Tag: Consensual Sex

Consensual Sex

  • Consensual Sex: সম্মতিতেই যৌন সম্পর্ক! পকসোতে অভিযুক্তকে জামিন দিল্লি হাইকোর্টের, অভিযোগ খারিজ কর্নাটকে

    Consensual Sex: সম্মতিতেই যৌন সম্পর্ক! পকসোতে অভিযুক্তকে জামিন দিল্লি হাইকোর্টের, অভিযোগ খারিজ কর্নাটকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুটি পৃথক মামলা, পৃথক হাইকোর্ট! সম্মতিক্রমে শারীরিক সম্পর্ককে (Consensual Sex) ধর্ষণ বলতে রাজি নয় দিল্লি ও কর্নাটক হাইকোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণে এমনই অভিমত বিশেষজ্ঞদের। ‘পকসো আইনের প্রকৃত উদ্দেশ্য হল ১৮ বছরের কম বয়সি মেয়েদের যৌনশোষন থেকে রক্ষা করা। আইনটি তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে স্বেচ্ছায় প্রেম বা শারীরিক সম্পর্ককে অপরাধ হিসাবে চিহ্নিত করে না।’ একটি পকসো মামলায় এমনই পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের। বিচারপতি আরও উল্লেখ করেছেন, জেলে অপরাধীদের সঙ্গে রাখা একজন যুবকের ভাল হবে না, আরও খারাপের দিকে চলে যাবে সে। এই বলে অভিযুক্তকে জামিন দিয়েছে আদালত।

    দিল্লি হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    অভিযোগ, ১৭ বছর বয়সি এক কিশোরী ২০ বছর বয়সি এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। এরপর তাদের মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হলে শারীরিক সম্পর্ক হয়। ঘটনায় গর্ভবতী হয়ে পড়ে ওই কিশোরী। তখন পরিবারের সদস্যরা ওই যুবকের বিরুদ্ধে কিশোরীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ তোলে। সেই ঘটনায় ২০২১ সালে ওই যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপর থেকে জেলে রয়েছে ওই যুবক। জামিনের জন্য দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন জানায় ওই যুবক। মামলাটি ওঠে বিচারপতি বিকাশ মহাজনের বেঞ্চে। আদালতের মতে, ১৭ বছর বয়সি ওই মেয়েটির সঙ্গে অভিযুক্ত যুবকের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।  বিচারপতি বিকাশ মহাজনের পর্যবেক্ষণ, ‘যখন তাদের শারীরিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল তখন যুবতীর বয়স ছিল প্রায় সাড়ে ১৭ বছর। একটা প্রেমের সম্পর্ক বোঝার জন্য এই বয়স যথেষ্ট। এছাড়া অভিযুক্তের সঙ্গে সহমতেই সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। শারীরিক সম্পর্কের পথে তারা এগিয়েছিল নিজেদের ইচ্ছায়।’

    আরও পড়ুন: লক্ষ্য চিন! নেপাল-ভুটানের সঙ্গে রেলপথে জুড়তে চাইছে ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    কর্নাটক হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    অন্যদিকে ৬ বছর ধরে সম্মতিক্রমেই শারীরিক সম্পর্ক। বিয়ের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। কিন্তু ওই মহিলাকে বিয়ে করেননি এক ব্যক্তি। এরপর ধর্ষণের অভিযোগ আনেন ওই মহিলা। তবে কর্নাটক হাইকোর্ট ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে। প্রসঙ্গত সোশ্য়াল মিডিয়ার মাধ্য়মে তাদের মধ্য়ে পরিচয় হয়েছিল। তবে দীর্ঘ ৬ বছর ধরে তাদের মধ্য়ে শারীরিক সম্পর্ক হয়। সেই ২০১৯ সাল থেকে তাদের মধ্য়ে সম্পর্ক। তবে কর্নাটক হাইকোর্ট জানিয়েছে, ৬ বছর ধরে যাদের মধ্য়ে শারীরিক সম্পর্ক রয়েছে সেটাকে কখনওই ধর্ষণ বলে বলা যাবে না। আদালত জানিয়েছে ৫ বছর ধরে সম্মতিক্রমে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা হলে সেটা কোনওভাবেই তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে নয়। এরপর কর্নাটক হাইকোর্ট ধর্ষণের অভিযোগকে খারিজ করে দিয়েছে।  বিচারপতি এম নাগাপ্রসন্ন জানিয়েছেন, প্রথম দিন থেকে তাঁদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মতিতে যৌন সম্পর্ক হয়েছে। ২০১৯ সালের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত এটা হয়েছিল। তবে পারস্পরিক সম্মতিতে যে যৌনক্রিয়া সেটাকে ধর্ষণ বলে উল্লেখ করা যাবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Orissa High Court: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রাপ্তবয়স্ক মহিলার সঙ্গে সহবাস ধর্ষণ নয়! অভিমত ওড়িশা হাইকোর্টের

    Orissa High Court: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রাপ্তবয়স্ক মহিলার সঙ্গে সহবাস ধর্ষণ নয়! অভিমত ওড়িশা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মহিলার সঙ্গে  সহবাস করা বা তাঁর সম্মতিক্রমে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করা ধর্ষণের সমান নয়,সদ্য এমনই রায় জানাল ওড়িশা হাইকোর্ট (Consensual Sex On Marriage Promise Not Rape)। ওড়িশা হাইকোর্টের (Ordisha High Court) এক বিচারপতির বেঞ্চ এই সংক্রান্ত এক অভিযুক্তের জামিন মামলায় এই রায় দিয়েছে। বিচারপতি পাণিগ্রাহি তাঁর রায়ের ব্যাখ্যায় জানান, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসকে ধর্ষণ বললে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারার অপব্যাখ্যা করা হয়। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যদি কেউ বিয়ে না করেন তাহলে তাঁকে ‘ধর্ষক’বলা যায় না। 

    হাইকোর্টের যুক্তি

    সংশ্লিষ্ট মামলার অভিযুক্ত, নিমাপডাবাসী এক মহিলাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। অভিযোগ তারপর আচমকাই সেই ব্যক্তি বেপাত্তা হয়ে যায়। অভিযোগকারিণী নিমাপাডা থানায় বিষয়টি জানালে পুলিশ সেই ব্যক্তিকে আটক করে ধর্ষণের মামলা রুজু করে। অভিযুক্ত নিম্ন আদালতে জামিনের আর্জি জানালে তা খারিজ হয়ে যায়। এরপরই অভিযুক্ত হাইকোর্টের শরণাপন্ন হয়। সেই মামলার বিচার চলাকালীনই ওড়িশা হাইকোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব পানিগ্রাহি রায় দিয়েছেন, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্মতিক্রমে শারীরিক সম্পর্ক কখনওই ধর্ষণ নয়। ওই যুবককে শর্তসাপেক্ষে জামিনের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এছাড়াও বিচারপতি বলেছেন,নির্যাতিতাকে কোন রকম হুমকি না দিয়ে, ঘটনার তদন্তে ওই যুবক যেন পুরোপুরি সহায়তা করেন পুলিশদের।

    আরও পড়ুন: ফের ৩ জন প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিল! বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রশ্নের মুখে সিবিআই

    বিচারপতি তাঁর রায়ের ব্যাখ্যায় আরও জানান, এই বিষয়ে আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশ্য অত্যন্ত স্পষ্ট। ধর্ষণ সংক্রান্ত আইনটিকে কোনও সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ব্যবহার করা যুক্তিযুক্ত নয়। বিশেষ করে একজন মহিলা যখন সম্পূর্ণ নিজের পছন্দে কোনও সম্পর্কে প্রবেশ করেন। একইসঙ্গে তিনি জানান, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিয়ের মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে পুরুষদের যৌন লালসার শিকার হন গ্রামের দরিদ্র অংশের মহিলারা। ধর্ষণ সংক্রান্ত আইন প্রায়শই তাদের দুর্দশা দূর করতে ব্যর্থ হয়। এই পরিস্থিতি খুবই দুর্ভাগ্যজনক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Kerala High Court: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করলে তা ধর্ষণ নয়, ঐতিহাসিক রায় কেরল হাইকোর্টের 

    Kerala High Court: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করলে তা ধর্ষণ নয়, ঐতিহাসিক রায় কেরল হাইকোর্টের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুজন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে সম্মতিপূর্ণ শারীরিক সম্পর্ক (Consensual Sex) হলে, তাহলে তাকে ধর্ষণ বলা যাবে না। শুক্রবার এমনই যুগান্তকারী রায় দিল কেরল হাইকোর্ট (Kerala High Court)। এমনকি পরবর্তীতে বিয়ে না করলেও, দুজনের সম্মতি ছিল এমন সহবাসকে ধর্ষণ ধরা যাবে না। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারায় তখনই সেটাকে ধর্ষণ বলা যাবে, যদি সেই শারীরিক সম্পর্কে প্রতারণা বা মিথ্যাচার থাকে। অর্থাৎ দুজন প্রাপ্তবয়স্ক সহবাস করলে তাকে ধর্ষণ বলা যাবে না।         

    আইনজীবী নভনীত এন নাথকে (Navneet N Nath) গত মাসে গ্রেফতার করে কেরল পুলিশ। এক মহিলা আইনজীবীকে একাধিকবার ধর্ষণ করার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত আইনজীবী বর্তমানে কেরল হাইকোর্টে কেন্দ্রীয় সরকারের আইনজীবী। বিচারপতি বেচু কুরিয়ান থমাসের (Justice Bechu Kurian Thomas) বেঞ্চ তাঁর জামিন মঞ্জুর করে। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করার অভিযোগ ওঠে আইনজীবীর বিরুদ্ধে। কিন্তু পরে অন্য মহিলাকে বিয়ে করেন তিনি।

    আরও পড়ুন: সোনা পাচারকাণ্ডে জড়িত পিনারাই বিজয়ন! অভিযোগের পাল্টা কেরলের মুখ্যমন্ত্রীর   

    সরকারি উকিলের অভিযোগ, প্রেমিকের বিয়ের খবর জানতে পেরে মহিলা আইনজীবী আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তাঁকে ৩৭৬ (২)(n), ৩১৩ ধারায় গ্রেফতার করা হয় গত ২৩ জুন। 

    বিষয়টিকে পর্যবেক্ষণ করে আদালত। আর তারপরেই আসে এই যুগান্তকারী রায়। আদালত বলে, “দুজন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হলেই বিয়ে করতে হবে এমন নয়, তা হলেও তাকে ধর্ষণ বলা যাবে না। যেখানে এর কোনও প্রমাণ নেই অভিযুক্ত সম্মতি ছাড়াই যৌন সম্পর্ক করেছে। যদি বিয়েতে কেউ রাজি না হয় বা সম্পর্ক বিয়ে অবধি না গড়ায় সেক্ষেত্রে সেটাকে ধর্ষণ বলা চলে না। তাতে দুজনে শারীরিক সম্পর্কে গেলেও বলা যাবে না।”  

    আরও পড়ুন: কেরলে আক্রান্ত ২, করোনা-মাঙ্কিপক্সের পর নয়া আতঙ্ক নোরোভাইরাস?  

    আদালত আরও জানায়, “পুরুষ এবং মহিলার মধ্যে যৌন সম্পর্ককে তখনই ধর্ষণ বলা যাবে, যদি মহিলার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বা বলপূর্বক তাঁর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।” আদালত এও বলে, “যদি কোনও প্রতারণা করে কেউ কোনও শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয় বা কোনও মিথ্যাচার করা হয়, তাহলে সেই সম্মতিপূর্ণ শারীরিক সম্পর্ককে ধর্ষণ হিসেবে ধরা হবে।” 

    এরপরেই অভিযুক্ত আইনজীবীকে জামিন দেয় আদালত। আদালতের এই রায়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে দেশজুড়ে।

     

LinkedIn
Share