Tag: Coochbehar

Coochbehar

  • Bangladesh Crisis: অশান্ত বাংলাদেশ, অনুপ্রবেশের সম্ভাবনা প্রবল! জল-স্থল সীমান্তে সতর্ক বিএসএফ

    Bangladesh Crisis: অশান্ত বাংলাদেশ, অনুপ্রবেশের সম্ভাবনা প্রবল! জল-স্থল সীমান্তে সতর্ক বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। চারিদিকে শুধুই হাহাকার আর কান্নার রোল। অন্যদিকে, একদলের উন্মত্ত উল্লাস। সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার সীমাহীন। সোনার বাংলা ভূলুণ্ঠিত। শুধু সংখ্যালঘুরাই নয়, আক্রান্ত হচ্ছেন আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মীরাও। প্রাণভয়ে অনেকে পালিয়ে আসছেন সীমান্তপারে। বাংলাদেশের এই চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষিতে তাই ভারতীয় সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবস্থা নিল বিএসএফ। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে জলসীমানা অনেকটা। তাই কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে জলসীমায়। বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর ডাঙাতেও হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। বিএসএফের (BSF) পক্ষ থেকে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। কাঁটাতার ঘেরা সীমান্তে রাত-টহলের জন্য নাইট ভিশন ক্যামেরার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। বেড়েছে জওয়ানের সংখ্যাও।

    সুন্দরবনে জলসীমায় কড়া পাহাড়া

    বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) বর্তমান পরিস্থিতিতে সুন্দরবনের ভারত-বাংলাদেশ জলসীমানায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুন্দরবনের নদী ও সমুদ্রে হাই অ্যলার্ট জারি করা হয়েছে। এখন বাংলাদেশ ও ভারতের জলসীমানায় ২৪ ঘণ্টা টহল দিচ্ছে জলে-স্থলে চলতে পারা ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর হোভারক্রাফ্ট। এদিন বেলায় ফ্রেজারগঞ্জ ঘাঁটিতে পৌঁছে গিয়েছে বিশেষ এই হোভারক্রাফ্ট। উপকূলরক্ষী বাহিনীর জওয়ানরা হোভারক্রাফ্টে চেপে বঙ্গোপসাগরে ভারত-বাংলাদেশ জলসীমানায় টহলদারি শুরু করেছেন। অনেক সময়ে বাংলাদেশ থেকে জলদস্যু বা মৎস্যজীবীরা জলসীমানা পেরিয়ে চলে আসে এ পারে‌। ট্রলারে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ আটকাতে এই হোভারক্রাফ্ট অনেকটাই কাজে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। উপকূলরক্ষী বাহিনীর পাশাপাশি সুন্দরবনের উপকূল এলাকার প্রতিটি থানাই জলপথে পেট্রোলিং চালাচ্ছে। এ দিন সকাল থেকে ফ্রেজারগঞ্জ উপকূল থানার স্পিডবোট এবং এফআইবি বোট নদী এবং সমুদ্রে টহল দিয়েছে।

    গ্রামবাসীদের দল

    সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ রুখতে এবার একজোট হলেন গ্রামবাসীরাও। গ্রামে গ্রামে টিম করে সচেতনতা প্রচার চালাচ্ছে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স। জেল ভাঙা জামাত জঙ্গিরা যে কোনও সময় সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকতে পারে, এমন প্রচারও চালাচ্ছে বিএসএফ (BSF)। মূলত বাংলাদেশের এই পরিস্থিতির মধ্যে যাতে কোনও ভাবে অনুপ্রবেশ না ঘটে সেই বিষয়ে গুরুত্ব দিতেই, নদিয়া,  জলপাইগুড়ি, কোচবিহারের সীমান্তবর্তী এলাকায় গ্রামবাসীদের সঙ্গে বৈঠক করে বিএসএফ। গেদে ৩২ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের উদ্যোগে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে নদিয়ায় বৈঠকে বসেন পঞ্চায়েত প্রধান সদস্য-সহ অন্যান্য প্রতিনিধিরা। কোনও অপরিচিত মানুষ দেখলে গ্রামবাসীদের কী কর্তব্য সেটাও বুঝিয়ে দিয়েছে সেনা-আধিকারিকরা।

    গ্রামবাসীদের করণীয়

    বুধবার সীমান্তবর্তী একাধিক গ্রামে গিয়ে অনুপ্রবেশ (Bangladesh Crisis) রুখতে গ্রামবাসীদের কী করণীয় তা বুঝিয়ে বলেন বিএসএফ (BSF) আধিকারিকরা। গ্রামবাসীদের তাঁরা বলেন, ‘‘অচেনা কাউকে গ্রামে দেখলে বিএসএফ বা পুলিশকে জানাবেন। রাতে খুব দরকার না হলে বাড়ির বাইরে বেরোবেন না। আর বেরোলেও সীমান্তের কাটাতারের দিকে যাবেন না।’’ তবে বাংলাদেশের পরিস্থিতির কোনও প্রভাব সীমান্তের এপারে পড়ার সম্ভাবনা দেখছেন না গ্রামগুলির বাসিন্দারা। তাঁরা জানিয়েছেন, বিএসএফ ও পুলিশের পাহারায় নিরাপদে রয়েছেন তাঁরা।

    উত্তরবঙ্গে সতর্কতা

    উত্তরবঙ্গের ফুলবাড়ি সীমান্তে সরদারপাড়া, ধদাগছ, লক্ষ্মীস্থান, নারায়ণজোতসহ প্রায় ১২টি সীমান্তবর্তী গ্রাম রয়েছে। সেখান থেকে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা করছে বিএসএফ (BSF)। এব্যাপারে গ্রামবাসীদের সতর্ক করেছেন বিএসএফ আধিকারিকরা। বুধবার গ্রামে গ্রামে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। বিএসএফের নর্থবেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের আইজি সুর্যকান্ত শর্মা বলেন, “সম্প্রতি বাংলাদেশে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। অনুপ্রবেশ, অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি। সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকাতেও গ্রামবাসীদের সতর্ক করা হচ্ছে যাতে কোনও সন্দেহজনক কাওকে বা অপরিচিত কাউকে দেখলে সঙ্গে সঙ্গে আমাদের বা পুলিশকে জানানো হয়।” দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে কোচবিহার পর্যন্ত উত্তরের পাঁচ জেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের প্রায় চার হাজার কিলোমিটার সীমান্তের মধ্যে ৯৩৬ কিলোমিটার নর্থবেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের অধীনে। সীমান্তে নজরদারির জন্য চারটি সেক্টরে মোট ১৮টি বিএসএফ ব্যাটেলিয়ন মোতায়েন করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, ভারতের উদ্বেগের একাধিক কারণ

    সীমান্তের কাছেই সেনা

    বিএসএফ (BSF) সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গে ১০৯ কিলোমিটার খোলা সীমান্ত রয়েছে। সেই ফাঁকা সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা করছেন এলাকার বাসিন্দাদের অনেকে। বিএসএফের তরফে ফাঁকা সীমান্তে জওয়ানদের নজরদারি দ্বিগুণ করা হয়েছে। চ্যাংরাবান্ধা এবং ফুলবাড়ির মতো সীমান্ত থেকে এক দেড় কিলোমিটার দূরে রাখা হয়েছে সেনাবাহিনীকে। সীমান্ত পরিস্থিতির অবনতি হলে তড়িঘড়ি যাতে সেনাকে কাজে লাগানো যেতে পারে, সেজন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে বিএসএফের উত্তরবঙ্গের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক (পিআরও) অমিত ত্যাগী জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘নিয়ম মেনে অনেকেই ওপার বাংলা থেকে ভারতে আসছেন। অনিয়মে কাউকেই ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। প্রয়োজনে সেনাবাহিনীকেও নামানো হবে। তবে কাঁটাতারহীন কিছু এলাকায় জওয়ানদের তরফেই অস্থায়ী বেড়া দেওয়া রয়েছে।’’

    সতর্ক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

    সোমবার বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে চূড়ান্ত নৈরাজ্য শুরু হয়েছে সীমান্তের ওপারে। বিদায়ী শাসকদল আওয়ামি লিগ নেতা ও হিন্দুসহ অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর পাশবিক অত্যাচার চলছে সীমান্তের ওপারে। এই পরিস্থিতিতে সীমান্তে সর্বোচ্চ পর্যায়ের সতর্কতা জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সীমান্ত পাহারায় মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি বিএসএফ জওয়ান। তবে তাতেও জল – জঙ্গলে ভরা সীমান্তে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। টহলদারির পাশাপাশি সীমান্তে নজরদারির জন্য ড্রোন ওড়াচ্ছে বিএসএফ (BSF)। অনুপ্রবেশ রুখতে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত সেনা জওয়ান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tufanganj Incident: প্রকাশ্য রাস্তায় মহিলার চুলের মুঠি ধরল পুলিশ! ক্লোজ করা হল তুফানগঞ্জের এসআইকে

    Tufanganj Incident: প্রকাশ্য রাস্তায় মহিলার চুলের মুঠি ধরল পুলিশ! ক্লোজ করা হল তুফানগঞ্জের এসআইকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবছর লোকসভা ভোটের প্রথম চার দফা ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। বাকি রয়েছে পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম-এই তিন দফার ভোট। কিন্তু রাজ্যে এই ভোটের আবহের মধ্যেই এক  মহিলাকে পুলিশি হেনস্থার শিকার হতে হল। ঘটনায় অভিযুক্ত এসআই। কোচবিহারের তুফানগঞ্জের সেই ঘটনায় (Tufanganj Incident) এবার ওই পুলিশ আধিকারিককে করা হল ক্লোজ।

    ঠিক কী ঘটছিল? (Tufanganj Incident) 

    ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার।  নিগৃহীতা মহিলার বয়ান অনুযায়ী, পারিবারিক বিবাদের জন্য গত ৯ তারিখ বাড়িতে সালিশি সভা হয়। অভিযোগ, বচসা শুরু হতেই এই সালিশি সভার ভিতরেই এলাকার তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির আলি তাঁকে মারধর করেন। এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করতে গেলেও নাকি অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি বলে দাবি তাঁর। নিগৃহীত মহিলা বলেন, “বাড়ির লোক মারল না। তৃণমূল নেতা মারল। আমি থানায় গেলেও পুলিশ কোনও কথা শোনেনি। আমার কেসও নেয়নি।” এরপর এই ঘটনার (Tufanganj Incident) প্রতিবাদে বিচার চেয়ে নাটাবাড়ি গ্রামপঞ্চায়েতের সামনে আন্দোলন শুরু করেন তিনি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। অভিযোগ এরপর প্রকাশ্যেই পুলিশের এক এসআই মহিলাকে তাঁর চুলের মুঠি ধরে মারতে মারতে পুলিশের গাড়িতে তোলেন। 
    এ প্রসঙ্গে সিপিএম প্রার্থী সুজন চক্রবর্তী বলেন, “এটা বঙ্গের সংস্কৃতীর সঙ্গে যায় না। মহিলাদের কোনও নিরাপত্তা নেই? তৃণমূল নেতারা আসবে, মারধর করবে। তারপর পুলিশ অভিযোগ করবে না।”

    আরও পড়ুন: “সিএএ নিয়ে তৃণমূলের প্রচার ঠিক হলে আমি থুতু চাটব”, চ্যালেঞ্জ মিঠুনের

    পুলিশ আধিকারিককে ক্লোজ করার সিদ্ধান্ত 

    অন্যদিকে ঘটনার (Tufanganj Incident) খবর জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। একজন মহিলাকে কী করে চুলের মুঠি ধরে টেনে ওই পুলিশ আধিকারিক গাড়িতে তুললেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এলাকার মানুষ। যদিও ইতিমধ্যেই সেই পুলিশ আধিকারিককে ক্লোজ করা হয়েছে। জেলা পুলিশ আধিকারিক জানান, ওই পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: সন্দেশখালির ছায়া দিনহাটায়, মহিলাদের প্রবল বিক্ষোভে পালিয়ে বাঁচলেন উদয়ন

    Cooch Behar: সন্দেশখালির ছায়া দিনহাটায়, মহিলাদের প্রবল বিক্ষোভে পালিয়ে বাঁচলেন উদয়ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের এলাকায় বিক্ষোভের মুখে পড়ে কার্যত পালিয়ে বাঁচলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী তথা দিনহাটার (Dinhata) বিধায়ক উদয়ন গুহ। এদিনের ছবি মনে করিয়ে দেয় সন্দেশখালির স্মৃতি। কোচবিহারের (Cooch Behar) ভেটাগুড়ি এলাকায় মহিলাদের বিক্ষোভের মুখে পুলিশকে সঙ্গী করে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান উদয়নবাবু (Udayan Guha)। ঘটনায় সমালোচনা করেছেন বিজেপি নেতা নিশীথ প্রমাণিক।

    উদয়নের বিরুদ্ধে মহিলাদের প্রতিবাদ (Cooch Behar)

    এলাকার (Cooch Behar) এক পঞ্চায়েত সদস্যকে আটক করার প্রতিবাদে শুরু হয় বিক্ষোভ। ওই পঞ্চায়েত সদস্য আবার বিজেপি (BJP) নেতা। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এর পরেই প্রতিবাদ শুরু করেন স্থানীয় মহিলারা। উদয়ন গুহর অঙ্গুলিহেলনে এসব করা হয়েছে বলে তাঁদের মত। উদয়নবাবু এরপর জোর দেখাতে ওই এলাকায় এসেছেন বলে চেঁচাতে শুরু করেন প্রতিবাদীরা। তাঁরা বিক্ষোভ শুরু করেন।

    মহিলাদের বক্তব্য

    স্থানীয় (Cooch Behar) মহিলাদের বক্তব্য, “এলাকায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোট চলছিল। উদয়ন গুহ নিজের মতো ভোট করানোর জন্য পুলিশকে বলে পঞ্চায়েত সদস্যকে গ্রেফতার করিয়ে দিয়েছেন। তিনি আসার পরেই এলাকার পরিস্থিতি অশান্ত হতে শুরু করে। প্রসঙ্গত ভোটের আগে দাপিয়ে বেরিয়েছিলেন উদয়ন গুহ। এদিনও বিভিন্ন জায়গায় তিনি দাপিয়ে বেড়ান। কিন্তু এলাকার মহিলাদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে যেভাবে পালিয়ে গেলেন, তাতে তাঁর কতটা ইজ্জত শেষ রইল তা প্রশ্নাতীত।”

    নিশীথের বক্তব্য

    পাল্টা কোচবিহার (Cooch Behar) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রমাণিক (Nisith Pramanik) বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী কয়েকদিন আগে বলেছিলেন মা-বোনেদের ঝাঁটা হাতে তৈরি থাকতে। মা-বোনেরা তৈরি আছেন। এবার তিনি দেখুন মা-বোনেরা এগিয়ে এলে কেমন লাগে। গোটা বাংলা ধীরে ধীরে সন্দেশখালি হয়ে উঠছে। উদয়ন গুহ যেখানেই যাচ্ছেন অশান্তি করছেন। তাই মহিলারা বিক্ষোভ দেখাবেনই।”

    আরও পড়ুনঃ বিজেপি বিধায়ককে গ্রেফতারের চেষ্টা পুলিশের, নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভে ধুন্ধুমার শিলিগুড়িতে

    কী বললেন উদয়ন?

    যদিও দিনহাটার (Cooch Behar) বিধায়ক উদয়ন গুহ বলেন, “বিজেপির সাজানো বিক্ষোভ। কাউকেই গ্রেফতার করার নির্দেশ দিইনি। পুলিশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা ভেবে গ্রেফতার করেছে বিজেপির ওই পঞ্চায়েত সদস্যকে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: বিজেপি বিধায়ককে গ্রেফতারের চেষ্টা পুলিশের, নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভে ধুন্ধুমার শিলিগুড়িতে 

    Siliguri: বিজেপি বিধায়ককে গ্রেফতারের চেষ্টা পুলিশের, নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভে ধুন্ধুমার শিলিগুড়িতে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি বিধানসভা (Siliguri) কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়কে পুলিশের গ্রেফতারির চেষ্টায় উত্তেজনা ছড়াল শিলিগুড়িতে। বিজেপি বিধায়ককে আটকে দেয় পুলিশ। প্রথম দফার ভোট শুরু হতেই উত্তেজনা উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায়। লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটে (Lok Sabha Election 2024) উত্তরবঙ্গের তিনটি কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে জলপাইগুড়ি আসন। শিলিগুড়ি শহর লাগোয়া ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্র জলপাইগুড়ি আসনের অন্তর্গত। এর মধ্যে রয়েছে শিলিগুড়ি পুরসভার সংযোজিত এলাকার ১৪ টি ওয়ার্ড। পরাজয় নিশ্চিত বুঝেই শিলিগুড়ির মেয়র তৃণমূল নেতা গৌতম দেব পুলিশ লেলিয়ে অনৈতিকভাবে তাঁকে গ্রেফতারের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ শিখ চট্টোপাধ্যায়ের। এই ঘটনায় বিজেপি কর্মীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। উত্তেজনা ছড়ায়।

    ঠিক কী হয়েছিল (Lok Sabha Election 2024)?

    ভোটের দিনে (Lok Sabha Election 2024) সকালে নিজের বিধানসভা (Siliguri) এলাকায় বুথে বুথে ঘুরে দলীয় কর্মীদের খোঁজখবর নিচ্ছিলেন শিখা চট্টোপাধ্যায়। সেইমতো তিনি দুপুরের পর শিলিগুড়ি পুরসভার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে পৌঁছলে পুলিশ তাঁর গাড়ি আটকে সামনে বসে পড়ে। তাঁকে গ্রেফতারের চেষ্টাও করে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, নির্বাচন বিধি ভেঙে বুথের মধ্যে ঢুকে ভোটারদের প্রভাবিত করছেন শিখাদেবী। পুলিশের এই ভূমিকায় বিজেপি নেতাকর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে বিক্ষোভ দেখান। পুলিশ পিছু হটলে শিখাদেবীকে বের করে তাঁরা দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে যান।

    “গৌতম দেবের নির্দেশেই পুলিশের এই কাজ”

    ভোটের (Lok Sabha Election 2024) দিনে এদিন দলীয় (Siliguri) কার্যালয়ে বসে শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমি এলাকার বিধায়ক। কাজেই এই বিধানসভা কেন্দ্রের সব জায়গাতেই আমার যাওয়ার অধিকার রয়েছে। আমি এভাবে সকাল থেকে বুথে বুথে ঘোরায় শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব চিন্তায় পড়ে যান। তাঁর ওয়ার্ডে পৌঁছলে আতঙ্কিত হয়ে পুলিশকে লেলিয়ে দেন তিনি। কেননা আমি যেভাবে এলাকায় ঘুরছি, তাতে তাঁর ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপি প্রার্থী বিপুল ভোটে এগিয়ে থাকবে। নিজের ওয়ার্ডে দলীয় প্রার্থীকে লিড দিতে না পারলে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে প্রশ্নের মুখে পড়তে হবে গৌতম দেবকে। সেই আতঙ্কে তিনি পুলিশকে দিয়ে আমাকে অনৈতিকভাবে গ্রেফতারের চেষ্টা করা করেন। পুরুষ পুলিশ আমাকে টানা-হ্যাঁচড়া করেছে, এটা শ্লীলতাহানির সমান। আমি নির্বাচন কমিশনকে পুরো ঘটনা জানাব।

    আরও পড়ুনঃ টর্নেডোয় সর্বস্ব খুইয়েছেন, নেই ভোটার কার্ড! স্লিপ নিয়েই ভোট দিলেন ময়নাগুড়ির ভোটাররা

    শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবের বক্তব্য

    শিলিগুড়ির (Siliguri) মেয়র গৌতম দেব বলেন, “এদিন সকাল থেকে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং ফুটেজে দেখেছি শিখা চট্টোপাধ্যায় বুথের ভিতরে ঢুকে যাচ্ছেন নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024) বিধি ভেঙে। উনি এভাবে নিজের বুথের বাইরে অন্য কোনও বুথের মধ্যে ঢুকতে পারেন না। আমরা সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: এবার গ্রাউন্ড জিরো থেকে কোচবিহারের ওপর সরাসরি নজর দুই বিশেষ পর্যবেক্ষকের

    Lok Sabha Election 2024: এবার গ্রাউন্ড জিরো থেকে কোচবিহারের ওপর সরাসরি নজর দুই বিশেষ পর্যবেক্ষকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে ভোটের ময়দানে যুদ্ধ শুরু হতে চলেছে শুক্রবার থেকে। ১৯ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ পর্ব রয়েছে। এবারের লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) প্রথম দফার ভোটগ্রহণ রয়েছে উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে। তবে একুশের বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই এবার বাড়তি নিরাপত্তার জন্য কোচবিহারকেই (Coochbehar) পাখির চোখ করছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর, ভোটগ্রহণ পর্বের দিন সেখানেই দুই বিশেষ পর্যবেক্ষক (Special Observers) রাখছে নির্বাচন কমিশন।

    একুশের বিধানসভা ভোট

    একুশের বিধানসভা ভোটের সময় তপ্ত হয়েছিল কোচবিহার। এবারও লোকসভা ভোটের আগে নিশীথ-উদয়নের মধ্যে বাকবিতণ্ডা লেগে রয়েছে। তাই অনেকেই মনে করছেন এমন অবস্থায় এবার গ্রাউন্ড জিরোয় থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে চাইছেন নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষকরা।

    থাকবেন কমিশনের দুই বিশেষ পর্যবেক্ষক

    বর্তমানে সময় বদলেছে। আর সময়ের সঙ্গে বদলেছে পরিস্থিতিও। আগে লোকসভা নির্বাচন বা বিধানসভা নির্বাচনের সময় পর্যবেক্ষকরা ভোটের দিন দূর থেকেই অপারেশন করতেন। তবে এবার প্রথম ভোটগ্রহণ (Lok Sabha Election 2024) পর্বের দিন জেলায় হাজির থাকছেন নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষকরা। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ভোটের দুদিন আগে আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে থাকবেন কমিশনের দুই বিশেষ পর্যবেক্ষক। তারপর ভোটগ্রহণের দিন কোচবিহারে থাকবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ওই দুই বিশেষ পর্যবেক্ষক।

    বিজেপি ভরসা রেখেছে নিশীথের ওপরেই

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)। সেবার তৃণমূল কংগ্রেসের পরেশচন্দ্র অধিকারীকে হারিয়ে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। এমনকী একুশের বিধানসভা নির্বাচনেও এই কেন্দ্রের পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্র দখলে রাখতে সফল হয়েছিল বিজেপি (BJP)। তাই এবারেও বিজেপির বিশ্বাস উত্তরবঙ্গে তাদের গড়ে ছক্কা হাঁকাবেন নিশীথ প্রামাণিক। উল্লেখ্য, রাজবংশীদের ভোট যেদিকে যাবে, কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রে সেই দলই জিতবে। এমন একটা সমীকরণ হয়ে রয়েছে এখানে। আর এই রাজবংশী সম্প্রদায়কে কাছে টানতে কোনও খামতি রাখছেনা তৃণমূল-বিজেপি দুই শিবির। রাজবংশী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি নিশীথ প্রামাণিককে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করে এবং অনন্ত মহারাজকে রাজ্যসভায় পাঠিয়ে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে বিজেপি(BJP)। ফলে বোঝাই যাচ্ছে এবারের লোকসভা নির্বাচনে নিশীথের ওপরেই ভরসা করে আছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: রাজ্যপালকে কোচবিহারে যেতে নিষেধ করল কমিশন, কেন জানেন?

    Lok Sabha Elections 2024: রাজ্যপালকে কোচবিহারে যেতে নিষেধ করল কমিশন, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে কোচবিহার যেতে নিষেধ করল নির্বাচন কমিশন (Lok Sabha Elections 2024)। মঙ্গলবার রাজভবনের তরফে কমিশনকে রাজ্যপালের কোচবিহার সফরসূচির বিষয়ে জানানো হয়। তার পরেই রাজ্যপালকে যেতে নিষেধ করে কমিশন। রাজভবনে ইমেইল করে তা জানিয়েও দেওয়া হয়। 

    কমিশনের বক্তব্য (Lok Sabha Elections 2024)

    শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল প্রথম দফার লোকসভা নির্বাচন। এই দফায় নির্বাচন হবে উত্তরবঙ্গের তিন আসনেও। ১৭ এপ্রিল সন্ধে ছ’টায় শুরু হয়ে গিয়েছে সাইলেন্স পিরিয়ড। ভোটের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন নিরাপত্তা কর্মীরা (Lok Sabha Elections 2024)। এমতাবস্থায় হাই প্রোফাইল কোনও ব্যক্তি সেখানে গেলে তাঁর নিরাপত্তার প্রয়োজন হবে। সেই কারণে প্রয়োজন হবে ফোর্সের। এই মুহূর্তে যা দেওয়া সম্ভব নয় বলেই কমিশনের বক্তব্য।

    সাইলেন্স পিরিয়ড

    প্রসঙ্গত, সাইলেন্স পিরিয়ড শুরু হয়ে গেলে কোনও নির্বাচনী কেন্দ্রে রাজনৈতিক কোনও ব্যক্তিত্ব যিনি ওই কেন্দ্রের ভোটার নন, তিনিও যেতে পারেন না। যেতে পারেন না হাই প্রোফাইল কোনও ব্যক্তিত্বও। রাজ্যপালের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যপালকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত থাকতে হয় জেলাশাসক, পুলিশসুপারকে। তাঁরা সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়বেন নির্বাচনের কাজে। এই সব কারণে রাজ্যপালকে কোচবিহার সফরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে কমিশনের তরফে (Lok Sabha Elections 2024)।

    আরও পড়ুুন: রাম নবমীর শোভাযাত্রায় বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে পা মেলালেন তৃণমূল নেত্রী!

    শুক্রবার যে তিনটি আসনে লোকসভা নির্বাচন হবে, তার একটি কোচবিহার। এই কেন্দ্রে বিজেপির বাজি বিদায়ী মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। এই কেন্দ্রেরই শীতলকুচি, ভেটাগুড়ি-সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আসছে অশান্তির খবর। দিনহাটা থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল।

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গ সফরে যেতে চেয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। নির্বাচনের দিন কোচবিহারে থেকে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ভোট প্রক্রিয়ার অগ্রগতি দেখতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে কমিশনের তরফে নিষেধ করায় আপাতত স্থগিত হয়ে গেল রাজ্যপালের কোচবিহার সফর (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar Storm: ঝড়ে তছনছ এলাকা, উড়ে গেল গোটা বাড়ি, ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

    Alipurduar Storm: ঝড়ে তছনছ এলাকা, উড়ে গেল গোটা বাড়ি, ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar Storm) ঝড়ে তছনছ হয়ে উড়ে গেল গোটা বাড়ি। একই ভাবে ঝড়ে দাপটে কোচবিহারে বিঘার পর বিঘা ফসলের জমি নষ্ট হয়ে গেল। গতকাল রবিবার দুপরের পরে ঝড়ে টিনের তৈরী বাড়িকে লন্ডভন্ড করে দিয়েছে। দিনমজুর-কৃষকেরা মাথায় ছাদ হারালেন। এই ঝড়ে জলপাইগুড়িতেও সাধারণ মানুষের জনজীবন ব্যাপক ভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। খোলা হয়েছে ত্রাণ শিবির।

    মাত্র ৪ মিনিটের ঝড়ে তছনছ (Alipurduar Storm)!

    রবিবার বিকেলে ঝড়ের (Alipurduar Storm) তাণ্ডবে আলিপুরদুয়ারের বিস্তীর্ণ এলাকা। এই জেলার আলিপুরদুয়ার ১ নম্বর ব্লকের তপসিখাতা গ্রাম। ঝড়ে উড়িয়ে নিয়ে গিয়েছে টিনের তৈরি বাড়ি। মাথার উপর টিনের ছাদ না থাকায় দিন মজুরের পরিবার ভীষণ চিন্তিত। বাড়িতে রয়েছে তিনজন পড়ুয়া। তাদের বেশীর ভাগ বই পত্র ঝড়ে উড়ে গিয়েছে। একই ভাবে ঝড়ের সঙ্গে হওয়া বৃষ্টির জলে জামা কাপড়, খাতা-বই সব ভিজে গিয়েছে। রান্নাঘর যেন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

    মাথাভাঙায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

    আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar Storm) মতো একই ভাবে ঝড়ের প্রভাব পড়েছে কোচবিহারের মাথাভাঙা এলাকায়। এলাকায় বেশ কিছু মানষ আহত হয়েছেন। রবিবার বিকেল ৫ টার সময় মাথাভাঙা ১ নম্বর ব্লকের শিকারপুর, কুরশামারি, এলঙমারি-সহ একাধিক জায়গায়র উপর দিয়ে ঝড় বয়ে যায়। জানা গিয়েছে মোট ২০০ বাড়ি ভেঙে পড়েছে। প্রচুর গাছপালা ভেঙে পড়েছে। এলাকার বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়েছে। এলাকায় কোনও বিদ্যুৎ নেই। ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে নষ্ট হয়েছে বিঘার পর বিঘা জমি। রাতেই এলাকা পরিদর্শনে যান স্থানীয় প্রশাসনের আধিকারিক।

    খোলা হয়েছে ত্রাণ শিবির

    ঘূর্ণিঝড়ের (Alipurduar Storm) ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছে কুমারগ্রামের উত্তর হলদিবাড়ি, ফালাকাটার জটেশ্বর এলাকায়। প্রচুর ফসল নষ্ট হয়েছে। অনেক টাকার সম্পদ ধ্বংস হয়েছে। ভুট্টার ফসলের জমি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এমন কী কুমার গ্রামে রীতিমতো ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। আশ্রয় নিয়েছেন সাধারণ মানুষ। এদিকে জলপাইগুড়ির পরিস্থিতি ব্যাপক খারাপ। মৃত্যু হয়েছে প্রচুর গবাদি পশু। এলাকার গাছ ভেঙে পড়েছে। উল্টে পড়ে রয়েছে গাছ। কয়েক মিনিট ঝড়ে প্রাণ কেড়েছে মানুষের। বার্নিশ গ্রামে ২ জন, জলপাইগুড়ি পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের সেন পাড়ায় ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। অপর দিকে গুয়াহাটি বিমান বন্দরের ছাদের একটা অংশ ভেঙে পড়েছে। ৬ টি বিমান অন্য পথে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Telegram, Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Coochbehar: ভোট চাইতে এলে বিজেপি কর্মীদের বেঁধে রাখার ফরমান দিয়ে বিতর্কে রবীন্দ্রনাথ ঘোষ

    Coochbehar: ভোট চাইতে এলে বিজেপি কর্মীদের বেঁধে রাখার ফরমান দিয়ে বিতর্কে রবীন্দ্রনাথ ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট যত এগিয়ে আসছে, লজ্জা-শরমের মাথা খেয়ে তৃণমূল নেতারা ততই যেন বেপরোয়া হয়ে উঠছেন। বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাদের প্রতি অশালীন আক্রমণ এবং কদর্য ভাষা ব্যবহারে একজন যেন অন্যজনকে টেক্কা দেওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। বিরোধীরা অবশ্য এর মধ্যে অবাক করার মতো কিছু দেখছেন না। তাঁরা বলছেন, যেখানে দলের নেত্রীর মুখে আগল নেই, সেখানে অন্য নেতারা যে তাঁরই পথ অনুসরণ করবেন, তা নিয়ে আর বলার কী আছে। তালিকায় এবারের সংযোজন হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সহ-সভাপতি তথা কোচবিহার (Coochbehar) পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। বিজেপির কর্মীরা যদি বাড়িতে ভোট চাইতে যায় তাহলে তাঁদের বেঁধে রাখার ফরমান জারি করেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, বিজেপির দুই শীর্ষ নেতা অমিত শাহ এবং জেপি নাড্ডাকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ করতেও ছাড়েননি। তৃণমূল নেতার এই ধরনের উস্কানিমূলক মন্তব্য রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণ হয়ে উঠতে পারে বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা।

    কী বললেন তিনি? (Coochbehar)

    সামনেই ভোট। তাই তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন জেলায় কর্মিসভার আয়োজন করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সেরকমই এক কর্মিসভা ছিল তুফানগঞ্জ বিধানসভার শালবাড়ি এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের শালবাড়ি হাইস্কুল ময়দানে। সেখানেই ভাষণ দিতে গিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঘোষ (Coochbehar) বলেন, “বাংলায় কয়েকদিন আগে দুজন এসেছিলেন। একজন কার্তিক ঠাকুরের মতো দেখতে, আর একজন মোটা ভাই অমিত শাহ। মাশান ঠাকুরের মতো ঘুরে বেড়াচ্ছে। এদের লোকেরা যদি বাড়িতে ভোট চাইতে যায়, তাহলে বেঁধে রাখবেন এবং জিজ্ঞাসা করবেন ১০০ দিনের কাজের টাকা কেন আটকে দেওয়া হয়েছে।” কর্মীদের উদ্দেশে তাঁর সাফ কথা, আগে ১০০ দিনের কাজের টাকা দেওয়া হোক তারপর ভোটের কথা।

    কী বলছে বিজেপি? (Coochbehar)

    তৃণমূল নেতার এই মন্তব্যের সরাসরি জবাব দিয়েছে বিজেপি। দলের তুফানগঞ্জ বিধানসভার (Coochbehar) কনভেনার বিমল পাল বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের তো দুর্নীতির শেষ নেই। গরু চুরি, কয়লা চুরি, ১০০ দিনের টাকা চুরি থেকে শুরু করে আরও কত কী। ওরা এত দুর্নীতি করেছে যে ওদেরই সাধারণ মানুষ বেঁধে রাখবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Ragging: র‍্যাগিংয়ের শিকার কোচবিহার পলিটেকনিক কলেজের দুই ছাত্র, চাঞ্চল্য

    Ragging: র‍্যাগিংয়ের শিকার কোচবিহার পলিটেকনিক কলেজের দুই ছাত্র, চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিংকাণ্ডে (Ragging) তোলপাড় হয়ে যায় গোটা রাজ্য। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই ফের র‍্যাগিংয়ের ঘটনা ঘটল কোচবিহার পলিটেকনিক কলেজের দুই ছাত্রের সঙ্গে। এদের মধ্যে একজন মেকানিক্যাল এবং অপরজন অটোমোবাইলের প্রথম বর্ষের ছাত্র। তাঁদের বাড়ি কোচবিহার মাথাভাঙ্গা-২ নম্বর ব্লকের ঘোকসাডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা। সিনিয়ার মেসে গিয়ে দুজন প্রথম বর্ষের ছাত্রের উপর এতটাই অত্যাচার করে যে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। কোচবিহার জেলা পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ঘটনা তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Ragging)

    স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত আটটা নাগাদ কোচবিহার পলিটেকনিক কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র আকাশ আইচ এবং খোকন বর্মন তাদের মেসে ছিল। সে সময় সেই মেসে থাকা  আরেকজন সিনিয়ার বাইরে থেকে বহিরাগতদের নিয়ে এসে তাদের উপর আক্রমণ চালায়। তাদের মুখে রুমাল গুঁজে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এর আগেও এই সিনিয়ার এসে তাদের উপর অত্যাচার করত বলে অভিযোগ। শুক্রবার রাতেও সে হামলা চালায়। কোচবিহার পলিটেকনিক কলেজের জেনারেল সেক্রেটারি মিসবাহুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত ওই সিনিয়ার প্রায় দিনই একটি মেয়েকে সঙ্গে করে নিয়ে এসে মেসে উঠত। দীর্ঘদিন থেকে এই বিষয়টির প্রতিবাদ জানিয়ে আসছিল আকাশ এবং খোকন। এটাই তাদের অপরাধ। তাই, বাইরে থেকে দুজনকে নিয়ে এসে ওই দুই পড়ুয়াকে বেধড়ক মারধর করা হয়। আকাশ আইচকে কোচবিহার এন জে এন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিছুটা সুস্থ অবস্থায় শনিবার ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু, অত্যন্ত গুরুতরভাবে জখম খোকন বর্মন কোচবিহারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ইতিমধ্যেই ঘটনায় পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে।

    আক্রান্তের ছাত্রের বাবা ও মেসের মালিক কী বললেন?

    ঝকম খোকন বর্মনের বাবা পরিমল বর্মন বলেন, মেসের মধ্যেইও র‍্যাগিংয়ের (Ragging) ঘটনা ঘটল। এটা মেনে নিতে পারছি না। আমরা অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। মেসের মালিক কার্তিক শীল বলেন, মাত্র এক মাস হয়েছে ওই দুই ছাত্র আমার মেসে এসেছে। মেসের দেখভাল করে আমার স্ত্রী। র‍্যাগিংয়ের বিষয়টি আমার জানা নেই।

    কী বললেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ?

    পলিটেকনকিক কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রণব সাহারায় বলেন, অ্যান্টি র‍্যাগিং (Ragging) টিম বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ধরনের ঘটনাকে প্রশয় দেওয়া হবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Coochbehar: কোচবিহারে বাড়ি সংস্কার করতে হলেও দিতে হবে নতুন হারে পুরকর, আন্দোলনে বিজেপি

    Coochbehar: কোচবিহারে বাড়ি সংস্কার করতে হলেও দিতে হবে নতুন হারে পুরকর, আন্দোলনে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ির কোনও সংস্কার করতে হলেই দিতে হবে পুরকর। এমনই নির্দেশ জারি করেছে কোচবিহার (Coochbehar) পুরসভা। যা নিয়ে পুরসভা এলাকাজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। পুরসভার হাজার হাজার বাসিন্দা চরম ক্ষুব্ধ। আর এই ইস্যুকে সামনে রেখেই আন্দোলনে নেমেছে বিজেপি।

    পুরসভার নতুন নির্দেশিকা কী? (Coochbehar)

    কোচবিহার (Coochbehar) পুরসভা এলাকায় পুরানো বাড়ি কেউ সংস্কার করলে, বাড়িতে কেউ টাইলস বা মার্বেল বসাতে চাইলে পুরসভাকে আগে কর দিতে হবে। পুরসভার নতুন ফরমান অনুযায়ী পুরসভার সব বাসিন্দাকে এই নির্দেশ মেনে চলতে হবে। আর এতেই পুরসভার বাসিন্দারা রীতিমতো ক্ষুব্ধ। একই সঙ্গে ভবানীগঞ্জের বাজারে বহু বছর ধরে ব্যবসায়ীরা রয়েছে। পুরসভার নির্দেশ অনুযায়ী কোনও ব্যবসায়ী নিজের দোকান কাউকে বিক্রি করতে পারবে না। কোনও ব্যবসায়ী দোকান বিক্রি করতে চাইলে পুরসভাকে তা হস্তান্তর করতে হবে। বৃহস্পতিবারই দলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে বিজেপির দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক নিখিলরঞ্জন দে মিছিল করে পুরসভায় জমায়েত হন। পুর কর্তৃপক্ষের কাছে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে দরবার করেন।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি বিধায়ক নিখিলরঞ্জন দে বলেন, কোচবিহার (Coochbehar) পুরসভার সার্বিক পরিষেবা বলে কিছু নেই। মূলত এই পুরসভা এলাকায় একাধিক রাস্তা বেহাল রয়েছে। সেই রাস্তা সংস্কার করার বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কোনও হেলদোল নেই। অথচ পুরসভার প্রচুর টাকা রয়েছে। কারণ, ভবানীগঞ্জের বাজার মিনি মার্কেট সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে পুরসভা প্রচুর টাকা পুরকর সংগ্রহ করে। কিন্তু, সেই টাকার কোনও পরিষেবা নেই। এখন বাড়ি সংস্কারে পুরকর ধার্য করেছে পুরসভা। এটা বাস্তবে নেওয়া কি ঠিক? পুরসভা গা জোয়ারি করে এই সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিয়েছে। পুরসভার বাসিন্দারা রীতিমতো ক্ষুব্ধ। পুরসভার এই অবিবেচক সিদ্ধান্ত নিয়ে পুরমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা এই ধরনের নিয়ম বদলানোর দাবি জানাচ্ছি। আমাদের এই আর্জি মেনে সিদ্ধান্ত বদল না করলে আমরা আগামীদিনে এই ইস্যুকে সামনে রেখে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল পরিচালিত কোচবিহার (Coochbehar) পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, পুর আইন অনুযায়ী আমি এই কাজ করেছি। পুর আইনের বাইরে আমি কিছু করিনি। সামনে নির্বাচন আছে তাই বিজেপি এসব করেছে। এটা নিয়ে আমার কাছে বলার কিছু  নেই।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share