Tag: Control of Anti-Social Activities Bill Pass

  • Control of Anti-Social Activities Bill: বিধানসভায় ধ্বনি ভোটে পাশ হয়ে গেল গুন্ডাদমন বিল, পক্ষে ১৭৬ বিধায়ক, বিপক্ষে ৪১

    Control of Anti-Social Activities Bill: বিধানসভায় ধ্বনি ভোটে পাশ হয়ে গেল গুন্ডাদমন বিল, পক্ষে ১৭৬ বিধায়ক, বিপক্ষে ৪১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধ্বনি ভোটে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় পাশ হয়ে গেল গুন্ডা দমন বিল (Control of Anti-Social Activities Bill)। এই বিলের পক্ষে ভোট দিলেন ১৭৬ জন বিধায়ক। অন্যদিকে, বিপক্ষে ভোট দিলেন ৪১ জন। আর ভোটদানে বিরত থাকলেন ২০ জন বিধায়ক। সম্পত্তি নষ্ট করলে গ্রেফতার, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে এই আইনে। কড়া ভাবে এই আইন প্রয়োগ করা হবে, জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Cm Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন,“এই আইনে একবছর কারাবাস করতে হবে। তবে কোনও ভদ্রলোকের বিরুদ্ধে এই আইন প্রয়োগ করা হবে না।”

    কাদের বিরুদ্ধে এই বিল

    উত্তরাখন্ড, গুজরাট এবং উত্তর প্রদেশের পর এবার পশ্চিমবঙ্গেও সমাজবিরোধী ও অপরাধমূলক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে চরম কঠোর পদক্ষেপের পথে হাঁটল রাজ্য সরকার। রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং শান্তি বজায় রাখার লক্ষ্যে সোমবারই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পেশ হল বহুল চর্চিত ‘অ্যান্টি-গ্যাংস্টার বিল’ বা গুন্ডাদমন বিল। ধ্বনি ভোটে বিলটি পাশও হয়ে যায়। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার ক্ষমতা দখলের পর থেকেই অপরাধ দমনে যে কঠোর আইনের ইঙ্গিত দিচ্ছিল, এই বিল তারই বাস্তব রূপায়ন। প্রস্তাবিত এই খসড়া আইনে সমাজের জন্য বিপজ্জনক ব্যক্তিদের সুনির্দিষ্টভাবে ‘গুণ্ডা’ বা ‘গ্যাংস্টার’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এই আইনের অধীনে এমন যেকোনো ব্যক্তিকে ‘গুণ্ডা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে, যিনি নিজে অথবা কোনো দল বা সিন্ডিকেটের নেতা বা সক্রিয় সদস্য হিসেবে নিয়মিত সমাজবিরোধী কাজ করেন বা তাতে অর্থায়ন করেন। এ ছাড়া ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS, ২০২৩)-এর ১১১ বা ১১২ ধারার অধীনে (সংগঠিত অপরাধ) অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অস্ত্র আইন, মাদক আইন, অনৈতিক পাচার প্রতিরোধ আইন বা বিস্ফোরক আইনের অধীনে অপরাধী বা অপরাধে উস্কানিদাতাদেরও এই আইনের আওতায় আনা হবে।

    ফৌজদারি আইনের সঙ্গে নতুন এই আইনের পার্থক্য

    গুন্ডা দমন বিল চালু করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে। আজ, সোমবার দীর্ঘক্ষণ ধরে এই বিল নিয়ে আলোচনা চলে। এবং সেই আলোচনার পর অবশেষে হয় ভোটভুটি। সেই ভোটাভুটিতে দেখা গেল, সংখ্যা গরিষ্ঠ বিধায়করা এই বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। এই বিলে বলে দেওয়া হয়েছে কারা গুন্ডা। চিহ্নিত করা হয়েছে কারা সমাজ বিরোধী। এ ছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি যদি কোনও ভাঙচুর হয়, অগ্নি সংযোগ হয় বা অন্য কোনও ভাবে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা হয়, তাহলে দোষীদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে, সেখান থেকে সেই ক্ষতি পূরণ করার প্রভিশনও রাখা হয়েছে। দাঙ্গা, বেআইনি সমাবেশ, হিংসাত্মক বিক্ষোভ, সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তি রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। ফৌজদারি আইনে প্রকৃত দোষীদের থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ে কোনও ব্যবস্থা ছিল না। আর সেই কারণেই এই আইনের প্রয়োজন।

LinkedIn
Share