Tag: Contai

Contai

  • Tamluk: জেলাশাসকের দফতরে বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দুকে বাধা

    Tamluk: জেলাশাসকের দফতরে বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দুকে বাধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তমলুকে (Tamluk) জেলাশাসকের অফিসে মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়লেন বিজেপি প্রার্থী (BJP Candidate) সৌমেন্দু অধিকারী (Soumendu Adhikary) । নিজেদের খাস তালুকেই বাধাপ্রাপ্ত হওয়ায় শোরগোল এলাকায়। বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল জেলা শাসকের অফিসে কর্মরত পুলিশের বিরুদ্ধে।  এদিন এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipore) কাঁথিতে বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে গন্ডগোলের সৃষ্টি হয়। মনোনয়ন চলাকালীন শিশির অধিকারীকেও (Sisir Adhikary) বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের বসচা শুরু হয়।

    আরও পড়ুন: “বিজেপি মুসলিম বিরোধী নয়”, স্পষ্ট বার্তা মিঠুনের

    জেলাশাসকের অফিসে ১৪৪ ধারী ধারার জারি

    পুলিশের তরফ থেকে দাবি করা হয় জেলাশাসকের অফিসে ১৪৪ ধারী ধারার জারি রয়েছে। দফতরের ১০০ মিটারের মধ্যে প্রার্থী, এজেন্ট এবং প্রস্তাবক ছাড়া মোট চারজনের বেশি কেউ প্রবেশ করতে পারবে না এমনটাই নির্দেশ রয়েছে জেলা শাসকের। বিজেপি কর্মীরা নাকি সেই সময় জোটবদ্ধ হয়ে জেলা শাসকের দপ্তরের কাছাকাছি চলে আসেন। সেই সময় পুলিশ তাদের বাধা দেয়। তবে শিসির অধিকারী এলাকার সাংসদ। তাঁকে কেন বাধা দেওয়া হয় এনিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয় বিজেপি কর্মীদের মধ্যে। এর পরেই  গন্ডগোল আরও বাড়ে। স্লোগান দিতে শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা।  প্রসঙ্গত অধিকারি পরিবারের খাসতালুক কাঁথি। ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে বিজেপির প্রতীকে এখান থেকেই লড়াই করছেন সৌমেন্দু অধিকারী। ২০০৯ সাল থেকে এখানে জয়ী হয়ে আসছেন শিশির অধিকারী। বয়স জনিত কারণে এবার তিনি প্রার্থী হচ্ছেন না। তার বদলে প্রার্থী করা হয়েছে তাঁর পুত্রকে। দীর্ঘদিন ধরেই অধিকারি পরিবারের কেউই আর তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত নয়। শিশির অধিকারী, সৌমেন্দু ও দিব্যেন্দু এরা সকলেই তৃণমূলের সঙ্গে সঙ্গ ত্যাগ করেছেন বহুদিন আগেই।

    ২০০৯ সাল থেকে সাংসদ শিশির অধিকারী 

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikary) বিজেপিতে যোগদান করার পরেই গোটা পরিবারের সঙ্গেই তৃণমূলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করে। শিশির অধিকারী তৃণমূলের টিকিটের জয়ী হলেও তিনি সংবাদমাধ্যমে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক মঞ্চে যে বক্তব্য রেখেছেন তাতে তাঁর তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব প্রকাশ পেয়েছে।

  • Contai: শুভেন্দুর গড়ে তৃণমূলে ধাক্কা, ভোটের আগে আড়াইশো সংখ্যালঘু পরিবার যোগ দিল বিজেপিতে

    Contai: শুভেন্দুর গড়ে তৃণমূলে ধাক্কা, ভোটের আগে আড়াইশো সংখ্যালঘু পরিবার যোগ দিল বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনগর্জন সভা ঘিরে তৃণমূলের রাজ্যের শাসক শিবিরের চাপ বাড়াল বিজেপি। খোদ রাজ্যের কারামন্ত্রী অখিল গিরির বিধানসভা এলাকা রামনগরের আড়াইশোর বেশি সংখ্যালঘু পরিবার এল গেরুয়া ছাতার তলায়। ব্রিগেডে তৃণমূলের জনগর্জন সভার ঠিক আগের দিন, শনিবার সকালে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বের ওপর আস্থা রেখে পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি (Contai) সাংগঠনিক জেলা পার্টি অফিসে বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দু অধিকারীর হাত থেকে পদ্ম পতাকা তুলে নেন ২০০-র বেশি পরিবারের সদস্যরা। আবার বিকেলে রামনগরে কিষাণ মোর্চার সভায় ৫০টি পরিবার বিজেপিতে যোগ দেয়। আর এই ঘটনার পরই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তাহলে কি পূর্ব মেদিনীপুরের সংখ্যালঘু ভোটাররা তৃণমূল কংগ্রেসের দিক থেকে মুখ ফেরাচ্ছেন? জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে চর্চা।

    কোথায় হল যোগদানপর্ব? (Contai)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কারামন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্রে রামনগর ব্লকের কালিন্দী গ্রাম পঞ্চায়েতের ২০০-র বেশি সংখ্যালঘু  পরিবার শনিবার সকালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। এদিন কাঁথি (Contai) সাংগঠনিক জেলা বিজেপির দলীয় পার্টি অফিসে আসেন সংখ্যালঘু পরিবারগুলির সদস্যরা। তাঁদের হাতে বিজেপির দলীয় পতাকা তুলে দেন কাঁথি সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি তথা বিধায়ক অরূপকুমার দাস ও আসন্ন লোকসভা ভোটে কাঁথির বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দু অধিকারী। বিকেলে রামনগরের সিএস ময়দানে বিজেপি-র কিষাণ মোর্চার সভায় ফের ঘাসফুল ছেড়ে গেরুয়া বসন গায়ে জড়ায় ৫০টি পরিবার।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    কাঁথি (Contai) সংগঠনিক জেলা বিজেপি-র সভাপতি তথা দক্ষিণ কাঁথির বিধায়ক অরূপকুমার দাস বলেন, ‘তৃণমূলের একাধিক দুর্নীতির যে কারণেই সংখ্যালঘু ভোটাররাও মুখ ফেরাচ্ছেন। তৃণমূলের ওপর রাজ্যের মানুষের আস্থা নেই। এখন তো শুধু ট্রেলার দেখছেন, ভোটের আগে আসল সিনেমা দেখবেন!’ তবে রামনগরের বিধায়ক তথা রাজ্যের কারামন্ত্রী অখিল ও গিরি তাঁর এলাকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের এই বিজেপিতে যোগদানের ঘটনা অস্বীকার করেছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: শুভেন্দুর গড়ে কর্মীদের বার্তা দিতে আসছেন অমিত শাহ, প্রস্তুতি তুঙ্গে

    Amit Shah: শুভেন্দুর গড়ে কর্মীদের বার্তা দিতে আসছেন অমিত শাহ, প্রস্তুতি তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবিভক্ত মেদিনীপুরে বুথস্তরের কর্মীদের নিয়ে সভা করতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গড়ে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মেচেদায় কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ফুটবল ময়দানে আগামী ২৯ জানুয়ারি ওই সাংগঠনিক সভার আয়োজন করা হয়েছে। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের কাছে ইতিমধ্যেই আবেদন জানিয়েছেন বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলা নেতৃত্ব। দলের পক্ষ থেকে যাবতীয় প্রস্তুতিও গ্রহণ করা হয়েছে।

    প্রায় ১০ হাজার বুথস্তরের কর্মীকে সভায় আসার নির্দেশ (Amit Shah)

    বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তথা রাজ্যের পর্যবেক্ষক মঙ্গল পাণ্ডে এবং রাজ্য যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) সতীশ ধন্দও সম্প্রতি মেচেদায় তমলুক, কাঁথি, মেদিনীপুর ও ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা নেতৃত্বকে নিয়ে বৈঠক করেছেন। এবার সেখানে শাহের (Amit Shah) সাংগঠনিক সভা হতে চলেছে। এই সভার প্রস্তুতিতে বৃহস্পতিবার বিজেপির জেলা নেতৃত্বকে নিয়ে বৈঠক হবে। প্রাথমিক ভাবে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তমলুক, কাঁথি, মেদিনীপুর, ঘাটাল ও ঝাড়গ্রামের মোট পাঁচটি সাংগঠনিক জেলা মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার বুথস্তরের কর্মী শাহের সভায় হাজির থাকবেন। প্রতিটি বুথ কমিটিতে গড়ে ১১ জন করে রয়েছেন। তবে প্রতিটি বুথ থেকে ৪-৫ জন করে কর্মীকে সভায় আসতে বলা হবে। আর তাতে কর্মিসভা আদতে জনসভার আকার নেবে। সেই মতো দলের পাশাপাশি পুলিশ-প্রশাসনের প্রস্তুতিও প্রয়োজন। তাই বিজেপির তরফে দলীয় ভাবে পুলিশ-প্রশাসনের কাছে ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। এমনিতেই লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা না হলেও শাহের এই সফর থেকেই বাংলায় ভোটের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যাবে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। এমনিতেই বিভিন্ন রাজনৈতিক সভায় পূর্ব মেদিনীপুরের দু’টি আসন তমলুক ও কাঁথি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উপহার দেওয়ার কথা বলেছেন শুভেন্দু। গত পঞ্চায়েত ভোটে পূর্ব মেদিনীপুরে ভালো ফল করেছে বিজেপি। বিজেপি-র শক্ত জমিতেই শাহ সভা করে বুথস্তরের কর্মীদের কী বার্তা দেন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সকলে।

    প্রস্তুতি নিয়ে কী বললেন জেলা নেতৃত্ব?

    বিজেপি-র জেলা নেতা বামদেব গুছাইত বলেন, অবিভক্ত মেদিনীপুরের পাঁচটি সাংগঠনিক জেলার বুথের পদাধিকারীদের নিয়ে সভা করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের বিষয়ে কর্মীদের বার্তা দিতেই এই কর্মিসভা হবে। সভাস্থলের জায়গা ব্যবহারের জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। পুলিশ-প্রশাসনের কাছেও আবেদন জানানো হয়েছে। দলীয় নেতৃত্বরা সভাস্থলের মাঠ পরিদর্শন করেছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sisir Adhikari: শিশির অধিকারীকে ‘গুরুদেব’ সম্বোধন, শো-কজ করা হল তৃণমূল চেয়ারম্যানকে

    Sisir Adhikari: শিশির অধিকারীকে ‘গুরুদেব’ সম্বোধন, শো-কজ করা হল তৃণমূল চেয়ারম্যানকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুলের অনুষ্ঠানে গিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাবা সাংসদ শিশির অধিকারীকে ‘গুরুদেব’ সম্বোধন করেন কাঁথি পুরসভার তৃণমূলের চেয়ারম্যান সুবলকুমার মান্না। প্রকাশ্য মঞ্চে তিনি শিশির অধিকারীকে (Sisir Adhikari) সম্বোধন করে কার্যত চরম বিপাকে পড়েছেন। কারণ, তৃণমূলের পক্ষ থেকে তাঁকে শো-কজ করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sisir Adhikari)

    জানা গিয়েছে, ২১ ডিসেম্বর কাঁথির একটি স্কুলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন কাঁথি পুরসভা তৃণমূলের চেয়ারম্যান সুবলকুমার মান্না। সেখানে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন কাঁথির বর্ষীয়ান সাংসদ তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাবা শিশির অধিকারী (Sisir Adhikari)। সুবলবাবু সকলের সামনে শিশিরবাবুর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, বাবা, মা আমাকে জন্ম দিয়েছেন। এরপর রাজনীতিতে পথ চলা থেকে এই জায়গায় উঠে আসা সম্ভব হয়েছে গুরুদেব শিশির অধিকারীর জন্য। শুক্রবার সেই ভিডিও এবং প্রণাম করার ছবি মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর নড়েচড়ে বসে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কাঁথির পুরপ্রধান সুবলকুমার মান্নাকে শো-কজ করেন কাথি সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি পীযূষকান্তি পণ্ডা। তারপরেই কাঁথির রাজনীতিতে শুরু হয় তোলপাড়।

    তৃণমূলের চেয়ারম্যান কী বললেন?

    শো-কজ প্রসঙ্গে সুবলবাবু বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকারের একটি স্কুলে আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেখানে গিয়ে দেখি শিশির অধিকারী (Sisir Adhikari) বসে রয়েছেন। আমি তো অসম্মান করতে পারি না।  আর  তিনি (তৃণমূলের জেলা সভাপতি) শো-কজ করার কে? আমাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শো-কজ করেছে, সেটা আমি জানিও না। চিঠি দিয়ে জানাবেন, তারপরে উত্তর দেওয়া হবে। মানুষকে মানুষ ভাবে না। কীভাবে বয়স্কদের সঙ্গে বলতে হয় তা তিনি জানেন না। 

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    জেলা বিজেপি নেতা অসীম মিশ্র বলেন, ‘দুজন প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন। কাঁথির বর্ষীয়ান সাংসদ তথা অভিভাবক শিশির অধিকারীকে (Sisir Adhikari) কাঁথি পুরপ্রধান সুবল মান্না সৌজন্যতা জানিয়েছেন! এখানে কোনও রাজনীতি খোঁজার দরকার নেই। বয়স্ক রাজনীতিককে প্রণাম করছেন, শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Contai: এ কী কাণ্ড! খোদ কারামন্ত্রীর খাসতালুকের জেল থেকে পালাল ধর্ষণে অভিযুক্ত এক বন্দি

    Contai: এ কী কাণ্ড! খোদ কারামন্ত্রীর খাসতালুকের জেল থেকে পালাল ধর্ষণে অভিযুক্ত এক বন্দি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কারাগারের ভেতর পর্যন্ত ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা রয়েছে। রয়েছে দোতলা ঘরের সমান উঁচু পাঁচিল। এরপরও লক্ষ্মীপুজোর আবহে পুলিশের চোখে ধূলো দিয়ে জেল থেকে পালাল এক বিচারাধীন বন্দি। তার বিরুদ্ধে সাত বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন করার অভিযোগ রয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে রাজ্যের কারামন্ত্রীর বাড়ির কাছে পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি (Contai) মহকুমা উপ সংশোধনাগারে। ওই বন্দি পালানোর ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Contai)

    শনিবার দুপুরে হঠাৎ পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি (Contai) মহকুমা উপ সংশোধনাগারে  বেজে ওঠে সাইরেন। জানা যায়, শুভেন্দু ঘটক নামে বছর তেইশের এক বন্দিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। দুপুরের খাওয়াদাওয়ার সময় সংশোধনাগারের কর্মীরা শুভেন্দুর গরহাজিরার বিষয়টি খেয়াল করেন। মূল রাস্তা থেকে কারাগারের ভেতর পর্যন্ত ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা রয়েছে। রয়েছে দোতলা ঘরের সমান উঁচু পাঁচিল। এর পরেও পটাশপুর থানা এলাকার বাসিন্দা শুভেন্দু কী করে পালাল, সে নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ মুখ খুলতে চাননি। এর আগে  ২০১৮ সালে অক্টোবরে কাঁথি মহকুমা আদালত থেকে পালিয়ে গিয়েছিল কুখ্যাত দুষ্কৃতী কর্ণ এবং মুন্না। তারও কয়েক বছর আগে কাঁথি মহকুমা উপ সংশোধনাগারের পুরানো ভবন থেকে এক আসামী পালিয়ে যাওয়ার নজির রয়েছে। ওই ঘটনার পর কাঁথি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ। তার ভিত্তিতে পলাতক শুভেন্দুর খোঁজে জেলা এবং পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পুলিশ সুপার সৌম্যদীপ ভট্টাচাৰ্য্য বলেছেন, কাঁথি মহকুমা উপ- সংশোধনাগার থেকে এক বন্দি পালিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে। তার ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

    কারামন্ত্রীর কী বক্তব্য?

    এই ঘটনার পর ফের সংশোধনাগারের ভেতরের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এদিনের ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে চেয়ে পাঠানো হয়েছে কাঁথি (Contai) সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষের কাছে। পুরো ঘটনায় প্রাথমিকভাবে প্রশাসনিক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের কারা দফতর। রাজ্যের কারা মন্ত্রী অখিল গিরি বলেন, ‘অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। প্রাথমিক ভাবে প্রশাসনিক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ হলেই বিচার বিভাগীয় তদন্ত শুরু হবে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC Attack: শিবের মাথায় জল ঢালতে গিয়ে আক্রান্ত, উত্তেজনা কাঁথিতে, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    TMC Attack: শিবের মাথায় জল ঢালতে গিয়ে আক্রান্ত, উত্তেজনা কাঁথিতে, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার শিবপুর এবং হুগলির রিষড়ায় রামনবমীর মিছিলে হামলা চালানোর ঘটনা নিয়ে রাজ্য-রাজনীতি তোলপাড়। রামনবমীর শোভাযাত্রায় গিয়ে বহু ভক্ত আক্রান্ত হয়েছিলেন। এবার শিবের মাথায় জল ঢালতে গিয়ে আক্রান্ত (TMC Attack) হলেন বেশ কয়েকজন। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দক্ষিণ কাঁথি বিধানসভা কেন্দ্রে। ঘটনাস্থল কাঁথি-১ নম্বর ব্লকের দুলালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হামির মহল গ্রাম। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এই নির্মম অত্যাচারের ঘটনায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কে রয়েছেন। পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে এলেও ভবিষ্যতে যে ফের হামলা হবে না, এমন আশ্বস্ত হতে পারছেন না অনেকেই।

    ঠিক কী ঘটেছিল? 

    সোমবার রাতে এই গ্রামের শিবভক্তরা চন্দনেশ্বর থেকে জল নিয়ে যখন পাকা রাস্তা ছেড়ে গ্রামে প্রবেশ করেন, তখন বাবার মাথায় ঢালতে গেলেই শুরু হয় গণ্ডগোল। সেই সময় ভক্তদের উপর চড়াও হয় (TMC Attack) তৃণমূলের বেশ কিছু দুষ্কৃতী, অভিযোগ এমনটাই। গণ্ডগোলের খবর পেয়ে গ্রামে পৌঁছয় পুলিশ। পুলিশি তৎপরতায় রাতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তারপর ভক্তরা শিবের মাথায় জল ঢালেন। আহতরা বেশিরভাগ মাজনা ও কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি। সেখানে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, রাজনৈতিক হানাহানি তো আছেই। কিন্তু এর মধ্যে ধর্মাচরণে এভাবে কেন আঘাত হানা হচ্ছে, তা তাঁরা বুঝে উঠতে পারছেন না। গ্রামের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ এবং প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আরজি তাঁরা জানিয়েছেন। পুলিশ দাবি করেছে, পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে।

    পুলিশকে সক্রিয় হওয়ার আবেদন বিজেপির

    শিবভক্তদের এভাবে আক্রান্ত (TMC Attack) হওয়ার ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছে বিজেপি। বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি অসীম মিশ্র পুলিশকে দ্রুত সক্রিয় হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।

    প্রতিক্রিয়া দিলেন না তৃণমূল নেতা

    একটা গণ্ডগোল হয়েছিল। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। এ বিষয়ে এখনই কোনও প্রতিক্রিয়া দেব না। বললেন কাঁথি এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা প্রদীপ গায়েন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • JP Nadda: শনিবার বঙ্গ সফরে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি! কাটোয়া ও কাঁথিতে সভা করবেন নাড্ডা

    JP Nadda: শনিবার বঙ্গ সফরে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি! কাটোয়া ও কাঁথিতে সভা করবেন নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। ফের রাজ্যে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে.পি নাড্ডা। রবিবার একদিনের ঝটিকা সফরে এলেও দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক থেকে দুটি জনসভা করারও কথা রয়েছে বিজেপি সভাপতির। সেদিন পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া ও পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে জনসভা করার কথা রয়েছে তাঁর। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির প্রত্যেক কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে বাংলায় ১২টি করে জনসভা করার কর্মসূচি স্থির হয়েছে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে। সেই সূচি অনুসারেই নাড্ডার বঙ্গ সফর।

    নাড্ডার সফর-সূচি

    বিজেপি সূত্রে খবর, শনিবার রাত ৮টায় তাঁর বিমানে করে কলকাতায় আসার কথা রয়েছে। নিউটাউনের একটি হোটেলে রাত কাটাবেন নাড্ডা। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি, রবিবার সকালে তিনি পূর্বস্থলির উদ্দেশে রওনা দেবেন। বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে করে গন্তব্যে পৌঁছবেন। প্রথমে কালীমন্দিরে পুজো দিয়ে সেখান থেকে সভাস্থলে যাবেন। পূর্বস্থলি থানা ময়দানে সকাল ১১টায় প্রথম জনসভা করার কথা জেপি নাড্ডার। এরপর, জেলা কোর কমিটির সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে সর্বভারতীয় সভাপতির। তা শেষে তিনি হেলিকপ্টারে করে কাঁথির উদ্দেশে রওনা দেবেন। সেখানে রামনগরে আরএসএ ময়দানে তাঁর জনসভা রয়েছে দুপুর ৩টে নাগাদ। জনসভা শেষে  সেখানেও দলীয় নেতৃত্বদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। তারপর তিনি কলকাতায় ফিরে আসবেন এবং দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন।

    আরও পড়ুন: ‘ইডি একেবারে মমতার পরিবারের কাছে পৌঁছে গিয়েছে’, সুকান্ত কেন বললেন জানেন?

    রামনগরে সভার প্রস্তুতি

    বৃহস্পতিবার থেকে সভার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। এদিন কাঁথি সাংগঠনিক জেলা ও রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব রামনগরে সভার মাঠ ঘুরে দেখেন। সেখানে বিজেপির রাজ্য কমিটির সাধারণ সম্পাদক (সাংগঠনিক) অমিতাভ চক্রবর্তী, বিভাগ ইনচার্জ মনোজ পান্ডে, রাজ্য সহ-সভাপতি শমিত দাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। জেলা বিজেপি সূত্রের খবর, যে মাঠে নাড্ডার জনসভা, সেটির অনুমোদন পাওয়া গিয়েছে। হেলিকপ্টারেই নাড্ডার রামনগরের সভায় আসার কথা। সে জন্য দিঘার হেলি প্যাড ব্যবহার করা হবে। তারপর সড়কপথে কয়েক কিলোমিটার গাড়িতে চেপে তিনি রামনগরের জনসভায় যোগ দেবেন। সেই সভায় চল্লিশ হাজার লোকের জমায়েতের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। জনসভায় নাড্ডা ছাড়াও রাজ্য বিজেপি সভাপতি তথা সাংসদ সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং সাংসদ দিলীপ ঘোষের মতন প্রথম সারির নেতাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari: প্রধানমন্ত্রীকে কাঁথি লোকসভা উপহার দেবেন, সভার আগে বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: প্রধানমন্ত্রীকে কাঁথি লোকসভা উপহার দেবেন, সভার আগে বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ২১ ডিসেম্বর কাঁথিতে সভা করবেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মানুষের সামনে তুলে ধরবেন আবাস যোজনা, ১০০ দিনের কাজ-সহ রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দুর্নীতি, সন্ত্রাস, খুন, তোলাবাজির কথা। এমনটাই দাবি করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। কাঁথি রেল স্টেশনে হবে এই সভা।  

    মঙ্গলবারই দিল্লি থেকে কলকাতা ফিরেছেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের মাটিতে পা রেখেই বিজেপি সমর্থকদের জন্যে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন তিনি। বলেছেন ২ লক্ষের বেশি ভোটে বিজেপি প্রার্থীকে জিতিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কাঁথি লোকসভা উপহার দেবেন। দুদিনের দিল্লি সফরে শুভেন্দু দেখা করেছেন স্বরাষ্টমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং- এর সঙ্গে। দিল্লি সফর ও অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে বিভিন্ন কেস দিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে সেটা দেশের সকলের জানা উচিত, সেই ব্যবস্থা করতেই গিয়েছিলেন। দিল্লিতেই  দেখা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও। হয়েছে সৌজন্য বিনিময়ও। তাই এবার দিল্লি থেকে ফিরেই চার্জড আপ শুভেন্দু। 

    কী চমক থাকবে সভায়? 

    আজ সভাতেই দেখা যাবে তার ঝলক। রাজনৈতিকমহলের দাবি, এই সভা থেকে ফের একবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করবেন তিনি। ডিসেম্বর মাসের ৩ তারিখ এই কাঁথিতে শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির কাছেই সভা করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷ সেই একই দিনে ডায়মন্ড হারবারে সভা ছিল শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু-সহ গোটা অধিকারী পরিবারকে নিশানা করে একের পর এক আক্রমণ শানিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ৷ আর আজ জবাব দেওয়ার দিন। নিজের গড়ে দাঁড়িয়ে অভিষেককে জবাব দেবেন শুভেন্দু। শুভেন্দুর দাবি, তৃণমূলের শত চেষ্টা সত্ত্বেও বিজেপির এদিনের সভা সফল হবে। 

    এদিকে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) ডিসেম্বর রহস্য নিয়ে গেরুয়া শিবিরকে ক্রমাগত খোঁচা দিয়ে চলেছে ঘাসফুল শিবির। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। প্রসঙ্গত, গত কয়েক মাস ধরেই ডিসেম্বর মাসে রাজ্যে বড় কিছু ঘটার দাবি করে আসছিল পদ্ম শিবির। ডিসেম্বর মাস যত এগিয়ে আসে, তত বিরোধী দলনেতার হুঁশিয়ারি নিয়ে জল্পনা বাড়ে রাজ্য রাজনীতিতে। ডিসেম্বর মাসের শুরুতে শুভেন্দু অধিকারীর তরফে একেবারে তিনটি তারিখ ঘোষণায় শোরগোল পড়ে যায়। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, ‘‘ডিসেম্বরের ১২, ১৪, ২১… তিনটে দিন খুব গুরুত্বপূর্ণ। ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ।’’ আজ ডেডলাইনের তৃতীয় দিন। আজ ২১ ডিসেম্বর। শুভেন্দু অধিকারীর দেওয়া ডেডলাইনের তৃতীয় দিন।

    আরও পড়ুন: ‘ডাকাতকে বাঁচাতে সরকার যা করছে, তাতে বিপদ বাড়ছে’ অনুব্রত প্রসঙ্গে শুভেন্দু 

    যদিও, মঙ্গলবার দিল্লি থেকে ফিরে কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শুভেন্দু অধিকারী সাফ জানালেন, ‘‘আমি যে তিনটি দিনের কথা উল্লেখ করেছিলাম তাতে আমি একবারও বলিনি যে সরকার পড়ে যাবে। তবে অপেক্ষা করুন সব হবে। প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। ভুয়ো শিক্ষকদের চাকরি বাতিল প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে।  দুর্নীতির সঙ্গে যুক্তরাও কেউই  ছাড় পাবে না।’’ আজ কাঁথির সভা থেকে বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) কোন বার্তা দেন, সেখান থেকে তিনি কী খোলসা করেন, সেই দিকে তাকিয়ে রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Suvendu Adhikari: অভিষেকের সভার জবাবে একুশে কাঁথিতেই পাল্টা সভা শুভেন্দুর?

    Suvendu Adhikari: অভিষেকের সভার জবাবে একুশে কাঁথিতেই পাল্টা সভা শুভেন্দুর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত শনিবারই শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) দুর্গ কাঁথিতে সভা করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি শান্তিকুঞ্জের কাছেই প্রভাত কুমার কলেজের মাঠে হয়েছিল সেই সভা। এবার সেই একই মাঠে সভা করতে চলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ২১ ডিসেম্বর কাঁথিতে সভা করতে পারেন শুভেন্দু। জানা গিয়েছে, এখনও সভা করার অনুমতি মেলেনি প্রশাসনের তরফ থেকে, তাই এই বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেই রেখেছে গেরুয়া শিবির। 

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার থেকেও বেশি মানুষ টানতে মরিয়া রাজ্য বিজেপি। ধারণা করা হচ্ছে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) সভায় ২ লক্ষেরও বেশি মানুষের সমাবেশ হতে পারে। সভার অনুমতি পেলেই বিজেপির তরফ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।

    আরও পড়ুন: এসএসসি-তে ২১ হাজার পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ৯ হাজার ওএমআর শিটে বিকৃতি! আদালতে দাবি সিটের

    কেন এই সভা?  

    গত শনিবার দুই হাই ভোল্টেজ সভায় উত্তাল হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) গড় কাঁথিতে সভা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, উল্টোদিকে অভিষেকের লোকসভা ক্ষেত্র ডায়মন্ডহারবারে সভা করেন শুভেন্দু। দুই সভার সুই মঞ্চ থেকে নাম না করে একে অপরের দিকে নিশানা দাগেন দুই হেভি ওয়েট নেতা। 

    বিজেপি সূত্রে খবর, এবার কাঁথি থেকেই অভিষেকের অভিযোগ এবং কটাক্ষের পাল্টা জবাব দেবেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)৷ সম্ভবত আগামী ২১ ডিসেম্বর কাঁথিতে পাল্টা সভা করবেন শুভেন্দু অধিকারী৷ বিজেপির পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই প্রশাসনের কাছে সভা করার অনুমতি চাওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, কাঁথি কলেজ মাঠ অথবা কাঁথি রেল স্টেশন সংলগ্ন ময়দানে সভার পরিকল্পনা নিয়েছে গেরুয়া শিবির। 

    কাঁথির সভা থেকে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ করেছেন অভিষেক। সরাসরি করেছেন দুর্নীতির অভিযোগ৷ অভিষেক দাবি করেন, তমলুক এবং কাঁথিতে লোকসভা উপনির্বাচন হলে তৃণমূলই জিতবে৷ তবে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ‘বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচাগ্র মেদিনী’- এই পন্থা নিয়ে চলছে বিজেপি। বিশেষত অভিষেকের তোলা অভিযোগের জবাব না দিলে বার্তা যেতে পারে বলেই মত গেরুয়া শিবিরের৷ অভিষেক এবং শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) এই মৌখিক যুদ্ধ নতুন নয়৷ অতীতেও একজনের সভার পাল্টা সভা করেছেন অন্য নেতা৷ পরস্পরের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগও এনেছেন তাঁরা৷ এবার কাঁথির সভা থেকে শুভেন্দু অভিষেককে কী জবাব দেন, এখন তাই দেখার পালা।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Abhishek Banerjee: ‘শান্তিকুঞ্জে’র অদূরে অভিষেকের সভা, কড়া নিরাপত্তার বেষ্টনী

    Abhishek Banerjee: ‘শান্তিকুঞ্জে’র অদূরে অভিষেকের সভা, কড়া নিরাপত্তার বেষ্টনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনীতির রণাঙ্গনে হাইভোল্টেজ শনিবার! এদিন পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে সভা করবেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। এই কাঁথি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) খাসতালুক। আবার এদিনই অভিষেকের সাংসদ এলাকা ডায়মন্ড হারবারে জনসভা করবেন শুভেন্দু। এদিন কাঁথিতে অভিষেক যে সভা করবেন, সেই সভাস্থল থেকে শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি ‘শান্তিকুঞ্জ’ একশো মিটার দূরে।

    কলকাতা হাইকোর্ট…

    অভিষেকের সভা ঘিরে শান্তিকুঞ্জে যাতে অশান্তির আঁচ না লাগে সে ব্যাপারে কড়া নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার কে. অমরনাথ জানান, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই শনিবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা চলাকালীন কাঁথির শান্তিকুঞ্জে জোরদার নিরাপত্তা বজায় থাকবে। অভিষেকের সভা হবে কাঁথির প্রভাত কুমার কলেজ মাঠে। সভার নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে শুক্রবার ওই মাঠে আসেন পুলিশ সুপার। তিনি বলেন, হাইকোর্টের গাইডলাইন অনুযায়ী সুরক্ষার পাশাপাশি শান্তিকুঞ্জের শব্দবিধির বিষয়টিও নজরে রাখা হবে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে যুব নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে অভিষেক কী বার্তা দেন, তা জানতেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।

    আরও পড়ুন: অভিষেকের সভার আগে কাঁথিতে তৃণমূল নেতার বাড়িতে বিস্ফোরণ, হত ৩

    শান্তিকুঞ্জের অদূরে অভিষেকের (Abhishek Banerjee) সভা নিয়ে দিন দুই আগে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য ছিল, উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে শান্তিকুঞ্জ থেকে মাত্র ১০০ মিটার দূরে সভা করছে তৃণমূল। এই শান্তিকুঞ্জেই বাস করেন শুভেন্দুর অশীতিপর বাবা-মা। সভাস্থল থেকে মহিলারা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে শান্তিকুঞ্জে ঢুকে পড়তে পারেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এর পরেই আদালত নির্দেশ দেয়, শনিবার সভা চলাকালীন কেউ যেন শান্তিকুঞ্জে ঢুকে পড়তে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে পুলিশকে। শিশির অধিকারীর অনুমতি ছাড়া বাইরের কেউ যেন বাড়িতে ঢুকে না পড়ে, তাও দেখতে বলা হয়েছে পুলিশকে। শব্দবিধি মেনে যাতে সভা হয়, সেই দিকটিও নজরে রাখতে বলা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, সভামঞ্চে প্রবেশের ক্ষেত্রে থাকছে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তার বেষ্টনী। প্রথম স্তরে থাকবে রাজ্য পুলিশ। তার পর থাকবে ডিআইবি। শেষ স্তরে থাকবেন নিরাপত্তা রক্ষীরা। এছাড়াও থাকছেন সাদা পোশাকের পুলিশ কর্মীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share