Tag: corona update

corona update

  • Corona Update: করোনার গ্রাফ উর্ধ্বমুখী হতেই বিতর্কে রাজ্য! পরীক্ষা নিয়ে গড়িমসির অভিযোগ!

    Corona Update: করোনার গ্রাফ উর্ধ্বমুখী হতেই বিতর্কে রাজ্য! পরীক্ষা নিয়ে গড়িমসির অভিযোগ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর শেষে ফের চোখ রাঙানি! করোনা সংক্রমণ (Corona Update) নিয়ে উদ্বিগ্ন গোটা দেশ। কয়েক দিন‌ আগেই কেরলে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছিল। সতর্ক হয়েছিল গোটা দেশ। কিন্তু করোনার গ্রাফ বাড়তেই ফের বিতর্কে পশ্চিমবঙ্গ। সংশ্লিষ্ট মহল জানাচ্ছে, ডেঙ্গি হোক বা করোনা‌, যে কোনও ধরনের সংক্রামক রোগ সামলাতেই বারবার রাজ্যের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ওঠে। কবে ঠিক হবে পরিস্থিতি?

    কী অভিযোগ উঠছে? (Corona Update)

    রাজ্যের একাধিক জায়গায় খোদ চিকিৎসকদের একাংশ অভিযোগ করছেন, করোনা‌ পরীক্ষা নিয়ে অনাবশ্যক জটিলতা তৈরি হচ্ছে।‌ জ্বর, সর্দি,‌ কাশির মতো উপসর্গ দেখা দিলে করোনা পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বহু রোগী, যাদের ডায়বেটিস, হৃদরোগ কিংবা কিডনির মতো সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য করোনা পরীক্ষা দ্রুত হওয়া উচিত। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই পরীক্ষা করানো নিয়ে গড়িমসি হচ্ছে। পাশপাশি কোথায় করোনা পরীক্ষা করা হবে, সে নিয়েও রোগী ও পরিজনকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।‌ অভিযোগ, বহু ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালে গিয়ে জানা যাচ্ছে, করোনা (Corona Update) পরীক্ষা করার নমুনা সংগ্রহের উপকরণ নেই। তাই পরীক্ষা করা যাবে না।‌ রোগী এক হাসপাতাল থেকে আর এক হাসপাতালে ঘুরতে বাধ্য হচ্ছেন।

    সংক্রামক রোগ মোকাবিলায় কেন প্রশ্নের মুখে রাজ্য?

    সংক্রামক রোগে বারবার প্রশ্নের মুখে রাজ্যের ভূমিকা। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসক মহল। বছরভর ডেঙ্গি পরীক্ষা নিয়ে রাজ্যের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ওঠে। পরীক্ষার পাশপাশি ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে নানান বিতর্ক তৈরি হয়। কেন্দ্রের কাছে তথ্য না পাঠানো, এমনকী সঠিক তথ্য প্রকাশ না করার মতো অভিযোগ ওঠে বারবার।‌ এবার করোনা পরীক্ষা নিয়েও গড়িমসির অভিযোগ।‌ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, করোনা পরীক্ষা সময়মতো করতে না পারলে বিপদ বাড়বে। রাজ্যবাসীকেই ভুগতে হবে। কারণ, রোগ সময়মতো নির্ণয় করতে না পারলে, নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। যে কোনও সংক্রামক রোগ প্রথম থেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে, বিপদ বাড়বে। তাই করোনা (Corona Update) পরীক্ষা করার সুযোগ সব জায়গায় রাখতে হবে। তবেই করোনার এই‌ নতুন প্রজাতির বিরুদ্ধে লড়াই সহজ হবে।

    কী বলছেন রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা?

    রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা অবশ্য কোনও রকম গড়িমসির অভিযোগ মানতে নারাজ। এক স্বাস্থ্যকর্তা জানান, দিন কয়েক আগেই করোনা (Corona Update) পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চস্তরের বৈঠক‌‌ হয়েছে। রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ মহল করোনা পরিস্থিতিতে নজর রাখছে। গড়িমসির প্রশ্নই নেই। তবে, কোথাও কোনও সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট মহল দ্রুত পদক্ষেপ করছে। করোনা পরিস্থিতি এ রাজ্যে উদ্বেগজনক নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Corona Update: করোনার নতুন প্রজাতি বিপজ্জনক নয়, তবে সতর্কতা জরুরি, জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

    Corona Update: করোনার নতুন প্রজাতি বিপজ্জনক নয়, তবে সতর্কতা জরুরি, জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের করোনা‌‌ ভাইরাসের (Corona Update) চোখরাঙানি।‌ কেরলে হানা দিয়েছে করোনার নতুন প্রজাতি। উদ্বিগ্ন গোটা দেশ। কিন্তু করোনার এই নতুন প্রজাতি নিয়ে আশ্বাস দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

    কী বলল বিশ্ব‌ স্বাস্থ্য সংস্থা?

    করোনা ভাইরাসের নতুন প্রজাতি জেএন ওয়ান (Corona Update) সম্পর্কে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, বাড়তি দুশ্চিন্তার কারণ নেই৷ এই নতুন প্রজাতির সংক্রমণ ছড়ানোর ক্ষমতা তীব্র নয়। তাই এই প্রজাতি জনস্বাস্থ্যের জন্য খুব বিপজ্জনক নয়৷ কয়েক মাস আগেও করোনা ভাইরাসের আরেক প্রজাতি বিএ টু সংক্রমণ ছড়িয়েছিল। এই নতুন প্রজাতি জেএন ওয়ান, ওই আগের প্রজাতির অংশ হিসাবে চিহ্নিত হয়েছিল।

    করোনার টিকা কি এই সংক্রমণ রুখতে পারবে?

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়, করোনা (Corona Update) প্রতিরোধে যে ভ্যাকসিনগুলি ব্যবহৃত হচ্ছে, সেগুলি এই নতুন প্রজাতি রুখতে পারবে। এছাড়াও কোভিড-১৯ ভাইরাসের সব প্রজাতির থেকে সৃষ্টি অসুস্থতা এবং প্রাণহানি ঠেকাতে কার্যকর হবে করোনা‌ টিকা।

    কী পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল? 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতকালে অনেকেই সর্দি-কাশিতে ভোগে। শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার ভোগান্তি বাড়ে। এই পরিস্থিতিতে সতর্কতা জরুরি। করোনা‌র নতুন প্রজাতির থেকে বাঁচতে তাই সচেতনতা দরকার।‌ বিশেষত বয়স্কদের বাড়তি সতর্ক হতে হবে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, মাস্ক (Corona Update) পরে থাকা জরুরি। বাইরে থেকে ফিরলে অবশ্যই হাত পরিষ্কার করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। তবেই বড় বিপদ এড়ানো যাবে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, বয়স্কদের ফুসফুস সংক্রমণের বাড়তি ঝুঁকি থাকে। নিউমোনিয়ার ঝুঁকিও থাকে। তাই করোনা‌ থেকে বাড়তি সতর্কতা জরুরি।‌ ডায়বেটিস, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা থাকলে মাস্ক জরুরি। তবে, পরিবারের কেউ সর্দি-কাশি কিংবা জ্বরে ভুগলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। প্রয়োজনে আলাদা ঘরে থাকতে হবে। তাহলে করোনার এই নতুন প্রজাতিকে সহজেই মোকাবিলা করা যাবে। তাই এ নিয়ে অযথা আতঙ্কিত না হওয়ারই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Covid 19: করোনার ফের বাড়বাড়ন্তে নজরে থাকুক বাচ্চাদের টিফিনের মেনু, পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

    Covid 19: করোনার ফের বাড়বাড়ন্তে নজরে থাকুক বাচ্চাদের টিফিনের মেনু, পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

     

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তীব্র তাপপ্রবাহের জন্য বন্ধ হয়ে গিয়েছিল রাজ্যের অধিকাংশ সরকারি ও বেসরকারি স্কুল। সাতদিন বন্ধ থাকার পরে ফের সোমবার থেকে রাজ্যের অধিকাংশ স্কুল খুলছে। তাপমাত্রার পারদ কিছুটা কমলেও চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনা। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, তাপমাত্রার পারদ কয়েকদিন কম। তাই আপাতত তাপপ্রবাহের জেরে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকিও কিছুটা কমেছে। হয়তো চলতি সপ্তাহে সাময়িক স্বস্তি পাওয়া যাবে। তবে, চিকিৎসক মহলের চিন্তা করোনার (Covid 19) নতুন প্রজাতি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ওমিক্রমের থেকেও দেড়গুণ বেশি সংক্রমণ ছড়ানোর শক্তি আছে এর। তাই সচেতনতা আরও বেশি জরুরি। 

    কতখানি নিরাপদ পড়ুয়ারা?

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, গত সপ্তাহে যেমন তীব্র দাবদাহ ছিল, তাতে অনেকেই অসুস্থ। তারপরে তাপমাত্রার পারদ ওঠানামার জেরে সর্দি-কাশি-জ্বর লেগেই আছে। ফলে অনেকের শরীর দুর্বল। এই পরিস্থিতিতে যে কোনও সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই করোনার (Covid 19) এই নতুন প্রজাতিতে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকছে। তাছাড়া স্কুল পড়ুয়াদের বড় অংশের টিকাকরণ হয়নি। তাই তাদের জন্য দুশ্চিন্তা আরও বেশি। 

    কীভাবে করবেন মোকাবিলা? 

    বিশেষজ্ঞ মহলের পরামর্শ, সর্দি-কাশি থাকলে স্কুলে পাঠানো উচিত নয়। কারণ, যে কোনও ধরনের ভাইরাস সংক্রমণ ছড়াতে পারে। এক্ষেত্রে রোগীর যেমন পরিস্থিতি জটিল হতে পারে, তেমনি অন্যদের রোগ ছড়ানোর আশঙ্কাও বেড়ে যায়। তাই পড়ুয়া অসুস্থ বোধ করলে বা সর্দি-কাশির মতো উপসর্গ দেখা দিলে, অভিভাবক ও স্কুল কর্তৃপক্ষের বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি। পড়ুয়াদের স্কুল চলাকালীন মাস্ক (Covid 19) পরার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। শুধু স্কুল চত্বরে নয়, যাতায়াতের পথেও মাস্ক জরুরি। স্কুলে যতটা সম্ভব শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাঁদের পরামর্শ, পড়ুয়াদের বারবার হাত ধোয়ার অভ্যাস যেন থাকে, সে দিকে অভিভাবকদের নজর দিতে হবে।

    টিফিন নিয়ে কী পরামর্শ?

    সবচেয়ে জরুরি স্কুলের টিফিন পর্ব! কারণ ওই বিরতিতে যেমন চলে খাওয়া, আবার শিশুরা খেলাধূলার সুযোগ পায়। তখন শারীরিক দূরত্ব ও মাস্ক বিধি কতখানি বজায় থাকবে, সে নিয়ে সংশয় থাকে। বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়ায় সুস্থ রাখতে, শিশুদের টিফিনে অতিরিক্ত তেলমশলা যুক্ত খাবার কিংবা পিৎজা, বার্গার, হটডগের মতো প্রিজারভেটিভ খাবার একেবারেই দেওয়া উচিত নয়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ঘরের তৈরি হাল্কা, সহজপাচ্য খাবার থাকুক টিফিনের মেনুতে। তার উপরে করোনা (Covid 19 সংক্রমণ রুখতে, স্কুলে খাওয়ার আগে পড়ুয়ারা যাতে ভালোভাবে হাত পরিষ্কার করে, সেদিকেও যেন নজর দেওয়া হয়। খাবার ভাগ করে এই সময়ে না খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। 
    তবে, চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, সবচেয়ে জরুরি টিকাকরণ। যে সব স্কুলপড়ুয়া টিকা নেওয়ার উপযুক্ত, তাদের টিকাকরণ হওয়া জরুরি। টিকা না নিলে এই রোগ প্রতিরোধ কঠিন হয়ে উঠবে। তাই পড়ুয়াদের টিকাকরণ নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবকদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Covid 19: প্রতিদিন বাড়ছে করোনা! গত ২৪-ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আক্রান্তর সংখ্যা সাতশো পার

    Covid 19: প্রতিদিন বাড়ছে করোনা! গত ২৪-ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আক্রান্তর সংখ্যা সাতশো পার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছর এগিয়ে আসছে যত, ততই যেন চোখ রাঙানি বাড়ছে করোনাও (Covid 19)। বিগত কয়েক দিনে দেশে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা যেন বেড়েই চলেছে। গত ২৪-ঘণ্টায় দেশে নতুন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে সাতশো ছাড়িয়ে গিয়েছে। যা আগের ২ দিনের তুলনায় অনেকটাই বেশি। এর মধ্যেই, নতুন করে কোভিড আক্রান্তদের নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ে পাঠাতে রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। 

    গত ২ দিনের তুলনায় বৃদ্ধি শনিতে

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের শনিবার সকালের পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭৫২ জন। মারা গিয়েছেন ৪ জন। এর আগে শুক্রবারের তথ্য অনুসারে, দেশে ৬ জন করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছিল। একই সময়ে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন ৫৯৪ জন। বৃহস্পতিবার এই সংখ্যা ছিল ৩২৮। শনিবারের পরিসংখ্যান আরও জানাচ্ছে, দেশে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা পৌঁছেছে ৩,৪২০-তে। 

    কেরল, কর্নাটকের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক

    কেন্দ্রের পরিসংখ্যান বলছে, দেশে সব থেকে বেশি অবস্থা খারাপ কেরলের। গত ২৪ ঘণ্টায় কেরলে দুজন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। রাজস্থানের এক করোনা আক্রান্তেরও মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে কর্নাটকের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা ১। বিগত বেশ কয়েকদিন ধরেই এদেশে কেরল, কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু গুজরাট এ সমস্ত রাজ্যগুলিতে ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে করোনা সংক্রমণ (Covid 19)। গত ২৪-ঘণ্টায় কেরল থেকে ২৬৬ জন এবং কর্নাটক থেকে ৭৭ জনের আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে।

    কেন্দ্রের সতর্কবার্তা প্রতিটি রাজ্যকে

    ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফ থেকে প্রতিটি রাজ্যে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। ভার্চুয়ালি ভাবে প্রতিটি রাজ্যের সঙ্গে বৈঠক করেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। জানা গিয়েছে, প্রতিটি রাজ্যকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালগুলিতে খুব শীঘ্রই মক ড্রিলিংও করা হবে। দেশের বেশ কিছু রাজ্যতে শুরু হয়েছে করোনা বিধিও (Covid 19)। 

    রিপোর্ট পজিটিভ হলেই বাধ্যতামূলক জিনোম সিকোয়েন্সিং

    এরই মধ্যে, রাজ্যগুলিকে নতুন নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। সেখানে বলা হয়েছে, আরটি-পিসিআর পরীক্ষায় কারও করোনার রিপোর্ট পজিটিভ এলে বাধ্যতামূলকভাবে তা দ্রুত জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। এই জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমেই ভাইরাসের মিউটেশন বা অভিযোজন সম্পর্কে জানা যাবে। প্রসঙ্গত দ্রুত সংক্রমণ বাড়ছে জেএন১ সাবভ্যারিয়েন্টের (Covid 19)। করোনা আক্রান্তরা সেই উপ প্রজাতিতে আক্রান্ত নাকি সেটারই পরীক্ষা হবে।

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে, দলের বিধায়ককেই গ্রেফতারের দাবি অর্জুন অনুগামীদের!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Covid 19: অ্যাক্টিভ কেস ৩ হাজার ছুঁইছুঁই! দেশে ক্রমশ বাড়ছে করোনার গ্রাফ

    Covid 19: অ্যাক্টিভ কেস ৩ হাজার ছুঁইছুঁই! দেশে ক্রমশ বাড়ছে করোনার গ্রাফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর শেষে ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা (Covid 19)। নতুন সাব ভ্যারিয়েন্ট জেএন-১ নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে। বাদ নেই আমাদের দেশও। দৈনিক লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনার গ্রাফ। অন্তত পরিসংখ্যান এমনটাই বলছে। মৃত্যুর সংখ্যা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৬ করোনা আক্রান্তের (Covid 19) মৃত্যু হয়েছে।

    দেশে অ্যাক্টিভ কেস দাঁড়িয়েছে ২,৯৯৭

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া বৃহস্পতিবারের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত (Covid 19) হয়েছেন ৩২৮ জন। এ নিয়ে প্রতিটি রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। বেশ কিছু রাজ্যে চালু হয়ে গেছে করোনা বিধি। এতেই ফিরে আসছে আড়াই-তিন বছর আগের সেই আতঙ্কের স্মৃতি। মানুষের মনে প্রশ্ন জাগছে ফের কি মাস্ক-যুগ শুরু হচ্ছে? তবে উদ্বেগ থাকলেও আশার কথা শোনা গিয়েছে চিকিৎসকদের কাছ থেকে। বিজ্ঞানীমহল বলছে, নয়া সাব ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। ওষুধ ছাড়াই সেরে ওঠা যাবে জেএন-১ এর সংক্রমণ থেকে। অন্তত তেমনটাই দেখা গিয়েছে বিভিন্ন রোগীদের ক্ষেত্রে। যদিও কোমর্বিড রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজনীয় বলেই মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ফের ফিরছে মাস্ক-যুগ? কলকাতার তিন হাসপাতালে ভর্তি ৩ করোনা আক্রান্ত

    জিনোম সিকোয়েন্সিং করানোর নির্দেশ

    নতুন সাবভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তদের জিনোম সিকোয়েন্সিং করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। দিল্লি, উত্তরাখণ্ড এবং মহারাষ্ট্রে আরটি-পিসিআর টেস্ট বাড়ানো হয়েছে। প্রত্যেক পজিটিভ করোনা নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের কোভিড টাস্ক ফোর্সের চিকিৎসক রাজীব জয়দেবনের মতে, জেএন-১ সাধারণত প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে গুরুতর হয়ে উঠতে পারে। এদিকে, কেরলের পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তা বেড়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের বৃহস্পতিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নতুন করে আক্রান্ত ৩২৮ জনের মধ্যে মধ্যে ২৬৫ জনই কেরলের বাসিন্দা। দক্ষিণের এই রাজ্যে মোট অ্যাক্টিভ কেস দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬০৬। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Corona Update: বছর শেষে ফিরল করোনা আতঙ্ক! কেরলে মৃত ৩, দেশজুড়ে আক্রান্ত ২ হাজার পার

    Corona Update: বছর শেষে ফিরল করোনা আতঙ্ক! কেরলে মৃত ৩, দেশজুড়ে আক্রান্ত ২ হাজার পার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছরের শেষে ফের করোনার (Corona Update) আতঙ্ক দেশে। যার জেরে সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য একাধিক রাজ্যে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। ইতিমধ্যে কেরলে করোনায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বুধবার রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এদিকে, এরাজ্যেও সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে। কলকাতা এবং জেলার হাসপাতালগুলিতে করোনার কথা ভেবেই আসন সংরক্ষিত করা হয়েছে। রোগীদের নমুনা সংগ্রহে জিনোম সিকোয়েন্সিং-এর মতো বিষয়গুলির উপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে।

    আবার সক্রিয় করোনা (Corona Update)

    বছরের শেষেই আবার করোনা (Corona Update) চোখ রাঙাতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি বুঝেই রাজ্যগুলি সতর্ক মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, করোনার নতুন উপপ্রজাতি জেএন ওয়ান-এর (JN.1) প্রাদুর্ভাব ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলিতে পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বৈঠকে উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের উপর বিশেষ ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হয়েছে। আরটিপিসি টেস্টে বিশেষ খেয়াল রাখার কথা বলা হয়েছে। টেস্ট পজেটিভ হলেই রোগীর নমুনা সিকোয়েন্সিংয়ে পাঠানো হয়। এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক থেকে হাসপাতালগুলিকে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

    বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে বিশেষ ব্যবস্থা

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক থেকে করোনার (Corona Update) প্রভাব বিষয়ে সতর্কতার বার্তা পেয়েই বেলাঘাটা আইডি হাসপাতালে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা বলা হয়েছে। রাজ্যের তরফ থেকে জেলার হাসপাতালগুলিকে করোনার জন্য বেশ কিছু বেড সুরক্ষিত রাখার কথা বলা হয়েছে। ইতিমধেই রোগীদের জন্য সতর্কতা এবং বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। আরও জানা গিয়েছে, এমআর বাঙুর হাসপাতালের বেশ কিছু বেড কোভিড রোগীদের জন্য সংরক্ষিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি আইসিইউ বেডও রয়েছে।

    কেরলে আক্রান্তের মৃত্যু সব থেকে বেশি

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যার অনুযায়ী, কেরলে গত এক দিনে ২৯২ জন করোনায় (Corona Update) আক্রান্ত হয়েছেন। ইতিমধ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। তামিলনাড়ুতে আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ এবং মহারাষ্ট্রে ১১। এছাড়াও তেলঙ্গানা, পাঞ্জাব, দিল্লি, গোয়া এবং গুজরাট মিলিয়ে মোট ৩৪১ জন আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। দেশে সব মিলিয়ে মোট সক্রিয় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২০,৩১১।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share