Tag: cooch behar

cooch behar

  • Two Male Leopards: রসিকবিলের পর্যটন কেন্দ্র হবে আরও আকর্ষণীয়, দ্রুত আসছে ২ পুরুষ চিতাবাঘ

    Two Male Leopards: রসিকবিলের পর্যটন কেন্দ্র হবে আরও আকর্ষণীয়, দ্রুত আসছে ২ পুরুষ চিতাবাঘ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর মধ্যেই কোচবিহারের রসিকবিলে দুটি পুরুষ চিতাবাঘ (Two Male Leopards) আনা হচ্ছে। ইতিমধ্যে আগে থেকে দুটি স্ত্রী চিতাবাঘ এখানে ছিল। তাদের নাম রিমঝিম এবং গরিমা। এবার তাদের একাকিত্ব এবং নিঃসঙ্গতা কাটবে বলে মনে করছেন অনেকেই। সেই সঙ্গে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে এই পরিকল্পনা করা হয়েছে। ওয়েস্ট বেঙ্গল জু অথরিটির কাছে দুটি পুরুষ চিতাবাঘ চেয়ে এই অভয়ারণ্যের পর্যটন কেন্দ্রের পক্ষ থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। পর্যটন কেন্দ্রকে আকর্ষণীয় এবং বাঘের সংরক্ষণের জন্য এই প্রচেষ্টা বলে মনে করা হয়েছে।

    রসিকবিলে রয়েছে রিমঝিম-গরিমা (Two Male Leopards)

    এই রসিকবিল অভয়ারণ্য হল কোচবিহারের অসম সংলগ্ন একটি এলাকা। আলিপুরদুয়ার থেকে ৭৪ কিমি দূরে অবস্থিত। সেই সঙ্গে কামাক্ষ্যাগুড়ি রেলস্টেশন থেকে সাত কিলোমিটার দূরে এই স্থান। ফলে যোগাযোগের ক্ষেত্রে খুব একটা অসুবিধা হবে না। ১৭০০ হেক্টরের বেশি জমি নিয়ে এই প্রাকৃতিক পর্যটন কেন্দ্র। আটিয়ামোচর, রসিকবিল এবং নাগুরহাট এই তিনটি বিটকে ঘিরে তৈরি হয়েছে প্রাকৃতিক পর্যটন কেন্দ্রে। দেশ-বিদেশ থেকে নানা বর্ণের পাখি এই রসিকবিলে আসে। এই পর্যটন কেন্দ্রের আকর্ষণীয় জন্তুদের মধ্যে হল হরিণ, অজগর, ঘড়িয়াল। তবে সবথেকে বেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করে চিতাবাঘ। এনক্লোজারে এখানে রয়েছে দুটি স্ত্রী চিতাবাঘ। হাঁটু জঙ্গলে মুখ গুঁজে নিজেদের আড়াল করে রাখে তারা। আর তাই এই স্ত্রী চিতাদের (Two Male Leopards) জন্য পুরুষ চিতা নিয়ে আসার পরিকল্পনা চলছে।

    কোচবিহার বন দফতরের বক্তব্য

    ১৯৯৫ সালে কোচবিহারের তুফানগঞ্জে গড়ে ওঠে রসিকবিল প্রকৃতি পর্যটন কেন্দ্র। কোচবিহারের বন দফতরের এডিএডও বিজনকুমার নাথ বলেন, “ঠিক কবে চিতাবাঘ আসবে তা এখনি বলা সম্ভবপর নয়। নতুন বাঘের জন্য রসিকবিলের এনক্লোজারে নাইট শেল্টার বানানোর কাজ চলছে।” সেন্ট্রাল জু অথিরিটির অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না ঠিক কবে থেকে চিতাবাঘ (Two Male Leopards) আসবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lakshmi Bhandar: পুরুষের অ্যাকাউন্টে ঢুকছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা, প্রশাসন কী করছে?

    Lakshmi Bhandar: পুরুষের অ্যাকাউন্টে ঢুকছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা, প্রশাসন কী করছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরুষের অ্যাকাউন্টে ঢুকছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের (Lakshmi Bhandar) টাকা। অবাক মনে হলেও ঘটনাটি সত্যি। আর এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাক্ষী কোচবিহারের মাথাভাঙা মহকুমার পচাগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা। মহিলাদের জন্য বরাদ্দ টাকা পুরুষের অ্যাকাউন্টে কীভাবে ঢোকে, তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Lakshmi Bhandar)

    কোচবিহারের মাথাভাঙা মহকুমার পচাগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় মনোরঞ্জন দে নামে ওই ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে ঢুকছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের (Lakshmi Bhandar) টাকা। হিসেব মতো তাঁর স্ত্রীর এই প্রকল্পের টাকা পাওয়ার কথা। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, যে মহিলা এই প্রকল্পের টাকা পাবেন, তাঁর নিজস্ব অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। কিন্তু, সেই নিয়মের তোয়াক্কা না করেই এই প্রকল্পের টাকা ঢুকছে। এই বিষয়ে উপভোক্তা মনোরঞ্জন দে নামে ওই ব্যক্তি বলেন, অ্যাকাউন্টে বেশি টাকা ঢুকেছে সেটা সত্যি। তবে, কীসের টাকা আমি তা জানি না। অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকার পরই বিষয়টি ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। যদিও এই বিষয়ে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূল পরিচালিত পচাগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বিষয়টি জানেন না বলে জানান। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন বলে জানিয়েছেন। পচাগর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি সঞ্জয় বিশ্বাস বলেন, কোনও কাগজপত্রজনিত কারণে সমস্যা হলেও হতে পারে। বিষয়টি অবশ্যই গ্রাম পঞ্চায়েত ও দলীয় পর্যায়ে তদন্ত করে দেখা হবে। তবে অবিলম্বে এই লেনদেন বন্ধ হওয়া উচিত। যার টাকা তার কাছেই যাওয়া ভালো। অন্যদিকে, বিরোধী শিবির বিজেপি অবশ্য কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। কোচবিহার জেলা বিজেপির শহর মণ্ডল সভাপতি বিরাজ বসু বলেন, তৃণমূলের মাধ্যমে এই ধরনের দুর্নীতি হবে, এটাই স্বাভাবিক। যাদের অ্যাকাউন্টে (Lakshmi Bhandar) এই টাকা ঢুকেছে, তারাও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। আমরা দোষীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: কোচবিহারে দ্বিগুণ দামে কিনতে হচ্ছে সার! কালোবাজারির দাপটে অসহায় কৃষকরা

    Cooch Behar: কোচবিহারে দ্বিগুণ দামে কিনতে হচ্ছে সার! কালোবাজারির দাপটে অসহায় কৃষকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহার (Cooch Behar) জেলা জুড়ে সারের কালোবাজারি শুরু হয়েছে। শীতকালীন সবজি, আলু চাষও শুরুর মুখে। কৃষকরা সার কেনা শুরু করেছেন। আর এই সুযোগে সারের কালোবাজির শুরু হয়েছে জেলা জুড়ে। কার্যত মাথা হাত কৃষকদের।

    কৃষকদের কী বক্তব্য?

    কোচবিহার (Cooch Behar) জেলায় এই সময়ে সব থেকে বেশি আনাজ চাষ হয়। সেই সঙ্গে আলু চাষও শুরু হওয়ার মুখে। সে জন্য বাজারে সারের চাহিদা তুঙ্গে। সব মিলিয়ে জেলায় সারের কদর বাড়তে শুরু করেছে। আর এই সময়েই ‘সার নেই-সার নেই’ বলে হাওয়া উঠেছে বাজারে। ফলে, ৪০০ টাকার প্যাকেটের ইউরিয়া কিনতে হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা দিয়ে। চাষিদের একটা বড় অংশের অভিযোগ, কোচবিহারের বহু বাজারে সারের কালোবাজারি হচ্ছে এমন করেই। প্রায় সমস্ত সার কেজি প্রতি ১০ থেকে ১২ টাকা বেশি দাম নেওয়া হচ্ছে। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ কৃষকেরা। কোচবিহারের তুফানগঞ্জের ঝাউকুঠি, বালাভূত, বক্সিরহাট-সহ একাধিক জায়গায় সারের কালোবাজারি চলছে। জিরানপুরের এক কৃষক মনোজ বর্মন বলেন, ইউরিয়া, ফসফেট, ডিএসপি, পটাশ সব ক’টি সারের দাম বেশি। প্রায় দ্বিগুণ। দেওয়ানহাটের কৃষক শরদিন্দু দেব বলেন, প্রত্যেক সার কেজি প্রতি ১০ থেকে ১২ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ, প্রত্যেক বছর যে সময়ে সারের চাহিদা বাড়ে তখনই কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করে কালোবাজারে ওই সার বিক্রি করা হয়। গ্রামের বাজারগুলিতে তেমন ভাবে কোনও নজরদারি না থাকায় বিক্রেতাদের আরও সুবিধা বেশি। সে জন্যে গ্রামে নজরদারি বাড়ানোর দাবি করা হয়েছে। কারণ, ছোট কৃষকেরা বেশির ভাগই গ্রামের ছোট বাজারগুলির উপরে নির্ভরশীল। সেই সুযোগেই অনেকে কালোবাজারি করে।

    প্রশাসন কী করছে?

    কোচবিহার (Cooch Behar) জেলা কৃষি আধিকারিক গোপাল মান বলেন, ইতিমধ্যেই এমন অভিযোগ পেয়ে তা খতিয়ে দেখার কাজ শুরু করা হচ্ছে। যাঁদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পাওয়া যাবে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিছু তথ্য আমরা হাতে পেয়েছি। অভিযান চালিয়ে চার জন ব্যবসায়ীকে ‘শো-কজ়’ করা হয়েছে। তিন জন ব্যবসায়ীকে সার বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। লাইসেন্স ছাড়া, সার বিক্রির অভিযোগে এক জনের মজুত সার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: মন্ত্রী-পুরপ্রধানের দ্বন্দ্বে অস্বস্তিতে শাসকদল, সরকারি অনুষ্ঠানে তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    Cooch Behar: মন্ত্রী-পুরপ্রধানের দ্বন্দ্বে অস্বস্তিতে শাসকদল, সরকারি অনুষ্ঠানে তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্ত্রী উদয়ন গুহের সঙ্গে পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষের কোন্দল নিয়ে দলের অন্দরে চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু দলের সাংগঠনিক বিষয়ে নয় সরকারি অনুষ্ঠানের কর্মসূচিতে শাসকদলের জেলার দুই শীর্ষ নেতার দ্বন্দ্ব একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। যা নিয়ে কোচবিহার (Cooch Behar) জেলাজুড়ে চরম অস্বস্তিতে তৃণমূল।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Cooch Behar)

    শিলান্যাস হচ্ছে কোচবিহার (Cooch Behar) পুর এলাকার বেশ কিছু রাস্তার কাজ। আর সেখানেই আরও একবার প্রকাশ্যে আসল রাজ্যের মন্ত্রী উদয়ন গুহ ও পুরপ্রধান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ-এর দ্বন্দ্ব। অভিযোগ, উদ্বোধনী ব্যানার থেকে শুরু করে চিঠিতে নাম নেই কোচবিহারের পুরপ্রধান রবীন্দ্রনাথ ঘোষের। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের আর্থিক সহযোগিতায় কোচবিহার পুর এলাকার ১৮টি রাস্তার কাজের শিলান্যাস করলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী উদয়ন গুহ। শনিবার উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের কোচবিহার দফতরের সামনে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শিলান্যাস কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। শিলান্যাস অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক পবন কাদিয়ান, জেলা সভাধিপতি সুমিতা বর্মন, কোচবিহার পুরসভার উপ-পুরপ্রধান আমিনা আহমেদ। শনিবারই সেই অনুষ্ঠান ছিল। স্বাভাবিকভাবে সেই অনুষ্ঠানে পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ যাননি। যদিও অনুষ্ঠানে থাকার আমন্ত্রণ অনেক কাউন্সিলার পাননি বলেও অভিযোগ উঠছে। ফলে, সেই কাউন্সিলারও অনুষ্ঠানে যাননি। একটি সরকারি অনুষ্ঠানেও তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল এভাবে প্রকাশ্যে আসায় রীতিমতো অস্বস্তি শাসক শিবিরে। কোচবিহার জেলার দুই হেভিওয়েট নেতার এই অন্তর্দ্বন্দ্ব আসন্ন ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে কতটা প্রভাব ফেলবে সেটা সময়ের অপেক্ষা।

    মন্ত্রীর কী বক্তব্য?

    মন্ত্রী উদয়ন গুহ বলেন, চলতি মাসের ৪ তারিখ চিঠি দিয়ে সবিস্তারে জানানো হয়েছিল পুরপ্রধান রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে। এমনকী শনিবারের অনুষ্ঠান নিয়েও তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। পুর এলাকায় কাজ হবে অথচ পুরপ্রধানকে জানানো হবে না, এটা কখনওই হতে পারে না।

    পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    কোচবিহার (Cooch Behar) পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ নিজের পুর এলাকায় রাস্তা শিলান্যাসের বিষয়ে কিছু জানেন না বলে এড়িয়ে গেলেন। তিনি বলেন, সরকারি অনুষ্ঠানের বিষয়ে আমি জানি না। কোথায় কী হচ্ছে আমি জানিনা! তাছাড়া আমাকে এই বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: বিকট শব্দে কাঁপল গোটা এলাকা, কোচবিহার জুড়ে আতঙ্ক, কী বললেন এলাকাবাসী?

    Cooch Behar: বিকট শব্দে কাঁপল গোটা এলাকা, কোচবিহার জুড়ে আতঙ্ক, কী বললেন এলাকাবাসী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। কোচবিহার (Cooch Behar) শহরসহ আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা শব্দ শুনতে পান। শব্দের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল শহরবাসীর ধারণা হয়, বোমা বিস্ফোরণের আওয়াজ। শুক্রবার বিকেল সওয়া ৪টে নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারে। বিষয়টি জানাজানি হতেই বিকট আওয়াজের শব্দের উৎস খোঁজা শুরু করে পুলিশ প্রশাসন। কিন্তু, শনিবার দুপুর পর্যন্ত সঠিক তথ্য তারা দিতে পারেনি।

    কী বললেন এলাকাবাসী?

    শুক্রবার বিকেলে আচমকা বিকট শব্দে কেঁপে উঠল কোচবিহার (Cooch Behar)। সেই শব্দের তীব্রতা এতটাই ছিল যে, মাটিও কেঁপে উঠেছে বলে দাবি শহরবাসীর। শুধু কোচবিহার শহরই নয়, আশপাশে ৩০-৩৫ কিলোমিটার দূরে দিনহাটা এবং মাথাভাঙা মহকুমাতেও জোরালো শব্দ শুনতে পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। যেন মিসাইল আছড়ে পড়েছে, কিংবা ভেঙে পড়েছে কোনও মিগ বিমান, এমনই ধারণা হয় এলাকাবাসীর। পুলিশ সূত্রেই খবর, মূল কোচবিহার শহর থেকে বেশ কয়েক কিলোমিটার দূরেও সেই শব্দ শোনা গিয়েছে। শব্দের তীব্রতা অনুভূত হয়েছে দিনহাটা, মাথাভাঙার বেশ কয়েকটি গ্রামেও। যার জেরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, এরকম বিকট শব্দ আগে কখনও শোনা যায়নি। আওয়াজের দাপটে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। তবে, এরকম আওয়াজ কীভাবে ঘটল তা স্পষ্ট করে কেউ কিছু বলতে পারেনি। ফলে, এলাকায় চরম আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকরাও এই ধরনের শব্দ কোথায় থেকে হল তা সঠিকভাবে বলতে পারছে না। ফলে, সমস্ত বিষয়টি নিয়ে চরম ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

    কী বললেন কোচবিহার (Cooch Behar) জেলা পুলিশ প্রশাসনের এক আধিকারিক?

    স্থানীয় সূত্রে খবর, বছর দশেক আগে আলিপুরদুয়ারে একবার মিগ বিমান ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটেছিল। এ বারও সেই একই ঘটনা ঘটেছে কি না, তা আলোচনা শুরু হয় বিভিন্ন মহলে। তবে, ঘটনার পর ২৪ ঘণ্টা কেটে গেলেও এই শব্দের সূত্র কোথায় তা জানা যায়নি। কারণ, কোনও বিমান ভেঙে পড়া বা বোমা বিস্ফোরণের তথ্য শনিবার দুপুর পর্যন্ত সামনে আসেনি। কোচবিহার (Cooch Behar) জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, কোথাও কোনও ঘটনা ঘটেনি। সম্ভবত এটি মেঘ ফাটার (ক্লাউড বার্স্ট) শব্দ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: ধর্ষণ-খুনের প্রতিবাদে টায়ার জ্বলিয়ে বিক্ষোভ, এস পি অফিস ঘেরাও করল এবিভিপি

    Cooch Behar: ধর্ষণ-খুনের প্রতিবাদে টায়ার জ্বলিয়ে বিক্ষোভ, এস পি অফিস ঘেরাও করল এবিভিপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালজানিতে (Cooch Behar) চোদ্দ বছরের নাবালিকাকে পাঁচজন দুষ্কৃতী ধর্ষণ করে এবং তার পরবর্তীতে এক সপ্তাহের উপরে জ্ঞানহীন থাকার পর গতকাল সেই নবম শ্রেণির ছাত্রীর মৃত্যু হয়। এরপর প্রতিবাদে কোচবিহার জেলার সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশের অফিস ঘেরাও করল এবিভিপি। অপর দিকে রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে কালজানির সেই মৃত নাবালিকার বাড়িতে পরিবারের সাথে কথা বলতে এল বিশেষ প্রতিনিধি দল। শিশু সুরক্ষা কমিটির বক্তব্য, আমরা পরিবারের সাথে কথা বলতে গিয়েছিলাম। আমরাও চাইব দোষীদের যাতে দ্রুত শাস্তি দেওয়া হয়।

    এবিভিপির বক্তব্য (Cooch Behar)

    এবিভিপি সংগঠনের পক্ষ থেকে উত্তরবঙ্গের সম্পাদক সুব্রত অধিকারী বলেন, গত সাত দিনে ৫টা এমন ঘটনা ঘটেছে যেখানে মহিলাদের নগ্ন করে নির্যাতন করা হয়েছে। কোচবিহারের (Cooch Behar) কালজিনি এবং তুফানগঞ্জে দুটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। প্রশাসনের কাছে নারী সুরক্ষা বিপন্ন। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বলে কিছুই নেই। দুষ্কৃতীদের শাসন চলছে রাজ্যে। তিনি আরও বলেন, এই জেলাশাসক নিজে তৃণমূল জেলা সভাপতির চামচা।

    অপর দিকে কোচবিহারের রামকৃষ্ণ বয়েজ স্কুলের পক্ষ থেকে ছাত্ররা কোচবিহারের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে টায়া, কাঠ জ্বলিয়ে বিক্ষোভ মিছিলে সামিল হয়েছেন। ছাত্রদের বক্তব্য এই জায়গায় কোনও রাজনীতির রং লাগিয়ে লাভ হবে না। যে পাঁচ জন দোষী ধরা পড়েছে, তাদের প্রত্যেককে ফাঁসি দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। শাস্তি এমন দিতে হবে যেন পরবর্তীতে এই ধরনের অপরাধ করতে দুষ্কৃতীদের ভিতর কেঁপে ওঠে।

    রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের প্রতিনিধিদের বক্তব্য

    কালজানিতে (Cooch Behar) নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের প্রতিনিধি দলের সদস্যা নিয়োতি মাহাতো বলেন, আমরা পরিবারের পাশে রয়েছি, এই নির্মম ঘটনা যারা ঘটিয়েছে, তাদের অবিলম্বে শাস্তি চাই। প্রশাসন, পুলিশ, শাসক দলের সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা এই ধরনের বিঙেগুলির উপর নজর রাখব। উল্লেখ্য কমিশনের সদস্যারা নির্যাতিতা পরিবারের বাড়িতে গেলে পরিবারের পক্ষ থেকে তীব্র ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। ঘটনা ঘটার এতদিন পরে কেন এসেছেন! ঠিক এই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North Bengal: প্রবল বর্ষণে উত্তরবঙ্গ বিপর্যস্ত, জলপাইগুড়ি-আলিপুরদুয়ারে লাল সতর্কতা

    North Bengal: প্রবল বর্ষণে উত্তরবঙ্গ বিপর্যস্ত, জলপাইগুড়ি-আলিপুরদুয়ারে লাল সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গে তেমন বৃষ্টি না হলেও উত্তরবঙ্গে (North Bengal) ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতে বেহাল সাধারণ জনজীবন। গোটা উত্তরবঙ্গের নদীগুলির জলে চাষের জমি, বাড়িঘর প্লাবিত। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দার্জিলিঙে আগামী দুই থেকে তিনদিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে। পাহাড় থেকে সমতল, উত্তরের বেশ কিছু  জেলায় জারি হয়েছে লাল সতর্কতা।

    কোচবিহার

    কোচবিহারের (North Bengal) তোর্সা নদীর অসংরক্ষিত এলাকায় প্রবল বৃষ্টির জলে প্লাবনের সৃষ্টি হয়েছে। তুফানগঞ্জ, বালাভূত অঞ্চলর অনেক মানুষের বাড়িঘর অধিক বৃষ্টিপাতে জলামগ্ন হয়ে পড়েছে। মেখলিগঞ্জে ক্ষেতের জমি, সৌরসেচ প্রকল্প, বৈদ্যুতিক ল্যাম্প ঝাউকুঠি নদীর জলে ডুবে গেছে।

    আলিপুরদুয়ার

    আলিপুরদুয়ারের (North Bengal) মেচপাড়া এলাকয় জলমগ্ন হয়ে আটকে পড়েছেন অনেক মানুষ। উদ্ধার কাজের জন্য সেনাবাহিনী, এনডিআরএফ, বায়ুসেনা একযোগে কাজ শুরু করেছে। বাঙরি নদীর জল ঢুকে ভেসে গেছে অঙ্গনঅওাড়ির এক কেন্দ্র। বৃষ্টির জলের স্তর এবং স্রোত এতটাই প্রবল ছিল যে লালো নাগাসিয়া নামক এক বৃদ্ধার রাস্তা পার হতে গিয়ে মৃত্যু ঘটেছে বলে জানা গেছে।

    জলপাইগুড়ি

    জলপাইগুড়ির (North Bengal) বানারহাটে সবথেকে অধিক বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ২৯০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এছাড়াও মালবাজার, হাসিমারায় অতি ভারী বৃষ্টিপাত হয়। অপর দিকে তিস্তা, জলঢাকা, ডায়না নদীর জল বিপদ সঙ্কেতের উপর দিয়ে বইছে। অধিকাংশ নদীর জল ঢুকে পড়ছে আশেপাশের গ্রামে। জলপাইগুড়ি জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা বসু বলেছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য শুকনো খাবার এবং রান্না করে খাবার দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দুর্গতদের অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কার্যত অধিক বৃষ্টিপাতের কারণে স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছে।

    পাশাপাশি পাহাড় অঞ্চলের ভূটান, সিকিম, দার্জিলিং (North Bengal) সর্বত্র ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত। শিলিগুড়ি পুরনিগমের বেশ কিছু এলাকা জলমগ্ন হয়ে গেছে। ফুলেশ্বরী, জোড়াপানি, সাহু নদীতে জলের স্তর অনেক বেড়ে গেছে। কিছু কিছু এলাকায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এই বর্ষণ আগামী আরও ২ দিন হতে পারে বলে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: ভোটের হিংসায় ফের খুন কোচবিহারের এক বিজেপি কর্মী

    Cooch Behar: ভোটের হিংসায় ফের খুন কোচবিহারের এক বিজেপি কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগের দিন তুফানগঞ্জের (Cooch Behar) নয়ারহাটে শালবাড়ি-২ এর বিজেপি কর্মী জয়ন্ত বর্মনকে ডেকে নিয়ে গিয়ে তাঁকে ধারালো দা দিয়ে আক্রমণ করা হয়। গুরুতর আহত হন তিনি। এরপর ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন। আর তার পরেই তুফানগঞ্জ থানার পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে তুফানগঞ্জ হাসপাতালে এবং তার পর কোচবিহারের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে। পুরো ঘটনাটি তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রার্থী ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। ৭ই জুলাই আক্রান্ত হন এবং আজ ১৩ ই জুলাই মৃত্যু হয় তাঁর। ফলে ভোটের হিংসায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪৮।

    পরিবারে বক্তব্য (Cooch Behar)

    মৃত বিজেপি কর্মী জয়ন্ত বর্মনের ভাই অনন্ত বর্মন বলেন, আমাদের বাড়ি শালবাড়ির বজরাগ্রামে। গত ৭ই জুলাই ভোটের আগের দিন রাত ১২ টার সময় আমার দাদাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। এরপর দাদাকে ধরালো দা দিয়ে কোপানো হয়। এই আঘাতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে যায় দাদা। এতদিন হাসপাতালে (Cooch Behar) ভর্তি ছিলেন। আজ দুপুরের পরে মৃত্যু হয়। দাদার মৃত্যুর পর ভাই অনন্ত বলেন, যারা দাদাকে খুন করছে, তাদের কঠিন শাস্তি চাই। আরও বলেন, আমার দাদার দুই মেয়ে, একজনের বয়স ১৮ অপর একজনের বয়স ১২। এই অবস্থায় পরিবার কীভাবে চলবে! তাই সরকারি সাহায্য চাই।

    অপর দিকে একই দিনে ভোট পরবর্তী হিংসার চিত্র ধরা পড়ল মুর্শিদাবাদে। নির্দলের বাড়ির কাছেই কান্দিতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল।

    মুর্শিদাবাদে বোমা বিস্ফোরণ

    এক দিকে কোচবিহারে (Cooch Behar) যেমন বিজেপি কর্মীর মৃত্যু, ঠিক তেমনি অপর দিকে মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি থানার অন্তর্গত মুনিগ্রামের পশ্চিমপাড়ায় আজ বৃহস্পতিবারেই দুপুরে হঠাৎই মজুত করে রাখা বোমায় বিস্ফোরণ ঘটে। যার ফলে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয় পশ্চিমপাড়া এলাকায়। নির্দলের প্রার্থী মতিহার বিবি বলেন, আমি রান্না করছিলাম। হঠাৎ তীব্র শব্দ হয়। এরপর দেখি বিস্ফোরণ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, খুব আতঙ্কে রয়েছি আমরা। নির্দলের উপর তৃণমূলের আক্রমণ চলছে। অন্যদিকে এই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কান্দি থানার আইসি সুভাষচন্দ্র ঘোষের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী। এরপর পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বলে জানা গেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: “দাদা আমাকে বাঁচান”, নিশীথ প্রামাণিকের পা জড়িয়ে অঝোরে কান্না বিজেপি প্রার্থীর

    Cooch Behar: “দাদা আমাকে বাঁচান”, নিশীথ প্রামাণিকের পা জড়িয়ে অঝোরে কান্না বিজেপি প্রার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিতাই ব্লকে (Cooch Behar) কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের পা জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন বিজেপি প্রার্থী। ওই মহিলা বললেন, তাঁর বাড়ি ভেঙে দেওয়া হতে পারে। বোমা মারার হুমকিতে আতঙ্কে আছেন তিনি। ফলাফল ঘোষণার পর এইভাবেই মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন ওই বিজেপি প্রার্থী। ভোটে হেরেছেন। তার জন্য তৃণমূলকে দিতে হবে পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা। না হলে মেয়েকে তুলে নিয়ে যাবে তৃণমূলের গুন্ডারা। এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।

    কেন পায়ে ধরে সুরক্ষা চাইলেন (Cooch Behar)?

    সিতাই বিধানসভার (Cooch Behar) ৬/১০৪ নম্বর বুথে বিজেপির মহিলা প্রার্থী ছিলেন বিউটিবালা দাস। নির্বাচনে কারচুপি করে তাঁকে হারানো হয়েছে। আর এর পর থেকেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে ব্যাপক হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তাই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের পা জড়িয়ে ধরে আশ্রয় চান তিনি! প্রার্থী বলেন, দাদা আমাকে বাঁচান! মন্ত্রীর পায়ে ধরে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন এই বিজেপি প্রার্থী। প্রার্থী আশঙ্কা করছেন, নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর বাড়িতে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা হামলা করবে। বাড়িঘর ভাঙচুর করবে! ইতিমধ্যেই লুটপাটের হুমকি আসছে বলে অসহায় হয়ে আশ্রয় চাইলেন। প্রার্থী আরও বলেন, গণনা কেন্দ্রে আমাদের না ডেকেই গণনা করা হয়েছে। একতরফা আমদের ঢুকতে না দিয়ে জোর করে নিজেদের জয়ী বলে ঘোষণা করেছে তৃণমূল। মন্ত্রী পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। এমনকি তিনি আরও জানান, যদি মন্ত্রী তাঁর পাশে না দাঁড়ান, তাহলে তাঁর আত্মহত্যা করা ছাড়া আর কোনও উপায় থাকবে না। যদিও দলীয় প্রার্থীর মুখে এমন আর্তনাদ শুনে তাঁর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক।

    কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বক্তব্য

    এত সন্ত্রাসের পরে এই ফল! সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Cooch Behar) বলেন, এত সন্ত্রাসের চোখ রাঙানি, বোমা-বারুদ, মারামারি-হানাহানি-লড়াইয়ের মধ্যেও মানুষ ঘর থেকে বেরিয়ে লড়াইতে নেমেছেন, এটা কম বড় বিষয় নয়। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে জয়-পরাজয় বড় কথা নয়। কিন্তু সাহস দেখিয়ে চোখে চোখ দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করাটাই আসল কথা। তৃণমূল যেখানে যেখানে ছাপ্পা মেরেছে, সেখানে সেখানে জয়ী হয়েছে। প্রশ্ন করা হয়, ছাপ্পা হবে বুঝতে পেরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কেন প্রতিরোধ করতে পারল না বিজেপি? উত্তরে নিশীথ বলেন, যেখানে পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে সন্ত্রাস করে, সেখানে সাধারণ মানুষ কীভাবে লড়াই করবে! প্রশাসন দুষ্কৃতীদের প্রত্যক্ষ মদত দেয়, বিরোধীদের মিথ্যা কেসে তুলে নিয়ে যায়। তৃণমূলের গুন্ডাদের সঙ্গে লড়াই সম্ভব। কিন্তু পুলিশের সঙ্গে লড়াই কী করে সম্ভব? সুতরাং তৃণমূলের শাসন শেষ না হলে এই ব্যবস্থার বদল ঘটবে না। তিনি আরও বলেন, আগামী লোকসভার ভোটে তৃণমূল ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: পিছিয়ে থাকায় গণনা কেন্দ্রে ঢুকে ব্যালট বক্সে জল ঢেলে দিলেন তৃণমূল প্রার্থী!

    Cooch Behar: পিছিয়ে থাকায় গণনা কেন্দ্রে ঢুকে ব্যালট বক্সে জল ঢেলে দিলেন তৃণমূল প্রার্থী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের দিন ব্যালট বাক্সে জল ঢেলে দেওয়া, বাক্স লুট করা এবং আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনা প্রচুর ঘটেছিল। ঠিক একই ভাবে গণনার দিনেও কোচবিহারের (Cooch Behar) ফলিমারি জিপির ৪/৪১ নম্বর গণনা কেন্দ্রের ভিতরে ঢুকে ব্যালটে জল ঢেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে। এই অভিযোগ করেলেন কাউন্টিং অফিসার রফিকুল ইসলাম। তীব্র চাঞ্চল্য গণনা কেন্দ্রে। 

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Cooch Behar)?

    গণনা কেন্দ্রে (Cooch Behar) গণনা চলাকালীন এক তৃণমূল প্রার্থী পিছন দিয়ে ঢুকে, গণনার টেবিলে রাখা ব্যালট বক্সে আচমকা জল এবং কালি ঢেলে সমস্ত ব্যালট নষ্ট করে দিয়েছেন বলে জানা যায়। গণনা কেন্দ্রে কীভাবে অনুমতি ছাড়া ঢুকে এই অপকর্ম হল! সেই বিষয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে। সূত্রে জানা গেছে, গণনায় ওই বুথে বিজেপি অনেক এগিয়ে ছিল, কিন্তু সেই তুলনায় তৃণমূল অনেকটাই পিছনে ছিল। তৃণমূল ভোটে হারার ভয়ে এই অপকর্ম করেছে বলে পাল্টা অভিযোগ করে বিজেপি। সেই সঙ্গে যাঁরা গণনা করছেন তাঁদের পক্ষ থেকে বলা হয়, গণনা কেন্দ্র সুরক্ষিত নয়! কোনও নিরাপত্তা নেই। ভোট কর্মীরা এরপর নিরাপত্তা চেয়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। গণনা কেন্দ্রে নিরপত্তার অভাবেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করছেন ভোট কর্মীরা।

    কাউন্টিং অফিসারের বক্তব্য

    গণনা কেন্দ্রে (Cooch Behar) কাউন্টিং অফিসার রফিকুল ইসলাম বলেন, আমার পিছন দিয়ে এক মহিলা তৃণমূল প্রার্থী এসে ব্যালট বক্সে জল ঢেলে দেন। সেই সঙ্গে ব্যালট বক্সে জলের পর কালি ঢেলে দিয়ে সব ব্যালট পেপারকে নষ্ট করে দেন। তিনি আরও বলেন, এই কেন্দ্রে কোনও পুলিশ নেই। আমরা যখন ঢুকি তখন আমাদের কত কিছু পরীক্ষা করে ঢোকানো হয়। আর গণনা শুরু হতেই বেপাত্তা পুলিশ। অত্যন্ত অসুরক্ষিত বোধ করছি!

    বিজেপির বক্তব্য

    বুথের (Cooch Behar) বিজেপির এজেন্ট জিতেন্দ্র চন্দ্র দাস বলেন, ৪১ নম্বর বুথে বিজেপি গণনায় অনেক এগিয়ে ছিল। একটি বাক্সে গণনায় দেখা যায় ১০০ টি ব্যালটের মধ্যে বিজেপি ৯৭ টা ভোট পেয়েছে। আর মাত্র ৩ টি ভোট তৃণমূল পেয়েছে। এই গণনায় তৃণমূলের হার বুঝেই তৃণমূল প্রার্থী হিংসার আশ্রয় নেয়। তিনি আরও বলেন, এই ভাবে জল ঢেলে মানুষের রায়কে আটকানো যাবে না। তৃণমূলের চরিত্র সবাই বুঝে গেছে।      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share