Tag: Controversy

Controversy

  • The Kerala Story Teaser: কেরলে ৩২ হাজার মহিলার ধর্মান্তকরণ ও আইসিসে যোগদানের কথা বলবে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’

    The Kerala Story Teaser: কেরলে ৩২ হাজার মহিলার ধর্মান্তকরণ ও আইসিসে যোগদানের কথা বলবে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩ নভেম্বর মুক্তি পেয়েছে, ‘দ্য কেরালা স্টোরি’- এর টিজার (The Kerala Story Teaser)। টিজার প্রকাশ্যে আসতেই উত্তাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া। টিজারে তুলে ধরা হয়েছে কেরলে ৩২,০০০ মহিলার ধর্মান্তকরণের গল্প। আর এই  নিয়েই দুভাগে বিভক্ত হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া। টিজারে দাবি করা হয়েছে, এই ৩২,০০০ মহিলা কুখ্যাত উগ্রপন্থী দল আইএসআইএস- এ যোগ দিয়ে নিজেদের জীবন উগ্রপন্থী হিসেবে অতিবাহিত করেছেন।

    আরও পড়ুন: ‘‘সব বলে এসেছি…’’, ইডি-র সামনে কোন কোন সত্যের খোলসা করলেন কেষ্ট-কন্যা?

    বিপুল অম্রুতলাল শাহের তত্ত্বাবধানে এই ছবিটি পরিচালনা করেছেন সুদীপ্ত সেন। ছবিটির প্রোডাকশন হাউসের ইউটিউব পেজে প্রথম ছবিটির টিজারটি শেয়ার করা হয়েছে। কেরলের মহিলাদের গল্প তুলে ধরা হয়েছে এই ছবিতে। দাবি করা হয়েছে, রীতিমতো অপহরণ করে আইএসআইএস এবং অন্যান্য ইসলামিক অঞ্চলে পাচার করা হয় এবং কঠোর প্রশিক্ষণ দিয়ে উগ্রপন্থী বানানো হয় তাঁদের। ছবিটির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “কেরলের এই সকল উগ্রপন্থী নারীদের বেদনার পেছনের সত্যতা তুলে ধরা হবে।” 

     

     

    কাহিনীতে দেখানো হয়েছে যে, কী ভাবে কেরলের থেকে মহিলাদের পাচার করা হয়েছিল। এই ছবিটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন, জনপ্রিয় অভিনেত্রী আদা শর্মা (Adah Sharma)। যে চরিত্রে অভিনয় করেছেন, তিনি একজন নার্স হতে চেয়েছিলেন কিন্তু তাঁকে বাড়ি থেকে অপহরণ করে আইএসআইএস সন্ত্রাসী হিসেবে আফগানিস্তানে জেলে পাঠানো হয়। সেই গল্পই বলবে এই ছবি।

    এই টিজার নিয়েই বিভক্ত হয়েছে ট্যুইটার। কেউ প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন, কেউ আবার সমালোচনায় সরব হয়েছেন।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

     

  • Smoking Kali Controversy: ‘স্মোকিং কালী’ পোস্টার বিতর্ক, চলচ্চিত্র নির্মাতার বিরুদ্ধে এফআইআর দিল্লি, ইউপি পুলিশের

    Smoking Kali Controversy: ‘স্মোকিং কালী’ পোস্টার বিতর্ক, চলচ্চিত্র নির্মাতার বিরুদ্ধে এফআইআর দিল্লি, ইউপি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লীনা মণিমেকালাই (Leena Manimekalai)- এর ডক্যুন্টারি ফিল্ম ‘কালী’র পোস্টার নিয়ে ইতমধ্যেই তুমুল বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ২ জুলাই ছবিটির পোস্টার মুক্তি পেয়েছে। ছবির পোস্টারে দেবী কালীকে ধূমপান (Smoking Kali) করতে দেখা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, তাঁর এক হাতে ত্রিশূল এবং অন্য হাতে এলজিবিটি সম্প্রদায়ের রঙিন পতাকা। এ দুটি বিষয় নিয়েই বিতর্ক দানা বেঁধেছে। পোস্টারটি মুক্তি পেতেই  সোশ্যাল মিডিয়ায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। লীনা মণিমেকালাইয়ের গ্রেফতারির দাবিও করেছেন অনেকে। 

    আরও পড়ুন: মোদির উপহারে দেশীয় শিল্পের ছোঁয়া! অভিভূত রাষ্ট্রনেতারা

    [tw]


     [/tw]

    #arrestleenamanimekalai ট্রেন্ড করছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। নির্মাতারা পোস্টারে দেবী কালীকে অপমান করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। লীনা মণিমেকলাইয়ের বিরুদ্ধে হিন্দুদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: দুই বন্ধুর চায়ে পে চর্চা! জি-৭ বৈঠকে আলাপচারিতায় মোদি-মাক্রঁ  

    লীনা মণিমেকালাই তাঁর তথ্যচিত্রের পোস্টারটি শেয়ার করে বলেছিলেন যে ছবিটি কানাডা চলচ্চিত্র উৎসবে (কানাডা রিদমস) মুক্তি পেয়েছে। এবার এই বিতর্কিত পোস্টারের বিষয়ে বিবৃতি জারি করল কানাডায় অবস্থিত ভারতীয় হাই কমিশন। কানাডা প্রশাসনকে বিষয়টির বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধও জানানো হয়। 

    [tw]


    [/tw]

    বিবৃতিতে জানানো হয়, কানাডার হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের কাছ থেকে অভিযোগ এসেছে। হিন্দু সম্প্রদায়গুলিকে জানানো হয়েছে যে, হাই কমিশনের তরফ থেকে কানাডা প্রশাসনকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়াও কানাডা চলচ্চিত্র উৎসব কমিটিকেও ছবিটি তুলে নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

    ছবির নির্দেশক লীনা মণিমেকালাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে ইউপি পুলিশ। ইচ্ছাকৃত ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত দেওয়ায় আইপিসির 120-B, 153-B, 295, 295-A, 298, 504, 505(1)(b), 505(2), 66 এবং 67 ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

    রাজনীতিবিদরাও বিষয়টিতে সরব হয়েছেন। বিষয়টির তীব্র সমালোচনা করেছেন বিজেপি নেতা বিনীত গোয়েঙ্কা (Vinit Goenka)। ট্যুইটে ট্যুইটার কর্তৃপক্ষকে ট্যাগ করে লেখেন, “যারা মা কালীকে শক্তির প্রতীক হিসেবে আরাধনা করেন তাঁদের জন্যে এই ট্যুইটটি অপমানজনক। এইভাবে মা কালীকে প্রদর্শন করা শুধু হিন্দু নয় সব ভারতীয়দের অপমান। ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করে এই ট্যুইট। আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি এখনও কেন এই ট্যুইট তুলে নেওয়া হয়নি!” 

    [tw]


    [/tw]

    স্রোতের বিপরীতে গা ভাসিয়ে ছবি নির্মাতাকে সমর্থন করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। এক সংবাদমাধ্যমের অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “আমার কাছে মা কালী মাংসভোজী, মদ পান করা একজন দেবী।”

    [tw]


    [/tw]

     এই ‘স্মোকিং কালী’ বিতর্ক নিয়ে ট্যুইট যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে নেট পাড়াও। এক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী পোস্টারে অমিত শাহ এবং পিএমও-কে ট্যাগ করে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। 

    [tw]


    [/tw]

    অন্য একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন – “লজ্জা, আপনি মা কালীর যে প্রকৃতি দেখিয়েছেন তা আপনার, মা কালীর নয় এবং মা কালী নিজেই এর জন্য আপনাকে শাস্তি দেবেন। এই অপকর্মের জন্য আপনি ক্ষমার অযোগ্য।”

    [tw]


    [/tw]

     

  • SSKM Hospital: ‘উত্তোলন’ না ‘উন্মোচন’, প্রবল বিতর্কে নয়া নির্দেশিকা এসএসকেএমের 

    SSKM Hospital: ‘উত্তোলন’ না ‘উন্মোচন’, প্রবল বিতর্কে নয়া নির্দেশিকা এসএসকেএমের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল বিতর্কের জেরে ফের নয়া নির্দেশিকা জারি এসএসকেএম হাসপাতাল (SSKM Hospital) কর্তৃপক্ষের। স্বাধীনতা দিবসে (Independence Day) পতাকা উন্মোচনের (Flag Unfurled) কথা বলা হয়েছিল পুরানো নির্দেশিকায়। তা নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। কারণ প্রথা মেনে স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলন (Flag Hoist) করতে হয়। বিতর্কের জেরে জারি হয় নয়া নির্দেশিকা। সেখানেই বলা হয়েছে পতাকা উত্তোলনের কথা।  

    রীতি অনুযায়ী, যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এদিন একটি দণ্ডের নীচে জাতীয় পতাকা বাঁধা থাকে। পরে তা দণ্ডের শীর্ষে উত্তোলন করা হয়। যা আসলে স্বাধীনতা অর্জনের দ্যোতক হিসাবে ধরা হয়। অন্যদিকে, প্রজাতন্ত্র দিবসে জাতীয় পতাকা উন্মোচিত করা হয়। সেদিন দণ্ডের শীর্ষেই গোটানো থাকে জাতীয় পতাকা। সেটি উন্মোচন করা হয় মাত্র। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার সময় দেশে রাষ্ট্রপতি ছিলেন না। ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তাই ১৫ অগাস্ট পতাকা উত্তোলন করেন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি নন। ১৯৫০-এ ২৬ জানুয়ারি শপথ নেন দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি। তাই সেদিন পতাকা উন্মোচন করেন তিনি।

    রাজ্যের সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল এসএসকেএম। স্বাধীনতার পঁচাত্তর বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে আজাদি কা অমৃত মহোৎসব। পালিত হচ্ছে হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচিও। ফি বারের মতো এবারও দেশের সর্বত্র মর্যাদার সঙ্গে পালিত হবে স্বাধীনতা দিবস। সেই উপলক্ষে এসএসকেএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অধ্যাপক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের গ্রুপে যে নির্দেশিকা পাঠিয়েছিলেন সেখানে ১৫ অগাস্ট সকাল সাড়ে ৯টায় তাঁদের সমবেত হতে বলা হয়েছে। ওই নির্দেশিকায় পতাকা উত্তোলনের(flag hoisting) কথা বলা হয়নি। বরং পতাকা উন্মোচিত(flag unfurled) হবে বলে জানানো হয়েছিল। এর পরেই শুরু হয় বিতর্ক। শেষমেশ একপ্রকার বাধ্য হয়েই নয়া নির্দেশিকা জারি করেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেখানে পতাকা উত্তোলনের কথা বলা হয়। তার পরেই ইতি পড়ে বিতর্কে। একটি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কীভাবে এই ‘ভুল’ করলেন, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।  

     

  • The Kashmir Files: “প্রশংসা না করে ওঁর উপায় ছিল না”, অক্ষয় কুমার প্রসঙ্গে কেন একথা বললেন বিবেক অগ্নিহোত্রী?

    The Kashmir Files: “প্রশংসা না করে ওঁর উপায় ছিল না”, অক্ষয় কুমার প্রসঙ্গে কেন একথা বললেন বিবেক অগ্নিহোত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্চ মাসে মুক্তি পেয়েছে বিবেক অগ্নিহোত্রীর ছবি ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ (The Kashmir Files)। কাশ্মীরের গণহত্যা এবং কাশ্মীরি পণ্ডিতদের (Kashmiri Pandits) ভিটে-মাটি হারানোর গল্প নিয়ে তৈরি এই ছবি সাড়া ফেলেছিল গোটা দেশে। ছবির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছিলেন বলিউড (Bollywood) থেকে শুরু করে গোটা দেশ। প্রায় একই সময়ে মুক্তি পায় অক্ষয় কুমারের (Akshay Kumar) ‘বচ্চন পাণ্ডে’ (Bachchan Pandey)। কিন্তু বক্স অফিসে মুখ থুবরে পড়ে ‘খিলাড়ি’ কুমারের ছবি। কাশ্মীর ফাইলসের ঝড়ে উড়ে যায় অক্ষয়ের স্টারডম। এত কিছুর পরেও বিবেক অগ্নিহোত্রীর সিনেমার ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন অক্ষয়। 

    এই ঘটনার পর কেটে গেছে প্রায় দুমাস। হঠাতই অক্ষয়ের প্রশংসা প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী (Vivek Agnihotri)। তিনি বলেন, ‘১০০ জন মানুষকে জিজ্ঞাসা করেছেন, আমার ছবি কেন চলছে, ওঁর ছবি কেন চলছে না বা আমার ছবি কেমন লেগেছে? সেই সময়ে প্রশংসা না করে ওঁর উপায় ছিল না। তাই নিরুপায় হয়ে অক্ষয় আমার ছবিকে ভালো বলেছেন। ভোপালের যে অনুষ্ঠানে তিনি প্রশংসা করেছেন, সেখানে আমিও উপস্থিত ছিলাম।’

    সম্প্রতি বিবেকের পোস্ট করা একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে অক্ষয় একদিকে যেমন বিবেকের ছবির প্রশংসা করছিলেন অন্যদিকে আবার হেসে বলেন সেই ছবি তাঁর ছবিকে ডুবিয়ে দিল। সেই ভাইরাল ভিডিওর জেরে ওড়িশার এক মাল্টিপ্লেক্সে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল বচ্চন পাণ্ডের স্ক্রিনিং। জোর করে বিক্ষোভ করে বন্ধ হয়েছিল অক্ষয়ের ছবি। কিন্তু তাঁর দুমাস পরে কেন অক্ষয়ের প্রতি তোপ দাগলেন পরিচালক? তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। 

    [tw]


    [/tw]

    ১৯৯০ সালে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের উপত্যকা থেকে যেভাবে নির্মম অত্যাচার করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল সেই গল্প নিয়েই তৈরি সিনেমাটি। চিত্রনাট্য লিখেছেন ও পরিচালনা করেছেন বিবেক অগ্নিহোত্রী। ছবিতে অভিনয় করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী, অনুপম খের, দর্শন কুমার, পল্লবী জোশিরা। সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার আগে থেকেই এই সিনেমা নিয়ে বিতর্কের অন্ত নেই। অনেকেই সিনেমাটিকে ‘সাম্প্রদায়িক’ আখ্যা দিয়েছেন। আবার অনেকেই সিনেমাটিকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছে। আজ মুক্তি পাওয়ার দুমাস পরেও এই সিনেমা নিয়ে বিতর্ক অব্যহত। 

     

  • Gyanvapi Mosque: ষোড়শ শতকের জ্ঞানবাপী মসজিদ ঘিরে চলা ৩১ বছরের বিতর্ক

    Gyanvapi Mosque: ষোড়শ শতকের জ্ঞানবাপী মসজিদ ঘিরে চলা ৩১ বছরের বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi mosque) কি আদতে মন্দির? প্রায় তিন দশক ধরে চলা এই বিতর্ক এখন খবরের শিরোনামে। সম্প্রতি, শেষ হয়েছে  আদালতের নির্দেশে শুরু হওয়া বারাণসীর (Varanasi) কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Kashi Viswanath temple) লাগোয়া এই মসজিদের ভিডিওগ্রাফি জরিপের (videography survey) কাজ। গোটা বিষয়টি এখন সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। 

    ১৯৯১ সালে স্থানীয় কয়েকজন পুরোহিত দাবি করেন, মসজিদ তৈরি করবেন বলে মন্দিরের কিছু অংশ ভেঙে দিয়েছিলেন ঔরঙ্গজেব। পরে মালওয়া রাজ্যের মহারানি অহল্যাবাই হোলকার মন্দির পুননির্মাণ করেন। ওই পুরোহিতরা জ্ঞানবাপী চত্বরে পুজো করার অনুমতিও চেয়েছিলেন। তাঁদের দাবি, সেখানে হিন্দু দেবতার মূর্তি রয়েছে। এর পরে বিভিন্ন সময় আদালতের দ্বারস্থ হয় হিন্দুদের কয়েকটি গোষ্ঠী। সুপ্রিম কোর্টে রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ বিবাদের মীমাংসা হওয়ার পর ফের হইচই হয় বিষয়টি নিয়ে। ফের হয় মামলা। তার জেরেই আদালতের নির্দেশে শুরু হয়েছিল তিনদিন ব্যাপী মসজিদে জরিপের কাজ। ইতিহাসবিদদের একাংশ ঔরঙ্গজেবের মন্দির ধ্বংসের তত্ত্ব আওড়ালেও, অন্য একটি অংশের মতে মন্দির এবং মসজিদ পাশাপাশি গড়ে উঠেছিল পাশাপাশিই। তাঁদের দাবি, মুঘল সম্রাট আকবর তাঁর দীন-ই-ইলাহি নীতি সম্পর্কে জন সচেতনতা ছড়াতে একই চত্বরে গড়ে তুলেছিলেন মন্দির এবং মসজিদ।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদের কুয়োয় মিলল ‘শিবলিঙ্গ’! এলাকা ‘সিল’ করল আদালত

    তবে লেখক অড্রি ত্রুশকে তাঁর “ঔরঙ্গজেব: দ্য ম্যান অ্যান্ড দ্য মিথ” নামক গ্রন্থে লিখেছেন,  “আমার ধারণা যে জ্ঞানবাপী মসজিদটি প্রকৃতপক্ষে ঔরঙ্গজেবের শাসনকালে নির্মিত হয়েছিল। মসজিদটি পুরানো বিশ্বনাথ মন্দিরের কাঠামোকে অন্তর্ভুক্ত করে। ঔরঙ্গজেবের নির্দেশে ধ্বংস করা হয়েছিল মন্দিরটি। মসজিদটি ঔরঙ্গজেবের আমলের, তবে আমরা জানিনা কে এটি তৈরি করেছেন। এই সব বিতর্কের (mosque-temple controversy) অবসানেই আদালতের নির্দেশে মসজিদে হয় ভিডিওগ্রাফির কাজ। অবশ্য এই ভিডিওগ্রাফির কাজ নিয়েও কম জলঘোলা হয়নি। প্রথমে মসজিদ চত্বরে জরিপ করা যাবে না বলে দাবি করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় মুসলমান সম্প্রদায়ের কয়েকজন। সুপ্রিম কোর্ট তা খারিজ করে দিলে নির্বিঘ্নেই শেষ হয় ভিডিওগ্রাফির কাজ।

     

  • Taj Mahal Controversy: তাজমহল আসলে তেজো মহালয়া শিবমন্দির! জানেন কি এই বিতর্কের আসল কারণ? 

    Taj Mahal Controversy: তাজমহল আসলে তেজো মহালয়া শিবমন্দির! জানেন কি এই বিতর্কের আসল কারণ? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্য তাজমহলকে (Taj Mahal) সম্প্রতি ‘তেজো মহালয়া’ (Tejo Mahalaya) নামের এক মন্দির দাবি করে এলাহাবাদ হাইকোর্টে (Allahabad High Court) তদন্তের আর্জি জানিয়েছেন এক বিজেপি (BJP) নেতা। এনিয়ে এখন দেশের রাজনীতিতে শোরগোল। হিন্দু (Hindu) সংগঠনগুলিও তাই বিশ্বাস করে। জেনে নেওয়া যাক এই দাবির নেপথ্যে ঠিক কী কারণ রয়েছে? আদৌ কি কোনও ভিত্তি রয়েছে দাবিটির? 

    ২০১৫ সালে একদল আইনজীবী মোট সাতটি পিটিশন দাখিল করেছিলেন আগরা (Agra) দায়রা আদালতে। সবকটি পিটিশনে দাবি কার হয়েছিল যে তাজমহলে যাতে হিন্দুদের গিয়ে পূজা-পাঠের অনুমতি দেওয়া হয়। দাবি করা হয়, মুঘল (Mughals) জমানার এই বিশ্ববিখ্যাত সৌধ আদতে ‘তেজো মহালায়া’ নামক এক প্রাচীন শিবমন্দির (Lord Shiva Temple)। সেই থেকে বিতর্কের সূত্রপাত। 

    মামলাকারী আদালতের কাছে আর্জি জানিয়েছেন, যাতে রাজ্য সরকারকে এই নিয়ে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই কমিটি তাজমহলের কক্ষগুলি পরীক্ষা করবে এবং সেখানে হিন্দু মূর্তি বা ধর্মগ্রন্থের সাথে সম্পর্কিত কোনও প্রমাণ আছে কি না তা খতিয়ে দেখবে। 

    আরও পড়ুনঃ তাজমহলের বন্ধ ঘরে আছে বহু হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি? আদালতে তালা খোলার আবেদন
     
    ভারতের শিব মন্দিরগুলির স্থাপত্যশৈলী এবং বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে তাজমহলের তুলনা করে মিল খুঁজে পান মামলাকারী শঙ্কর জৈন। যদিও আদালতে মামলাকারীর যুক্তি খাটেনি। আবেদনটি মানা হয়নি এবং এখনও আগরার নিম্ন আদালতে এই মামলা বিচারাধীন।  তবে আগরার আদালতে সেই আবেদন বিফলে গেলেও প্রায় একই ধরনের আবেদন গত সপ্তাহে দায়ের হয়েছে এলাহাবাদ হাইকোর্টে। অযোধ্যা জেলায় ভারতীয় জনতা পার্টির মিডিয়া ইনচার্জ ডঃ রজনীশ সিং আবেদন করে তাজমহলের ভিতর ২০টি ঘর খোলার দাবি তোলেন।  

    বিজেপি নেতা রজনীশ সিং দাবি করেন, ‘তাজমহল নিয়ে পুরনো বিতর্ক রয়েছে। তাজমহলের প্রায় ২০টি কক্ষ তালাবদ্ধ এবং কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না। আমার ধারণা, এসব ঘরে হিন্দু দেব-দেবী ও ধর্ম সম্পর্কিত মূর্তি রয়েছে। এর প্রেক্ষিতে আমি হাইকোর্টে একটি পিটিশন দাখিল করেছি যাতে আর্কেওলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়াকে এই কক্ষগুলি খোলার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। এই কক্ষগুলি খোলা হলে এই সংক্রান্ত যাবতীয় বিতর্ক থেমে যাবে আর তা করতে তো কোনও ক্ষতি নেই।’

     

LinkedIn
Share