Tag: Cloud Burst

Cloud Burst

  • Teesta River Sikkim: সিকিমে আটকে দু’হাজার বাঙালি পর্যটক! তিস্তার জল ছাপিয়ে রাস্তায় 

    Teesta River Sikkim: সিকিমে আটকে দু’হাজার বাঙালি পর্যটক! তিস্তার জল ছাপিয়ে রাস্তায় 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে ফুঁসছে তিস্তা। নদীর তাণ্ডবে আশপাশের এলাকা পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে। নিখোঁজ ২৩ জওয়ান। ইতিমধ্যেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়েছে উদ্ধার কাজ। জলের তোড়ে ভেঙেছে এনএইচ ১০। বন্ধ হয়ে গিয়েছে সিকিম থেকে দার্জিলিং-শিলিগুড়ির যাতায়াতের রাস্তা। অপরদিকে, সিকিমের চুংথাংয়ের লোনার লেকের প্রাচীর ভেঙে জল ঢুকে পড়েছে গ্রামে। শুধু তিস্তা নয়, রংফু নদীর জলস্তরও বেড়েছে। ধসের কারণে আনুমানিক দু হাজার বাঙালি পর্যটক সিকিমে আটকে রয়েছে, বলে খবর। 

    তিস্তার জলে প্লাবিত সিকিম

    তিস্তায় হড়পা বানের জেরে মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাকিয়ং, গ্যাংটক, নামচি এবং মঙ্গন জেলা। ভেসে গিয়েছে বহু সেতু। জলমগ্ন বাড়িঘর। কিছু জায়গায় জলের তোড়ে সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙে পড়েছে বড় বড় বিল্ডিং। কাদাস্রোতের তলায় চাপা পড়ে রয়েছে বহু বসতি, রাস্তাঘাট, সেনাছাউনি। স্বভাবতই তিস্তার ধ্বংসলীলায় কত প্রাণহানি হয়েছে, সেই প্রশ্ন উঠছে। সূত্রের খবর, এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত উত্তর সিকিমের বিকচুতে তিন জনের দেহ উদ্ধার করেছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। পরিস্থিতি জরিপ করে আগামী ৮ অক্টোবর পর্যন্ত পাকিয়ং, গ্যাংটক, নামচি এবং মঙ্গনের সমস্ত স্কুল বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চালু করা হয়েছে একাধিক জরুরি পরিষেবার নম্বর। তিস্তার জলস্তর প্রায় ১৫ থেকে ২০ ফুট বেড়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তিস্তায় জল বাড়ার প্রভাব গোটা উত্তরবঙ্গ জুড়ে পড়ার আশঙ্কা। তিস্তা জলপাইগুড়ি জেলার বিভিন্ন অংশ দিয়েও বয়ে চলে যায়। সে কারণে পাহাড়ের পাশাপাশি সমতলেও জলের স্রোত বাড়লে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত, টানা বৃষ্টিতে জলের তলায় কলকাতা, আর মেয়র ধর্না দিচ্ছেন দিল্লিতে!

    ১০ নং জাতীয় সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত

    পুজোয় বাকি আর হাতে গোনা মাত্র ১৬ দিন। এরই মধ্যে ভয়াবহ বিপর্যয় উত্তর সিকিমে। পুজোর সময় সিকিমে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকে বহু মানুষের। স্বাভাবিকভাবেই এই পরিস্থিতিতে উদ্বেগ বেড়েছে পর্যটকদের। রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর, বাংলার অন্তত দু’হাজার পর্যটক সিকিমে আটকে পড়েছেন। জাতীয় সড়কে যান চলাচল বন্ধ। ফলে আপাতত অবরুদ্ধ ফেরার পথও। রাজ্য প্রশাসনের তরফে সিকিম সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। সিকিমের সঙ্গে সমতলের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। ১০ নং জাতীয় সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে গাড়ি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। কালিম্পঙ যাওয়ার জন্য লাভা, গোরুবাথান হয়ে ঘুরপথে যেতে হচ্ছে। সেই পথের অবস্থাও ভাল নয়। আটক পর্যটকদের পক্ষ থেকে কেন্দ্র ও রাজ্যের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে, আটকে পড়া পর্যটকদের এয়ারলিফ্‌টিং করে উদ্ধার করার। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarakhand: টানা বর্ষণ, মেঘভাঙা বৃষ্টি, জোড়া ফলায় বিপর্যস্ত দেবভূমি  

    Uttarakhand: টানা বর্ষণ, মেঘভাঙা বৃষ্টি, জোড়া ফলায় বিপর্যস্ত দেবভূমি  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা বর্ষণ, তার ওপর আবার  মেঘভাঙা বৃষ্টি। জোড়া ফলায় বিপর্যস্ত দেবভূমি (Uttarakhand)। ভাঙন দেখা দিয়েছে উত্তরাখণ্ডের বিভিন্ন নদীতে। ধসের কারণে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বেশ কিছু এলাকা। দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ। প্রবল জলের তোড়ে একটি সড়কের ১৫০ মিটার এলাকা ভেসে গিয়েছে। এই সড়ক ধরেই বঙ্গপানি থকে জরাজিবালি যাওয়া যায়। এদিকে, শুক্রবার উত্তরাখণ্ডের সাতটি জেলায় ২৪ ঘণ্টার জন্য কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। শনিবার বিকেল পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি হতে পারে হরিদ্বার, উত্তরকাশী, তেহরি, পাউরি, দেরাদুন, পিথোরগড়, বাগেশ্বর এবং চম্পাওয়ায়। প্রবল বর্ষণের জেরে উত্তরকাশীতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বারকোটের কাছে রাজতার গাংনানী এলাকায় বৃষ্টির কারণে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এলাকাটি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ঠিক কত, তা জানা যায়নি।

    বন্ধ বদ্রীনাথ ধাম যাত্রা

    প্রবল ধারাপাতের (Uttarakhand) জেরে ধস নেমেছে বদ্রীনাথ ধামে যাওয়ার রাস্তায়। তার জেরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বদ্রীনাথ ধাম যাত্রা। চামোলি জেলার কাছে ধস নামায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে জাতীয় সড়ক। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, শুক্রবার দিনভর ভারী বৃষ্টির জেরে চামোলি জেলার কালিমতির কাছে ১০৯ নম্বর জাতীয় সড়কের প্রায় ১৫ মিটার অংশ ভেঙে গিয়েছে। ফলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে কর্ণপ্রয়াগ ও নৈনিতাল।

    বিপর্যয়-প্রবণ

    এদিকে, এদিন রাজ্যের (Uttarakhand) পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিংহ ধামী। হরিদ্বারে উদ্ধার ও ত্রাণকাজ খতিয়ে দেখেন তিনি। জলমগ্ন এলাকাগুলিকে বিপর্যয়-প্রবণ বলে ঘোষণা করা হয়। সরকারের তরফে আগামী তিন মাসের জন্য বিদ্যুতের বিল, জলের বিল সহ অন্য সরকারি পরিষেবার জন্য প্রদত্ত বকেয়া বিল পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতে বন্যা রুখতে নদীগুলির গতিপথ পরিষ্কার ও অন্যদিকে ঘোরানোর চেষ্টা করা হবে। স্থায়ী ত্রাণ শিবিরও তৈরি করা হবে বলে জানানো হয়েছে সরকারের তরফে।

    আরও পড়ুুন: জ্ঞানবাপী মসজিদে সমীক্ষার নির্দেশ এএসআইকে, কোন শর্তে জানেন?

    ভারী বর্ষণের জেরে উত্তরকাশী জেলার কস্তুরবা ইন্টার কলেজ স্কুল জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। রেসিডেন্সিয়াল এই স্কুল থেকে পড়ুয়াদের উদ্ধারের কাজ করছে স্টেট ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্সের লোকজন। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই স্কুলটির সব পড়ুয়াকেই উদ্ধার করা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, স্কুলটিতে আটকে পড়েছিলেন ১৫০ পড়ুয়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Weather Forecast: প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হিমাচল প্রদেশ-উত্তরাখণ্ড, মৃত ২৫

    Weather Forecast: প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হিমাচল প্রদেশ-উত্তরাখণ্ড, মৃত ২৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত পাহাড়ের কোলের দুই রাজ্য। প্রবল বৃষ্টির কারণে ভূমিধস (Land Slide) ও বন্যা (Flood) পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে হিমাচল প্রদেশে (Himachal Pradesh)। ইতিমধ্যেই সে রাজ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ২৫ জন। ৫০০ টি গ্রাম এবং ৪ লক্ষ মানুষ বন্যার কবলে রয়েছেন। অন্যদিকে প্রতিবেশি রাজ্য উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) দেরাদুনও মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত। শনিবার সকালে মেঘভাঙা বৃষ্টির (Cloud Burst) কারণে তছনছ হয়ে গেছে একটি গ্রাম। দুই রাজ্যেই উদ্ধার কাজ শুরু করেছে সরকার। ত্রাণ বিলিও শুরু হয়েছে। কাজে হাত লাগিয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। 

    আরও পড়ুন: নিম্নচাপ ঘনীভূত হয়ে রূপ নিচ্ছে সাইক্লোনের, আপনার জেলাতেও কি আছড়ে পড়বে ঝড়?     
     
    শনিবার ভোরবেলা উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনের রায়পুর-কুমালদা এলাকায় মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়। যার ফলে একধিক পাহাড়ি নদীর তীর ভেঙে যায়। বেশ কয়েকটি নদীর জল এতটাই বেড়ে যায় জলের তোড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় রেল ব্রিজ বা সাধারণ ব্রিজ। টন নদীর তীরে অবস্থিত বিখ্যাত তাপকেশ্বর শিবমন্দিরের গুহাতেও ঢুকে পড়েছে নদীর জল।    

    স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, শনিবার ভোর রাত ২.১৫ মিনিটে প্রবল বৃষ্টি হয়। তাতেই ভেসে গেছে সং নদীর ওপরের একটি সেতু। বিপদসীমা ছাড়িয়েছে মুসৌরির জনপ্রিয় ঝর্না স্পট কেম্পটি ফলস। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে প্রবল বৃষ্টির কারণে প্রচুর বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১২টিরও বেশি বাড়ি কাদায় চাপা পড়েছে। গ্রামে আটকে থাকাদের উদ্ধার করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলি হল, মালদেবতা, ভুতসি, তাউলিয়াকাটাল, থাতুদা, লাভারখা, রিঙ্গলগড়, ধুত্তু, রাহদ গাও ও সরখেত।  

    প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ঋষিকেশ-বদ্রীনাথ জাতীয় সড়ক, ঋষিকেশ-গঙ্গোত্রী মহাসড়ক, নরেন্দ্রনগর-রানিপোখরি মোটর রাস্তার বেশ কিছু পয়েন্টে ব্যাহত হয়েছে যান চলাচল। 

    প্রতিবেশি রাজ্য হিমাচল প্রদেশের মান্ডি জেলায় প্রবল বৃষ্টি হয়। তারই কারণে ভূমিধস আর হড়পা বানের কবলে পড়ে এই রাজ্যের বিস্তীর্ণ এলাকা। এখনও পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান প্রশাসনের। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাংড়া জেলার চাক্কি সেতু। সেতুর তিনটি স্তম্ভ পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। চাকি নদীর ওপর এই রেল সেতুটি এই এলাকার অন্যতম মূল যোগাযোগ ব্যবস্থা।      

    ধর্মশালায় মেঘভাঙা বৃষ্টির কারণে মাণ্ডি জেলায় বন্যা দেখা যায়। বহু ঘরবাড়ি, দোকানপাট ভেসে গিয়েছে। প্রবল বৃষ্টি হয়েছে কাংড়া, কুলু জেলাতেও। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে স্কুল কলেজ। তবে এখনই শেষ হচ্ছে না বৃষ্টির ভয়ঙ্করতা। হিমাচলে আরও বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। নদীর তীরবর্তী এলাকা খালি করে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।  

     

  • Weather Forecast: মেঘভাঙা বৃষ্টিতে ভূমিধস ও বন্যা, দেশজুড়ে মৃত প্রায় ৩৩

    Weather Forecast: মেঘভাঙা বৃষ্টিতে ভূমিধস ও বন্যা, দেশজুড়ে মৃত প্রায় ৩৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হিমাচল প্রদেশ (Himachal Pradesh), ঝাড়খণ্ড (Jharkhand), ওড়িশা (Odisha) এবং উত্তরাখণ্ড (Uttrakhand) সহ বেশ কয়েকটি রাজ্য। ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে শনিবার এই রাজ্যগুলিতে বন্যা(Flood) এবং ভূমিধস (Landslides) হয়েছে। এই রাজ্যগুলো থেকে প্রায় ৩৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ইতিমধ্যেই উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। ত্রাণ বিলিও শুরু হয়েছে। উদ্ধার কার্যে হাত লাগিয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।

    হিমাচল প্রদেশে একটি পরিবারের ৮ সদস্য সহ অন্তত ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে রাজ্যে বিভিন্ন জেলায় ভূমিধস এবং বন্যা হয়েছে ৷ আবার ১০ জন আহতও হয়েছেন। শুধুমাত্র মান্ডিতেই ভারী বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ১৩ জন মারা গেছে এবং ছয়জন নিখোঁজ, ডেপুটি কমিশনার অরিন্দম চৌধুরী জানান। নিখোঁজদের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

    উত্তরাখণ্ডে শনিবার সকালেই মেঘ ভাঙা বৃষ্টি ও তার জেরে বন্যা হওয়ায় ৪ জনের মৃত্যু এবং ১০ জন নিখোঁজ হয়েছেন। বিভিন্ন নদীর সেতু ভেঙে বিপর্যস্ত এলাকা। সেতু ভেসে যাওয়ায় বেশি কয়েকটি এলাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। প্রশাসনের তরফে বেশ নদীতীরবর্তী একাধিক গ্রাম থেকে হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হিমাচল প্রদেশ-উত্তরাখণ্ড, মৃত ২৫

    অন্যদিকে প্রবল বৃষ্টির জেরে বন্যায় প্লাবিত হয়েছে ওড়িশা। বন্যার কবলে পড়েছেন অন্তত ৫০০টি গ্রামের প্রায় ৪ লক্ষ মানুষ। ওড়িশায় এখনও পর্যন্ত ৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। শুক্রবার রাত থেকে ওড়িশার উত্তরের কিছু অংশে ভারী বৃষ্টির জেরে আরও ক্ষতি হয়েছে। রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই ময়ূরভঞ্জ, কেন্দ্রপাড়া এবং বালাসোর সহ বেশ কয়েকটি জেলায় উদ্ধার ও ত্রাণ দল পাঠিয়েছেন। শনিবার প্লাবিত মহানদীর প্রবল স্রোতে একটি নৌকা ভেসে গেলে সেখান থেকে ৭০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

    আবার প্রবল বৃষ্টিতে ঝাড়খণ্ডের বেশ কয়েকটি জেলায় বহু গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গিয়েছে এবং নিচু এলাকা জলের তলায় চলে গিয়েছে। পশ্চিম সিংভূমে বাড়ির মাটির দেওয়াল পড়ে এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে। আবার নলকারী নদীর জলে দুজন ভেসে গিয়েছেন।

    জম্মু ও কাশ্মীরের রিয়াসি জেলার ত্রিকুটা পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত বিখ্যাত মাতা বৈষ্ণোদেবীর মন্দিরের যাত্রা (Vaishno Devi Yatra) রবিবার সকালে ফের শুরু হল৷ রাতভর ভারী বৃষ্টির কারণে সাময়িকভাবে  স্থগিত ছিল তীর্থযাত্রা। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে ২৪ ঘন্টার মধ্যে দ্বিতীয়বারের জন্য স্থগিত করা হয়েছিল যাত্রা। 

     

  • Amarnath Yatra: আতঙ্কের অবসান, ফের অমরনাথের পথে তীর্থযাত্রীরা

    Amarnath Yatra: আতঙ্কের অবসান, ফের অমরনাথের পথে তীর্থযাত্রীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আতঙ্ক কাটিয়ে ফের অমরনাথের পথে তীর্থযাত্রীরা। মেঘ ভাঙা বৃষ্টি ও হড়পা বানের আতঙ্ক (Cloudburst Incident) আপাতত আর নেই। তাই ফের অমরনাথ যাত্রার অনুমতি দিয়েছে ভারত সরকার। আজ থেকে আবারও শুরু হল অমরনাথ যাত্রা (Amarnath Yatra 2022)। দুর্ঘটনার পরে আংশিকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল যাত্রা। সোমবার সকালে নুনওয়ান-পাহালগামের দিক থেকে আবার শুরু হয়েছে যাত্রা। জম্মু বেস ক্যাম্প থেকে অমরনাথ তীর্থযাত্রীদের একটি নতুন দল যাত্রা শুরু করেছে। এক তীর্থযাত্রীর কথায়, “আমাদের মনোবল ভাঙেনি। বাবার দর্শন না করে ফিরে যাব না। আমরা খুশি যে যাত্রা আবারও শুরু হয়েছে। সিআরপিএফ এবং অন্যান্য কর্মীরা আমাদের যাত্রা শুরুর ছাড়পত্র দিয়েছেন।” 

    আরও পড়ুন: অমরনাথে বাঙালি ছাত্রীর মৃত্যু, আটকে ১৬, চালু হেল্পলাইন

    পাঞ্জাবের এক বাসিন্দার গলাতেও একই সুর। আয়ুশ নামের এক যুবকের কথায়, “অমরনাথ দর্শন করেই বাড়ি ফিরব। যতদিন না রুট চালু হচ্ছে, ততদিন এখানেই অপেক্ষা করব।” দেবরাজের নামের আরেক তীর্থযাত্রীর  পূর্ণ আস্থা রয়েছে প্রসাশনের ওপর। তাঁর কথায়, মেরামতির কাজ শেষ করে খুব শীঘ্রই যাত্রা শুরু হবে। 

    আরও পড়ুন: গুহার উপরেই জমাট বাঁধা মেঘ! অমরনাথে আতঙ্ক 

    বালতাল বেস ক্যাম্প থেকে যদিও এখনও যাত্রা শুরু হয়নি। সেখানে তীর্থযাত্রীরা যাত্রা শুরুর জন্য অপেক্ষা করছেন। বালতাল এবং নুনওয়ান উভয় দিক থেকেই হেলিকপ্টার পাওয়া যাবে।

    শুক্রবার অমরনাথের গুহা মন্দিরের কাছে একটি মেঘ ভাঙা বৃষ্টির জেরে হড়পা বান নেমে আসে। আকস্মিক এই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৬ জন। কমপক্ষে ৩৬ নিখোঁজ রয়েছেন। ৩৪ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকা নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে চালাচ্ছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের (NDRF) কর্মীরা। পুলিশ কুকুরের মাধ্যমেও খোঁজ চালানো হচ্ছে। প্রশাসনের আশঙ্কা হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। রবিবার জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা পাহালগামের একটি বেস ক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং তীর্থযাত্রীদের সঙ্গে দেখা করেন।

     

  • Cloud Burst: মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্যন্ত তেলঙ্গানা, কী এই ক্লাউড বার্স্ট? কীভাবে হয়?

    Cloud Burst: মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্যন্ত তেলঙ্গানা, কী এই ক্লাউড বার্স্ট? কীভাবে হয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একশো বছরের রেকর্ড মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে (Cloud Burst) বিপর্যস্ত তেলঙ্গানা (Telangana)৷ একাধিক নদী প্লাবিত হওয়ায় ভেসে গিয়েছে বহু এলাকা৷ চরম হয়রানির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বহু মানুষ৷ টানা বৃষ্টিতে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে জয়শঙ্কর ভুপালাপাল্লি জেলার পালিমেলা এলাকা ৷ অন্য কয়েকটি জায়গার অবস্থাও প্রায় একইরকম ৷ হায়দ্রাবাদসহ কয়েকটি শহরের যানচলাচল ব্যাহত হয়েছে৷ জলমগ্ন রাস্তায় গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে সরকার৷ নির্মল জেলায় বাড়ি ভেঙে ইয়েদুলা চিন্নায়া নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যুও হয়েছে। জলের তলায় চলে গিয়েছে নিজামাবাদ জেলার ২৭ হাজার একরেরও বেশি কৃষি জমি ৷ বৃষ্টি এবং জমা জলে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বহু বাড়ি ৷  

    আরও পড়ুন: লক্ষ্যে অবিচল! মা ঝাড়ুদার, বাবা দিনমজুর, ছেলে আইএএস অফিসার!

    এ অবস্থায় রবিবার এক বিস্ফোরক বিবৃতি দিয়েছেন তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দশেখর রাও। তিনি বলেন, “ক্লাউডবার্স্ট বা মেঘ ভাঙা বৃষ্টি নামে একটি নতুন শব্দ এসেছে। শোনা যাচ্ছে এর পেছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে। রয়েছে বিদেশি চক্রান্ত। আমরা জানি না এটি কতদূর সত্য। কিছু বিদেশি দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে আমাদের দেশে ক্লাউডবার্স্ট করছে। এর আগে লেহ-লাদাখেও তাই করেছিল। পরে একই ঘটনা ঘটে উত্তরাখণ্ডে। আমরা জানতে পেরেছি যে গোদাবরীর  অববাহিকাতেও একই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই ধরণের বিপর্যয় ঘটে। তাই আমাদের জনগণকে রক্ষা করা দরকার।” 

    আরও পড়ুন: আবেদনপত্রে কোনও ভুল আছে? এখনই ঠিক করুন, জানুন কীভাবে

    সত্যিই কী মেঘ ভাঙা বৃষ্টি বা ক্লাউড বার্স্ট বিদেশি চক্রান্ত? 

    আবহাওয়া দফতরের মতে, অতিভারী বৃষ্টিকেই মেঘ ভাঙা বৃষ্টি বলে। এক ঘণ্টায় কোনও এলাকায় যদি ১০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হয়, তাহলেই তাকে ক্লাউড বার্স্ট ধরে নেওয়া হবে। এক আবহাওয়া দফতরের আদিকারিকের বক্তব্য, যখন উষ্ণ মৌসুমি বায়ু ঠান্ডা বাতাসের সঙ্গে মিশে প্রতিক্রিয়া তৈরি করে তখন এটি বিশাল মেঘের সৃষ্টি হয়। টপোগ্রাফি বা অরোগ্রাফিক কারণেও হতে পারে। যদি এক ঘন্টায় একটি স্টেশনে ১০০ মিমি বৃষ্টিপাত হয়, তবে বৃষ্টির ঘটনাটিকে মেঘ ভাঙা বৃষ্টি বলা হবে। 
      
    ক্লাউড বার্স্টের পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব?

    ঠিক কখন মেঘ বিস্ফোরণ ঘটবে তা অনুমান করা কঠিন। বিশেষজ্ঞদের মতে, খুব ছোট এলাকায় ঘটে ঘটনাটি। তাই দ্রুত মেঘ বিস্ফোরণের সঠিক ভবিষ্যদ্বাণী করা এবং সনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন। তবে, প্রধানত ভূখণ্ড এবং উচ্চতার কারণে পাহাড়ি অঞ্চলে মেঘ বিস্ফোরণের সম্ভাবনা বেশি। যদিও মেঘ ভাঙা বৃষ্টির আগাম সতর্কতা দেওয়া যায় না, তবে আবহাওয়া স্টেশনগুলি ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা পাঠায়।

    ক্লাউড বার্স্টের সময় কী হয়? 

    পাহাড়ি অঞ্চলে, কখনও কখনও বৃষ্টিতে ঘনীভূত হতে প্রস্তুত মেঘ, উষ্ণ বায়ুর ঊর্ধ্বগতির কারণে বৃষ্টি তৈরি করতে পারে না। বৃষ্টির ফোঁটা নিচের দিকে পড়ার পরিবর্তে হাওয়ার প্রবাহের কারণে উপরের দিকে উঠে যায়। একটা সময় পরে, সেই মেঘের জন্য বৃষ্টির ফোটাগুলি খুব ভারী হয়ে যায় এবং এক ঝটকায় নীচে নেমে আসে। 

LinkedIn
Share