Tag: Controversy

Controversy

  • Distorted Kashmir Map: বেলগাভির কংগ্রেস বৈঠকে ভারত-ভূখণ্ডের বিকৃত মানচিত্র, তীব্র প্রতিবাদ বিজেপির 

    Distorted Kashmir Map: বেলগাভির কংগ্রেস বৈঠকে ভারত-ভূখণ্ডের বিকৃত মানচিত্র, তীব্র প্রতিবাদ বিজেপির 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহ্যবাহী কংগ্রেসের সর্বভারতীয় অধিবেশনে চোখে পড়ল ভারতের বিকৃত মানচিত্র (Distorted Kashmir Map)। বৃহস্পতিবার কর্নাটকের বেলগাভিতে কংগ্রেসের বর্ধিত ওয়ার্কিং কমিটির দু’দিনের বৈঠক শুরুর ঠিক আগে এমনই অভিযোগ উঠেছে। বিজেপির দাবি, কংগ্রেসের অধিবেশন উপলক্ষে কর্নাটকের বেলগাভিতে ভারতের মানচিত্র আঁকা যে ব্যানার ঝোলানো হয়েছে, তাতে ‘পাক অধিকৃত কাশ্মীর’ এবং ‘আকসাই চিন’ অনুপস্থিত।

    কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    কর্নাটক বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছে, ‘‘কাশ্মীরকে ‘পাকিস্তানের অংশ’ এবং আকসাই চিনকে ‘চিনের অংশ’ দেখিয়ে কংগ্রেস ভারতের সার্বভৌমত্বের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রকাশ করেছে।’’ বিজেপির সর্বভারতীয় মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদীর দাবি, বিশেষ জনগোষ্ঠীর ভোটব্যাঙ্ককে তুষ্ট করতেই পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে ‘পাকিস্তানের অংশ’ দেখিয়েছে কংগ্রেস। প্রসঙ্গত, ১০০ বছর আগে, ১৯২৪ সালের ডিসেম্বরে মহাত্মা গান্ধীর সভাপতিত্বে বেলগাভিতে কংগ্রেসের অধিবেশন বসেছিল। সেটিই ছিল গান্ধীর সভাপতিত্বে কংগ্রেসের একমাত্র অধিবেশন। লোকসভা ভোটে হার এবং তার পরে মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার বিধানসভা ভোটে বিপর্যয়ের পর ঘুরে দাঁড়ানোর পথ খুঁজতে কংগ্রেস শাসিত কর্নাটকের বেলগাভিকে বেছে নিয়েছেন মল্লিকার্জুন খড়্গে, রাহুল গান্ধীরা। আর সেখানেই এমন বিতর্ক।

    বিজেপি এই ঘটনাকে “লজ্জাজনক” আখ্যা দিয়েছে। তাদের দাবি, কংগ্রেস মার্কিন বিনিয়োগকারী জর্জ সোরোসের সঙ্গে আঁতাত করে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে চায়। বিজেপি নেতারা এও বলেন যে, কংগ্রেসের এমন কাজ দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দেয় এবং এটি দেশের গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্বের প্রতি গভীর অসন্মান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Kartik Maharaj: কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেলেন কার্তিক মহারাজ! ভারত সেবাশ্রমের সন্ন্যাসীর নিরাপত্তায় ৪ জওয়ান

    Kartik Maharaj: কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেলেন কার্তিক মহারাজ! ভারত সেবাশ্রমের সন্ন্যাসীর নিরাপত্তায় ৪ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের মাঝেই আচমকা চর্চায় উঠে এসেছিল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) কার্তিক মহারাজ (Kartik Maharaj) ওরফে স্বামী প্রদীপ্তানন্দের নাম। তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটের আবহ মিটতেই এবার সেই কার্তিক মহারাজ কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেতে চলেছেন। সূত্রের খবর, এ বার থেকে তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর চার জওয়ান।  

    মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ

    লোকসভা ভোটের মধ্যে গত ১৮ মে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরামবাগের সভা থেকে সরাসরি কার্তিক মহারাজের (Kartik Maharaj) নাম উল্লেখ করে বলেছিলেন, “আমি ভারত সেবাশ্রম সংঘকে অনেক সম্মান করতাম, কিন্তু যে লোকটা তৃণমূলের এজেন্টকে বসতে দেন না তাঁকে আমি সাধু বলে মনে করি না।  তার কারণ, সে ‘ডাইরেক্ট পলিটিক্স’ করে দেশটার সর্বনাশ করছে।” মমতা এও বলেন, “সব সজ্জন সমান হয় না। সব সাধুও সমান নয়। আমাদের মধ্যেই কি সবাই সমান আছেন? আমি আইডেনটিফাই করেছি বলেই বলছি।”

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Kartik Maharaj) 

    এর পরেই বিষয়টি নিয়ে সরব হন মহারাজ। বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রীকে আইনি চিঠিও পাঠিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের কোনও সারবত্তা নেই। ওই বক্তব্যে তাঁর ‘মানহানি’ হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছিলেন কার্তিক মহারাজ। সম্মানহানির চেষ্টায় মুখ্যমন্ত্রী ‘অসত্য’ এবং ‘বিভ্রান্তিকর’ মন্তব্য করেছেন বলেও অভিযোগ করেছিলেন ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের ওই সন্ন্যাসী।
    এরপর মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিতর্কের আবহে কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়ে নিরাপত্তা চেয়েছিলেন কার্তিক মহারাজ (Kartik Maharaj)। তিনি দাবি করেছিলেন, ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের আশ্রমে হামলা হতে পারে। আশ্রম ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে বলে একটি হুমকি-চিঠিও তিনি পেয়েছেন বলে আদালতে জানিয়েছিলেন কার্তিক মহারাজ। তাই ভোট মিটতেই তাঁর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হল। 

    কার্তিক মহারাজের মন্তব্য (Kartik Maharaj) 

    এ প্রসঙ্গে, কার্তিক মহারাজ বলেন, ‘‘আমার আশ্রমে দুহাজারেরও বেশি ছাত্রছাত্রী রয়েছে। অভিভাবকেরা এই পরিবেশে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন। আমি তাঁদের কথা ভেবে নিরাপত্তার আবেদন করেছিলাম। আবেদন মঞ্জুর হওয়ায় অভিভাবকেরা খুব খুশি। আমিও খানিকটা আশ্বস্ত। তবে সন্ন্যাসী মানুষ হিসাবে আমার নিরাপত্তাহীনতা কিংবা বাড়তি নিরাপত্তার কোন লালসা নেই।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Humayun kabir: এবার সরাসরি বিজেপিকে হুঁশিয়ারি! শক্তিপুরে উস্কানিমূলক ভাষণের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে

    Humayun kabir: এবার সরাসরি বিজেপিকে হুঁশিয়ারি! শক্তিপুরে উস্কানিমূলক ভাষণের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এখন ভোটের আবহ। আর এরই মধ্যে নির্বাচনী জনসভা থেকে উস্কানিমূলক ভাষণ দেওয়ার অভিযোগ উঠল মুর্শিদাবাদের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে। কয়েকদিন আগেই মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) সফরে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বহরমপুরে নেমেই বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে কাছে ডেকে বহরমপুর লোকসভা নির্বাচনে ইউসুফ পাঠান যাতে জয়লাভ করে সে বিষয়ে হুমায়ুন কবিরকে (Humayun kabir) নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সেই কথা মেনেই বুধবার জনসভা করছিলেন হুমায়ুন কবির। 

    হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য (Humayun kabir)

    এদিন তিনি রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন,”কাদের কে বলেছে? কোন ধর্মস্থান ভাঙার কথা? যারা একথা বলে সম্প্রীতি নষ্ট করছে তাদের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন কেন কোন রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না? ভোট আগামী ৭ তারিখ, তারপর সবাইকে এই শহরে থাকতে হবে। সেখানে কি করে রাজনীতির নেতৃত্বরা এরকম ভাবে হুমকি দেয়? তাদের ক্ষেত্রে কেন কোন পদক্ষেপ হবে না? কতদিন আর উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ এই হুমকি শুনবে। ভোটের জন্য উস্কানি মূলক ভাষণ দেবেন নেতারা। আর তার ফল ভোগ করতে হবে সাধারণ মানুষকে। এ কতদিন ধরে চলবে? মানুষ কবে সজাগ হবে? প্রশ্ন উঠেছে আজ।” 
    একই সঙ্গে এদিন বিজেপি কে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন,”কত ধানে কত চাল হয়, দুঘণ্টার মধ্যে তোমাদের কেটে যদি ভাগীরথীর গঙ্গায় না ফেলতে পারি রাজনীতি থেকে সরে যাব। শক্তিপুর এলাকায় বসবাস করা বন্ধ করে দেব। এখানে তোমরা হাতির পাঁচ পা দেখেছো? কিন্তু যদি ভেবে থাকো ৩০% লোক মুর্শিদাবাদ জেলায় আর আমরা ৭০%। এখানে কামনগরে তোমরা বেঁচে আছ বলে কাজীপাড়ায় মসজিদ ভাঙবে আর বাকি এলাকার মুসলমান ভাইয়েরা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে এটা কোনদিন হবে না। বিজেপিকে আমি হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলছি কোনও দিন হবে না।”   
    অর্থাৎ যেখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার কথা মুখে বলছে সব দলই আর কাজে করছেন অন্য, সেরকমই একটি চিত্র এবার ধরা পরল হুমায়ুন কবিরের (Humayun kabir) সভায়। আর হুমায়ুন কবিরের মন্তব্যের জেরে ফের উত্তাপ ছড়াতে শুরু করেছে শক্তিপুরে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিকাণ্ডে হাইকোর্টে রিপোর্ট দিল সিবিআই, কী বলল তদন্তকারী সংস্থা?  

    রামনবমীর দিনও উত্তেজনা 

    প্রসঙ্গত শক্তিপুরে এর আগে রামনবমীর দিনও মিছিল ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। এর জেরে একাধিক পুলিশকর্মী, দুই নাবালক সহ মোট ১৮ জন জখম হয়েছিলেন। শক্তিপুর হাই স্কুল মোড়ের কাছে রামনবমীর শোভাযাত্রায় দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছিল। রামনবমীর মিছিলটি যখন একটি মসজিদের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল, তখনই নাকি হামলা চালানো হয়েছিল। সংঘর্ষের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যান মুর্শিদাবাদের ডিআইজি সৈয়দ ওয়াকার রাজা। এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। তারই সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীও মোতায়েন করা হয় শক্তিপুরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম পুলিশ আধিকারিকের! ভাইরাল ভিডিও

    Abhijit Ganguly: অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম পুলিশ আধিকারিকের! ভাইরাল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই লোকসভা ভোট, আর ভোটের আগেই আবার বিতর্কের দানা বাঁধল তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে। এই বিজেপি প্রার্থীকে (Abhijit Ganguly) পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে ভোটের মুখে শোরগোল ফেলে দিলেন তমলুকের এক পুলিশ আধিকারিক। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ভিডিও ভাইরাল হওয়া মাত্রই তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। সম্প্রতি প্রাক্তন সাংসদ শিশির অধিকারীকে প্রণাম করে পুর প্রধানের পদ খুইয়েছেন তৃণমূল নেতা সুবল মান্না। শাসক দল এবার এই পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেবেন না তো? এই বিতর্ক এখন তুঙ্গে।

    পুলিশ আধিকারিকের বক্তব্য (Abhijit Ganguly)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি তমলুকে প্রচারে যান এই লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেখানে মাতঙ্গিনী হাজরার মূর্তিতে মাল্যদান করে রাস্তায় ঘুরে আসন্ন লোকসভা ভোটের প্রচার সারেন তিনি। এরপর সেখান থেকে জেলখানা মোড়ের কাছেও প্রচারে যান। সেখানেই তমলুক (tamluk) পুলিশ টেলিকম থানার আধিকারিক অব্দদেশ কুমার সিং-এর বাড়ি। এই প্রণাম প্রসঙ্গে এই পুলিশ আধিকারিক বলেন, “ওই দিন আমার অফিস ছিল না। শৌচালয় ব্যবহার করতে বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় আমার বাড়িতে আসেন। এরপর তিনি আমার মাকে প্রণাম করেন। তারপর বাড়ির সকলেই অভিজিৎবাবুকে (Abhijit Ganguly) আমরা পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করি। তবে এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই।”

    বিজেপির বক্তব্য

    অন্যদিকে পাল্টা বিজেপি এই ঘটনাকে সনাতনী কৃষ্টি-সংস্কৃতি বলেই দাবি করেছে। তবে এই গোটা ঘটনায় বিজেপির (BJP) তমলুক সাংগঠনিক জেলা সভানেত্রী তথা বিধায়িকা তাপসী মণ্ডল বলেন, “ওই সময় ওই অফিসার অন ডিউটিতে ছিলেন না। তাই ব্যক্তিগত ভাবে গুরুজন অভিজিৎবাবুকে (Abhijit Ganguly) তিনি সম্মান দেখিয়ে প্রণাম করতেই পারেন। তাতে বিতর্ক কিংবা অন্যায় কিছু দেখছি না।”

    আরও পড়ুনঃ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম পুলিশ আধিকারিকের! ভাইরাল ভিডিও

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তবে গোটা ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়ে তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনে নালিশ জানিয়েছে। তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, “পুলিশ এখন নির্বাচন কমিশনের অধীনে। পুলিশ নির্বাচন কমিশনের অধীনে আসা মাত্রই বিজেপি প্রার্থীর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করছেন। এর থেকে বেশি বলার কী আছে!” তবে বিজেপি প্রার্থীকে (Abhijit Ganguly) প্রণাম করায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এলাকায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: মুকুটমণিপুর মেলার সূচনা মমতার আমলে! যুবনেত্রীর পর তৃণমূল মন্ত্রীর মন্তব্যে তোলপাড়

    Bankura: মুকুটমণিপুর মেলার সূচনা মমতার আমলে! যুবনেত্রীর পর তৃণমূল মন্ত্রীর মন্তব্যে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুবনেত্রীর পর এবার তৃণমূল সরকারের মন্ত্রীর মন্তব্যে ফের বিতর্কের সূত্রপাত। গতকাল বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ার (Bankura) মুকুটমণিপুর মেলার সূচনার অনুষ্ঠানে গিয়ে রাজ্যের আদিবাসী দফতরের মন্ত্রী বুলু চিক বরাইক বলেন, “এই সরকারের আমলেই এই মেলা শুরু হয়।” পাল্টা বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার বলেন, “মিথ্যে কথা বলাটা তৃণমূলের রন্ধ্রে রন্ধ্রে অবস্থান করছে।” তৃণমূল মন্ত্রীর বক্তব্যে রাজ্যে এবার মেলা নিয়েও শোরগোল পড়ে গেল।

    কবে থেকে মুকুটমণিপুর মেলা?

    বাঁকুড়া (Bankura) জেলার বিষ্ণুপুর মেলার মতো ঐতিহ্যবাহী হল মুকুটমণিপুর মেলা। এই মেলার শুরু হয়েছিল ১৯৯৮ সালে। প্রায় ২৫ বছর ধরে ঐতিহ্য মেনেই এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। কিন্তু রাজ্যের মন্ত্রী বলেন, ‘এই মেলার সূচনা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে।’ আর এই মন্তব্যের কারণেই ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়ে যায়।

    মন্ত্রী কী বলেছিলেন?

    রাজ্য সরকারের অর্থানুকূল্যে মুকুটমণিপুরে (Bankura) মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, “এই মেলা আগে হত না, মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেওয়ার পর থেকেই এই মেলা প্রতি বছর হয়ে চলেছে। তাই তৃণমূল কংগ্রেস জিন্দাবাদ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ।” যে মেলা গত ২৫ বছর ধরে চলছে, সেই মেলাকে মাত্র ১২ বছর ধরে চলা একটি সরকারের দ্বারা চালু করা হয়েছে, এই কথা কীভাবে বলা যেতে পারে? এই প্রশ্নে বিরোধীরা কড়া সমালোচনা করেছে রাজ্যের মন্ত্রী বুলু চিক বরাইককে।

    বিজেপির বক্তব্য

    রাজ্যের মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বাঁকুড়ার (Bankura) বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার। তিনি বলেন, “মিথ্যে বলাটা ওঁদের একটি বড় বদ অভ্যাস। ২৪ বছর আগে কি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ছিলেন? এই সব অবান্তর কথা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। শাসক দলের মন্ত্রী ভুলে গেছেন দল আর সরকার এক নয়। সরকারি কাজে দলের নেতানেত্রীর নামে শ্লোগান দেওয়া গণতন্ত্র এবং সংবিধান বিরোধী।”

    ‘কার্জন গেট’ নিয়ে যুবনেত্রীর বেফাঁস মন্তব্য

    যুব তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রী গতকাল বর্ধমানের এক সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেছিলেন, “ছিল কি গেট? এই আলো ধবধবে রাস্তা, সবটাই তৃণমূলের আমলে হয়েছে।” অথচ ইতিহাস বলছে ১৯০৩ সালে জিটি রোডের ধারে বিরাট তোরণ তৈরি করা হয়েছিল। ১৯০৪ সালে তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড কার্জনের নামে ‘কার্জন গেট’ নামকরণ হয়। এরপরে ১৯৪৭ সালের পর দেশ স্বাধীন হলে নাম বদল করে রাখা হয় ‘বিজয় তোরণ’। বিরোধীদের বক্তব্য, ‘তৃণমূলের মধ্যে ইতিহাসবোধ কম”। ফলে মুকুটমণিপুর মেলা (Bankura) নিয়ে মন্ত্রীর মন্তব্যে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panauti Controversy: গেরুয়া ঝড়ের মুখে রাহুলকে ‘পনৌতি’-বাণ ফেরাল বিজেপি, কী বললেন পদ্ম-নেতা?

    Panauti Controversy: গেরুয়া ঝড়ের মুখে রাহুলকে ‘পনৌতি’-বাণ ফেরাল বিজেপি, কী বললেন পদ্ম-নেতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাহুলকে ‘পনৌতি’-বাণ ফেরাল বিজেপি! রবিবার চলছে চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা। ফলের ট্রেন্ড বলছে তিন রাজ্যে জিততে চলেছে বিজেপি। প্রত্যাশিতভাবেই কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীকে নিশানা করল বিজেপি (Panauti Controversy)। পদ্ম শিবিরের নেতা সিটি রবির বাক্যবাণে বিদ্ধ কংগ্রেসের ‘যুবরাজ’।

    এগিয়ে বিজেপি

    নভেম্বরে হয়েছে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। রবিবার গণনা হচ্ছে মিজোরাম বাদে বাকি চারটি রাজ্যের ভোট। এরই তিনটিতে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। জানা গিয়েছে, মধ্যপ্রদেশে ১৫৫টি আসনে জয় পেতে চলেছে গেরুয়া শিবির, কংগ্রেস পেতে চলেছে ৭২টি আসন। রাজস্থানেও কংগ্রেসের চেয়ে ঢের বেশি এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। ছত্তিশগড়েও বিজেপি এগিয়ে ৪৭টি আসনে। কংগ্রেসের চেয়ে চারটি বেশি আসনে। লোকসভা নির্বাচনের আগে চারটি রাজ্যের মধ্যে তিনটিতে কংগ্রেস ধরাশায়ী হতে চলেছে জেনে রাহুলকে তাক করেছেন রবি। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “কে সব চেয়ে বড় পনৌতি?” পোস্টে রবি রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেসকে ট্যাগও করেছেন।

    রাহুলের ‘কু-বাক্য’

    প্রসঙ্গত, টানা (Panauti Controversy) ১০টি ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপের ফাইনালে গিয়ে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে যায় টিম ইন্ডিয়া। বিশ্বকাপ হাতছাড়া হওয়ায় ভেঙে পড়েন ভারতীয় ক্রিকেটাররা। তাঁদের সান্ত্বনা দিতে ড্রেসিংরুমে পর্যন্ত গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই ছবি ভাইরাল হতেই সৌজন্যের সীমা ছাড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে ‘পনৌতি’ শব্দটি প্রয়োগ করেন রাহুল। ‘পনৌতি’ শব্দটির অর্থ অপয়া। রাহুলের বক্তব্যের নির্যাস, সেদিন প্রধানমন্ত্রী মাঠে ছিলেন বলেই হেরেছে টিম ইন্ডিয়া।

    আরও পড়ুুন: ৩ রাজ্যে বিজেপির কাছে ভরাডুবি কংগ্রেসের, উচ্ছ্বাসে মেতেছে গেরুয়া শিবির

    রাহুলের এহেন মন্তব্যের জেরে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপি। কমিশনের তরফে রাহুলকে শোকজের নোটিশও ধরানো হয়েছে। তবে সেদিন বিজেপি পাল্টা কংগ্রেসের উদ্দেশে কোনও কু-বাক্য প্রয়োগ করেনি। আজ, রবিবার সুযোগ আসতেই মোক্ষম বাক্য-বাণ প্রয়োগ করলেন বিজেপি নেতা। তাঁর প্রশ্ন, “কে সব চেয়ে বড় পনৌতি?”

    আগামী বছর লোকসভা নির্বাচন। তার আগে রাজস্থান সহ এই পাঁচ রাজ্যের ফলের দিকে তাকিয়ে ছিলেন রাজনীতির কারবারিরা। যদিও পাঁচ রাজ্যের ফল দেখে লোকসভা নির্বাচনের ফল কী হবে তা বলা যায় না, তবে একটা আঁচ পাওয়া যায় বই কি! রাজনৈতিক মহলের মতে, লোকসভা নির্বাচনের আগে এই সেমিফাইনাল ম্যাচই জানান দিয়ে দিল, “আপ কী বার, মোদি সরকার”!    

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: “টাকা না দিলে জয় শ্রী রাম বলতে দেবো না” নিদান বিতর্কে তৃণমূল নেতা

    Purba Bardhaman: “টাকা না দিলে জয় শ্রী রাম বলতে দেবো না” নিদান বিতর্কে তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একশ দিনের টাকা না দিলে জয় শ্রী রাম বলতে দেবো না”। কার্যত এমন নিদান দিয়ে বিতর্কে জড়ালেন পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) এক তৃণমূলের এক নেতা। সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার কালনার সিঙ্গেরকোন (Purba Bardhaman) এলাকায় দলের এক কৃষক সভায় এই মন্তব্য করেন। আগামী জানুয়ারিতে অযোধ্যায় রাম মন্দিরে প্রভু রাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। সনাতনী হিন্দু সংস্কৃতির শ্রীরাম জন্ম ভূমির আন্দোলের বড় শ্লোগান ছিল ‘জয় শ্রী রাম’। শ্রী রাম ভারতের অখণ্ডতার প্রতীক। এমন সময়ে তৃণমূল নেতার এই মন্তব্য অত্যন্ত নিম্নরুচির বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ। প্রতিবাদ জানিয়ে এই নিদানকে ধর্মীয় আক্রমণ বলে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। ফলে রাম নাম বন্ধ করার ঘোষণায় রাজনীতিতে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

    ঠিক কী বলেন তৃণমূল নেতা (Purba Bardhaman)?

    পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) তৃণমূল নেতা দেবু টুডু কালনায় (Purba Bardhaman) বলেন, “১০০ দিনের টাকা না দিলে জয় শ্রী রাম বলতে দেবো না। বিজেপির কর্মীরা আমাদের পাড়ায় জয় শ্রী রাম বলছেন। এই শ্লোগান দিতে হলে মানুষের কাজের টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে গোটা বাংলার কোথাও উচ্চারণ করতে দেবো না। এটা আমার ভিক্ষা নয়, অধিকার।”

    বিজেপির বক্তব্য

    তৃণমূল নেতার এই উস্কানি মূলক মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) জেলা বিজেপি সভাপতি সুভাষ পাল বলেন, “এটা হচ্ছে একটা গরু চোর। সেইসঙ্গে ছাগলদেরও নেতা। ধর্মীয় বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্য করেছেন তৃণমূল নেতা। রাজ্যের মা মাটির সরকার কেন্দ্রকে হিসাব দেয় না। টাকা চুরি আটকাতে কেন্দ্র সদর্থক ভূমিকা গ্রহণ করেছে। এই রাজ্যের রেশন, আবাস, মিড ডে মিল ইত্যাদিতে দুর্নীতির কথা ধরা পড়েছে। রাজ্যে দেড় কোটি রেশন কার্ড বাতিল হয়েছে। জ্যোতিপ্রিয় কেন জেলে রয়েছেন? এসব প্রশ্নের উত্তর কী দেবু জানেন? দেবু একটা পাগল, পাগলে কিনা বলে আর ছাগলে কি না খায়।”

    ১০০ দিনের টাকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ

    ১০০ দিনের কাজের টাকা নিয়ে রাজ্যের শাসক তৃণমূল বনাম বিজেপির মধ্যে ব্যাপক তর্জা চলছে। সম্প্রতি কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে দিল্লিতে ধরনা করতে দেখা যায় তৃণমূলের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। পাশাপাশি তৃণমূল শাসকের কাছে, রাজ্য বিজেপির পক্ষ থেকে কেন্দ্রের পাঠানো অনুদানের খরচের হিসাব চাওয়া হয়। কেন্দ্রীয় গ্রাম উন্নয়ন মন্ত্রকের কাছে এই নিয়ে অভিযোগও করা হয়। সেই সঙ্গে ১০০ দিনের কাজে ব্যাপক দুর্নীতির কথা বলে সিবিআই তদন্তের দাবি করেছে বিজেপি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: একই আসনে তৃণমূলের হয়ে মনোনয়ন স্বামী-স্ত্রীর! গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কি এবার বাড়িতেও?

    Malda: একই আসনে তৃণমূলের হয়ে মনোনয়ন স্বামী-স্ত্রীর! গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কি এবার বাড়িতেও?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদায় (Malda) একই আসনে স্বামী ও স্ত্রী একসঙ্গে মনোনয়নপত্র জমা করলেন। দুজনই আবার নিজেদের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসাবে দাবি করলেন। মালদার কালিয়াচক ৩ নং ব্লকের জেলা পরিষদের ৪৩ নং আসনে এই দম্পতি মনোনয়নপত্র জমা  করেছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে জেলা তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব।

    কেন একই আসনে মনোনয়ন?

    দলীয়ভাবে মালদা (Malda) জেলা পরিষদের ৪৩ নং আসনটির জন্য বৈষ্ণবনগর বিধানসভার বিধায়ক চন্দনা সরকারের স্বামী পরিতোষ সরকারের নাম স্থির করা হয়েছে। কিন্তু চন্দনা সরকার বৈষ্ণবনগর বিধানসভার বিধায়ক এবং মালদা জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতিও। তাই দল কালিয়াচক আসনটির জন্য বিধায়িকার স্বামী পরিতোষ সরকারের নাম স্থির করে। এরপরই দম্পতির মধ্যে মনোনয়ন নিয়ে বিবাদ শুরু হয়। ৪৩ নং আসনটিতে প্রার্থী হতে দাবি জানাতে থাকেন বিধায়ক চন্দনা সরকার। ইতিমধ্যেই জেলা নেতৃত্ব বিষয়টি রাজ্য নেতৃত্বকে জানিয়েছেন। দলের তরফ থেকে রাজ্য নেতৃত্ব চন্দনা সরকারের দাবিকে নাকচ করে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, চন্দনা সরকারের স্বামী তাঁদের গৃহযুদ্ধকে বন্ধ করতে নিজের প্রার্থীপদ থেকে নাম প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করেন দলের কাছে। আর তাই রাজ্য থেকে জেলা নেতৃত্ব সকলকেই পারিবারিক সমস্যার কথা জানিয়েছেন তিনি, এমনটাই জানা গেছে। কিন্তু দলীয়ভাবে সেই আবেদনও নাকচ করে দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত দল প্রার্থী হিসাবে পরিতোষ সরকারকেই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। এরপর পরিতোষ সরকার এবং তাঁর পত্নী একসাথে এসে একই আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এই মনোনয়নকে ঘিরেই শুরু হয়েছে জেলায় উত্তেজনা।

    মনোনয়নের পর স্বামী-স্ত্রীর বক্তব্য

    স্বামী বলেলেন, আমার স্ত্রী গত তিনবার ধরে নির্বাচনে জয়ী হয়ে আছেন এবং তিনি জেলার সহকারী সভাধিপতি। তাই দল তাঁকে টিকিট দিলেই ভালো হতো। অপর দিকে বিধায়িকা স্ত্রী বলেন, দলের সিদ্ধান্তই আমাদের কাছে শেষ সিদ্ধান্ত। আমার স্বামী অনেক দিন ধরেই হার্টের অসুখে অসুস্থ। আমাদের মধ্যে পারিবারিক কোনও বিবাদ নেই। তাই দুজনে এক সঙ্গেই মনোনয়নপত্র জমা করলাম বলে জানান বৈষ্ণবনগরের (Malda) বিধায়িকা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: পোশাকের রঙ নীল-সাদা করায় বিতর্কের মুখে জলপাইগুড়ি জেলা স্কুল

    Jalpaiguri: পোশাকের রঙ নীল-সাদা করায় বিতর্কের মুখে জলপাইগুড়ি জেলা স্কুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পোশাক বিতর্কে ফের শোরগোল পড়েছে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা স্কুলে। এই স্কুল শতাব্দীর পুরতান ইতিহাস বহন করে চলেছে। আগে স্কুলের পোশাকের রঙ ছিল সাদা জামা এবং কালো প্যান্ট। এবার থেকে নতুন স্কুল পোশাকের রঙ হবে সাদা জামা এবং নীল প্যান্ট। স্কুলের এই পোশাক বদলে রীতিমতো বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে এই জেলা স্কুল।

    ১৮৭৬ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের নির্দেশে মাসিক ২০০ টাকা করে সরকারি বরাদ্দ দিয়ে স্কুল নির্মাণ করা হয়েছিল। নানা সময়ে স্কুলের ভবন নির্মাণের বদল হলেও বদলায়নি পোশাকের রঙ। ফলে স্কুলের অভিভাবক, প্রাক্তনীরা তীব্র আপত্তি তুলেছেন পোশাকের রঙ বদলের সিদ্ধান্তে। আবার প্রাক্তনীদের কেউ কেউ বলছেন, “বর্তমান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পছন্দের রঙ নীল-সাদাকে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে স্কুলের উপর। তাই অনেক ছাত্রের অভিভাবকেরা এই নীল-সাদা রঙের পোশাক ফিরিয়ে দিয়েছেন।”

    স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য (Jalpaiguri)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা স্কুল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রাতঃবিভাগে পড়ুয়াদের নীল-সাদা পোশাক দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে সাদা জামা এবং নীল প্যান্ট পরে আসতে হবে। প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত এই পোশাক দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য মাত্র আর দুই বছর পরেই এই স্কুলের সার্ধশতবর্ষ উদযাপন করা হবে। ফলে সবকিছু নতুন করে সেজে উঠছে স্কুলের পরিকাঠামো। ঠিক এই মুহূর্তে স্কুলের পোশাক বদলের সিদ্ধান্তকে অনেকেই ভালো ভাবে নিচ্ছেন না।

    স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য

    স্কুলের (Jalpaiguri) প্রধান শিক্ষক ধর্মচাঁদ বাড়ুই বলেন, “সরকারি নিয়ম মেনে পড়ুয়াদের পোশাকের রঙ ঠিক করা হয়েছে। স্কুলের সব রকম পরিকল্পনার জন্য সরকার ঢেলে সাজানোর ব্যবস্থা করেছে। তাই সরকারী স্কুলে সরকারের নির্দেশকে মান্যতা দিতে হবে। তবে কেউ কেউ আপত্তি করছেন। এটা ঠিক নয়।”

    নীল-সাদা রঙ নিয়ে আপত্তি একাকধিক স্কুলে

    জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা স্কুলের পোশাকের নীল-সাদা রঙ নিয়ে যেমন আপত্তি উঠেছে, ঠিক তেমনি রাজ্যের একাকধিক ঐতিহ্যবাহী স্কুলগুলিতে নীল-সাদা রঙে আপত্তি জানিয়ে আগেও আন্দোলন হয়েছিল। যেমন- কোচবিহারের সুনীতি অ্যাকাডেমি স্কুলের পোশাকের রঙ বদল করে নীল-সাদা করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলন হয়। আবার শিলিগুড়ি গার্লস স্কুল ভবনের আগের রঙ লাল-হলুদকে বদল করে নীল-সাদা করতে চাইলে ব্যাপক প্রতিবাদ ওঠে স্কুলে। এমনকি প্রতিবাদের কারণে রঙ বদলের সিদ্ধান্তও স্থগিত রাখতে বাধ্য হয় স্কুল কর্তৃপক্ষ।

        

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kharagpur:  নবজোয়ায়ের আগে তৃণমূলের আদি-নব্য দ্বন্দ্ব

    Kharagpur: নবজোয়ায়ের আগে তৃণমূলের আদি-নব্য দ্বন্দ্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেকের নবজোয়ারের কর্মসূচি ঠিক আগেই খড়গপুর শহরে আদি-নব্য তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এলো। এবার ঘটনা দেখা গেল খড়গপুর (Kharagpur) পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডে। সদ্য নির্দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া কাউন্সিলার ও তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ আনলেন খড়গপুর পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের আদি তৃণমূল নেতা জাবেদ আলী খান। এলাকায় এই নিয়ে বেশ উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

    খড়গপুর (Kharagpur) কী অভিযোগ?

    পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের প্রেসিডেন্ট জাবেদ আলী খান অভিযোগ করেছেন, খড়গপুর (Kharagpur) পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার কিছুদিন আগেই নির্দল থেকে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। পৌর নির্বাচনে জাবেদ আলী তৃণমূলের দলীয় সিম্বল এবং তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে খড়গপুর পৌরসভা নির্বাচনে প্রচারের কাজ করেছিলেন। আর এরপর থেকে তাঁদের উপর বিভিন্ন ধরনের অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছেন পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার ও তাঁর ভাই। তিনি আরো অভিযোগ করেছেন, দলীয় কোনও অনুষ্ঠানে তাঁকে ডাকা হয় না। শুধু তাই নয়, তিনি এই নিয়ে জেলা সভাপতি, শহর সভাপতি সকলকে অভিযোগ জানিয়েছেন। তিনি আরও বিশেষ অভিযোগ জানিয়ে বলেন, আমার এক জায়গার উপরে পাঁচিল দিতে গেলে, কাউন্সিলার জোর করে সেই পাঁচিল ভেঙ্গে দেয়। সেই সঙ্গে পাঁচিল দেওয়ার সময় কর্মরত মিস্ত্রীর উপরে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে নব্য তৃণমূল কাউন্সিলার তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে। আর এই নিয়ে আদি তৃণমূল নেতা জাবেদ আলী খান লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন খড়্গপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রানা মুখার্জিকে।

    কাউন্সিলারের বক্তব্য (Kharagpur)

    খড়গপুর (Kharagpur) পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার ফিদা হোসেন তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি জানিয়েছেন, ১৬ ফুটের রাস্তাকে ১৪ ফুট করে দিয়েছেন জাবেদ আলী খান। সাধারণ মাপ থেকে দু ফুট এগিয়ে নিয়ে আসার প্রতিবাদ করাতে আমার বিরুদ্ধে উল্টোপাল্টা কথা বলা বলছেন তাঁরা। যাঁরা এই অভিযোগ আনছেন, তাঁরা আগে সিপিএম করতেন, এখন আবার তাঁরাই তৃণমূল করছেন বলে জানিয়েছেন ফিদা হোসেন। 

    কাজ করতে যাওয়া মিস্ত্রীর অভিযোগ (Kharagpur)

    ৫ নম্বর ওয়ার্ডের (Kharagpur) কাউন্সিলর ও তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে স্থানীয় এক মিস্ত্রী অভিযোগ করে বলেছেন, আমি মিস্ত্রী হিসেবে রাস্তার কাজ করতে গিয়েছিলাম, কিন্তু আমাকে কাজ বন্ধ করতে বলা হয় এবং এরপর পিছন থেকে কাউন্সিলার আমাকে ধরলে, তাঁর ভাই আচমকা আমাকে আমার কানের ভিতরে ঘুষি মারে। এরপর পুলিশ আমাকে তুলে নিয়ে গিয়ে আমার বিরুদ্ধে মামলা করে দেয়।  মিস্ত্রী আরও বলেন, এই বিষয়ে আমি অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে, কাউন্সিলার এবং তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি। পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় আদি তৃণমূল কংগ্রেসের আরও কয়েকজন অভিযোগ করেছেন, পুলিশের প্রভাব খাটিয়ে স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর ফিদা হোসেন, আদি তৃণমূল কর্মীদের উপরে মিথ্যে মামলা করার বারবার হুমকি দেন। অভিষেকের কর্মসূচির আগে ফের খড়গপুর শহরে আদি-নব্য তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে বলে মনে করছেন জেলার রাজনীতির একাংশ।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share