Tag: Conservative Party

Conservative Party

  • Justin Trudeau: ঘরে-বাইরে সমালোচনার জের, আজই পদত্যাগ করছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো?

    Justin Trudeau: ঘরে-বাইরে সমালোচনার জের, আজই পদত্যাগ করছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদত্যাগ করতে চলেছেন কানাডার (Canada) প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো (Justin Trudeau)! কানাডার একটি সংবাদপত্রের দাবি, আজ, সোমবারই প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিতে পারেন তিনি। নিতান্তই যদি তা না হয়, তবে চলতি সপ্তাহে বুধবারের আগেই লিবারাল পার্টির নেতা হিসেবে পদত্যাগ করবেন ট্রুডো। সংবাদপত্র ‘দ্য গ্লোব অ্যান্ড মেল’ এমনতর দাবি করলেও, প্রধানমন্ত্রীর দফতর কোনও মন্তব্য করতে চায়নি।

    মুখ রক্ষা করার চেষ্টা ট্রুডোর! (Justin Trudeau)

    দলীয় সদস্যপদ ছাড়ার পরেও তিনি প্রধানমন্ত্রী থেকে যাবেন কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রসঙ্গত, চলতি বছর অক্টোবরে কানাডায় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন হওয়ার কথা। বিভিন্ন সংস্থার করা সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে, ওই নির্বাচনে ট্রুডোর দলের পরাজয় এক প্রকার অবশ্যম্ভাবী। হারতে পারেন ট্রুডো স্বয়ংও। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণেই আগেভাগে পদত্যাগ করে মুখ রক্ষা করতে চাইছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। কানাডার সংসদের বহু সাংসদ ট্রুডোর অপসারণ চাইছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিন, চাইছেন তাঁর দলের সাংসদরাও। এমতাবস্থায় ট্রুডোর কাছে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেওয়া ছাড়া আর কোনও পথ খোলা নেই বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    প্রধানমন্ত্রী পদে ৯ বছর

    ২০১৩ সালে লিবারাল পার্টির নেতা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন ট্রুডো। গত ৯ বছর ধরে তিনি রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পদে। নানা কারণে বর্তমানে তাঁর জনপ্রিয়তা এখন তলানিতে। তাঁর আন্তর্জাতিক নীতি নিয়েও দেশের মধ্যেই সমালোচিত হয়েছেন তিনি। আগামী নির্বাচনে ট্রুডোর (Justin Trudeau) দল গোহারা হারবে বলে বিভিন্ন নির্বাচনী সমীক্ষায় ইঙ্গিত মিলেছে। আগামী নির্বাচনে কানাডায় কনজারভেটিভ পার্টি ক্ষমতায় আসছে বলেও জানিয়েছে ওই সমীক্ষা। এহেন পরিস্থিতিতে কিছুদিন আগে হঠাৎই পদত্যাগ করেন কানাডার উপমুখ্যমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড। তার পর থেকে দেশের অভ্যন্তরে ট্রুডো-বিদ্বেষ বাড়ছে বই কমছে না।

    আরও পড়ুন: সাধুর ভিড়ে মহাকুম্ভে হানা দিতে পারে জঙ্গিরা, কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা

    সমস্যা মেটানোর যে কোনও চেষ্টা ট্রুডো করেননি, তা নয়। মন্ত্রিসভায় রদবদল করেছেন তিনি। তার পরেও অব্যাহত রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে যাওয়ার চাপ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ট্রুডো পদত্যাগ করলে এগিয়ে আনা হতে পারে সাধারণ নির্বাচন। ততদিন কে চালাবেন দেশ, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে বলে সংবাদ মাধ্যমের খবর। ভারত বিরোধিতার খেসারত কি ট্রুডোকে (Justin Trudeau) গদি হারিয়েই দিতে হবে? প্রশ্নটা কিন্তু উঠছেই (Canada)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Rishi Sunak: অশ্বেতাঙ্গ প্রধানমন্ত্রী মানতে পারল না ব্রিটেন! জানেন কেন হারতে হল ঋষিকে?

    Rishi Sunak: অশ্বেতাঙ্গ প্রধানমন্ত্রী মানতে পারল না ব্রিটেন! জানেন কেন হারতে হল ঋষিকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্মাষ্টমীর দিনে রাধা-কৃষ্ণের আরাধনা করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। হিন্দু রীতি মেনে পুজোয় অংশ নিয়েছিলেন। আরতি করেছিলেন। মেনে নিতে পারেনি ‘রক্ষণশীল’ ব্রিটেন। যে দেশের মূল ধর্ম খ্রিস্টান সেখানে একজন হিন্দু নেতাকে দেশের সর্বোচ্চ পদে বসাতে হয়ত কুণ্ঠা বোধ করেছেন ব্রিটেনের শাসক রক্ষণশীল দলের নেতারা। তাই আশা জাগিয়েও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী (Britain PM) পদে জিততে পারলেন না ঋষি সুনক (Rishi Sunak)। প্রথম থেকে জোরদার লড়াই করেও শেষ হাসি হাসতে পারলেন না ঋষি। কনজারভেটিভ দলের নেতারা ভরসা রাখলেন ব্রিটিশ নেত্রী লিজ ট্রাসের উপর।

    কনজারভেটিভ পার্টির (Tori) তরফে ভোটের ফল ঘোষণা করে জানানো হয় ২০ হাজারেরও বেশি ভোটে জিতেছেন লিজ। মোট বৈধ ভোটের মধ্যে লিজ পেয়েছেন ৮১ হাজার ৩২৬টি ভোট। সুনক ৬০ হাজার ৩৯৯টি। চূড়ান্ত রাউন্ডে ইনফোসিস প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণ মূর্তির জামাই ঋষির পরাজয়ের কারণ হিসেবে উঠে আসছে তাঁর ‘বর্ণ-পরিচয়ের’ কথাও। এখনও পর্যন্ত কোনও অশ্বেতাঙ্গ ব্রিটেনে প্রধানমন্ত্রী হননি। যে দেড় লক্ষাধিক কনজারভেটিভ সদস্যের ভোটে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছে, তাতে অশ্বেতাঙ্গ ভোটার নগণ্য। তিন শতাংশেরও কম।

    আরও পড়ুন: অবাক কাণ্ড! লন্ডন থেকে চুরি হওয়া গাড়ি পৌঁছে গেল পাকিস্তানের করাচিতে! ভাইরাল ভিডিও

    রাজনৈতিক মহল মনে করছে ঋষির হারের পিছনে স্ত্রী অক্ষতার ভূমিকাও রয়েছে। একদিকে বিপুল সম্পত্তি, তো অন্যদিকে আয়কর ফাঁকি, আবার রাশিয়ার সঙ্গে বিশেষ সম্পর্কের জেরে তদন্তের আওতায় চলে আসেন পেশায় ফ্যাশন ডিজাইনার অক্ষতা। পেশার কারণে অন্যান্য দেশ থেকে ব্রিটেনে আসা নাগরিকদের বিশেষ কর দিতে হয়। সুনকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে সেই কর ফাঁকির অভিযোগ রয়েছে। তিনি নাকি প্রভাব খাটিয়ে সেই করের আওতার বাইরে চলে আসেন। বলা হয়ে থাকে, অক্ষতার সম্পত্তি নাকি ব্রিটেনের রানি এলিজাবেথের চেয়েও বেশি। একদা ভারতে সাম্রাজ্য বিস্তারকারী ব্রিটেনবাসী এ সত্য মেনে নিতে পারে না। কোনও ভারতীয় তাঁদের থেকে বড় হতে পারেন হয়ত বা এই কথা বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়েছিল রক্ষণশীল দলের সদস্যদের। তাই প্রথম থেকে এগিয়ে থেকেও মাইলস্টোন ছোঁয়া হল না ঋষির।

    তা ছাড়া একদা জনসন অনুগামী ঋষি যে ভাবে পরবর্তী কালে প্রকাশ্যে তাঁর বিরোধিতা করে ইস্তফা দিয়েছিলেন, ভোটে তারও প্রভাব পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। সাধারণ টোরি সদস্যদের বড় অংশই জনসন অনুগামী। তাঁদের একচেটিয়া ভোট পেয়েছেন লিজ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • UK Government: নেতা খুঁজছে লন্ডন! আপাতত কাজ সামলাবেন বরিস

    UK Government: নেতা খুঁজছে লন্ডন! আপাতত কাজ সামলাবেন বরিস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর পূর্ণ দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। আগামী সপ্তাহেই নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের প্রক্রিয়ার সময়সূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে কনজারভেটিভ পার্টি। তবে পরবর্তী নেতা ঠিক না হওয়া পর্যন্ত আপাতত ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলাবেন বরিস জনসন। 

    ‘‘কনজারভেটিভ দলের নতুন নেতা নির্বাচন করার সময় চলে এসেছে’’, এই বাক্যটি দিয়েই বৃহস্পতিবার বক্তৃতা শুরু করেন জনসন। তাঁর সরকারি বাসভবন ১০, ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে তখন অসংখ্য সাধারণ মানুষ জড়ো হয়েছেন। রাস্তায় লাইন দিয়ে দাঁড়িয়েছেন বরিস মন্ত্রিসভার সেই সব সদস্য, তখনও যাঁরা ইস্তফা দেননি। উপস্থিত প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ক্যারিও। এরমধ্যেই নিজের ব্যর্থতার কথা জানালেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। বললেন, “ভোটাররা আমাকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসিয়েছে বলেই আমি তাদের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করেছি। কিন্তু দলে আমার কথা ও চিন্তাধারা বোঝাতে ব্যর্থ আমি। তাই পৃথিবীর সব থেকে ভাল চাকরি থেকে ইস্তফা দিচ্ছি।’’

    আরও পড়ুন: বিদায় বরিস! ব্রিটেনের হাল ভারতীয়ের হাতে?আরও পড়ুন: বিদায় বরিস! ব্রিটেনের হাল ভারতীয়ের হাতে?

    বরিস এবং তাঁর আগে ৫০ জনেরও বেশি ক্যাবিনেট সদস্যের ইস্তফায় দলের অন্দরে সঙ্কট দেখা দিলেও দেশ আপাতত কোনও রাজনৈতিক সঙ্কটের মুখে পড়ছে না। কারণ ব্রিটিশ পার্লামেন্টের আইন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ইস্তফা দিলে তাঁর উত্তরসূরিকে বেছে নিতে পারবে ক্ষমতাসীন দল। এই নব নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বেই আগামী নির্বাচন পর্যন্ত দল ও দেশ চালানো হবে। ইস্তফা দিয়ে এদিন বরিস জানান, আগামী ‘অটাম’ (অগস্ট-সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত দলীয় প্রধান এবং প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলাতে প্রস্তুত তিনি। তার মধ্যে নতুন নেতা নির্বাচন করে ফেলতে পারবে দল। তবে বরিস চাইলেও দলের অনেকেই আর তাঁকে চাইছেন না। কিন্তু এখনই নেতা নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই আগামী সপ্তাহেই এই প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। তবে যতদিন না হচ্ছে ততদিন বরিসের নেতৃত্বেই নতুন মন্ত্রিসভা কাজ করবে।

    এর মধ্যেই নতুন মন্ত্রিসভা ঘোষণা করেছেন বরিস। বরিসের নতুন মন্ত্রিসভায় ওয়েলশ বিষয়ক দফতরের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রবার্ট বাকল্যান্ড। তিনি বলেন, বরিস জনসন মন্ত্রিসভাকে আশ্বস্ত করেছেন যে তিনি তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই কাজ চালিয়ে যাবেন। 
    পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত বরিসের নেতৃত্বে এই মন্ত্রিসভা কাজ করবে। তবে আর্থিক নীতি, রাষ্ট্র পরিচালনার কৌশলের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে এই মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নেবে না। এসব সিদ্ধান্ত নিতে নতুন প্রধানমন্ত্রীর জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

LinkedIn
Share