Tag: Coal Mine

Coal Mine

  • Asansol: আসানসোলে কয়লা খনিতে ধস! চাপা পড়ে রয়েছেন কয়েকজন, আতঙ্ক

    Asansol: আসানসোলে কয়লা খনিতে ধস! চাপা পড়ে রয়েছেন কয়েকজন, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলের (Asansol) রানিগঞ্জে ইসিএলের কুনুস্তরিয়া এলাকার নারায়ণকুড়ি খোলামুখ কয়লাখনিতে কয়লা সংগ্রহ করতে গিয়ে বেশ কয়েক জনের চাপা পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এমনই খবর ছড়িয়ে পড়তে পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ইতিমধ্যেই পশ্চিম বর্ধমান জেলার জেলাশাসক ঘটনা প্রসঙ্গে ইসিএল কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চেয়েছেন। কিন্তু, আসলে ঘটনাটি কী এবং ঠিক কত জন এখনও পর্যন্ত চাপা পড়ে আছেন বা আদৌ চাপা পড়েছেন কি না তা নিয়ে সঠিক তথ্য ইসিএলের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি। ঘটনার পর রাতেই এলাকাবাসী জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Asansol)

    বুধবার বিকেলে আসানসোলের (Asansol) রানিগঞ্জে ইসিএলের কুনুস্তরিয়া এলাকার নারায়ণকুড়ি খোলামুখ কয়লাখনিতে কয়লা সংগ্রহ করতে যায় বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। সেখানেই ধস নামে বলে স্থানীয়দের দাবি। আর তাতে চার থেকে পাঁচ জন চাপা পড়ে যান বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই এক জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রাক্তন সাংসদ তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বংশগোপাল চৌধুরী। তিনি আরও বলেন, আরও চার জন নিখোঁজ রয়েছে বলে তাঁর কাছে খবর এসেছে। রানিগঞ্জ থানার পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ অভিযোগ করছেন, তাঁদের পরিবারের লোকেরা চাপা পড়ে আছেন।

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    বিজেপির আসানসোলের (Asansol) বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল ধসে নিখোঁজ হওয়া পরিবারের পাশে যান। তাঁর সামনে নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের লোকেদের কান্নাকাটিও করতে দেখা গিয়েছে। বিজেপি বিধায়ক বলেন, পেটের জ্বালায় গ্রামের মানুষজন দু’-চার বস্তা কয়লা বের করে বিক্রি করে সংসার চালান, রাজ্য সরকার তো কাজের ব্যবস্থা করেনি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাঁরা এই কাজ করে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। প্রশাসন দেখি কী ব্যবস্থা নেয় দেখার পর আরও বড় আন্দোলন হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Coal Mine: আসানসোলের কয়লা খাদানে ধস, ভেতরে কতজন আটকে জানেন?

    Coal Mine: আসানসোলের কয়লা খাদানে ধস, ভেতরে কতজন আটকে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার সাত সকালে ধস আসানসোলের (Asansol) কয়লা খাদানে (Coal Mine)। অন্তত ২৫ জন আটকে রয়েছে বলে আশঙ্কা। ঘটনাস্থলে পুলিশ, সিআইএসএফ (CISF)। রয়েছেন কোলিয়ারি কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিও। অভিযোগ, খাদানে যাঁরা আটকে রয়েছেন, তাঁরা ভিন রাজ্যের শ্রমিক। তাঁদের দিয়েই চলছিল ওই খাদান থেকে কয়লা সরানোর কাজ।

    আচমকাই ধস…

    এদিন সকালে আচমকাই ধস নামে কুলটির বোডরা গ্রামে বিসিসিএলের বারো নম্বর হাজলা পিটের বিস্তীর্ণ অংশে। স্থানীয়দের দাবি, খাদানের নীচে চাপা পড়তে পারেন প্রায় ২৫জন। স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে এলাকায় আসে পুলিশ। খাদানের ভিতরে ঠিক কতজন আটকে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভিন রাজ্যের শ্রমিক এনে খাদানে চলছিল কয়লা সরানোর কাজ। আচমকাই ধস নামে খাদানে। চাপা পড়ে যান খনির মধ্যে থাকা লোকজন। এ ব্যাপারে অবশ্য  মুখে কুলুপ এঁটেছেন বিসিসিএল কর্তৃপক্ষ।

    আরও পড়ুুন: প্রতিশোধের আগুন! ধর্ষণ করল ছেলে, বদলা নিতে মাকে গুলি করল দিল্লির এক কিশোরী

    ঘটনার জন্য প্রশাসনের উদাসীনতাকেই দায়ী করেছেন স্থানীয় কাউন্সিলর লালন মেহরা। তিনি বলেন, এখানে অবৈধভাবে কয়লার কারবার চলছে। কাউকে জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি। তাঁর অভিযোগ, পুলিশ ও প্রশাসন মিলে সিন্ডিকেট করে এই অবৈধ কাজ (Coal Mine) করে। লালন বলেন, এখানে বেকারত্বের সমস্যা চূড়ান্ত। সামান্য ১০০ টাকার জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কয়লা তোলার কাজ করেন অনেকেই। সেই সুযোগ নিয়ে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করেন অন্যরা।    

    আসানসোলের বিস্তীর্ণ অংশে উন্নত মানের কয়লা পাওয়া যায়। দেশ তো বটেই, বিদেশেও চাহিদা রয়েছে আসানসোলের ওই কয়লার। কোনও খনি থেকে কয়লা তোলা হয়ে গেলে খনি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। সেখানে মানুষের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। অভিযোগ, তার পরেও ভিন রাজ্যের শ্রমিক এনে নামানো হয় ওই পরিত্যক্ত খনিগুলিতে। সামান্য কিছু পয়সার বিনিময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ওই খনিগুলিতেই নামেন শ্রমিকরা। সেখান থেকে পাওয়া কয়লা বেচে ফুলে ফেঁপে ওঠে কারবারিরা। শ্রমিকরা থাকেন কয়লা মতোই নিকষ কালো অন্ধকারে। যেদিন খনিতে ধস নামে, সেদিন দুশ্চিন্তার প্রহর গোণে দিন আনি দিন খাই শ্রমিকদের পরিবার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • CISF: ঝাড়খণ্ডে সিআইএসএফ-এর গুলিতে মৃত ৪ কয়লা চোর, আহত ২

    CISF: ঝাড়খণ্ডে সিআইএসএফ-এর গুলিতে মৃত ৪ কয়লা চোর, আহত ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা চোরদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ সিআইএসএফ-এর (CISF)। প্রতিবেশি রাজ্যে কয়লা চোরদের সঙ্গে সিআইএসএফ-এর জওয়ানদের সংঘর্ষে নিহত হয় চার কয়লা চোর। আর দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঝাড়খণ্ডের ধানবাদের। শনিবার গভীর রাতে ধানবাদ জেলার বাগমারা থানার বিসিসিএল ব্লক-২ এলাকায় বেনিডিহ কেসিসি মেন সাইডিংয়ে ঘটনাটি ঘটেছে। এই ঘটনার জেরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ উঠেছিল যে, কয়লা চুরি এবং জওয়ানদের উপর হামলা করার ফলেই গুলি চালানো হয়েছিল বলে খবর সিআইএসএফ সূত্রে।

    কী ঘটেছিল?

    সিআইএসএফ (CISF) সূত্রে খবর, ধানবাদের বাগমারা থানা এলাকায় বেনিডিহ কেসিসি মেন সাইডিং এলাকায় কয়লা চুরির খবর পেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। খবর পাওয়া মাত্র দ্রুত সেখানে পৌঁছে যান তাঁরা। সিআইএসএফ জওয়ানদের আসতে দেখে তাঁদের লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়তে শুরু করে কয়লা চোররা। তাঁদের কয়লা চুরি করতে বাধা দেওয়ায় সিআইএসএফ-এর গাড়িতেও ভাঙচুর করে কয়লা চোররা। এমনকি এক জওয়ানের বন্দুক ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে বলে জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, জওয়ানদের অপহরণের চেষ্টাও করা হয় বলে জানা যায়। এমন পরিস্থিতিতে সিআইএসএফ (CISF) জওয়ানরা নিজেদের আত্মরক্ষার্থে গুলি চালানো শুরু করেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: সিআইএসএফ নয়, বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় এবার বেসরকারি নিরাপত্তা রক্ষী!

    আর এরপর জওয়ানদের (CISF) গুলিতেই নিহত হয় ৪ কয়লা চোর। ২জন গুরতর আহত হওয়ায় তাদের রাঁচি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। যাঁরা নিহত হয়েছেন তাঁদের নাম— প্রীতম চৌহান, সাহজাদা আনসারি, আলতাফ আনসারি, সুরজ চৌহান। ঘটনাস্থল থেকে ২১টি মোটরবাইক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এদিকে এই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী হাজির হয়। সিআইএসএফ জওয়ানদের বিশাল সংখ্যায় মোতায়েন করা হয়েছে।

    এই ঘটনার পর সিআইএসএফের ডিআইজি বিজয় কাজলা বলেন, ‘‘যে ৪ জন মারা গিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই। বারবার বলা সত্ত্বেও তাঁরা রাতে আমাদের কর্মীদের ওপর আক্রমণ চালান। বাধ্য হয়ে আত্মরক্ষার স্বার্থে গুলি চালাতে হয়। পুরো ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে। একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে।’’ এছাড়াও তিনি জানিয়েছেন যে, কী কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।  অন্যদিকে এই ঘটনার তদন্তের দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

  • Jharkhand Politics: সরকার বাঁচাতে জোটের বিধায়কদের নিয়ে অতিথিশালায় সোরেন, ফের কোথায় যাচ্ছেন জানেন?

    Jharkhand Politics: সরকার বাঁচাতে জোটের বিধায়কদের নিয়ে অতিথিশালায় সোরেন, ফের কোথায় যাচ্ছেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের নামে কয়লা খনি (Coal Mine) লিজ দিয়ে নির্বাচনী বিধিভঙ্গ করেছেন খোদ ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন (Hemant Soren)। বিজেপির (BJP) তরফে এই অভিযোগ ওঠায় মুখ্যমন্ত্রীর বিধায়ক পদ খারিজের জন্য রাজ্যপালের কাছে সুপারিশ করেছে নির্বাচন কমিশন। বিপদ আঁচ করে এবার জোট সরকারের বিধায়কদের নিয়ে ঝাড়খণ্ডের লাট্রাটু বাঁধ (Latratu Dam) এলাকার একটি অতিথিশালায় আশ্রয় নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং।

    ঝাড়খণ্ড বিধানসভার মোট আসন সংখ্যা ৮১। এর মধ্যে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার দখলে রয়েছে ৩০টি আসন। কংগ্রেসের দখলে ১৮টি। আর আরজেডির হাতে রয়েছে একটি আসন। কংগ্রেস এবং আরজেডিকে নিয়ে জোট গড়ে সরকার চালাচ্ছে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা। এদিকে, ওই বিধানসভায় বিজেপির বিধায়কের সংখ্যা ২৬।

    মুখ্যমন্ত্রীর বিধায়ক পদ খারিজ হতে পারে আশঙ্কা করে শনিবার বিকেলে বৈঠকে বসেন জোট সরকারের বিধায়করা। তার পরেই তিনটি বাসে করে লাট্রাটু বাঁধের দিকে রওনা দেন তাঁরা। সূত্রের খবর, সেখানকার একটি অতিথিশালায় আশ্রয় নিয়েছেন বিধায়করা। নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার জেরে মাছি গলারও জো নেই সেখানে। কংগ্রেসের একটি সূত্রের খবর, জোট সরকারের বিধায়কদের পশ্চিমবঙ্গ কিংবা ছত্তিশগড় নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। এজন্য ছত্তিশগড়ের বারমুডা ও রায়পুর এবং বাংলার কয়েকটি জায়গাও চিহ্নিত করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন : নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগে কাঠগড়ায় হেমন্ত সোরেন, বিধায়ক পদ খারিজের সুপারিশ

    এক ট্যুইট বার্তায় এদিন কেন্দ্রকে একহাত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। তিনি লিখেছেন, কেন্দ্র কতটা বিদ্বেষপূর্ণ আচরণ করতে পারে, তাতে কিছু যায় আসে না। আমি উপজাতি সন্তান। আমি ঝাড়খণ্ডের ভূমিপুত্র। আমরা ভয় পাই না, লড়াই করি। হেমন্ত বলেন, রাজনৈতিকভাবে আমাদের সঙ্গে এঁটে উঠতে না পেরে আমাদের বিরোধীরা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ব্যবহার করছে।আমাদের সরকারের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে তারা ইডি, সিবিআই, লোকপাল এবং আয়কর দফতরকে ব্যবহার করছে। এতে আমরা উদ্বিগ্ন নই। বিরোধীরা নয়, আমাদের ক্ষমতায় এনেছে জনগণ।

    মহারাষ্ট্রে বিজেপির সঙ্গে জোট গড়ে সরকার চালাতে চাইছিলেন শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়ক একনাথ শিন্ডে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে তাতে রাজি না হওয়ায় অনুগত বিধায়কদের নিয়ে শিন্ডে উড়ে গিয়েছিলেন প্রথম গুজরাট ও পরে বিজেপি শাসিত আর এক রাজ্য আসামে। সেখানকার একটি নামকরা হোটেলে ছিলেন তাঁরা। এবার সরকার বাঁচাতে জোট সরকারের বিধায়কদের নিয়ে রিসর্টে আশ্রয় নিলেন হেমন্ত সোরেন।

    রিসর্ট সংস্কৃতি এসেছে ফিরিয়া!

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share