Tag: Commissioner Laxmi Singh

  • Noida Violence: নয়ডার শিল্পাঞ্চল কাঁপানো সহিংস শ্রমিক বিক্ষোভের মূল চক্রী গ্রেফতার

    Noida Violence: নয়ডার শিল্পাঞ্চল কাঁপানো সহিংস শ্রমিক বিক্ষোভের মূল চক্রী গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়ডার শিল্পাঞ্চল কাঁপিয়ে দেওয়া সহিংস শ্রমিক (Noida Violence) বিক্ষোভের মূল ষড়যন্ত্রী আদিত্য আনন্দ গ্রেফতার। গৌতম বুদ্ধ নগর পুলিশ এবং উত্তরপ্রদেশ স্পেশাল টাস্ক ফোর্স গ্রেফতার করে তাকে। শনিবার তামিলনাড়ুর তিরুচিরাপল্লি রেলওয়ে স্টেশনে তাকে আটক করা হয়। পরে করা হয় গ্রেফতার (Mastermind Arrested)। পুলিশ আধিকারিকদের মতে, ১৩-১৪ এপ্রিল বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেওয়ার পর থেকেই আনন্দ পলাতক ছিল।

    মাথার দাম ছিল লাখ টাকা (Noida Violence)

    তার বিরুদ্ধে ফেজ-২ থানায় একটি জামিন-অযোগ্য পরোয়ানা জারি করা হয়। তার খোঁজ দিতে পারলে ১ লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণাও করা হয়। জানা গিয়েছে, পালানোর আগে সে চুল-দাড়ি কেটে নিজের লুক বদলে নেয়। এনআইটি জামশেদপুর থেকে বি-টেক পাশ আদিত্য আনন্দকে তদন্তকারীরা মূল ষড়যন্ত্রকারী হিসেবেই বর্ণনা করেছেন। শ্রমিক সংগঠন ‘বিগুল মজদুর দস্তা’র সঙ্গে যুক্ত আনন্দ উসকানিমূলক কার্যকলাপ সংগঠিত করা, কিউআর কোড ব্যবহার করে একাধিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করে হাজার হাজার শ্রমিককে সংগঠিত করা এবং নয়ডার ফেজ-২ শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের ধর্না ও বিক্ষোভ চলাকালীন উত্তেজনাপূর্ণ বক্তৃতা দিয়ে হিংসা উস্কে দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত (Noida Violence)। পুলিশের দাবি, এই অস্থিরতা ছিল পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র, যেখানে আনন্দ ও তার সহযোগীরা ৩১ মার্চ থেকে ১ এপ্রিলের মধ্যে জেলায় ঢোকে।

    তিনদিনের মধ্যে ৮০টিরও বেশি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি!

    কমিশনার লক্ষ্মী সিংয়ের মতে, ৩১ মার্চ এবং ১ এপ্রিল নয়ডার অভ্যন্তরে যাতায়াতের জন্য সমন্বয় সাধন করা হয়েছিল। ৯ ও ১০ এপ্রিল কিউআর কোড পাঠিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করা হয়। ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ শৈব্যা গয়াল জানান, শ্রমিক বিক্ষোভের আগের তিনদিনের মধ্যে ৮০টিরও বেশি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করা হয়। গয়ালের মতে, এই গ্রুপগুলিতে শ্রমিকদের প্রকৃত দাবি—যেমন মজুরি বৃদ্ধি ও কাজের পরিবেশ উন্নতি—নিয়ে আলোচনা হয়নি। বরং শ্রমিকদের উসকে দেওয়া, ভিড় সংগঠিত করা এবং কারখানায় ভাঙচুর করার বার্তা ছড়ানো হচ্ছিল (Mastermind Arrested)। এই বিক্ষোভে ফেজ-২, সেক্টর ৬০, ৬২ এবং ৮৪-সহ ৮০টিরও বেশি শিল্পাঞ্চল থেকে প্রায় ৪০,০০০–৪৫,০০০ শ্রমিক অংশগ্রহণ করেন। দীর্ঘদিনের কম মজুরি ও শোষণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ থেকেই এই আন্দোলনের সূত্রপাত। শ্রমিকরা প্রতিবেশী হরিয়ানার সঙ্গে মজুরির সমতা দাবি করেন, যেখানে এপ্রিলের শুরুতে ৩৫ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করা হয়েছিল (Noida Violence)।

    উচ্চস্তরের কমিটি

    এর প্রেক্ষিতে উত্তরপ্রদেশ শ্রমদফতর একটি উচ্চস্তরের কমিটি গঠন করে, যা গৌতম বুদ্ধ নগর ও গাজিয়াবাদের ৭৪টি নির্ধারিত কর্মসংস্থানে ২১ শতাংশ মজুরি সংশোধনের সুপারিশ করে এবং তা কার্যকর করা হয়। এই বৃদ্ধি ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে পূর্বপ্রযোজ্য হিসেবে কার্যকর এবং ৭ থেকে ১০ মে-এর মধ্যে তা দেওয়া হবে (Noida Violence)। উদাহরণস্বরূপ, দক্ষ শ্রমিকদের মাসিক মজুরি ১৩,৯৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬,৬৬৮ টাকা হয়েছে। অতিরিক্ত ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে দ্বিগুণ হারে বাধ্যতামূলক ওভারটাইম, অননুমোদিত কাটছাঁট নিষিদ্ধ করা (Mastermind Arrested), সাপ্তাহিক ছুটি ও বোনাস কঠোরভাবে নিশ্চিত করা এবং নিয়মভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া (Noida Violence)।

     

LinkedIn
Share