Tag: Congress President Polls

Congress President Polls

  • Rajasthan Congress: রাজস্থান বিদ্রোহকাণ্ডে ছাড় গেহলটকে!

    Rajasthan Congress: রাজস্থান বিদ্রোহকাণ্ডে ছাড় গেহলটকে!

    রাজস্থান কংগ্রেস বিদ্রোহ (Rajasthan Congress)

    Rajasthan Congress: রাজস্থান বিদ্রোহকাণ্ডে ছাড় দেওয়া হল রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটকে। যদিও তাঁর তিন অনুগামীকে নোটিস ধরানো হয়েছে। ঘটনার জেরে কংগ্রেস (Congress) প্রেসিডেন্ট পদের নির্বাচন থেকে ছিটকে যেতে পারেন অশোক গেহলট (Ashok Gehlot)! রাজনৈতিক মহলের ধারণা, সেক্ষেত্রে লড়াইয়ের মাঠে দেখা যেতে পারে গান্ধী (Gandhi) পরিবারের আস্থাভাজন মল্লিকার্জুন খাড়গে ও দিগ্বিজয় সিংকে।

    প্রসঙ্গত, কংগ্রেস হাইকমান্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে পদত্যাগ করেন রাজস্থান কংগ্রেস (Rajasthan Congress) – এর ৮২ জন বিধায়ক। স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমাও দেন তাঁরা। বিষয়টিকে ভালভাবে নেননি দলের শীর্ষ নেতৃত্ব।

    তিন রাজস্থান কংগ্রেস বিধায়ককে শোকজ নোটিস (Show Cause Notice to 3 Rajasthan Congress MLA)

    ঘটনার জেরে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের তিন অনুগামীকে বিশৃঙ্খল আচরণের জন্য শোকজ নোটিস ধরায় গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি নেতৃত্ব। ১০ দিনের মধ্যে নোটিসের উত্তর দিতে বলা হয়েছে তাঁদের। তবে অশোকের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা এখনও অবধি নেননি কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। রাজস্থান কংগ্রেস (Rajasthan Congress) – এর যে তিন নেতাকে শোকজ নোটিস ধরানো হয়েছে, তাঁরা হলেন, ক্যাবিনেট মন্ত্রী শান্তি ধারিয়াল, মন্ত্রী তথা বিধানসভায় কংগ্রেসের চিফ হুইপ মহেশ জোশি এবং বিধায়ক ধর্মেন্দ্র রাঠোর।

    কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন (Congress Presidential Election)

    কংগ্রেস সভাপতি পদে লড়তে গেলে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে ৩০ সেপ্টম্বরের মধ্যে। বুধবার দুপুর পর্যন্তও মনোনয়নপত্র তোলেননি অশোক। এ ব্যাপারে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী কিংবা কংগ্রেস কোনও তরফেই কিছু জানানো হয়নি। অশোক গেহলট মনোনয়নপত্র না তুললে ওই পদে গান্ধী পরিবারের পছন্দের মাত্র দুজন লড়তে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। এঁরা হলেন, দিগ্বিজয় সিং ও রাজ্যসভায় বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জন খাড়গে।

    আরও পড়ুন : মনোনয়ন তুললেন থারুর-বনসল! কংগ্রেস সভাপতির দৌড়ে কারা?

    অন্যদিকে, রাজস্থানের ঘটনায় যারপরনাই বিব্রত কংগ্রেস নেতৃত্ব। হিমাচল প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে এদিন বৈঠক চলছিল ১০ নম্বর জনপথে, সোনিয়া গান্ধীর বাসভবনে। সেখানেই সোনিয়া গান্ধী স্বয়ং রাজস্থানের পরিস্থিতি নিয়ে প্রবীণ কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে অশোক গেহলট কংগ্রেস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে রাজস্থানের ব্যাপারে আলোচনা করতে চেয়েছিলেন। তবে দুজনের মধ্যে কথপোকথন হয়েছে কিনা, তা জানা যায়নি। এদিকে, রাজস্থানের এই ডামাডোল পরিস্থিতিতে রাজস্থানের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী শচিন পাইলট দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলতে দিল্লি পৌঁছেছেন। এখন দেখার, কোথাকার জল কতদূর গড়ায়!

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Congress President Polls: মিলল সোনিয়ার সম্মতি, কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট পদে অশোক-শশী লড়াই?

    Congress President Polls: মিলল সোনিয়ার সম্মতি, কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট পদে অশোক-শশী লড়াই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লড়াইয়ের ময়দানে এখনও নেই গান্ধী (Gandhi) পরিবার। তাই কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে (Congress President Polls) এবার দ্বৈরথ হতে পারে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট (Ashok Gehlot) ও শশী থারুরের (Shashi Tharoor) সঙ্গে। এই দু জনের মধ্যে যিনিই জয়ী হোন না কেন, দীর্ঘ দিন পরে তা হবে ইতিহাস। কারণ গান্ধী পরিবার বাইরের কারও হাতে যেতে চলেছে কংগ্রেস সভাপতির রাশ।

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে গোহারা হারার পর হারের দায় স্বীকার করে সভাপতি পদে ইস্তফা দেন রাহুল গান্ধী। সেই থেকে শূন্য পড়ে রয়েছে পদটি। অস্থায়ীভাবে কাজ চালাচ্ছেন সোনিয়া গান্ধী। কিন্তু বয়স এবং শারীরিক অসুস্থতার জেরে তিনি আর ওই পদে বসতে চান না বলে দলকে জানিয়ে দিয়েছেন। এমতাবস্থায় জরুরি হয়ে পড়েছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এখনও পর্যন্ত যা খবর, রাহুল ওই পদে লড়তে রাজি নন। সেক্ষেত্রে ওই পদে লড়ার কথা গান্ধী পরিবারের আস্থাভাজন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের। তাঁর বিরুদ্ধে প্রার্থী হতে পারেন কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ অংশ হিসেবে খ্যাত জি-২৩র সদস্য শশী থারুর। জানা গিয়েছে, সোমবার শশী সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করতে তাঁর বাসভবনে যান। সূত্রের খবর, সেখানে সোনিয়ার সঙ্গে প্রাথমিক কিছু কথাবার্তা বলার পরে প্রেসিডেন্ট পদে লড়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেন শশী। তখনই তাঁকে ওই পদে লড়তে সবুজ সংকেত দেন সোনিয়া। তিরুবনন্তপুরমের সাংসদ শশীকে সোনিয়া সাফ জানিয়ে দেন, তিনি চাইলে প্রেসিডেন্ট পদে লড়তেই পারেন। সোনিয়া-শশীর এই বৈঠকের আগে তিরুবনন্তপুরমের সাংসদ একটি ট্যুইট করেন। তিনি লেখেন, দলের গঠনমূলক সংস্কার চেয়ে কংগ্রেসের তরুণ সদস্যরা একটি আবেদন প্রচার করেছে। সেই আবেদনে ইতিমধ্যেই ৬৫০ জন স্বাক্ষর করেছেন। এই আবেদনকে আমি সমর্থন করতে পেরে খুশি।

    আরও পড়ুন : কংগ্রেস সভাপতি পদে লড়ছেন শশী থারুর? আর কে লড়ছে জানেন?

    এদিকে, সূত্রের খবর, রাহুল গান্ধীকে ওই পদে লড়ার ব্যাপারে রাজি করাতে এখনও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন অশোক গেহলট। দিন কয়েক আগে সেকথা স্বীকারও করেছিলেন তিনি। বলেছিলেন, তিনি এখনও রাহুলকে বোঝানোর চেষ্টা করছেন। তিনি এও বলেছিলেন, তিনি সোনিয়া ও রাহুলের বিশ্বস্ত সৈনিক হিসেবেই থাকতে চান। প্রসঙ্গত, কংগ্রেস সভাপতি পদে নির্বাচন হবে ১৭ অক্টোবর। ফল ঘোষণা হবে তার ঠিক দুদিন পরে। মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Congress President Polls: কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন ১৭ অক্টোবর, ফল ঘোষণা কবে জানেন?

    Congress President Polls: কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন ১৭ অক্টোবর, ফল ঘোষণা কবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন (Congress President Polls) হতে চলেছে নবরাত্রি উৎসবের শেষে। অক্টোবরের ১৭ তারিখে ওই নির্বাচন হওয়ার কথা। ফল ঘোষণা হবে ১৯ তারিখে। রবিবার এই ঘোষণা করা হয় গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির (Grand Old Party) তরফে।

    দীর্ঘদিন ধরে খালি পড়ে রয়েছে কংগ্রেস (Congress) সভাপতির পদটি। উনিশের ভোটের আগে ওই পদে বসানো হয়েছিল রাহুল গান্ধীকে। ভোটে বিজেপির (BJP) কাছে গোহারা হারে কংগ্রেস। হারের দায় ঘাড়ে নিয়ে পদত্যাগ করেন রাহুল। তার পর থেকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ চালাচ্ছেন সোনিয়া গান্ধী। বয়সজনিত কারণে তিনি আর দায়িত্ব নিতে চাইছেন না। দায়িত্ব নিতে রাজি নন রাহুলও। তাই প্রয়োজন হয়ে পড়েছে নয়া প্রেসিডেন্ট নির্বাচন।

    এদিন দুপুরে বৈঠক বসে কংগ্রেস ওয়ার্কি কমিটির। মিনিট তিরিশেকের ওই বৈঠকের শেষে দলের সেন্ট্রাল ইলেকশন অথরিটির চেয়ারম্যান মধুসূদন মিস্ত্রি জানান, সেপ্টেম্বরের ২২ তারিখে নির্বাচনী নোটিফিকেশন জারি করা হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কাজ শুরু হবে সেপ্টেম্বরের ২৪ তারিখে। চলবে ওই মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত। ৮ অক্টোবর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। ভোট হলে হবে ১৭ তারিখ সকাল ১০ থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত। গণনা এবং ফল ঘোষণা হবে ১৯ তারিখে।  

    শুক্রবারই কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন বর্ষীয়ান নেতা গুলাম নবি আজাদ। কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আজাদ কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ শিবির হিসেবে পরিচিত জি-২৩ গোষ্ঠীর অন্যতম মুখ ছিলেন। শুক্রবার দল ছাড়ার কারণ দর্শিয়ে সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি লেখেন তিনি। ওই চিঠিতে কংগ্রেসের মেকানিজম ধ্বংস করার জন্য রাহুল গান্ধীকে নিশানা করেন তিনি।

    আরও পড়ুন : রাহুল গান্ধী রাজি না হলে কংগ্রেস সভাপতি পদে কে জানেন?

    প্রসঙ্গত, গত বছরের অক্টোবরে কংগ্রেসের তরফে জানানো হয়েছিল পার্টির নয়া প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে ২০২২ সালের ২১ অগাস্ট থেকে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। পরে কংগ্রেসের একটা অংশ ভোটাভুটি এড়িয়ে রাহুলকেই ওই পদে বসানোর মরিয়া চেষ্টা করে বলে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির একটি সূত্রের খবর। ওই সূত্র মারফতই জানা গিয়েছে, এদিন পর্যন্তও ওই পদে বসতে রাজি হননি রাহুল। তাই ভোটাভুটি অনিবার্য বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের একাংশের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • G 23: কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন পর্যন্ত ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’ নীতি নিচ্ছে জি-২৩!

    G 23: কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন পর্যন্ত ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’ নীতি নিচ্ছে জি-২৩!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন (Congress President Polls) পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চায় দলের বিক্ষুব্ধ অংশ। পুরো পরিস্থিতির ওপর নজরও রাখছেন ওই গোষ্ঠীর নেতারা। সভাপতি নির্বাচন শেষ হলেই পরবর্তী পদক্ষেপ করবেন কংগ্রেসের (Congress) এই বিক্ষুব্ধ অংশ। দলে যাঁরা জি-২৩ (G 23) নামেই পরিচিত।

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনে পদ্ম শিবিরের কাছে গোহারা হারে কংগ্রেস। বিপুল শক্তি নিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় ফেরে বিজেপি (BJP)। ফের প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। লোকসভা নির্বাচনে দলের ভরাডুবির দায় ঘাড়ে নিয়ে জাতীয় সভাপতির পদে ইস্তফা দেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। তার পর থেকে পদটি ফাঁকাই পড়ে রয়েছে। বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi)। বয়সজনিত কারণে তিনি আর সভাপতির পদে বসতে চান না। এর পরে দলের একটা অংশ রাহুলকেই ওই পদে বসাতে উদ্যোগী হয়। তবে তিনি যে ওই পদে বসতে চান না তাও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। সেই কারণেই শুরু হয়েছে নির্বাচন। পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ হবে ২০ সেপ্টম্বরের মধ্যে। শেষমেশ কে ওই পদে বসেন, তা দেখেই পরবর্তী পদক্ষেপ স্থির করবে জি-২৩ গোষ্ঠী।

    আরও পড়ুন : দুটো নামে সীমাবদ্ধ নয় কংগ্রেস! জানেন গান্ধী পরিবারকে নিশানা করে কি বললেন আনন্দ শর্মা

    গত বছরই প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচন শুরু হয়েছিল। তবে করোনা পরিস্থিতি এবং তার পর কয়েকটি রাজ্যে ভোটের কারণে তা স্থগিত হয়ে যায়। চলতি বছর ফের ভোট প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে নতুন করে। কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ অংশের এক প্রবীণ নেতা বলেন, সভাপতি নির্বাচনের চেয়েও আশু প্রয়োজন কংগ্রেস ওয়ার্কি কমিটি এবং পার্লামেন্টারি বোর্ডের নির্বাচন। কারণ কংগ্রেসে এই দুটিই হল ক্ষমতার ভরকেন্দ্র। কংগ্রেসে এই মুহূর্তে প্রয়োজন তৃণমূল স্তরের নেতার। তিনি বলেন, কংগ্রেসের সিংহভাগ পদ দখল করে বসে রয়েছেন গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠরা। দলের কাজকর্ম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেই এই নেতারা চুপ করিয়ে দেন। অথচ এঁদের সঙ্গে দলের তৃণমূল স্তরের কোনও সম্পর্কই নেই।

    আরও পড়ুন : সভাপতি পদে রাহুলের ‘না’, গান্ধী পরিবারের বাইরের নেতা পাচ্ছে কংগ্রেস?

    সম্প্রতি দল রাজ্য ইউনিটের দায়িত্ব দিয়েছিল বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর গুলাম নবি আজাদ এবং আনন্দ শর্মাকে। দুজনেই তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। জি-২৩-র ওই প্রবীণ নেতা বলেন, তাঁরা ওই পদ গ্রহণ করেননি, কারণ দল হারলেই বলির পাঁঠা করা হত তাঁদের। বিক্ষুব্ধ শিবির সূত্রে খবর, সেই কারণেই ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’ পলিসি নিয়েছে জি-২৩।

     

  • Congress President Election 2022: রাহুল গান্ধী রাজি না হলে কংগ্রেস সভাপতি পদে কে জানেন? 

    Congress President Election 2022: রাহুল গান্ধী রাজি না হলে কংগ্রেস সভাপতি পদে কে জানেন? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির (Congress Working Committee) সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় দলের সেন্ট্রাল ইলেকশন অথরিটি। ওই কমিটির সবুজ সংকেত পেলেই শুরু হয়ে যাবে দলের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের (President Polls) নির্ঘণ্ট তৈরির কাজ। তবে রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) ওই পদে বসতে না চাইলে কী হবে, তা ভেবে ইতিমধ্যেই যোগ্য প্রার্থীর খোঁজ করতেও শুরু করেছে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি।   

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে পরাস্ত হয় কংগ্রেস। বিপুল শক্তি নিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় ফেরে পদ্ম শিবির। ফের প্রধানমন্ত্রীর তখতে বসেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। লোকসভা নির্বাচনে দলের ভরাডুবির দায় ঘাড়ে নিয়ে সভাপতির পদে ইস্তফা দেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। তার পর থেকে পদটি ফাঁকাই পড়ে রয়েছে। বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi)। বয়সজনিত কারণে তিনি সভাপতির পদে বসতে চান না। এর পরেও দলের একটা অংশ রাহুলকেই ওই পদে বসাতে উদ্যোগী হয়। তবে তিনি যে ওই পদে বসতে চান না তাও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। সেই কারণেই চলছে নির্বাচনের তোড়জোড়। পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ হবে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে।

    আরও পড়ুন : কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন পর্যন্ত ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’ নীতি নিচ্ছে জি-২৩!

    কংগ্রেসের একটি সূত্রে খবর, রাহুল নিতান্তই রাজি না হলে ওই পদে বসানো হতে পারে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটকে (Ashok Gehlot)। যদিও গেহলট নিজেই জানান,  রাহুলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন। তিনি সভাপতি পদে না বসলে দলীয় কর্মীদের মনোবল ভেঙে যাবে। গেহলট বাদেও আরও কয়েকজনের নাম শোনা যাচ্ছে সভাপতি পদের জন্য। এঁদের মধ্যে রয়েছেন সুশীল কুমার শিন্ডে, মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং মীরা কুমার। এঁদের মধ্যে আবার খাড়গে রাহুলের খুব কাছের। এদিকে, পুরো পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ অংশ। দলে যারা জি-২৩ নামে পরিচিত। সূত্রের খবর, তারা আপাতত ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’ নীতির ওপরই ভরসা করছে।

    অন্যদিকে, স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বিদেশ যাচ্ছেন সোনিয়া। কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশই এ খবর জানান। তাঁর সঙ্গে যাবেন রাহুল এবং প্রিয়ঙ্কাও। তবে তাঁরা ঠিক কবে যাবেন, যাবেনই বা কোথায়, তা জানানো হয়নি কংগ্রেসের তরফে। সেক্ষেত্রে ভোটের দিন এগিয়ে আনা হতে পারে বলেও কংগ্রেসের একটি সূত্রের খবর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Congress President Polls: দীর্ঘ হচ্ছে তালিকা, কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট হতে চান আর কে কে?

    Congress President Polls: দীর্ঘ হচ্ছে তালিকা, কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট হতে চান আর কে কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সময় যত গড়াচ্ছে ততই দীর্ঘায়িত হচ্ছে কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট (Congress President) পদপ্রার্থীর তালিকা। যেহেতু এখনও পর্যন্ত লড়াইয়ের ময়দানে নেই গান্ধী (Gandhi) পরিবারের কোনও সদস্য, সেহেতু ঘোমটার আড়াল থেকে বেরিয়ে এসেছে অনেক মুখ। গান্ধী পরিবারের বিরাগভাজন হওয়ার ভয়ে যাঁরা গান্ধীদের বিরুদ্ধে লড়ার ‘সাহস’ পাচ্ছিলেন না, তাঁরাই এবার উজিয়ে এসেছেন প্রার্থী (Candidate) হতে। ফলে এখনও পর্যন্ত যা খবর, তাতে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির (Grand Old Party) প্রেসিডেন্ট বাছতে অন্তত দুবার ভাবতে হবে ভোটারদের।

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির (BJP) কাছে গোহারা হারে কংগ্রেস। হারের দায় স্বীকার করে সভাপতি পদে ইস্তফা দেন রাহুল গান্ধী। সেই থেকে শূন্য পড়ে রয়েছে পদটি। অস্থায়ীভাবে কাজ চালাচ্ছেন সোনিয়া গান্ধী। কিন্তু বয়স এবং শারীরিক অসুস্থতার কারণে দায়িত্ব নিতে অপারগ বলে দলকে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। এমতাবস্থায় জরুরি হয়ে পড়েছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এখনও পর্যন্ত যা খবর, রাহুল ওই পদে লড়তে রাজি নন। সেক্ষেত্রে ওই পদে লড়ার কথা গান্ধী পরিবারের আস্থাভাজন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের। তাঁর বিরুদ্ধে প্রার্থী হতে পারেন কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ অংশ হিসেবে খ্যাত জি-২৩র সদস্য শশী থারুর। চলতি সপ্তাহের সোমবার সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করতে তাঁর বাসভবনে যান শশী। প্রকাশ করেন প্রেসিডেন্ট পদে লড়ার ইচ্ছে। তাঁকে ওই পদে লড়তে সবুজ সংকেত দেন সোনিয়া।

    অশোক-শশী দ্বৈরথের আবহেই শোনা যাচ্ছে আরও কয়েকটি নামও। এই তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মণীশ তিওয়ারি এবং মধ্য প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথও। প্রেসিডেন্ট পদে লড়তে চান বলে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা দ্বিগ্বিজয় সিংও। তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, আপনারা কেন আমাকে এই লড়াইয়ের বাইরে রাখতে চাইছেন? তিনি এও বলেছিলেন, প্রত্যেকেরই ভোটে লড়ার অধিকার রয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে আপনারা এর উত্তর পেয়ে যাবেন।

    ২০০০ সালে সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলেন জিতেন্দ্র প্রসাদ। তার পর কেটে গিয়েছে এতগুলো বছর। গান্ধী পরিবারকে চ্যালেঞ্জ জানানোর সাহস দেখায়নি কেউ। এবার দেখাচ্ছেন। কারণ লড়াই হচ্ছে ‘গান্ধী’ ছাড়াই!

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share