Tag: Corona Test

Corona Test

  • Corona Update: করোনার গ্রাফ উর্ধ্বমুখী হতেই বিতর্কে রাজ্য! পরীক্ষা নিয়ে গড়িমসির অভিযোগ!

    Corona Update: করোনার গ্রাফ উর্ধ্বমুখী হতেই বিতর্কে রাজ্য! পরীক্ষা নিয়ে গড়িমসির অভিযোগ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর শেষে ফের চোখ রাঙানি! করোনা সংক্রমণ (Corona Update) নিয়ে উদ্বিগ্ন গোটা দেশ। কয়েক দিন‌ আগেই কেরলে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছিল। সতর্ক হয়েছিল গোটা দেশ। কিন্তু করোনার গ্রাফ বাড়তেই ফের বিতর্কে পশ্চিমবঙ্গ। সংশ্লিষ্ট মহল জানাচ্ছে, ডেঙ্গি হোক বা করোনা‌, যে কোনও ধরনের সংক্রামক রোগ সামলাতেই বারবার রাজ্যের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ওঠে। কবে ঠিক হবে পরিস্থিতি?

    কী অভিযোগ উঠছে? (Corona Update)

    রাজ্যের একাধিক জায়গায় খোদ চিকিৎসকদের একাংশ অভিযোগ করছেন, করোনা‌ পরীক্ষা নিয়ে অনাবশ্যক জটিলতা তৈরি হচ্ছে।‌ জ্বর, সর্দি,‌ কাশির মতো উপসর্গ দেখা দিলে করোনা পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বহু রোগী, যাদের ডায়বেটিস, হৃদরোগ কিংবা কিডনির মতো সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য করোনা পরীক্ষা দ্রুত হওয়া উচিত। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই পরীক্ষা করানো নিয়ে গড়িমসি হচ্ছে। পাশপাশি কোথায় করোনা পরীক্ষা করা হবে, সে নিয়েও রোগী ও পরিজনকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।‌ অভিযোগ, বহু ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালে গিয়ে জানা যাচ্ছে, করোনা (Corona Update) পরীক্ষা করার নমুনা সংগ্রহের উপকরণ নেই। তাই পরীক্ষা করা যাবে না।‌ রোগী এক হাসপাতাল থেকে আর এক হাসপাতালে ঘুরতে বাধ্য হচ্ছেন।

    সংক্রামক রোগ মোকাবিলায় কেন প্রশ্নের মুখে রাজ্য?

    সংক্রামক রোগে বারবার প্রশ্নের মুখে রাজ্যের ভূমিকা। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসক মহল। বছরভর ডেঙ্গি পরীক্ষা নিয়ে রাজ্যের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ওঠে। পরীক্ষার পাশপাশি ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে নানান বিতর্ক তৈরি হয়। কেন্দ্রের কাছে তথ্য না পাঠানো, এমনকী সঠিক তথ্য প্রকাশ না করার মতো অভিযোগ ওঠে বারবার।‌ এবার করোনা পরীক্ষা নিয়েও গড়িমসির অভিযোগ।‌ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, করোনা পরীক্ষা সময়মতো করতে না পারলে বিপদ বাড়বে। রাজ্যবাসীকেই ভুগতে হবে। কারণ, রোগ সময়মতো নির্ণয় করতে না পারলে, নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। যে কোনও সংক্রামক রোগ প্রথম থেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে, বিপদ বাড়বে। তাই করোনা (Corona Update) পরীক্ষা করার সুযোগ সব জায়গায় রাখতে হবে। তবেই করোনার এই‌ নতুন প্রজাতির বিরুদ্ধে লড়াই সহজ হবে।

    কী বলছেন রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা?

    রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা অবশ্য কোনও রকম গড়িমসির অভিযোগ মানতে নারাজ। এক স্বাস্থ্যকর্তা জানান, দিন কয়েক আগেই করোনা (Corona Update) পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চস্তরের বৈঠক‌‌ হয়েছে। রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ মহল করোনা পরিস্থিতিতে নজর রাখছে। গড়িমসির প্রশ্নই নেই। তবে, কোথাও কোনও সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট মহল দ্রুত পদক্ষেপ করছে। করোনা পরিস্থিতি এ রাজ্যে উদ্বেগজনক নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Covid 19: তিন ধাক্কার পরেও করোনা মোকাবিলায় পরিকাঠামোর অভাব রাজ্যে, বাড়ছে ভোগান্তি! 

    Covid 19: তিন ধাক্কার পরেও করোনা মোকাবিলায় পরিকাঠামোর অভাব রাজ্যে, বাড়ছে ভোগান্তি! 

     

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    করোনার (Covid 19) নতুন প্রজাতি শক্তি বাড়িয়েছে। আর তাতেই ফের প্রশ্নের মুখে সরকারি পরিকাঠামো! দিন দুয়েক আগে উত্তর চব্বিশ পরগনার কামারহাটির এক সত্তরোর্ধ্ব নাগরিক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। নানান শারীরিক জটিলতা থাকায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন চিকিৎসক। কিন্তু পরিবারের অভিযোগ, সাগর দত্ত হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁদের জানানো হয়, ওখানে চিকিৎসা হবে না। তাঁদের বেলেঘাটা আইডি-তে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়। তারপরে রোগীকে বেলেঘাটা আইডি-তে নিয়ে গেলে জানানো হয়, আসন নেই। অপেক্ষা করতে হবে। করোনা আক্রান্তকে গাড়িতে বসিয়েই দীর্ঘক্ষণ হাসপাতালের বাইরে অপেক্ষা করে রোগীর পরিবার। দিনভর ভোগান্তির পরে করোনা রোগীকে ভর্তি নেওয়া হয়।

    কী জানাচ্ছে চিকিৎসক মহল?

    এই ঘটনায় চিকিৎসক মহল জানাচ্ছে, মহামারির একের পর এক ঢেউ পেরিয়েও পরিকাঠামো গড়তে পারল না রাজ্য সরকার। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় সপ্তাহে করোনা (Covid 19) অ্যাক্টিভ রোগী কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে। দু’সপ্তাহ আগে অ্যাক্টিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ছিল ১৩ জন। কিন্তু গত চব্বিশ ঘণ্টায় করোনা অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা হয়েছে ৩০৬ জন। করোনার জন্য নির্দিষ্ট বিভাগ সপ্তাহ দুয়েক আগে ফাঁকা থাকলেও, এই কদিন প্রায় শ’খানেক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

    সমস্যা কোথায়? 

    স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছে, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য পর্যাপ্ত শয্যা নেই হাসপাতালে। অন্য রোগের চিকিৎসা করাতে হাসপাতালে থাকা রোগীর করোনা হলে, কোথায় তার চিকিৎসা হবে, সে নিয়েও নানান জটিলতা হয়। কীভাবে তা সমাধান করা যাবে, সে উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। করোনা (Covid 19) সংক্রমণ বাড়লেই প্রশাসনের শীর্ষ মহল জানায়, বেড বাড়ানো হল। কিন্তু সরকারি হাসপাতালের যে পরিকাঠামো, তাতে অন্যান্য পরিষেবা স্বাভাবিক রেখে কীভাবে বেড বাড়ানো হবে, সেই পরিকল্পনা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অস্বচ্ছ থাকে। তার ফলে একদিকে যেমন হাসপাতালের নিয়মিত স্বাভাবিক পরিষেবায় সমস্যা হয়, আরেক দিকে করোনা রোগীদের ভর্তি নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়। 

    রোগীর পরিজনদের অভিজ্ঞতা কী?

    করোনা রোগীর ভর্তি নিয়ে একাধিক ভোগান্তির অভিযোগ তুলেছেন রোগীর (Covid 19) পরিজনেরা। মহামারির তিনটি ঢেউ পেরিয়েও ভোগান্তির অভিযোগ অব্যাহত। করোনা আক্রান্তকে কোন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা যাবে, সে সম্পর্কে রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দফতরের ওয়েবসাইটে তথ্য থাকে। কিন্তু রোগীর পরিজনদের অভিজ্ঞতা বলছে সম্পূর্ণ অন্য কথা। তাঁরা জানাচ্ছেন, ওয়েবসাইটে যে হাসপাতালে যত সংখ্যক কোভিড আসন ফাঁকা দেখায়, হাসপাতালে গিয়ে কিন্তু জানা যায়, বেড নেই। তাই অন্য হাসপাতালে যেতে হবে। করোনা আক্রান্ত রোগীকে নিয়েই এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ছুটতে হয়। করোনা সংক্রমণ বাড়তেই সেই প্রবণতা শুরু হয়ে গিয়েছে। 

    বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কতখানি প্রস্তুত? 

    এ রাজ্যে চিকিৎসা পরিষেবার জন্য একটা বড় অংশ বেসরকারি হাসপাতালের উপরই নির্ভর করে। শহরের একাধিক বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অবশ্য জানাচ্ছে, তারা করোনা (Covid 19) মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমরি হাসপাতালের সিইও রূপক বড়ুয়া জানান, বহু রোগীই অন্য রোগের চিকিৎসা করাতে হাসপাতালে আসছেন। তারপরে করোনা পরীক্ষা করে জানা যাচ্ছে, তিনি সংক্রমিত। ফলে, উপসর্গহীন রোগী যে বাড়ছে, সেই আন্দাজ করা যাচ্ছে। সেই মতো প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মনিপাল হাসপাতালের অধিকর্তা অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, “কয়েক সপ্তাহ আগেও একজনও করোনা রোগী ছিলেন না। এখন কিন্তু কয়েকজন ভর্তি আছেন। সেই মতো আমরা প্রস্তুতি রাখছি, রোগী পরিষেবা যাতে ঠিকমতো দেওয়া যায়।”

    স্বাস্থ্যভবনের কর্তারা কী বলছেন? 

    স্বাস্থ্যভবনের কর্তারা অবশ্য আশ্বাস দিয়েছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, সরকারি ওয়েবসাইট নিয়মিত আপডেট (Covid 19) করা হবে। যাতে মানুষ কোন হাসপাতালে গেলে পরিষেবা পাবে, সে বিষয়ে জানতে পারেন। কোনও বিভ্রান্তি যাতে না ছড়ায়, সে দিকেও নজর দেওয়া হবে। তারপরেও কোথাও পরিষেবা নিয়ে কোনও অভিযোগ উঠলে, তা খতিয়ে দেখা হবে। তবে সরকারি হাসপাতাল প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Temperature: তাপমাত্রার ব্যাপক ওঠানামায় বাড়ছে জ্বর-কাশি! করোনা নয় তো?

    Temperature: তাপমাত্রার ব্যাপক ওঠানামায় বাড়ছে জ্বর-কাশি! করোনা নয় তো?

     

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সোম থেকে বৃহস্পতি। সপ্তাহের প্রথম চারদিনের তাপমাত্রার রকমফেরে বাড়ছে বিপদ। তীব্র তাপদাহের পর সোমবারের বৃষ্টির জেরে কলকাতা ও আশপাশের তাপমাত্রা এক ধাক্কায় ৭ ডিগ্রি কমে গিয়েছিল। চল্লিশের চৌকাঠ পেরনো তাপমাত্রা ২৭-২৮ ডিগ্রিতে এসে ঠেকেছিল। কিন্তু মঙ্গলবার বেলা বাড়তেই পারদ উর্ধ্বমুখী হয়। বুধবার অস্বস্তি বাড়ে। বৃহস্পতিবারও সেই অস্বস্তি অব্যাহত ছিল। ফের চড়েছিল তাপমাত্রার পারদ। পরে বিকেলের ঝড়বৃষ্টিতে সেই অস্বস্তির গরমও অনেকটাই কমে যায়। কিন্তু ঘন ঘন আবহাওয়ার এই পরিবর্তনে বাড়ছে সর্দি-কাশির মতো সমস্যা। আর সেটাই তৈরি করছে নতুন উদ্বেগ (Covid 19)।

     কী বলছেন চিকিৎসকরা? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ শরীর পাচ্ছে না। দ্রুত তাপমাত্রার বদলের জেরে নানান ভাইরাস ঘটিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে। বিশেষত শিশুরা জ্বর-সর্দি-কাশিতে বেশি ভুগছে। তবে বাদ নেই বড়রাও। তাদেরও জ্বর, গলা ব্যথা, সর্দির মতো উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, করোনার (Covid 19) প্রকোপ রাজ্যে বেড়েছে। তাই সর্দি-কাশির উপসর্গে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। অনেকেই সাধারণ জ্বরে কাবু হচ্ছেন। কিন্তু ঠিকমতো পরীক্ষা না করলে নিশ্চিত হওয়া যাবে না। তাই সর্দি-কাশি কিংবা জ্বরের উপসর্গ দেখা দিলে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো পরীক্ষা করাতে হবে। অবহেলা বাড়তি বিপদ তৈরি করতে পারে। 

    কীভাবে সতর্ক থাকবেন? 

    তাপমাত্রার এই রকমফেরে সুস্থ থাকতে কয়েকটি বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। প্রথমত, এসির ব্যবহারে সতর্ক হতে হবে। ঘরের ভিতরে অতিরিক্ত কম তাপমাত্রা সমস্যা তৈরি করতে পারে। দীর্ঘক্ষণ এসি ঘরে থাকলেও ঠান্ডা লেগে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। দ্বিতীয়ত, ঠান্ডা জল কিংবা ঠান্ডা পানীয় এড়িয়ে চলতে হবে। বিশেষত বাইরে রোদ থেকে এসে ঠান্ডা জল খাওয়া যাবে না। এতে আপার রেসপিরেটরি ইনফেকশনের ঝুঁকি বাড়ে। তৃতীয়ত, শিশুদের রোদে না নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষত দুপুর বারোটার পর শিশুদের বাড়িতে থাকাটাই ভালো। চতুর্থত, হাত-মুখ বারবার জল দিয়ে ধুতে হবে। এতে যেমন শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে, তেমন যে কোনও জীবাণু থেকেও মুক্ত থাকা যায়। পঞ্চমত, তরমুজ, ডাব, লেবুর মতো ফল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। যাতে শরীরে ভিটামিন, ক্যালসিয়াম পর্যাপ্ত থাকে। তার ফলে একদিকে গরমে দেহের ক্লান্তি দূর হবে, আবার শরীর সুস্থ থাকবে। জ্বর দুদিনের বেশি থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ মতো করোনা পরীক্ষা করাতে হবে। কারণ, পরীক্ষা ছাড়া কোনও ভাবেই বোঝা যাবে না, জ্বর সাধারণ ভাইরাস ঘটিত নাকি করোনা (Covid 19)!

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share