Tag: coal scam

coal scam

  • Coal Smuggling Case: কয়লা পাচার কাণ্ডে কলকাতা পুলিশের কর্তাকে দীর্ঘ জেরা ইডি-র

    Coal Smuggling Case: কয়লা পাচার কাণ্ডে কলকাতা পুলিশের কর্তাকে দীর্ঘ জেরা ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলার পাশাপাশি এবারে কয়লা পাচার কাণ্ড (Coal Smuggling Case) নিয়েও তৎপর ইডি। কয়লা দুর্নীতিতে এবার ইডির নজরে কলকাতা পুলিশের এসিপি শান্তনু সিনহা। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লিতে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সেই মত বুধবার দিল্লিতে ইডির দফতরে পৌঁছে যান ওই এসিপি। সূত্রের খবর, বুধবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ ইডি-র দিল্লি সদর দফতরে হাজির হন শান্তনু। সন্ধ্যা পর্যন্ত তাঁকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

    কলকাতা পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার শান্তনু কালীঘাট থানার দায়িত্বে রয়েছেন। কয়লা দুর্নীতিতে (Coal Smuggling Case) এসিপি শান্তনুর কাছ থেকে বেশ কিছু নথিপত্র চেয়ে পাঠিয়েছিলেন ইডি-র আধিকারিকরা। ইডি সূত্রে খবর, তদন্তে পাওয়া তথ্য খতিয়ে দেখতে গিয়েই শান্তনুর নাম উঠে আসে। তারপরেই তথ্য যাচাই করতে গতকাল তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। 

    আরও পড়ুন: একবার নয়, তিনবার লটারি জিতেছেন কেষ্ট-সুকন্যা! সিবিআই-এর হাতে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    কে এই শান্তনু সিনহা ও কেন ডাকা হয়েছিল তাঁকে?

    এসিপি শান্তনু বেশ কয়েক বছর কালীঘাট থানার ওসির পদে ছিলেন। পরে তাঁর পদোন্নতি হয়েই তিনি এখন ওই এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার পদে নিযুক্ত হয়েছেন। এসিপি শান্তনুকে তলব করায় শাসকদলের মধ্যেও অস্বস্তির সৃষ্টি হয়েছে। ইডি সূত্রের দাবি, কয়লা পাচারের (Coal Smuggling Case) মূল অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালা এবং অন্যতম অভিযুক্ত শাসক দলের পলাতক নেতা বিনয় মিশ্রের ভাই বিকাশের বয়ানের ভিত্তিতেই গতকাল শান্তনুকে তলব করা হয়েছিল। ইডি সন্দেহ করেছে যে, কয়লা পাচারের একটা মোটা অংশের টাকা লালা, বিনয় ও বিকাশের থেকে বিভিন্ন পুলিশ অফিসারের মাধ্যমে প্রভাবশালীদের কাছে পৌঁছেছিল। তাই ইডির স্ক্যানারে এবারে কলকাতার পুলিশ কর্তারা। শান্তনুর গত ১০ বছরের আয়কর রিটার্ন ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নথিও চেয়ে পাঠানো হয়েছিল।

    ইডি সূত্রের দাবি, এর আগেও কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal Smuggling Case)  দুবার নোটিশ দিয়ে তাঁকে তলব করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি সেসময় এড়িয়ে যান ও সময় চেয়ে নেন। এরপর তিনবারের সময় তাঁকে নোটিশ দিয়ে আগামী শুক্রবার তলবের জন্যে ডাকা হয় ও নোটিশে বলা হয় যে, এবার তিনি তলব এড়িয়ে গেলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এরপরেই মঙ্গলবার ফোন করে বুধবার জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হওয়ার জন্য ইচ্ছা প্রকাশ করেন শান্তনু। ফলে গতকাল সময় মত পৌঁছে যান ইডির দিল্লি সদর দফতরে।

  • Cattle  Smuggling Case: অনুব্রত মামলায় বিচারককে হুমকি চিঠি-কাণ্ডে ধৃত আইনজীবী! আটক তাঁর সহকারীও

    Cattle Smuggling Case: অনুব্রত মামলায় বিচারককে হুমকি চিঠি-কাণ্ডে ধৃত আইনজীবী! আটক তাঁর সহকারীও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) জামিন দেওয়া নিয়ে বিচারককে হুমকি চিঠি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনায় সোমবার আসানসোল আদালত চত্বর থেকে গ্রেফতার হন আইনজীবী সুদীপ্ত রায়। মোবাইল ফোনের নম্বর ট্র্যাক করে আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ (Asansol South Police Station) তাঁকে গ্রেফতার করে। গত রাতেই সুদীপ্ত রায়ের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সুদীপ্তের মা। তাঁর দাবি, এই ঘটনায় তাঁর ছেলেকে ফাঁসানো হচ্ছে। 

    গত ২৪ অগাস্ট গরুপাচার মামলায় আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে অনুব্রতর শুনানি ছিল। তার ঠিক আগের দিন বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী একটি হুমকির চিঠি পান বলে অভিযোগ উঠেছিল ৷ তাতে লেখা হয়, বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল নেতাকে জামিন না দিলে তাঁর পরিবারের সদস্যদের এনডিপিএস (NDPS) অর্থাৎ মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হতে পারে। চিঠিতে প্রেরকের নাম ছিল ‘বাপ্পা চট্টোপাধ্যায়’ এবং তাঁর স্বাক্ষর, সরকারি সিলমোহরও ছিল। পরে জানা যায়, তিনি বর্ধমান এগজিকিউটিভ কোর্টে কর্মরত। 

    বাপ্পাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি জানান, সুদীপ্ত রায় নামে বর্ধমান আদালতের এক আইনজীবী দিন দুয়েক আগে তাঁকে আদালত চত্বরে হুমকি দিয়েছিলেন। হুমকি চিঠির পিছনে সুদীপ্তর হাত রয়েছে বলে দাবি করেন বাপ্পা। শুক্রবার বাপ্পার গোপন জবানবন্দিও নেওয়া হয়। এরপরই সোমবার আসানসোল আদালত চত্বর থেকেই গ্রেফতার করা হয় সুদীপ্তকে।

    আরও পড়ুন: কয়লা পাচার কাণ্ডে ফের ইডির তলব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে

    আজ, মঙ্গলবার তাঁকে আসানসোল আদালতে পেশ করার কথা। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে আসানসোল পুলিশ। এদিকে সুদীপ্তকে গ্রেফতার করার পর সোমবার রাতের দিকে তাঁর বর্ধমানের বড়নীলপুর মোড়ের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। গভীর রাতে সেখানে তল্লাশি চালিয়েছিল আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ। অভিযানে রয়েছে বর্ধমান থানার পুলিশও। এরপর তদন্তে নেমে মেমারির রসুলপুর থেকে আরও এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। এমনকী, সুদীপ্ত রায়ের কাছ থেকে বাপ্পা চট্টোপাধ্যায়ের নকল আধার কার্ড পাওয়া গিয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Gyanwant Singh: কয়লাপাচার মামলায় ইডির দফতরে হাজিরা এড়ালেন জ্ঞানবন্ত! কীসের ভয়?

    Gyanwant Singh: কয়লাপাচার মামলায় ইডির দফতরে হাজিরা এড়ালেন জ্ঞানবন্ত! কীসের ভয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লাপাচার কাণ্ডে সোমবার দিল্লিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) সদর দফতরে হাজিরা এড়ালেন রাজ্য পুলিশের এডিজি এসটিএফ জ্ঞানবন্ত সিং (ADG STF Gyanwant Singh) ৷  এ দিন সকাল ১১ টায় দিল্লিতে ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু হাজিরা দেননি তিনি। 

    এডিজি এসটিএফ জ্ঞানবন্ত সিং-কে এর আগেও দিল্লিতে তলব করা হয়েছিল। ইডির দফতরে হাজিরাও দিয়েছিলেন তিনি। ইডি সূত্রের খবর, বাংলায় যখন রমরমিয়ে কয়লাপাচার চক্র কাজ চালাচ্ছিল, সেই সময় রাজ্যের এডিজি আইনশৃঙ্খলা পদে ছিলেন এই জ্ঞানবন্ত। তাঁর নজর এড়িয়ে কীভাবে কোটি কোটি টাকার কয়লাপাচার হল, তা জানতে চাইছে ইডি ৷ সূত্রের খবর, কয়লাকাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালাকে জেরা করেই জ্ঞানবন্তের নাম জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। তারপরই তাঁকে তলব করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: কয়লা কাণ্ডেও সক্রিয় ইডি, তলব ৮ আইপিএস অফিসারকে

    শুধু জ্ঞানবন্ত নয়, রাজ্যের মোট আটজন আইপিএস অফিসারকে তলব করেছে ইডি। যাঁদের তলব করা হয়েছে, সেই তালিকায় জ্ঞানবন্ত ছাড়াও রয়েছেন আইপিএস শ্যাম সিং, রাজীব মিশ্র, তথাগত বসু, সুকেশ জৈন, ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, এস সেলভামুরুগন ও কোটেশ্বর রাও। তাঁরা প্রত্যেকেই বিভিন্ন ওই সময় কোনও না কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। এদের মধ্যে কেউ সেই সময় ছিলেন ডিআইজি, কেউ আইজি, কেউ পুলিশ সুপার। তাঁরা কি কয়লা পাচারের ব্যাপারে ওয়াকিবহাল ছিলেন? পুলিশ আধিকারিকদের সামনে দিয়ে কী ভাবে পাচার হত? তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।

    জ্ঞানবন্ত পশ্চিমাঞ্চলের আইজিও ছিলেন। পশ্চিমাঞ্চলের বিরাট এলাকা জুড়ে এই কয়লা চুরি রমরমিয়ে চলে বলে জানতে পারেন তদন্তকারী অফিসারেরা। কীভাবে তাঁর নজর এড়িয়ে কয়লাপাচার হল? দায়িত্ববান পুলিশ আধিকারিক হয়েও কেন আইনি পদক্ষেপ নেননি তিনি? কয়লাপাচার হচ্ছে, এই খবর তিনি কি জানতেন না? এমন একাধিক প্রশ্ন রয়েছে ইডির কাছে, বলে খবর। এই মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর স্ত্রী রুজিরাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি।

  • Anubrata Mondal: কোথায় কেষ্ট? পার্থর পর এবার কি অনুব্রতর পালা? জোর জল্পনা!

    Anubrata Mondal: কোথায় কেষ্ট? পার্থর পর এবার কি অনুব্রতর পালা? জোর জল্পনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলেছিলেন একুশের (TMC Shahid Diwas) সমাবেশে উপস্থিত থাকবেন। একেবারে দলনেত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই মঞ্চে থাকবেন। এও জানিয়েছিলেন, তাঁর জেলা থেকে ২ লক্ষ মানুষ সমাবেশে যোগ দেবে। বাকিটা ইতিহাস। কোনও কথাই রাখতে পারেননি কেষ্ট। 

    কিন্তু, একুশের সভায় না থেকে কোথায় ছিলেন অনুব্রত (Anubrata) মণ্ডল? জানা গিয়েছে, বাড়িতেই ছিলেন কেষ্ট। ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন, তাঁর শরীর ভালো নেই। তাই তিনি যেতে পারেননি। এই প্রথম নয়। বেশ কিছুদিন যাবৎ কেষ্টকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। দলীয় কার্যালয়ে নেতা-কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করলেও প্রকাশ্য কোনও সভায় দেখা যায়নি অনুব্রতকে। সূত্রের খবর, এখন নাকি অনুব্রত বোলপুরের বাড়ি থেকে আর বেরোতে চাইছেন না। কারও সঙ্গে দেখা করছেন না। 

    কিন্তু, কীসের জন্য দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশে হাজির থাকতে পারলেন না দলনেত্রীর প্রিয় কেষ্ট? এমন কী হয়েছে তাঁর? সূত্রের দাবি, গত কয়েকদিনে বারবার শিরোনামে উঠে এসেছেন বীরভূমের এই নেতা ৷ বর্তমানে পাঁচটি মামলায় কেষ্টর মাথার ওপর কেন্দ্রীয় তদন্তের খাঁড়া ঝুলছে। গরু পাচার, গৌরব সরকার খুনের মামলা, জোড়া বোমা বিস্ফোরণ, বগটুই ও ভাদু শেখের খুনের ঘটনা। এরমধ্যে, বোমা বিস্ফোরণের তদন্ত করছে এনআইএ। বাকিগুলি খতিয়ে দেখছে সিবিআই (CBI)।

    আরও পড়ুন: গরু পাচার মামলায় বিপুল সম্পত্তির হদিশ অনুব্রতর? আদালতে তথ্য দিল সিবিআই

    সূত্রের খবর, এছাড়াও গরুপাচারকয়লা পাচারের ঘটনায় শোনা যাচ্ছে, খুব শীঘ্রেই আসরে নামতে চলেছে ইডি-ও (Enforcement Directorate)। দিল্লির ইডি দফতর থেকে কলকাতার সিবিআই দফতরে চিঠি পাঠানো হয়েছে এবং বিভিন্ন তথ্য চাওয়া হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এর পর কেষ্ট মণ্ডল ও তাঁর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলের দিকে ঘুরতে পারে ইডি তদন্তের ভার। শোনা যাচ্ছে, মেয়ে ও মৃত স্ত্রীর নামে বিপুল সম্পত্তি রয়েছে কেষ্টর। তার হদিশ মিলেছে। এর পাশাপাশি, রাজ্যের এক মন্ত্রীর সঙ্গে বহু পার্টনারশিপে বেনামি সম্পত্তির খোঁজ পেয়েছে ইডি।

    সবমিলিয়ে, এখন চরম সংকটের মুখে অনুব্রত। একুশের মঞ্চ থেকে দলনেত্রীর মুখ দিয়ে ১৩০ বার ইডি-সিবিআই-ভয় শব্দগুলি বেরিয়েছে। তা শুনেই কি আরও ভয় পাচ্ছেন কেষ্ট?

  • Coal Scam: কয়লা-কাণ্ডে ধৃত আরও এক ইসিএল কর্তা! ইডির দফতরে হাজিরা এড়ালেন তৃণমূল মন্ত্রী-বিধায়ক

    Coal Scam: কয়লা-কাণ্ডে ধৃত আরও এক ইসিএল কর্তা! ইডির দফতরে হাজিরা এড়ালেন তৃণমূল মন্ত্রী-বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal Scam) শুক্রবার ইডির কাছে গেলেন না রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটক (Moloy Ghatak) এবং তৃণমূল বিধায়ক সুশান্ত মাহাতো। এদিন দিল্লির সদর দফতরে দু’জনকে তলব করেছিল ইডি (ED)। এ নিয়ে চতুর্থবার ইডির তরফে মলয়কে ডাকা হয়। কিন্তু এদিনও হাজিরা এড়ালেন মন্ত্রী। অন্যদিকে,কয়লা দুর্নীতিতে আবার ইস্টার্ন কোলফিল্ড লিমিটেডের এক প্রাক্তন কর্তাকে গ্রেফতার করে সিবিআই (CBI)। এদিন ইসিএলের প্রাক্তন জেনারেল ম্যানেজার সুভাষ মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে তদন্তকারী অফিসারেরা। আজ, শনিবার তাঁকে আসানসোলের সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে তোলা হয়। তাঁকে ৩ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেয় আসানসোল আদালত। 

    সূত্রের খবর, শুক্রবার সময় পেরিয়ে গেলেও ইডির সদর দফতরে যাননি মন্ত্রী মলয়। এমনকি বাঘমুন্ডির তৃণমূল বিধায়ক সুশান্ত মাহাতোও আসেননি। তবে সুশান্ত তদন্তকারী অফিসারদের ইমেল করে জানিয়েছেন যে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ব্যস্ত থাকায় এদিন যেতে পারেননি তিনি। আরও জানিয়েছেন, প্রয়োজনে কলকাতায় এসে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন অফিসাররা। কিন্তু, হাজিরা এড়ানোর বিষয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারদের কিছুই জানাননি মলয় ঘটক। ফের মলয়কে নোটিস পাঠাতে পারে ইডি।

    আরও পড়ুন: কোটি কোটি টাকার লেনদেন! ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতে ৭ ইসিএল আধিকারিক

    অন্যদিকে শুক্রবার সকালেই কলকাতার নিজাম প্যালেসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই নোটিশ দিয়ে ডেকে পাঠায় ইসিএলের প্রাক্তন কর্তা সুভাষ মুখোপাধ্যায়কে। দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদের পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মাস তিনেক আগেই তিনি ইসিএলের শাঁকতরিয়ার সদর দফতরের জেনারেল ম্যানেজার পদ থেকে অবসর নেন বলে জানিয়েছেন অভিযুক্তের আইনজীবী উদয়চাঁদ মুখোপাধ্যায়। ২০২০ সালে কয়লা কাণ্ডের মামলায় সুভাষ বাবুর ফ্ল্যাটে সিবিআই তল্লাশি চালিয়ে কিছু কাগজপত্র, আবাসনের দলিল এবং ২৬ টি কিষান বিকাশ পত্র ও বেশ কয়েক লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করেছিল। সম্প্রতি সুভাষ মুখোপাধ্যায় কলকাতার উচ্চ আদালতে ওই জিনিসগুলি ফেরত পাওয়ার আবেদন জানান। আদালত জানিয়েছিল সিবিআই আদালতেই এর আবেদন করতে হবে। সেইমতো গত ৩০ মার্চ আসানসোলের সিবিআই আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী সিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছিলেন বাড়ির দলিল, কিষান বিকাশ পত্র সহ বেশ কিছু কাগজ ফেরত দেওয়ার। যদিও ধৃতের আইনজীবির দাবি টাকা বাদ দিয়ে আদালতের নির্দেশ মতো বাকি সব নথিপত্রই সিবিআই ফেরত দিয়েছে। 

    এদিন সিবিআইয়ের তরফে দাবি করা হয়, সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া অনুপ মাঝি ওরফে লালার যোগসূত্র মিলেছে। তাই তাঁকে ফের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয়। কীভাবে লালা ইসিএলের জমিতে বেআইনিভাবে কয়লা তোলার সুযোগ পেল, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন করা হয় ইসিএলের প্রাক্তন জিএমকে। কোনও প্রশ্নেরই সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি। তাই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

     

  • Coal Scam: কোটি কোটি টাকার লেনদেন! ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতে  ৭ ইসিএল আধিকারিক

    Coal Scam: কোটি কোটি টাকার লেনদেন! ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতে  ৭ ইসিএল আধিকারিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার-কাণ্ডে ধৃত ইস্টার্ন কোল্ডফিল্ড লিমিটেড (ECL)-এর সাত জন বর্তমান ও প্রাক্তন কর্তাকে পাঁচ দিনের সিবিআই হেফাজতে পাঠাল আদালত। বৃহস্পতিবার আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী এই নির্দেশ দিয়েছেন। বুধবার সকাল থেকে দফায় দফায় জেরা শেষে গ্রেফতার করা হয় সাত কর্তাকে। যাদের মধ্যে বর্তমান জেনারেল ম্যানেজার পদমর্যাদা’র বেশ কয়েকজন রয়েছেন আবার রয়েছেন দুইজন সিকিউরিটি ম্যানেজারও। বৃহস্পতিবার ধৃতদের আসানসোল আদালতে তোলা হয়। সেখানে ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার দাবি জানান তদন্তকারীরা। 

    আরও পড়ুন: কয়লা-পাচার কাণ্ডে আজ সিবিআই আদালতে সাত ইসিএল কর্তা

    সিবিআইয়ের দাবি, কয়লা-কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে এই অভিযুক্তদের। পাশাপাশি, তাঁদের অর্থ লেনদেনের বিভিন্ন তথ্য সিবিআই এর হাতে এসেছে। সরকারি আধিকারিকও হয়েও অভিযুক্তেরা সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করার যথেষ্ট চেষ্টা করেননি বলে সিবিআইয়ের দাবি। বরং নিজেদের পদে থেকে বিভিন্ন ভাবে ব্যক্তিগত লাভের বিনিময়ে কয়লা-কাণ্ডের মূল অভিযুক্তদের সাহায্য করেছেন তাঁরা। তদন্তকারীদের কথায়, ২০১৮ সাল থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ধৃতদের মদতেই কয়লা কেলেঙ্কারি ঘটে। এমনকি মোটা অঙ্কের টাকাও লেনদেন হয়েছে বলে অভিযোগ। 

    আরও পড়ুন: এবার কয়লা পাচারকাণ্ডে তৃণমূল বিধায়ক সওকত মোল্লাকে তলব সিবিআইয়ের

    উল্লেখ্য, ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন বর্তমান ইসিএল আধিকারিক এসসি মৈত্র। রয়েছেন, ইসিএলের তিন প্রাক্তন জেনারেল ম্যানেজার সুশান্ত ব্যানার্জি, অভিজিৎ মল্লিক এবং তন্ময় দাস। তন্ময় দাস আগে ইসিএলের প্রধান নিরাপত্তা আধিকারিক ছিলেন। এ ছাড়াও গ্রেফতার করা হয়েছে নিরাপত্তা আধিকারিক ম্যানেজার মুকেশ কুমার, নিরাপত্তা আধিকারিক রিঙ্কু বেহেরা ও দেবাশিস মুখোপাধ্যায়কে। অভিযুক্তদের আইনজীবীরা দাবি করেন, তাঁদের মক্কেলদের হিসাব বহির্ভূত কোনো সম্পত্তি বা অর্থের হদিস সিবিআই পায়নি। ধৃত তন্ময় দাসের আইনজীবী জানান, তাঁর মক্কেল রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতরে এমনকি মুখ্যমন্ত্রীকে পর্যন্ত চিঠি দিয়েছেন। সিআইএসএফ আধিকারিকদেরও বিষয়টি জানিয়েছেন। অর্থাৎ যা যা করণীয় সবই করেছেন। সব অভিযোগ মিথ্যা। তবে সিবিআইয়ের দাবি, তাঁরা প্রমাণ হাতে নিয়েই সব কাজ করছেন।

  • Coal Scam: কয়লা-কাণ্ডে সিবিআইয়ের চার্জশিটে ৪১ জনের নাম! জানুন কে কে সেই তালিকায়

    Coal Scam: কয়লা-কাণ্ডে সিবিআইয়ের চার্জশিটে ৪১ জনের নাম! জানুন কে কে সেই তালিকায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal Scam) মঙ্গলবার আসানসোলের বিশেষ আদালতে চার্জশিট জমা দিল দিল সিবিআই (CBI)। ৪১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে সেই চার্জশিটে। সোমবারই বিনয় মিশ্র এবং লালা ওরফে অনুপ মাজির তিন সহযোগীর নামে বিশেষ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালত।

    সূত্রের খবর, অনুপ মাজি ও বিকাশ মিশ্র ছাড়াও ৮ জন ইসিএল অফিসার, ৪ জন কয়লা মাফিয়া (জয়দেব মণ্ডল, নারায়ণ খারকা ওরফে নারায়ণ নন্দ, নীরদ মণ্ডল এবং গুরুপদ মাঝি), ১০ জন কোম্পানি ডিরেক্টর, ১৫ জন কয়লা কারবারির নাম রয়েছে চার্জশিটে। বিনয় মিশ্র ও রত্নেশ্বর ভার্মা দুজনেই পলাতক। তাদের নামেও চার্জশিট দিয়েছে সিবিআই।

    গত শনিবার বিনয় মিশ্র সহ বেশ কয়েকজনের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে চেয়ে আদালতে বিশেষ রিপোর্ট জমা দিয়েছিল সিবিআই। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, কীভাবে কয়লা মাফিয়ারা অবৈধভাবে কয়লা পাচার করত এবং কীভাবে তাদের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক চালু ছিল, সেই সমস্ত তথ্য এদিন আদালতে তুলে দেওয়া হয়। কয়লা পাচার কাণ্ডে একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যে সব নথিপত্র সিবিআই-এর গোয়েন্দারা হাতে পেয়েছেন এবং যে সব তথ্যপ্রমাণ তাঁরা একত্রিত করেছেন, সেই সব কিছু সংশ্লিষ্ট চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: মহামারির পর মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি! জানুন কী বলছে সমীক্ষা

    কয়লা পাচার কাণ্ডে সিবিআই চার্জশিট জমা দিলেও এ নিয়ে এখনও পর্যন্ত চার্জশিট দেয়নি সিআইডি। এই দুর্নীতি নিয়ে সিবিআইয়ের সমান্তরাল তদন্ত চালাচ্ছে সিআইডি। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে গঠন করা হয় ২০ জনের এই তদন্তকারী দল। যার নেতৃত্বে রয়েছেন সিআইডির ডিআইজি। কয়লা কাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৩০টির বেশি মামলার দায়ের হয়েছে। উল্লেখ্য, ইসিএলের পক্ষ থেকে কয়লা চুরি, দুর্নীতি–সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়েছে। প্রথমে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মামলা নিয়ে তদন্ত শুরু করে সিআইডি। বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদিকে বিনয় মিশ্র, রত্নেশ্বর ভার্মা, নীরজ সিং এবং অমিত সিংয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।

  • coal scam: কয়লা-পাচার কাণ্ডে আজ সিবিআই আদালতে সাত ইসিএল কর্তা

    coal scam: কয়লা-পাচার কাণ্ডে আজ সিবিআই আদালতে সাত ইসিএল কর্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা দুর্নীতিতে (Coal Scam) সিবিআই-এর (CBI) জালে সাতজন ইসিএল (ECL) কর্তা। সংস্থার বর্তমান জেনারেল ম্যানেজার এসসি মিত্র-সহ মোট সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বর্তমান জিএম এসসি মিত্র ছাড়াও, ধৃতরা হলেন প্রাক্তন জেনারেল ম্য়ানেজার অভিজিৎ মল্লিক, সুশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়, তন্ময় দাস। এছাড়া গ্রেফতার হয়েছেন ইসিএল-এর ম্যানেজার মুকেশ কুমার। দু’জন নিরাপত্তাকর্মীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার সকালে নিজাম প্যালেসে ডেকে ওই সাতজনকে অনেক ক্ষণ ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। তাদের বিরুদ্ধে প্রমাণ নিয়েই জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। সারাদিন ধরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, ধৃতদের উত্তরে অসঙ্গতি মেলে। এরপরই সংস্থার বর্তমান ও প্রাক্তন-সহ ৪ জেনারেল ম্য়ানেজার এবং আরও তিন জনকে গ্রেফতার করে অ্য়ান্টি কোরাপশন ব্রাঞ্চ।

    আরও পড়ুন: রুজিরা নারুলাকে চেনেন না রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়, কয়লাপাচার তদন্তে গোলকধাঁধায় সিবিআই-ইডি

    সিবিআই সূত্রে খবর, কয়লা মাফিয়াদের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগ রয়েছে এই সাতজনের বিরুদ্ধেই। আর সেই সংক্রান্ত বেশ প্রমাণও ইতিমধ্যেই তদন্তকারী অফিসারেরা পেয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার ধৃত সাতজনকেই আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে তোলা হবে বলে জানা যাচ্ছে। গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে কয়লা এবং গরু পাচার-কান্ডের তদন্ত শুরু করে সিবিআই। দুই মামলাতে আর্থিক লেনদেন নিয়ে তদন্ত করছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও (ED)। ইতিমধ্যেই কয়লা -পাচার কাণ্ডে মোট ২৩ কোটি ৪০ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি।

    আরও পড়ুন: কোলে ২ বছরের ছেলে, ইডি-র তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির রুজিরা

    তদন্তে একাধিক প্রভাবশালীকে ইতিমধ্যে জেরা করেছে সিবিআই। এমনকি খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamta Banerjee) ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) পর্যন্ত দফায় দফায় জেরা করা হয়েছে। সিবিআই সূত্রে জানানো হয়েছে, ইসিএলের এই সাতজনই দীর্ঘদিন ধরে সিবিআই র‍্যাডারে ছিলেন। এমনকি তাঁদের বাড়িতে এবং অফিসেও একাধিকবার তল্লাশি চালানো হয়েছে। বেশ কিছু নথিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কয়লা পাচার-কাণ্ডে ইস্টার্ন কোল্ডফিল্ড লিমিটেডের সাত কর্মীর গ্রেফতারির ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

     

LinkedIn
Share