Tag: Corona Virus

Corona Virus

  • Taj Mahal: করোনা পরীক্ষা ছাড়া তাজমহলে প্রবেশ নয়, নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    Taj Mahal: করোনা পরীক্ষা ছাড়া তাজমহলে প্রবেশ নয়, নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবেশী দেশ চিনে ফের বাড়ছে করোনার প্রকোপ। দেশেও যাতে করোনা পরিস্থিতি হাতের বাইরে না চলে যায় তার জন্যে আগে থেকেই সতর্ক কেন্দ্রীয় সরকার। দেশে ফের কোভিড নীতি লাগু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। আর তারই প্রথম ধাপ হিসেবে, এখন থেকে করোনা পরীক্ষার সার্টিফিকেট ছাড়া তাজমহলে (Taj Mahal) প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করল আগ্রা জেলা স্বাস্থ্য দফতর।

    আরও পড়ুন: কলকাতায় আসছেন মোদি, হাওড়ায় করবেন জনসভা, রয়েছে গুচ্ছ কর্মসূচিও  

    আগ্রার জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক অনিল সতসঙ্গি বৃহস্পতিবার এই নিয়ম জারি করেন। তিনি জানান, তাজমহলে (Taj Mahal) প্রতিদিন দেশ, বিদেশের বহু মানুষ বেড়াতে আসেন। করোনা যাতে না ছড়ায়, সে জন্যই কোভিড পরীক্ষা করে তবেই প্রবেশ করতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

     

    প্রতি দিন বিশ্বের (Taj Mahal) নানা প্রান্ত থেকে হাজার হাজার পর্যটক মুঘল আমলে তৈরি পৃথিবীর এই সপ্তম আশ্চর্য দেখতে আসেন। কিন্তু চিন-সহ এশিয়ার একাধিক দেশে যে ভাবে করোনার প্রকোপ বাড়ছে, তাতে এখন থেকেই শক্ত হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে কেন্দ্র। আর সে কারণেই করোনা-পরীক্ষার এই সিদ্ধান্ত। অনিল সতসঙ্গি বলেন, “সংক্রমণ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে সে জন্য এর মধ্যেই পরীক্ষা শুরু করেছে স্বাস্থ্য দফতর। যেহেতু সতর্কতা বেড়েছে, তাই পর্যটকদের ক্ষেত্রে এই পরীক্ষা এখন বাধ্যতামূলক।”

    করোনার এই উর্ধ্বগতি দেখে আবার বেশ কিছু কোভিড বিধি নির্ধারণ করে দিয়েছে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন। একটি বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে, ভারতের (Taj Mahal) পরিস্থিতি মোটেও উদ্বেগজনক নয়। আতঙ্কিত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই এখনি। কিন্তু ঢিলেমি করলেও চলবে না। চিকিৎসার থেকে প্রতিরোধ ভালো। তাই সকলকেই কোভিড মোকাবিলায় এগিয়ে আসতে হবে। 

    নতুন কোভিড বিধিগুলি কী কী?

    • মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক।
    • সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। 
    • স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে। 
    • বিয়ে, সামাজিক এবং রাজনৈতিক যে কোনও ধরনের জমায়েত বন্ধ। 
    • আন্তর্জাতিক যাত্রা পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে।
    • জ্বর, গলা ব্যথা, কাশি বা পেটখারাপ হলে অবিলম্বে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন। 
    • প্রিকশনারি ডোজ-সহ কোভিড ভ্যাকসিনের সব কটি ডোজ নিয়ে নিতে হবে। 
    • সরকারের তরফে যা নির্দেশিকা দেওয়া হবে, তা মেনে চলতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Coronavirus: দেশে ফের কোভিড-হানার আশঙ্কা, রুখতে তৎপর কেন্দ্র, উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মোদি

    Coronavirus: দেশে ফের কোভিড-হানার আশঙ্কা, রুখতে তৎপর কেন্দ্র, উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের আতঙ্ক বাড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস (Coronavirus)। প্রতিবেশী দেশ চিনে ইতিমধ্যেই ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে এই মারণ রোগ। আর তাতে আগে থেকেই সতর্ক থাকতে চাইছে ভারত। কোনও রকম ঝুঁকি নিতে রাজি নয় কেন্দ্র। করোনার ঊর্ধ্বগতি থেকে বাঁচতে কী কী করনীয় সে নীতি নির্ধারণ করতে ইতিমধ্যেই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। এবার আরও এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশে যাতে কোনও ভাবেই ওমিক্রন বিএফ.৭-এর বাড়বাড়ন্তনা হয় তার জন্যেই এই তৎপরতা। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যর ডাকা বৈঠকে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ, নীতি আয়োগের সদস্য (স্বাস্থ্য) বি কে পল-সহ স্বাস্থ্য মন্ত্রকের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা। বৃহস্পতিবার বিকেলে দেশের করোনা পরিস্থিতি পর্যালোচনা বৈঠকে হাজির থাকবেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    আরও পড়ুন: মুক্তি পেতে চলেছে ‘বিকিনি কিলার’, জন্মসূত্রে ভারতীয় চার্লস শোভরাজ

    তৎপরতার কারণ  

    করোনাভাইরাসের নয়া ভ্যারিয়েন্টের (Coronavirus) ইতিমধ্যেই খোঁজ মিলেছে ভারতে। ওড়িশা এবং গুজরাটে মোট ৪ জনের দেহে ওমিক্রন বিএফ.৭-এর খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। ওমিক্রনের আগের রূপের মতোই এটিও তীব্র সংক্রামক বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এই পরিস্থিতিতে বুধবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে পর্যালোচনা বৈঠকে মূলত বুস্টার টিকাকরণে জোর দেওয়া হয়েছে। সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, দেশের ৯০ শতাংশের বেশি মানুষ দু’টি টিকা নিলেও এখনও পর্যন্ত তৃতীয় টিকা বা বুস্টার নিয়েছেন মাত্র ২৭ শতাংশ।  

    স্বাস্থ্য আধিকারিকদের মতে, করোনায় (Coronavirus) মৃত্যুর হার কমে যাওয়ায় মানুষের মধ্যে ভীতি চলে গিয়েছে। আর তাতেই মানুষ আর বুস্টার ডোজে গুরুত্ব দিচ্ছে না। কিন্তু চিনে মৃত্যুর হার আবার ভয় ধরাচ্ছে। সংক্রমণ বাড়ছে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো এশিয়ার অন্যান্য দেশেও। এই আবহে বি কে পাল বলেন, “বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিক, যাঁদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি— তাঁদের অবশ্যই বুস্টার নিয়ে ফেলা উচিত।”

    ভারতে ওমিক্রন বিএফ.৭ -এর (Coronavirus) প্রথম আক্রান্তের খোঁজ মেলে অক্টোবর মাসে। গুজরাটের বায়োটেকনোলজি রিসার্চ সেন্টারে ধরা পড়ে ওই ভ্যারিয়েন্ট। এর পরে মোদির রাজ্যেই আরও এক আক্রান্তের সন্ধান মেলে। এ ছাড়া, ওড়িশায় ২ জনের দেহে ভাইরাসের সন্ধান মিলেছে। কোনও মৃত্যুর খবর মেলেনি। এদিকে বিভিন্ন মহলে বুস্টার ডোজ নেওয়া বাধ্যতামূলক করার দাবিও উঠছে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী এখনই তা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Coronavirus: “বড়দিনের উৎসবে মাস্ক পরুন, দূরত্ববিধি মেনে চলুন”, সংসদ থেকে বিশেষ বার্তা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

    Coronavirus: “বড়দিনের উৎসবে মাস্ক পরুন, দূরত্ববিধি মেনে চলুন”, সংসদ থেকে বিশেষ বার্তা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েকদিন ধরেই চিন-সহ এশিয়ার বেশ কিছু দেশ ফের করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। আতঙ্ক ছড়িয়েছে এ দেশেও। এই আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রকের উচ্চ পদস্থ কর্তাদের সঙ্গে। এদিন সংসদে বিবৃতি পেশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। সংসদে তিনি বলেন, “কোভিড অতিমারি শেষ হয়ে যায়নি। সচেতন থাকুন। তবে দেশের কোভিড (Coronavirus) পরিস্থিতি নিয়ে এখনই কোনও আতঙ্কের কারণ নেই।”

    কী বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী?   

    এদিন সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য আরও বলেন, “গত কয়েকদিন ধরে বিশ্বের বহু দেশে কোভিডের (Coronavirus) কেস বেড়েছে। কিন্তু ভারতে এখনও তেমন প্রভাব পড়েনি। আমরা চিনের ক্রমবর্ধমান কোভিড কেস এবং এর কারণে মৃত্যুর ওপর নজর রাখছি। স্বাস্থ্যমন্ত্রক কোভিড-১৯ মহামারি নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট সক্রিয়। মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলিকে আর্থিক সহায়তা করেছে। এখনও পর্যন্ত ২২০ কোটি কোভিড ভ্যাকসিন শট দেওয়া হয়েছে। আমরা বিশ্বব্যাপী কোভিড পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি এবং সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নিচ্ছি। রাজ্যগুলিকে কোভিডের নতুন রূপ শনাক্ত করতে জিনোম-সিকোয়েন্সিং বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।” 

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “উৎসব এবং নতুন বছরের মরশুমের পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যগুলিকে বুস্টার ডোজ (Coronavirus) সংক্রান্ত সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে মাস্ক পরতে, স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্যে সচেতন করতে হবে। আমরা দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগত যাত্রীদের মধ্যে র‍্যান্ডম আরটিপিসিআর স্যাম্পলিংও শুরু করেছি। আমরা মহামারি মোকাবিলায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছি। আমাদের মনে রাখতে হবে কোভিড এখনও শেষ হয়ে যায়নি।”

    আরও পড়ুন: আসানসোলের পদপিষ্ট কাণ্ডে জিতেন্দ্রজায়া চৈতালিকে রক্ষাকবজ দিল হাইকোর্ট

    করোনাভাইরাসের নয়া ভ্যারিয়েন্টের (Coronavirus) ইতিমধ্যেই খোঁজ মিলেছে ভারতে। ওড়িশা এবং গুজরাটে মোট ৪ জনের দেহে ওমিক্রন বিএফ.৭-এর খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। ওমিক্রনের আগের রূপের মতোই এটিও তীব্র সংক্রামক বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এই পরিস্থিতিতে বুধবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে পর্যালোচনা বৈঠকে মূলত বুস্টার টিকাকরণে জোর দেওয়া হয়েছে। সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, দেশের ৯০ শতাংশের বেশি মানুষ দু’টি টিকা নিলেও এখনও পর্যন্ত তৃতীয় টিকা বা বুস্টার নিয়েছেন মাত্র ২৭ শতাংশ।

    ভারতে ওমিক্রন বিএফ.৭ -এর (Coronavirus) প্রথম আক্রান্তের খোঁজ মেলে অক্টোবর মাসে। গুজরাটের বায়োটেকনোলজি রিসার্চ সেন্টারে ধরা পড়ে ওই ভ্যারিয়েন্ট। এর পরে মোদির রাজ্যেই আরও এক আক্রান্তের সন্ধান মেলে। এ ছাড়া, ওড়িশায় ২ জনের দেহে ভাইরাসের সন্ধান মিলেছে। এই ভ্যারিয়েন্টের কারণে কোনও মৃত্যুর খবর মেলেনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Covid 19 in China: চতুর্দিকে লাশের পাহাড়, চিনের দাবি করোনায় মৃত্যু হয়নি কারও!

    Covid 19 in China: চতুর্দিকে লাশের পাহাড়, চিনের দাবি করোনায় মৃত্যু হয়নি কারও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের প্রকাশ্যে চিনের দ্বিচারিতা! মারণ ভাইরাস (Covid 19 in China) করোনার কবলে পড়ে প্রাণ হারাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। শ্মশানঘাটগুলি উপচে পড়ছে লাশের স্তূপে। তার পরেও শি জিনপিংয়ের দেশের দাবি, চিনে নতুন করে কারও মৃত্যু হয়নি করোনা সংক্রমিত হয়ে। চিন সরকার জানিয়েছে, প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনার (Corona) সংক্রমণের কারণে কেবলমাত্র যাঁরা শ্বাসকষ্টে মারা যাচ্ছেন, তাঁদেরই করোনায় মৃত্যু হয়েছে বলে ধরা হবে। নচেৎ নয়। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এভাবে চিন (China) শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে চাইছে। তাদের মতে, চিন সরকারের ওই বক্তব্যেই স্পষ্ট, করোনার প্রভাবে যাঁদের মৃত্যু হবে, তাঁদের করোনায় মৃত্যু হয়েছে বলে ধরা হবে না। প্রসঙ্গত, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রকাশিত গাইডলাইন অনুযায়ী, যেখানে করোনা ভাইরাসের কারণে মৃত্যু (সেটা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যাই হোক না কেন) হয়েছে, সেখানেই করোনায় মৃত্যু হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে।

    চিনের দাবি…

    চিনের দাবি, ২০ ডিসেম্বর সে দেশে করোনার কারণে মৃত্যু হয়নি একজনেরও। মঙ্গলবার দেশে ৩ হাজার ১০১ জনে করোনা সংক্রমিতের খোঁজ মিলেছে। চিন সরকারের এহেন দাবির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছেন এক দেহ-সৎকার কর্মী। তাঁর দাবি, শ্মশানঘাটগুলিতে দেহ রাখার জায়গা নেই। অনবরত জ্বলছে চুল্লি। দেহ-সৎকার কর্মীদের কয়েকজন সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন শ্মশানঘাটে জমে রয়েছে লাশের পাহাড়। এ ছবিটা হুবহু এক চিনের উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে। চিনের সোশ্যাল মিডিয়ায়ও ছড়িয়েছে, দেহ দাহ করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন সৎকার কর্মীরা।

    আরও পড়ুন:ফের বাড়তে পারে করোনা! পজিটিভ নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করার নির্দেশ কেন্দ্রের

    ন্যাশনাল হেল্থ কমিশনের দাবি, দেশে করোনায় (Covid 19 in China) নতুন করে কারও মৃত্যু হয়নি। তবে সোমবার করোনা সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের। হুয়ের পরামর্শদাতাদের মতে, চিন তড়িঘড়ি করে করোনা পরিস্থিত শেষ বলে ঘোষণা করেছে। এর জেরেই ঘনিয়েছে বিপদ। এরিক ফেইগেল ডিং নামে এক বিজ্ঞানী অবশ্য জানিয়েছেন, আগামী ৯০ দিনের মধ্যে চিনের ৬০ শতাংশ এবং গোটা বিশ্বের ১০ শতাংশ মানুষ করোনা সংক্রমিত হতে পারেন। তার জেরে মৃত্যু হতে পারে কয়েক মিলিয়ন মানুষের। এদিকে, চিনের বিপদে তাদের পাশে দাঁড়াতে রাজি আমেরিকা। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন, চিন সহ গোটা বিশ্বকেই করোনার মোকাবিলা করতে সাহায্য করতে আমরা প্রস্তুত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Covid Mask: বাতাসে উপস্থিত করোনা ভাইরাস শনাক্ত করবে বিশেষ মাস্ক! এবিষয়ে কী জানালেন বিজ্ঞানীরা?

    Covid Mask: বাতাসে উপস্থিত করোনা ভাইরাস শনাক্ত করবে বিশেষ মাস্ক! এবিষয়ে কী জানালেন বিজ্ঞানীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগেই জানা গিয়েছিল যে, আপনি কোভিডে আক্রান্ত কিনা তা বলে দেবে মোবাইলের অ্যাপ। আর এখন জানা গিয়েছে, বাতাসে করোনা ভাইরাস আছে কিনা তা শনাক্ত করবে বিশেষ পদ্ধতিতে তৈরি করা একটি মাস্ক। আর ১০ মিনিটের মধ্যেই সেই বিষয়ে জানতে পারবেন আপনার মোবাইল থেকে।

    প্রায় তিনবছর ধরে বিশ্বব্যাপী মানুষ এই মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে চলেছে। আগের থেকে এখন করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা অনেক কমে গিয়েছে। তবুও মাঝে মাঝেই করোনা সংক্রমণের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী দেখা যায়। আবার এমনটাও দেখা গিয়েছে যে, বর্তমানে করোনার উপসর্গ দেখেও পরীক্ষা করাতে চান না অনেকেই। ফলে এবারে জনতার সুবিধার্থে এই ধরণের মাস্ক তৈরি করা হল যা বাতাসে উপস্থিত করোনা ভাইরাসকে শনাক্ত করতে পারবে।

    আরও পড়ুন: এবার মোবাইল অ্যাপই বলে দেবে আপনি কোভিড আক্রান্ত কি না

    জানা গিয়েছে, এই মাস্ক শুধুমাত্র বাতাসে উপস্থিত করোনা ভাইরাসই শনাক্ত করবে না, ইনফ্লুয়েঞ্জার মত ভাইরাসের উপস্থিতিও জানিয়ে দেবে মোবাইলে। সাংহাই টংজি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞানী ইয়িন ফাং জানিয়েছেন, আগের স্টাডিতে দেখা গিয়েছে, মাস্কই করোনা ভাইরাস ছড়ানো ও সংক্রামিত হওয়ার ঝুঁকি কমাতে পারে। তাই তাঁরা এমন একটি মাস্ক তৈরি করতে চেয়েছিলেন যা বাতাসে ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করতে পারবে ও যে মাস্ক পরে আছে তাকে সতর্ক করতে পারবে। তিনি আরও জানিয়েছেন যে তাদের তৈরি করা মাস্ক বদ্ধ জায়গায়, যেখানে সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, সেখানে ভালো কাজ করতে পারে।

    তিনি আরও জানিয়েছেন, তাঁর দলের পরবর্তী লক্ষ্য হল মাস্কের পলিমার এবং ট্রানজিস্টরগুলির নকশাকে অপ্টিমাইজ করা ও সেন্সরের সেন্সিটিভিটিকে বৃদ্ধি করা, যাতে মাস্কের ভাইরাস শনাক্ত করতে বেশি সময় না লাগে। তাঁরা এই মাস্কে অ্যাপটামারস নামে এক সেন্সর ব্যবহার করেছে, এটি এক ধরেণের সিন্থেটিক অণু যা ভাইরাসকে শনাক্ত করতে পারে। এই অ্যাপটামারস বাতাসে ভাইরাসের সংস্পর্শে এলে সংশ্লিষ্ট আয়ন-গেটেড ট্রানজিস্টর সিগন্যালকে বুস্ট করবে এবং ফোনের মাধ্যমে মাস্ক পরা ব্যক্তিকে সতর্ক করবে। বিজ্ঞানীরা এই সেন্সরের আরও পরিবর্তন করতে চলেছে, যাতে ভবিষ্যতে করোনা ভাইরাসের পাশাপাশি মাস্কটি H5N1 এবং H1N1 ভাইরাসকেও শনাক্ত করতে পারে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

  • Covid-19: পুজোর আগেই স্বস্তির খবর! ‘করোনা মহামারীর শেষ দেখা যাচ্ছে’, ঘোষণা ‘হু’ প্রধানের

    Covid-19: পুজোর আগেই স্বস্তির খবর! ‘করোনা মহামারীর শেষ দেখা যাচ্ছে’, ঘোষণা ‘হু’ প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগেই এক স্বস্তির খবর পাওয়া গেল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে। বুধবার হু (WHO) থেকে জানানো হয়েছে যে, কোভিড (Covid-19) এখনও পর্যন্ত পুরোপুরিভাবে চলে না গেলেও করোনাভাইরাসের শেষ হওয়ার কিছু আশা দেখা যাচ্ছে। কারণ হু থেকে দাবি করা হয়েছে যে, গত সপ্তাহে বিশ্বব্যাপী করোনভাইরাসে মৃতের সংখ্যা, ২০২০ সালের মার্চের পর থেকে সবচেয়ে কম রিপোর্ট করা হয়েছে, ফলে এটি গোটা বিশ্বের জন্য একটি টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে। কারণ প্রায় তিনবছর ধরে বিশ্বব্যাপী মানুষ লড়াই করে চলছে করোনা মহামারীর সঙ্গে।

    জেনেভায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ডব্লিউএইচওর প্রধান টেড্রোস গেব্রেইসাস (Tedros Adhanom Ghebreyesus) বলেছেন, ‘মহামরারী ইতি টানার ক্ষেত্রে এর থেকে আর কখনও ভালো জায়গায় ছিলাম না। আমরা এখনও শেষ পর্যায়ে পৌঁছায়নি। কিন্তু শেষটা দেখা যাচ্ছে।’ হু-এর থেকে জানানো হয়েছে, গত সপ্তাহে মৃত্যুর হার ২২ শতাংশ কমেছে। আগের সপ্তাহে বিশ্বব্যাপী করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩১ লাখ।

    আরও পড়ুন: “করোনা ভাইরাস ক্লান্ত নয়, আগামী মাসে ফের বাড়বে আক্রান্তের সংখ্যা”, সতর্কবার্তা ‘হু’ প্রধানের

    হু থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, বিশ্বের অনেক দেশেই করোনা পরীক্ষা করার হার কমে গিয়েছে, করোনার টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রেও সব জায়গায় সমান নয়। ফলে এখন থেকেই করোনার বিরুদ্ধে লড়তে বিভিন্ন বিধিনিষেধ মেনে চলাতে হবে। কারণ শীতকাল চলে আসলেই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা আরও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করার কথা জানিয়েছে হুর প্রধান। টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসাস বলেন, ‘আমরা যদি এখন সেই সুযোগ না নিই, আমাদের সামনে আরও ভ্যারিয়েন্ট, আরও মৃত্যু, আরও বিপদ এবং আরও বেশি অনিশ্চয়তার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।’

    ফলে শীত আসার আগেই এক আগাম সতর্কতা হু-এর তরফে গোটা বিশ্ববাসীকে দেওয়া হল। আপাতত বিশ্বে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১০,০৯২,৪৮২। মৃত্যু হয়েছে ৬,৫১৯,০৩২ জনের। যদিও অনেক মহলের দাবি যে, করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এবং মোট মৃতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি, এবং আসল তথ্য গোপন রাখা হচ্ছে।

  • Covid 19 Update: সক্রিয় রোগীর সংখ্যা এক লক্ষ পার, ফের ভয় ধরাচ্ছে করোনা!

    Covid 19 Update: সক্রিয় রোগীর সংখ্যা এক লক্ষ পার, ফের ভয় ধরাচ্ছে করোনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভয় ধরাচ্ছে দেশে করোনা (Covid 19) সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি। সক্রিয় রোগীর (Active Cases) সংখ্যা পেরিয়েছে এক লক্ষের গণ্ডি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৮,৮১৯ জন। ফের করোনা কপালে ভাঁজ ফেলেছে চিকিৎসা মহলের। ১৩০ দিন পরে আবার এক লাখের সীমা অতিক্রম করেছে সক্রিয় সংক্রমণ। একদিনে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩৯ জন। দেশে এযাবৎ করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ৫,২৫,১১৬। মৃত্যুর হার ১.২১ শতাংশ।

    [tw]


     [/tw]

    গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে পরাজিত করে সেরে উঠেছেন ১৩,৮২৭ জন। এই অবধি গোটা দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪,২৮,২২,৪৯৩ জন। সুস্থতার হার ৯৮.৫৫%। 

    আরও পড়ুন: ভারতে তৈরি প্রথম এমআরএনএ ভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র ডিসিজিআইয়ের

    এই মুহূর্তে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ১,০৪,৫৫৫। দৈনিক পজিটিভিটি রেট ৪.১৬%। সাপ্তাহিক পজিটিভিটি রেট ৩.৭২%। এ পর্যন্ত মোট কোভিড পরীক্ষা করা হয়েছে ৮৬.২৩ কোটি জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪,৫২,৪৩০ জনের কোভিড পরীক্ষা হয়েছে। টিকা দেওয়া হয়েছে মোট  ১৯৭.৬১ ডোজ।

    সংক্রমণের নিরিখে প্রথমেই রয়েছে মহারাষ্ট্র। গত ২৪ ঘণ্টায় শুধু মহারাষ্ট্রেই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩,৯৫৭ জন। মৃত্যু হয়েছে সাত জনের।

    দেশে দেশে নতুন করে মাথাচাড়া দিচ্ছে করোনা ভাইরাস। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, অতিমারি পরিস্থিতির পরিবর্তন হলেও তা শেষ হয়ে যায়নি, তার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। ১১০টি দেশে নতুন করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। 

    আরও পড়ুন: করোনা থেকে সেরে উঠেছেন? ভালো থাকতে খাদ্যতালিকায় রাখুন এই খাবারগুলো

    নতুন করে করোনার বাড়বাড়ন্তে ফের বিধিনিষেধে কড়াকড়ি করেছে কেন্দ্র। বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের উপর ফের কড়া নজর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যগুলিকে। কেন্দ্রের তরফে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে রাজ্যগুলির কাছে। বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের মধ্যে অন্তত ২ শতাংশের করোনা পরীক্ষা করাতে হবে।   

     

  • Covid-19 Tips: ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনা-গ্রাফ, বাড়ছে উদ্বেগও, কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    Covid-19 Tips: ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনা-গ্রাফ, বাড়ছে উদ্বেগও, কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা (Coronavirus)। প্রতিদিন দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে দৈনিক সংক্রমণ। অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে, হয়ত চতুর্থ ঢেউ এবার আছড়ে পড়ল বলে! কোভিড ঘিরে আবারও উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। 

    এই পরিস্থিতিতে কিছুটা হলেও আশার বাণী শুনিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের আশ্বাস, করোনার ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফ ঘিরে চিন্তার কোনও কারণ নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও, আক্রান্তরা যে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ছেন, এমনটা কিছুই হয়নি। কারণ করোনা হয়ে হাসপাতালে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যাও কম, এমনটাই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও, একইসঙ্গে করোনার থেকে বাঁচতে কোভিড নিয়মগুলি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞের কথায় কিছুটা হলেও স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পেরেছে সাধারণ মানুষ। 

    আরও পড়ুন: করোনায় একদিনে আক্রান্ত ১৩ হাজারেরও বেশি, স্বস্তি দিচ্ছে সুস্থতার হার

    সোমবার দিল্লিতে একদিনে কোভিডে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১০৬০, আর মৃত্যু হয় ৬ জনের। শুক্রবারে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৭৯৭ যা বিগত চার মাসের মধ্যে  সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল।

    চিকিৎসকদের মতে, গত সপ্তাহে সংক্রমণ বাড়লেও এতে ভয়ের কোনও কারণ নেই। কারণ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা কম এবং ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর সমস্যাও কম দেখা গিয়েছে। শুধুমাত্র বয়স্ক অথবা যাঁদের ইমিউনিটি কম বা যাঁদের আগের থেকে অসুখ রয়েছে তাঁরাই একমাত্র ভর্তি হচ্ছেন হাসপাতালে।

    বিশেষজ্ঞদের অভিমত, সাধারণ মানুষকে এই ভাইরাস নিয়েই বেঁচে থাকতে হবে এবং এর পাশাপাশি কোভিডবিধি পালন করতে হবে। যেমন— মাস্ক ব্যবহার, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, সঠিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। যাঁদের শরীরে কোভিডের কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে তাঁদের আগে থেকে আইসোলেশনে (Isolation) চলে যাওয়া উচিত বলেও পরামর্শ চিকিৎসকদের।

    আরও পড়ুন: কোভিডের ডেল্টা, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের উপর কার্যকর কোভ্যাক্সিন বুস্টার ডোজ!

    অসতর্কতা বা সচেতনতার অভাবেই গ্রাফের এই উত্থান বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। কোভিড পুরোপুরিভাবে না যাওয়ার আগেই সাধারণ মানুষ ভ্যাকেশনে (Vacation) চলে যাচ্ছেন এবং সেখানে গিয়েও কোনওপ্রকার কোভিড নিয়ম মেনে চলছেন না। তাঁদের মতে, মাস্ক ব্যবহারে অনীহা এবং সামাজিক দূরত্ব (Social Distancing) বজায় না রাখার সঙ্গে সঠিক স্বাস্থ্যবিধি (Health Guidelines) ঠিকঠাক করে না মেনে চলার জন্যই করোনার গ্রাফের এই ঊর্ধ্বগতি।

    ফলে করোনা নিয়ে চিন্তা না থাকলেও প্রতিটি মানুষকেই সতর্ক হয়ে যেতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মাস্কের (Mask) ব্যবহার মাস্ট এবং এতেই হবে সমস্যা দূর। এছাড়া শারীরিক দূরত্ববিধিও মেনে চলা থেকে শুরু করে নিয়মিত হাত ধোওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা।

  • Maharashtra Covid: মাথা চাড়া দিচ্ছে করোনা, মহারাষ্ট্রে ফের বাধ্যতামূলক মাস্ক!

    Maharashtra Covid: মাথা চাড়া দিচ্ছে করোনা, মহারাষ্ট্রে ফের বাধ্যতামূলক মাস্ক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে করোনা (Coronavirus)। ভাইরাসের বাড়বাড়ন্ত হতেই রাজ্যে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক (Mask wearing compulsory) করল মহারাষ্ট্র (Maharashtra) সরকার। এপ্রিলের পর শুক্রবার রাজ্যে একদিনে তিনজনের মৃত্যু হয়, আক্রান্তের সংখ্যাও এদিন হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে যায়। আর তারপরেই নড়েচড়ে বসে সরকার।

    ইতিমধ্যেই কোভিড সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা (Covid guidelines) জারি করেছে মহারাষ্ট্র সরকার। রাজ্যের সব জেলাগুলিকে এই নির্দেশিকা পাঠিয়েছেন খোদ রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব প্রদীপ ব্যাস। সেই নির্দেশিকাতেই বলা হয়েছে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক।

    আরও পড়ুন: জরুরী বৈঠকের ডাক উদ্ধব ঠাকরের, ফের লকডাউনের পথে মুম্বাই?

    মহারাষ্ট্রের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব বলেন, “ভিড় জায়গায়, ট্রেন, বাস, সিনেমা, অডিটোরিয়াম, অফিস, হাসপাতাল, স্কুল এবং কলেজে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক।” সংবাদমাধ্যমকে প্রদীপ ব্যাস জানান, রাজ্যে ফের কোভিড সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায়, তাই আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে মাস্ক পরাকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।   

    অতিরিক্ত মুখ্যসচিব আরও জানান, “গত কয়েক মাস সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে ছিল। ফের রুদ্ররূপ ধারণ করতে শুরু করেছে করোনা। তিন মাস পর ফের দৈনিক সংক্রমণ এক হাজার পার করেছে। যা চিন্তার বিষয়। গত সপ্তাহে রাজ্যের নয় জেলায় সংক্রমণে বাড়বাড়ন্ত দেখা গিয়েছে। কোভিডের নতুন ভ্যারিয়েন্ট বিএ.৪ এবং বিএ.৫ কয়েক জনের দেহে পাওয়া গিয়েছে। সরকার কোনও ঝুঁকি নিতে রাজি নয়।”  

    আরও পড়ুন: সোনিয়ার আরোগ্য কামনা মোদির, এবার করোনা আক্রান্ত প্রিয়ঙ্কাও

    দেশজুড়ে আবার সংক্রমণ ছড়াচ্ছে এই মারণ ভাইরাস। আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছে ৪ হাজারের গণ্ডি। বেড়েছে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও। 

    মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray) এবিষয়ে বলেছেন, “সম্ভবত এটাই করোনার চতূর্থ ঢেউ (Corona 4th wave)। ভারত সরকার নিশ্চিত না করা অবধি কিছু বলা যাচ্ছে না।” রাজ্যবাসীকে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, “এখনই ভয় পাওয়ার কিছু হয়নি। সরকার অবস্থা বুঝে সিদ্ধান্ত নেবে।” 

    রবিবারই মহারাষ্ট্রে একদিনে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১,৪৯৪। এদিন একজনের মৃত্যু হয়েছে। এযাবৎ এরাজ্যে করোনায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৭৮,৯৩,১৯৭ জন, মৃত্যু হয়েছে ১,৪৭,৮৬৬ জনের।

     

     

     

     

     

     

     

  • Norovirus: কেরলে আক্রান্ত ২, করোনা-মাঙ্কিপক্সের পর নয়া আতঙ্ক নোরোভাইরাস? 

    Norovirus: কেরলে আক্রান্ত ২, করোনা-মাঙ্কিপক্সের পর নয়া আতঙ্ক নোরোভাইরাস? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা ভাইরাস, মাঙ্কিপক্সের পর নয়া আতঙ্ক নোরোভাইরাস (Norovirus)। কেরলে ইতিমধ্যেই দুজনের শরীরে এই ভাইরাসের লক্ষণ দেখা গিয়েছে। তিরুঅনন্তপুরমের প্রাইমারি স্কুলের দুই শিশুর শরীরে মিলেছে এই ভাইরাসের উপস্থিতি। তা নিয়ে প্রবল আতঙ্ক ছড়িয়েছে। 

    আরও পড়ুন: অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধের মাধ্যমে মাঙ্কিপক্সের চিকিৎসা সম্ভব, জানাল গবেষণা

    মূলত খাবার এবং জলের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে এই ভাইরাস। অত্যন্ত সংক্রামক এই ভাইরাস বলে ইতিমধ্যেই সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। আক্রান্তদের বমি ও ডায়রিয়ার লক্ষণ দেখা দিচ্ছে।  আক্রান্ত হওয়ার এক থেকে দুদিনের মধ্যেই পেট ব্যথা, জ্বর, মাথাব্যথা এবং শরীরে ব্যথা অনুভূত হচ্ছে। জানা গিয়েছে, ২ শিশুর শরীরে বমি, ডায়রিয়া এবং জ্বরের উপসর্গ রয়েছে।

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন মিড ডে মিলের খাবার থেকেই ছড়িয়েছে এই রোগ। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ভি শিভানকুট্টি স্কুলগুলিকে মিড-ডে মিল রান্নার সময়ে আরও বেশি সাবধানতা অবলম্বন করার অনুরোধ করেছেন। কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভিনা জর্জ (Veena George) এবিষয়ে বলেন, “এই ভাইরাস খুবই সংক্রামক। আমরা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি, ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে এই ভাইরাস সম্পর্কে পড়ুয়া এবং শিক্ষকদের সতর্ক করা হয়েছে।”

    কেরল সরকার সূত্রে জানানো হয়েছে, “বারবার হাত ধোয়া, বাইরের খাবার বুঝে খাওয়া, বেশি করে জল খাওয়ার মাধ্যমে এই ভাইরাসকে দূরে রাখা সম্ভব।” এখনই এই ভাইরাস নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ১ থেকে ২ সপ্তাহের মধ্যেই সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব।

    আরও পড়ুন: জরুরী বৈঠকের ডাক উদ্ধব ঠাকরের, ফের লকডাউনের পথে মুম্বাই? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, “বারবার হাত ধুতে হবে। বাইরের খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো। খেলেও পরিষ্কার কোনও জায়গার খাবার খেতে হবে। বেশি করে জল খেলে ভাইরাস থেকে দূরে থাকা যাবে।”

    ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে প্রথম কেরলে নোরোভাইরাসের হদিশ মিলেছিল। সেই সময় রাজ্যের পশু চিকিৎসা কলেজের মোট ১৩ জন পড়ুয়া এই ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছিলেন। চলতি বছর ফের খোঁজ মিলল নোরোভাইরাসের।

     

     

LinkedIn
Share