Tag: conflict

conflict

  • Murshidabad:  “তৃণমূলের নেতারা নাকি দলের মধ্যেই আলাদা দোকান খুলেছে” গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে বিস্ফোরক হুমায়ুন

    Murshidabad: “তৃণমূলের নেতারা নাকি দলের মধ্যেই আলাদা দোকান খুলেছে” গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে বিস্ফোরক হুমায়ুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলায় শাসক দল তৃণমূলের মধ্যে রাজনৈতিক গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কলহের কথা বার বার শিরোনামে এসেছে। ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বরাবরই স্পষ্টবাদী নেতা হিসেবে নিজেকে বারবার সংবাদ মাধ্যমে বক্তব্য প্রকাশ করে থাকেন। দলের জেলা প্রেসিডেন্ট সাওনি সিংহরায়ের বিরুদ্ধে বারবার বিস্ফোরক হয়েছেন তিনি। এবার সেই স্পষ্টবাদী তৃণমূল বিধায়ক খোদ দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের দিনেই মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে দলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বলেন, “তৃণমূলের নেতারা নাকি দলের মধ্যেই আলাদা দোকান খুলেছে।” ফলে দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা আরও একবার স্পষ্ট হল।

    কী বললেন হুমায়ন কবীর (Murshidabad)?

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুরের তৃণমূলের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বলেন, “তৃণমূলের নেতারা নাকি দোকান খুলে বসে আছে, আমরা যদি সিপিএম-বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারি, তাহলে নিজেদের ঘরে যে সমস্ত গাদ্দাররা বসে আছেন তাঁদের দোকানের ঝাঁপ বন্ধ করতে আমার বেশি সময় লাগবে না।” একদিকে নতুন বছরের শুরু আরেক দিকে দলের প্রতিষ্ঠা দিবস আর সেদিনই এই ধরনের মন্তব্য। কার্যত বিধায়ক আবারও লোকসভার আগে তৃণমূলের অন্তরকলহ কথা প্রকাশ্যে আনলেন।

    বললেন ডান্ডা ধরব!

    ভরতপুরের (Murshidabad) তৃণমূলের বিধায়ক হুমায়ুন, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবসে বলেন, “বিনয়ের সঙ্গে জানাচ্ছি আপনারা সাবধান হন, যাঁরা দলকে আলাদা আলাদা ভাবে ভাগ করার চেষ্টা করছেন। আমরা স্পষ্ট করে বলছি দলের স্বার্থে সকলে এক থাকুন। যদি গোষ্ঠীগুলি দলের স্বার্থে কাজ না করে তা হলে ডান্ডা ধরব। সালারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করলে বিশেষ ব্যবস্থা নেবো। দলের মধ্যে আলাদা দোকান খুলে ডান্ডা দিয়ে ঠান্ডা করব। এরপর দোকান পুড়িয়ে ঘরে বন্দি করে দেবো। বিরোধীদের সঙ্গে যেমন তৃণমূল লড়াই করছে তেমনি দলের মধ্যে নতুন দল করলে তাঁদের বিরুদ্ধেও তৃণমূল লড়াই করবে। তাই শুধু ভরতপুর নয়, সালার নয় গোটা মুর্শিদাবাদ জুড়ে লড়াই করার ক্ষমতা রাখি আমি। জেলার শেষ কথা আমিই বলব এখানে। দলের নির্দেশ সকলকে মানতে হবে। তৃণমূল কংগ্রেস আজকের দিনে এই শপথ নেবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Israel-Hamas Conflict: শুরু ‘অপারেশন অজয়’! ইজরায়েল, যুদ্ধে আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধারে সক্রিয় সরকার

    Israel-Hamas Conflict: শুরু ‘অপারেশন অজয়’! ইজরায়েল, যুদ্ধে আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধারে সক্রিয় সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েলে (Israel-Hamas Conflict) আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধার করতে বিমান পাঠানোর পরিকল্পনা করছে কেন্দ্র সরকার। গাজায় হামাস গোষ্ঠীর সঙ্গে ইজরায়েলের সংঘাত বেঁধেছে। এই পরিস্থিতিতে ওই অঞ্চলে বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপত্তা দিতে বদ্ধ পরিকর কেন্দ্র। বুধবার রাতে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানান এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন অজয়’। জেরুজালেম, তেল আভিভ-সহ ইজরায়েলের বিভিন্ন শহরে আনুমানিক ১৮ হাজার ভারতীয় বসবাস করেন। তাঁদের কেউ তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী। কেউ পরিষেবা ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত। কেউ আবার পড়ুয়া।

    অপারেশন অজয় 

    জয়শঙ্কর জানান, ‘‘ইজরায়েল থেকে ফিরে আসতে ইচ্ছুক ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনতে অপারেশন অজয় শুরু করা হচ্ছে। বিশেষ চার্টার্ড উড়ান-সহ সব ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। বিদেশের মাটিতে আমাদের নাগরিকদের নিরাপত্তা ও কল্যাণের জন্য সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’’ দূতাবাস থেকে আরও বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবারই একটি বিশেষ উড়ান ভারত থেকে ইজরায়েলে (Israel-Hamas Conflict) গিয়ে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনবে। তারপর ধাপে ধাপে আরও যারা যারা ফিরতে চাইবেন, তাঁদের সকলকেই ফিরিয়ে আনা হবে।

    বিশেষ ব্যবস্থা মোদি সরকারের

    চলতি বছরে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার বিদেশ থেকে ভারতীয়দের ফেরাতে পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। এর আগে এপ্রিল-মে মাসে যুদ্ধ বিধ্বস্ত সুদান থেকে নাগরিকদের ফেরাতে ‘অপারেশন কাবেরী’ চালিয়েছিল মোদি সরকার। এবার ইজরায়েল (Israel-Hamas Conflict)। তেল আভিভের ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার প্রথম স্পেশাল বিমান ইজরায়েল থেকে রওনা দেবে। এ ব্যাপারে একাধিক ভারতীয় নাগরিককে ইমেল করে জানানো হয়েছে। রেজিস্টার্ড বাকি ভারতীয়দের পরবর্তী বিশেষ বিমানগুলি সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: হামাসকে আইসিসের সঙ্গে তুলনা বাইডেনের, ইজরায়েল যাচ্ছেন মার্কিন বিদেশ সচিব

    গত ৭ অক্টোবর গাজা স্ট্রিপ থেকে ইজরায়েলের উপর বড়সড় হামলা চালায় হামাস জঙ্গিরা। এর পরই যুদ্ধ ঘোষণা করে পাল্টা প্রত্যাঘাত শুরু করে ইহুদি সেনা। গাজায় একের পর এক এয়ার স্ট্রাইক চালায় তাঁরা। এহেন পরিস্থিতিতে নয়াদিল্লি থেকে তেল আভিভ পর্যন্ত উড়ান পরিষেবা বন্ধ রেখেছে এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ।

    ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম

    বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইজরায়েল- প্যালেস্টাইনের (Israel-Hamas Conflict) পরিস্থিতি নিয়ে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। প্রয়োজনীয় তথ্য় ও সহায়তা দেওয়ার জন্য এটা করা হয়েছে।

    কন্ট্রোল রুমের নম্বরগুলি হল:

    1800118797 (toll free), +91-11 23012113, +91-11-23014104, +91-11-23017905 , +919968291988,

    ইমেল আইডি:

    situationroom@mea.gov.in

    অন্যদিকে তেল আভিভে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে +972-35226748, +972-543278392 নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন। তাদের মেল আইডি হল cons1.telaviv@mea.gov.in

    রামাল্লাতে ভারতীয় দূতাবাসের কন্ট্রোল রুমের নম্বর হল +970-592916418 (WhatsApp-ও)

    ইমেল আইডি হল rep.ramallah@mea.gov.in

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India-Canada Row: দিল্লি থেকে বেশিরভাগ কূটনীতিককে সরাচ্ছে কানাডা! পাঠানো হচ্ছে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরে

    India-Canada Row: দিল্লি থেকে বেশিরভাগ কূটনীতিককে সরাচ্ছে কানাডা! পাঠানো হচ্ছে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের কথা মানতে চলেছে কানাডা (India-Canada Row)। ‘কূটনৈতিক ভারসাম্য’ রক্ষার জন্য দেশে থাকা কানাডার কূটনীতিকদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য জাস্টিন ট্রুডো সরকারকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ভারত। সেই মতোই কানাডা সরকার ভারত থেকে কূটনীতিকদের সরিয়ে কুয়ালালামপুর এবং সিঙ্গাপুরে পাঠাচ্ছে। ধাপে ধাপে তাঁদের সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। 

    ভারতের নির্দেশ মানল কানাডা

    প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকার কানাডার (India-Canada Row) ৪১ জন কূটনৈতিককে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছিল। ভারতে এই মুহূর্তে ৬২ জন কানাডার কূটনীতিবিদ ছিল কানাডায় বর্তমানে ২০ জন ভারতীয় কূটনীতিক রয়েছেন। তাই ‘কূটনৈতিক ভারসাম্য’ রক্ষার জন্য কানাডার সেই সংখ্যক কূটনীতিকদেরই ভারতে থাকার বিষয়ে ট্রুডো সরকারের সঙ্গে কথা বলেছিল দিল্লি। ভারত জানিয়ে দিয়েছিল, ১০ অক্টোবরের মধ্যে ভারত থেকে অতিরিক্ত কূটনীতিকদের সরিয়ে নিতে হবে কানাডাকে। সেই মতোই নাকি ভারতে থাকা বেশিরভাগ কূটনীতিকদের সরিয়ে নিল কানাডা। 

    আরও পড়ুন: স্বপ্নপূরণ প্রধানমন্ত্রীর! এশিয়ান গেমসে শত পদক, ভারতের খেলাধুলোয় ইতিহাস

    ভারতে কানাডার সেনেটের স্পিকার

    প্রসঙ্গত, ভারত এবং কানাডার (India-Canada Row) সম্পর্ক বর্তমানে একদম তলানিতে এসে ঠেকেছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে দুই দেশের কূটনৈতিকের পাশাপাশি বাণিজ্যিক সম্পর্ক ধাক্কা খেয়েছে। সদ্য ভারতে হওয়া জি ২০ সম্মেলনে এসেছিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। দেশে ফিরে তিনি বলেন, কানাডায় হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে জড়িত রয়েছে ভারতীয় এজেন্টরা। যদিও ভারতের বিদেশমন্ত্রক সঙ্গে সঙ্গে কানাডার প্রধানমন্ত্রীর সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে দেয়। এই আবহে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে স্বাভাবিক করার জন্য দু’তরফেরই কূটনৈতিক প্রয়াস অব্যাহত। আগামী ১২ তারিখ (চলবে ১৪ তারিখ পর্যন্ত) নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলছে জি২০ গোষ্ঠীভুক্ত রাষ্ট্রগুলির স্পিকারদের সম্মেলন। সেখানে আসছেন কানাডার সেনেটের স্পিকার রেমন্ড গ্যাগনে। এ ব্যাপারে পাকা কথা হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। সূত্রের দাবি, ওই সম্মেলনে আসার কথা ছিল কানাডার সংসদীয় নিম্ন কক্ষের (হাউস অব কমন্স) নব মনোনীত অধ্যক্ষ গ্রেগ ফার্গুস-এর। কিন্তু কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্ট্রিন ট্রুডোর ঘনিষ্ঠ, লিবারাল পার্টির সাংসদ গ্রেগ ফার্গুস নিজেও কানাডার শিখ সম্প্র‍দায়, বিশেষ করে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রতি ‘সহানুভূতিশীল’ বলে পরিচিত। তাই বিতর্ক এড়াতে তাঁর জায়গায় রেমন্ড গ্যাগনেকেই দিল্লি পাঠাতে মনস্থ করেছেন ট্রুডো। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: পুরসভার চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দলেরই কাউন্সিলরের, চরম অস্বস্তিতে তৃণমূল

    TMC: পুরসভার চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দলেরই কাউন্সিলরের, চরম অস্বস্তিতে তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাটপাড়া পুরসভার দুর্নীতি নিয়ে মুখ খুললেন ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলর সত্যেন রায়। রীতিমতো সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি দলের পুরবোর্ডের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বোমা ফাটালেন। পুরসভার চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধে সরাসরি দুর্নীতি ও স্বজনপোষণের অভিযোগ করেছেন তিনি। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল (tmc) কাউন্সিলর?

    ভাটপাড়া পুরসভায় ৩৫টি আসনই তৃণমূলের (TMC) দখলে রয়েছে। তারপরও দলের একাংশ পুরবোর্ডের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সত্যেন রায় বলেন, কোনও কাউন্সিলরের সঙ্গে আলোচনা না করেই সব কিছু কাজ করা হচ্ছে। ঠিকাদারদের টেন্ডার ছাড়াই কাজ পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে। চেয়ারম্যান রেবা রাহা তাঁর দুই ছেলে তৃণমূল (TMC) বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম ও সঞ্জয় শ্যামকে নিয়ে এসব করছে। আমরা কোনওভাবে তা মেনে নেব না। কাউন্সিলররা সরাসরি চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলতে পারেনা। দলকে জানানো হয়েছে কিন্তু তাতে কোনও ফল হয়নি। যতক্ষণ পর্যন্ত চেয়ারম্যানকে না সারানো হবে ততক্ষণ পুরসভার উন্নতি ভালোভাবে হবে না। এ ব্যাপারে বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

    কী বললেন পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান?

    ভাটপাড়া পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান দেবজ্যোতি ঘোষ বলেন, যে কথাগুলো সত্যেনবাবু বলেছে সেগুলো তাঁর ব্যক্তিগত মতামত। যদি কিছু ঘটে থাকে তাহলে দলের মধ্যে আলোচনা করা যেত। তিনি দীর্ঘদিনের আমাদের সহকর্মী, তাকে পরামর্শ দেবো যে, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা উচিত। যদি কোনও দুর্নীতি হয়ে থাকে সেটা চেয়ারম্যানের নজরে আনা উচিত ছিল। অভিযোগের কোনও সত্যতা আছে কিনা সেটা ঠিক নেই। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। আর আদালতের নির্দেশে কিছু কাজে বিধিনিষেধ রয়েছে। তাই, পরিষেবা দেওয়ার জন্য টেন্ডার ছাড়া কিছু কাজ করিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এলাকার মানুষের স্বার্থে এই কাজ করা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tmc: বঞ্চিত তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যানারে কর্মী সম্মেলন! কোথায় জানেন?

    Tmc: বঞ্চিত তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যানারে কর্মী সম্মেলন! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগে শাসক দলের নেতা কর্মীরা সম্মেলন করবেন, এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু, পশ্চিম বর্ধমানের কুলটিতে একটি অনুষ্ঠান ভবনে তৃণমূলের (Tmc) কর্মী সম্মেলন ঘিরে দলের কোন্দল একেবারেই প্রকাশ্যে চলে এসেছে। কারণ, কর্মী সম্মেলনে ব্যানারে লেখা রয়েছে, কুলটি ব্লকের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী বঞ্চিত তৃণমূল (Tmc)  কংগ্রেস কর্মী। আসলে শাসক দলের ঝান্ডা নিয়ে বুক চিতিয়ে দল করে যারা দিনের পর দিন অসন্মানিত হয়েছেন, সেই সব বঞ্চিত নেতাদের নিয়ে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এমনই দাবি উদ্যোক্তাদের। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বঞ্চিত এই তৃণমূল (Tmc)  কর্মীদের সম্মেলন করা নিয়ে সরগরম আসানসোলে রাজনৈতিক মহল।

    কাদের নেতৃত্বে হল বঞ্চিত তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সম্মেলন? Tmc

    বিক্ষুব্ধ তৃণমূল (Tmc)  কংগ্রেসের কর্মীদের আলাদা করে কর্মী সম্মেলনকে ঘিরে দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে। মূলত, তৃণমূলেরই (Tmc) একটি অংশ কুলটিতে বঞ্চিত তৃণমূলের নাম দিয়ে একটি অনুষ্ঠান ভবনে কর্মী সম্মেলন করেন। রবিবার বঞ্চিত কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কুলটি ব্লকের প্রাক্তন সভাপতি বিমান আচার্য্য, রাজ্যের প্রাক্তন যুব সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়, প্রাক্তন কুলটি পুরসভায় প্রাক্তন চেয়ারম্যান বাচ্চু রায়, প্রাক্তন কাউন্সিলার রাজা চট্টোপাধ্যায় এবং ব্লকের প্রাক্তন নেতা সহ কয়েকশো কর্মী সমর্থকরা। এদিন কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত নেতারা প্রকাশ্যে বলেন, এখন কুলটি ব্লকের যারা তৃণমূলের (Tmc)  দায়িত্বে আছেন তারা আমাদের মতো পুরোনো কর্মীদের কোনো পাত্তা দেন না। এই কথা জেলার নেতৃত্বদের বার বার বলেও কোনো লাভ হয়নি। এমনকী আমাদের কোনও মিটিং মিছিলে পর্যন্ত ডাকা হয়না। কুলটিতে এখন কিছু চোর ডাকাতদের নিয়ে সংগঠন চলছে। এই নীতি মেনে নেওয়া যাবে না। এই কারণে বারবার কুলটি বিধানসভায় প্রায় প্রতিটি নির্বাচনে তৃণমূল (Tmc)  কংগ্রেসকে হারতে হয়। এই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে সেই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। আর দলের স্বার্থে আগামীদিনে বঞ্চিত কর্মীদের নিয়ে তৃণমূল ভবন এবং নবান্ন অভিযান করা হবে বলে তাঁরা জানান। এমনকী কুলটিতে তৃণমূলের (Tmc)  দলের এই দুর্দশার অবস্থা দলের সুপ্রিমোকে জানানো হবে।

    এই সম্মেলন নিয়ে কী বললেন তৃণমূলের পশ্চিম বর্ধমান জেলার চেয়ারম্যান? Tmc

    বঞ্চিত তৃণমূল (Tmc) কর্মীদের এই সম্মেলনের বিষয়টি দলীয় নেতৃত্ব ভালোভাবে নেননি। কুলটির প্রাক্তন বিধায়ক তথা তৃণমূলের (Tmc) পশ্চিম বর্ধমান জেলার চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় বলেন, যারা এসব করছে, তারা সামনে দল করার কথা বললেও পিছনে সব বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে রয়েছে। পুরানো কর্মীদের কাউকে বঞ্চনা করা হয় না। আমরা সব সময় বলছি, সকলে একসঙ্গে মিলে দল করতে চাই। কিন্তু, এভাবে কর্মী সম্মেলন করে দলকে বদনাম করার চেষ্টা হচ্ছে। পরোক্ষে বিরোধীদের হাতকে ওরা শক্ত করছে। এসব না করে ওরা মন দিয়ে তৃণমূল দলটা করুক, আমরা এটা চাই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Conflict: পঞ্চায়েতে প্রার্থী বাছাই বৈঠকে হামলা! তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে, কোথায় জানেন?

    Conflict: পঞ্চায়েতে প্রার্থী বাছাই বৈঠকে হামলা! তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পঞ্চায়েত নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, প্রার্থী বাছাইকে কেন্দ্র করে মালদহ জেলায় তৃণমূলের কোন্দল (Conflict) প্রকাশ্যে চলে আসছে। হরিশ্চন্দ্রপুর-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের পর এবার মানিকচক থানার নুরপুর এলাকা। প্রার্থী বাছাইকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ালো মানিকচক থানার নুরপুর এলাকায়।  বৈঠক চলাকালীন তৃণমূলের একাংশ কর্মীদের নিজেদের মধ্যেই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। তবে, গন্ডগোল শুধু হাতাহাতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। দুপক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়। আর তাতে চারজন কর্মী জখম হন। খবর পেয়ে নুরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বরমপুর এলাকার তৃণমূল কার্যালয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। আহতদের চিকিৎসার জন্য ভর্তি করানো হয়েছে মালিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে। এর আগে হরিশ্চন্দ্রপুর-১ পঞ্চায়েতের একাধিক বুথে প্রার্থী নিয়ে দলীয় কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক গন্ডগোল হয়। দলীয় নেতৃত্বকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। তবে, প্রার্থী ঠিক করা নিয়ে দলীয় কোন্দলের (Conflict) জেরে  নুরপুরে রক্তপাতের ঘটনায় বেশ কিছুটা ব্যাকফুটে শাসক দল।

    ঠিক কী নিয়ে গন্ডগোল?

    এদিন নুরপুরে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে বরমপুর বুথের প্রার্থী নিয়ে আলোচনা বৈঠক হয়। সেখান চারজনের নাম ঠিক করা হয়। শেখ রজিম নামে এক তৃণমূল কর্মী বলেন, দলীয় নেতাদের সামনে বুথে প্রার্থী নিয়ে আলোচনা চলছিল। আচমকাই জাবির শেখ নামে এক তৃণমূল কর্মী দলবল নিয়ে এসে হামলা চালায়। আমাদের মারধর করা হয়। বৈঠকে যে প্রার্থী ঠিক করা হয় তা জাবিরদের পছন্দ নয়। তারা এই এলাকায় নিজেদের মতো প্রার্থী দেবে। সেই প্রার্থী আমাদের মানতে হবে। এটা হতে পারে না। হামলার জেরে চারজন জখম হয়েছে। আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে মানিকচক থানার পুলিশ। দলীয় নেতৃত্বকে সব কিছু জানানো হয়েছে। তারা এই বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য, প্রার্থী নিয়ে মতানৈক্য (Conflict) হয়েছিল। তাতে সামান্য গন্ডগোল হয়। পরে, দুপক্ষের সঙ্গে বসে বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়া হবে।

    সিপিএমের  মানিকচক-১ এরিয়া কমিটির সম্পাদক মহম্মদ আমিরুল হক বলেন, তৃণমূলের সব জায়গায় গোষ্ঠী কোন্দল (Conflict) হচ্ছে। আসলে তৃণমূলের প্রার্থী হতে পারলেই পাঁচ বছর ধরে চুরি করার সুযোগ মিলবে। সেটা কেউ হাত ছাড়া করতে চাইছে না বলেই গন্ডগোল হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Conflict: ব্যারাকপুরের একাধিক পুরসভায় চেয়ারম্যান- ভাইস চেয়ারম্যানের কোন্দল প্রকাশ্যে, ঘর গোছাতে হস্তক্ষেপ জেলা নেতৃত্বের

    Conflict: ব্যারাকপুরের একাধিক পুরসভায় চেয়ারম্যান- ভাইস চেয়ারম্যানের কোন্দল প্রকাশ্যে, ঘর গোছাতে হস্তক্ষেপ জেলা নেতৃত্বের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ ব্যারাকপুর মহকুমার সব পুরসভায় তৃণমূলের দখলে। অনেক পুরসভায় বিরোধী দলের কাউন্সিলর পর্যন্ত নেই। কিন্তু, পুর বোর্ড গঠনের এক বছর ঘুরতে না ঘুরতে এই মহকুমার একাধিক পুরসভা গোষ্ঠীকোন্দলে (Conflict)  জেরবার। চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করছে কাউন্সিলররা। কোথাও কোথাও আবার এই বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিচ্ছেন খোদ ভাইস চেয়ারম্যান। আর এই ঘটনায় আখেরে মুখ পুড়ছে শাসক দলের। তৃণমূলের এই বেআব্রু চেহারা দেখে এলাকার মানুষ হাসাহাসি করছেন। এবার পরিস্থিতি সামাল দিতে উদ্যোগী হয়েছেন দমদম- ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস রায়।  গোষ্ঠীদ্বন্দ্বকে (Conflict) দূরে সরিয়ে রেখে নাগরিক পরিষেবার কাজ হয় সেদিকে বিশেষ নজর এবার দলের। এর জন্য বারাকপুর মহকুমার প্রত্যেকটি পৌরসভায় গিয়ে দলীয় কাউন্সিলরের সঙ্গে বৈঠক করবেন দলের দমদম বারাকপুর সংগঠনিক জেলা সভাপতি। স্থানীয় বিধায়ক এবং সাংসদ সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। বিধানসভা অধিবেশনের পর ১৬ টি পুরসভায় হবে এই বৈঠক।

    তৃণমূলের আতসকাঁচের মধ্যে রয়েছে কোন কোন পুরসভা? Conflict

    গত ৩ মার্চ টিটাগর পুরসভায় একটি প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের কোন্দল (Conflict) পুরবোর্ড মিটিং সরগরম হয়ে ওঠে। ভাইস চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ১৩ জন কাউন্সিলর পুরবোর্ড থেকে ওয়াক আউট করেন। প্রকাশ্য এই দ্বন্দ্ব কে মেনে নিতে পারছে না তৃণমূল নেতৃত্ব। খুব শীঘ্রই উভয়পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসবেন তাপস বাবু। টিটাগর পুরসভার মতো খড়দহ, কাঁচরাপাড়া, হালিশহর, ভাটপাড়া, পানিহাটি, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় তৃণমূলের আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছেছে। অনেক পুরসভায় চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান এর মধ্যে মুখ দেখাদেখিও পর্যন্ত বন্ধ। দুজনের দোষ খুঁজতে ব্যস্ত কাউন্সিলররা। অনেক পুরসভায় কাউন্সিলররা আবার আড়াআড়িভাবে ভাগ হয়ে গিয়েছেন। বিরোধীশূন্য পুরো বোর্ড হওয়ায় দলের কাউন্সিলরাই এখন পুরবোর্ডের বিরোধিতা করছেন প্রকাশ্যে। ভাটপাড়া পুরসভায় ডাম্পিং গ্রাউন্ড থেকে জঞ্জাল সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য রাস্তা অবরোধ করে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। ১০ মার্চ পুরসভার একাধিক কাউন্সিলর মাইক বেঁধে প্রকাশ্যে পুরবোর্ডের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। আর এই দ্বন্দ্বকে (Conflict) কেন্দ্র করেই অসন্তুষ্ট তৃণমূল নেতৃত্ব। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রত্যেকটি পুরসভায় গিয়ে দলীয় কাউন্সিলর, চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক করে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে যে, কোনওরকম গোষ্ঠী রাজনীতিকে বরদাস্ত করা হবে না। কোন বিষয়ে মতান্তর বা মতবিরোধ হলে তা আলোচনায় বসে মিটিয়ে ফেলতে হবে। চেয়ারম্যানদের বক্তব্য, ভাইস চেয়ারম্যানরা আলাদা করে শিবির তৈরি করছেন। গোষ্ঠী রাজনীতির জন্ম হচ্ছে প্রত্যেকটি পুরসভায়। কোন কোন পুরসভায় আবার চেয়ারম্যানকে সরাতে কাউন্সিলররা জোট বাঁধছেন। সেই বিষয়টি দলীয় নেতৃত্বের নজরে রয়েছে।

    বিজেপির ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পুরসভায় চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যানের কোন্দলের পাশাপাশি সাংসদ অর্জুন সিং তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর বিধায়কের সঙ্গে দ্বন্দ্ব একেবারে প্রকাশ্যে। পুলিশ নীরব দর্শক। সাধারণ মানুষ বিপর্যস্ত। এই অবস্থায় তৃণমূলের উদ্যোগকে স্বাগত। তবে, এই উদ্যোগ কতটা সফল হবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share