Tag: CM

CM

  • CM Suvendu Adhikari: বুধবার থেকেই মিলবে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা, ঘোষণা নয়া মুখ্যমন্ত্রীর

    CM Suvendu Adhikari: বুধবার থেকেই মিলবে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা, ঘোষণা নয়া মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকল্পের নাম ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ (Lakshmir Bhandar Fraud), মহিলাদের জন্য। অথচ তার সুবিধা পাচ্ছে ‘পেঁচা’রাও! অন্নপূর্ণা ভান্ডারে কেন ১১ পাতার ফর্ম ফিল-আপ করতে হবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। এই বিতর্কে জল ঢালতেই হাটে হাঁড়ি ভেঙে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “অনেক বড় রহস্য ফাঁস হয়েছে।” সোমবার নবান্নে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে লক্ষ্মীর ভান্ডারে হওয়া ‘কেলেঙ্কারির বাক্স’ খুলতে সিট গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী।

    ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ দিতে গিয়ে ‘পেঁচা’র খোঁজ (CM Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু বলেন, “অনেক বড় রহস্য ফাঁস হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ২২টি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট পাওয়া গিয়েছে। এই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে পুরুষরা লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা নিচ্ছে। এমন আরও অনেক অ্যাকাউন্ট পাওয়া যাবে বলে অনুমান। ১৫টি অ্যাকাউন্ট রয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী তুলিকার। ৬টি অ্যাকাউন্ট পাওয়া গিয়েছে তারিকুল রহমানের। কেবলমাত্র জঙ্গিপুরেই ৩ হাজার ভুয়ো নাম বেরবে। কী চিটিংবাজ! যোগ্য প্রাপকরা নিশ্চয়ই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।” তিনি বলেন, “বাজার থেকে একটা ঢ়্যাড়স কিনতে গেলেও টিপে দেখেন, তাহলে ফর্মে তথ্য যাচাই করা হবে না? ৩৬ হাজার টাকা দেবে সরকার, একটু সহযোগিতা করে দেখুন না! একটু ভরসা করে দেখুন!” মুখ্যমন্ত্রী জানান, ভুয়ো বার্ধক্য ভাতা এবং বিধবা ভাতা নেওয়ার জন্য (Lakshmir Bhandar Fraud) গ্রেফতার করা হয়েছে চন্দ্রকোণার টিএমসি নেতা উত্তম সাউকে।

    ১১ পাতার ফর্ম কেন, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

    অন্নপূর্ণ যোজনার সুবিধা পেতে গেলে কেন ১১ পাতার ফর্ম ফিল-আপ করতে হবে, এদিন তার ব্যাখ্যাও দেন শুভেন্দু। বলেন, “জনগণের দ্বারা রিজেক্টেড নেতা ও তাঁর দলের লোকেদের বলব, অপপ্রচার না করে বুঝে নিন কেন ১১ পাতার ফর্ম ফিল-আপ করতে হচ্ছে। অনুপ্রবেশকারীরা তো পাচ্ছেই, মহিলা নন তৃণমূলের এমন হাজার হাজার লোক লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা লুট করছে। সিট গঠনের নির্দেশ দিয়েছি। এসআইআরে বাদ যাওয়া অন্তত ৩০ লাখ মানুষও ভুয়ো লক্ষ্মীর ভান্ডারে নাম তুলছেন। কত হাজার কোটি টাকা জনগণের কীভাবে লুট করেছে এই লুটেরাদের পার্টি, এটাই তার প্রমাণ। তৃণমূল স্তর থেকে দুর্নীতি নির্মূল করব।”

    লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে বিস্তর ঘাপলা

    প্রসঙ্গত, অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ফিল-আপ করতে গিয়েই ভিরমি খাওয়ার জোগাড় আবেদনকারীদের। সেই সুযোগটাকেই কৌশলে কাজে লাগাচ্ছে কোনও কোনও রাজনৈতিক দল। তারা প্রচার করছে, ৩ হাজার টাকা দিতে গিয়ে হাঁড়ির খবর নিয়ে নিচ্ছে সরকার! যদিও রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের বক্তব্য, লক্ষ্মীর ভান্ডারে বহু ভুয়ো নাম ঢুকেছিল। তাই প্রতিটি পরিবারের আর্থ-সামাজিক অবস্থান বিবেচনা করেই দেওয়া হবে অন্নপূর্ণা যোজনার প্রতিশ্রুত অর্থ (CM Suvendu Adhikari)। অন্নপূর্ণা যোজনা প্রকল্পের ঘোষণা করার সময় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং অগ্নিমিত্রা পাল দু’জনেই জানিয়েছিলেন, যাঁরা লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প পাচ্ছেন, তাঁদের ট্রান্সফার করে দেওয়া হবে অন্নপূর্ণা যোজনায়। ফর্ম ফিল-আপের প্রয়োজন পড়বে না। পরে প্রকল্প চালু করতে গিয়ে শুভেন্দুর সরকার দেখে, লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে বিস্তর ঘাপলা হয়েছে। তার পরেই শুরু হয় চাল থেকে কাঁকর বাছার প্রক্রিয়া (Lakshmir Bhandar Fraud)। তাতেই উঠতে শুরু করেছে রাঘব-বোয়ালরা।

    বুধবার থেকেই অ্যাকাউন্টে ঢুকবে টাকা

    বুধবার থেকেই যে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ঢুকতে শুরু করবে, এদিন তাও জানিয়ে দেন পদ্ম-মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু বলেন, ‘‘গত দু’-তিন ধরে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়েও কিছু বিভ্রান্তি, কিছু মিথ্যা প্রচার যাঁরা চালিয়েছিলেন, এখন তাঁরা নিজেরাই ফর্ম ফিল-আপের জন্য এগিয়ে এসেছেন। আমরা এর আগে অফলাইনে চালু করেছিলাম। আজ থেকে অনলাইনেও চালু হয়ে গিয়েছে। ২০ জন আধিকারিক জেলায় জেলায় গিয়ে এই কাজ নজরদারি করছেন। আমরা আশা করছি, বুধবার বড় সংখ্যায় উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে শুরু করব (CM Suvendu Adhikari)।’’

    ফি মাসে ৩০ লাখ টাকা গায়েব!

    শুভেন্দুর সরকার কেন বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছে, এদিন তার ব্যাখ্যাও দেন মুখ্যমন্ত্রী। টেনে আনেন রাকিবুল শেখের প্রসঙ্গ। মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা রাকিবুল দীর্ঘ দিন ধরে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ। কীভাবে একজন পুরুষ হয়ে রকিবুল এই প্রকল্পের সুবিধা পান, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তার পরেই পুলিশ রাজ্যজুড়ে ‘লক্ষ্মীর পেঁচা’দের খোঁজ শুরু করেছে (CM Suvendu Adhikari)। আরও কয়েক জনের খোঁজও মেলে। তৃণমূল জমানার সেই সব দৃষ্টান্ত তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘এই তালিকা অনেক বড় হবে। পুলিশকে তদন্তের গতি আরও বাড়াতে বলেছি। সংখ্যাটা ঠিক কত হবে, আমি জানি না। অনুপ্রবেশকারীরা তো পেতেনই, হাজার হাজার তৃণমূল নেতাও মহিলা না হয়েও, লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা নিচ্ছিলেন। যাঁরা লক্ষ্মীর ভান্ডারের (Lakshmir Bhandar Fraud) টাকা লুট করছেন, তাঁদের কাউকে ছাড়ব না। আমি ডিজিপিকে বলেছি সিট গঠন করতে।’’ তিনি বলেন, ‘‘আমরা হিসেব করে দেখেছি, ভুয়োভাবে অন্তত ৩০ লাখ টাকা তোলা হচ্ছিল। আইনের মাধ্যমে একেবারে তৃণমূল স্তর থেকে এই দুর্নীতি রোধ করব (CM Suvendu Adhikari)।’’

     

  • Karnataka Politics: মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানালেন সিদ্দারামাইয়া, জানুন আসল কারণ

    Karnataka Politics: মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানালেন সিদ্দারামাইয়া, জানুন আসল কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানালেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেসের সিদ্দারামাইয়া। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার সহকর্মীদের নিয়ে প্রাতরাশ বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর। সেখানেই পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেন তিনি। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন উপমুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমারও। এই শিবকুমারই সিদ্ধারামাইয়ার সম্ভাব্য উত্তরসূরি বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। এদিনই বিকেলে সিদ্ধারামাইয়া আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেন বলেই খবর। সিদ্ধারামাইয়া জানান, যদিও রাজ্যপাল ব্যক্তিগত কাজে রাজ্যের বাইরে রয়েছেন, তবুও তিনি তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। কর্নাটক বিধানসভার নেতা নির্বাচনের জন্য শীঘ্রই কংগ্রেস বিধায়ক দলের বৈঠক হবে।

    এবার মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে কে (Karnataka Politics)

    মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গিয়েছে, সিদ্ধারামাইয়া শিবকুমারকে আলিঙ্গন করছেন। আর একটি ছবিতে দেখা গিয়েছে, শিবকুমার মুখ্যমন্ত্রীর পায়ে হাত দিয়ে আশীর্বাদ নিচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রীর দফতর সূত্রে খবর, কংগ্রেস নেতৃত্বের কাছ থেকে রাজ্যে নেতৃত্ব পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়ার পর সিদ্ধারামাইয়া রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়েছিলেন। তবে লোকভবনের সূত্র জানিয়েছে, রাজ্যপাল থাওয়ারচাঁদ গেহলটের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য এখনও কোনও অনুরোধ করা হয়নি। তিনি ব্যক্তিগত কারণে ইন্দোরে গিয়েছেন। বুধবার কংগ্রেস নেতা তথা কর্নাটকের দায়িত্বপ্রাপ্ত এআইসিসি সাধারণ সম্পাদক রণদীপ সিং সুর্যেওয়ালা (Randeep Singh Surjewala) জানিয়েছিলেন, দল কংগ্রেস বিধায়ক দলের কোনও বৈঠক ডাকেনি। এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়নি। সংবাদ মাধ্যমকে জল্পনা এড়ানোর আহ্বানও জানান তিনি।

    সিদ্ধারামাইয়ার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত কেন

    প্রসঙ্গত, বুধবারই বেঙ্গালুরু পৌঁছে সুরজেওয়ালা সিদ্ধারামাইয়া ও দলের অন্য শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। অসমর্থিত সূত্রের খবর, কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব সিদ্ধারামাইয়াকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়তে বলেছেন। তাঁকে জাতীয় স্তরে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও রাজ্যসভার সদস্য হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। সিদ্ধারামাইয়া এখনও সেই প্রস্তাবে হ্যাঁ বলেননি বলেই খবর। ওই সূত্রেরই খবর, সিদ্ধারামাইয়া পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কারণ এই বার্তাটি সরাসরি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী তাঁকে দিয়েছেন। এর আগে সিদ্ধারামাইয়া বলেছিলেন, “লোকসভায় বিরোধী দলের নেতা যদি তাঁকে পদত্যাগ করতে বলেন, তবে তিনি তা করবেন।” জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহেই সিদ্ধারামাইয়া এবং শিবকুমারকে দলীয় নেতৃত্ব তলব করেছিল দিল্লিতে। কংগ্রেসের সদর দফতরে আয়োজিত ওই বৈঠকে রাহুল ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, কেসি বেণুগোপাল এবং রণদীপ সিং সুর্যেওয়ালা। সেই বেশ কয়েক দফায় আলোচনা হয়েছে। তার পরেই সতীর্থদের কাছে পদত্যাগের ইচ্ছের কথা জানান সিদ্দারামাইয়া।

     

  • CM Suvendu Adhikari: ‘বয়কটের রাজনীতি’র উল্টো পথে শুভেন্দুর সরকার, মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে যোগ দিয়ে কাকলি বললেন “প্রশাসন সবার”

    CM Suvendu Adhikari: ‘বয়কটের রাজনীতি’র উল্টো পথে শুভেন্দুর সরকার, মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে যোগ দিয়ে কাকলি বললেন “প্রশাসন সবার”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari) প্রশাসনিক বৈঠকে বেনজির ছবি কল্যাণীতে। তৃণমূলের জেলা সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর বৈঠকে যোগ দিলেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakoli Ghosh Dastidar)। শুধু তিনিই নন, উত্তর ২৪ পরগনার তিন তৃণমূল বিধায়কও ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে। মঙ্গলবার কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠক ছিল। এপিজে আবদুল কালাম প্রেক্ষাগৃহে উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া ও হুগলি জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকে উপস্থিত হন কাকলি। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন দেগঙ্গার সদ্য নির্বাচিত তৃণমূল বিধায়ক আনিসুর রহমান বিদেশ, স্বরূপনগরের বিনা মণ্ডল এবং হাড়োয়ার আবদুল মতিন।

    উন্নয়নের স্বার্থে বৈঠকে সকলকে ডাক

    রাজ্যে সরকার গঠনের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু ঘোষণা করেছিলেন, প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদেরও আমন্ত্রণ জানানো হবে। বৈঠকে সকলেই আমন্ত্রণ পাবেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘বয়কটের রাজনীতি’র উল্টো পথে হেঁটেই উন্নয়নের স্বার্থে এহেন সিদ্ধান্ত নেন শুভেন্দু। সেই মতো এদিন কল্যাণীর বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ এবং বিধায়কদেরও ডাকা হয় বলে খবর। সেই আমন্ত্রণ পেয়েই এদিন বৈঠকে যোগ দেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ আরও তিন তৃণমূল বিধায়ক। এখানে রাজনীতি নেই, বলে মত বিজেপির। একই কথা বলছেন তৃণমূল বিধায়কেরাও। বিনার কথায়, ‘‘আমি আমার বিধানসভা এলারকার উন্নয়নের জন্য প্রশাসনিক বৈঠকে এসেছি।’’ হাড়োয়ার বিধায়ক বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার ডেকেছে। তাই এসেছি। আগে কী হয়েছে, বলতে পারব না। বিধায়ক হিসেবেই এসেছি।’’ দেগঙ্গার বিধায়ক আনিসুর বলেন, ‘‘আমার বিধানসভা এলাকার অধিকাংশই প্রান্তিক জায়গা। সার্বিক উন্নয়নের জন্য রাজ্য সরকারের সহযোগিতা কাম্য।’’

    ‘‘প্রশাসন সবার’’

    তবে শুভেন্দুর বৈঠকে কাকলির উপস্থিতি রাজ্য রাজনীতিতে ‘তাৎপর্যপূর্ণ’। সম্প্রতি কাকলিকে তৃণমূলের সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ওই দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু অভিমানী কাকলি সমাজমাধ্যমে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেন। তিনি লেখেন, ‘‘৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪-তে পথ চলা শুরু। চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।’’ ঘটনাক্রমে রবিবারই বারাসত সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতির পদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। ফলে শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে তাঁর উপস্থিতিকে ইঙ্গিতবহ বলে মনে করা হচ্ছে। শুভেন্দুর বৈঠকে যোগদান নিয়ে কাকলি একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি বলেন, “প্রশাসন সবার।”

  • CM Suvendu Adhikari: ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ এখন তৃণমূলের ‘হার-বার মডেল’, ফলতার ফল বেরনোর আগেই কটাক্ষবাণ মুখ্যমন্ত্রীর

    CM Suvendu Adhikari: ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ এখন তৃণমূলের ‘হার-বার মডেল’, ফলতার ফল বেরনোর আগেই কটাক্ষবাণ মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ এখন তৃণমূলের (TMC) ‘হার-বার মডেল’। ফলতা পুনর্নির্বাচনের ফল স্পষ্ট হতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঠিক এই ভাষায়ই তৃণমূলকে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। বিভিন্ন সময় নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে ডায়মন্ড হারবার মডেলের কথা বুক ফুলিয়ে বলতেন স্থানীয় সাংসদ তথা তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই লোকসভা কেন্দ্র থেকেই সাত লাখ ভোটে জিতে সংসদে গিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ভাতিজা’। (নিন্দুকরা অবশ্য বলেন, ডায়মন্ড হারবারে ভোট হয়নি, ভোট লুট হয়েছে। তাই দ্বিতীয়বার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে ‘ভাইপো’র।)

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari)

    রবিবার অভিষেকের নাম না করেই রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আগামিদিনে তৃণমূলের লড়াই হবে নোটা-র বিরুদ্ধে।” ফলতা পুনর্নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডা। লক্ষাধিক ভোটে জয়ী হচ্ছেন তিনি। তাই তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন শুভেন্দু। ধন্যবাদ দিয়েছেন ফলতার ভোটারদেরও। পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, ‘‘ফলতার ভোটারদের কাছে বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ। বিজেপির প্রার্থীকে এক লাখ ভোটে জেতানোর আবেদন করেছিলাম, জয়ের ব্যবধান এক লাখ আট হাজার পেরিয়েছে।’’ এর পরেই শুভেন্দু ভোটের আগে দেওয়া নিজের প্রতিশ্রুতি মনে করিয়ে দেন। লেখেন, ‘‘উন্নয়নের মাধ্যমে আপনাদের এই ঋণ শোধ করব। সোনার ফলতা গড়ার জন্য আমরা দায়বদ্ধ।’’

    তৃণমূলকে তোপ

    তৃণমূলকে (TMC) তোপ দেগে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, ‘‘একটি নীতি-আদর্শহীন দল, যা মাফিয়া কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয়েছিল, ক্ষমতা হারাতেই তার কঙ্কালসার দশা উন্মোচিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় শক্তির অপব্যবহার করে সরকারি ধন লুট, মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ তোলাবাজি, সিন্ডিকেট ও থ্রেট কালচারের মাধ্যমে কেড়ে নিয়ে এই দলের নেতারা ধরাকে সরা জ্ঞান করেছিলেন।’’ নাম (CM Suvendu Adhikari) না করে অভিষেককে কটাক্ষবাণও হেনেছেন শুভেন্দু। লিখেছেন, ‘‘প্যারাসুটে নেমে সেনাপতি আখ্যা পাওয়া এক জালিয়াত, এমন কোনও অপরাধ নেই, যা সংগঠিত করেনি। নিজের অপরাধ সিন্ডিকেটকে প্রতিষ্ঠিত করতে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করতেও কসুর করেনি এই ‘বাঘের ছাল পরিহিত বেড়াল’। ফলস্বরূপ, বিগত নির্বাচনকে (লোকসভা ভোট) পরিহাসে পরিণত করে এই বিধানসভা (ফলতা) ক্ষেত্রে দেড় লাখ ভোটের লিড নিয়েছিল তৃণমূল।’’

    ফলতায় ধরাশায়ী তৃণমূলের জাহাঙ্গির

    প্রসঙ্গত, ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রটি ডায়মন্ড হারবার লোকসভার অন্তর্গত। এই বিধানসভা থেকে প্রায় দেড় লক্ষ ভোটের লিড পেয়েছিলেন অভিষেক। তাঁর সেই জয়ের অন্যতম ‘কারিগর’ বলে পরিচিত, জাহাঙ্গির খানকে ফলতায় প্রার্থী করে তৃণমূল। যদিও হার নিশ্চিত আঁচ করে ভোটের দু’দিন আগে সরে দাঁড়ান তিনি। যদিও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের কোনও সুযোগ তখন তাঁর ছিল না। অভিষেক ‘ঘনিষ্ট’ এই তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রুজু হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, ফলতা নির্বাচনে কারচুপি করানোর চেষ্টা চালিয়েছেন তিনি (CM Suvendu Adhikari)। তার জেরে শুক্রবার হয় পুনর্নির্বাচন। ফল প্রকাশ হয় আজ, রবিবার। মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, ‘‘১৫ বছর পরে যখন মানুষ নিজের ভোট নিজে দেওয়ার স্বাধীনতা ফিরে পেলেন, তখন বাস্তব প্রকাশিত হল।এ তো সবে শুরু, প্রত্যাখ্যানের দীর্ঘ যাত্রা এবার অতিক্রম করতে হবে। আগামী দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বের সামনে নির্বাচনে নোটার বিরুদ্ধে কঠিন লড়াই অপেক্ষা করছে।’’ ত্রিপুরা নির্বাচনের প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু লেখেন, ‘‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস ইতিমধ্যেই ত্রিপুরা রাজ্যের বিধানসভা (TMC) নির্বাচনে নোটার কাছে পরাজিত হয়েছে। আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গেও এই জমজমাট লড়াই প্রত্যক্ষ করার অপেক্ষায় রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গবাসী (CM Suvendu Adhikari)।’’

     

  • CM Suvendu Adhikari: রাজ্যে চালু হচ্ছে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প, কারা পাবেন সুবিধা?

    CM Suvendu Adhikari: রাজ্যে চালু হচ্ছে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প, কারা পাবেন সুবিধা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘স্বাস্থ্যক্ষেত্রে আগের সরকার কেন্দ্রের সঙ্গে সহযোগিতা তো করেইনি, উল্টে বিরোধিতাই করেছে। যার ফলে কোটি কোটি মানুষ বঞ্চিত হয়েছেন।’’ শনিবার নবান্নে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে এমনই অভিযোগ করলেন রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। তিনি জানান, এবার রাজ্যের স্বাস্থ্যক্ষেত্রের জন্য আলাদা রোডম্যাপ তৈরি করছে রাজ্য সরকার।

    স্বাস্থ্যক্ষেত্রের জন্য আলাদা রোডম্যাপ (CM Suvendu Adhikari)

    এদিন মুখ্যমন্ত্রী প্রথমে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন (Ayushman Bharat)। পরে নবান্নে করেন সাংবাদিক বৈঠক। সেখানেই ঘোষণা করা হয় স্বাস্থ্যক্ষেত্রের জন্য আলাদা রোডম্যাপ তৈরির কথা। রাজ্যের ৬ কোটি মানুষ তৃণমূল পরিচালিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের সুবিধা পেতেন। তাঁদের এবার কেন্দ্রের আয়ুষ্মান প্রকল্পের আওতাভুক্ত করা হচ্ছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। নতুন করেও আবেদন করা যাবে।  নবান্নের এই সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল এবং প্রধান উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত। তাঁদের পাশে বসিয়েই মুখ্যমন্ত্রী প্রথমেই আক্রমণ শানান পূর্বতন রাজ্য সরকারকে। তিনি জানান, যে সুবিধা (আয়ুষ্মান ভারত) অন্যান্য রাজ্য পেয়েছে, সেগুলি পশ্চিমবঙ্গ পায়নি। রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর নতুন সরকার ভারত সরকারের স্বাস্থ্যক্ষেত্রের বিভিন্ন প্রকল্প রিভিউ করেছে। সেই মতো বেশ কিছু পদক্ষেপ করা হয়েছে। পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের হেল্থ‌‌ সেক্টরে আমরা একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আনছি।”

    কবে মিলবে আয়ুষ্মান ভারতের কার্ড?

    রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী জানান, যাঁরা নতুন করে আয়ুষ্মান ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে চান এবং স্বাস্থ্যসাথীর সঙ্গে এত দিন যুক্ত হননি, এমন নাগরিকও চাইলে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবেন। তিনি বলেন, ‘‘আমরা জুন মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে দিল্লিতে আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দিরের চুক্তি সই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সেখানে পশ্চিমবঙ্গ এবং ভারত সরকারের মন্ত্রী, আধিকারিকদের উপস্থিতিতে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটা করব। পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ১ কোটি মানুষ, যাঁরা ভিন রাজ্যে রয়েছেন, তাঁরাও স্বাস্থ্যক্ষেত্রের এই সুবিধা পাবেন।’’ সার্ভাইক্যাল ক্যান্সার রোধে ভ্যাকসিন দেওয়াও শুরু হবে রাজ্যে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ফেব্রুয়ারি মাসে দেশব্যাপী এই সুবিধা চালু করেছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়নি। পশ্চিমবঙ্গে সাত লাখেরও বেশি ডোজ় দিতে চায় ভারত সরকার। শুভেন্দু বলেন, ‘‘১৪ থেকে ১৫ বছর বয়সী বালিকাদের এই ডোজ় দিতে পারি আমরা। ৩০ মে থেকে দেওয়া হবে। বিধানগর সাব-ডিভিশন হাসপাতালে সেদিন আমি নিজে উপস্থিত থেকে এই প্রকল্প শুরু করব। ওই দিন থেকেই রাজ্যে শুরু হয়ে যাবে টিবি-মুক্ত ভারতের ওয়ার্কশপও (CM Suvendu Adhikari)।’’

    শিশুমৃত্যুর হার নিয়ে উদ্বেগ

    রাজ্যে শিশুমৃত্যুর হার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, আগের সরকার ঠিকঠাক মনিটরিং করেনি। তিনি বলেন, ‘‘পাঁচ বছরের নীচে মৃত্যুহার এরাজ্যে অনেক বেশি। কলকাতা, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম মালদা জেলাগুলির রিপোর্ট উদ্বেগজনক।’’ এমন আরও কয়েকটি রিপোর্টও দেন শুভেন্দু। পরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘আজ (Ayushman Bharat) খুশির খবর দিচ্ছি। এই অর্থবর্ষে পশ্চিমবঙ্গের জন্য ভারত সরকার ২১০৩ কোটি আমাদের জন্য বরাদ্দ করেছে। আজ তার এক চতুর্থাংশ ট্রান্সফারও করে দিয়েছে।’’ রাজ্যে আরও প্রধানমন্ত্রী জন ঔষধি কেন্দ্র তৈরির ঘোষণাও করেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, রাজ্যে চারশোরও বেশি প্রধানমন্ত্রী জন ঔষধি কেন্দ্র তৈরি করা হবে। এতে সাধারণ মানুষের অনেকটা আর্থিক সাশ্রয় হবে। দুরারোগ্য অসুখের ওষুধে ৮০ শতাংশ ছাড় মিলবে। এমন ৪৬৯টি কেন্দ্র তৈরি হলে ১০ গুণ সুবিধা পাওয়া যাবে। তিনি জানান, ২০০০ টাকার ওষুধ ২০০ টাকায় পাওয়া যাবে। প্রত্যেক জেলায় যাতে মেডিকেল কলেজ থাকে, সেই জন্যও পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। বর্তমানে চারটি প্রশাসনিক জেলায় মেডিকেল কলেজ নেই। শুভেন্দু বলেন, ‘‘স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনা হচ্ছে। এর সুফল কিছু দিনের মধ্যেই পেতে শুরু করবেন রাজ্যবাসী। চারটি প্রশাসনিক জেলা— আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং, আসানসোল এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে মেডিকেল কলেজ হয়নি। সেজন্য প্রয়োজনীয় জমি ইত্যাদির প্রস্তাবও পাঠানো হবে কেন্দ্রকে। উত্তরবঙ্গে এমস তৈরির জন্যও পদক্ষেপ করা হবে (CM Suvendu Adhikari)।’’

    আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প

    রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প কবে থেকে চালু হবে, কারাই বা এর সুবিধা পাবেন, কিংবা আদৌ চালু হবে কিনা, তা নিয়ে একটা দোলাচল ছিল বঙ্গবাসীর মনে। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের উপভোক্তারা আদৌ কেন্দ্রের এই প্রকল্পটির সুবিধা পাবেন কিনা, তা নিয়েও সংশয় ছিল। এদিন সেই সংশয়ের অবসান ঘটল তখন, যখন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন, এই মুহূর্তে যাঁরা পূর্বতন সরকারের স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের সুবিধা পান, তাঁরা এখন থেকে সরাসরি আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাবেন। জুলাই থেকেই আয়ুষ্মান ভারত কার্ড মিলবে। পরে এই প্রকল্প আরও বড় আকারে চালু করা হবে। তিনি জানান, এই প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৯৭৬ কোটি টাকা (CM Suvendu Adhikari)।

    স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে বিস্তর অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, রাজ্যে মমতার শাসনে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়েছে। কেন্দ্রের ওই প্রকল্প থেকে রাজ্যের বাসিন্দাদের বঞ্চিত করে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প চালু করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রকল্পে রাজ্যের সব পরিবারের মহিলাদের নামে এই কার্ড দেওয়া হয়। কার্ডটি ব্যবহার করে চিকিৎসা ক্ষেত্রে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সুবিধা পান উপভোক্তারা। যদিও সেই কার্ড নিয়ে বিস্তর অভিযোগ রাজ্যবাসীর (Ayushman Bharat)। মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগের সরকারের আমলে কেন্দ্র-রাজ্যের মধ্যে কোনও সম্পর্ক ছিল না। স্বাস্থ্যের মতো যৌথ ক্ষেত্রেও আমলা বা আধিকারিকদের মধ্যে কথাবার্তা, চিঠিপত্র চালাচালিও হয়নি। এবার সেসব অতীত (CM Suvendu Adhikari)।

     

  • CM Suvendu Adhikari: “নিয়োগ দুর্নীতির জন্য পশ্চিমবঙ্গের অনেক বদনাম হয়েছে”, তৃণমূল সরকারকে নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর

    CM Suvendu Adhikari: “নিয়োগ দুর্নীতির জন্য পশ্চিমবঙ্গের অনেক বদনাম হয়েছে”, তৃণমূল সরকারকে নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নিয়োগ দুর্নীতির কারণে পশ্চিমবঙ্গের অনেক বদনাম হয়ে গিয়েছে। শুধু তা-ই নয়, এ রাজ্যের ভাবমূর্তিও নষ্ট হয়েছে। তাই আগামী দিনে এই ভাবমূর্তি থেকে রাজ্যকে বের করে আনতে হবে।” শনিবার শিয়ালদায় রোজগার মেলার অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে কথাগুলি বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বিজেপি যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, ক্ষমতায় আসার পরে তা এক এক করে পূরণ করার কাজ শুরু করে দিয়েছে পদ্ম-সরকার। এবার নিয়োগে স্বচ্ছতা নিয়েও যে রাজ্যের বিজেপি-সরকার বড় ধরনের চিন্তাভাবনা শুরু (Rojgar Mela) করেছে, শনিবারের রোজগার মেলার মঞ্চে তাও জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

    তৃণমূল সরকারের সমালোচনা মুখ্যমন্ত্রীর (CM Suvendu Adhikari) 

    দুর্নীতি নিয়ে পূর্বতন সরকারের সমালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ নিয়ে অনেক বদনাম হয়েছে। শিক্ষা থেকে পুর নিয়োগ দুর্নীতি, হাইকোর্ট-সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ, ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল হওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে।” এরপরেই নিয়োগে স্বচ্ছতার ওপর জোর দিতে সংস্কারের কথা বলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জানান, রেল, আধাসামরিক বাহিনী এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়োগে কেন্দ্রীয় সরকার যে উদ্যোগী হয়েছে, কেন্দ্রের দেখানো সেই পথেই পশ্চিমবঙ্গে হাঁটবে ডবল ইঞ্জিন সরকার। রাজ্যে যে লিখিত পরীক্ষা হয়, সেই পরীক্ষার ওএমআরের কার্বন কপি প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে দেওয়া উচিত বলেই মনে করেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী।

    কমছে ভাইবা পরীক্ষার নম্বর!

    তিনি বলেন, ‘‘আমাদের উদ্দেশ্য থাকবে ওএমআরের কার্বন কপি পরীক্ষার্থীদের দেওয়া।’’ শুভেন্দু বলেন, “পশ্চিমবঙ্গকে নিয়ে অনেক আশা ছিল। সেটা গত কয়েক বছরে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতিতে রাজ্যের অনেক বদনাম হয়ে গিয়েছে। স্বচ্ছতার সঙ্গে যাতে পরীক্ষা ও নিয়োগ হয়, তার ব্যবস্থা করা হবে (CM Suvendu Adhikari)।” ভাইবা পরীক্ষায় নম্বর কমিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানিয়ে দেন তিনি। বলেন, “ওরাল পরীক্ষায় দুর্নীতির সম্ভাবনা বেশি থাকে বলেই মনে করা হয়। তাই সেক্ষেত্রে নম্বর কমিয়ে দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজে আর নিয়োগ হবে না (Rojgar Mela)।’ তাঁর অভিযোগ, এতদিন কেন্দ্রের পরীক্ষাও রাজ্যে করতে দেওয়া হত না। প্রধানমন্ত্রীর আদর্শ সামনে রেখেই কেন্দ্রীয় সরকারের আদলেই রাজ্য সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়া হবে বলেও জানান রাজ্যের পালাবদলের সরকার (CM Suvendu Adhikari)।

     

  • CM Suvendu Adhikari: বিএসএফকে জমি দিল শুভেন্দুর সরকার, রাজ্যে লাগু সিএএ-ও

    CM Suvendu Adhikari: বিএসএফকে জমি দিল শুভেন্দুর সরকার, রাজ্যে লাগু সিএএ-ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসার ১১ দিনের মাথায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য বিএসএফকে জমি দিয়ে দিল শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari) নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার। অনুপ্রবেশকারীদের বড় বার্তাও দিলেন রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী। ক্ষমতায় এলে যে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে কথা নির্বাচনী প্রচারেই লাগাতার বলে (Infiltrator Deportation) গিয়েছে বিজেপি। ক্ষমতায় আসার পর সেটাই করা হল বাস্তবায়িত।

    অনুপ্রবেশকারী প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা (CM Suvendu Adhikari)

    মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন, অনুপ্রবেশকারীদের ধরতে পারলেই গ্রেফতার করবে পুলিশ। তুলে দেওয়া হবে বিএসএফের হাতে। কেন্দ্রের আইন বুধবার (২০ মে) থেকেই রাজ্যে লাগু হচ্ছে। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিএসএফ এবং কেন্দ্রীয় সরকার আবেদন করেছিল ইন্দো-বাংলাদেশ সীমান্তের জন্য জমি দিতে। আগের সরকার (তৃণমূল সরকার) তা দিতে চায়নি। ফলে এই মুহূর্তে খুব খারাপ জায়গায় রয়েছে সীমান্ত এলাকা। দু’সপ্তাহের মধ্যে আমাদের আমলারা, বিশেষ করে ভূমি এবং রাজস্ব দফতরের সচিবরা ২৭ কিমি ফেনসিং এবং আউটপোস্টের জন্য জমি চিহ্নিত করে আজ তুলে দিচ্ছেন।” তিনি বলেন, “আমাদের রাজ্য ২২০০ কিমির মধ্যে ১৬০০ কিমিতে কাঁটাতার দিতে পারেনি। ৬০০ কিলোমিটার অংশ রয়েছে কাঁটাতারবিহীন। ২০১৬ সালে রাজনাথ সিং ব‍্যক্তিগতভাবে জমি চেয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যন্ত অনুরোধ করেছিলেন। তার পরেও জমি দেওয়া হয়নি।”

    অনুপ্রবেশকারীদের ডিপোর্ট করার প্রক্রিয়া শুরু

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, আজ থেকেই অনুপ্রবেশকারীদের ডিপোর্ট করার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে (CM Suvendu Adhikari)। ২০২৫-এর ১৪ মে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছিল, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য। কিন্তু বিগত সরকার, একদিকে সিএএর বিরোধিতা করেছিল, আর অন্যদিকে ভারত সরকারের এই আইন কার্যকর করেনি। এবার সেই আইনই কার্যকর করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলাজনিত অপরাধ, লাভ জেহাদ, বলপূর্বক ধর্মান্তর, নারী নিরাপত্তার প্রশ্নে যে ধরনের অসামাজিক কাজকর্মের বৃদ্ধি আমরা লক্ষ্য করেছি, যারা তার সঙ্গে যুক্ত বলে ধরা পড়েছে, তাদের বড় অংশই বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারী। এদিন, বিএসএফের তরফে ফুলের তোড়া এবং স্মারক দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয় মুখ্যমন্ত্রীকে (Infiltrator Deportation)।

    প্রসঙ্গত, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) অনুযায়ী, ২০২৪-এর ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত, আইনে নির্দিষ্ট করা সম্প্রদায়ের যে সব মানুষ বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসেছে, তাদের কোথাও কোন‌ও হেনস্থা করা হবে না (CM Suvendu Adhikari)। যারা ওই সময়ের পরে এসেছে, তাদের রাজ্য পুলিশ সরাসরি গ্রেফতার করে বিএসএফের হাতে তুলে দেবে, যাতে বিডিআরের সঙ্গে কথা বলে তাদের ডিপোর্ট করা যায় (Infiltrator Deportation)।

     

  • CM Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর বার্তা পেয়েই নড়েচড়ে বসল পুলিশ, নিরাপত্তার খোলনলচে বদলাচ্ছে রাজ্যের পাঁচ সরকারি হাসপাতালে

    CM Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর বার্তা পেয়েই নড়েচড়ে বসল পুলিশ, নিরাপত্তার খোলনলচে বদলাচ্ছে রাজ্যের পাঁচ সরকারি হাসপাতালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেই বাম-তৃণমূল জমানার ঘুণ ধরা সমাজব্যবস্থাটাকে আমূল বদলে দিতে কোমর কষে মাঠে নেমে পড়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। এর আগে রাজ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশকে ফ্রি-হ্যান্ড খেলতে দিয়েছেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। তার পর উদ্যোগী হয়েছেন রাজ্যের হাসপাতালগুলির (Hospital Security Guidelines) ভোল বদলাতে। সেই কারণেই দিন কয়েক আগে এসএসকেএম হাসপাতালে হাই-প্রোফাইল বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। তার রেশ কাটার আগেই ‘অ্যাকশনে’ নেমে পড়েছে লালবাজার।

    দালাল-রাজ নির্মূলে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari)

    সরকারি হাসপাতালের নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং দালাল-রাজ নির্মূল করতে শহরের পাঁচটি বড় সরকারি হাসপাতালে নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুলিশ। আজ, বুধবার থেকেই নয়া নিয়ম কার্যকর হয়েছে বলে লালবাজার সূত্রে খবর। গত শুক্রবারই স্বাস্থ্য দফতরের পদস্থ কর্তা এবং মেডিক্যাল কলেজগুলির প্রিন্সিপাল-সুপারদের নিয়ে ম্যারাথন বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বহিরাগতদের প্রবেশ রোখার ব্যাপারে কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সেই বার্তা পাওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ-প্রশাসন।

    বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা কলকাতার পাঁচ হাসপাতালে

    পুলিশ সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে কলকাতার পাঁচটি বড় সরকারি হাসপাতালে এই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ করা হচ্ছে। এই হাসপাতালগুলি হল আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, এসএসকেএম হাসপাতাল, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল এবং কলকাতা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। জানা গিয়েছে, হাসপাতালের ভেতরে যাতে কোনওভাবেই অপ্রীতিকর পরিস্থিতি কিংবা চিকিৎসকদের ওপর হামলার ঘটনা না ঘটে, তাই গুচ্ছের গাইডলাইন জারি করা হয়েছে লালবাজারের তরফে (Hospital Security Guidelines)।

    আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার বলয়

    আগে হাসপাতালে যে কেউ, যখন তখন দালালদের হাত ধরে হাসপাতালে ঢুকে পড়ত। নয়া ব্যবস্থায় হাসপাতালে ঢুকতে গেলেই কড়া চেকিংয়ের মুখে পড়তে হবে। ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি রোগী এবং তাঁদের পরিজনদেরও পরিচয়পত্র বা নির্দিষ্ট কালার-কোডেড ব্যান্ড খতিয়ে দেখে তবেই দেওয়া হবে হাসপাতালে ঢোকার ছাড়পত্র। বহিরাগতদের প্রবেশ রুখতেই এই সিদ্ধান্ত (CM Suvendu Adhikari)। হাসপাতাল চত্বরে সর্বক্ষণ নজরদারির জন্য সক্রিয় থাকবে কলকাতা পুলিশের বিশেষ ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেম। কোনওরকম অশান্তির আঁচ পেলেই মুহূর্তের মধ্যে খবর চলে যাবে কন্ট্রোল রুমে। রাতের শিফটে ডিউটিতে থাকা জুনিয়র ডাক্তার ও নার্সদের সুরক্ষায় হাসপাতাল চত্বরে চলবে পুলিশের বিশেষ ‘নাইট পেট্রলিং’। মহিলা চিকিৎসকদের রেস্ট রুম এবং ডিউটি রুমের আশপাশে নজরদারি করা হয়েছে দ্বিগুণ।

    বাড়ানো হচ্ছে নজরদারিও

    করা নিরাপত্তার বলয় তৈরির পাশাপাশি ঢেলে সাজানো হচ্ছে হাসপাতালগুলির অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাও। পরিকাঠামো ব্যবস্থা খতিয়ে দেখে তা আরও উন্নত করা হচ্ছে। আপৎকালীন পরিস্থিতির মোকাবিলায় এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে। হাসপাতালগুলিতে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ও হাইড্র্যান্ট প্রস্তুত থাকবে। দমকল বিভাগের সঙ্গেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সমন্বয় রাখার কথা বলা হয়েছে লালবাজারের তরফে জারি করা ওই নির্দেশিকায় (CM Suvendu Adhikari)। হাসপাতালগুলিতে সিসিটিভি নজরদারি বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরাগুলি ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা, নিয়মিত তা পরীক্ষা করতে হবে। হাসপাতালের সব জায়গা যাতে সিসিটিভির আওতায় চলে আসে, তাও নিশ্চিত করাতে হবে। ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য পদক্ষেপ করার কথাও বলা হয়েছে লালবাজারের তরফে জারি করা ওই নির্দেশিকায়। সব জায়গায় সুষ্ঠুভাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে হবে বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে (Hospital Security Guidelines)। পুলিশকর্মী ছাড়াও হাসপাতালগুলির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বেসরকারি সংস্থাকে নির্দিষ্টি ডিউটি রোস্টার বানানোর নির্দেশও দিয়েছে লালবাজার। সেই হিসেবেই তাদের কর্মী নিয়োগ করতে বলা হয়েছে। হাসপাতাল চত্বরে অবৈধ পার্কিংও বন্ধ করা হচ্ছে। রোগীর পরিবার, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়া অন্য কারও গাড়ি রাখা যাবে না। হাসপাতালের প্রধান গেটগুলির সামনের এলাকা হকারমুক্ত করা হবে। হাসপাতালজুড়ে চিকিৎসক, নার্স ও রোগীদের জন্য বড় বড় করে লেখা থাকবে হেল্পলাইন নম্বর।

    ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি

    পুলিশ সূত্রে খবর, ওই পাঁচটি হাসপাতালের সুপার ও অধ্যক্ষের সঙ্গে স্থানীয় থানা, ডিভিশনাল ও লালবাজার কন্ট্রোল রুমের যোগাযোগ থাকবে। প্রতি রাতে প্রতিটি হাসপাতালে টহল দেবে পুলিশকর্মী এবং নিরাপত্তা কর্মীর যৌথ দল (CM Suvendu Adhikari)।  ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তৃণমূল জমানায় আরজি করকাণ্ডের জেরে তৈরি হওয়া ক্ষতে প্রলেপ দিতে এবং হাসপাতালে দালাল-রাজে ইতি টানতে শুভেন্দুর সরকার যে কোনও আপস করতে রাজি নয়, লালবাজারের এই তৎপরতাই তার প্রমাণ। দুর্নীতি এবং দাদাগিরি বন্ধে নয়া মুখ্যমন্ত্রী নিয়েছেন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি। সেই বার্তা পেয়েই পুলিশ-প্রশাসনের সর্বস্তরেই শুরু হয়েছে খোলনলচে বদলানোর কাজ (Hospital Security Guidelines)।

    প্রসঙ্গত, বছর দুই আগে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে এক তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে খুনের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা দেশকে। তারপর থেকেই জুনিয়র ও সিনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনে হাসপাতালের নিরাপত্তা ও পরিকাঠামোর বেহাল দশা নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়। মমতা জমানার এই ঘটনায় সোচ্চার হয়েছিল রাজ্যের তৎকালীন বিরোধী দল বিজেপি। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে গোহারা হারিয়ে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে নবান্নে এসেছে শুভেন্দুর নেতৃত্বে বিজেপি সরকার। তার পরেই রাজ্যের নানা ভেঙে পড়া ব্যবস্থাকে স্বমহিমায় ফেরাতে উদ্যোগী হয়েছে পদ্ম-পার্টি (CM Suvendu Adhikari)।

  • Suvendu Adhikari: নয়া মুখ্যমন্ত্রীর রোড-শোয়ে ব্যাপক ভিড়, ফলতায় স্বজন হারানোদের জন্য বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: নয়া মুখ্যমন্ত্রীর রোড-শোয়ে ব্যাপক ভিড়, ফলতায় স্বজন হারানোদের জন্য বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘কথা’ রাখলেন রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ফলতায় (Falta Roadshow) পুনর্নির্বাচনের শেষদিন মঙ্গলবারের প্রচারে অংশ নিলেন তিনি। দিন দুই আগেই মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, তিনি ফের ফলতায় আসবেন। করবেন প্রতিটি পঞ্চায়েত ছুঁয়ে একটি বড় পদযাত্রা। সেই মতো এদিন তিনি এলেন, করলেন রোড-শো-ও। এদিনের এই দীর্ঘ পদযাত্রার মাঝে ফলতার জন্য বিশেষ প্যাকেজও ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী৷

    মুখ্যমন্ত্রীর পদযাত্রা (Suvendu Adhikari)

    এদিন পদযাত্রা শুরু হয় ফলতার বঙ্গনগর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের হাসিমনগর সংলগ্ন কালীতলা মাঠ থেকে। রাজনৈতিক দিক থেকে এই জায়গাটির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। কারণ, ২৯ এপ্রিল বিধানসভা নির্বাচনের পর এই হাসিমনগরেই ভোট দিতে না-পারার অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভে শামিল হয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একটা বড় অংশ। তাই পুনর্নির্বাচনের আবহে সেই এলাকা থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর পদযাত্রা শুরু করাকে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। এদিন ফলতায় পৌঁছে প্রথমেই স্থানীয় একটি মন্দিরে পুজো দেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপরেই একটি হুডখোলা গাড়িতে চড়ে জনতার উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাতে জানাতে শুরু করেন রোড-শো।

    নয়া মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা

    রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে রাস্তার দু’ধারে ভিড় করেন অসংখ্য মানুষ। এদিনের সভায় রাজনৈতিক ঘোষণাও করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “একুশের নির্বাচনের পর বহু বিজেপি কর্মী রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। বহু পরিবার তাদের আপনজনকে হারিয়েছে। আমরা তাদের পাশে রয়েছি। নিহত ৩২১ জন কর্মীর পরিবারের একজন করে সদস্যকে সরকারি চাকরি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।” ফলতা এবং ডায়মন্ড হারবার এলাকায় অতীতে রাজনৈতিক হিংসার শিকার হওয়া বিজেপি কর্মীদের পুনর্বাসনের বিষয়েও আশ্বাস দেন তিনি (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রী জানান, যাঁরা বিগত দিনে আক্রান্ত হয়েছেন, মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন কিংবা যাঁদের ব্যবসা বা জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাঁদের জন্য বিশেষ আর্থিক ও সামাজিক পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ফলতায় যাঁরা আক্রান্ত হয়েছেন, যাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে বা (Falta Roadshow) রুজি-রোজগার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, তাঁদের জন্য বিশেষ প্যাকেজের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। নতুন সরকারে কেউ আতঙ্কে থাকবে না। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধ হবে (Suvendu Adhikari)।”

     

  • Kerala: “কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ সরকারের আচরণে নজর রাখতে হবে”, বললেন বিজেপি নেতা

    Kerala: “কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ সরকারের আচরণে নজর রাখতে হবে”, বললেন বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ (UDF)-এর নয়া সরকারকে সতর্ক করে দিলেন কেরল বিজেপির (Kerala) সভাপতি রাজীব চন্দ্রশেখর। শনিবার তিনি জানান, ইউডিএফ বিধানসভা নির্বাচনে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে ভুয়ো প্রচারের মাধ্যমে (BJP Chief Slams) জয়ী হয়েছে। তাঁর অঙ্গীকার, রাজ্যের পক্ষে বিপজ্জনক শক্তিগুলি সরকারকে ‘রিমোট কন্ট্রোল’ করছে কি না, সেই বিষয়েও কড়া নজর রাখবে বিজেপি।

    বিজেপির বক্তব্য (Kerala)

    মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন প্রক্রিয়ার সমালোচনা করে বিজেপির এই নেতা বলেন, “জামাত-ই-ইসলামি এবং এসডিপিআইয়ের মতো শক্তিগুলি এই সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলছে—এটা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এটি এমন একটি বিষয়, যা শুধু আজ বা আগামিকাল নয়, আগামী কয়েক মাস ও বছর ধরে গভীরভাবে আলোচনা ও পর্যালোচনা করা দরকার। আমাদের এই সরকারের আচরণ পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং দেখতে হবে যে, কতটা এই সরকার এমন শক্তির দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে যারা আমাদের রাজ্যের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক। এসডিপিআই এবং জামাত-ই-ইসলামির মতো সংগঠনগুলিকে মূলধারায় আনা আমাদের রাজ্যের পক্ষে ভালো নয়, কোনও মালয়ালির জন্যই ভালো নয়।”

    ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি

    চন্দ্রশেখর জানান (Kerala), নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী ভিডি সতীশন তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেন যে, দুর্নীতি, ভোটব্যাঙ্ক তোষণ এবং মালয়ালি সমাজকে বিভক্ত করার রাজনীতির বিরুদ্ধে বিজেপি (BJP Chief Slams) ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করবে। তিনি বলেন, “কংগ্রেস এমন কিছু প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে এই জনসমর্থন পেয়েছে, যা তারা কখনও পূরণ করতে পারেনি। তারা সিপিএম ও বিজেপির মধ্যে গোপন সমঝোতার ভুয়ো গল্প রটিয়েছে এবং এফসিআরএ (FCRA) নিয়ে মিথ্যা প্রচার চালিয়েছে। আমি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে নয়া মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে চাই, আমরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানালেও বিধানসভার ভিতরে ও বাইরে দুর্নীতি, কোনও সম্প্রদায়কে তোষণ, অথবা মালয়ালিদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির যে কোনও প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেব।”

    তিনি আরও বলেন, “আজ (শনিবার) সকালে মুখ্যমন্ত্রী মনোনীত ভিডি সতীশন আমায় ফোন করেছিলেন এবং অত্যন্ত সৌজন্যের সঙ্গে ১৮ তারিখের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য ব্যক্তিগতভাবে আমন্ত্রণ জানান। আমি তাঁকে ধন্যবাদ জানাই। দলের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছাও জানাই এবং বলি যে, আমি অবশ্যই আমার সহকর্মী বিধায়ক ও দলীয় কর্মীদের নিয়ে উপস্থিত থাকব।” তিনি এও বলেন, “এই নির্বাচনকে ‘পরিবর্তনের জনাদেশ’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ এলডিএফ (LDF)-এর দশ বছরের শাসনের অবসান ঘটেছে।” প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কেরলে এলডিএফ সরকারের এক দশকের শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিধানসভা নির্বাচনে (Kerala) নিরঙ্কুশ জয় লাভ করেছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ। সতীশন ১৮ মে সকাল ১০টায় লোকভবনে (পূর্বতন রাজ্যপাল ভবন) মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে (BJP Chief Slams) শপথ নেবেন।

     

LinkedIn
Share