Tag: collapse

collapse

  • Kedarnath Yatra: ফের ধস কেদারনাথ যাত্রাপথে, চাপা পড়েছে দোকানপাট, কমপক্ষে ১২ জন নিখোঁজ

    Kedarnath Yatra: ফের ধস কেদারনাথ যাত্রাপথে, চাপা পড়েছে দোকানপাট, কমপক্ষে ১২ জন নিখোঁজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেদারনাথ যাত্রাপথে (Kedarnath Yatra) ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে বিরাট ধস নেমেছে। রুদ্রপ্রয়াগ জেলার কেদারনাথ যাওয়ার পথে গৌরীকুণ্ডে ব্যাপক ধস নামার খবর জানা গেছে। ধসের ফলে তলিয়ে গেছে রাস্তার পাশের বহু দোকান। চাপা পড়েছেন অন্তত ১২ জন। উদ্ধার কাজে নামানো হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Kedarnath Yatra)?

    গতকাল বৃহস্পতিবার রাত থেকেই উত্তরাখণ্ডে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে ভোরের দিকে কেদারনাথের পথে (Kedarnath Yatra) ধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। রুদ্রপ্রয়াগ জেলার গৌরীকুণ্ডের দাঁতপুলিয়া এলাকায় ধস নেমেছে। উল্লেখ্য কেদারনাথ যাত্রায় গৌরীকুণ্ড হল একটি বিশেষ বেস ক্যাম্প। সমস্ত কেদারনাথ পুণ্যার্থীরা এই পথেই পৌঁছান কেদারনাথ ধামে। তাই ধসের কারণে আপাতত বন্ধ কেদারনাথ যাত্রা। রাস্তার পাশে থাকা বেশ কিছু দোকান বড় পাথরের নিচে চাপা পড়েছে।

    বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর বক্তব্য

    রুদ্রপ্রয়াগ বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর অফিসার দলিপ সিং রাজওয়ার জানিয়েছেন, বৃষ্টির কারণে ধস (Kedarnath Yatra) নেমেছে। অন্তত ১০ থেকে ১২ জন মানুষ চাপা পড়ে আছেন বলে জানা গেছে। নিখোঁজদের এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। ধসের কারণে বেশ কিছু দোকানও চাপা পড়েছে। এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দ্রুত উদ্ধার কাজ শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিপর্যয় বাহিনীর অফিসার। রুদ্রপ্রয়াগ পুলিশ সুপারের বক্তব্য, নিখোঁজ ব্যক্তিদের খুঁজে বার করতে অভিযান শুরু হয়েছে। এলাকায় অনেক বাড়ি ধসে গিয়েছে।

    কতটা সুরক্ষিত কেদারনাথ যাত্রা?

    উল্লেখ্য গত বছর জুলাই মাসেও প্রবল বৃষ্টিপাত হয় সোনপ্রয়াগ, গৌরীকুণ্ডতে। সেই সময় সাময়িক ভাবে অতি বৃষ্টিপাতের কারণে কেদারনাথ যাত্রা (Kedarnath Yatra) বন্ধ রাখতে হয়েছিল। ৬ মাস বন্ধ রাখার পর, এই বছর এপ্রিলে আবার খোলা হয় কেদারনাথ ধাম। এই ধস এবং অতি ভারী বর্ষণের ফলে গঙ্গোত্রী, যমুনোত্রী এবং বদ্রীনাথ যাত্রা কতটা সুরক্ষিত হবে, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। উল্লেখ্য গত ২০১৩ সালেও অধিক বৃষ্টিপাতের ফলে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ব্যাপক ভাবে ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছিল উত্তরাখণ্ড।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Collapse: রাস্তা জুড়ে ফের ধস! আতঙ্কে এলাকা ছাড়ছেন বাসিন্দারা

    Collapse: রাস্তা জুড়ে ফের ধস! আতঙ্কে এলাকা ছাড়ছেন বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ধস (Collapse) ! এবার ধসের (Collapse) আতঙ্কে ঘর ও দোকানপাট ছাড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শুক্রবার দুপুরে এমনই চিত্র উঠে এল অন্ডালের পড়াশকোল এলাকায়। এদিন দুপুর থেকেই অন্ডালের পড়াশকোল এলাকার বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা দিলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা। বিশেষ করে চোখের সামনে চলাচলের রাস্তা জুড়ে বিশাল ফাটল দেখে অনেকের রাতে ঘুম চলে যায়।  পড়াশকোল এলাকার প্রসিদ্ধ পদ্মাবতী মন্দির রয়েছে এখানে। মন্দিরে পুজো দিতে বহু ভক্ত সমাগম হয়। কিন্তু, এদিনের ধসের কারণে মন্দিরে ভক্তদের সংখ্যাও কম ছিল।

    ধস (Collapse) নিয়ে কী বললেন এলাকাবাসী?

    শুক্রবার দুপুরে স্থানীয়দের একাংশ লক্ষ্য করেন ,পড়াশকোলের বগুলা কাজরা যাওয়ার প্রধান রাস্তার উপর জায়গায় জায়গায় গভীর আকারের ফাটল দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গত দুই বছর আগে এই এলাকায় ব্যাপক আকারে ই সি এল- এর খোলা মুখ খনির কারণেই ধসের (Collapse) সৃষ্টি হয়েছিল।  সেই মুহূর্তে এলাকা ও ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এখনও এলাকার বহু মানুষ আতঙ্কে ধস (Collapse) কবলিত এলাকা থেকে দূরে ক্লাব ঘরে বাস করছেন। দুই বছর আগে ধসের পর স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে পুলিশ প্রশাসন, শাসক দল, ইসিএল আধিকারিকদের বৈঠক করে। সেই সময় এলাকাবাসীদের পুনর্বাসনের বিষয়টি আলোচনা হয়। কিন্তু দু’বছর পার হয়ে গেলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। আজও আতঙ্কে বসবাস করছেন এলাকার মানুষ । প্রসঙ্গত, পড়াশকোল এলাকা থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে জামবাদ খোলামুখ খনি এলাকায় দু’বছর আগে ধসে তলিয়ে যায় আস্ত একটা বাড়ি,তলিয়ে যায় বাড়ির লোকজনও। বেশ কয়েক দিনের চেষ্টার পর মৃতদেহ উদ্ধার হয় মাটির তলা থেকে। এই ঘটনার পরেই আতঙ্কিত জামবাদ,পড়াশকোল এলাকার বাসিন্দারা পুনর্বাসনের দাবি জানান ইসিএলের দফতরে। কিন্তু সেই দাবি পূরণ হয়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসী। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই তাঁরা এলাকায় থাকছিলেন। এদিন নতুন করে ধস (Collapse) শুরু হওয়ায় আতঙ্কিত এলাকাবাসীরা দোকানপাট ও ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র পালাতে বাধ্য হচ্ছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Hooghly: যে কোনও সময় ভেঙে পড়তে পারে স্কুলবিল্ডিং! আতঙ্কে ক্লাস চলছে গাছতলাতেই

    Hooghly: যে কোনও সময় ভেঙে পড়তে পারে স্কুলবিল্ডিং! আতঙ্কে ক্লাস চলছে গাছতলাতেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে কোনও মুহূর্তে স্কুলবিল্ডিং ভেঙে পড়ার আতঙ্কে! গাছতলাতেই চলছে ক্লাস। বাড়ছে আতঙ্ক! স্কুলে কমছে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা। যখন তখন ভেঙে পড়ছে দেওয়ালের অংশ বিশেষ। খসে খসে পড়ছে স্কুল ছাদের চাঙর। বিপজ্জনক ও ভগ্নপ্রায় স্কুলবিল্ডিংয়ের জেরে বাড়ছে আতঙ্ক। তাই এবার বাধ্য হয়েই পড়াশোনা চলছে গাছের তলায়। এমনই ছবি হুগলির (Hooghly) আরামবাগের মলয়পুর দক্ষিণপাড়া বামাপদ দত্ত নিম্নবুনিয়াদি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের।

    শিক্ষকদের বক্তব্য (Hooghly)

    জানাগেছে, আরামবাগ (Hooghly) মহকুমার মলয়পুরের এই স্কুল ভবনের একাংশ বহু পুরাতন। বেশ কয়েকবার মেরামতি করার চেষ্টা করা হলেও তাতে কোনও কাজ হয়নি। উল্টে চাঙর খসে আহত হয় বেশ কয়েকজন পড়ুয়া। তারপর থেকেই দুটি শ্রেণির পড়ুয়াদের বাধ্য হয়েই স্কুল মাঠের গাছের তলায় পড়াশোনা চালাতে হচ্ছে শিক্ষকদের। শিক্ষকেরা বলেন, “বর্ষার সময় অথবা বৃষ্টি হলে বাধ্য হয়ে বিপদজনক সেই স্কুলের ভাঙা ক্লাস রুমের মধ্যেই পড়াশোনা চালাতে হয়।” শুধু শিক্ষক-শিক্ষিকারা নয়, ছাত্র-ছাত্রীরাও বলে, “প্রতিটা মুহূর্তে আতঙ্কে ও ভয়ে ভয়ে স্কুলে ভাঙা ক্লাস রুমে পড়াশোনা করতে হয়।” শিক্ষক সহ অভিভাবকদের অভিযোগ, বারেবারে সরকারি বিভিন্ন দফতরে জানানো হলেও কোনও ফল হয়নি।

    অভিভাবকের বক্তব্য

    স্থানীয়(Hooghly) স্কুল পড়ুয়াদের অভিভাবকেরা বলেছেন, “এই স্কুলে ছেলে-মেয়েদের পঠন-পাঠন খুবই ভালো হয়। তাই এই স্কুলে অনেক দূর থেকেও ছেলে-মেয়েরা আসে। কিন্তু স্কুলের এমন ভগ্নদশার জেরে একদিকে যেমন ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে এসে বিপদের আশঙ্কা নিয়ে পড়াশোনা করছে, অন্যদিকে আমরাও সন্তানদের স্কুলে পাঠিয়ে দুশ্চিন্তার মধ্যে থাকি।” অনেক অভিভাবকই এই স্কুল থেকে ছেলেমেয়েদের অন্য স্কুলে ভর্তি করতে বাধ্য হয়েছেন। যার ফলে প্রত্যেক বছরই কমে যাচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা।

    স্কুল পরিদর্শকের বক্তব্য

    তবে স্কুলের এমন জীর্ণ অবস্থার কথা স্বীকার করে নেন স্কুল পরিদর্শক। আরামবাগ (Hooghly) পূর্ব চক্রের স্কুল পরিদর্শক অবন্তি পোড়েল বলেন, “সমস্ত তথ্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আবেদন করা হয়েছে তিনটি রুমের নতুন ভবনের জন্য। খুব শীঘ্রই কাজ শুরু হয়ে যাবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share