Tag: Coal Smuggling Case

Coal Smuggling Case

  • Coal Scam: কয়লা পাচারকাণ্ডে গ্রেফতার ইসিএল-র প্রাক্তন জিএম সহ ৩, শোরগোল

    Coal Scam: কয়লা পাচারকাণ্ডে গ্রেফতার ইসিএল-র প্রাক্তন জিএম সহ ৩, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচারকাণ্ডে (Coal Scam) গ্রেফতার ইসিএল-র প্রাক্তন জিএম সহ ৩ জন। জানা গিয়েছে, নিজাম প্যালেসে দফায় দাফায় জেরা করার পর তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে। ইসিএলের কাজোরা অঞ্চলে জেনারেল ম্যানেজার নরেশ কুমার সাহা এবং অপর দিকে দুই কয়লা ব্যবসায়ী বাপি ঠাকুর ও বিদ্যা দাস কেও গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই। বাপি ঠাকুর আসানসোলের জামুড়িয়ার কেন্দা এলাকার বাসিন্দা এবং বিদ্যা দাস রানীগঞ্জের বাসিন্দা। তবে মিডিল ম্যান হিসাবে অশ্বিনী কুমার যাদবের নাম উঠে এসেছে। ঘটনায় কয়লা পাচারকাণ্ডে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    সিবিআই সূত্রে খবর (Coal Scam)

    জানা গিয়েছে, ধৃত এই কয়লা (Coal Scam) মাফিয়াদের মাধ্যমে রাজ্যের প্রভাবশালীর কাছে টাকা পৌঁছাত। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের সঙ্গে কয়লা পাচারের সরাসরি সংযোগ রয়েছে। এই পাচার কাণ্ডে ধৃত ইসিএলের ম্যানেজার। ইসিলের ভিতরেই কয়লা পাচার! অবাক তদন্তকারী অফিসারেরা। নিজাম প্যালেসে এই ধৃতদের প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ডাকা হয়। এরপর তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। ফলে যাঁদের রক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাঁরাই এখন ভক্ষকের আচরণ করছে। কয়লা পাচারের অভিযোগে পদস্থকর্তা গ্রেফতার হওয়ায় এই প্রশ্ন এখন ঘোরাফেরা করছে সর্বত্র। একই ভাবে আজ তাঁদের সিবিআই আদালতে পেশ করা হয়। সিবিআই জানিয়েছে, ইসিএলের ভিতরে এখন সমান ভাবে সক্রিয় রয়েছে কয়লা পাচার চক্র।

    আরও পড়ুনঃ “কখনও শিখ কখনও সন্ন্যাসী, জরুরি অবস্থায় ছদ্মবেশে কাজ করতাম”, বললেন মোদি

    ২০ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়!

    নিজাম প্যালেসে ডাকার পর তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপর জানা যায়, অশ্বিনীর মাধ্যমে কয়লা (Coal Scam) পাচারের প্রায় ২০ লক্ষ টাকা নরেশের কাছে গিয়েছে। আসানসোলের আদালতে পেশ করার পর, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এদিন তাঁদেরকে নিজেদের হেফাজতে চায়। সিবিআই আইনজীবী জানিয়েছেন, কয়লা পাচারকাণ্ডে ধৃতদের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। একই ভাবে ধৃতদের আইনজীবীদের পাল্টা প্রশ্ন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল আদালতে। তবে ২০২১ সালে নরেশের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে সেই সময় মোবাইল ছাড়া আর কিছু উদ্ধার হয়নি। কয়লাকাণ্ডের এই ঘটনায় আরেকবার চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Coal Smuggling Case: কয়লাপাচার কান্ডে ইডি তলব করল কলকাতা পুলিশের এসিপিকে

    Coal Smuggling Case: কয়লাপাচার কান্ডে ইডি তলব করল কলকাতা পুলিশের এসিপিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ইডির (Enforcement Directorate) নজরে কলকাতা পুলিশের এক এসিপি। কয়লা পাচারের অভিযোগে কেন্দ্রীয় এই তদন্ত সংস্থা কলকাতা পুলিশ বিভাগে কর্মরত এক অফিসারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠিয়েছেন।

    শান্তনু সিনহা এসিপি (Shantanu Sinha, Assistant Commissioner of Police, IPS)

    ওই এসিপির নাম শান্তনু সিনহা (Shantanu Sinha)। তিনি একসময়ে কালীঘাট থানার দায়িত্বে ছিলেন। সূত্রের খবর আজ বুধবার সকাল ১১টা ৪০ নাগাদ দিল্লি ইডি অফিসে পৌঁছন ওই অফিসার। সংবাদসূত্রে জানা যাচ্ছে, দীর্ঘক্ষণ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন ইডি আধিকারিকেরা। ইডি অফিসে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে ওঁকে ঢুকতে দেখা গিয়েছিল।

    কালীঘাট থানা (Kalighat Police Station)

    প্রসঙ্গত, কালীঘাট থানায় ওসি থাকাকালীন মমতা ব্যানার্জিকে একবার মা বলে সম্বোধন করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন এই অফিসার। বর্তমানে শান্তনু সিনহা কলকাতা পুলিশের ওয়েলফেয়ার কমিটির দায়িত্বে রয়েছেন।

    কয়লা পাচার (Coal Smuggling)

    ইডি সূত্রে খবর তদন্তের সূত্র ধরেই শান্তনুর নামটি তদন্তে উঠে এসেছিল।তাই তথ্য যাচাই করতে তাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। এর আগেও রাজ্যের একাধিক আইপিএস অফিসারকে দিল্লিতে তলব করেছিল ইডি।

    কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে সংঘাত (Centre State Conflict)

    রাজ্য কেন্দ্রের উভয়ের সংঘাতের মাঝে রাজ্যের এই শীর্ষ কর্মকর্তাদের দিল্লি তলব নিয়ে রাজনৈতিক মহল থেকেও নানা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে। এর আগেও রাজ্যের এই অফিসারদের তলব করা নিয়ে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রে বিজেপি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জন্য এমন ঘটনা ঘটাচ্ছে। যদিও বিজেপি জানিয়েছে, ইডি একটি স্বতন্ত্র সংস্থা তারা রাজনৈতিক দলের উর্ধ্বে। তারা দোষীদের  খুঁজে বার করছে যদিও তৃনমূল পার্টির নেতারা একাধিক কেলেঙ্কারিতে এখন জেলে। তাই তৃনমূল ভয় পেয়ে এমন অভিযোগ করছে।

    এর আগে দিল্লিতে যে আট আইপিএস অফিসারকে তলব করা হয়েছিল ইডি-র তরফে তাঁদের প্রত্যেকেই কখনও না কখনও পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূমে বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন।সেই তালিকায় ছিলেন জ্ঞানবন্ত সিং, সিলভা মুরুগান, কে কোটেশ্বর রাওয়ের মতো পুলিশ অফিসাররা। তাঁদের কেউ দিল্লিতে গিয়ে হাজিরা দিয়েছিলেন, আবার কেউ দেননি। যেসব জায়গাগুলি থেকেই মূলত কয়লা পাচারের অভিযোগ এসেছিল। কিন্তু শান্তনু ছিলেন কলকাতা পুলিশেই। ফলে তাঁকে তলব তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Moloy Ghatak : বালুর পর এবার মলয়, সিবিআই রেডারে আইনমন্ত্রীই! পাঁচ অ্যাকাউন্টের তথ্য তলব

    Moloy Ghatak : বালুর পর এবার মলয়, সিবিআই রেডারে আইনমন্ত্রীই! পাঁচ অ্যাকাউন্টের তথ্য তলব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচারকাণ্ডে (Coal Scam) আগেই নাম জড়িয়েছিল আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকের (Moloy Ghatak)। এবার তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের স্টেটমেন্ট চাইল সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন বা সিবিআই। কলকাতায় বেসরকারি ব্যাঙ্কের কাছ থেকে সেই নথি তলব করা হয়েছে। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার সময় কেওয়াইসি হিসাবে যে সমস্ত নথি ব্যবহার করা হয়েছে, সেই নথিও চেয়েছে কেন্দ্রের তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।

    ১৩ ডিসেম্বর মধ্যে তথ্য জমা

    কয়লা পাচার কাণ্ডে আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে (Moloy Ghatak) ১২ বার তলব করা হলেও এখনও অবধি ইডির সামনে তিনি একবার হাজিরা দিয়েছেন। এবার সিবিআইয়ের স্ক্যানারে মলয় ঘটক ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। সিবিআই সূত্রে খবর, আইনমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মিলিয়ে মোট পাঁচটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য তলব করা হয়েছে। সূত্রের খবর, কলকাতার একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের শাখা থেকে মলয় ও তাঁর পরিবারের অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য তলব করা হয়েছে। অ্যাকাউন্ট খোলার পর থেকে যাবতীয় লেনদেনের তথ্য ১৩ ডিসেম্বর মধ্যে নিজাম প্যালেসের সিবিআই দফতরের জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: বাড়িতে সিবিআই তল্লাশির পরই অদিতি মুন্সীর ছুটির আর্জি মঞ্জুর স্পিকারের

    কী দেখতে চাইছে সিবিআই

    উল্লেখ্য, কয়লা পাচার কাণ্ডে বহুদিন ধরেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আতস কাঁচের তলায় রয়েছেন মলয় ঘটক (Moloy Ghatak)। এবার মলয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট তাঁদের নজরে। অ্যাকাউন্ট খোলার পর থেকে লেনদেনে কোনও অনিময় হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে চাইছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কলয়া পাচারকাণ্ডে মলয়ের বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের এই তৎপরতা আইনমন্ত্রীর উপর আরও চাপ বাড়াল বলেই মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, ব্যাঙ্ক থেকে ওই পাঁচটি অ্যাকাউন্টের নথি খতিয়ে দেখে মলয়ের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই দিল্লি হাইকোর্টে রক্ষাকবচের আবেদন জানিয়েছিলেন মন্ত্রী। দায়ের হওয়া অভিযোগ বা ইসিআইআর খারিজ করার আবেদনের পাশাপাশি দিল্লিতে তলব না করে কলকাতায় তলবের জন্যও আবেদন জানিয়েছিলেন মলয়। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Coal Smuggling Case: কয়লা পাচারকাণ্ডে অভিযুক্ত রত্নেশের ১৪ দিনের জেল হেফাজত

    Coal Smuggling Case: কয়লা পাচারকাণ্ডে অভিযুক্ত রত্নেশের ১৪ দিনের জেল হেফাজত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রত্নেশ বর্মাকে (Ratnesh Verma) ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আসানসোলের বিশেষ সিবিআই (CBI) আদালত। এই রত্নেশ কয়লা পাচারকাণ্ডে (Coal Smuggling Case) মূল অভিযুক্ত লালার ঘনিষ্ঠ। সোমবার সিবিআই আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী এই নির্দেশ দেন। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২৭ ফেব্রুয়ারি। এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি রত্নেশকে তোলা হয়েছিল আসানসোল সিবিআই আদালতে। ওই আদালতের বিচারক সেদিন রত্নেশকে সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সিবিআই হেফাজত শেষ হওয়ার পর ফের সোমবার তাঁকে তোলা হল আসানসোল আদালতে।

    রত্নেশ…

    জানা গিয়েছে, এদিন রত্নেশের আইনজীবী সোমনাথ চট্টরাজ তাঁর হয়ে জামিনের কোনও আবেদন করেননি। তার পরেই বিচারক রত্নেশকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। যদিও জেল হেফাজতে থাকাকালীন সিবিআই আধিকারিকরা জেলে গিয়ে রত্নেশকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন বলে আদালত জানিয়েছে। পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলের নরসমুদা খনি লাগোয়া এলাকায় বাড়ি রত্নেশের। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, বেআইনি কয়লা পাচারের পরিবহণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। চুরি হওয়া কয়লা রত্নেশের সাহায্যেই মাফিয়ারা বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে দিত। রত্নেশের নিজের লরি ছিল। বেআইনি কয়লা পাচারের জন্য অন্যান্য লরিও নিজের কাজে ভাড়া খাটাতেন।

    আরও পড়ুুন: ধনখড়ের সঙ্গে সাক্ষাত রাজ্যপাল আনন্দ বোসের! কী কথা হল প্রাক্তন ও বর্তমানের মধ্যে?

    জানা গিয়েছে, ভুয়ো চালান দিয়ে এই কয়লা পাচার করা হত। রত্নেশের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে। জানা গিয়েছে, পাচারের পুরো কর্মকাণ্ডে লিংকম্যানের কাজ করতেন তিনি। এই মামলায় রত্নেশকে ফেরার ঘোষণা করেছিল বিশেষ সিবিআই (CBI) আদালত। ২০১৯ ও ২০২০ সালেও রত্নেশের বিরুদ্ধে পর পর দুবার লুকআউট নোটিশ জারি হয়েছিল। অনেক দিন ধরেই তাঁর খোঁজ চালাচ্ছিলেন তদন্তকারীরা। শেষ পর্যন্ত ৩১ জানুয়ারি আসানসোল সিবিআই আদালতে এসে আত্মসমর্পণ করেন রত্নেশ। সেই দিনই বিচারক তাঁকে জেলা পাঠান। পরবর্তীকালে ২ ফেব্রুয়ারি রত্নেশকে ফের আদালতে তোলা হলে সিবিআই (CBI) হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারক। হেফাজতে থাকাকালীন তাঁর কাছ থেকে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য এবং কয়েকজন প্রভাবশালীর নাম পাওয়া গিয়েছে বলে সিবিআই সূত্রে খবর। সোমবার রত্নেশকে ফের আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠান। বর্তমানে তিনি রয়েছেন আসানসোল জেলে। এই জেলেই রয়েছেন গরু পাচারে অন্যতম অভিযুক্ত তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Coal Scam: বালিগঞ্জে টাকা উদ্ধার কাণ্ডে তলব ধাবা মালিক মনজিৎকে, বুধবার দিল্লিতে হাজিরার নির্দেশ ইডির

    Coal Scam: বালিগঞ্জে টাকা উদ্ধার কাণ্ডে তলব ধাবা মালিক মনজিৎকে, বুধবার দিল্লিতে হাজিরার নির্দেশ ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচারকাণ্ডের তদন্তে নেমে বালিগঞ্জে এক বেসরকারি সংস্থা গজরাজ গ্রুপের অফিসে রাতভর তল্লাশি চালিয়ে ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এই টাকা উদ্ধারের ঘটনায় দক্ষিণ কলকাতার এক ধাবা মালিক মনজিৎ সিংহ গ্রেওয়ালকে এবারে তলব করল ইডি। আগামী বুধবার ১৫ ফেব্রুয়ারি তাঁকে দিল্লির ইডির সদর দফতরে গিয়ে হাজিরা দিতে হবে। সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে বেশ কিছু নথিপত্র। ইডি মনে করছে, কয়লা পাচারের সঙ্গে তিনি জড়িয়ে আছেন এবং ওই টাকার সঙ্গেও যোগসূত্র আছে। ফলে তাঁকে তলব করল ইডি।

    মনজিৎ সিং ওরফে জিট্টা ভাইয়ের সঙ্গে কয়লা পাচারের যোগসূত্র!

    বালিগঞ্জের টাকা উদ্ধারের ক্ষেত্রে ইডি এক চাঞ্চল্যকর দাবি করেছিল। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ কলকাতার ধাবার মালিক মনজিৎ সিংহ গ্রেওয়াল ওরফে জিট্টা ভাই কয়লা পাচারের সঙ্গে জড়িত। অভিযোগ, তাঁর মাধ্যমেই কয়লা পাচারের টাকা সরানোর চেষ্টা করতেন কোনও এক ‘প্রভাবশালী’ রাজনীতিক। সেই মত পাতা হয়েছিল ‘ফাঁদ’। তদন্তের সূত্রে উঠে এসেছে মনজিতের নাম। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আরও দাবি, এক মন্ত্রীর ‘বেআইনি’ টাকাও ‘হ্যান্ডেল’ করতেন জিট্টা ভাই।

    আরও পড়ুন: কয়লা পাচারের অর্থে ‘প্রপার্টি-ডিল’! ১.৪ কোটি ছিল ‘পার্ট-পেমেন্ট’! বাকি টাকার খোঁজে ইডি

    ইডির তরফে আরও দাবি করা হয়েছিল, শরৎ বোস রোডে অবস্থিত সালসার গেস্ট হাউজ কেনার ক্ষেত্রে কয়লাপাচারের কালো টাকা ব্যবহার করা হয়েছে। গেস্ট হাউজের বাজারমূল্য ১২ কোটি টাকা হলেও নথিতে ৩ কোটি দেখিয়ে বাকি ৯ কোটি টাকা নগদে লেনদেন করা হয়েছে। আর এ ভাবে আসলে কালো টাকা সাদা করা হচ্ছিল। উদ্ধার হওয়া ১ কোটি ৪০ লাখ টাকাও সেই অর্থের অংশ বলে দাবি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই গোটা লেনদেন প্রক্রিয়ার সঙ্গে গজরাজ গ্রুপের কর্ণধার বিক্রম সাকারিয়াও জড়িত ছিলেন বলে দাবি ইডির। ওই সংস্থার মালিক বিক্রম সাকারিয়াকেও ইতিমধ্যে দিল্লিতে তলব করা হয়েছে।

    ইডির তলব

    কয়লা পাচারের সঙ্গে মনজিতের যোগসূত্র রয়েছে বলেই ইডি তাঁকে তলব করল। সম্পত্তি, গত ৫ বছরের আয়কর রিটার্ন, ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট, আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত সমস্ত নথি ১৫ ফেব্রুয়ারি আনতে বলা হয়েছে তাঁকে। ব্যবসায়ী মনজিৎ সিং গ্রেওয়াল কোথায় কোথায় বিনিয়োগ করেছিলেন, তাঁর আত্মীয়দের নামে কী কী কেনা হয়েছে, সেই সংক্রান্ত গত ১০ বছরের নথিও আনতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইডি।

  • Coal Scam: লালার ডায়েরি থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ইডির হাতে, আছে কার কার নাম?

    Coal Scam: লালার ডায়েরি থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ইডির হাতে, আছে কার কার নাম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার মামলায় (Coal Scam) অনুপ মাঝি (Anup Majhi) ওরফে লালার ডায়েরি থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে পেল ইডি (ED)। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ওই ডায়েরি থেকে নানা তথ্য মিলেছে। একই সঙ্গে মিলেছে এই চক্রে যুক্ত একাধিক জনের নাম। সেই সূত্রেই ডাকা হতে পারে বেশ কয়েকজনকে।

    দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে… 

    এদিকে, নোটিশ পেয়ে আজ, বৃহস্পতিবার দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে হাজিরা দেন পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি তৃণমূলের (TMC) সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়। কয়লা পাচার মামলায় তাঁকে জেরার জন্য ডেকে পাঠায় ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, কয়লা পাচারের তদন্ত করতে গিয়ে নানা সময় উঠে আসে সুজয়ের নাম। ওই পাচারে তাঁর ভূমিকা কী, মূলত তা খতিয়ে দেখতেই ইডির সদর দফতরে এদিন তলব করা হয় তাঁকে। এই মামলার তদন্ত করছেন যাঁরা, তাঁরা জানান, লালার ডায়েরি থেকে কয়লা পাচারের টাকা কোথায় কোথায় যেত, সে সংক্রান্ত নানা তথ্য মিলেছে। কয়লা পাচারের জন্য প্রোটেকশন মানি কার কার কাছে যেত, ডায়েরিতে মিলেছে সেই সূত্রও। ওই ডায়েরিতেই রয়েছে সুজয়ের নাম। ইডি সূত্রে খবর, এ ব্যাপারেই জিজ্ঞাসা করা হবে তৃণমূল নেতা সুজয়কে। ইডির তরফে সুজয়ের কাছে জানতে চাওয়া হবে কয়লা পাচার চক্রের কারও সঙ্গে তাঁর কখনও যোগাযোগ হয়েছিল কিনা। তিনি স্বয়ং কোনও আর্থিক লেনদেনে জড়িয়েছিলেন কিনা। তিনি পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি। একজন সভাধিপতি হিসেবে কয়লা পাচার রুখতে তিনি কোনও পদক্ষেপ করেছেন কিনা, তাও সুজয়ের কাছে জানতে চাইবেন তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুন: বেসরকারি কলেজে অনুমোদন থেকে কোটি কোটি টাকা লেনদেন, পার্থর বিরুদ্ধে আদালতে বিস্ফোরক ইডি

    প্রসঙ্গত, ইডির পাশাপাশি কয়লা পাচার মামলার (Coal Scam) তদন্ত করছে সিবিআইও। মাস কয়েক আগে লালার একটি ডায়েরিতে জনৈক এম ঘটকের নাম রয়েছে বলে দাবি করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া অনুপ মাঝির কাছ থেকে মাসে ৭৫ লাখ করে টাকা নিতেন মলয় ঘটক। শুভেন্দুর দাবি, কেবল মলয়ই নন, ওই ঘটনায় বেশ কিছু তাবড় পুলিশ কর্তার নামও রয়েছে।

    তৃণমূল নেতা সুজয়কে ইডির তলব প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, এমন বলছেন, যেন রাষ্ট্রপতির নাম বলছেন সুজয়। চোর-চামারগুলো সব পার্টি করছে। পুরো পার্টি দুর্নীতিতে ভরে গিয়েছে। দলের নিচুতলা পর্যন্ত আরও অনেক লোক আসবে। অপেক্ষা করুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।
      

  • Coal Smuggling Case: কয়লা পাচার কাণ্ডে কলকাতা পুলিশের কর্তাকে দীর্ঘ জেরা ইডি-র

    Coal Smuggling Case: কয়লা পাচার কাণ্ডে কলকাতা পুলিশের কর্তাকে দীর্ঘ জেরা ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলার পাশাপাশি এবারে কয়লা পাচার কাণ্ড (Coal Smuggling Case) নিয়েও তৎপর ইডি। কয়লা দুর্নীতিতে এবার ইডির নজরে কলকাতা পুলিশের এসিপি শান্তনু সিনহা। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লিতে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সেই মত বুধবার দিল্লিতে ইডির দফতরে পৌঁছে যান ওই এসিপি। সূত্রের খবর, বুধবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ ইডি-র দিল্লি সদর দফতরে হাজির হন শান্তনু। সন্ধ্যা পর্যন্ত তাঁকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

    কলকাতা পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার শান্তনু কালীঘাট থানার দায়িত্বে রয়েছেন। কয়লা দুর্নীতিতে (Coal Smuggling Case) এসিপি শান্তনুর কাছ থেকে বেশ কিছু নথিপত্র চেয়ে পাঠিয়েছিলেন ইডি-র আধিকারিকরা। ইডি সূত্রে খবর, তদন্তে পাওয়া তথ্য খতিয়ে দেখতে গিয়েই শান্তনুর নাম উঠে আসে। তারপরেই তথ্য যাচাই করতে গতকাল তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। 

    আরও পড়ুন: একবার নয়, তিনবার লটারি জিতেছেন কেষ্ট-সুকন্যা! সিবিআই-এর হাতে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    কে এই শান্তনু সিনহা ও কেন ডাকা হয়েছিল তাঁকে?

    এসিপি শান্তনু বেশ কয়েক বছর কালীঘাট থানার ওসির পদে ছিলেন। পরে তাঁর পদোন্নতি হয়েই তিনি এখন ওই এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার পদে নিযুক্ত হয়েছেন। এসিপি শান্তনুকে তলব করায় শাসকদলের মধ্যেও অস্বস্তির সৃষ্টি হয়েছে। ইডি সূত্রের দাবি, কয়লা পাচারের (Coal Smuggling Case) মূল অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালা এবং অন্যতম অভিযুক্ত শাসক দলের পলাতক নেতা বিনয় মিশ্রের ভাই বিকাশের বয়ানের ভিত্তিতেই গতকাল শান্তনুকে তলব করা হয়েছিল। ইডি সন্দেহ করেছে যে, কয়লা পাচারের একটা মোটা অংশের টাকা লালা, বিনয় ও বিকাশের থেকে বিভিন্ন পুলিশ অফিসারের মাধ্যমে প্রভাবশালীদের কাছে পৌঁছেছিল। তাই ইডির স্ক্যানারে এবারে কলকাতার পুলিশ কর্তারা। শান্তনুর গত ১০ বছরের আয়কর রিটার্ন ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নথিও চেয়ে পাঠানো হয়েছিল।

    ইডি সূত্রের দাবি, এর আগেও কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal Smuggling Case)  দুবার নোটিশ দিয়ে তাঁকে তলব করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি সেসময় এড়িয়ে যান ও সময় চেয়ে নেন। এরপর তিনবারের সময় তাঁকে নোটিশ দিয়ে আগামী শুক্রবার তলবের জন্যে ডাকা হয় ও নোটিশে বলা হয় যে, এবার তিনি তলব এড়িয়ে গেলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এরপরেই মঙ্গলবার ফোন করে বুধবার জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হওয়ার জন্য ইচ্ছা প্রকাশ করেন শান্তনু। ফলে গতকাল সময় মত পৌঁছে যান ইডির দিল্লি সদর দফতরে।

  • Suvendu Adhikari: ‘পশ্চিমবঙ্গে কেউ নিরাপদ নন’, নিশীথের কনভয়ে হামলা প্রসঙ্গে বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘পশ্চিমবঙ্গে কেউ নিরাপদ নন’, নিশীথের কনভয়ে হামলা প্রসঙ্গে বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে কেউ নিরাপদ নন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের (Nisith Pramanik) কনভয়ে হামলার পর এই মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপিশুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কয়লা ও গরু পাচার কেলেঙ্কারিতে (Cattle Smuggling Case) তৃণমূলের (TMC) একাধিক নেতার নাম জড়িয়ে যাওয়ায়ও রাজ্যকে একহাত নিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

    নভেম্বরের তিন তারিখে কোচবিহারে হামলা হয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের সিতাইয়ে। নিশীথের কনভয় যখন এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল, তখন একদল লোককে আচমকাই লাঠিসোঁটা নিয়ে ওই এলাকায় জড়ো হতে দেখা যায়। ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

    এই ঘটনায়ই কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি (BJP)। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা  শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, পশ্চিমবঙ্গে কেউই নিরাপদ নন। এমন কী জনপ্রতিনিধিরাও। পুলিশ তৃণমূলের হয়ে কাজ করে। টাকা তোলে। পশ্চিমবঙ্গে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে। নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, দিল্লিতে গরু পাচার মামলা দায়ের করেছে ইডি। এতে অনেকে জড়িত। যদি প্রমাণিত হয়, তাঁদের তিহাড় জেলে পাঠানো হবে। বাংলায় যেসব সুযোগ-সুবিধা তাঁরা পান, তিহাড় জেলে তা মিলবে না। শুভেন্দুর তোপ, তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত সরকার  চোরেদের সরকার। এঁদের অনেকেই কয়লা ও গরু পাচার মামলা, পঞ্জি স্কিম এবং নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে জড়িত।

    আরও পড়ুন: ‘‘যে হাত দিয়ে চড় মেরেছেন, সেই হাত দিয়েই…’’ কাকে হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু?

    রাজ্য সরকারকে নিশানা করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথও। তিনি বলেন, যদি বাংলার সরকার কঠোর হত, তাহলে এই ঘটনা ঘটত না। তাঁর প্রশ্ন, কেন আমার কনভয় যাওয়ার রাস্তায় অত লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে? তিনি বলেন, আমরা (মন্ত্রীরা) পুলিশের বেঁধে দেওয়া রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করি। সেই রাস্তায় যেতে গিয়ে কেন আমাকে হুমকির মুখে পড়তে হবে? বিশেষত, যখন রাজ্য সরকারের পুলিশ আমার কনভয় যাওয়ার রাস্তা ছকে দিয়েছে!

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ওই জনতার হাতে লাঠির পাশাপাশি পাথরও ছিল। পুলিশের উপস্থিতিতেই তারা এগুলি নিয়ে জমায়েত হয়েছিল। তিনি বলেন, কোনও মন্ত্রী তাঁদের সামনে আক্রান্ত হবেন, আর বিজেপির কর্মীরা তা বসে বসে দেখবেন, তা হবে না। এলাকার পরিবেশ কেন বিষিয়ে তোলা হচ্ছে? প্রশ্ন নিশীথের।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Anubrata Mondal: এবার প্রাথমিক টেট কেলেঙ্কারিতেও নাম জড়াল অনুব্রতর, আরও গাড্ডায় তৃণমূল নেতা  

    Anubrata Mondal: এবার প্রাথমিক টেট কেলেঙ্কারিতেও নাম জড়াল অনুব্রতর, আরও গাড্ডায় তৃণমূল নেতা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা ও গরু পাচারের (Coal and Cattle smuggling Case) পর এবার তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) নাম জড়াল প্রাথমিক টেট কেলেঙ্কারিতেও (Primary TET Scam)। ইডি (ED) সূত্রেই এ খবর মিলেছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, পাচারের টাকায়ই নির্মাণ করা হয়ে থাকতে পারে একের পর এক বেসরকারি কলেজ।

    প্রাথমিক টেট কেলেঙ্কারিতে ধৃত প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের সঙ্গে মিলে অনুব্রত (Anubrata Mondal) দুর্নীতি করেছিলেন বলে অভিযোগ। তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০১২ সালে মার্চ মাসে তাপস মণ্ডলের একটি ভাড়া বাড়িতে পাঁচটি বেসরকারি বিএড কলেজের চেয়ারম্যানকে নিয়ে একটি সংগঠন গড়া হয়। নাম দেওয়া হয়, বেঙ্গল টিচার্স ট্রেনিং অ্যাচিভার্স। এই সংগঠনের অন্যতম সদস্য ছিলেন একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার চেয়ারম্যান। ইডির অভিযোগ, বকলমে ওই সংগঠনে অনুব্রতর (Anubrata Mondal) প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতেন তিনি। কেবল এই সংগঠনটিই নয়, ওই ব্যক্তির আরও তিনটি সংস্থা রয়েছে। এই সব সংস্থার মাধ্যমে পরবর্তীকালে রাজ্যে বেশ কয়েকটি বেসরকারি বিএড, পলিটেকনিক এবং মেডিক্যাল কলেজ নির্মাণ করা হয়েছিল। তদন্তকারীদের দাবি, গরু পাচারের টাকায়ই ওই সব কলেজ নির্মাণ করা হতে পারে। এই কলেজগুলির মাধ্যমে অযোগ্য প্রার্থীদের এসএসসি ও প্রাথমিক টেটের বিএড ও ডিইএলইডির জাল সার্টিফিকেট তৈরি করা হতে পারে। কয়েক কোটি টাকার জাল সার্টিফিকেটের মাধ্যমে চাকরি বিক্রি করা হয়েছে হাজার হাজার কর্মপ্রার্থীকে। ইডির অভিযোগ, অনুব্রত (Anubrata Mondal) নিজে ওই প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রাথমিক টেটের অযোগ্য প্রার্থীদের নামের তালিকা পাঠিয়ে দিতেন মানিকের কাছে।

    আরও পড়ুন: ডিসেম্বরেই পতন হচ্ছে তৃণমূল সরকারের? কী বললেন শুভেন্দু?

    এদিকে, গরু পাচার মামলায় অনুব্রতর (Anubrata Mondal) প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেন সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য ইডির হাতে তুলে দিল সিবিআই। গত কয়েক মাসে তদন্তে যেসব তথ্য উঠে এসেছে, সায়গলের সম্পত্তি ও টাকাপয়সা সংক্রান্ত যে সব তথ্যপ্রমাণ হাতে এসেছে সেসব এবং চার্জশিট সহ ৫০০ পাতার নথিও তুলে দেওয়া হবে ইডির হাতে। এই সব তথ্য সামনে রেখেই সায়গলকে জেরা করবে ইডি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Coal Smuggling Case: স্বস্তি জিতেন্দ্রর, কয়লা পাচার কাণ্ডে সিআইডি তদন্তে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    Coal Smuggling Case: স্বস্তি জিতেন্দ্রর, কয়লা পাচার কাণ্ডে সিআইডি তদন্তে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লাপাচার কাণ্ডে (Coal Smuggling Scam) আদালতে (Calcutta High Court) স্বস্তি পেলেন বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি। তাঁর বিরুদ্ধে সিআইডি (CID) তদন্তে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এই মুহূর্তে আসানসোলের প্রাক্তন মেয়রের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নিতে পারবে না রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা। আজ মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিলেন বিচারপতি রাজা শেখর মান্থা। আদালত তার পর্যবেক্ষণে জানায়, একই অপরাধের ক্ষেত্রে দুটি সমান্তরাল তদন্ত চলতে পারে না। 

    এর আগেই কয়লা পাচার মামলায় তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছে সিবিআই এবং ইডি। একই মামলায় সমান্তরালভাবে তদন্ত চালাচ্ছে সিআইডি। ওই মামলায় জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে (Jitendra Tiwari) সমন পাঠিয়েছিল সিআইডি। এরপরেই সিআইডি তলবের বিরুদ্ধে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন বিজেপি নেতা। আদালতে তাঁর আইনজীবী সওয়াল করে বলেন, “কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা যখন তদন্ত করছে, তারপরেও কীভাবে রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি তদন্ত করতে পারে?” এই প্রসঙ্গে বিচারপতি রাজশেখর মান্থা বলেন, “কয়লা পাচার মামলায় সিআইডিকে তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হলে, সেটা সমান্তরাল তদন্ত প্রক্রিয়ায় সায় দেওয়া হবে এবং সিবিআইয়ের তদন্তে বাধা দেওয়া হবে।”

    আরও পড়ুন: কয়লা পাচার কেলেঙ্কারিতে লালার সহযোগীদের বিরুদ্ধে জারি গ্রেফতারি পরোয়ানা   
      
    এদিন শুনানি চলাকালীন সরকার পক্ষের আইনজীবী দাবি করেন, বিজেপি নেতাকে শুধু জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে ডেকে পাঠিয়েছিল রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা। গ্রেফতার করার কোনও পরিকল্পনা ছিল না আধিকারিকদের। তদন্তে সহযোগিতা করলে গেফতার করার প্রয়োজন পড়বে না। এদিন জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে সাক্ষী হিসেবে ডেকে পাঠানোর নোটিসের উপরও স্থগিতাদেশ দেয় আদালত। ভারতীয় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬০ নম্বর ধারায় পাঠানো গত ১০ সেপ্টেম্বরের নোটিসের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করল আদালত। 

    আদালতের পক্ষ থেকে বলা হয়, “একই অপরাধের ক্ষেত্রে দুটি সমান্তরাল তদন্ত চলতে পারে না। দু’টি সমান্তরাল তদন্ত প্রক্রিয়া মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।” রাজ্যের আইনজীবীকে বিচারপতি প্রশ্ন করেন, “যে মামলায় ইতিমধ্যেই সিবিআই চার্জশিট দাখিল করেছে সেই মামলায় রাজ্য হস্তক্ষেপ করতে পারে কি?” সরকারি আইনজীবী পাল্টা দাবি করেন, রাজ্য আগে কয়লা পাচার মামলার তদন্ত শুরু করেছে। পরে সিবিআই এসে এই মামলার তদন্ত শুরু করেছে। এতে রাজ্যের অধিকারে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। জিতেন্দ্র তিওয়ারির আইনজীবীর দাবি,কয়লাপাচার মামলা শীর্ষ আদালতে বিচারাধীন। বৃহত্তর তদন্ত চলাকালীন সিআইডি এই তদন্ত করতে পারে না। আদালত জানায়, কয়লাপাচার কাণ্ডে দ্বিতীয় কোনও তদন্তকারী সংস্থার প্রয়োজন নেই বলেই মনে করছে আদালত। 

    আরও পড়ুন: এবার দুধের কন্টেনারে কয়লা, জামুরিয়ায় বিরল পাচারে তাজ্জব পুলিশ

    জিতেন্দ্র সিআইডির সমন পাওয়ার পর বলেছিলেন, “সাক্ষী হিসাবে যদি আমাদের কাছে জানতে চান, তা হলে নিশ্চয়ই আমরা জানিয়ে দেব। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা মেটাতেই তলব করা হয়েছে। বিজেপির সঙ্গে যারা যুক্ত, তাদের কাছেই সব তথ্য পাওয়া, তাদের সাক্ষী হিসাবে ডাকবে না। সকলেই বুঝতে পারছেন কী হচ্ছে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
LinkedIn
Share