Tag: constable

constable

  • Suvendu Adhikari: পুজোর আগেই বড় ঘোষণা, রাজ্যে ১৪,৪৫৪ পদে নিয়োগের ছাড়পত্র, ১২ হাজার পুলিশকর্মীকে নিয়োগপত্র ১১ অক্টোবর

    Suvendu Adhikari: পুজোর আগেই বড় ঘোষণা, রাজ্যে ১৪,৪৫৪ পদে নিয়োগের ছাড়পত্র, ১২ হাজার পুলিশকর্মীকে নিয়োগপত্র ১১ অক্টোবর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগেই রাজ্যবাসীর জন্য একাধিক বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, বিভিন্ন সরকারি দফতরে মোট ১৪ হাজার ৪৫৪টি নতুন পদে নিয়োগের প্রস্তাবে মন্ত্রিসভা ছাড়পত্র দিয়েছে। ৬ থেকে ৮ মাসের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে (Police Recruitment)। রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের প্রায় ১২ হাজার কনস্টেবল নিয়োগের প্রক্রিয়াও এগিয়েছে। আগামী ১১ অক্টোবর প্রথম দফায় যোগ্য প্রার্থীদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কর্মসংস্থান নিয়ে মানুষের বিরাট প্রত্যাশা আছে। আগের সরকার চাকরি চুরি করেছে, চাকরি দেয়নি, আপনার চাকরি ওবিসির জট পাকিয়ে ঝুলিয়ে দিয়েছে। কিন্তু এই সরকার ১২ হাজার কনস্টেবলের নিয়োগ করেছে। পিএসসির পরীক্ষা চালু হয়েছে। আপনারা তো নেতিবাচক হলেই দেখান যে, পরীক্ষা শুরু হল না! কিন্তু অনেকগুলো পরীক্ষা হয়ে গিয়েছে। পিএসসি এখন সমস্ত বাকি পড়ে যাওয়া পরীক্ষা নিচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা ১ লাখ  চাকরি দেব। একদম নিশ্চিন্তে থাকুন। সব মিলিয়ে ১ লাখ চাকরি দেবে রাজ্য সরকার। এই অর্থবর্ষে আমরা নিয়োগপত্র দিয়ে দেব।”

    বিভিন্ন দফতরে ১৪,৪৫৪ পদে নিয়োগ (Suvendu Adhikari)

    মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিভিন্ন দফতর মিলিয়ে মোট ১৪ হাজার ৪৫৪টি নতুন নিয়োগের প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, রাজ্য লোকসেবা কমিশন এবং পুলিশ নিয়োগ পর্ষদের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, আইন, গণশিক্ষা, সম্প্রসারণ ও গ্রন্থাগার পরিষেবা, বন, অগ্নিনির্বাপণ ও জরুরি পরিষেবা, সংশোধনাগার-সহ একাধিক দফতরে নিয়োগ হবে। কলকাতা পুলিশ এবং রাজ্য পুলিশের বিভিন্ন শাখাতেও নিয়োগ করা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, আগামী ৬ থেকে ৮ মাসের মধ্যে বিভিন্ন স্তরের পরীক্ষা ও নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হবে।

    ১১ অক্টোবর পুলিশের প্রথম দফার নিয়োগপত্র

    পুলিশে নিয়োগের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা দেবীপক্ষে সব করব। পিতৃপক্ষে শুভ কাজ হয় না। দেবীপক্ষ শুরু হয়ে যাবে ১০ তারিখ। ১১ তারিখে আমরা পুলিশের প্রথম ব্যাচকে নিয়োগপত্র তুলে দেব। আমি নিজে থাকব সেখানে।” প্রায় ১২ হাজার পুলিশকর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই অধিকাংশ প্রার্থীর বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। যাঁদের শারীরিক পরীক্ষা, নথিপত্র যাচাই-সহ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা ১১ অক্টোবরের মধ্যে শেষ হবে, তাঁদের হাতে ওই দিন নিয়োগপত্র ও পুলিশের পোশাক তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)। এদিনের মন্ত্রিসভার বৈঠকে ভগিনী নিবেদিতা প্রকল্পেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী অবিবাহিতা ছাত্রীরা এই প্রকল্পের আওতায় আর্থিক সহায়তা পাবেন। প্রথম ও দ্বিতীয় বছরে ১৭ হাজার টাকা করে এবং তৃতীয় বছরে ১৬ হাজার টাকা দেওয়া হবে। অর্থাৎ তিন বছরে মোট ৫০ হাজার টাকা সহায়তা পাবেন উপযুক্ত ছাত্রীরা। আগামী জানুয়ারি থেকে এই প্রকল্পের অর্থ দেওয়া শুরু হবে (Police Recruitment)।কর্মবন্ধুদের মাসিক ভাতাও বাড়ানোর ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এতদিন তাঁরা মাসে ৫ হাজার টাকা করে পেতেন। সেই ভাতা বাড়িয়ে ৮ হাজার টাকা করা হয়েছে। চলতি অক্টোবর মাস থেকেই বর্ধিত ভাতা কার্যকর হবে।

    তফশিলি পড়ুয়াদের খাবারের বরাদ্দ বাড়ল

    হস্টেলে থাকা তফশিলি জাতি ও উপজাতি পড়ুয়াদের খাবারের জন্য বরাদ্দও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। মাসিক খাবারের ভাতা ১ হাজার ৮০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ হাজার ৩০০ টাকা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের তফশিলি জাতি এবং উপজাতি পড়ুয়া যারা হস্টেলে থেকে পড়াশোনা করে, তাদের খাওয়ার জন্য বরাদ্দ আমরা অনেকটাই বৃদ্ধি করলাম।”

    ১০ অক্টোবর থেকে ১১২ জরুরি পরিষেবা

    রাজ্যে দ্রুত পুলিশি পরিষেবা পৌঁছে দিতে ১১২ নম্বরের জরুরি পরিষেবা চালুর কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১০ অক্টোবর, মহালয়ার দিন থেকে এই পরিষেবা চালু হবে। এর মাধ্যমে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পুলিশের সহায়তা পাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে (Police Recruitment)। সব মিলিয়ে পুজোর আগে নিয়োগ, শিক্ষা, কর্মবন্ধুদের ভাতা এবং পুলিশি পরিষেবা—একাধিক ক্ষেত্রে একগুচ্ছ ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। এর মধ্যে ১৪ হাজার ৪৫৪টি নতুন নিয়োগ এবং চলতি অর্থবর্ষে মোট ১ লাখ চাকরি দেওয়ার ঘোষণা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ (Suvendu Adhikari)।

     

  • Alipurduar: আলিপুরদুয়ারে ‘গুণধর’ কনস্টেবলের খোঁজ মিলল, কীর্তি জানলে চমকে উঠবেন

    Alipurduar: আলিপুরদুয়ারে ‘গুণধর’ কনস্টেবলের খোঁজ মিলল, কীর্তি জানলে চমকে উঠবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনোজিৎ বাগীশের কথা মনে আছে। ‘কোটিপতি কনস্টেবল’। রামপুরহাটে কর্মরত ছিলেন তিনি। রাজ্য দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই তাঁকে গ্রেফতার করেছেন। এই কনস্টেবলকে নিয়ে তোলপাড় গোটা রাজ্য। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই আরও এক গুণধর কনস্টেবলের হদিশ মিলেছে আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar)। যদিও তদন্তের স্বার্থে পুলিশ ওই কনস্টেবলের নাম সামনে আনতে চাইছে না। ওই কনস্টেবলের দুর্নীতির কাণ্ডকারখানা দেখে চক্ষু চড়কগাছ জেলা পুলিশ কর্তাদের।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Alipurduar)

    রামপুরহাটের কনস্টেবলের কোটিপতি হওয়ার রহস্য ভেদ করার চেষ্টা করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। এরমধ্যেই নতুন করে আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar) কনস্টেবলের কীর্তি সামনে আসায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আলিপুরদুয়ারে ওই পুলিশ কনস্টেবল অনুপস্থিত সিভিক ভলান্টিয়ারদের উপস্থিত দেখিয়ে সেই টাকা নিজের এবং আত্মীয়ের অ্যাকাউন্টে জমা করে বিপুল টাকা আত্মসাৎ করতেন বলে অভিযোগ। ৪-৫ বছর ধরে ওই কনস্টেবল রীতিমতো ছক কষে এই টাকা আত্মসাৎ করে চলেছেন বলে অভিযোগ। প্রাথমিকভাবে প্রায় ৯ লক্ষ টাকা প্রতারণার হিসেব পাওয়া গিয়েছে। আরও থাকতে পারে বলে পুলিশ আধিকারিকরা মনে করছেন। এভাবে একজন পুলিশ কর্মী সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করতে পারেন, তা পুলিশ কর্তারা ভেবেই পাচ্ছেন না।

    কী বললেন জেলার পুলিশ সুপার?

    আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) পুলিশ সুপার ওয়াই রঘুবংশি বলেন, গত কয়েকদিন আগে সিভিক ভলান্টিয়ারদের মজুরি প্রদানের অসঙ্গতির বিষয়টি সামনে আসে। এরপরই এই ঘটনা নিয়ে অভ্যন্তরীণ তদন্ত করছি। তাতে দেখা গিয়েছে কিছু সিভিক ভলান্টিয়ার ডিউটিতে না এলেও তাদের যে প্রাপ্য ভাতা অন্য অ্যাকাউন্টে দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত ওই কনস্টেবল অনুপস্থিত সিভিক ভলান্টিয়াদের জাল বিলগুলিতে উপস্থিত দেখিয়ে সরকারি অর্থ তাঁর ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে বা তাঁর আত্মীয়দের অ্যাকাউন্টে অবৈধভাবে জমা করেছিলেন। পেমেন্ট সফটওয়্যারে অ্যাকাউন্টের বিবরণ পরিবর্তন করে তিনি এই প্রতারণা করেছেন। আইন মেনে যা যা করার করা হচ্ছে। কনস্টেবলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বিস্তারিত তদন্ত রিপোর্ট জমা হলেই ওই কনস্টেবলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে পুলিশ প্রশাসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: বান্ধবীকে বিলাসবহুল গাড়ি উপহার, গ্রেফতার কোটিপতি কনস্টেবল, কেন জানেন?

    Birbhum: বান্ধবীকে বিলাসবহুল গাড়ি উপহার, গ্রেফতার কোটিপতি কনস্টেবল, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বান্ধবীকে ১১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা দামের গাড়ি উপহার দিয়েছিলেন। নিজের নামে রয়েছে ১২টি ফিক্সড ডিপোজিট। এফডি-র  টাকার অঙ্কের পরিমাণ ৭৬ লক্ষ টাকা। তাঁর নামে ১০ লক্ষ টাকার জীবন বিমা রয়েছে। রয়েছে বিলাসবহুল বাড়ি। রয়েছে প্রচুর জমি। সব মিলিয়ে কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক। এক ঝলকে অ্যাকাউন্টের ব্যালান্স দেখে মনে হতেই পারে কোনও ব্যবসাদার। কিন্তু, সামান্য একজন ছাপোষা কনস্টবলের এই সম্পত্তি বলে সকলেই অবেক হবে। দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা হতবাক হয়েছিলেন বীরভূমের (Birbhum) রামপুরহাট থানার কনস্টেবল মনোজিৎ বাগীশের সম্পত্তির পরিমাণ দেখে।

    কী কারণে কনস্টেবলকে গ্রেফতার করা হল?

    কেষ্টর দৌলতেই কনস্টেবল সায়গল হোসেন কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছিলেন। কিন্তু, মনোজিৎ বাগীশের মাথার উপর কোনও কেষ্ট নেই। তবুও, তিনি কোটিপতি। তাঁর বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে। বারুইপুরে তাঁর ঝাঁ-চকচকে বাড়ি রয়েছে। প্রথমে হাওড়া সিটি পুলিশ ও তারপর হাওড়া গ্রামীণ পুলিশে কর্মরত মনোজিৎ বর্তমানে বীরভূমের (Birbhum) রামপুরহাট থানায় কনস্টেবলের পদে চাকরি করছিলেন। হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তির তদন্তে নেমে ২০১২ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত বিভিন্ন তথ্য দেখে কার্যত চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায় দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকদের। বিপুল সম্পত্তি উদ্ধার হওয়ার পর তাঁদের আশঙ্কা, তাঁর নামে আরও ফ্ল্যাট-সম্পত্তি থাকতে পারে। হিসাব বর্হিভূত অর্থে অভিযোগের তদন্তে নেমে দুর্নীতি দমন শাখা তাঁকে গ্রেফতার করে। কীভাবে এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি তাঁর কাছে এল তা নিয়ে তথ্য জানতেই অভিযুক্ত কনস্টেবলকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    সূত্রের খবর, অভিযুক্ত কনস্টেবলকে গ্রেফতার করার পর আদালতে পেশ করলে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ আদালতের। বীরভূম (Birbhum) জেলাজুড়ে তাঁকে নিয়ে চর্চা চলছে। বারুইপুরের যে এলাকায় মনোজিৎ বাগীশ থাকেন, সেখানকার স্থানীয়দের বক্তব্য, চাকরি পাওয়ার পর থেকেই ক্রমশ বদলে যেতে থাকে তাঁর আর্থিক পরিস্থিতি। কনস্টেবলের চাকরি পাওয়ার কীভাবে এত সম্পত্তির মালিক হয়ে উঠলেন তা নিয়ে এলাকার চর্চাও চলত। তদন্তে আসল সত্য উদঘাটন হোক চাইছেন এলাকাবাসী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share