Tag: Coal Smuggling

Coal Smuggling

  • CBI: কয়লা পাচার মামলার চার্জ গঠন ২৫ তারিখ, প্রক্রিয়া শুরু হল আসানসোল সিবিআই আদালতে

    CBI: কয়লা পাচার মামলার চার্জ গঠন ২৫ তারিখ, প্রক্রিয়া শুরু হল আসানসোল সিবিআই আদালতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার (Coal Smuggling) মামলায় চার্জ গঠনের প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল। বৃহস্পতিবার সিবিআই (CBI) আদালতে চার্জ গঠনের প্রস্তাব দিলেন সিবিআই আইনজীবী রাকেশ কুমার। নির্দিষ্ট মামলা ও ধারা সহ প্রস্তাব গ্রহণ করেন বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী। এর আগে গত ৩ জুলাই কয়লা পাচার মামলার চার্জ গঠনের দিন ধার্য হয়েছিল। অভিযুক্ত ও একাধিক সাক্ষী আদালতে অনুপস্থিত থাকায় ওইদিন চার্জ গঠন হয়নি। তারপরেই বিচারক ৯ অগাস্ট দিন ধার্য করেছিলেন। সেবার আদালতে কর্মবিরতি থাকায় চার্জ গঠন হয়নি। এরপর ৭ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য হয়। সেদিন দুটি সংস্থার বা কোম্পানির জটিলতা থাকায় চার্জ গঠন হয়নি। তারপরেই ১৪ নভেম্বর দিন ধার্য করেন সিবিআই আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী। ১৪ নভেম্বর অর্থাৎ বৃহস্পতিবার শুরু হয় চার্জ গঠনের (Coal Smuggling) প্রাথমিক প্রক্রিয়া।

    আদালতে কী হল? (CBI)

    এদিন সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ শুনানি শুরু হয় আসানসোল সিবিআই আদালতে। সেখানে সিবিআইয়ের আইনজীবি রাকেশ কুমার চার্জ গঠনের আবেদন জানান। বিচারপতি রাজেশ চক্রবর্তী সিবিআইয়ের আইনজীবির কাছে জানতে চান কোন কোন ধারায় কাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে। তখন রাকেশ কুমার বলেন, পাবলিক সারভেন্ট বা সরকারের ১২ জন ইসিএল কর্মী, কোম্পানির ১০ ও ইনডিভিজুয়াল বা ব্যক্তিগত ভাবে ২৭ জনের নামে মোট তিনটি ভাগে বিভিন্ন ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে। যদিও বেশ কয়েকটি ধারাকে চ্যালেঞ্জ করেন অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবীরা। তাঁরা তাঁদের স্বপক্ষে বক্তব্য রাখার জন্য সময় চাইলে বিচারক আগামী সোমবার ১৮ নভেম্বর তাঁদের বক্তব্য রাখার দিন ধার্য করেন। আশা করা হচ্ছে, সেই (Coal Smuggling) শুনানির পরে কয়লা পাচার মামলায় বহু চর্চিত চার্জ গঠনের অন্য একটি দিন ঠিক করা হবে। বিচারক জানিয়েছেন, আগামী ২৫ তারিখ চার্জ গঠন করা হবে।

    আরও পড়ুন: প্ররোচনা দিয়ে করা হয়েছিল খ্রিস্টান, ফের সনাতন ধর্মে ফিরলেন প্রায় ১৫০ হিন্দু

    তিনটি চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআই

    কয়লা পাচার মামলায় মূল কিংপিন অনুপ মাজি ওরফে লালা, রত্নেশ ভর্মা ও বিকাশ মিশ্রর বিরুদ্ধে আলাদা করে বিশেষ কিছু ধারা যোগ করা মামলায় চার্জ দেওয়া হয়। সিবিআইয়ের (CBI) এই মামলায় ৩৯৬ জন সাক্ষী রয়েছেন। মামলায় অভিযুক্ত ৫০ জন। প্রত্যেকের জন্য রয়েছে ২৫ হাজার পাতার নথি। রয়েছে ১১৪৯ পাতার তথ্যপ্রমাণ। এই মামলায় সিবিআই মোট তিনটি চার্জশিট জমা দিয়েছে। এই মামলায় মোট ৫০ জন অভিযুক্ত রয়েছেন। এর মধ্যে বিনয় মিশ্র ফেরার। এক ইসিএল কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ ৪৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন হবে। এদিন ৪৮ জনের মধ্যে ৪৬ জন উপস্থিত ছিলেন।

    অভিযুক্তদের আইনজীবী কী বললেন?

    অভিযুক্তদের তরফে তিন আইনজীবী শেখর কুণ্ডু, সোমনাথ চট্টরাজ ও অভিষেক মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘আগামী সোমবার আমরা আমাদের বক্তব্য রাখব। সিবিআইয়ের (CBI) তরফে বেশ কিছু ধারা দেওয়া হয়েছে। তা নিয়ে আমাদের আপত্তি আছে। আমরা সেটাই বলব।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bengal Coal Scam Case: কয়লাকাণ্ডে ১০ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পেলেন অনুপ মাঝি

    Bengal Coal Scam Case: কয়লাকাণ্ডে ১০ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পেলেন অনুপ মাঝি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচারকাণ্ডে (Bengal Coal Scam Case) শর্তসাপেক্ষে জামিন পেলেন লালা। নিজের বাড়ি পুরুলিয়ার নিতুরিয়া থানা এলাকা থেকে ৫০ কিলোমিটারের বাইরে যেতে পারবেন না। ট্রায়াল শেষ না হওয়া পর্যন্ত এমন আদেশ থাকবে। ১০ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে শর্ত সাপেক্ষে জামিন পেয়েছেন তিনি। আগামী ২১ মে চূড়ান্ত ফাইনাল চার্জশিট জমা দেওয়ার পর এই মামলার ট্রায়াল শুরু হবে।

    ভোটের দিন আত্মসমর্পণ করে করে ছিলেন লালা (Bengal Coal Scam Case)

    আজ মঙ্গলবার কয়লা পাচার মামলায় আত্মসমর্পণ করেছিলেন অনুপ মাঝি ওরফে লালা। এই কয়লা পাচার মামলায় প্রধান অভিযুক্তদের মধ্যে তিনি রয়েছেন। এদিন আসানসোল সিবিআই আদলাতে হাজিরা দেন। এই কয়লা পাচার মামলায় গুরুপদ সহ মোট চারজন প্রথমে গ্রেফতার হয়েছিলেন। কিন্তু পরে তিনজন মামলায় জামিন পেয়েছিলেন।

    গ্রেফতারিতে ছিল রক্ষা কবচ

    জানা গিয়েছে, আগেই সুপ্রিম কোর্ট থেকে লালা রক্ষাকবচ নিয়ে ছিলেন। সিবিআই সেই জন্য তাঁকে গ্রেফতার করেনি। কিন্তু কয়লা পাচার (Bengal Coal Scam Case) তদন্তের চার্জ গঠন করার নির্দেশ দেয় আসানসোলের বিশেষ আদালত। বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী মামলায় অত্যন্ত তৎপর ছিলেন। আগামী ২১ তারিখ ছিল এই চার্জ পেশ করার সময়। কিন্তু সিবিআই আদালতে জানায় যে লালাকে জিজ্ঞাসাবাদ না করলে মামলায় চূড়ান্ত চার্জশিট গঠন সম্ভব নয়। আবার বিচারক জানান, গ্রেফতারির ক্ষেত্রে রক্ষা কবচ রয়েছে কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদে বাধা নেই। এরপর লালার খোঁজে অভিজান শুরু হয়। গতকাল আসানসোলে ভোট পর্ব ছিল। ভোট শেষ হেতেই লালা আদলাতে আত্মসমর্পণ করেন। অপর দিকে এই মামলায় আবার ইডি তদন্ত করছে। সেখানে অবশ্য রক্ষা কবচ নেই। ফলে লালার আবার গ্রফতার হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

    আরও পড়ুনঃ“তৃণমূল নেতাদের বাড়ি গিয়ে কলার ধরে টাকা আদায় করুন”, তোপ সুকান্তর

    মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন অনুব্রত

    ২০২০ সালে কয়লা পাচার মামালার (Bengal Coal Scam Case) তদন্ত শুরু হয়েছিল। রেলের বিভিন্ন সাইডিং থেকে কয়লা চুরি করার ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় তদন্ত। লালার বাড়ি, অফিসে তল্লাশি চালিয়ে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়। লালার সঙ্গী গুরুপদ এখনও তিহাড় জেলে বন্দি। গরু পাচারের সময় এনামুলের সঙ্গে সিন্ডিকেটের সাহায্য নিতেন লালা। উত্তরবঙ্গ সহ একাধিক রাজ্যে গরু পাচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। উল্লেখ্য কয়লা পাচারকাণ্ডে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার জেরার মুখে পড়েছেন তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যে এই গরু পাচার মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল।     

          

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Coal Scam Case: কয়লা পাচারকাণ্ডে সিবিআই ফের সক্রিয়, লালা ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে হানা

    Coal Scam Case: কয়লা পাচারকাণ্ডে সিবিআই ফের সক্রিয়, লালা ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে হানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার মামলায় রাজ্য জুড়ে ফের সিবিআই হানা। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজ্যের নানা জায়গায় কয়লা পাচারকাণ্ডে অভিযুক্ত লালা ওরফে অনুপ মাজি ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে-অফিসে অভিযান শুরু করেছে। এদিন সকাল থেকেই সক্রিয় সিবিআই। তদন্তকারী দলের অফিসাররা একাধিক দলে বিভক্ত হয়ে ভবানীপুর, আসানসোল, মালদা এবং পুরুলিয়ায় তল্লাশি চালাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে।

    রাজ্যের শাসক দলের একাধিক নেতা, মন্ত্রী কয়লা পাচার (Coal Scam Case) কাণ্ডে অভিযুক্ত বলে সিবিআই-ইডি জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে। বীরভূমের অনুব্রত মণ্ডল ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে গ্রেফতার হয়ে তিহার জেলে বন্দি। উল্লেখ্য তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও কয়লাকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হতে হয়েছে। সিবিআইয়ের তল্লাশি অভিযান ফের একবার রাজ্যে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।

    সিবিআই সূত্রে খবর (Coal Scam Case)

    রাজ্যের জেলা জুড়ে ১২ টি জায়গায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অভিযান চালাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, আসানসোলের স্নেহাশিস তালুকদার নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালানো হচ্ছে। মালদার রতুয়ার শ্যামল সিং নামে আরও এক ব্যক্তির বাড়িতেও তদন্তকারী সংস্থা হানা দিয়েছে। উল্লেখ্য দু’জনই কয়লা পাচারকাণ্ডে (Coal Scam Case) অভিযুক্ত লালার খুব ঘনিষ্ঠ। এই স্নেহাশিস লালার আর্থিক হিসেবের কাজ দেখাতেন। পাশপাশি বৃহস্পতিবার সকালে ভবানীপুরের এক আবাসনে তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই।

    কয়লা পাচার মামলায় প্রধান অভিযুক্ত লালা

    ২০২০ সালে কয়লা পাচারের (Coal Scam Case) তদন্ত শুরু করে সিবিআই। লালা ওরফে অনুপ মাজি হলেন এই মামলায় প্রধান অভিযুক্ত। বর্তমানে তিনি সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন নিয়েছেন। এই লালা আবার তৃণমূলের খুব ঘনিষ্ঠ। লালার সঙ্গে গুরুপদ মাজি নামক আরও চারজনকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। লালা জামিন পেলেও বাকিরা তিহার জেলে বন্দি। উল্লেখ্য এই কয়লা পাচার মামলায় তৃণমূলের তৎকালীন যুব সহ সভাপতি বিনয় মিশ্রও প্রধান অভিযুক্ত। তদন্তকারী অফিসারেরা তাঁর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি করেছেন। বর্তমানে তিনি পলাতক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Coal Smuggling: মোষের গাড়িতে কয়লা পাচার! পুলিশ দেখেই অন্ধকারে মিলিয়ে গেল চালকরা

    Coal Smuggling: মোষের গাড়িতে কয়লা পাচার! পুলিশ দেখেই অন্ধকারে মিলিয়ে গেল চালকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুলকি চালে চলছে মোষের গাড়ি। মোষের পিঠে লাঠির ঘা দিতে দিতে চালক বলছেন, হ্যাট, হ্যাট। মার খেয়ে জোরে গাড়ি টানার চেষ্টা করছে মোষ। বাঁশ আর চটে ঘেরা মোষের গাড়িতে  পাচার হচ্ছিল কয়লা (Coal Smuggling)। বস্তায় ভরা। ওপরে ছড়ানো ছিল খড়। এক ঝলক দেখলে মনে হয়, গবাদি পশুর খাবার নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে মোষের গাড়ি টানার ধরন দেখে সন্দেহ হয় কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদের। গাড়ি থামান তাঁরা। পুলিশ দেখে আঁধার রাতে গা ঢাকা দিয়েছেন মোষের গাড়ির চালকরা। খড় সরিয়ে চক্ষু চড়কগাছ পুলিশের। দেখে, বস্তায় ভর্তি কয়লা। পরপর ছটি গাড়ি থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয় প্রায় ১২ টন কয়লা। শুক্রবার গভীর রাতে ওই কয়লা বাজেয়াপ্ত হয়েছে বীরভূমের (Birbhum) সদাইপুর থানার রেঙ্গুনি গ্রামের রাস্তা থেকে। ছটি গাড়ি ভর্তি কয়লা কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

    কয়লা পাচার…

    পুলিশ জানিয়েছে, দুবরাজপুরের সালুঞ্চি গ্রাম থেকে সদাইপুর এলাকা হয়ে সিউড়ির দিকে যাচ্ছিল ৬টি মোষের গাড়ি। সূত্র মারফত খবর পেয়ে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, মোষের গাড়িগুলিতে কয়লা বোঝাই রয়েছে। সেই মতো রেঙ্গুনি গ্রামের রাস্তায় ওত পেতেছিল পুলিশ। গাড়িগুলি ওই এলাকায় আসতেই সেগুলিকে আটক করা হয়। বাজেয়াপ্ত হয় কয়লা।

    এদিকে, কয়লা পাচার করতে গিয়ে মহম্মদবাজার থানার পুলিশের হাতে ধৃত এক ট্রাক চালক। ভুয়ো চালান কেটে ইসিএলের খনি থেকে কলয়া পাচার করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে খবর, ট্রাক চালক যে চালান দেখান, তাতে মুর্শিদাবাদের এক ব্যক্তির নাম ছিল। যদিও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, এই কয়লা তাঁর নয় বলে পুলিশকে জানিয়ে দেন ওই ব্যক্তি। পরে অবশ্য ওই কয়লা ঝাড়খণ্ডে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে স্বীকার করেন ট্রাক চালক। এর পরেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।

    আরও পড়ুুন: বেনামি অ্যাকাউন্টে নথি কার? গরুপাচার কাণ্ডে আরও ঘনীভূত রহস্য

    এর আগেও বীরভূমের বিভিন্ন এালাকায় কয়লা পাচারের অভিযোগ উঠেছে। লরি, পিকআপ ভ্যানের পাশাপাশি মোষের গাড়ি মায় বাইকে করেও কয়লা পাচারের অভিযোগ উঠেছে। কয়লা পাচারকে কেন্দ্র করে কোটি কোটি টাকা লেনদেন হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত করছে ইডি, সিবিআই। গ্রেফতার করা হয়েছে অনেককে। তার পরেও রাশ টানা যায়নি কালো হীরে পাচারে। বীরভূম রয়েছে বীরভূমেই!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

     

     

  • Coal Smuggling: এবার দুধের কন্টেনারে কয়লা, জামুরিয়ায় বিরল পাচারে তাজ্জব পুলিশ

    Coal Smuggling: এবার দুধের কন্টেনারে কয়লা, জামুরিয়ায় বিরল পাচারে তাজ্জব পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগেই দুধের কন্টেনারে গরু পাচার করার ঘটনায় উত্তাল হয়েছিল গোটা রাজ্য। ফের একই ঘটনা ঘটল। কিন্তু এবার গরুর বদলে কয়লা। কন্টেনারে করে কয়লা পাচারের (Coal Smuggling) ছক বানচাল করল পশ্চিম বর্ধমানের (East Bardhaman) জামুড়িয়া থানার পুলিশ! এ যেন এক সিনেমার ছক। অবৈধ কয়লা পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছে এক জন। 

    পুলিশ সূত্রে খবর, তাদের কাছে কয়েক দিন ধরে খবর আসছিল জামুড়িয়া থানা এলাকা দিয়ে প্রচুর কয়লা পাচার হচ্ছে। সূত্র মারফত খবর পেয়ে নাকা চেকিং শুরু করে পুলিশ। জামুড়িয়া- রানিগঞ্জ রাস্তায় নাকা চেকিং চলাকালীন একটি দুধের কন্টেনার আটকায় পুলিশ। সেই গাড়ির কাগজপত্র পরীক্ষা করার সময় ভিতরে কী আছে দেখতে গিয়ে হতবাক হয়ে যায় পুলিশ। দেখা যায়, দুধের কন্টেনারের ভিতরে বস্তা বস্তা কয়লা বোঝাই রয়েছে। 

    আরও পড়ুন: আভাস ছিল কি, আগেই মলয় ঘটক রাজভবন থেকে কাগজপত্র সরিয়ে ছিলেন কেন?

    কয়লা ও গরু পাচার কাণ্ডে উত্তাল গোটা রাজ্য। ইতিমধ্যেই তদন্তের ভার পেয়েছে ইডি এবং সিবিআই। রাজ্যের তদন্তকারীর সংস্থা সিআইডিও ঘটনা নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন। রাতদিন তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। কিন্তু আটকানো যাচ্ছে না বেআইনি পাচার।  

    জামুড়িয়া থানার পুলিশ গাড়ির চালককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। কোথা থেকে এল কয়লা? কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। এই পাচারের পিছনে কারা রয়েছে সে বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে। 

    আরও পড়ুন: কয়লাপাচার কাণ্ডে মলয় ঘটকের বাড়িতে সিবিআই হানা, এবার কি গ্রেফতার রাজ্যের আইনমন্ত্রী?

    পাশাপাশি ওই অঞ্চলে আর কোন কোন এলাকায় বেআইনি কয়লার কারবার চলছে সে বিষয়েও খোঁজ চালাচ্ছিল। এ নিয়ে ডিসি সেন্ট্রাল ডক্টর কুলদীপ এসএস বলেন, “পুলিশ সমস্ত থানা এলাকায় প্রত্যেকদিন নাকা চেকিং করে। জামুড়িয়ায় এই কন্টেনার উদ্ধার হয়েছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে, কোথা থেকে এই কয়লা নিয়ে আসা হয়েছে এবং কোথায় তা পাচার হচ্ছিল।”

    এর আগে পুরুলিয়ায় দুধের কন্টেনারে গরুপাচারের ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ বার দুধের কন্টেনারে কয়লা পাচারের ঘটনায় তাজ্জব পুলিশ। 

  • Rice Mills and Cattle Smuggling: বীরভূমে ১৭টি চালকলে ঢুকেছে গরু পাচারের টাকা?  কেষ্টর যোগসূত্রে তদন্তে ইডি-সিবিআই

    Rice Mills and Cattle Smuggling: বীরভূমে ১৭টি চালকলে ঢুকেছে গরু পাচারের টাকা? কেষ্টর যোগসূত্রে তদন্তে ইডি-সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচারের (Cattle Smuggling) তদন্তে নেমে বীরভূমেই অন্তত ১৭টি চালকলের সন্ধান পেল ইডিসিবিআই (ED-CBI)। জেলার ৮২টি চালকলের মধ্যে এই ১৪টি চালকলে তৃণমূল বোমমারা নেতা অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ যোগসূত্র রয়েছে বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। তবে তদন্ত এখানেই থেমে থাকছে না জেলার এক মন্ত্রী এবং এক বিধায়কের বকলমে নেওয়া কয়েকটি চালকলের সন্ধানও তদন্তকারীরা পেয়েছেন। অনুব্রত পর্ব মেটার পরই ওই চালকলগুলি নিয়ে তদন্ত শুরু করবে ইডি। কারণ, জানা গিয়েছে, গত পাঁচ বছরে জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা মিশনের অধীনে যে চাল মিলগুলি থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল তাতেও প্রভাব খাটানো হয়েছে। বীরভূমের অন্য চালকলগুলিকে বঞ্চিত করে বিপুল পরিমাণে চাল রাজ্য খাদ্য দফতরকে সরবরাহ করেছে অনুব্রত ও তার বেনামে থাকা চালকলগুলি। অন্য চালকল মালিকেরা সে বিষয়ে ইতিমধ্যেই বিশদ তথ্য তদন্তকারীদের হাতে তুলে দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: সিবিআই থেকে জেল হেফাজত হতেই কেষ্ট-‘কলঙ্ক’ ঝেড়ে ফেলতে চাইছে তৃণমূল?

    তদন্তকারী সূত্রের খবর, ২০১১ সালে সরকারে আসার পর থেকেই বীরভূমের একের পর এক চালকল হাতে নিতে থাকেন অনুব্রত ও তাঁর বেনামিরা। গত ১১ বছরে এমনই ১৭টি মিল দখল করেছে তাঁরা। এখন ইডির তদন্তের সামনে তাঁদের দেখাতে হবে, কীভাবে লগ্নি এনে এই চালকলগুলি তাঁরা দখল করেছিলেন বা কিনে নিয়েছিলেন। তদন্ত সংস্থা সূত্রের দাবি, শ্রী অম্বিকা, শান্তিময়ী, সাংড়া, সর্বোত্তম, জয় মা দুর্গা, জয় মা ভগবতী, জয় মা মহায়ামা, শ্রী কৃষ্ণ, শিবশম্ভু, মোহনানন্দ, জয় ভারত, সিউড়ি কেন্দ্রীয় সমবায় কৃষি বিপণনের নামে থাকা মিল, ইলামবাজারের জোনাল কোঅপারেটিভের অধীনে থাকা চালকল, ভোলে ব্যোম, বাবা জম্পেশ্বর, জয় বাবা জম্পেশ্বর, জম্পেশ্বর অ্যাগ্রো নামে চালকলগুলিতে অনুব্রত মণ্ডলের বিনিয়োগ লুকিয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। এছাড়া বর্ধমান এবং পুরুলিয়ার কয়েকটি মিলেও নজর রয়েছে তদন্তকারীদের।

    ইডি-সিবিআইয়ের দাবি, অনুব্রতের কন্যা, বিদ্যুৎ গায়েন, রাজীব ভট্টাচার্য, চন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়, সঞ্জীব মজুমদার, রাজা ঘোষ, সিদ্ধার্থ মণ্ডলের নামে থাকা মিলগুলি নিয়ে তদন্ত চালানো হচ্ছে। চালকল মালিকদের নথিপত্র, ব্যাংকের কাগজপত্র দেখিয়ে প্রমাণ করতে হবে তাঁরা অনুব্রত মণ্ডলের টাকা এই চালকলগুলিতে খাটাচ্ছেন না। তাঁদের নিজস্ব বিনিয়োগের তথ্যও দিতে হবে। 

    আরও পড়ুন: সিবিআই হেফাজত শেষ, জেলেই গেলেন অনুব্রত

    তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, ২০১৪ সালের পর থেকে পর পর চালকলে যে বিপুল বিনিয়োগ হয়েছে তাতে গরু, কয়লা, বালি, পাথরের বেআইনি টাকা ঢুকে থাকতে পারে। সেই কারণেই তদন্তের মুখে এই ১৭টি মিল। তদন্তকারীদের বক্তব্য, ওই মিলগুলির মালিকরা তাঁদের স্বাধীন লগ্নির তথ্য না দিতে পারলে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তির মামলা আলাদাভাবে রুজু হবে বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • IPS Koteswar Rao: জ্ঞানবন্ত না গেলেও দিল্লির ইডি দফতরে আজ যাচ্ছেন আর এক আইপিএস কোটেশ্বর রাও

    IPS Koteswar Rao: জ্ঞানবন্ত না গেলেও দিল্লির ইডি দফতরে আজ যাচ্ছেন আর এক আইপিএস কোটেশ্বর রাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  জ্ঞানবন্ত সিংহ (IPS Gyanwant Singh) হাজির হননি, কিন্তু মঙ্গলবার দিল্লিতে ইডির দফতরে হাজিরা দিতে গেলেন আইপিএস অফিসার কোটেশ্বর রাও (IPS Koteswar Rao)। কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal smuggling case) আয়কর তল্লাশিতে (Income Tax raid) মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি (Anoop Majhi) ওরফে লালার বাড়ি থেকে এমন কিছু নথিপত্র পাওয়া গিয়েছে, যেখানে কোটেশ্বরের যোগসূত্র মিলেছে। লালার ডায়েরিতেও কোটেশ্বরের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের তথ্য মিলেছে বলে ইডি দাবি করেছে। সেই প্রেক্ষিতেই আগেও একদফা ডেকে পাঠানো হয়েছিল পশ্চিমাঞ্চলে কাজ করা আট জন আইপিএসকে (ED summons 8 IPS) । এবারও সেই সূত্রেই ফের ডাক দিয়েছে ইডি (ED)।

     জ্ঞানবন্ত না গেলেও এদিন অবশ্য কোটেশ্বর হাজির হচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে। বাকি অফিসাররা এখনও লিখিতভাবে কিছু জানাননি। ফলে তাঁরাও হাজির হতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। জ্ঞানবন্ত ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে গত সোমবার ইডির হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন। তাঁকে ফের ডাকা হতে পারে বলে তদন্তকারী সংস্থাসূ্ত্রের দাবি। 

    আরও পড়ুন: বালি-পাথরের ‘নবগ্রহ’ ইডি-সিবিআইয়ের নজরে, কেষ্টর পর কে কে? 

    এছাড়াও তালিকায় রয়েছেন, রাজীব মিশ্র , সুকেশ জৈন, শ্যাম সিং, এস সেলভামুরগান, তথাগত বসু, ভাস্কর মুখোপাধ্যায়। জ্ঞানবন্ত সিংকে ডাকা হয়েছিল ২২ অগাস্ট, কোটেশ্বর রাওকে ডাকা হয়েছে ২৩ অগাস্ট, শ্যাম সিংকে ডাকা হয়েছে ২৪ অগাস্ট। এছাড়াও এস সেলভামুরুগান, রাজীব মিশ্র, সুকেশ জৈন, তথাগত বসু এবং ভাস্কর মুখোপাধ্যায়কে যথাক্রমে ২৫, ২৬, ২৯, ৩০, ৩১ অগাস্ট তলব করেছে ইডি। দিল্লির ইডি দফতরে তলব করা হয়েছে তাঁদের ৷ কয়লাপাচার কাণ্ডে ইতিমধ্যেই আইপিএস জ্ঞানবন্ত সিংকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন ইডি আধিকারিকরা ৷ দিল্লিতে দুবার ও কলকাতায় একবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে ৷ রেকর্ড করা হয়েছে তাঁর বয়ানও৷ এস সিলভা মুরুগানকেও এর আগে একবার তলব করেছে কেন্দ্রীয় এই গোয়েন্দা সংস্থা।

    আরও পড়ুন: জুলাই মাসে রাশিয়া ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম কয়লা সরবরাহকারী, বলছে রিপোর্ট 

    ইডি আধিকারিকদের দাবি, কয়লাপাচার কাণ্ডে অন্যান্যদের জেরা করে এই ৮ আইপিএস অফিসারদের নাম উঠে এসেছে ৷ আসানসোল-রানিগঞ্জ, পুরুলিয়া, বাঁকুড়াসহ একাধিক জায়গায় কর্মরত থাকা কালীন এই পুলিশ আধিকারিকদের কাছে কয়লাপাচার সংক্রান্ত কোনও তথ্য ছিল কিনা তা জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে চাইবেন ইডি আধিকারিকরা। যদি জানা থাকে তাহলে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল ? কোনও প্রভাবশালীর নাম তাঁরা জানতেন কি না? ইডির আরও প্রশ্ন থাকবে, জানা থাকলে এবিষয়ে তাঁরা কোনও ব্যবস্থা নিয়েছিলেন কি না? এবিষয়ে কোনও ব্যক্তিকে আজ অবধি জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে কি না সে বিষয়েও এই আট আধিকারিকের কাছে জানতে চাইবে ইডি। 

    আগেও এই পুলিশ কর্তাদের তলব করা হয়েছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে যে শুধু নিষ্ক্রিয় থাকার অভিযোগ রয়েছে তাই নয়, সরাসরি পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগ, পুলিশের চোখের সামনে দিয়ে লরি করে কয়লা পাচার করা হত। তারপরও পুলিশের মুখ বন্ধ ছিল। মূলত আসানসোল, পুরুলিয়া এলাকাতেই চলত পাচার। 

    এঁদের মধ্যে কেউ তখন ছিলেন জেলার পুলিশ সুপার, কেউ ছিলেন আইসি। তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, এই পুলিশ কর্তারা ইচ্ছে করেই আটকাননি পাচার। ইডি সূত্রের খবর, ওই পুলিশ আধিকারিকদের কাছে থাকত বিশেষ টোকেন নম্বর, যা দেখে কয়লার গাড়ি ছেড়ে দেওয়া হত। কার্যত পাচারে সুবিধা করে দেওয়া হত। এমনকি আর্থিক দিক থেকে লাভবানও হতেন এই পুলিশকর্তারা বলে অভিযোগ করেছে ইডি। আগেও একাধিক অফিসারকে এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

    উল্লেখ্য, কয়লাপাচার কাণ্ডে এর আগে দিল্লিতে তলব করা হয় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) এবং তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। 

    এসএসসি দুর্নীতিতে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। পার্থ ঘনিষ্ঠের বাড়ি থেকে ৫০ কোটিরও বেশি টাকা উদ্ধার হয়েছে। ওই টাকা এল কোথা থেকে তার তদন্তে নেমেছে ইডি। দশ বার নোটিস এড়ানোর পর আজ গরুপাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডলকে তার বোলপুরের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। এবার ইডির নজরে রাজ্যের ৮ আইপিএস অফিসার। ফলে রাজ্য সরকার যে যথেষ্ট বিপাকে রয়েছে তা বলাই বাহুল্য। 
        

  • Abhishek Banerjee at Dubai: সাত মাসে তিন বার দুবাই যাত্রা অভিষেকের, ফিসফিসানি দলের অন্দরেই

    Abhishek Banerjee at Dubai: সাত মাসে তিন বার দুবাই যাত্রা অভিষেকের, ফিসফিসানি দলের অন্দরেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ ঘন ঘন দুবাই (Dubai) যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বেসর্বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal scam) ইডি-র (ED) প্রশ্নবাণের মুখে পড়ার দুবাই যাওয়ার প্রবণতা আরও বেড়েছে। গত সাত মাসে তিন বার তিনি মরু দেশে গিয়েছেন। এখনও রয়েছেন দুবাইয়ে। কেন?  এই প্রশ্নেই তোলপাড় তৃণমূলের (TMC) অন্দরমহল। চলছে ফিসফিসানি।

    যদিও তৃণমূলের সর্বেসর্বার আশপাশের ব্যক্তিরা দলের নেতাদের প্রশ্নের মুখে পড়ে জানাচ্ছেন, চোখের চিকিৎসা করাতেই বার বার অভিষেককে দুবাই যেতে হচ্ছে। তা অবশ্য তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata) শিবিরে থাকা নেতা-মন্ত্রীদের বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। তাঁরা অভিষেকের দুবাই যাত্রা নিয়ে সান্ধ্য আড্ডায় এমন চর্চাও করছেন যা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিতব্য নয়। তদন্তকারীরা অবশ্য জানেন কয়লা পাচার মামলায় ‘ভাগোড়া’ বিনয় মিশ্র বছর দুই আগে দুবাইয়ে কোনও সম্পত্তি কিনতে তৎপর হয়েছিলেন। সেই সম্পত্তির বিস্তারিত অবশ্য ইডি-সিবিআইয়ের (CBI) হাতে রয়েছে। বিনয় অবশ্য ফেরার, একটি ছোট দেশের নাগরিকত্বও নিয়ে নিয়েছেন। তবে মাঝে মধ্যেই তিনি দুবাই আসেন বলেও শোনা যায়।

    আরও পড়ুন: গরু পাচারের ৪২ ঘাটে যুক্ত ৬২ আইসি-ওসি এবার সিবিআইয়ের আতসকাচে

    তৃণমূল সূত্রের দাবি, সম্প্রতি ১৪ অগাস্ট রাতের বিমানে দুবাই গিয়েছেন অভিষেক। সেদিন জাতির উদ্দেশে তাঁর ভাষণও ছিল। কিন্তু যে সময় তাঁর ভাষণ সম্প্রচারিত হয় সে সময় তিনি বিমানে ছিলেন। ফলে দলের অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, স্বাধীনতা দিবসের আগে দেশের বাইরে যাচ্ছেন তা ধামাচাপা দিতেই কি জাতির উদ্দেশে ভাষণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। দলে অভিষেকের ঘনিষ্ঠরা এনিয়ে কোনও অন্যায় দেখেন না। দেখার কথাও নয়। কারণ, কোনও নাগরিক বিদেশ গেলে প্রশ্ন করার মানে হয় না। তার পরেও তৃণমূলে মমতাপন্থীরা প্রশ্ন তুলতে ছাড়ছেন না। গত সাত মাসে কতবার অভিষেক দুবাই গিয়েছেন সেই তালিকা তাঁরাই সংবাদ মাধ্যমে ফাঁস করে দিয়েছেন। অভিষেকের মতো ভিভিআইপির মুভমেন্ট এ ভাবে প্রকাশ্যে এনে দেওয়ার পিছনে দলের একাংশ যে সক্রিয় তা নাকি সর্বেসর্বাও জানেন।

    সূত্রের দাবি, এর আগে ৩ জুন দুবাই গিয়েছিলেন অভিষেক, ফিরেছিলেন ১০ জুন। আট দিন ছিলেন দুবাইয়ে। তার আগে আরও একবার দুবাই গিয়েছিলেন ২৫ ফেব্রুয়ারি। ফিরেছিলেন ৪ মার্চ। অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি থেকে অগাষ্ট পর্যন্ত সাত মাসে তিনবার দুবাই যাত্রা করেছেন তিনি। এবারও আট-দশ দিন পর ফিরবেন বলে শোনা যাচ্ছে। যার মানে, গত সাত মাসে গড়পরতা একমাস দুবাইতে কাটাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বেসর্বা।

    আরও পড়ুন: নিশুতি রাতে পাচার হত পাল পাল গরু, কীভাবে চলত অপারেশন?

    গত ২১ মার্চ দিল্লিতে ইডি অভিষেককে কয়লা পাচার কাণ্ডে জেরা করেছিল। এরপর ২৭ মার্চ তাঁর পুরো পরিবার দুবাইয়ের টিকিট কেটেছিল। কিন্তু ইডির লুক আউট সার্কুলার থাকায় সে দিন তাঁর পরিবারের সদস্যরা দুবাই যেতে পারেননি। যদিও এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয়া সেদিন দেশ ছেড়েছিলেন। এর পর চোখের চিকিৎসা করাতে দুবাই যেতে হবে বলে অভিষেক কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেন। আদালত তা মঞ্জুর করে এবং তিনি ৩ জুন দুবাই গিয়েছিলেন। আবার ইডি জেরার আগেও ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি দুবাইয়ে ছিলেন। আদালতে জমা পড়ার আবেদনের ভিত্তিতে চিকিৎসা করাতেই তিনি বার বার দুবাই যাচ্ছেন। যা খুবই স্বাভাবিক। দলের অভিষেক বিরোধী লবি সে সব অবশ্য মানতে চাইছে না। দলের সর্বেসর্বার চিকিৎসা নিয়েও তাঁরা সন্দিহান হয়ে যাচ্ছেন।

    তাঁরাই জানাচ্ছেন, আগে নিয়মিত সিঙ্গাপুর, ব্যাঙ্কক যেতেন অভিষেক। এখন যাচ্ছেন দুবাই। ২০২১ সালে ১৩ থেকে ১৮ অক্টোবর মালদ্বীপে ছিলেন তিনি। ওই সময় কলকাতায় দুর্গাপুজো চলছিল। ২০২০ সালেও ২১ থেকে ২৮ অক্টোবর দুর্গাপুজোর সময় দুবাইয়ে গিয়েছিলেন তিনি। সে বছর ১৫ থেকে ২৪ জানুয়ারিও অবশ্য সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন অভিষেক। এবারও কি পুজোয় কলকাতার বাইরেই থাকবেন তিনি? ফিসফিসানি, চর্চা, আলোচনা চলছে দলের অন্দরেই।

  • Gyanwant Singh: কয়লাপাচার মামলায় ইডির দফতরে হাজিরা এড়ালেন জ্ঞানবন্ত! কীসের ভয়?

    Gyanwant Singh: কয়লাপাচার মামলায় ইডির দফতরে হাজিরা এড়ালেন জ্ঞানবন্ত! কীসের ভয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লাপাচার কাণ্ডে সোমবার দিল্লিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) সদর দফতরে হাজিরা এড়ালেন রাজ্য পুলিশের এডিজি এসটিএফ জ্ঞানবন্ত সিং (ADG STF Gyanwant Singh) ৷  এ দিন সকাল ১১ টায় দিল্লিতে ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু হাজিরা দেননি তিনি। 

    এডিজি এসটিএফ জ্ঞানবন্ত সিং-কে এর আগেও দিল্লিতে তলব করা হয়েছিল। ইডির দফতরে হাজিরাও দিয়েছিলেন তিনি। ইডি সূত্রের খবর, বাংলায় যখন রমরমিয়ে কয়লাপাচার চক্র কাজ চালাচ্ছিল, সেই সময় রাজ্যের এডিজি আইনশৃঙ্খলা পদে ছিলেন এই জ্ঞানবন্ত। তাঁর নজর এড়িয়ে কীভাবে কোটি কোটি টাকার কয়লাপাচার হল, তা জানতে চাইছে ইডি ৷ সূত্রের খবর, কয়লাকাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালাকে জেরা করেই জ্ঞানবন্তের নাম জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। তারপরই তাঁকে তলব করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: কয়লা কাণ্ডেও সক্রিয় ইডি, তলব ৮ আইপিএস অফিসারকে

    শুধু জ্ঞানবন্ত নয়, রাজ্যের মোট আটজন আইপিএস অফিসারকে তলব করেছে ইডি। যাঁদের তলব করা হয়েছে, সেই তালিকায় জ্ঞানবন্ত ছাড়াও রয়েছেন আইপিএস শ্যাম সিং, রাজীব মিশ্র, তথাগত বসু, সুকেশ জৈন, ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, এস সেলভামুরুগন ও কোটেশ্বর রাও। তাঁরা প্রত্যেকেই বিভিন্ন ওই সময় কোনও না কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। এদের মধ্যে কেউ সেই সময় ছিলেন ডিআইজি, কেউ আইজি, কেউ পুলিশ সুপার। তাঁরা কি কয়লা পাচারের ব্যাপারে ওয়াকিবহাল ছিলেন? পুলিশ আধিকারিকদের সামনে দিয়ে কী ভাবে পাচার হত? তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।

    জ্ঞানবন্ত পশ্চিমাঞ্চলের আইজিও ছিলেন। পশ্চিমাঞ্চলের বিরাট এলাকা জুড়ে এই কয়লা চুরি রমরমিয়ে চলে বলে জানতে পারেন তদন্তকারী অফিসারেরা। কীভাবে তাঁর নজর এড়িয়ে কয়লাপাচার হল? দায়িত্ববান পুলিশ আধিকারিক হয়েও কেন আইনি পদক্ষেপ নেননি তিনি? কয়লাপাচার হচ্ছে, এই খবর তিনি কি জানতেন না? এমন একাধিক প্রশ্ন রয়েছে ইডির কাছে, বলে খবর। এই মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর স্ত্রী রুজিরাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি।

  • ED-CBI Joint Raid Birbhum: অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ কেরিম খান, টুলু মণ্ডলের বাড়িতে যৌথ অভিযানে ইডি-সিবিআই

    ED-CBI Joint Raid Birbhum: অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ কেরিম খান, টুলু মণ্ডলের বাড়িতে যৌথ অভিযানে ইডি-সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার (Kolkata) পর এবার নজরে বীরভূম (Birbhum)। এসএসসি কাণ্ডে (SSC scam) তদন্তের মাঝেই এবার কয়লাকাণ্ড (Coal smuggling) ও গরুপাচার কাণ্ডের (Cattle smuggling) তদন্তেও ময়দানে নামল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। তবে একা নয়, একেবারে সিবিআই-কে (CBI) সঙ্গে নিয়ে বীরভূম তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ী ও এক নেতার বাড়িতে সাতসকালে অভিযান চালাল যৌথ দল।

    বুধবার সকালে সিজিও কমপ্লেক্স (CGO complex) থেকে সকালে রওনা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দলের ৬টি গাড়ির কনভয়। বেলা এগারোটার কিছু পরে বোলপুর (Bolpur) পৌঁছয় ইডি-সিবিআই নিয়ে গঠিত যৌথ তদন্তকারী দল। বিশ্বভারতীর (Viswa Bharati) রতন কুটির গেস্ট হাউজে ওঠেন আধিকারিকরা। কিছুক্ষণের মধ্যেই দুটি দলে বিভক্ত হয়ে অভিযানে বেরিয়ে পড়েন তাঁরা। গন্তব্য, তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী এবং এক নেতার বাড়ি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নিয়ে একটি দল যায় নানুরের বাসাপাড়া ও আরেকটি দল যায় সিউড়ির (Siuri) দিকে। 

    আরও পড়ুন: আজ ফের আদালতে পেশ পার্থ-অর্পিতাকে, পুনরায় হেফাজতে চাইবে ইডি?

    নানুরের (Nanur) বাসাপাড়ায় বীরভূম জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ কেরিম খানের (TMC leader Kerim Khan) বাড়িতে যান অফিসারেরা৷ প্রসঙ্গত, ভোট-পরবর্তী হিংসায় অভিযুক্ত হিসাবে নাম রয়েছে এই কেরিম খানের৷ গরুপাচার কাণ্ডে তাঁকে এদিন জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। এছাড়া কেরিম খানের ডান হাত হিসাবে পরিচিত তৃণমূল (TMC) নেতা তথা নানুরের আটকুলা গ্রামে চালের আড়তের মালিক মুক্তার শেখের বাড়িতেও যান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসারেরা। 

    অন্যদিকে, পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের (Stone trader Tulu Mondal) বাড়িতে সকাল সকাল হানা দেয় সিবিআই অফিসারেরা।  এরা দু’জনেই তৃণমূল বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ হিসাবেই পরিচিত। স্থানীয়দের দাবি, টুলু মণ্ডল কয়েকশো কোটি টাকার মালিক। তাই তাঁর বিপুল সম্পত্তির উৎস খুঁজতেই ইডি আধিকারিকেরা তাঁর বাড়িতে গিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের ৩টি বাড়িতে একযোগে তল্লাশি চলছে।

    ইতিমধ্যে কয়লা পাচার মামলায় অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল নেতার দেহরক্ষী সায়গল হোসেন (Saigal Hossain)। ইলামবাজার-সহ বীরভূমের নানা জায়গায় সায়গলের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, এই সায়গলকে জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরে উঠে এসেছে টুলু ও কেরিমের নাম। অভিযোগ, সায়গলের ব্যবসা নাকি টুলু দেখতেন। অন্য দিকে, এঁদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন করতেন পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ কেরিম। এই সব সূত্র ধরেই ইডি ওই দুই বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছে বলে খবর।

    আরও পড়ুন: অভিজাত আবাসন থেকে নেল আর্ট পার্লার, ‘গুপ্ত’ধনের সন্ধানে অভিযান ইডি-র

    অন্যদিকে, এসএসসি কাণ্ডে বীরভূমে পার্থ-অর্পিতার (Partha-Arpita) বিপুল সম্পত্তির হদিশ পেতে এদিন অভিযানে নামে ইডি-র (ED) আরেকটি দল। এদিন সকালে শান্তিনিকেতনের (Shantiniketan) বাড়ি ‘অপা’-য় পৌঁছে তল্লাশি শুরু করে ইডি। প্রথমেই ওই বাড়িতে প্রবেশ করার পরই বাড়ির কেয়ারটেকারের থেকে বাড়ির দলিল পান ইডি আধিকারিকরা। রীতিমতো গোটা বাড়িটিকে ঘিরে ফেলে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    শান্তিনিকেতনের ফুলডাঙার ‘অপা’ (Apa) কার্যত এখন দর্শনীয় স্থান। সামনে বিশাল লন, বিভিন্ন গাছপালায় সুসজ্জিত একটি বাড়ি। বাড়িটি শিক্ষক দুর্নীতিতে গ্রেফতার হয় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee)। ইডির হাতে এসেছে বোলপুরের জমির দলিল। ২০১২ সালের জানুয়ারিতে কলকাতার সুসেন বন্দ্যোপাধ্যায়-শ্যামলী বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে ‘অপা’ বাড়িটি কিনেছিলেন পার্থ-অর্পিতা। বাড়িটির দলিলেও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সই মিলেছে৷

LinkedIn
Share