Tag: Coronavirus

Coronavirus

  • H3N2 Virus: নয়া আতঙ্ক ইনফ্লুয়েঞ্জা! ঘরে ঘরে থাবা বসাচ্ছে H3N2, H1N1 ভাইরাস, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    H3N2 Virus: নয়া আতঙ্ক ইনফ্লুয়েঞ্জা! ঘরে ঘরে থাবা বসাচ্ছে H3N2, H1N1 ভাইরাস, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ জুড়ে এখন নয়া আতঙ্ক ইনফ্লুয়েঞ্জা। H1N1 ভাইরাস, সোয়াইন ফ্লু এবং H3N2 ক্রমশ বাড়তে শুরু করেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Health Ministry) তরফে সম্প্রতি  এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত গোটা দেশ জুড়ে ৯৫৫ জন H1N1 ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

     H3N2 ভাইরাসের দাপট

    থাবা চওড়া হচ্ছে  H3N2 ভাইরাসেরও। ক্রমেই দাপট বাড়ছে এই ভাইরাসের। এই পরিস্থিতিতে কী উপায়ে নিজেকে রক্ষা করবেন, তার পরামর্শও দিচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। করোনার প্রকোপ কমেছে বলে যাঁরা মাস্ক ত্যাগ করেছেন, তাঁদের ফের মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। ইন্টিগ্রেটেড হেলথ ইনফরমেশন প্ল্যাটফর্ম- এর তথ্য অনুসারে, সব রাজ্যে ৯ মার্চ পর্যন্ত H3N2 ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজারেরও বেশি। H3N2 এবং H3N1 উভয় ধরনের ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাস, যা সাধারণত ফ্লু নামে পরিচিত। এই সমস্যা আটকাতে ফ্লু ভ্যাকসিন নেওয়া জরুরি। চিকিৎসকরা মনে করছেন, অ্যান্টিবায়োটিকগুলি ইনফ্লুয়েঞ্জা বা কোভিড-১৯ এর মতো ভাইরাল সংক্রমণের বিরুদ্ধে কার্যকর নয়৷ অ্যান্টিবায়োটিকগুলি ব্যাকটেরিয়াকে আটকাতে পারে, ভাইরাস বা ফাঙ্গাসকে নয়।  এই জ্বরের লক্ষণগুলি হল-দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে জল পড়া, শরীরে ব্যথা,গুরুতর ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট।

    বাতাসে সক্রিয় পাঁচ রকম ভাইরাস

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে পাঁচ রকম ভাইরাস (Virus) ছড়িয়েছে পরিবেশে যারা জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ার মতো অসুখের জন্য দায়ী। করোনার কিছু নতুন প্রজাতি ছড়িয়ে পড়েছে এবং সেই সঙ্গেই আরও কয়েকরকম রেসপিরেটারি ভাইরাস ছড়িয়েছে। করোনার প্রথম দিকের কিছু প্রজাতি, সোয়াইন ফ্লু (H1N1), ইনফ্লুয়েঞ্জা সাবটাইপ এ বা হংকং ফ্লু  (H3N2), সিজনাল ভিক্টোরিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা বি প্রজাতির ভাইরাস ছড়িয়েছে। রেসপিরেটারি সিনসিটিয়াল ভাইরাসও (RSV) সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। এইসব ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ এই ধরনের রেসপিরেটারি ভাইরাস ও ইনফ্লুয়েঞ্জার কোনও প্রজাতির সংক্রমণ হলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক কমে যায়। ফলে পরিবারে একজনের হল তা থেকে বাকিদেরও রোগ ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। বিশেষ করে বাচ্চা ও বয়স্কদের। 

    আরও পড়ুন: ফের শিশু-মৃত্যু! অ্যাডিনো নিয়ে বেসরকারি হাসপাতালগুলির সঙ্গে কথা স্বাস্থ্যভবনের

    কেন্দ্রের রিপোর্ট অনুযায়ী, গোটা দেশ জুড়ে যেভাবে ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রকোপ বাড়ছে, তাতে বেশিরভাগ আক্রান্তের মধ্যে রয়েছে শ্বাসের কষ্ট। বাচ্চা থেকে বড়, সবার মধ্যে ছড়াচ্ছে ইনফ্লুয়েঞ্জা। গোটা দেশ জুড়ে ৩,৯৭,৮১৪ জনের শরীরে ইনফ্লুয়েঞ্জ ধরা পড়েছে বলে খবর। তবে আশা করা হচ্ছে, মার্চের শেষ থেকে গোটা দেশ জুড়ে ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা কমতে পারে। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Covid Precautions: ‘মেডিক্যাল অক্সিজেনের নিয়মিত সরবরাহ নিশ্চিত করুন’, রাজ্যগুলিকে নির্দেশ কেন্দ্রের

    Covid Precautions: ‘মেডিক্যাল অক্সিজেনের নিয়মিত সরবরাহ নিশ্চিত করুন’, রাজ্যগুলিকে নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন করে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে করোনা। গত কয়েকদিন ধরেই চিন-সহ এশিয়ার বেশ কিছু দেশে ফের করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। আতঙ্ক ছড়িয়েছে এ দেশেও। ফলে এখন থেকেই বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে কেন্দ্রকে। এই আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকও করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রকের উচ্চ পদস্থ কর্তাদের সঙ্গে। আবার ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক শনিবার সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় মেডিক্যাল অক্সিজেনের নিয়মিত সরবরাহ সুনিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে। এর পাশাপাশি কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করার জন্য বলা হয়েছে (Covid Precautions)।

    অক্সিজেন নিয়ে সতর্কবার্তা কেন্দ্রের

    শুক্রবারই সব রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এর পর শনিবার পাঠানো হয়েছে ওই নির্দেশিকা। রাজ্যগুলিকে পাঠানো ওই নির্দেশিকায় করোনা নিয়ে মূলত ৬টি সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় গুরুত্ব দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে রাজ্যগুলিকে। এদিন রাজ্যগুলোকে চিঠিতে বলা হয়েছে, রোগীর যত্ন এবং কোভিড মোকাবিলার ক্ষেত্রে ঠিক মত অক্সিজেন সরবরাহ গুরুত্বপূর্ণ। যদিও দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কম ও এখন পর্যন্ত তেমন কোনও আক্রান্তের সংখ্যা নেই। তবে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি আসার আগেই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়ে রাখার কথা জানানো হয়েছে। ফলে নিয়মিত মেডিক্যাল অক্সিজেনের সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য রাজ্যগুলিতে চিঠি লিখেছে কেন্দ্র (Covid Precautions)। অক্সিজেনের ব্যাপারে যে সব বিষয়ে রাজ্যগুলোকে বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে, সেগুলো হল-

    ১) অক্সিজেন উৎপাদনকারী প্ল্যান্টগুলি সম্পূর্ণরূপে সক্রিয় রাখা এবং তাদের পরীক্ষা করার জন্য নিয়মিত মক ড্রিল করার কথা বলা হয়েছে।

    ২) লিকুইড অক্সিজেনের যেন ঘাটতি না হয় এবং রিফিল করার জন্য ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

    ৩) অক্সিজেন সিলিন্ডার পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত এবং রিফিলিং সিস্টেম বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে।

    ৪) অক্সিজেন প্ল্যান্ট, ভেন্টিলেটর ইত্যাদির উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কোভিড-১৯ হাসপাতালগুলির প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

    ৫) অক্সিজেন-সম্পর্কিত সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য বিভিন্ন জায়গায় কন্ট্রোল রুম খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় দেশ জুড়ে অক্সিজেনের যে অভাব দেখা গিয়েছিল, সেই পরিস্থিতি যাতে আবার তৈরি না হয়, তা নিশ্চিত করতে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে এদিন চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্র। আর তাই সেখানে বলা হয়েছে হাসপাতাল গুলিতে যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন সরবরাহে কোন সমস্যা না হয়, তা এখন থেকেই নিশ্চিত করতে হবে (Covid Precautions)।

  • Covid Booster Dose: পুজোর আগেই ৫ কোটি বুস্টার ডোজ দেওয়া সারতে হবে, নির্দেশ স্বাস্থ্য দফতরের 

    Covid Booster Dose: পুজোর আগেই ৫ কোটি বুস্টার ডোজ দেওয়া সারতে হবে, নির্দেশ স্বাস্থ্য দফতরের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগেই রাজ্যের সমস্ত যোগ্য প্রাপককে  কোভিড টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়ার কাজ শেষ করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর (Health Department)। নবান্নে (Nabanna) আজ রাজ্যের সাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগমের নেতৃত্বে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য সচিব সহ দফতরের অন্যান্য আধিকারিক,সব জেলাশাসক ও জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকেরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ছ কোটির বেশি মানুষ কোভিডের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন। এদের মধ্যে ১ কোটি ২১ লক্ষ ৬৫ হাজার মানুষ বুস্টার ডোজ নিয়েছেন। বাকি ৫ কোটির বেশি মানুষের এখনও পর্যন্ত এই বুস্টার ডোজ বকেয়া রয়েছে। তাঁরা যাতে পুজোর আগেই বুস্টার ডোজ পান তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশা কর্মীদের এই কাজে নিযুক্ত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে রাজ্যে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মিশনের দেওয়া টাকা সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে নির্দিষ্ট খাতে খরচ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: “করোনা ভাইরাস ক্লান্ত নয়, আগামী মাসে ফের বাড়বে আক্রান্তের সংখ্যা”, সতর্কবার্তা ‘হু’ প্রধানের

    প্রসঙ্গত, স্বাস্থ্য মিশনের টাকা ইতিমধ্যেই রাজ্যগুলিকে পাঠিয়েছে কেন্দ্র সরকার। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে আশাকর্মী নিয়োগের কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। 

    শনিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন ১৩,২৭২ জন। গতকাল যে সংখ্যাটা ছাপিয়েছিল ১৫ হাজারের গণ্ডি। সংক্রমণের পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় খানিকটা কমেছে অ্যাকটিভ কেস। দেশের সক্রিয় রোগী বর্তমানে ১ লক্ষ ১ হাজার ১৬৬ জন। গোটা দেশে অ্য়াকটিভ কেসের হার কমে হয়েছে ০.২৩ শতাংশ। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী, ভারতে একদিনে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩৬ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত কোভিডে মোট মৃতের সংখ্যা ৫ লক্ষ ২৭ হাজার ২৮৯।

    আরও পড়ুন: হু হু করে বাড়ছে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, একদিনে আক্রান্ত ১২ হাজারের বেশি

    এই পরিস্থিতিতে করোনা নিয়ে আগে থেকেই সতর্ক থাকতে চাইছে রাজ্য সরকার। তাই পুজোর উৎসবে, জমায়েতের কারণে যাতে কোনওভাবেই রোগের বাড়বাড়ন্ত না হয়, সেই দিকে খেয়াল রাখতেই তড়িঘড়ি এই ব্যবস্থা।  

  • Coronavirus Updates: করোনা সংক্রমণ কমলেও জারি সতর্কতা, কতটা মারাত্মক নয়া ভ্যারিয়েন্ট?

    Coronavirus Updates: করোনা সংক্রমণ কমলেও জারি সতর্কতা, কতটা মারাত্মক নয়া ভ্যারিয়েন্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কমল করোনা সংক্রমণ। সংক্রমিতের সংখ্যা ১৬ হাজার থেকে ১৩ হাজারে নেমে এসেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ১৩ হাজার ৮৬ জন। সোমবার সংখ্যাটি ছিল ১৬ হাজার ১৩৫। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের জেরে মৃত্যু হয়েছে ২৪ জনের। এদিকে, ভারতে ফের করোনা ভাইরাসের নয়া ভ্যারিয়েন্টের হদিশ মিলেছে বলে দাবি ইজরায়েলি গবেষকদের।

    গত এক সপ্তাহ ধরে দেশে করোনা সংক্রমণের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ায় ছড়িয়েছিল আতঙ্ক। আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে করোনা বিধি জারি করেছিল কয়েকটি রাজ্য। মহারাষ্ট্র, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গে করোনা সংক্রমণের গ্রাফ ছিল উর্ধ্বমুখী। তবে গত কয়েক দিনে মহারাষ্ট্রে করোনা সংক্রমণ অনেকটাই কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত হয়েছেন ১৫১৫ জন। দিন কয়েক আগে পর্যন্তও সংখ্যাটি ছিল তিন হাজারের ঘরে। গত ২৪ ঘণ্টায় কেরলে সংক্রমিত হয়েছেন ৩৩২২জন। সংখ্যাটা পৌঁছে গিয়েছিল চার হাজারের ঘরে। সংক্রমণ কমেছে তামিলনাড়ুতেও। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে সংক্রমিত হয়েছেন ২৬৫৪ জন। ওই সময়সীমার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে সংক্রমিত হয়েছেন ১১৩২ জন। যা আগের তুলনায় অনেকটাই কম।

    আরও পড়ুন : সক্রিয় রোগীর সংখ্যা এক লক্ষ পার, ফের ভয় ধরাচ্ছে করোনা!

    এদিকে, সম্প্রতি চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে একদল ইজরায়েলি গবেষক। তাঁদের দাবি, পশ্চিমবঙ্গ সহ ভারতে করোনা ভাইরাসের নয়া ভ্যারিয়েন্টের হদিশ মিলেছে। ভারতের ১০টা রাজ্যে এই ভ্যারিয়েন্টের হদিশ মিলেছে। এই রাজ্যগুলির মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গও। ওই গবেষকদের দাবি, ২ জুলাই পর্যন্ত ভারতের যে রাজ্যগুলিতে করোনার এই ভ্যারিয়েন্টের হদিশ মিলেছে, সেগুলি হল মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, কর্নাটক, মধ্যপ্রদেশ এবং তেলঙ্গানা।

    আরও পড়ুন : ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনা-গ্রাফ, বাড়ছে উদ্বেগও, কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    তবে কেবল ভারত নয়, বিশ্বের আরও সাতটি দেশেও করোনার এই নয়া ভ্যারিয়েন্টের হদিশ মিলেছে বলেও শোনা যাচ্ছে। তবে আইসিএমআরের গবেষকদের দাবি, করোনার নয়া এই ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে এখনই এত উদ্বেগের কিছু নেই। কারণ যে ভ্যারিয়েন্টের কথা ইজরায়েলি গবেষকরা জানাচ্ছেন, সেই ভ্যারিয়েন্টের তেমন তেজ নেই। সংক্রমিত রোগীদের মধ্যে সামান্য উপসর্গই দেখা গিয়েছে। ওই ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণে কারও মৃত্যু হয়নি। তাই এখনই দুশ্চিন্তার কোনও কারণ নেই বলেই দাবি আইসিএমআরের গবেষকদের।

     

  • Covid-19 India Updates: দৈনিক করোনা সংক্রমণ পার ১৩ হাজার, ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৩৮

    Covid-19 India Updates: দৈনিক করোনা সংক্রমণ পার ১৩ হাজার, ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৩৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের দেশে বাড়ল দৈনিক করোনা (Coronavirus) সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) থেকে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৩,৩১৩ জন। এক লাফে অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়ে গিয়েছে ৮৩,৯৯০ জন।

    বুধবার করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১২,২৪৯। ফলে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গিয়েছেন ৩৮ জন। সুতরাং মৃতের সংখ্যাও বেড়েছে। গত চার মাসের মধ্যে আজই দৈনিক সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশী। করোনা সংক্রমণ কাটিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১০,৯৭২ জন।

    ফলে দেশে করোনা থেকে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪,২৭,৩৬,০২৭ জন। দেশে অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা ০.১৯ শতাংশ বেড়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক থেকে জানানো হয়েছে, দৈনিক পজিটিভিটি রেট ২.০৩ শতাংশ ও সপ্তাহে পজিটিভিটি রেট ২.৮১ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৮ জনের মৃত্যু হওয়ায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৫,২৪,৯৪১।

    আরও পড়ুন: ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনা-গ্রাফ, বাড়ছে উদ্বেগও, কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    অন্যদিকে করোনার বাড়তে থাকা সংক্রমণের দিকে নজর রেখেই সম্ভবত গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা টেস্ট বাড়ানো হয়েছে। এতদিনে মোট করোনা টেস্ট করা হয়েছিল ৮৫.৯৪ কোটি জনের এবং গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা টেস্ট করা হয়েছে ৬,৫৬,৪১০ জনের। কেন্দ্রীয় মন্ত্রক অনুসারে, ভারত সরকার দ্বারা এতদিনে মোট ১৯৬.৬২ কোটি ভ্যাকসিন (Vaccine) দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: করোনায় একদিনে আক্রান্ত ১৩ হাজারেরও বেশি, স্বস্তি দিচ্ছে সুস্থতার হার

    দেশজুড়ে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়তে থাকলে স্বাস্থ্য মন্ত্রক থেকে কোভিডের (Covid-19) বিভিন্ন নিয়ম মানার নির্দেশ জারি করেছেন। এছাড়াও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ (Rajesh Bhushan) সমস্ত রাজ্যের জন্যে চিঠিতে লিখেছেন আরটিপিসিআর (RT-PCR) টেস্টের পরিমাণ বাড়াতে হবে, এছাড়াও ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট, কোভিড নিয়ম ইত্যাদির দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। তিনি সরকারকে পাঁচ দফা নীতি (five-fold Strategy) মেনে চলারও পরামর্শ দিয়েছেন।

    অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী মানসুখ মাণ্ডবিয় (Mansukh Mandaviya) আজই বিভিন্ন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে করোনার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় বসবেন। আবার তিনিও ফাইভ ফোল্ড স্ট্যাটেজি অর্থাৎ পরীক্ষা (Test), ট্র্যাক (Track), চিকিৎসা (Treatment), টিকাপ্রদান (Vaccination) ও সচেতনতা (Adherence) মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।

  • Covaxin Booster Jab: কোভিডের ডেল্টা, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের উপর  কার্যকর কোভ্যাক্সিন বুস্টার ডোজ!

    Covaxin Booster Jab: কোভিডের ডেল্টা, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের উপর কার্যকর কোভ্যাক্সিন বুস্টার ডোজ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন রিপোর্ট অনুসারে, ডেল্টা (Delta) আর ওমিক্রন (Omicron) রুখতে দারুণ কাজে দিচ্ছে কোভ্যাক্সিনের বুস্টার ডোজ (Covaxin Booster Jab)। এমনকি ওমিক্রনের দুটি ভ্যারিয়েন্ট থেকেই রক্ষা করতে সক্ষম কোভ্যাক্সিনের বুস্টার ডোজ। দেশজুড়ে করোনার (Corona) দাপট বাড়তেই বারবার একাধিক বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, ভ্যাকসিন দিয়ে করোনার নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্টকে রোখা কঠিন। আর তারই মধ্যে খানিক স্বস্তির খবর দিল বায়োরিক্সভ(Biorixv)-এর এই রিপোর্টটি। জানা যায়, কোভ্যাক্সিনের বুস্টার ডোজটি করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ক্ষেত্রেও যেমন কার্যকর, তেমন ওমিক্রনের ভ্যারিয়েন্ট  BA.1.1 এবং BA.2 রুখতেও সক্ষম। রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ নেওয়ার পরেই গ্রহীতার ইমিউনিটি অনেকগুণ বেড়ে যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: করোনার ঊর্ধ্বগতি, ৯ হাজারের গণ্ডি ছোঁয়ার পথে দেশের দৈনিক সংক্রমণ

    দ্বিতীয় ডোজের পর এই বুস্টার ডোজটি ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কতটা কার্যকারি ও ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কোভ্যাক্সিনের কতটা কার্যকারিতা রয়েছে তা নিয়ে ‘সিরিয়ান হ্যামস্টার মডেল’ (Syrian hamster model )-এ বিশেষ গবেষণা করা হয়েছে। করোনা হওয়ার ফলে ইমিউনিটি কমে যায় ও ফুসফুসেরও ক্ষতি হয়। তাই এই বিষয়েও কোভ্যাক্সিনের বুস্টার ডোজ কতটা কাজ করতে পারে, সেটিও গবেষণা করে দেখা হয়েছে। অর্থাৎ করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর রোগীর ফুসফুস-সহ বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্ষতি হয়। কিন্তু কোভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ নেওয়ার পর ক্ষতির আশঙ্কা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় বলে দাবি করছে এই রিপোর্ট।

    উল্লেখ্য, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (Indian Council of Medical Research)  -এর সঙ্গে ভারত বায়োটেকইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড (Bharat BiotechInternational Limited)-এর যৌথ উদ্যোগে এই কোভ্যাক্সিনের বুস্টার ডোজ তৈরী করা হয়েছে। ভারত বায়োটেক দাবি করে,  সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি কোভ্যাক্সিন কোভিডের বিরুদ্ধে লড়তে ৮১ শতাংশ কার্যকর। কোভ্যাক্সিন হল প্রথম কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন যা সম্পূর্ণরূপে ভারতে তৈরি করা হয়েছে। ২০২১ সালের ১৬ জানুয়ারী থেকে ভারত দেশব্যাপী টিকাকরণের (Vaccination) অভিযান শুরু করেছিল।

    আরও পড়ুন: বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, ঠিক কতটা জরুরি বুস্টার ডোজ?

    তবে বর্তমানে ফের করোনা ছড়াচ্ছে। ইতিমধ্যেই বেশিরভাগ নাগরিকদের ভ্যাকসিনের দুটো ডোজই নেওয়া হয়ে গিয়েছে। কিন্তু করোনার চতুর্থ ঢেউ আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই বুস্টার ডোজ নেওয়ার পরেও মাস্ক পরার সঙ্গে সঙ্গে  বিভিন্ন করোনাবিধিও মেনে চলতে হবে।

  • Covid-19 Symptoms: শরীরের এই জায়গায় ব্যথা হলেই সাবধান হয়ে যান, হতে পারে করোনা

    Covid-19 Symptoms: শরীরের এই জায়গায় ব্যথা হলেই সাবধান হয়ে যান, হতে পারে করোনা

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিডের(Coronavirus) আতঙ্ক এখনও পুরোপুরিভাবে কেটে উঠতে পারেনি বিশ্বব্যাপী মানুষ। ইতিমধ্যেই ভারতের বিভিন্ন জায়গায় করোনা রোগীদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এতদিনে করোনার বিভিন্ন প্রজাতি (covid variant) আসার সঙ্গে সঙ্গে কোভিডের লক্ষণেও অনেক পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। আগে কোভিড (Covid-19) হলে সাধারণ উপসর্গ ছিল সর্দি-কাশি, জ্বর, স্বাদ ও ঘ্রাণশক্তি চলে যাওয়া ইত্যাদি। তবে এবার গবেষকরা করোনা সংক্রমণের নতুন উপসর্গের (New Coronavirus Symptoms) সন্ধান পেয়েছে। বিজ্ঞানী-গবেষকরা কোভিড নিয়ে গবেষণা করেই এই নতুন উপসর্গের উল্লেখ করেছেন। শরীরে ব্যথা, পেশীতে ব্যথা এগুলোই হল কোভিডের নতুন লক্ষণ। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কোভিডে আক্রান্ত ৩জনের মধ্যে একজনের গায়ে ব্যথা, পেশীতে ব্যথা রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংসস্থার(World Health Organization) একটি রিপোর্টে বিশ্লেষণ করে দেখা হয় যে, প্রায় ৫৬০০০ জন কোভিডে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ১৫ শতাংশ রোগীদের গায়ে, পেশীতে ব্যথা আছে।

    শরীরের কোথায় ব্যথা হতে পারে?

    শরীরের  সাধারণত কাঁধে, কোমরে ও পায়ে ব্যথা দেখা গিয়েছে। তবে এইসব উপসর্গের সঙ্গে মাথাব্যথা, ক্লান্তিভাবও পরিলক্ষিত হয়েছে।

    ব্যথার ফলে কীভাবে বুঝবেন যে আপনি কোভিডে আক্রান্ত কিনা?

    কোভিডে আক্রান্ত রোগীদের দেহে, পেশীতে  ব্যথা তো থাকবেই, এর সঙ্গে পেশী সঞ্চালন করলেও এই ব্যথা অনুভব করতে পারেন। অথবা পেশীকে ছুঁলেও ব্যথা অনুভব করতে পারেন।

    আরও পড়ুন: আসতে চলেছে করোনার চতুর্থ ঢেউ? আশঙ্কার কথা শোনালেন হু-এর বিজ্ঞানী

    কতদিন কোভিডের এই উপসর্গ দেখা দিতে পারে?

    গবেষণায় বলা হয়েছে, এটি করোনার প্রাথমিক উপসর্গ ও এটি ২-৫ দিন থাকতে পারে। তবে ৩৫ বছরের ঊর্ধবয়সীদের ৭-৮ দিন এই ব্যথা থাকতে পারে।

    গায়ে ব্যথা কীভাবে আপনার শরীরে প্রভাব ফেলতে পারে?

    কোভিডে আক্রান্ত রোগীদের গায়ে ব্যথা হলে দেহে স্ফীতাভাব দেখা যেতে পারে, সঙ্গে শরীরের ইমিউনিটিও  কমে যেতে পারে। তাছাড়াও ব্যথার সঙ্গে জ্বর, ক্লান্তিভাব দেখা যেতে পারে ও আপনার হাঁটাচলাতেও অসুবিধা হতে পারে। আবার করোনায় আক্রান্ত হয়ে এই ব্যথা থাকলে আপনার পেশীর কোষগুলিও নষ্ট হয়ে যাোয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    এর প্রতিকার কীভাবে করবেন?

    যদি আপনার শরীরে কোনও ব্যথা অনুভব হয়, তবে এটি করোনার লক্ষণ হতে পারে। তাই আপনাকে টেস্ট করে নেওয়া উচিত ও আইসোলেশনেও থাকা উচিত। ব্যথার জন্য সঙ্গে কিছু ব্যায়াম করতে পারেন ও খাদ্যতালিকায় পুষ্টিকর খাবার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এবং অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

    আরও পড়ুন: করোনার ঊর্ধ্বগতি, ৯ হাজারের গণ্ডি ছোঁয়ার পথে দেশের দৈনিক সংক্রমণ

  • Covid-19 India Update: দৈনিক আক্রান্ত ১২ হাজারের গণ্ডি পেরলো, চতুর্থ ঢেউয়ের পূর্বাভাস?

    Covid-19 India Update: দৈনিক আক্রান্ত ১২ হাজারের গণ্ডি পেরলো, চতুর্থ ঢেউয়ের পূর্বাভাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  দেশে ফের ভয় ধরাচ্ছে করোনা (Coronavirus)। লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। চতুর্থ ঢেউয়ের পূর্বাভাস! ফেব্রুয়ারি মাসের পর এই প্রথমবার দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১২ হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে গেল। নতুন করে দেশের প্রায় সব প্রান্তেই ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। বিশেষ করে মুম্বাই, দিল্লির মতো শহরে আক্রান্ত বাড়ছে হু হু করে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পজিটিভিটি রেট। সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বিশেষজ্ঞদের কপালে ভাঁজ বাড়াচ্ছে।

    [tw]


    [/tw]

    বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় (Covid 19) আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজার ২১৩ জন। যা গত প্রায় চারমাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর মধ্যে শুধু মুম্বাইয়েই আক্রান্তের সংখ্যা ২২৯৩। মহারাষ্ট্রজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজারের বেশি। শুধু মুম্বাই নয়, আরেক জনবহুল শহর দিল্লির অবস্থাও আশঙ্কাজনক। রাজধানীতে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৩৭৫ জন।       

    তামিলনাড়ুতে একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৭৬। পশ্চিমবঙ্গে একদিনে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩০ জন। তেলেঙ্গানায় একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ২০৫ জন। গুজরাতে একদিনে আক্রান্ত ১৮৪ জন।  

    আরও পড়ুন: করোনার ঊর্ধ্বগতি, ৯ হাজারের গণ্ডি ছোঁয়ার পথে দেশের দৈনিক সংক্রমণ

    বর্তমানে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৫৮ হাজার ২১৫ জন। গতকালের থেকে ৪ হাজার ৫৭৮ বেশি। দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ০.১৩  শতাংশে পৌঁছে গিয়েছে। দৈনিক পজিটিভিটি রেট ২.৩৫ শতাংশের কাছাকাছি। একদিনে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১১ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত কোভিডে মোট মৃতের সংখ্যা ৫ লক্ষ ২৪ হাজার ৮০৩ জন।  

    আরও পড়ুন: ২ বছর পর ভারতীয়দের জন্য কোভিড ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলল চিন

    এখনও পর্যন্ত দেশে ৪ কোটি ২৬ লক্ষ ৬৭ হাজার ৭১২ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৭ হাজার ৬২৪ জন। সুস্থতার হার ৯৮.৬৫ শতাংশ। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত দেশে ১৯৫ কোটি ৬৭ লক্ষের বেশি টিকা (Corona Vaccine) দেওয়া হয়েছে। গতকাল টিকা পেয়েছেন ১৫ লক্ষের বেশি মানুষ।     

     

  • Covid-19 Symptoms: আপনি কি কোভিডে আক্রান্ত? জানা যাবে হাতের নখ দেখেই!

    Covid-19 Symptoms: আপনি কি কোভিডে আক্রান্ত? জানা যাবে হাতের নখ দেখেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  করোনা (Coronavirus) আতঙ্ক এখনও পুরোপুরিভাবে কেটে উঠতে পারেনি বিশ্বব্যাপী মানুষ। ইতিমধ্যেই ভারতের বিভিন্ন জায়গায় করোনা রোগীদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এতদিনে করোনার বিভিন্ন প্রজাতি (covid variant) আসার সঙ্গে সঙ্গে কোভিডের লক্ষণেও অনেক পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। আগে কোভিড (Covid-19) হলে সাধারণ উপসর্গ ছিল সর্দি-কাশি, জ্বর, স্বাদ ও ঘ্রাণশক্তি চলে যাওয়া ইত্যাদি। কিন্তু এখন নতুন রিপোর্টে কোভিডের নতুন লক্ষণ সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, এখন কোনও ব্যক্তি কোভিডে আক্রান্ত কিনা তা বোঝা যাবে হাতের নখ দেখেই।

    সম্প্রতি একটি উপসর্গের কথা তুলে ধরছেন বিশেষজ্ঞরা। তা হলো হাতের আঙুলের নখের কিছু পরিবর্তন। কিছু ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, নখের আকার ও রঙ বদলে যাচ্ছে, আবার নখের উপরে একটি রেখা ফুটে উঠছে। সেই উপসর্গ দেখা দিলেই বোঝা যাচ্ছে যে ওই ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত। ইতিমধ্যেই এই ধরনের উপসর্গ অনেকের শরীরেই দেখা দিয়েছে। যা থেকে চিকিৎসকরা দ্রুত বুঝতে পারছেন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ব্যক্তিটি। এই লক্ষণকে চিকিৎসার ভাষায় বলা হচ্ছে কোভিড নেইল (Covid Nail)। এতে দেখা যাচ্ছে, কারো ক্ষেত্রে লাল রঙের অর্ধেক চাঁদের মতো দাগ দেখা যাচ্ছে। বাকি অংশ সাদা হয়ে রয়েছে। হঠাৎই এমন পরিবর্তন দেখা দিলে কোভিড পরীক্ষা করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। নখের লাল অংশ গাঢ় হওয়ার অর্থ আপনার শরীরের ভাইরাসের পরিমাণ ক্রমশ বাড়ছে।

    আরও পড়ুন: ঊর্ধ্বমুখী করোনারগ্রাফ, দেশজুড়ে ১৯৫ কোটি টিকাকরণ

    কোভিডে আক্রান্ত হলে কী কী পরিবর্তন দেখা যাবে নখে?

    • হাত-পায়ের নখে দাগ।
    • হাতের নখে সাদা দাগ।
    • নখের কিছু অংশ কমলা রঙ হয়ে যাওয়া।
    • হাতে ও পায়ে জ্বালা।
    • নখ আলগা হয়ে যাওয়া।

    তবে কোভিড রোগীদের মধ্যে নখে লাল রঙের অর্ধেক চাঁদের মতো দাগ এই উপসর্গই বেশি দেখা গিয়েছে। যদিও এই বিশেষ লক্ষণের কোনও কারণ এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। যদিও মনে করা হচ্ছে, ইনফেকশনের ফলে রক্তের শিরা-ধমনী নষ্ট হয়েও নখের এমন অবস্থা হতে পারে। সুতরাং যেহেতু কোভিডে আক্রান্ত ব্যক্তিদের এমন নখ প্রায়ই দেখা যাচ্ছে, তার জন্য এইদিকে বিশেষ নজর রাখা দরকার। নখের মধ্যে এসব উপসর্গ দেখা দিলেই সঙ্গে সঙ্গে করোনা পরীক্ষা করিয়ে নিতে হবে। কারণ চিকিৎসকদের মতে, এই ধরনের উপসর্গ করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে থাকে।

    আরও পড়ুন: কেরলে আক্রান্ত ২, করোনা-মাঙ্কিপক্সের পর নয়া আতঙ্ক নোরোভাইরাস?

  • Bill Gates: ভারতের করোনা টিকাকরণ অভিযান নিয়ে বড় মন্তব্য বিল গেটসের

    Bill Gates: ভারতের করোনা টিকাকরণ অভিযান নিয়ে বড় মন্তব্য বিল গেটসের

    নিউজ মাধ্যম ডেস্ক: করোনা টিকাকরণ অভিযানে ভারতের সাফল্যকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস (Bill Gates)। করোনা ভ্যাকসিনেশন ড্রাইভ নিয়ে তিনি বলেছেন ভারত প্রায় সমস্ত জনসাধারণের কাছে ভ্যাকসিন পৌঁছে দিতে সফল হয়েছে। এর জন্য ভারত বিশ্বব্যাপী এক উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    গত সপ্তাহে সুইৎজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে বিল গেটস ও ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানসুখ মাণ্ডব্যর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয়। এর পর মাণ্ডব্য টুইট করে বলেন, “বিল গেটসের সঙ্গে কথা বলে আমি আনন্দিত। কোভিডের ব্যবস্থাপনা এবং বিশাল টিকাকরণ প্রচেষ্টায় ভারতের সাফল্যের প্রশংসা করেছেন তিনি।”

    তিনি আরও বলেন, “আমরা ডিজিটালে স্বাস্থ্যের প্রচার, রোগ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা, এমআরএনএ আঞ্চলিক হাব তৈরি এবং কম মূল্যের এবং ভালো ডায়াগনস্টিকস ও চিকিৎসা করার বিভিন্ন যন্ত্রের উন্নয়নকে শক্তিশালী করা সহ স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেছি।”

    বিল গেটসও তাঁর উত্তরে ট্যুইটারে লেখেন, “মানসুখ মাণ্ডব্যর সঙ্গে দেখা করে ও বিশ্বের স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা করে আমি আনন্দিত। ভারতের টিকাকরণ অভিযান ও চিকিৎসায় বিভিন্ন প্রযুক্তির ব্যবহার, এক সাফল্য এনে দিয়েছে এবং বিশ্বব্যাপী এক বার্তা পৌঁছে দিতে পেরেছে।”

    বিল গেটসের মতে, বিশ্বজুড়ে দারিদ্রতা দূর করার জন্য যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল তা করোনার জন্য সম্পূর্ণ হতে পারেনি। তাই এইসময়ে বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন খুবই দরকার।

    গত বছরের জানুয়ারিতে কোভিডের বিরুদ্ধে বিশ্বের বৃহত্তম টিকাদান অভিযান শুরু করার পর ভারত দেশের প্রায় ৮৮ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্কদের সম্পূর্ণরূপে টিকা দিয়েছে। ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের (Serum Institute)  মাধ্যমে ভারতের জনসংখ্যার একটি বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশকে কোভিশিল্ড (Covishield) এবং কোভ্যাক্সিন (Covaxin)  টিকা দেওয়া হয়েছে।

    বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের ( Bill & Melinda gates Foundation) বিশ্ব উন্নয়ন রিপোর্ট (Global Development Report) অনুসারে, এরা ২০০৩ সাল থেকে ভারতে কাজ করছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া অন্য যে কোনও দেশের তুলনায় ভারতে বেশি বিনিয়োগ করেছে।

LinkedIn
Share