেন্স। কংগ্রেসের ঝুলিতে পড়েছে ৬টি আসন। এই জোটই সরকার গড়বে বলে প্রথমে ঠিক ছিল। সূত্রের খবর, পরে মন্ত্রিসভায় মন্ত্রিত্ব নিয়ে অশান্তির জেরে নবগঠিত সরকারে কংগ্রেস যোগ দিচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সরকারে যোগ না দিলেও, বাইরে থেকে পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছে কংগ্রেস। তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সরকারের অংশ হবে না তারা।

    অশান্তির সূত্রপাত

    সূত্রের খবর, অশান্তির সূত্রপাত মন্ত্রিত্ব নিয়েই (Jammu And Kashmir)। কংগ্রেস মাত্র ৬টি আসনে জিতেছে। তাই তাদের একটির বেশি পূর্ণ মন্ত্রীর পদ দিতে রাজি নন ওমর। যদিও কংগ্রেস ৩টি দফতর চেয়েছে। কিছুটা নরম হয়ে ওমরের দল কংগ্রেসকে ডেপুটি স্পিকারের পদ ছাড়তেও রাজি হয়েছে। তিনজনকে মন্ত্রী না করায় গোঁসা হয়েছে কংগ্রেসের। যেহেতু সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে ওমরের দল, তাই মন্ত্রিসভায় ছড়ি ঘোরাবে তারা। সে ক্ষেত্রে সরকারে কোণঠাসা হয়ে যেতে হবে হাত শিবিরকে। এতেই রাজি নয় রাহুল গান্ধীর দল (Jammu And Kashmir)।

    আরও পড়ুন: ৪৮ ঘণ্টায় ১০ বার! পরপর বিমানে বোমাতঙ্ক, উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে কেন্দ্র

    এদিনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ওমরের দলের তরফে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ইন্ডি জোটের নেতাদের। তবে যেহেতু সরকারে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস, তাই এদিনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েও যাচ্ছেন না কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। তবে জোট বাঁচাতে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধী। শপথ নেওয়ার আগে ওমর বলেন, “কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্যমন্ত্রী হয়ে আলাদা আনন্দ অনুভব করছি। এখানকার মানুষের সমস্যার সমাধানে কেন্দ্রের (NC Congress Clash) সঙ্গে সব রকম সহযোগিতা করা হবে (Jammu And Kashmir)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Jammu And Kashmir Clash: জঙ্গিদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে পাকিস্তানের প্রাক্তন এসএসজি কমান্ডোরা!

    Jammu And Kashmir Clash: জঙ্গিদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে পাকিস্তানের প্রাক্তন এসএসজি কমান্ডোরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ভূস্বর্গে অশান্তি জিইয়ে রাখতে চাইছে পাকিস্তান (Pakistan)! গোয়েন্দা রিপোর্টেই জানা গিয়েছে, পাক সেনার প্রাক্তন অফিসারদের মদতেই জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir Clash) ঘটছে একের পর এক জঙ্গি হানার ঘটনা। পাকিস্তানের এলিট কমান্ডো বাহিনী স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপের প্রাক্তন আধিকারিকরাই জঙ্গিদের শেখাচ্ছেন দূরপাল্লার এম৪ কার্বাইনের মতো অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র কীভাবে চালাতে হয়, কীভাবেই বা ব্যবহার করতে হয় বিস্ফোরক। সেনার ওপর চিনা স্টিল কোর বুলেট ব্যবহার করে কীভাবে গেরিলা হানা চালানো যায়, সেই কৌশলও শেখানো হচ্ছে জঙ্গিদের।

    মার্কিন সেনার ফেলে যাওয়া অস্ত্র (Jammu And Kashmir Clash)

    জানা গিয়েছে, ২০২১ সালে আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় প্রচুর অস্ত্র ফেলে যায় মার্কিন সেনা। নেটো এবং আমেরিকার সেনাদের ফেলে যাওয়া সেই আগ্নেয়াস্ত্রই হাতফের হয়ে চলে আসছে জম্মু-কাশ্মীরের জঙ্গিদের কাছে। প্রমাণ হিসেবে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে চলতি জুলাই মাসেই জম্মু-কাশ্মীরের কাঠুয়ায় নিহত জঙ্গিদের কাছে মিলেছিল আমেরিকায় তৈরি এম৪ কার্বাইন। কেন্দ্রীয় একাধিক গোয়েন্দা সংস্থাও জানিয়েছিল, পুঞ্চ হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও রসদের জোগান দিয়েছিল পাক সেনা। তদন্তের পরে স্থানীয় প্রশাসনও জানিয়েছিল, ২০২১ সালে আমেরিকা যেসব বুলেট আফগানিস্তানে ফেলে গিয়েছিল, তারই কয়েকটা ব্যবহার করা হয়েছিল পুঞ্চ হামলার সময়।

    জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন সেনাকর্তারা!

    এক নিরাপত্তা আধিকারিক জানান, ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে পালানোর সময় মার্কিন সেনার ফেলে যাওয়া বিপুল অস্ত্রভান্ডারই এখন রয়েছে তালিবানের হাতে। তালিবানের সাহায্য নিয়ে সেই অস্ত্র ব্যবহার করে উপত্যকায় (Jammu And Kashmir Clash) অশান্তি জিইয়ে রাখতে চাইছে পাক জঙ্গিরা। অত্যাধুনিক এই সব অস্ত্র ব্যবহার কীভাবে করা হবে, কোন কৌশলে বধ করা যাবে শত্রুপক্ষকে, এসবেরই প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন সেনাকর্তারা।

    আরও পড়ুন: “সনাতন ধর্ম বিশ্বাস করে মানব কল্যাণে”, বললেন মোহন ভাগবত

    বিএসএফ সূত্রে খবর, ২০২১ সাল থেকে উপত্যকায় বেড়েছে একে সিরিজের রাইফেল, আইইডি-সহ অত্যাধুনিক অস্ত্র উদ্ধারের পরিমাণ। এগুলির বেশিরভাগই আফগানিস্তানে ফেলে যাওয়া নেটো ও মার্কিন সেনার অস্ত্র। উপত্যকায় অশান্তি সৃষ্টি করতে পাক জঙ্গিদের পাশাপাশি তালিবানদের এই অস্ত্র সরবরাহকারীদের ভূমিকা উদ্বেগ বাড়িয়েছে কেন্দ্রের। ভূস্বর্গে শান্তি ফেরাতে এবং উপত্যকাবাসীকে সুরক্ষা (Pakistan) দিতে বেশ কিছু বৈঠক করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। বাড়ানো হয়েছে টহলদারিও (Jammu And Kashmir Clash)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Sheikh Hasina: কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাশে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, দিলেন বড় আশ্বাস

    PM Sheikh Hasina: কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাশে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, দিলেন বড় আশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (PM Sheikh Hasina)। বুধবার সন্ধ্যায় তিনি বলেন, “সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে বাংলাদেশজুড়ে যে সঙ্কট চলছে, আইনি প্রক্রিয়ায় তার সমাধানের সুযোগ রয়েছে। উচ্চ আদালত থেকে ন্যায় বিচারই পাবে ছাত্রসমাজ। আদালতের রায়ে হতাশ হবেন না শিক্ষার্থীরা।” সংরক্ষণ নিয়ে সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের আশ্বাসও দেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

    উত্তাল বাংলাদেশ (PM Sheikh Hasina)

    সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সংরক্ষণ ব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে ছাত্র-যুব আন্দোলনের জেরে উত্তাল বাংলাদেশ। রাজধানী ঢাকা-সহ সে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মঙ্গলবার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ছ’জনের। আন্দোলনের জেরে বুধবার থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এহেন আবহে এদিন সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ‘গণভবন’ থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন হাসিনা। বলেন, “হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে আদালতে আপিল করেছে সরকার। তার ভিত্তিতে ধার্য হয়েছে শুনানির দিনও। শিক্ষার্থীদের বক্তব্য জানানোর সুযোগ করে দিয়েছে আদালত। এই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের সুযোগ রয়েছে। তা সত্ত্বেও রাস্তায় আন্দোলনে নেমে দুষ্কৃতীদের সংঘাতের সুযোগ করে দেবে না বাংলাদেশ সরকার।”

    কী বললেন হাসিনা?

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী (PM Sheikh Hasina) বলেন, “সর্বোচ্চ আদালতের রায় আসা পর্যন্ত সবাইকে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করার অনুরোধ জানাচ্ছি।” তিনি বলেন, “আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করছি, যারা হত্যাকাণ্ড, লুটপাট ও সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়েছে, এরা যেই হোক না কেন, তারা যেন উপযুক্ত শাস্তি পায়, সেই ব্যবস্থা করা হবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সংরক্ষণ আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে দেশে সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে। এর ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে যা ঘটনা ঘটেছে, তা খুবই বেদনাদায়ক ও দুঃখজনক। অহেতুক কতগুলো মূল্যবান জীবন ঝরে গেল। তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।”

    আরও পড়ুন: প্যারিস অলিম্পিক্সের সুরক্ষায় ভারতের সারমেয়কুল, কেন জানেন?

    এদিকে, বুধবারও অশান্তির খবর এসেছে রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি বরিশাল, সিলেট এবং কুমিল্লা থেকেও। সংঘর্ষ রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-সহ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাস খালি করতে গিয়ে আন্দোলনকারীদের বাধার (Bangladesh) মুখে পড়ে পুলিশ। কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটিয়ে পরিস্থিতি আনা হয় (PM Sheikh Hasina) নিয়ন্ত্রণে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • North 24 Parganas: তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তাল আমডাঙ্গা, লাঠি-বোমা-বন্দুকে রণক্ষেত্র এলাকা, আহত ৪

    North 24 Parganas: তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তাল আমডাঙ্গা, লাঠি-বোমা-বন্দুকে রণক্ষেত্র এলাকা, আহত ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) আমডাঙার বোদাই গ্রাম পঞ্চায়েতের খুড়িগাছি গ্রামে তৃণমূলের সঙ্গে তৃণমূলের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় উভয়পক্ষের মোট চারজন আহত হয়েছেন। এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যদের উপর অপর আরেক গোষ্ঠী হামলা করেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। প্রসঙ্গত শাসক দলের বিধায়ক নিজে এই গোষ্ঠী সংঘর্ষের কথা মানতে নারাজ। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।

    লাঠি, বোমা, বন্দুক নিয়ে সংঘর্ষ (North 24 Parganas)

    আমডাঙার (North 24 Parganas) বোদাই গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য রাকিবুল ইসলামের উপর আক্রমণ করে তৃণমূল নেতা তৈইব মস্তান। দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে এলাকা রণক্ষেত্রের রূপ নিয়েছিল। দুই পক্ষের মধ্যে লাঠি, বোমা, বন্দুক নিয়ে সংঘর্ষ হয়েছিল। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে আমডাঙ্গা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু অপর আরও দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদেরকে স্থানান্তরিত করা হয় বারাসত জেলা হাসপাতালে।

    প্রতিবেশীদের বক্তব্য

    সংঘর্ষে আহত তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের প্রতিবেশী হিরামনি বিবি বলেছেন, “এলাকায় (North 24 Parganas) তৃণমূল নেতা তৈয়ব মস্তান নিজে কোনও কাজ করে না। কেবল তোলাবাজি করে খায়। দলের আড়ালে অসামাজিক কাজ-কর্ম করে। মহিলাদের কোনও সম্মান করেনা। ওর আতঙ্কে সকলে সন্ত্রস্ত। প্রতিবাদ করলে বাড়ি থেকে মা-বোনদের তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। হাটখোলার মুখে বাড়ি ওর, কেউ কিছু বলতে গেলে রাস্তায় ফেলে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। আজকে আমাদের ছেলেগুলিকে বেধড়ক মারধর করেছে। মারের আঘাতে গুরুতর জখম হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওদের কাছে পিস্তল, বোমা, বন্দুক থাকায় কেউ কিছু করতে সাহস পায়নি। পুলিশ ওদের কথা কাজ করে।”

    আরও পড়ুনঃ নন্দীগ্রাম থানায় ১৫ দিনে ৪৭টা এফআইআর! পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা বিজেপির, অনুমতি কোর্টের

    বিধায়কের বক্তব্য

    যদিও তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মানতে নারাজ আমডাঙার তৃণমূল বিধায়ক রফিকার রহমান। তিনি বলেন, “অচৈতন্য অবস্থায় হাসপাতালে রয়েছেন পঞ্চায়েত (North 24 Parganas) সদস্য রাকিবুল। আগেও ওঁকে আঘাত করা হয়েছে। যে মেরেছে সে এলাকার সমাজ বিরোধী। তবে তার নাম জানি না। তৃণমূলের কোনও যোগ নেই এখানে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ভোটের মুখে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ, প্রকাশ্যে চলল গুলি, গুলিবিদ্ধ ৪

    Murshidabad: ভোটের মুখে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ, প্রকাশ্যে চলল গুলি, গুলিবিদ্ধ ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে জমি নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ। আর তার জেরেই গ্রামের মধ্যে প্রকাশ্যেই চলল গুলি। ধারালো অস্ত্র নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) খড়গ্রামে সাদল গ্রামে। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন সমিরুল শেখ এবং মন্তাজ শেখ সহ নামে মোট চারজন। মারামারি করে আহত হলেন আরও সাত জন। জেলা পুলিশ সুপার সূর্যপ্রতাপ যাদব বলেন, জমি সংক্রান্ত বিবাদের জেরেই ওই ঘটনা। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি জমির দখলদারিকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ দিন ধরে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) খড়গ্রাম থানার সাদল গ্রামে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ চলছিল। সোমবার বিকেলে নদীর চরে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। সেখানে লাটু শেখ, আবুল শেখ, সারুল শেখ এবং কবীর শেখ আগ্নেয়াস্ত্র বার করে শূন্যে গুলি চালাতে শুরু করেন বলে অভিযোগ। এরপরই পাল্টা হামলার চেষ্টা করে তৃণমূলের অন্য পক্ষ। তখন ওই পক্ষের দিকে গুলি ছোড়া হয়। তাতে চার জন জখম হন। পাশাপাশি অস্ত্র নিয়ে একে অপরকে আক্রমণ করা হলে দুই পক্ষের আরও কয়েক জন জখম হন। তাঁদের আরও দাবি, গোলাগুলি থেকে নিজেদের বাঁচাতে দু’জন স্থানীয় মসজিদে আশ্রয় নেন। সেখানেও তাঁদের উপরের আক্রমণ চালানো হয়। পুলিশ পৌঁছে মসজিদের ভিতর থেকে তাঁদের উদ্ধার করেছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য, জমি সংক্রান্ত বিবাদে এই অশান্তি হয়েছে।। সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। ইতিমধ্যে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ভোটে মূল প্রতিপক্ষ পুলিশ! নিয়ন্ত্রণের আর্জি শুভেন্দুর, পুলিশ পর্যবেক্ষকের দ্বারস্থ বিজেপি

     ১৮ রাউন্ড গুলি চলে!

    গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কর্মী সামিরুল শেখ বলেন, “স্থানীয় নদী বাঁধে অবৈধ ভাবে মাটি কাটা শুরু করে এলাকার দুষ্কৃতীরা। গ্রামের সবাই মিলে প্রতিরোধ করতে গেলে আমাদের ঘিরে ধরে গুলি চালায়। বাঁশ, লোহার রড ও হাঁসুয়া দিয়ে আক্রমণ করা হয় আমাদের। প্রায় ১৮ রাউন্ড গুলি চালায়। মোট চারজন গুলিবিদ্ধ হয়েছি। বেশ কয়েক জন জখম হয়েছে। আমরা তৃণমূল দল করি, ওরাও তৃণমূলের কর্মী এবং সমর্থক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: দলের দুই গোষ্ঠীর বচসা থেকে হাতাহাতি, ছুটে মন্দিরে আশ্রয় নিলেন কীর্তি আজাদ

    Durgapur: দলের দুই গোষ্ঠীর বচসা থেকে হাতাহাতি, ছুটে মন্দিরে আশ্রয় নিলেন কীর্তি আজাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষকে আক্রমণ করে গরম গরম কথা বলে কর্মীদের মনোবল বাড়ানোর অনেক চেষ্টা করেছেন তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদ। কিন্তু, এসব করে যে কোনও কাজের কাজ কিছুই হয়নি তার জ্বলন্ত প্রমাণ মিলল রবিবাসরীয় প্রচারে। এদিন প্রচারে বেড়িয়ে শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে চরম বিড়ম্বনায় পড়লেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার তথা বর্ধমান – দুর্গাপুর (Durgapur) লোকসভার তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদ। দলের দুই গোষ্ঠীর বচসা থেকে হাতাহাতি থেকে রেহাই পেতে মন্দিরের আশ্রয় নেন তৃণমূল প্রার্থী। আর এই ঘটনা সামনে আসতে শাসক দলের নেতারা চরম বিড়ম্বনায় পড়েছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Durgapur)

    দুর্গাপুরের (Durgapur) ১২ নম্বর ওয়ার্ড আমরাই গ্রামে এদিন প্রচারে যান বর্ধমান – দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদ। তাঁর সামনেই তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা বেধে যায়। পরে, বচসা থেকে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। প্রার্থী কীর্তি আজাদ মিছিল করে প্রচার শুরু করার সময় তাঁকে সম্বর্ধনা জানানোর জন্য তৈরি ছিলেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। আর তখনই প্রার্থীর সামনে শুরু হয়ে গেল তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা এবং হাতাহাতি। প্রার্থীর সঙ্গে ছিলেন শ্রমিক নেতা প্রভাত চট্টোপাধ্যায় আর তাঁর সামনেই প্রকাশ্যে  তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। একদিকে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার বহিষ্কৃত শ্রমিক সংগঠনের নেতা শেখ শাহাবুদ্দিনের দলবল দাঁড়িয়েছিল। অন্যদিকে, দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার বর্তমান শ্রমিক নেতা প্রভাত চট্টোপাধ্যায় ও শেখ আমিরুল রহমানের দলবল। এই দুই গোষ্ঠী কোন্দল শুরু হয় প্রার্থীর সামনে। মূলত প্রার্থীর কাছাকাছি কোনও গোষ্ঠীর ছেলেরা থাকবে তা নিয়ে বচসা থেকে হাতাহাতি। প্রার্থীর সামনে মারামারি হতেই তিনি ছুটে স্থানীয় একটি শ্মশান কালী মন্দিরে আশ্রয় নেন কীর্তি আজাদ। তৃণমূল নেতা শেখ শাহাবুদ্দিন বলেন, এই ঘটনায় যে বা যারা জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা নেতৃত্বকে বলব।

    আরও পড়ুন: অনুব্রতের গড়ে বিজেপির প্রার্থী প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিস ধর, প্রধান ইস্যু ‘ল অ্যান্ড অর্ডার’

    তৃণমূল প্রার্থী কী বললেন?

    তৃণমূল প্রার্থী বলেন, দলীয় কোন্দল নয়। আসলে সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য এই ঘটনা ঘটেছে। কর্মীদের অতি উৎসাহের কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। বিরোধীরা অপপ্রচার করছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। তৃণমূলের সঙ্গে এই ঘটনা ঘটেছে।

    বিজেপি বিধায়ক কী বললেন?

    বিজেপি বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘড়ুই বলেন, দলের কর্মীদের কাছে এদিন বিধায়ক ঘাড়ধাক্কা খেলেন। এবার ভোটারদের কাছে  ঘাড় ধাক্কা খেতে হবে। তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীক লড়াই রাজ্যের মানুষ পরখ করলেন। ভোট বাক্সে ফল পেয়ে যাবে তৃণমূল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: মঞ্চে বসে রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্র, নীচে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি

    Nadia: মঞ্চে বসে রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্র, নীচে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সভায় তৃণমূলে গোষ্ঠীকোন্দল প্রকাশ্যে চলে এল। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) চাপ়়ড়ায়। প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের সামনেই কর্মী সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে, পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। দলীয় সভায় এভাবে কর্মীদের মধ্যে মারামারি করতে দেখে সাধারণ মানুষ নিজেদের মধ্যে হাসাহাসি করতে শুরু করেন। শাসক দলের কোন্দলের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    বুধবার নদিয়ার (Nadia) চাপড়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের এক বিশাল কর্মীসভার আয়োজন করা হয়। আগামী ১০ তারিখ তৃণমূল সুপ্রিমো  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে জনগর্জন সভার প্রস্তুতি হিসেবে সভার আয়োজন করা হয়। তবে, ছন্দ কাটল কর্মী সমর্থকদের মধ্যে মঞ্চে ওঠা নিয়ে। এদিনের এই কর্মী সভায় উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণনগরের প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্র , তৃণমূল বিধায়ক রূকবানুর রহমান, নদিয়া জেলার সভাধিপতি তারান্নুম সুলতানা মীর, সহ- সভাধিপতি সজল সাহা সহ একাধিক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থকেরা। তখনই এক গোষ্ঠীর সঙ্গে চাপড়ার তৃণমূল নেতা জেবের শেখ অনুগামীদের মধ্যে বচসা শুরু হয়ে যায়। পরে, ধস্তাধস্তি বাধে। গন্ডগোলের কারণে সভার কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে, দলীয় সভার কাজ শুরু হয়।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এ বিষয়ে বিধায়ক রূকবানুর রহমান বলেন, তৃণমূলে কোনও গোষ্ঠী কোন্দল নেই, যা হয়েছে সেটা দলে থাকলে একটু আধটু হয়। কেউ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে। তবে সেটা আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে মিটিয়ে নেব। সভা মঞ্চ থেকে মহুয়া মৈত্র বিজেপি আক্রমণ করেন। তবে, এভাবে প্রকাশ্যে দলীয় কোন্দলের বিষয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে, দলের দুই গোষ্ঠীর হাতাহাতি দেখে তিনি ক্ষুব্ধ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share