Tag: Corona Death

Corona Death

  • Coronavirus Alert: ফের কি ফিরছে করোনা আতঙ্ক? রাজ্যে চিকিৎসকের মৃত্যু ঘিরে উদ্বেগ, সতর্ক থাকার পরামর্শ

    Coronavirus Alert: ফের কি ফিরছে করোনা আতঙ্ক? রাজ্যে চিকিৎসকের মৃত্যু ঘিরে উদ্বেগ, সতর্ক থাকার পরামর্শ

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    পুরোনো আতঙ্ক কি ফের ফিরে আসছে? এই নিয়ে উদ্বেগে সাধারণ মানুষ থেকে চিকিৎসকদের একাংশ। দিন কয়েক আগে রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে এক চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে! আর তারপরেই ফের আতঙ্ক বাড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, আগাম সতর্কতা না থাকলে ফের বিপদ বাড়তে পারে‌।

    কেন আবার করোনা নিয়ে উদ্বেগ?

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক সন্দীপ বাগ মারা যান। জানা যায়, তাঁর শরীরে করোনা সদৃশ ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়। ওই চিকিৎসক নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ওই চিকিৎসকের ফুসফুসের কার্যক্ষমতা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গিয়েছিলো। ডেথ সার্টিফিকেটে অবশ্য মৃত্যুর কারণ হিসাবে, ম্যাসিভ অ্যাকিউট মায়োকার্ডিয়াল ইনফ্রাকশন’ অর্থাৎ গুরুতর হার্ট অ্যাটাকের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সংক্রমণ থেকে হার্টের একটি বড় অংশে রক্ত সরবরাহ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলেই এই পরিণতি ঘটে। তবে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা শেষ হয়ে যাওয়ার নেপথ্যে করোনার মতো ভাইরাস সক্রিয় ছিল বলেই জানা যায়। তাঁর বয়স ছিল ৪৩ বছর। হঠাৎ এই মৃত্যুতেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসকের মৃত্যুর পরে বাড়তি সতর্কতার সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ।

    করোনা পরিস্থিতি কতখানি উদ্বেগজনক?

    স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছেন, করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। তবে অবশ্যই সতর্কতা ও সচেতনতা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তাছাড়া করোনা টিকা করণ হয়ে গিয়েছে। ফলে, ২০১৯ সালের মতো পরিস্থিতি আর হয়তো তৈরি হবে না। সংক্রমণ ঘটলেও রোগ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। মৃত্যু মিছিল আটকানো যাবে। কারণ এই ভাইরাসের প্রতিষেধক নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসা সম্পর্কেও এখন ধারণা রয়েছে। তাছাড়া রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, এমন কোনো তথ‌্য নেই। তাই অযথা উদ্বিগ্ন বা আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। কিন্তু অবশ্যই সচেতনতা জরুরি।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা?

    করোনা মহামারির দাপট যাতে ফের ফিরে না আসে, তার জন্য প্রথম থেকেই সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভাইরাস ঘটিত সংক্রমণ রুখতে সচেতনতা জরুরি। করোনা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সেই সচেতনতা জারি রাখতে হবে।

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, ফের মাস্ক ব্যবহারের অভ্যাস ফিরিয়ে আনতে হবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, করোনা ফুসফুসের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে। ফুসফুসের কার্যক্ষমতা শেষ করেই এই ভাইরাস মৃত্যু ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই মাস্ক করোনা রুখতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে‌। হাতে তালু দিয়ে করোনা নাক ও মুখে প্রবেশ করে। আর সেখান থেকেই এই ভাইরাস শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। তাই করোনা সংক্রমণ রুখতে অন্যতম হাতিয়ার মাস্ক। নাক ও মুখ ঢাকা মাস্ক পরে তবেই বাইরে যাওয়া উচিত। বিশেষত বয়স্কদের অবশ্যই বাইরে ভিড় এলাকায় যাওয়ার আগে মাস্ক পরা প্রয়োজন। বয়স্কদের করোনা বাড়তি বিপদ তৈরি করতে পারে। তাই ষাটোর্ধ্বদের বেশি সচেতন থাকতে হবে।

    হাত পরিষ্কারের স্বাস্থ্যবিধি অবশ্যই মেনে চলতে হবে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাঁদের পরামর্শ, বাইরে থেকে ফিরলেই ভালোভাবে সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে। খাবার খাওয়ার আগে এবং পরেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাত পরিষ্কার করতে হবে। যাতে হাতে ভাইরাসের সংক্রমণ না হয়। যাতে হাত থেকে শরীরের ভিতরে ভাইরাস সংক্রমিত না হতে পারে।

    তাছাড়া জ্বর, সর্দি-কাশি হলে একেবারেই অবহেলা করা উচিৎ নয়। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বর্ষার মরশুমে অনেকেই জ্বর-সর্দি-কাশিতে কাবু হচ্ছেন‌। অনেক সময়েই সেটা সাধারণ ভাইরাস ঘটিত জ্বর । কিন্তু দিন দুয়েক টানা জ্বর থাকলে সেটা অবহেলা করা যাবে না।‌ কারণ, তাতে করোনার মতো ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটলে প্রথম থেকেই সতর্ক থাকতে হবে। প্রথমেই রোগ চিহ্নিত করে চিকিৎসা শুরু করলে বড় বিপদ আটকানো সহজ হবে। পাশপাশি চিকিৎসা দ্রুত শুরু হলে রোগ সংক্রমণের ঝুঁকিও কমবে।

  • Coronavirus Updates: করোনা সংক্রমণ কমলেও জারি সতর্কতা, কতটা মারাত্মক নয়া ভ্যারিয়েন্ট?

    Coronavirus Updates: করোনা সংক্রমণ কমলেও জারি সতর্কতা, কতটা মারাত্মক নয়া ভ্যারিয়েন্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কমল করোনা সংক্রমণ। সংক্রমিতের সংখ্যা ১৬ হাজার থেকে ১৩ হাজারে নেমে এসেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ১৩ হাজার ৮৬ জন। সোমবার সংখ্যাটি ছিল ১৬ হাজার ১৩৫। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের জেরে মৃত্যু হয়েছে ২৪ জনের। এদিকে, ভারতে ফের করোনা ভাইরাসের নয়া ভ্যারিয়েন্টের হদিশ মিলেছে বলে দাবি ইজরায়েলি গবেষকদের।

    গত এক সপ্তাহ ধরে দেশে করোনা সংক্রমণের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ায় ছড়িয়েছিল আতঙ্ক। আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে করোনা বিধি জারি করেছিল কয়েকটি রাজ্য। মহারাষ্ট্র, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গে করোনা সংক্রমণের গ্রাফ ছিল উর্ধ্বমুখী। তবে গত কয়েক দিনে মহারাষ্ট্রে করোনা সংক্রমণ অনেকটাই কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত হয়েছেন ১৫১৫ জন। দিন কয়েক আগে পর্যন্তও সংখ্যাটি ছিল তিন হাজারের ঘরে। গত ২৪ ঘণ্টায় কেরলে সংক্রমিত হয়েছেন ৩৩২২জন। সংখ্যাটা পৌঁছে গিয়েছিল চার হাজারের ঘরে। সংক্রমণ কমেছে তামিলনাড়ুতেও। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে সংক্রমিত হয়েছেন ২৬৫৪ জন। ওই সময়সীমার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে সংক্রমিত হয়েছেন ১১৩২ জন। যা আগের তুলনায় অনেকটাই কম।

    আরও পড়ুন : সক্রিয় রোগীর সংখ্যা এক লক্ষ পার, ফের ভয় ধরাচ্ছে করোনা!

    এদিকে, সম্প্রতি চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে একদল ইজরায়েলি গবেষক। তাঁদের দাবি, পশ্চিমবঙ্গ সহ ভারতে করোনা ভাইরাসের নয়া ভ্যারিয়েন্টের হদিশ মিলেছে। ভারতের ১০টা রাজ্যে এই ভ্যারিয়েন্টের হদিশ মিলেছে। এই রাজ্যগুলির মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গও। ওই গবেষকদের দাবি, ২ জুলাই পর্যন্ত ভারতের যে রাজ্যগুলিতে করোনার এই ভ্যারিয়েন্টের হদিশ মিলেছে, সেগুলি হল মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, কর্নাটক, মধ্যপ্রদেশ এবং তেলঙ্গানা।

    আরও পড়ুন : ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনা-গ্রাফ, বাড়ছে উদ্বেগও, কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    তবে কেবল ভারত নয়, বিশ্বের আরও সাতটি দেশেও করোনার এই নয়া ভ্যারিয়েন্টের হদিশ মিলেছে বলেও শোনা যাচ্ছে। তবে আইসিএমআরের গবেষকদের দাবি, করোনার নয়া এই ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে এখনই এত উদ্বেগের কিছু নেই। কারণ যে ভ্যারিয়েন্টের কথা ইজরায়েলি গবেষকরা জানাচ্ছেন, সেই ভ্যারিয়েন্টের তেমন তেজ নেই। সংক্রমিত রোগীদের মধ্যে সামান্য উপসর্গই দেখা গিয়েছে। ওই ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণে কারও মৃত্যু হয়নি। তাই এখনই দুশ্চিন্তার কোনও কারণ নেই বলেই দাবি আইসিএমআরের গবেষকদের।

     

  • Register General of India: কোভিডের বলি পাঁচ লক্ষাধিক দেশবাসী, বলছে সরকারি রিপোর্ট  

    Register General of India: কোভিডের বলি পাঁচ লক্ষাধিক দেশবাসী, বলছে সরকারি রিপোর্ট  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ইন্ডিয়ার (Register General of India) দেওয়া  তথ্য অনুসারে, ২০২০ সালে ভারতে ৮১.২ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ২০১৯- এ সেই সংখ্যা ছিল ৭৬.৪ লক্ষ, অর্থাৎ ৬.২% কম।  
     
    ২০২০ সালে কোভিডের (Covid 19) কারণে প্রাণ হারিয়েছেন ১.৪৮ লক্ষ মানুষ। পরের বছর সেই সংখ্যাকেও ছাপিয়ে মহামারির প্রকোপে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৩.৩২ লক্ষ মানুষের।  

    স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুসারে ২০২০ থেকে এই মারণ রোগে প্রাণ হারিয়েছেন মোট ৫,২৩,৮৮৯ জন। মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা, বিহার, গুজরাত, পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, কর্ণাটকের মতো কিছু রাজ্যে ২০১৯ এবং ২০২০ সালের মধ্যে মৃত্যুর সংখ্যায় ব্যবধান ছিল সবথেকে বেশি।  সরকারি আধিকারিকদের মতে, এই রাজ্যগুলিতে করোনার কারণেই এই বাড়তি মৃত্যুগুলি হয়েছে।   

    ২০২০ সালে জন্মের নিবন্ধীকরণের সংখ্যাও, বিহার, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, সিকিম, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ ছাড়া প্রায় সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলেই হ্রাস পেয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ এর তুলনায় ২০২০ সালে জন্ম নিবন্ধীকরণ সংখ্যা ২.৪% হ্রাস পেয়েছে।   

    ১১ টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে মৃত্যুর ২১ দিনের প্রদত্ত সময়সীমার মধ্যে ৯০%- এর বেশি নিবন্ধীকরণ হয়েছে। সাতটি রাজ্যে সেই সংখ্যা ৮০%- এর কিছু বেশি কিন্তু ৯০%- এর সমান বা কম, সাতটি রাজ্যে সেই সংখ্যা ৫০%-৮০%। বাকি নয় রাজ্যে সেই সংখ্যা ৫০%- এর নীচে।     

    ১৫ টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে জন্মের ২১ দিনের প্রদত্ত সময়সীমায় জন্ম নিবন্ধীকরণের সংখ্যা ৯০% -এর বেশি।  আরও দুটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সেই সংখ্যা ৮০%- এর বেশি কিন্তু ৯০%- এর কম বা সমান। ৯ রাজ্যে সেই সংখ্যা ৫০%- এর বেশি কিন্তু ৮০%- এর সমান বা কম। বাকি সাত রাজ্যে প্রদত্ত সময়সীমা, জন্মের ২১ দিনের মধ্যে নিবন্ধীকরণের সংখ্যা ৫০%- এরও কম।   

LinkedIn
Share