Tag: CM Mamata Banerjee

CM Mamata Banerjee

  • Suvendu Adhikari: “আপনারা আদতে আঞ্চলিক দল তৃণমূলেরই একটি শাখা”! পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “আপনারা আদতে আঞ্চলিক দল তৃণমূলেরই একটি শাখা”! পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারবার তাঁর সভা বাতিল করতে চাইছে পুলিশ। যদিও আদালত অনুমতি দেওয়ায় সভা হচ্ছেই। এবার পুলিশ প্রশাসনের সততা ও কর্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে পুলিশকে তোপ দাগলেন শুভেন্দু। আগামী ২১ মে দার্জিলিংয়ে সভা বাতিল করার চেষ্টার অভিযোগ নিয়েও সোশ্যাল মিডিয়ায় আজ, শুক্রবার বিকেলে সরব হলেন নন্দীগ্রামের সাংসদ। সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ পোস্টে শুভেন্দু লিখেছেন, “মমতা পুলিশের এখন একমাত্র কাজ হল বিরোধী দলনেতাকে বিভিন্ন রাজনৈতিক সভা সমাবেশে বাধা দান করা। লেডি কিমের নির্দেশেই আমাকে বাঁকুড়ার সিমলাপালে ও পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরে সভা করতে বাধা দেওয়া হয়।”

    অভিষেককে নিশানা

    বিরোধী দলনেতা লেখেন, “ধন্য পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ! ২১ মে দার্জিলিং-র জনসভাতেও আপনারা আমাকে আটকানোর যথাসাধ্য চেষ্টা করুন। কিন্তু আমার কাছে ১৫ সিণ্ডিকেট এবং আরও একাধিক সংগঠনের ছাড়পত্র রয়েছে।” এরপরেই অভিষেককে নিশানা করে শুভেন্দু লেখেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যখন ৭২ ঘন্টা ধরে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেছিলেন, তখন কি আপনারা দেখতে চেয়েছিলেন যে তাঁর কাছে জাতীয় সড়ক দফতরের ছাড়পত্র রয়েছে কিনা? কিছুদিন আগেই তো তিনি উত্তরপূর্ব ভারতের প্রধান যোগসূত্র যে জাতীয় সড়ক তা বন্ধ করে মিছিল বের করেন, তখন কি তিনি অনুমতি নিয়েছিলেন?” শুভেন্দু আরও লেখেন, “যদি অভিষেক অনুমতি নিয়ে থাকেন, তাহলে সেই ছাড়পত্রের কপি আপনাদের সরকারি ট্যুইটার হ্যান্ডেলে শেয়ার করুন। যদি আপনারা তা না করতে পারেন, তাহলে আপনাদের দ্বৈত সত্ত্বা সকলের সামনে প্রকাশ পাবে। তাহলে সকলে বুঝতে পারবেন, আপনারা আদতে আঞ্চলিক দল তৃণমূলেরই একটি শাখা।”

    আরও পড়ুন: হাকিম বদলেও হুকুম বহাল! পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআইতে আস্থা বিচারপতি সিনহার

    এরপর রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হুমকির সুরে লেখেন, “দয়া করে মনে রাখবেন, দার্জিলিং-র মোটর স্ট্যান্ডে যদি বিজেপি সভা করতে না পারে তাহলে ভবিষ্যতে কোনও রাজনৈতিক দলকেই আর ওখানে সভা করতে দেওয়া হবে না। এই বার্তাটা আপনাদের রাজনৈতিক মালকিনকে পাঠিয়ে দেবেন।” শুভেন্দুর কথায়, “আমাকে যে মমতা পুলিশ ও তাদের ‘রাজনৈতিক মনিব’ এত ভয় পায় তা জেনে কিন্তু বেশ ভাল লাগল; ইয়ে ডর মুঝে আচ্ছা লাগা….”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: গ্রুপ সি- র বাতিল হওয়া তালিকায় মুখ্যমন্ত্রীর ভাইঝি!

    Recruitment Scam: গ্রুপ সি- র বাতিল হওয়া তালিকায় মুখ্যমন্ত্রীর ভাইঝি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। আজই ৮৪২ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বাতিল হওয়া চাকরির তালিকায় নাম রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ভাইঝির। অভিযোগ রয়েছে, গ্রুপ সি পদে অবৈধভাবে চাকরি পেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইঝি বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়।  

    এই বৃষ্টি মুখোপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই নিহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ে। বৃষ্টির বাড়ি রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত কুসুম্বা গ্রামে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে স্কুল সার্ভিস কমিশন চাকরি বাতিলের যে তালিকা প্রকাশ করেছে তাতে ১৫৫ নম্বরে রয়েছে বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়ের নাম। এ বিষয়ে বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়ের (Recruitment Scam) বাবা নীহার মুখোপাধ্যায় দাবি করেছেন, আগেই মেয়ে চাকরি থেকে ইস্তাফা দিয়েছিল। জানা গিয়েছে, চাকরিতে নিযুক্ত হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে চাকরি থেকে ইস্তাফা দিয়েছিলেন বৃষ্টি। তিনি বলেন, “কদিন মাত্র চাকরিতে গিয়েছিল মেয়ে। বেতন বাবদ একটা টাকাও নেয়নি। শারীরিক ভাবে আমার মেয়ে অসুস্থ। নিজেই আমাকে বলেছিল যে সে চাকরি করতে পারবে না।”

    আরও পড়ুন: গ্রুপ সি- র ৮৪২ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়  
      
    সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, বোলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লার্ক পদে চাকরি পেয়েছিলেন বৃষ্টি (Recruitment Scam)। কলকাতা হাইকোর্ট বেআইনিভাবে চাকরি পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার তার চাকরি বাতিল করে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে শুক্রবার স্কুল সার্ভিস কমিশন তাদের ওয়েবসাইটে চাকরি বাতিলের যে তালিকা প্রকাশ করে সেই তালিকায় বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়ের নাম দেখা যায়।   

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৈতৃক বাড়ি হল রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত চাকাইপুর। চাকাইপুরের পাশেই রয়েছে কুসুম্বা, যা হলো মুখ্যমন্ত্রীর মামার বাড়ি (Recruitment Scam)। মুখ্যমন্ত্রীর মামাতো ভাই নিহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ে বৃষ্টির বিয়ে হয় রামপুরহাট থানার অন্তর্গত আয়াস গ্রামে। যদিও বর্তমানে তিনি কলকাতায় থাকেন বলে জানা গিয়েছে।

    কীভাবে বৃষ্টি চাকরি পেয়েছিলেন সেই প্রশ্ন করা হলে, তাঁর বাবা বলেন, “আমি সেটা জানি না। আবেদন করেছিল। তাই চাকরি পেয়েছিল।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

            

  • Poster: কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচিকে সামাজিক বয়কট! কারা দিল পোস্টার?

    Poster: কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচিকে সামাজিক বয়কট! কারা দিল পোস্টার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে অশালীন ও কুরুচিকর মন্তব্য করে কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন আইনজীবী তথা কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচি। রাতারাতি রাজ্যবাসীর কাছে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন কৌস্তভবাবু। জামিনে বাড়ি ফিরে আসার পর তাঁর ব্যারাকপুরের বাড়িতে বিজেপি, সিপিএম নেতা থেকে শুরু করে স্থানীয় মানুষদের শুভেচ্ছার বন্যা বয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় ব্যারাকপুর শহরে বেশ কয়েকটি এলাকায় রাস্তার ধারে একটি পোস্টার (Poster) ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। কারণ, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব হওয়া এই কংগ্রেস নেতাকে সামাজিক বয়কটের ডাক দেওয়া হয়েছে।

    কৌস্তভ বাগচিকে কারা সামাজিক বয়কটের ডাক দিল? Poster

    গ্রেপ্তার হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জামিন পেয়ে নিজের মস্তক মুণ্ডন করে তৃণমূল সরকারকে উত্খাত করার তিনি শপথ নেন। তাঁর এই জেদ দেখে স্বাভাবিকভাবে কংগ্রেসের নীচুতলার কর্মীরা চাঙা হয়ে ওঠেন। সঙ্গে বিরোধীরাও তাঁর বাড়়ি বয়ে এসে প্রশংসা করে যান। একদিকে তাঁর নামে সর্বত্র জয়জয়কার করছে বিরোধীরা, সেই অবস্থা রবিবার তাঁর ব্যারাকপুরে বাড়়ির আশপাশের এলাকায় রাস্তার ধারে তাঁকে সামাজিক বয়কটের ডাক দেওয়ার পোস্টার (Poster) দেওয়া হয়েছে। পোস্টারে লেখা রয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে অশালীন ও কুরুচিকর মন্তব্য করে আমাদের এলাকার সাংস্কৃতিকে সারা বাংলার কাছে হেয় প্রতিপন্ন করেছে কৌস্তভ বাগচি, তাকে সামাজিক বয়কট করা হোক। পোস্টারের (Poster) নীচে কোনও রাজনৈতিক দলের নাম নেই। শুধু লেখা রয়েছে বারাকপুরবাসীর পক্ষ থেকে। তবে, কে বা কারা এই পোস্টার (Poster)   দিয়েছে তা পরিষ্কার নয়। তবে, কংগ্রেস নেতা মাথা ন্যাড়া নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। কামারহাটির পুরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর নির্মলা রায় কংগ্রেস নেতাকে কটাক্ষ করে বলেন, ওই নেতার মাথায় উকুন ছিল। তাই, তিনি মাথা ন্যাড়া হয়েছেন। আর দলীয় নেত্রীর বিরুদ্ধে অশালীন মন্তব্য করছেন। এরপর নিজের ওয়ার্ডে এক মাথা ন্যাড়া যুবকের মাথায় গোল ঢেলে কৌস্তভ বাগচিকে ওই কাউন্সিলর কটাক্ষ করেন।

    বারাকপুর শহরে সামাজিক বয়কটের পোস্টার নিয়ে কৌস্তভবাবু বলেন, এই ধরনের পোস্টার দেওয়ার কাজ তৃণমূলের। নিজেরা সামনে নাম দিতে ভয় পাচ্ছে। কিন্তু, পোস্টার (Poster) দিয়ে সামাজিক বয়কটের ডাক দিলেই তো হল না। আমাকে এলাকার মানুষ ভালোবাসেন। বাড়ির বাইরে বের হলেই প্রচুর মানুষ এসে কথা বলে যাচ্ছে। বারাকপুর পুরসভার তৃণমূলের চেয়ারম্যান উত্তম দাস বলেন, বাংলার একটি নিজস্ব সংস্কৃতি রয়েছে। তিনি একজন আইনজীবী হয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে যে অশালীন মন্তব্য করেছেন তা নিন্দার ভাষা নেই। তবে, সামাজিক বয়কটের পোস্টার (Poster) দেওয়ারও আমরা তীব্র নিন্দা করছি। এসব তৃণমূলের কাজ নয়। ওরা আমাদের দলের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: শুক্রবার শহরে আসছেন অমিত শাহ! কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর

    Amit Shah: শুক্রবার শহরে আসছেন অমিত শাহ! কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহরে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পূর্বাঞ্চলীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে যোগ দিতে বঙ্গে পা রাখছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে শাহের পূর্ণাঙ্গ সফরসূচী প্রকাশ করা হয়েছে। ওই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শুক্রবার রাত সাড়ে ন টা নাগাদ শহরে আসবেন অমিত। দমদম বিমানবন্দর থেকে সোজা চলে যাবেন বাইপাসের ধারে একটি বিলাসবহুল হোটেলে। সেখানে রাত্রিযাপন করে পরদিন সকাল  সাড়ে দশটা নাগাদ নবান্নের উদ্দেশে রওনা দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: গোয়ায় নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, দেওয়া হল নতুন নাম

    নবান্নে বৈঠক

    আগামী শনিবার অমিত শাহের (Amit Shah) সেই বৈঠকে যোগ দেবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও (CM Mamata Banerjee)। উল্লেখ্য পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড ও সিকিম-এই পাঁচ রাজ্য নিয়ে গঠিত পূর্বাঞ্চলীয় পরিষদ। আন্তঃরাজ্য সীমানার পাশাপাশি অন্তর্দেশীয় সীমান্তের নিরাপত্তার বিষয়টি আলোচনা হয় পরিষদের বৈঠকে। চার বছর আগে ২০১৮ সালে নবান্নে পূর্বাঞ্চলীয় পরিষদের বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন তৎকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। দেশে কোভিড পরিস্থিতির কারণে গত কয়েক বছর পর পর পূর্বাঞ্চলীয় পরিষদের বৈঠক করা সম্ভব হয়নি। আগামী ১৭ ডিসেম্বর হতে চলেছে সেই বৈঠক। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, নবান্ন সভাগৃহে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে হাজির থাকতে পারেন বিএসএফ ও CISF আধিকারিকরাও। বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে বিএসএফ, সিআইএসএফ, সিআরপিএফ সহ কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির শীর্ষ আধিকারিকদেরও। 

    আরও পড়ুন: আজ শাহের দরবারে সুকান্ত! জানেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা রাজ্য বিজেপি সভাপতির?

    অন্য কাজ

    নবান্নে বৈঠক সেরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যাবেন সল্টলেকে অ্যানথ্রোপলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার নতুন ভবনের উদ্বোধন করতে। প্রশাসনিক কাজে স্বল্প সময়ের জন্য শহরে এলেও কাজের ফাঁকে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে সাংগঠনিক আলোচনা করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপর দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ দিল্লি উড়ে যাবেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

  • Jagdeep Dhankhar: রাজ্যে গণতন্ত্র রক্ষার্থে গর্জে উঠুন বুদ্ধিজীবীরা, আহ্বান রাজ্যপালের

    Jagdeep Dhankhar: রাজ্যে গণতন্ত্র রক্ষার্থে গর্জে উঠুন বুদ্ধিজীবীরা, আহ্বান রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ও আমলাতন্ত্র নিয়ে ফের একবার ক্ষোভ উগড়ে দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর (governor Jagdeep Dhankhar)। রাজ্যে গণতন্ত্র রক্ষা করতে বুদ্ধিজীবী এবং সুশীল সমাজের উচিত একসঙ্গে গর্জে ওঠা, অভিমত রাজ্যপালের। ঝটিকা সফরে বুধবার দার্জিলিংয়ে যান রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। জিটিএ (GTA) নির্বাচনের পর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতেই পাহাড়ে পা রাখেন তিনি। এদিন তিনি সকালে কলকাতা থেকে বিমানে বাগডোগরায় নেমে সোজা সড়কপথে চলে যান দার্জিলিং। বৃহস্পতিবার দার্জিলিংয়ের লালকুঠিতে জিটিএ (GTA)-র চিফ এগজিকিউটিভের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান রয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে   রাজ্যপাল জানান, রাজ্যে প্রশাসনিক অনেক সমস্যা রয়েছে, যেটা সকলেই জানে। কিন্তু ভয়ের কারণে, কেউ সেসব বিষয়ে কথা বলতে চায় না। তিনি সমাজের বুদ্ধিজীবীদের অনুরোধ করেন, রাজ্যের সমস্যাগুলি নিয়ে যেন তাঁরা সরব হন। ট্যুইটবার্তায় তিনি জানান, ‘নাগরিক সমাজ ও বুদ্ধিজীবীদের নিশ্চুপতা আমার কাছে খুব বেদনাদায়ক। আর্থিক বিষয়ে ও আমলাতন্ত্রে সাম্প্রদায়িক পৃষ্ঠপোষকতা ও সাম্প্রদায়িক ক্ষমতায়ন কোনওভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। সাম্প্রদায়িক পৃষ্ঠপোষকতা বাস্তবে গণতন্ত্রের মূল্যবোধ বিরোধী। নাগরিক সমাজ ও বুদ্ধিজীবীদের সেই বিষয়ে সরব হওয়া উচিৎ। হাইকোর্টের মত অনুযায়ী রাজ্যের প্রত্যেক কোনায় তোলাবাজি, সিন্ডিকেট রাজ চলছে। এসব আইনের ভূমিকা নয়। এটা একমাত্র শাসকের শাসন চললেই হয়। গণতন্ত্রে এসবের জায়গা নেই। বিভিন্ন সময়ে শাসকদল রাজ্যের সার্বিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, শিল্পের কথা বললেও আদতে তার দেখা নেই। বিভিন্ন সময়ে রাজ্যের মন্ত্রীদের নাম জড়িয়ে পড়ছে নানা আর্থিক দূর্নীতিতে। অথচ মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছেন সুশীল সমাজ। প্রতিবাদ করতে দেখা যাচ্ছে না বুদ্ধিজীবিদের। এটা সমাজের পক্ষে ভয়ংকর। রাজ্যের পরিস্থিতি ঠিক করতে হলে প্রথমেই এগিয়ে আসতে হবে সুশীল সমাজকে।’ যতদিন পর্যন্ত অনিয়মের বিরুদ্ধে সমাজ গর্জে না উঠবে ততদিন পর্যন্ত এ রাজ্যের হাল ফিরবে না বলেও মন্তব্য করেছেন রাজ্যপাল। 

    আরও পড়ুন: শ্যুটিং বিশ্বকাপে সোনা জয় বঙ্গকন্যা মেহুলির

    গোর্খা টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (GTA) নির্বাচনের পর পাহাড় সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। মঙ্গলবার জিটিএর নবনির্বাচিত ৪৫ জন সদস্যের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন তিনি। তবে চেয়ারম্যান পদে এখনও শপথ নেওয়া বাকি অনীত থাপার। এমতাবস্থায় রাজভবনে অনীত থাপাকে শপথগ্রহণ করাতেই পাহাড়ে রাজ্যপাল। প্রোটোকল মেনেই এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে চলেছেন তিনি। এর পাশাপাশি জিটিএ নিয়ে পুরো বিষয়টিও বুঝে নিতে চাইছেন ধনকড়।

  • Mamata Banerjee BGBS 2022: শিল্প সম্মেলনে কেন্দ্রীয় এজেন্সির প্রসঙ্গ উত্থাপন করা কি আদৌ প্রয়োজন ছিল মুখ্যমন্ত্রীর?

    Mamata Banerjee BGBS 2022: শিল্প সম্মেলনে কেন্দ্রীয় এজেন্সির প্রসঙ্গ উত্থাপন করা কি আদৌ প্রয়োজন ছিল মুখ্যমন্ত্রীর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক হোক বা বাণিজ্যিক, শিল্প হোক বা সামাজিক– কেন্দ্রকে বিঁধতে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় যে কোনও সুযোগ ছাড়েন না, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এটা কারোরই অজানা নয় যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বরাবরই প্রতিপক্ষমূলক রাজনীতি পছন্দ করেন। কিন্তু, সদ্যসমাপ্ত বাণিজ্য সম্মেলনে তিনি সম্ভবত লাল দাগ অতিক্রম করলেন। 

    বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের (BGBS 2022) মঞ্চে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের রাজ্যপালকে বলেছেন, কেন্দ্রীয় এজেন্সি যাতে শিল্পপতিদের হেনস্থা না করে তা যেন তিনি কেন্দ্রকে বলে নিশ্চিত করেন। সেইসময় সভাঘরে উপস্থিত ছিলেন দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতি থেকে শুরু করে ১৪টি দেশের আমন্ত্রিত শিল্প ও কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা। তাঁদের সামনেই মুখ্যমন্ত্রী একথা বলে দেন।

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে সব রকম সাহায্য আমরাও পেতে চাই। তবে শিল্পপতিদের তরফে রাজ্যপালের কাছেও আমার একটি অনুরোধ আছে। অনুরোধ এই যে, শিল্পপতিদের যেন কেন্দ্রীয় সংস্থা মারফৎ কোনওরকম হেনস্তা না করা হয়। রাজ্যপালও যেন বিষয়টি কেন্দ্রের কানে পৌঁছে দেন।’ 

    শেষোক্তি কতটা যুক্তিযোগ্য়, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। বিশেষ করে, বাণিজ্য সম্মেলনের মতো একটি মঞ্চে দাঁড়িয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর এহেন কথা বলার কি আদৌ প্রয়োজন ছিল? আর এই কথা তিনি বলছেন কাকে? — মঞ্চে উপস্থিত রাজ্যের রাজ্যপালকে। রাজনৈতিক মঞ্চ হলে হয়ত কোনও কথা ছিল না। প্রশাসনিক জায়গা হলে, তবুও মানা যেত। কিন্তু, রাজ্যের বর্তমান শাসক দলের ফ্ল্যাগশিপ বাণিজ্য সম্মেলনে দেশী-বিদেশি অতিথিদের সামনে কেন্দ্রকে ও কেন্দ্রের প্রতিনিধিকে শ্লেষাত্মক কথা বলা আদপেই নিষ্প্রয়োজন ছিল।

    মমতার এই মন্তব্য আরও অনভিপ্রেত এই কারণে যে, এই মঞ্চে দাঁড়িয়েই মুখ্যমন্ত্রীর ঠিক আগে, নিজের বক্তব্যের সময় কেন্দ্র-রাজ্যের বিভেদ ভুলে একসঙ্গে এগিয়ে চলা উচিত বলে মন্তব্য করেছিলেন রাজ্যপাল। ধনকড় বলেন, বাংলার উচিত রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে, উন্নয়নের কথা ভেবে কেন্দ্রের সঙ্গে মিলে কাজ করা। এতেই বাংলার ভাল হবে।

    সম্মেলনে যোগ দিতে মুখ্যমন্ত্রী গত বছরই দিল্লি গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে অনুরোধ করেছিলেন। তবে পূর্ব-নির্ধারিত সূচি থাকায় সম্মেলনে যোগ দিতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু, মমতা তাঁর অনুপস্থিতিতেই তাঁকে বিঁধলেন শিল্পপতি ও রাজ্যপালের সামনেই। মুখ্যমন্ত্রী হয়ত এটা ভুলে যাচ্ছেন, শিল্পপতিরা যাই করুক, তাঁরা কেউ-ই কেন্দ্রকে চটাতে চাইবেন না। ফলে, তাঁর এই মন্তব্য শিল্পপতিদের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ফেলতে বাধ্য। এটা মাথায় রাখতে হবে, বর্তমান যুগে, কোথায় কী হচ্ছে, কী ঘটছে, সে সম্পর্কে সকলেই ওয়াকিবহাল। রাজ্য ও রাজ্য প্রশাসন সম্পর্কে, সব খোঁজখবরই থাকছে সকলের কাছে। 

    ফলে, মুখ্যমন্ত্রীর এহেন মন্তব্য আখেরে বুমেরাং হয়ে ফিরে আসতে পারে। অন্তত এমনটাই মনে করছে পর্যবেক্ষক মহল।

     

LinkedIn
Share