Tag: CNG

CNG

  • LPG Production: জ্বালানি ঘাটতির আবহে জরুরি বৈঠক মোদির, দেশে বাড়ানো হল এলপিজি উৎপাদন

    LPG Production: জ্বালানি ঘাটতির আবহে জরুরি বৈঠক মোদির, দেশে বাড়ানো হল এলপিজি উৎপাদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগেই দেওয়া নির্দেশ অনুযায়ী দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়ানোর ফলে এলপিজি উৎপাদন (LPG Production) ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ১০ মার্চ সরকারি এক সূত্রেই এ খবর মিলেছে। সূত্রটি জানায়, “প্রতিদিন প্রায় ৬০ লাখ সিলিন্ডার এলপিজি বিতরণ করা হচ্ছে, যা আগের মতোই রয়েছে। দেশের কোনও এলপিজি পরিবেশকের কাছে সরবরাহের ঘাটতি নেই। হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে যে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছিল, তা এখন পুনরুদ্ধার করা হয়েছে (India)।”

    আরও বেশি এলপিজি কার্গো (LPG Production)

    সরকার একটি কমিটি গঠন করেছে যেখানে তেল বিপণন সংস্থাগুলি রেস্তরাঁ ও বাণিজ্যিক এলপিজি ব্যবহারকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করবে। সূত্রটির বক্তব্য, “এটি মূলত সরবরাহ ব্যবস্থাপনার বিষয়। কমিটি এখন বাণিজ্যিক ব্যবহারকারীদের মধ্যে গ্যাস সরবরাহের অগ্রাধিকার পুনর্নির্ধারণ করবে।” সরকারি সূত্র আরও জানায়, “আমরা এখন আরও বেশি এলপিজি কার্গো পাচ্ছি। অন্যান্য দেশ থেকেও এলপিজি এবং এলএনজি আসতে শুরু করেছে। আগে প্রায় ৪০টি ভিএলসিসি (Very Large Crude Carriers) জাহাজের ঘাটতি ছিল, তার প্রায় অর্ধেক এখন পৌঁছতে শুরু করেছে।” পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের কারণে আমদানিতে বিঘ্ন ঘটার প্রেক্ষাপটে জারি করা একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশে উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাস এখন অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সেই ইউনিটগুলিকে সরবরাহ করা হবে, যেগুলি এলপিজি উৎপাদনে এটি ব্যবহার করে।

    গ্যাস সরবরাহে অগ্রাধিকার

    এতদিন পর্যন্ত কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস (CNG) এবং পাইপের মাধ্যমে সরবরাহ করা রান্নার গ্যাস—এই দু’টি ক্ষেত্রকে দেশীয় প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের অগ্রাধিকার দেওয়া হত। সোমবার গভীর রাতে গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে এলপিজিকেও অগ্রাধিকারের তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে (LPG Production)। এলপিজি মূলত প্রাকৃতিক গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ থেকে উৎপন্ন হয় এবং এটি অপরিশোধিত তেল পরিশোধনের একটি উপজাত। প্রোপেন ও বিউটেন গ্যাস পৃথক ও বিশুদ্ধ করে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তরল অবস্থায় রূপান্তর করা হয়, যাতে সহজে পরিবহণ ও সংরক্ষণ করা যায়। এই গ্যাস সাধারণত ইস্পাতের সিলিন্ডারে সংরক্ষণ করা হয়, যা ঘরবাড়ি ও রেস্তরাঁয় রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয়। নতুন বণ্টন ব্যবস্থার অধীনে প্রথমে এলপিজি, সিএনজি এবং পাইপ গ্যাস উৎপাদকদের প্রয়োজন পূরণ করা হবে, তারপর অন্য খাতে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করা হবে (India)।

    বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

    মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করে এলপিজি সরবরাহ পরিস্থিতি এবং ইরান যুদ্ধের কারণে সম্ভাব্য বিঘ্ন নিয়ে পর্যালোচনা করেন (LPG Production)। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে চাপ বাড়তে থাকায় মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকার এসেনসিয়াল কমোডিটিজ অ্যাক্ট (EC Act) প্রয়োগ করে দেশীয় জ্বালানি বাজারকে সম্ভাব্য বিঘ্ন থেকে সুরক্ষিত করতে পদক্ষেপ করে। মঙ্গলবার যৌথ বিবৃতিতে ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন লিমিটেড (IOC), ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (BPCL) এবং হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (HPCL) জানায়, মন্ত্রক ইতিমধ্যেই এলপিজি উৎপাদন বাড়ানো এবং গৃহস্থালি গ্রাহক ও গুরুত্বপূর্ণ অ-বাণিজ্যিক ক্ষেত্রের জন্য পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ করেছে।

    অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ

    বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গৃহস্থালি গ্রাহকদের পাশাপাশি হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেও প্রয়োজন অনুযায়ী এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। অন্য বাণিজ্যিক ক্ষেত্রের জন্য সরবরাহ অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে তেল বিপণন সংস্থার তিনজন এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে (LPG Production)। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, “অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল এবং উন্নতির দিকে (India)।” তিনি আরও বলেন, “দেশে পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে এবং পরিশোধিত তেল রফতানি বন্ধ করা হবে না। অন্যান্য দেশেও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। হরমুজ প্রণালীর বাইরে থেকে আমদানি এখন ৭০ শতাংশে পৌঁছেছে, যা ১০ দিন আগেও ছিল ৫৫ শতাংশ। তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়ালেও ভারতীয় রিফাইনারিগুলি পূর্ণ সক্ষমতায় কাজ করছে।”

    এলপিজি খরচ

    প্রসঙ্গত, ভারতে বছরে প্রায় ৩১.৩ মিলিয়ন টন এলপিজি ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ৮৭ শতাংশ গৃহস্থালি খাতে, অর্থাৎ রান্নাঘরে ব্যবহৃত হয় এবং বাকি অংশ হোটেল ও রেস্তরাঁ-সহ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়। মোট চাহিদার প্রায় ৬২ শতাংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয় (LPG Production)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের ইরানের ওপর হামলা এবং তেহরানের পাল্টা আক্রমণের জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এই পথ দিয়েই ভারত তার প্রায় ৮৫–৯০ শতাংশ এলপিজি আমদানি করত, মূলত সৌদি আরব-সহ বিভিন্ন দেশ থেকে (India)।

  • Natural Gas: সস্তা হচ্ছে জ্বালানি, কমবে রান্নার গ্যাসের দাম! নতুন ফর্মুলা আনছে কেন্দ্র

    Natural Gas: সস্তা হচ্ছে জ্বালানি, কমবে রান্নার গ্যাসের দাম! নতুন ফর্মুলা আনছে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম নির্ধারণে নতুন ফর্মুলা প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। আর তার ফলে এক ধাক্কায় সিএনজি (পরিবহণ জ্বালানি) এবং পিএনজি’র (পাইপবাহিত রান্নার গ্যাস) দাম অনেকটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। 

    প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারে জোর

    কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে বদ্ধপরিকর ভারত। এবার দেশকে দূষণহীন জ্বালানি নির্ভর অর্থনীতি হিসেবে গড়তে বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার। দেশে দূষণ কমানোর উপর বাড়তি জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। নেওয়া হচ্ছে নানা পদক্ষেপ। পরিবহণ ব্যবস্থায় ব্যাটারিচালিত তথা ইলেকট্রিক যানবাহনের সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাশাপাশি জোর দেওয়া হচ্ছে প্রাকৃতিক গ্যাস ও জ্বালানি ব্যবহারের উপরও। প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম নির্ধারণের ফর্মুলায় আনা হল বড়সড় বদল।

    প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম নির্ধারণের নতুন সীমকরণ

    প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম নির্ধারণের নতুন সীমকরণ ঠিক করতে বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসেছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা। এতদিন দেশের প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম নির্ধারণ হত আমেরিকা, কানাডা, রাশিয়ার মতো গ্যাস উদ্বৃত্ত দেশের দাম অনুযায়ী। তাও বছরে দু’বার। সেক্ষেত্রে অনেকটাই বেশি অর্থ ব্যয় হত গ্রাহকদের। এখন থেকে প্রত্যেক মাসে ঠিক হবে গ্যাসের দাম। পুরনো ক্ষেত্রগুলি থেকে উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম নির্ধারিত হবে আমদানিকৃত অশোধিত তেলের দামের নিরিখে। অর্থাৎ বিশ্ব বাজারে তেলের দামের ওঠা-নামার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল্যও।

    দাম কমবে জ্বালানির

    বিভিন্ন সূত্র থেকে ভারত যে তেল আমদানি করে, তার দামের দশ শতাংশ হতে পারবে প্র্যাকৃতিক গ্যাসের বিক্রয় মূল্য। সেক্ষেত্রে সর্বাধিক ৬.৫ ডলার ও সর্বনিম্ন ৪ ডলার করা যাবে। প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার যে ফর্মুলা প্রয়োগ করছে, তাতে খুশি সংশ্লিষ্ট মহল। বিশেষজ্ঞদের মতে, এখন যে পদ্ধতিতে প্রাতৃতিক গ্যাসের দাম ঠিক হয়, তাতে ৮.৫৭ ডলার হওয়ার কথা। কিন্তু নতুন শর্তে সেই দাম হবে ৬.৫ ডলার। যা অনেকটাই স্বস্তি দেবে দেশবাসীকে। বাড়বে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারও।

    আরও পড়ুন: আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে রাজ্যপালের অনুমোদন নিতে হবে! নয়া নির্দেশিকা রাজভবনের

    কী রকম  হবে দাম

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর মন্ত্রিসভায় জানিয়েছেন, পুরানো খনি থেকে উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাস, যা এপিএম গ্যাস নামে পরিচিত, তা থেকে উৎপাদিত যাবতীয় জ্বালানির দাম ঠিক হবে আমদানিকৃত অশোধিত তেলের দামের নিরিখে। এই সিদ্ধান্তের পর, দিল্লিতে সিএনজির দাম প্রতি কেজি ৭৯.৫৬ টাকা থেকে ৭৩.৫৯ টাকা এবং পিএনজির দাম ৫৩.৫৯ টাকা প্রতি হাজার ঘনমিটার থেকে কমিয়ে ৪৭.৫৯ টাকা করা হবে। মুম্বাইয়ে, সিএনজি প্রতি কেজি ৮৭ টাকার পরিবর্তে ৭৯ টাকা এবং পিএনজি প্রতি ৫৪ টাকার পরিবর্তে ৪৯ টাকা প্রতি কেজি হবে।

    জ্বালানিমন্ত্রী হরদীপ পুরী ট্যুইটে দাবি করেছেন, গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষার্থেই সরকারের এই পদক্ষেপ করেছে। মন্ত্রী ট্যুইট বার্তায় লেখেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা সংশোধিত গার্হস্থ্য গ্যাস মূল্য নির্দেশিকা অনুমোদন করেছে। এর ফলে ভারতে গ্যাসের দামের উপরে আন্তর্জাতিক গ্যাসের দামের প্রভাব কমেছে। তাতে উপভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা হবে।’ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share