Tag: company

company

  • George Soros: জর্জ সোরোসের সংস্থা থেকে ২৫ কোটি টাকা পেয়েছিল বেঙ্গালুরুর তিন কোম্পানি!

    George Soros: জর্জ সোরোসের সংস্থা থেকে ২৫ কোটি টাকা পেয়েছিল বেঙ্গালুরুর তিন কোম্পানি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঝ-মার্চে বেঙ্গালুরু ভিত্তিক তিনটি কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত আটটি জায়গায় হানা দিয়েছিল ইডি (ED)। এই কোম্পানিগুলি মার্কিন নন-প্রফিট ওপেন সোস্যাইটি ফাউন্ডেশন থেকে ফান্ড পেয়েছিল। এই ফাউন্ডেশনের নেপথ্যে রয়েছে মার্কিন বিলিয়নিয়ার জর্জ সোরোস (George Soros)। এই ফান্ড নেওয়ায় ওই কোম্পানিগুলির বিরুদ্ধে ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্টের নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ করা হয়েছে।

    ২৫ কোটি টাকা ট্রান্সফার! (George Soros)

    মার্চ মাসে ইডির অভিযানের আগে ওই ফাউন্ডেশন কয়েক মাসে সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ্যমে ওই কোম্পানিগুলিতে ট্রান্সফার করেছিল ২৫ কোটি টাকা। এই অভিযোগ পেয়েই ওই তিন কোম্পানিতে অভিযান চালায় ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা জেনেছে, এএসএআর সোশ্যাল ইমপ্যাক্ট অ্যাডভাইজার্স, যেটি ওই কোম্পানিগুলির মধ্যে একটি, তারাও ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ইউএসএআইডি) থেকে ৮ কোটি টাকা পেয়েছে। উল্লেখ্য যে, বিদেশে বাম, ডান এবং প্রগতিশীল অ্যাজেন্ডা প্রচারের জন্য এই ইউএসএআইডি-র সমালোচনা করেছেন খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই কোম্পানিগুলি ২০২২-২৩ সালে ফরেন ইনওয়ার্ড রেমিট্যান্স হিসেবে ওই অর্থ পেয়েছে। তবে এএসএআরের দাবি, ইউএসএআইডি থেকে তারা যে ফান্ড পেয়েছিল, তা কাউন্সিল অন এনার্জি, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ওয়াটারকে দেওয়া পরিষেবার বিনিময়ে।

    কাউন্সিল অন এনার্জি, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ওয়াটার

    ওয়েবসাইটে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, কাউন্সিল অন এনার্জি, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ওয়াটার একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ, অলাভজনক নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, যা সম্পদের ব্যবহার, পুনর্ব্যবহার এবং অপব্যবহার সংক্রান্ত বিষয়ে গবেষণায় নিবেদিত। কাউন্সিল অন এনার্জি, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ওয়াটার বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলি বোঝা এবং ভারতের উন্নয়নের প্রভাব নিয়ে কাজ করে (George Soros)। তাদের সব গবেষণা আন্তর্জাতিকভাবে প্রাসঙ্গিক। তবে এএসএআর কর্তারা কাউন্সিল অন এনার্জি, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ওয়াটারকে কী ধরনের পরিষেবা দিয়েছিল এবং ইউএসএআইডির এতে কী ভূমিকা রয়েছে, তা উল্লেখ করেননি। কাউন্সিল অন এনার্জি, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ওয়াটারের তরফে জারি করা বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের সঙ্গে জর্জ সোরোস বা ওপেন সোস্যাইটি ফাউন্ডেশনের সঙ্গে কোনও যোগ নেই (ED)। জর্জ সোরোস বা ওপেন সোস্যাইটির সঙ্গে কোনও সম্পর্ক বা ফান্ড প্রাপ্তির ইতিহাস নেই (George Soros)।

  • Success Story: এক সময় রিকশও চালিয়েছেন, আজ অ্যাপ-নির্ভর ক্যাব সংস্থার মালিক

    Success Story: এক সময় রিকশও চালিয়েছেন, আজ অ্যাপ-নির্ভর ক্যাব সংস্থার মালিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইচ্ছাশক্তি ও চেষ্টা মানুষকে যে জিরো থেকে হিরো বানাতে পারে, তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ দিলখুশ কুমার (Success Story)। বিহারের প্রত্যন্ত গ্রামে জন্ম, রোজ দারিদ্রতার সাথে লড়াই, অভাব-অনটন এতটাই ছিল যে এক সময় রিকশও চালিয়েছেন। কিন্তু এত কষ্টের মাঝেও নিজের ইচ্ছাশক্তিকে বিসর্জন দেননি তিনি।  আর এই সবকিছুকে কাটিয়ে তিনি আজ এক কোম্পানির সিইও। আজ এই প্রতিবেদনে আমরা জানব সেই দিলখুশ কুমারের সম্বন্ধে, যাঁর গল্প বড় সিনেমাকেও হার মানাবে।

    দিলখুশের সংগ্রামের দিনগুলি (Success Story)

    বিহারের সহরসা জেলার বনগাঁও নামের একটি ছোট্ট গ্রামে জন্ম দিলখুশ কুমারের। এই গ্রাম থেকেই তিনি হাইস্কুলের পড়াশোনা শেষ করেন। কিন্তু অভাব-অনটনের কারণে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারেননি দিলখুশ। তাঁর বাবা ছিলেন ট্রাক ড্রাইভার। পরিবারে উপার্জনের একমাত্র মানুষ ছিলেন তিনিই। তাই দিলখুশ নিজের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য কাজের খোঁজ নিতে থাকেন। কিন্তু অনেক ইন্টারভিউ দেওয়ার পরেও ভালো ফলাফল পাননি তিনি। তাই সিদ্ধান্ত নেন রিকশ চালানোর। তাই লোকালয়ে প্রথমে রিকশ চালানো শুরু করেন। কিন্তু এতে শারীরিক অনেক পরিশ্রমের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন দিলখুশ (Success Story)। এর পরেই তিনি আবার কর্মজীবনে ফিরে আসেন। এবার তিনি বাজারে সব্জি বিক্রি করতে শুরু করেন। কিন্তু এই সবকিছুর মধ্যেই তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনে খামতি থেকে যাচ্ছিল। যদিও তাঁর প্রথম থেকেই ইচ্ছা ছিল ব্যবসা করার। তাই তিনি যেমন করেই হোক ব্যবসার প্রতি মনোনিবেশ করতে চেয়েছিলেন সারাটা জীবন।

    তৈরি করলেন নিজের ক্যাব সংস্থা (Success Story)

    তিনি কয়েক বছর ওলা, উবর-এর মতো কিছু ক্যাব সংস্থাতেও গাড়ি চালানোর কাজ করেন। তখনই তিনি সিদ্ধান্ত নেন নিজস্ব একটি অ্যাপ নির্ভর ক্যাব সংস্থা গড়ে তোলার। যেমন ভাবা তেমনই কাজ, তৈরি করে ফেললেন তাঁর প্রথম স্টার্ট আপ, নিজের প্রতিষ্ঠিত অ্যাপনির্ভর ক্যাব সংস্থা “রোডবেজ”। তবে ওলা কিংবা উবরের মতো যাত্রীদের গাড়ি সরবরাহ করে না তাঁর সংস্থা। দিলখুশের গ্রাহক পেশাদার গাড়ি চালকেরা। তাঁদেরকে নির্দিষ্ট টাকার বিনিময়ে গাড়ি ভাড়া দেয় রোডবেজ। দিলখুশের (Success Story) প্রতিষ্ঠিত সংস্থা রোডবেজের বার্ষিক লেনদেন বেশ কয়েক কোটির কাছাকাছি। তিনি নিজেই ওই সংস্থার সিইও হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সারা বিহার জুড়ে দিলখুশের পরিবহণ সংস্থা এক নতুন মাত্রা পেয়েছে, যেখানে তিনি বহু ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র, এমনকী আইআইটি ও এনআইটির ইঞ্জিনিয়ারদের নিজের কোম্পানিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Juice Shop: “জবলেশ জুসওয়ালা”-ভাইরাল নেট দুনিয়ায়! জানেন কী শরবতের এই দোকান গড়ে ওঠার কাহিনী?

    Juice Shop: “জবলেশ জুসওয়ালা”-ভাইরাল নেট দুনিয়ায়! জানেন কী শরবতের এই দোকান গড়ে ওঠার কাহিনী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ মনের মধ্যে অদম্য জেদ আর নির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক থাকলে কোনও বাধা চলার পথকে থামিয়ে রাখতে পারে না। আর সে কথা প্রমাণ করেছেন বর্ধমান শহরের দুই যুবক অভিজিৎ গুহ এবং তাঁর বন্ধু অপু সরকার। তাঁরা দুজনে মিলেই বর্ধমান পুলিশ লাইনের কাছে ঘোড়দৌড়চট্টিতে রাস্তার ধারে খুলে ফেললেন একটি শরবতের দোকান (Juice Shop)। আর দোকানের নাম রাখলেন “জবলেশ জুসওয়ালা”। এম বি এ চায়েওয়ালার মতো তাঁদের দোকানের নামের জাদুতেই নজর কাড়বে সকলের। অল্প সময়ের মধ্যেই দুই বন্ধুর অক্লান্ত পরিশ্রমে বর্ধমান শহরে রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই দোকান (Juice Shop)। গরম পড়তেই শরবতের চাহিদা এখন তুঙ্গে। রাজ্যে চাকরির অবস্থা এতটাই শোচনীয় যে সাধারণ যুবকরা অসহায়, সেখানে এধরনের উদ্যোগে প্রশংসায় মেতেছেন শহরবাসী থেকে নেট জগত্। শহর জুড়ে ভাইরাল হয়েছে তাঁদের এই শরবতের দোকান (Juice Shop)। তাঁদের দুজনের এই সাহসিকতাকে কুর্ণিশ জানিয়েছেন সকলে।

    “জবলেশ জুসওয়ালা”- দোকানের নামকরণ এরকম কেন ? Juice Shop

    প্রায় ১৪ বছর ধরে দু’জনেই বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেছেন। কিন্তু, মাসখানেক আগে তাঁদের সংস্থা ছাঁটাই শুরু করে। চাকরি যায় দুজনের। সদ্য বেসরকারি সংস্থায় চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়া দুই কর্মী অভিজিৎ গুহ এবং তাঁর বন্ধু অপু সরকার নতুন করে আর বেসরকারি সংস্থায় চাকরি খোঁজ করেননি। কারণ, সারা মাস হাড় ভাঙা পরিশ্রম করার পর যা বেতন পেতেন তাতেও মাসের শেষে টানাটানি চলত। তবুও, দাঁতে দাঁত চেপে তাঁরা মুখ বুঝে সংস্থায় কাজ করে গিয়েছেন। সংস্থার শ্রীবৃদ্ধির জন্য তাঁরা চেষ্টা করেছেন। বিনিময়ে আচমকা বরখাস্ত হওয়ার জ্বালা তাঁরা মেনে নিতে পারেননি। দুই বন্ধু অভিজিৎ গুহ এবং অপু সরকার বলেন, গত ১৪ বছর ধরে বেসরকারি সংস্থার জন্য শ্রম দিয়েছি। এবার ব্যবসা করে নিজেদের জন্য শ্রম দেব। আমাদের বিশ্বাস, আমাদের পরিশ্রম বিফলে যাবে না। আর চাকরি হারিয়ে ব্যবসা শুরু করেছি বলেই তালমিলিয়ে দোকানের (Juice Shop) নামকরণ করেছি। আগামিদিনে এই দোকানকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    শরবতের দোকানে কী কী পাওয়া যায়? Juice Shop

    নতুন তৈরি এই শরবতের দোকানে (Juice Shop) গেলেই মিলবে, মোজিতো, মশালা সোডা, মশালা কোল্ড ড্রিঙ্কস, ম্যাঙ্গো জুস সহ নিত্যনতুন জুসের আইটেম। দামও রয়েছে ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে। এক ঝলকে জেনে নিন, শরবতের বিভিন্ন আইটেমের দাম কত? যেমন, মোজিতো জুসের দাম ৪০ টাকা, ম্যাঙ্গো জুস ও মশালা সোডা ৩০ টাকার মধ্যে রাখা হয়েছে। সপ্তাহের প্রতিদিনই দোকান খোলা থাকে। সকাল ৯ টা থেকে রাত্রি ৯ টা পর্যন্ত দুই বন্ধু হাতে হাত মিলিয়ে শরবতের দোকান (Juice Shop) এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: কেষ্টর চাপে জলের দরে নিজের সম্পত্তি সুকন্যাকে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছিলেন! ইডিকে মণীশ

    Anubrata Mondal: কেষ্টর চাপে জলের দরে নিজের সম্পত্তি সুকন্যাকে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছিলেন! ইডিকে মণীশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বীরভূমের বেতাজ বাদশা অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। তাঁর হিসাবরক্ষক ছিলেন মণীশ কোঠারি। তাঁর উপর একরকম জোর করেই জলের দরে মেয়ে সুকন্যাকে বিপুল টাকার সম্পত্তি হস্তান্তর করতে বাধ্য করেছিলেন অনুব্রত (Anubrata Mondal)। এমনটাই জানা গিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) সূত্রে। সুকন্যার নামে থাকা এএনএম অ্যাগ্রোকেম প্রাইভেট লিমিটেড নামে সংস্থাটি ছিল আদতে মণীশের। তিনি ছাড়াও আরও ১৬ জন ছিলেন ওই সংস্থার অংশীদার। ইডির দাবি, মণীশ তাঁদের জানিয়েছেন, ২০১৮ সালে এই সংস্থাটি সুকন্যার নামে হস্তান্তর করতে মণীশকে বাধ্য করেছিলেন অনুব্রত (Anubrata Mondal)। তদন্তকারীদের মণীশ জানিয়েছেন, মাত্র ৩ কোটি ৬০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ওই সংস্থাটি সুকন্যার নামে বিক্রি করে দেন তিনি। সেই সময় ওই সংস্থার মূল্য ১৫ কোটি টাকা বলেও ইডিকে জানিয়েছেন মণীশ। তাঁর আমলে কেনা ওই সংস্থার সমস্ত সম্পত্তিও কেষ্ট কন্যাকে হস্তান্তর করতে হয়েছে বলে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে। একইসঙ্গে মণীশের মাধ্যমেই নীর ডেভলপার প্রাইভেট লিমিটেড নামে আরও একটি কোম্পানি  চালু করেন সুকন্যা। জেরার মুখে এমনটাই জানিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি।  কয়েকদিন আগেই অনুব্রতের হিসেবরক্ষক মণীশ কোঠারিকে গ্রেপ্তার করেছে ইডি। তিনি এবার অনুব্রত ও তাঁর মেয়ের আয়ের উৎস সম্পর্কে একের পর এক তথ্য দিচ্ছেন ইডিকে।

    অনুব্রত (Anubrata Mondal) কন্যার ফিক্সড ডিপোজিটের টাকার উৎস কী

    অনুব্রতের (Anubrata Mondal) মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলের ১৬ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিটের সন্ধান আগেই পেয়েছে ইডি। সেই এফডি যে গরু পাচারের টাকাতেই হয়েছে তা মণীশ কোঠারি জানিয়েছেন ইডিকে। এবার সুকন্যার আরও ১০ কোটি টাকা ফিক্সড ডিপোজিটের সন্ধান পেল ইডি। বোলপুরের ব্যাঙ্ক অব বরোদা-য় সুকন্যা মণ্ডলের নামে ১১টি ফিক্সড ডিপোজিট রয়েছে। ওইসব ফিক্সড ডিপোজিটের মোট মূল্য ৫ কোটি ২৭ লক্ষ টাকা। এছাড়াও সল্টলেক এসবিআইয়ের এক শাখায় রয়েছে ৫টি ফিক্সড ডিপোজিট। এর মূল্য ৪ কোটি ৫৭ লক্ষ ৬৬ হাজার ২৬৪ টাকা। ওইসব ফিক্সড ডিপোজিট খোলা হয়েছে ২ বছরের মধ্যে। সময়টা ২০১৯ সালে মার্চ থেকে ২০২১ সালের জানুয়ারির মধ্যে।  সূত্রের খবর, অনুব্রতের সিএ মণীশ কোঠারিকে জেরা করেই ওইসব তথ্য মিলেছে। মণীশ জানিয়েছেন গোরু পাচারের টাকাতেই ওইসব ফিক্সড ডিপোজিট করা হয়েছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share