Tag: Congress President Election

Congress President Election

  • Congress President Poll: এবার স্বচ্ছ ভোটের দাবিতে এআইসিসিকে চিঠি দিলেন শশী তারুর, কী লিখলেন জানেন?

    Congress President Poll: এবার স্বচ্ছ ভোটের দাবিতে এআইসিসিকে চিঠি দিলেন শশী তারুর, কী লিখলেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন (Congress President Poll)। এই ভোটে প্রার্থী হতে পারেন গান্ধী (Gandhi) পরিবারের বিরোধী শিবিরের কেউ কেউ। তবে দলে স্বচ্ছ নির্বাচন (Fair Election) হয় না বলেই অভিযোগ। এবার যাতে স্বচ্ছ নির্বাচন হয়, সেই কারণেই শশী তারুর (Shashi Tharoor)  সহ কংগ্রেসের চার সাংসদ চিঠি দিলেন এআইসিসির কেন্দ্রীয় নির্বাচন অথরিটির প্রধান মধুসূদন মিস্ত্রিকে। ওই চিঠিতে তাঁরা স্বচ্ছ ভোট হবে কিনা, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। প্রত্যেকে যেন পছন্দসই প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন সেই ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা।

    বছর দুয়েক ধরে খালি পড়ে রয়েছে কংগ্রেস সভাপতির পদ। উনিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে ওই পদে বসানো হয়েছিল রাহুল গান্ধীকে। ভোটে বিজেপির (BJP) কাছে গোহারা হারে কংগ্রেস। হারের দায় ঘাড়ে নিয়ে পদত্যাগ করেন রাহুল। তার পর থেকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ চালাচ্ছেন সোনিয়া গান্ধী। বয়সজনিত কারণে তিনি আর দায়িত্ব নিতে চাইছেন না। দায়িত্ব নিতে রাজি নন রাহুলও। তাই প্রয়োজন হয়ে পড়েছে নয়া প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। ১৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচন হবে ওই পদে। এই পদে এবার লড়তে পারেন কংগ্রেসের বর্ষীয়ান সাংসদ জি-২৩ গোষ্ঠীর শশী থারুর। মিস্ত্রিকে যে চার সাংসদ চিঠি দিয়েছেন, তাঁর মধ্যে রয়েছেন থাথুর স্বয়ং। ৬ সেপ্টেম্বর মিস্ত্রিকে লেখা ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন কার্তি চিদাম্বরম, প্রদ্যুৎ বরদলই এবং আবদুল খালেকও।

    আরও পড়ুন : কংগ্রেস সভাপতি পদে লড়ছেন শশী থারুর? আর কে লড়ছে জানেন?

    চিঠিতে তাঁরা লিখেছেন, পার্টির কোনও অভ্যন্তরীণ তথ্য বাইরে আসুক, আমরা তা চাই না। এই তথ্য সামনে এলে আমাদের ভুল ব্যাখ্যা করা হতে পারে। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় পার্টির কেন্দ্রীয় ইলেকশন অথরিটি অবশ্যই প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সেই সব সদস্যদের নাম জানান, যাঁরা ইলেকটোরাল কলেজে থাকবেন। যদি এটা প্রকাশ করতে অথরিটির কোনও আপত্তি থাকে, তাহলে তা যেন এমনভাবে প্রকাশ করা হয়, যাতে তা ভোটার এবং প্রার্থীদের কাছে সেটি পৌঁছায়। কারণ নির্বাচন খতিয়ে দেখতে প্রার্থী কিংবা ভোটারদের ২৮টি প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি এবং ৯টি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে ছুটে যাওয়া সম্ভব নয়। ইলেকটোরাল কলেজে যাঁরা থাকবেন, তাঁদের নাম প্রকাশ করা গেলে তবেই স্বচ্ছ ভোট হওয়া সম্ভব বলেই মত প্রকাশ করেন ওই চার সাংসদ।

     

  • Congress President Polls: দীর্ঘ হচ্ছে তালিকা, কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট হতে চান আর কে কে?

    Congress President Polls: দীর্ঘ হচ্ছে তালিকা, কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট হতে চান আর কে কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সময় যত গড়াচ্ছে ততই দীর্ঘায়িত হচ্ছে কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট (Congress President) পদপ্রার্থীর তালিকা। যেহেতু এখনও পর্যন্ত লড়াইয়ের ময়দানে নেই গান্ধী (Gandhi) পরিবারের কোনও সদস্য, সেহেতু ঘোমটার আড়াল থেকে বেরিয়ে এসেছে অনেক মুখ। গান্ধী পরিবারের বিরাগভাজন হওয়ার ভয়ে যাঁরা গান্ধীদের বিরুদ্ধে লড়ার ‘সাহস’ পাচ্ছিলেন না, তাঁরাই এবার উজিয়ে এসেছেন প্রার্থী (Candidate) হতে। ফলে এখনও পর্যন্ত যা খবর, তাতে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির (Grand Old Party) প্রেসিডেন্ট বাছতে অন্তত দুবার ভাবতে হবে ভোটারদের।

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির (BJP) কাছে গোহারা হারে কংগ্রেস। হারের দায় স্বীকার করে সভাপতি পদে ইস্তফা দেন রাহুল গান্ধী। সেই থেকে শূন্য পড়ে রয়েছে পদটি। অস্থায়ীভাবে কাজ চালাচ্ছেন সোনিয়া গান্ধী। কিন্তু বয়স এবং শারীরিক অসুস্থতার কারণে দায়িত্ব নিতে অপারগ বলে দলকে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। এমতাবস্থায় জরুরি হয়ে পড়েছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এখনও পর্যন্ত যা খবর, রাহুল ওই পদে লড়তে রাজি নন। সেক্ষেত্রে ওই পদে লড়ার কথা গান্ধী পরিবারের আস্থাভাজন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের। তাঁর বিরুদ্ধে প্রার্থী হতে পারেন কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ অংশ হিসেবে খ্যাত জি-২৩র সদস্য শশী থারুর। চলতি সপ্তাহের সোমবার সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করতে তাঁর বাসভবনে যান শশী। প্রকাশ করেন প্রেসিডেন্ট পদে লড়ার ইচ্ছে। তাঁকে ওই পদে লড়তে সবুজ সংকেত দেন সোনিয়া।

    অশোক-শশী দ্বৈরথের আবহেই শোনা যাচ্ছে আরও কয়েকটি নামও। এই তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মণীশ তিওয়ারি এবং মধ্য প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথও। প্রেসিডেন্ট পদে লড়তে চান বলে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা দ্বিগ্বিজয় সিংও। তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, আপনারা কেন আমাকে এই লড়াইয়ের বাইরে রাখতে চাইছেন? তিনি এও বলেছিলেন, প্রত্যেকেরই ভোটে লড়ার অধিকার রয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে আপনারা এর উত্তর পেয়ে যাবেন।

    ২০০০ সালে সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলেন জিতেন্দ্র প্রসাদ। তার পর কেটে গিয়েছে এতগুলো বছর। গান্ধী পরিবারকে চ্যালেঞ্জ জানানোর সাহস দেখায়নি কেউ। এবার দেখাচ্ছেন। কারণ লড়াই হচ্ছে ‘গান্ধী’ ছাড়াই!

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share