Tag: Corona Virus

Corona Virus

  • HMPV: চিনে দাপট শুরু করা নয়া ভাইরাস চিনবেন কীভাবে? সতর্ক থাকতে হবে কতখানি?

    HMPV: চিনে দাপট শুরু করা নয়া ভাইরাস চিনবেন কীভাবে? সতর্ক থাকতে হবে কতখানি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আতঙ্ক ফের জাঁকিয়ে বসতে শুরু করেছে। বছর পাঁচেক আগে এমনই শীতে দানা বেঁধেছিল মহামারি। কয়েক মাসে গোটা বিশ্ব আক্রমণের কবলে পড়েছিল! সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হতে চলছে কি? এমন চিন্তায় অনেকেই। করোনা মহামারির স্মৃতি এখনও টাটকা। চিন থেকেই গোটা বিশ্বে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছিল। সেই চিনেই আবার আরেক ভাইরাসের দাপট শুরু হয়েছে। আক্রান্তদের মৃত্যুর খবরও জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, ভারতেও দুই শিশুর শরীরে এই ভাইরাসের (HMPV) অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছে। আর তার জেরেই আতঙ্ক বাড়ছে।

    নতুন চিনা ভাইরাসের উপসর্গ কী

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, চিনের এই ভাইরাসের পোশাকি নাম হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাস (HMPV)। চিকিৎসকদের একাংশের মতে, এই রোগে সর্দি-কাশি, জ্বরের মতোই উপসর্গ দেখা দেবে। আবার শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যাও হতে পারে‌। ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের মতোই এই ভাইরাসেও শরীর মারাত্মক দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি বমি, পেটব্যথার মতো উপসর্গও দেখা দিচ্ছে।

    কাদের ঝুঁকি বেশি? (HMPV)

    চিনের এই ভাইরাসে বিপদ বাড়ছে শিশুদের। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুদের ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি। তাই এই রোগের প্রকোপে পড়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, প্রথমে সাধারণ সর্দি-কাশি-জ্বর মনে হলেও কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে। বিশেষত শিশুদের শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা বেশি দেখা দিচ্ছে। তাদের শরীরে ভাইরাসের প্রভাব বেশি পড়ছে। ফলে, শিশুদের জন্য বাড়তি বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

    কীভাবে সতর্ক থাকবেন?

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, শিশুদের পাশপাশি বড়দেরও বাড়তি সতর্কতা জরুরি। সর্দি-কাশি-জ্বর যাতে না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। পরিবারের কেউ জ্বর কিংবা সর্দিতে ভুগলে, তাঁর আলাদা থাকাই উচিত বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।‌ কারণ, এই ভাইরাস (HMPV) হাঁচির মাধ্যমেই সংক্রমণ ছড়ায়। তাই রোগীকে আইসোলেশনে রাখা দরকার বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। পাশপাশি বাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে‌ চলতে হবে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হাত পরিষ্কার রাখা, পরিশ্রুত জল খাওয়ার দিকে বিশেষ নজরদারি জরুরি।

    করোনা ভাইরাসের মতোই মহামারির আশঙ্কা রয়েছে কি? (HMPV)

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই এই ভাইরাসকে করোনা ভাইরাসের মতো মারণ আতঙ্কের তকমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এই ভাইরাসের চিকিৎসা রয়েছে। কয়েক বছর আগেও এই ভাইরাস সক্রিয় হয়েছিল। চিকিৎসা করে রোগ নিরাময় সম্ভব হয়েছে। তাই এখনই আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তবে সাবধানতা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেক সময়েই ভাইরাস সক্রিয় হয়ে নতুনভাবে প্রকাশিত হয়। যা আগের থেকেও বিপজ্জনক হতে পারে। তাই সচেতনতা ও সতর্কতা জরুরি। আতঙ্ক নয়। সচেতনতাই পারবে এই রোগের মোকাবিল করতে।‌

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paris Olympics 2024: অলিম্পিক্সে বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা! অস্ট্রেলিয়ার পাঁচ খেলোয়াড় আক্রান্ত

    Paris Olympics 2024: অলিম্পিক্সে বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা! অস্ট্রেলিয়ার পাঁচ খেলোয়াড় আক্রান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টোকিও অলিম্পিক্সের পর এবার প্যারিস। কোভিড চিন্তা কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। অলিম্পিক্স (Paris Olympics 2024) শুরু হওয়ার আগেই এবার কোভিডে আক্রান্ত অস্ট্রেলিয়ার ওয়াটার পোলোর মহিলা দলের পাঁচ খেলোয়াড়। প্যারিস অলিম্পিক্সের গেমস ভিলেজে প্রথমে অস্ট্রেলিয়ার এক অ্যাথলিটের কোভিড পজিটিভ (Covid positive) ধরা পড়ে। তাঁর সংস্পর্শে আসা বাকিদেরও আইসোলেশনে রাখা হয়। এরপর দলের বাকি খেলোয়াড়দেরও কোভিড পরীক্ষা শুরু হয়। তবে এই ঘটনার জন্য প্র্যাকটিস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়নি টিম ম্যানেজেমেন্ট। জানা গিয়েছে, অন্যান্য ক্রীড়ার সঙ্গে যুক্ত অ্যাথলিটদের অনুশীলনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।  

    মেনে চলা হচ্ছে কোভিড প্রোটোকল (Covid positive)  

    এ প্রসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার শেফ ডি মিশন অ্যানা মিয়ার্স জানিয়েছেন, ”আমাদের দু’জন ওয়াটার পোলো খেলোয়াড় অসুস্থ। সোমবার রাতে রিপোর্ট পাওয়া গিয়েছে। ওদের আলাদা রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দলের বাকিদের কোনও সমস্যা নেই। উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।কোভি ডকেও অন্যান্য রোগের মতোই দেখছি। তবে আমরা নিয়ম মেনেই চলতে চাই। অলিম্পিক্স গেমসে (Paris Olympics 2024) এর যাতে কোনও প্রভাব না পড়ে সেটা নিশ্চিত করতে হবে। সে কারণেই সমস্ত বিধিনিষেধ মেনে চলা হচ্ছে।” কী প্রোটোকল মেনে চলা হচ্ছে তাও পরিষ্কার করেছেন অ্যানা মিয়ার্স। যেমন, আইসোলেশনে থাকা, বাকিরা যাতে সুরক্ষিত থাকে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখে, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে।’ তবে কোভিড আক্রান্ত ওই ক্রীড়াবিদরা শেষ পর্যন্ত অলিম্পিক্সে নামবেন কিনা, সেটা মেডিক্যাল অফিসার নির্দেশ দিলেই জানা যাবে। 

    আরও পড়ুন: ভারতে কবে থেকে প্রচলন হয়েছিল আয়কর? কে চালু করেছিলেন, জানেন?

    ফ্রান্সের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মন্তব্য (Paris Olympics 2024)  

    অলিম্পিক্স আবহে এই কোভিড আতঙ্কে ফ্রান্সের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফ্রেডেরিক ভালেতো আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, “কোভিড ধরা পড়েছে ঠিকই। তবে আমরা ২০২০, ২০২১ বা ২০২২-এ দাঁড়িয়ে নেই। ঝুঁকি এড়াতে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চিন্তার কিছু নেই।” উল্লেখ্য, এর আগে কোভিডের জন্য ২০২০ সালে অলিম্পিক্স আয়োজন করতে পারেনি জাপান। এক বছর পিছিয়ে ২০২১ সালে হয়েছিল টোকিয়ো অলিম্পিক্স। আর এ বারেও ফের অলিম্পিক্স শুরু হওয়ার আগেই কোভিড হানা দিল গেমস ভিলেজে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই করোনা নিয়ে ভয় বাড়ছে অ্যাথলিটদের মধ্যে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Covishield: কোভিড টিকা কোভিশিল্ডে বিপদ! বিরল রোগের সম্ভাবনা রয়েছে কতটা?

    Covishield: কোভিড টিকা কোভিশিল্ডে বিপদ! বিরল রোগের সম্ভাবনা রয়েছে কতটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২০-২১ এর মহামারীর সেই দিনগুলোর স্মৃতি এখনও দগদগে। করোনা ভাইরাসের হাত থেকে তখন কোভ্যাকসিন-কোভিশিল্ডের (Covishield) মতো টিকাগুলোই হাজার হাজার মানুষের প্রাণ রক্ষা করেছিল। কিন্তু এবার সেই করোনার টিকা কোভিশিল্ড নিয়ে বড়সড় তথ্য ফাঁস হল। আদালতে পেশ করা নথি বলছে বিরল ঘটনা হলেও কোভিশিল্ড টিকার (covishield vaccine) পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় টিটিএস বা ‘থ্রম্বোসিস উইথ থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া সিনড্রোম’ -এর মতো বিরল রোগ। কোভিশিল্ডের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় (Covishield) কি হতে পারে মৃত্যু? এই নিয়ে প্রশ্নের দানা বেঁধেছে।

    আইনি মামলা দায়ের (Covishield)

    বিরল এই রোগে শারীরিক ক্ষতির পাশাপাশি মৃত্যু হয়েছে বলে সম্প্রতি একটি আইনি মামলা করা হয়েছে কোভিশিল্ড টিকা (Covishield Side Effect) প্রস্তুতকারীদের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে বেশ কয়েকটি পরিবার আদালতে অভিযোগ করেছে যে, কোভিশিল্ড টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Side Effect) মারাত্মক ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলেছে।

    গত ফেব্রুয়ারি মাসে আদালতে জমা দেওয়া একটি নথিতে অ্যাস্ট্রাজেনেকা সংস্থা জানায়, তাদের তৈরি করা প্রতিষেধকের কারণে বিরল রোগ থ্রম্বোসিস উইথ থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া সিনড্রোমে (TTS)-এ আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এই রোগে আক্রান্ত হলে রক্তে অণুচক্রিকার পরিমাণ কমে যায় এবং রক্ত জমাট বাঁধতে শুরু করে।

    আরও পড়ুনঃ প্রয়াত হলেন সারদা মঠ ও রামকৃষ্ণ-সারদা মিশনের অধ্যক্ষা আনন্দপ্রাণা মাতাজি

    রোগের লক্ষণ

    এই বিরল রোগে শরীরের নানা জায়গায় রক্ত জমাট বেঁধে (Blood Clots) কমে যেতে পারে রক্তে প্লেটলেটসের মাত্রা। রক্তে প্লেটলেটসের মাত্রা কমে এলে তা শরীরের পক্ষে বিপজ্জনক হতে পারে। ফলে  মাথায় অসহ্য যন্ত্রণা, পেটে যন্ত্রণা, পা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট,  জ্ঞান হারানোর মত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    মূলত যাঁরা ভ্যাক্সজেভরিয়া বা অ্যাস্ট্রেজেনেকার কোভিশিল্ড টিকা নিয়েছেন বা জনসন অ্যান্ড জনসন/জ্যানসেন-এর কোভিড টিকা নিয়েছেন, তাঁদেরই এই ধরনের রোগের ঝুঁকি আছে। তাই উপরিউক্ত কোনোরকম সমস্যা হলে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

    প্রসঙ্গত, করোনা পর্বের ভারতে কোভিশিল্ড সর্বাধিক জনপ্রিয় হয়েছিল। ঘরে ঘরে মানুষ এই টিকার দুটি আবার কেউ কেউ তো তিনটি অর্থাৎ বুস্টার ডোজও (Booster dose) গ্রহণ করেছেন। সে ক্ষেত্রে এতদিন পর কোভিশিল্ড টিকা (Covishield) সম্পর্কিত এই ভয়ংকর তথ্য প্রকাশ্যে আসতে আতঙ্কিত হচ্ছেন সকলেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Covid-19 India: ফের কোভিড আতঙ্ক! দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত ১৬৬ জন

    Covid-19 India: ফের কোভিড আতঙ্ক! দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত ১৬৬ জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কোভিড ১৯ (Covid-19 India) এর আতঙ্ক বাড়তে শুরু করেছে দেশে। এই মুহূর্তে গোটা দেশে নতুন করে ১৬৬ জন করোনা ভাইরাস আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। যার জেরে বাড়ছে উদ্বেগ। রবিবার, ভারতে করোনা সংক্রমণ নিয়ে একটি রিপোর্ট দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।  রিপোর্ট বলছে ১৬৬ টি নতুন করোনা ভাইরাস মামলার মধ্যে বেশিরভাগই এই মুহূর্তে কেরল থেকে এসেছে। 

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট

    সম্প্রতি বের হওয়া কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট দেখে কপালে চিন্তার ভাঁজ চিকিৎসক মহলের। সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী এখনো পর্যন্ত ভারতে করোনা ভাইরাসের (Covid-19 India) আক্রান্ত সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৮৯৫ জন। ইতিমধ্যেই দেশের কোভিড-১৯ (Covid-19 India) মামলার সংখ্যা ৪,৫০,০৩,০৫৫ (৪.৫০ কোটি) এবং মৃতের সংখ্যা ৫,৩৩,৩০৬ (৫.৩৩ লাখ)। দেশে করোনা সংক্রমণের হার গত ২৪ ঘণ্টায় দৃষ্টান্তমূলক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে এই মুহূর্তে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সক্রিয় রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৯৫ জন। রিপোর্ট বলছে, ভারতে ১৬৬ টি নতুন কোভিড আক্রান্তের বেশিরভাগই এসেছে কেরল থেকে। যা বেশ উদ্বেগজনক। এই মুহূর্তে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা লোকের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪,৪৪,৬৮,৮৫৪ (৪.৪৪ কোটি) এবং করোনা সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়ে ঘরে ফেরা রোগীর হার ৯৮.৮১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে করোনায় মৃত্যুর হার দাঁড়িয়েছে ১.১৯ শতাংশে।

    আরও পড়ুন: অস্বস্তিকর আবহাওয়ায় শীতের আমেজে ছন্দপতন ! সতর্ক না হলেই বড় বিপদ

    তবে, এখনই এ নিয়ে আশঙ্কার কোনও কারণ নেই, বলে মনে করেছেন বিশেষজ্ঞরা। দেশে কোভিড (Covid-19 India) পরিস্থিতি স্থিতিশীল আছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে, আবহাওয়া পরিবর্তনের জেরে ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো লক্ষণগুলির উপর নজরদারি চালানোর কথা বলেছেন চিকিৎসকেরা। বিশেষজ্ঞরা আগাম সতর্কতা হিসেবে জিনোম সিকোয়েন্সিং টেস্টের উপর জোর দিয়েছেন। সেই সঙ্গে কোভিড পরীক্ষা আরও বাড়ানোর জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Khosta-2: ফের নয়া বিপদ, করোনা ভাইরাসের মতো লক্ষণ পাওয়া গেল রাশিয়ান বাদুড়ে!

    Khosta-2: ফের নয়া বিপদ, করোনা ভাইরাসের মতো লক্ষণ পাওয়া গেল রাশিয়ান বাদুড়ে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার সন্ধান মিলল কোভিডের মতো আরও এক মারণ ভাইরাসের। মার্কিন গবেষকরা (USA Scientist) রাশিয়ান বাদুড়ের মধ্যে কোভিডের মতো এক নয়া ভাইরাস শনাক্ত করেছেন। এই ভাইরাসের সংক্রমণ হতে পারে মানব দেহেও। জনপ্রিয় এক সংবাদপত্রের খবর অনুযায়ী, খোস্তা-২ (Khosta-2) নামক এই ভাইরাসটি করোনা ভাইরাসের (SARS-CoV-2) একই উপশ্রেণির অন্তর্গত। এই ভাইরাসটিও মানব কোষকে সংক্রমিত করতে পারে। করোনা ভাইরাসের (Corona Virus) ভ্যাকসিনের কোর্স সম্পূর্ণ করার পরেও খোস্তা-২ ভাইরাস মানব দেহে সংক্রমণ ঘটাতে পারে।

    আরও পড়ুন: কোলেস্টেরলের মাত্রা কত হলে হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারেন জানেন?

    গবেষকেরা ২০২০ সালে রাশিয়ান বাদুড়ের (Russian Bat) শরীরে প্রথম দু ধরণের খোস্তা ভাইরাসের সন্ধান পান। এদের নামকরণ করা হয় খোস্তা-১ ও খোস্তা-২ নামে। খোস্তা-১ ভাইরাস মানুষের জন্য আতঙ্কের কারণ না হলেও, খোস্তা-২ বিপজ্জনক।

    আরও পড়ুন: সাবধান! সংক্রামক রোগের পাশাপাশি ভয় ধরাচ্ছে ‘নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ’

    যদিও প্রথম দিকে বিজ্ঞানীরা (Scientist) মনে করেছিলেন যে, এই ভাইরাস মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর নয়।  কিন্তু পরবর্তীকালে ভাইরাসের ক্ষতিকর দিকগুলিও লক্ষ্য করেন তাঁরা। কোভিড ১৯ (Covid 19) ভ্যাকসিনের (Vaccine) নেওয়া হলেও, মানব শরীরে প্রভাব ফেলতে পারে খোস্তা-২। সেই কারণেই বিজ্ঞানীরা নয়া এই ভাইরাস নিয়ে চিন্তিত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organisation) জানিয়েছে, করোনা মহামারির প্রভাব সারা বিশ্ব এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি। নয়া এই ভাইরাসের সন্ধান মিলতেই চিন্তার ভাঁজ সংশ্লিষ্ট মহলের কপালে। 

    ২০১৯ সালে বিশ্বজুড়ে হয় করোনা সংক্রমণ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মারা গিয়েছেন লাখো লাখো মানুষ। কেবল ভারতেই  করোনা সংক্রমণে মারা গিয়েছেন পাঁচ লক্ষেরও বেশি মানুষ। পরে আবিষ্কার হয় প্রতিষেধক। বিশ্বের প্রতিটি দেশেই জোর কদমে হয় টিকাকরণ। তার জেরে বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে করোনা। তবে চোখ রাঙাচ্ছে খোস্তা-২। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • COVID-19: বড়দিনে করোনার কামড়! কোন রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা কত?

    COVID-19: বড়দিনে করোনার কামড়! কোন রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা কত?

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: প্রতিদিন বাড়ছে সংক্রমণ। আবার চোখ রাঙাচ্ছে করোনা (Covid-19)। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত ৬২৮ জন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Union Health Ministry) দেওয়া তথ্য অনুসারে, সারা দেশে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ছাড়িয়েছে।

    জেএন-১ সংক্রমণ

    এক লাফে জেএন-১ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৩। ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের একাধিক রাজ্যে থাবা বসিয়েছে এই ভ্যারিয়ান্ট। বড়দিনের দিন এই পরিসংখ্যান রীতিমতো উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে খবর, সবচেয়ে বেশি সংখ্যক জেএন-১ আক্রান্তের হদিশ মিলেছে গোয়া। সেখানে মোট ৩৪ জনের শরীরে এই ভাইরাসের প্রজাতির অস্তিস্ব মিলেছে।  এ ছাড়া মহারাষ্ট্রে জেএন-১ -এ আক্রান্ত হয়েছেন ন’জন। কর্নাটকে আট জন, কেরালায় ছয় জন, তামিলনাড়ুতে চার জন এবং তেলঙ্গানায় দু’জন এই ভ্যারিয়ান্টে আক্রান্ত। 

    গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মোট ৬২৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। দেশে এই মুহূর্তে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৪ হাজার ৫৪ জন। সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ধরা পড়েছে কেরালাতে। এই রাজ্যেই অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার। দেশে একমাত্র করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে কেরালায়। কর্নাটকে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০৪ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৭১। যার মধ্যে ২৫৮ জন হোম আইসোলেশনে রয়েছেন। বাকি ১৩ জন ভর্তি রয়েছেন হাসপাতালে।

    আরও পড়ুন: আইএস জঙ্গিদের তহবিলে টাকা দিতেন ভারতীয় রেলের ক্লার্ক! তদন্তে এনআইএ

    হু’র সতর্কবার্তা

    ইতিমধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলিতে ভয়াবহ আকার নিয়েছে জেএন-১ সংক্রমণ। এবার করোনা ভাইরাসের এই প্রজাতির সংক্রমণ নিয়ে সতকর্তা দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। করোনা ভাইরাসের নয়া প্রজাতির সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে পুনরায় কোভিড-বিধি মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। নজরদারি এবং করোনা পরীক্ষা বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে হু’র তরফে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Covid-19 in India: ষাটোর্ধ্বদের মাস্ক বাধ্যতামূলক! দেশে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘পিরোলা’, সতর্ক স্বাস্থ্য মন্ত্রক

    Covid-19 in India: ষাটোর্ধ্বদের মাস্ক বাধ্যতামূলক! দেশে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘পিরোলা’, সতর্ক স্বাস্থ্য মন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ফের করোনার রক্তচক্ষু। কোভিড (Covid-19 in India) আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২০০০-এর কাছে। তবে এখনই আতঙ্কিত হতে দেশবাসীকে নিষেধ করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, সংক্রমণ বাড়ছে ঠিকই তবে তা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। দক্ষিণের রাজ্য কেরলেই দাপট দেখাচ্ছে করোনা। সব চেয়ে আতঙ্ক-ছড়ানো ভ্যারিয়েন্ট হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘পিরোলা’ ওরফে ‘বিএ.২.৮৬’ (BA.2.86 or Pirola)। দেখা গিয়েছে, শীত পড়তেই এ বছর বেড়ছে করোনার (Corona Virus) দাপট। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায়  নতুন করে ৩৩৫ জন কোভিড -১৯-এ সংক্রমিত হয়েছেন।

    কেরলে বাড়ছে করোনা

    কেরলে প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে সংক্রমণ। দক্ষিণের এই রাজ্যে কোভিডের (Covid-19 in India) নতুন উপরূপ জেএন.১ ধরা পড়ার পর থেকেই ওই রাজ্য তো বটেই, কেরলের সীমানালাগোয়া কর্নাটকের জেলাগুলিতেও এ বিষয়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসাবে কর্নাটক সরকার ষাটোর্ধ্বদের জন্য মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করেছে রাজ্যে। এ ছাড়াও যাঁদের কোমর্বিডিটি রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রেও মাস্ক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

    দেশে জেএন.১ ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত রোগীর হদিস মিলেছে সম্প্রতি। কোভিডের এই ভ্যারিয়েন্ট জাপান, কোরিয়াতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এই আবহে কেন্দ্রীয় সরকার সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে দেশের সব রাজ্যগুলিকে। নিয়মিতভাবে জেলাভিত্তিক করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পর্যবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে রাজ্য সরকারগুলিকে। অবশ্য সরকার জানিয়েছে, সার্বিক ভাবে দেশে কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বর্তমানে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা প্রায় ২০০০। এদিকে কেরলেই কোভিডের বাড়বাড়ন্ত তুলনামূলক ভাবে সবথেকে বেশি। এই আবহে কেরলের স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। ১ থেকে ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে সেই রাজ্যে ১০ জন কোভিড রোগীর মৃত্যু হয়েছে। যার জেরে চিন্তা বাড়ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Covid-19: করোনার নতুন উপরূপ জেএন.১! বিমানবন্দরে বাধ্যতামূলক মাস্ক

    Covid-19: করোনার নতুন উপরূপ জেএন.১! বিমানবন্দরে বাধ্যতামূলক মাস্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার মাস্কে মুখ ঢাকার আতঙ্ক বিশ্বের নানা প্রান্তে। হঠাতই বাড়ছে করোনা ভাইরাসের দাপট। করোনার নয়া উপরূপ জেএন.১ দাপট দেখাচ্ছে চিনে। ভারতেও এই ভাইরাসে আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়ায় প্রতিদিন কোভিড-রোগীর (Covid-19) সংখ্যা বাড়ছে। উদ্বিগ্ন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। উদ্বেগ ছড়াচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তেও।

    নয়া উপরূপের সন্ধান

    কোভিড-১৯-এর (Covid-19) নতুন একটি উপরূপের খোঁজ মিলেছে চিনে। যার নাম জেএন.১। চিনে ইতিমধ্যে অন্তত সাত জন রোগীর শরীরে ভাইরাসের নতুন এই উপরূপ পাওয়া গিয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশের আশঙ্কা, করোনর নতুন উপরূপ দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। করোনার এই উপরূপটি প্রথম পাওয়া গিয়েছিল আমেরিকায়। গত সেপ্টেম্বরে তার খোঁজ মেলে। ডিসেম্বরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আমেরিকায় যে ক’জন কোভিড রোগী এই মুহূর্তে আছেন, তাঁদের ১৫-২৯ শতাংশের দেহে রয়েছে জেএন.১ উপরূপ। ভারতে এখনও পর্যন্ত একটি এই ধরনের রোগীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। গত ১৩ ডিসেম্বর কেরলের এক জনের দেহে মিলেছে নতুন উপরূপটি। 

    মাস্ক বাধ্যতামূলক

    সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে খবর, গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই সিঙ্গাপুরে করোনা (Corona Virus) আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে-লাফিয়ে বাড়ছে। করোনার শেষ ভ্যারিয়ান্ট  বিএ.২.৮৬ এর প্রজাতি জেএন.১ সংক্রমণ ছড়াচ্ছে বলে সিঙ্গাপুর স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহে হাসপাতালগুলিতে এমনকি আইসিইউয়ে করোনা রোগীর ভিড় বেড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মাস্ক পরা-সহ করোনা বিধি মেনে চলার উপর জোর দিচ্ছে প্রশাসন। বিশেষত, বিমানবন্দরে প্রবেশের ক্ষেত্রে সকলের মাস্ক পরা এবং কোভিডের দুটি ডোজ নেওয়া বাধ্যতামূলক বলে জানিয়েছে সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্য মন্ত্রক। আগাম সতর্কতা হিসাবে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও প্রবেশের ক্ষেত্রে শুক্রবার থেকে সকলের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: ভারত মাতা মন্দিরের পর কানাডার ‘খালিস্তান গড়ে’ বসছে ৫৫ ফুট হনুমানজির মূর্তি

    ভারতে করোনার দাপট

    শীত পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারতেও করোনা (Corona Virus) আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে কেরলে করোনা আক্রান্তের হার সবেচেয়ে বেশি। সেখানে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা দুই শতাধিক। একমাস আগেও ভারতে সক্রিয় কোভিড রোগীর সংখ্যা ৫০০-র কম ছিল। কিন্তু, শীত পড়ার সঙ্গে-সঙ্গে এই গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকও। তবে এখনই এ নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। এখনও পর্যন্ত রোগীদের মধ্যে উপসর্গ মৃদু দেখা যাচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Covid 19: দেশে ফের বাড়ছে করোনার গ্রাফ! দৈনিক আক্রান্ত প্রায় ২ হাজার, মৃত ৬

    Covid 19: দেশে ফের বাড়ছে করোনার গ্রাফ! দৈনিক আক্রান্ত প্রায় ২ হাজার, মৃত ৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা সংক্রমণ আবার বাড়ছে দেশে। প্রায় প্রতি দিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। পরিসংখ্যান বলছে এক দিনে প্রায় ২ হাজার মানুষ নতুন করে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। গত এক সপ্তাহে করোনায় ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার আগের সপ্তাহেই সংখ্যাটি ছিল ১৯। সোমবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    কী বলছে কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৮৯০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। গত সাত মাস অর্থাৎ ২১০ দিনের মাথায় এটা সর্বোচ্চ। গত বছর অক্টোবর মাসে শেষ বার এক দিনে এত মানুষ আক্রান্ত হয়েছিলেন। জানা গেছে, এই মুহূর্তে দেশে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ১০ হাজারের বেশি। যে হারে সংক্রমণের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তা ২ হাজারের গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলতে পারে।

    বিগত ৬ সপ্তাহ ধরেই করোনা ধীরে ধীরে মাথাচারা দিচ্ছে

    গত এক সপ্তাহে অর্থাৎ ১৯ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত সারা দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮ হাজার ৭৮১ জন। তার আগের সপ্তাহের পরিসংখ্যানের চেয়ে যা ৭৮ শতাংশ বেশি। পূর্ববর্তী সপ্তাহে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন ৪ হাজার ৯২৯ জন। সে ক্ষেত্রেও দৈনিক সংক্রমণে ৮৫ শতাংশ বৃদ্ধি দেখা গিয়েছিল। গত ৬ সপ্তাহ ধরেই করোনা ধীরে ধীরে মাথা চারা দিয়ে উঠছে।

    সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা

    এই পরিস্থিতিতে আগে থেকেই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা। মাস্ক, স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে বলছেন তাঁরা। সেই সঙ্গে আগামী দিনে নতুন করে অতিমারির পরিস্থিতি তৈরি হলে, তা নিয়ন্ত্রণের জন্য হাসপাতালগুলিতে পর্যাপ্ত শয্যা, ওষুধপত্র, অক্সিজেন এবং আইসিইউ পরিষেবা রয়েছে কি না, যাচাই করে দেখা হবে এপ্রিলের মহড়ায়। আগামী মাসের ১০ এবং ১১ তারিখ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে করোনা মোকাবিলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা হবে। অনুষ্ঠিত হবে মহড়া। এবিষয়ে রাজ্যগুলির কাছে নির্দেশিকাও পাঠিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Covid 19: ৩ বছর পর কোভিড নিয়ে সুখবর! ভারতের করোনাগ্রাফে রেকর্ড পতন

    Covid 19: ৩ বছর পর কোভিড নিয়ে সুখবর! ভারতের করোনাগ্রাফে রেকর্ড পতন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৩ বছর পর করোনা নিয়ে স্বস্তির খবর পাওয়া গেল। সারা বিশ্বে যখন করোনার প্রকোপ কিছুটা কমেছে, তখন চিনে এর দাপট বেড়েই চলেছে। ফলে ভারতেও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে করোনা নিয়ে বিশেষ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারই মধ্যে এল খুশির খবর। অবশেষে ২০২৩-এর ১৭ জানুয়ারি এখনও অবধি সবথেকে কম সংখ্যক করোনা আক্রান্ত হল এদেশে। ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় মাত্র ৮৯টি নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণ নথিভুক্ত হয়েছে, যা ২৭ মার্চ, ২০২০-এর পর থেকে সর্বনিম্ন। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুসারে এমনটাই বলছে দেশের করোনাগ্রাফ।

    ৩ বছর পর ভারতের করোনার গ্রাফে রেকর্ড পতন

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, এর আগে এত কম করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা হয়নি। ৭ মার্চ, ২০২০ থেকে এখনও পর্যন্ত সর্বনিম্ন বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় মাত্র ৮৯টি নতুন করোনা সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। যা ২০২০ সালের পর থেকে সর্বনিম্ন বলেই খবর। ফলে চিনে করোনার ভ্যারিয়েন্ট বিএফ.৭-এর দাপটের মাঝেই করোনাগ্রাফে এই সর্বনিম্ন পতনে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন দেশবাসী।

    আরও পড়ুন: নাক বন্ধ? হতে পারে করোনা! নতুন কোভিড উপসর্গগুলো জানেন?

    মঙ্গলবার দেশে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমে হয়েছে ২,০৩৫। অন্যদিকে, সুস্থতার হার প্রায় ৯৮ শতাংশের আশেপাশে। এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৪ কোটি ৪১ লক্ষ ৪৮ হাজার ৪৭২ জন। সারা দেশে মোট কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা এখনও অবধি ৪.৪৬ কোটি। সারা দেশে মোট কোভিডে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৩০ হাজারের কিছু বেশি।

    ১০২৭ দিন পর দিল্লিতে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা শূন্য

    প্রায় ৩ বছর বা ১০২৭ দিন পর গতকাল, ১৬ জানুয়ারি রাজধানী দিল্লিতে করোনায় কেউ আক্রান্ত হননি। ২০২০ সালের ২৪ মার্চ দিল্লিতে শেষবারের মত কোনও কোভিড কেস দেখা যায়নি। আর আজ এমন ঘটনা ঘটল। প্রসঙ্গত, এর আগে দিল্লিতে প্রায় ২৬,৫০০-এর বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। সেখানে দেখা গিয়েছে, গতকাল নতুন করে কোনও করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দেখা যায়নি। আবার কেউ কোভিডে মারাও যাননি গতকাল। ফলে দিল্লিবাসীর জন্যও এটি একটি স্বস্তির খবর।  

LinkedIn
Share