Tag: Corruption

Corruption

  • TMC: পুরসভার ঝিল দখল করে বিল্ডিং নির্মাণ, দলের কাউন্সিলারের বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুলছে তৃণমূল

    TMC: পুরসভার ঝিল দখল করে বিল্ডিং নির্মাণ, দলের কাউন্সিলারের বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুলছে তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলিপুরদুয়ার শহরে ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলারের বিরুদ্ধেই ঝিল দখল করে বিল্ডিং তৈরির অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এনিয়ে শাসকদলের অন্দরেও শোরগোল পড়ে গেছে।  

    কি অভিযোগ?

    আলিপুরদুয়ার শহরে জলাশয় ও ঝিল দখলের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। শহরের বহু পুরনো ঝিল এলাকার নেতাদের মাধ্যমে বেদখল হয়ে গিয়েছে, এমনটাই এলাকাবাসীর প্রধান অভিযোগ। তবে ঝিল দখলে এবার নাম জড়িয়েছে খোদ পুরসভার এক কাউন্সিলারের। বিরোধীদের অভিযোগ নয়, খোদ তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) প্রাক্তন জেলা সভাপতি প্রশান্তনারায়ণ মজুমদার (জহর) জেলা প্রশাসনের কাছে লিখিতভাবে এমনই অভি্যোগ জানিয়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি আরও একধাপ এগিয়ে বলেন, আলিপুরদুয়ার টাউন ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসটি তৈরি করা হয়েছে ঝিলের উপরেই। শাসকদলের কাউন্সিলার থেকে নেতারাই যদি এ ধরনের কাজে যুক্ত থাকেন, সাধারণ মানুষ কী করবেন? এমনটাই অভিযোগ স্থানীয় মানুষের।

    শাসক দলের মন্তব্য

    তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) টাউন ব্লক সভাপতি দীপ্ত চট্টোপাধ্যায় বলেন, আলিপুরদুয়ার শহরের টাউন ব্লক পার্টি অফিসটি আমরা নতুন করে তৈরি করিনি। অনেক আগে সেখানে দোকান ছিল। সেই দোকান কিনে নিয়ে পার্টি অফিস চালু করা হয়েছে। শহরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অরূপা রায় বলেন, যে জমিতে তাঁর বাড়িটি রয়েছে, সেই জমির বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। ঝিল দখলের অভিযোগ তিনি উড়িয়ে দিয়েছেন। প্রশান্ত নারায়ণ মজুমদার (জহর) বলেন, ওনার পুরনো বাড়ি নিয়ে আমার বক্তব্য নেই। তবে ইদানীং ঝিল দখল করে যে অংশ জুড়ে নির্মাণ করা হয়েছে, সেই জলাজমি নিয়েই আমি অভিযোগ প্রশাসনের কাছে জানিয়েছি।

    প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জমা

    এ নিয়ে আলিপুরদুয়ার শহরের প্রবীণ আইনজীবী নারায়ণ মজুমদার (জহর) জেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। সেই অভিযোগের প্রতিলিপি পুরসভার চেয়ারম্যানের কাছেও জমা দিয়েছেন জহরবাবু। ঝিল দখলের অভিযোগ ওঠায় আলিপুরদুয়ার পুরসভার চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ কর জানিয়েছেন, কাউন্সিলার বা চেয়ারম্যান যদি কেউ বেআইনিভাবে ঝিল দখল করে থাকেন, তবে তা হলে কেউই আইনের ঊর্ধ্বে যেতে পারবেন না। আইন আইনের পথেই চলবে। এইভাবে জলাজমির উপর অবৈধ নির্মাণ বন্ধে প্রশাসন কবে কার্যকার ভূমিকা পালন করবে, তাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: সরকারি প্রকল্পের ৬ লক্ষ টাকার কাজ বন্ধ, অভিযুক্ত তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি

    TMC: সরকারি প্রকল্পের ৬ লক্ষ টাকার কাজ বন্ধ, অভিযুক্ত তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসক নেতাদের (TMC) আবদার মেটাতে না পারায় সরকারি প্রকল্পের কাজ বন্ধ গোঘাটে। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে গোঘাট-২ ব্লকের মান্দারণ পঞ্চায়েতের সরকারি মার্কেট কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পের কাজ বন্ধ। অভিযোগের তীর স্থানীয় যুব তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে।

    কাজ বন্ধ কেন!

    এলাকার সাধারণ মানুষের অভিযোগ, নির্মাণ কাজের জন্য তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি ঠিকাদারের কাছ থেকে মোটা টাকা দাবি করেছেন। কিন্তু টাকা না পাওয়ার জন্যই বর্তমানে কাজ বন্ধ। যাঁর বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ, সেই তৃণমূলের যুবনেতা তথা অঞ্চল সভাপতি আশাদুল খান (TMC) বলেন, কাজটা ঠিকঠাক হচ্ছে না বলে গ্রামবাসীরা অভিযোগ করছিলেন। আমরা কাজটা ঠিকভাবে করতে বলেছি। কোথায় গোলমাল তাহলে? তাঁর জবাব, ইট-বালি ভাল নয় বলেই তো শুনলাম। তাহলে ত্রুটি থাকলে কেন লিখিত অভিযোগ করছেন না? উত্তর মেলেনি। তিনি একটাই কথা বললেন, বিষয়টি নিয়ে পঞ্চায়েত প্রধানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে। ঠিকাদার সংস্থার পক্ষে অমিত পান জানান, ওই মার্কেটে আরও তিনটি ঘর বাড়ানো হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, মালপত্র যে নিম্নমানের, তেমন কোনও অভিযোগ নেই। কিন্তু কেন প্রায় ৬ লক্ষ টাকার সরকারি প্রকল্পের কাজ বন্ধ রাখা হল, সেটাও বোঝা যাচ্ছে না। কাজে এলেই আশাদুল খান ও তাঁর সঙ্গীরা বাধা দিচ্ছেন রোজ। তবে নির্মাণ কাজ বন্ধের পিছনে যে শাসকদলের একটা প্রভাব রয়েছে, তা এলাকার মানুষ মনে করছেন।

    পঞ্চায়েত প্রধানের বক্তব্য

    স্থানীয় তৃণমূলের (TMC) পঞ্চায়েত প্রধান সানোয়ারা বেগম বলেন, কাজে বাধার কোনও অভিযোগ পাইনি। কাজের বিস্তারিত পরিকল্পনার সঙ্গে সরঞ্জাম সরবরাহের কোনও বিশেষ গরমিল নেই। যাঁরা বাধা দিচ্ছেন তাঁদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সদুত্তর মেলেনি। গোঘাট-২ ব্লকের যুব সভাপতি অভিজিৎ বিশ্বাস দলের নেতাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ সম্পর্কে বলেন, বিষয়টা শুনেছি। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, অন্যায়ভাবে নির্মাণ যেমন আটকানো যাবে না, তেমনই ওই কাজে দুর্নীতি থাকলে সেটাও ব্লক প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে। এই অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মাঝে সরকারি প্রকল্পের কাজ কবে আবার শুরু হবে, তার অপেক্ষায় সাধারণ গ্রামবাসী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Road: নিম্নমানের সামগ্রী! রাস্তা তৈরির কাজ বন্ধ করে দিলেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা 

    Panchayat Road: নিম্নমানের সামগ্রী! রাস্তা তৈরির কাজ বন্ধ করে দিলেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমান রাজ্য সরকারের সমস্ত কাজকর্মেই যেন পরতে পরতে দুর্নীতির ছবি ফুটে উঠছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অন্তত এমনটাই। আর হবে নাই বা কেন? মানুষ তার নিত্যদিনের অভিজ্ঞতায়, দৈনন্দিন জীবনযাপনে (Panchayat Road) এই ধরনের বহু ঘটনার সম্মুখীন হচ্ছে। আর তাকে কেন্দ্র করে দিকে দিকে দানা বাঁধছে ক্ষোভ-বিক্ষোভ।

    কেন রাস্তার কাজ বন্ধ করে দিলেন গ্রামবাসীরা?

    যে রাস্তা (Panchayat Road) দিয়ে মানুষ প্রতিনিয়ত যাতায়াত করবে, সেই রাস্তাই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে তৈরির অভিযোগে কাজ বন্ধ করে দিলেন গ্রামবাসীরা। ঘটনাটি আরামবাগের তিরোল গ্রাম পঞ্চায়েতের মইগ্রাম এলাকার। অভিযোগ, দীর্ঘ ২০ বছর পর এই রাস্তা সংস্কারের কাজ হচ্ছে। কিন্তু সেটা এতই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে করছে ঠিকাদার, যে তা দেখে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা কাজ বন্ধ করে দেন।

    সারাইয়ের এক সপ্তাহের মধ্যেই খারাপ?

    হুগলির আরামবাগের তিরোল গ্রাম পঞ্চায়েতের শিয়ালি থেকে ২২ মাইল পর্যন্ত রাস্তাটি (Panchayat Road) প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ। এটি প্রায় দু’দশক ধরে বেহাল অবস্থায় পড়েছিল। খারাপ রাস্তার জন্য স্কুল, কলেজের পড়ুয়া থেকে শুরু করে এলাকার সাধারণ মানুষ মাঝেমধ্যেই দুর্ঘটনায় পড়তেন। এলাকার মানুষের অভিযোগ, গত কুড়ি বছরের মধ্যে দু-একবার রাস্তা সংস্কারের কাজ হয়েছে, কিন্তু কখনই তা সঠিকভাবে হয়নি। রাস্তা সারাইয়ের এক সপ্তাহের মধ্যেই সেটি আবার খারাপ হয়ে যায়। এদিকে এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন বড় বড় ট্রাক ও ভারী যানবাহন যাতায়াত করে। এই অবস্থায় গ্রামবাসীদের দাবি, এবার ভালো করে রাস্তা সারাইয়ের কাজ করতে হবে। ভালো সামগ্রী দিয়ে কাজ করতে হবে। তা না হলে কাজ বন্ধ থাকবে বলে জানিয়ে দেন তাঁরা।

    কী বলছে তৃণমূল এবং বিজেপি?

    যদিও এ বিষয়ে পঞ্চায়েত প্রধান ও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব কোনও মন্তব্য করতে নারাজ। আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি সুশান্ত বেড়া জানান, বর্তমানে আমাদের রাজ্যে যে সরকার চলছে তারা দুর্নীতিতে (Panchayat Road) জড়িয়ে পড়েছে। তাদের আর কোথাও বাকি নেই দুর্নীতি করতে। সামনে নির্বাচন আসছে। মানুষ তাদের যোগ্য জবাব দিয়ে বুঝিয়ে দেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Corruption: স্কুলেও একগুচ্ছ দুর্নীতির অভিযোগ, প্রধান শিক্ষককে ঘিরে ব্যাপক বিক্ষোভ

    Corruption: স্কুলেও একগুচ্ছ দুর্নীতির অভিযোগ, প্রধান শিক্ষককে ঘিরে ব্যাপক বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির করাল গ্রাস থেকে যেন কোনওভাবেই মুক্তি মিলছে না রাজ্যবাসীর। কখনও রাস্তা তৈরিতে নিম্নমানের কাঁচামাল সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে কাজ বন্ধ করে দিচ্ছেন গ্রামবাসীরা, কখনও ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি, কখনওবা দুর্নীতি আবাস যোজনায়। তালিকা দিনকে দিন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। এবার একগুচ্ছ দুর্নীতির (Corruption) অভিযোগ তুলে প্রধান শিক্ষককে ঘিরে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন অভিভাবকরা। আরামবাগের কেশবপুর ইনস্টিটিউশনের ওই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    কী অভিযোগ তুলছেন অভিভাবকরা?

    অভিভাবকদের অভিযোগ, স্কুলের প্রধান শিক্ষক সব কিছুই নিজের ইচ্ছামতো করছেন। মিড ডে মিলে গরমিল, স্কুলের ফলক তৈরিতে অর্থ তছরুপ সহ তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ (Corruption) তোলেন অভিভাবকরা। এমনকি ক্লাসরুমে পর্যাপ্ত পাখা না থাকা সত্ত্বেও গরমের মধ্যে দিনে তিনটি করে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে কেন? সেই  প্রশ্ন তুলেও সোচ্চার হন অভিভাবকরা। স্কুলের পরিচালন কমিটি না থাকার কারণে প্রধান শিক্ষক ইচ্ছামতো কাজ করছেন বলে অভিযোগ। সেই অভিযোগ তুলে এদিন স্কুলের প্রধান শিক্ষককে ঘেরাও করে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান অভিভাবকরা। দীর্ঘক্ষণ চিৎকার-চেঁচামেচি চলে। দাবি ওঠে প্রধান শিক্ষকের অপসারণের। এক অভিভাবক বলেন, স্কুলে যে পরীক্ষা হয়েছে, তাতে প্রশ্নেই উত্তর। পরীক্ষা ১১ টা থেকে আরম্ভ হওয়ার কথা। সেই পরীক্ষা শুরু হয়েছে বেলা ১ টার পর। কোনও গার্ড নেই। গরমে ছেলেগুলো আধমরা হয়ে বাড়ি ফিরছে। পড়তে নয়, যেন কুস্তি লড়তে যাচ্ছে। যাদের কাছে আমরা ছেলেদের পাঠাচ্ছি, তাদের কোনও দায়িত্বই নেই। তাদের একটাই লক্ষ্য, মাস গেলে মাইনে বুঝে নেবো। 

    প্রধান শিক্ষক জবাবে কী জানালেন?

    যদিও স্কুলের প্রধান শিক্ষক রাজকুমার খামরুই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন। ক্লাসরুমে ফ্যান আছে বলেই তিনি দাবি করেন। একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করার জন্যই এসব করা হচ্ছে। আইন মেনেই তিনি যা করার করছেন। দুর্নীতির (Corruption) অভিযোগ একেবারেই ঠিক নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Corruption: একশো দিনের প্রকল্পে দুর্নীতি! কাজ করেও মেলেনি টাকা, শুনলেন কেন্দ্রীয় টিম, কোথায় জানেন?

    Corruption: একশো দিনের প্রকল্পে দুর্নীতি! কাজ করেও মেলেনি টাকা, শুনলেন কেন্দ্রীয় টিম, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ দুর্নীতির (Corruption) অভিযোগ ছিল। সত্যতা যাচাই করতে রবিবার কেন্দ্রীয় টিমের প্রতিনিধিরা মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা-২ ব্লকে কাশীপুর এলাকায় যান। সেখানে গিয়ে জবকার্ডধারীদের কাছে অভিযোগ শুনে কেন্দ্রীয় টিমের প্রতিনিধিদের চক্ষু চড়কগাছ। পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে জবকার্ডধারীদের দিয়ে দিনের পর দিন ১০০ দিনের প্রকল্পে কাজ করানো হয়েছে। কিন্তু, তাঁরা কেউ টাকা পাননি। আলাউদ্দিন শেখ নামে এক জবকার্ডধারী বলেন, পঞ্চায়েতের  পক্ষ থেকে ১০০ দিনের কাজ দেওয়া হয়। দিনের পর দিন আমরা কাজ করেছি। কিন্তু, টাকা পাইনি। পঞ্চায়েতের প্রধান, পঞ্চায়েত সদস্যের কাছে টাকার জন্য দরবার করেছি। কিন্তু, তাঁরা বলেছেন, কেন্দ্রীয় টিম এসে টাকা দেবে। তাই, এসেছি। মনোরমা মণ্ডল বলেন,  ১০০ দিনের কাজ করেছি। পঞ্চায়েত টাকা দেয়নি। কেন্দ্রীয় টিম এসেছে। তাঁদের কাছে আমরা সকলে নালিশ জানাতে এসেছি। আর এই এলাকায় কোনও যানবাহন নেই। রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে খুব সমস্যা হয়। কেন্দ্রীয় টিমের কাছে সেই অভিযোগও জানিয়েছি। কেন্দ্রীয় টিমের প্রতিনিধিরা কাশীপুর এলাকা পরিদর্শনের সময় এলাকাবাসীর বিক্ষোভের মুখে পড়েন। কারণ, ১০০ দিনের প্রকল্পের কাজ করার পরও অধিকাংশ জবকার্ডধারী টাকা পাননি। ফলে, কেন্দ্রীয় টিম টাকা দেবে ভেবে নিয়ে তাঁরা ক্ষোভ উগরে দেন। পরে, কেন্দ্রীয় টিমের সদস্যরা এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে সমস্ত কিছু নথিভুক্ত করে নেন। এলাকার তাঁরা ছবি তাঁরা তুলে রাখেন।

    কেন বেলডাঙা-২ নম্বর ব্লক পরিদর্শনে কেন্দ্রীয় টিম? Corruption

    ১০০ দিনের প্রকল্পে বড়সড় দুর্নীতি (Corruption)  হয়েছে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা-২ ব্লকে। আর তার তদন্ত করতেই কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল জেলায় আসেন। শনিবারই দুই সদস্যের ওই প্রতিনিধি  বেলডাঙা-২ ব্লক অফিসে যান। দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত তাঁরা ম্যারাথন বৈঠক করেন। সেখানে ১০০ দিনের প্রকল্পে যে সব দুর্নীতি (Corruption)  হয়েছে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এদিন কাশীপুর এলাকায় গিয়ে ১০০ দিনের প্রকল্পের সার্বিক পরিস্থিতি সরজমিনে তাঁরা খতিয়ে দেখেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: “মা দুর্গা শক্তির উৎস, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই চলবে”, পুজোয় বার্তা রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: “মা দুর্গা শক্তির উৎস, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই চলবে”, পুজোয় বার্তা রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গবাসীকে দুর্গা পুজোর শুভেচ্ছা জানালেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ৷ পরিষ্কার বাংলা ভাষায় দুর্গাপুজোর আগে শান্তির বার্তা দিলেন রাজ্যপাল৷ পাশাপাশি বাংলাকে হিংসা ও দুর্নীতি মুক্ত করার কথাও বললেন রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান৷ সূচনা করলেন কলাক্রান্তি উৎসবের।  রাজ্যপাল বলেন, ‘‘মা দুর্গা সবাইকে শক্তি দেয়। শক্তির উৎস। কলকাতার পুজো দারুণ ব্যাপার। দারুণ ফিলিং।’’ 

    রাজ্যপালের ভিডিও বার্তা

    ভিডিও বার্তায় রাজ্যপাল বললেন, ‘‘বাংলার ভাই ও বোনেরা । আপনাদের সকলকে জানাই দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন। আসুন মা দুর্গার চরণতলে নিজেদের সমর্পণ করি। এটা হল আত্ম উপলব্ধির সময়। এই সেই সময় মা, দুর্গার শরণাপন্ন হওয়া দরকার। দুষ্টের দমন আর সৃষ্টির পালন এই আদর্শে দীক্ষিত হওয়া দরকার। আসুন আজ মা’কে সাক্ষী রেখে এই শপথগ্রহণ করি ভ্রষ্টাচারের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে। হিংসার বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম চলবে। পুরাণের কথা অনুযায়ী দুর্নীতি হল রক্তবীজ আর হিংসা হল মহিষাসুর। যেমন মা দুর্গা মহিষাসুরকে বধ করেছিলেন। আমরা সেরকম দুর্নীতিকে শেষ করব।’’

    রাজপথে রাজ্যপাল 

    দুর্গা পুজোতেও রাজভবন ছেড়ে রাজপথে নামেন রাজ্যপাল। রবিবার মূলত মণ্ডপে মণ্ডপে প্রস্তুতি কেমন, কলকাতার ট্রাফিক ব্যবস্থা কী রকম রয়েছে তা খতিয়ে দেখেন রাজ্যপাল। পৌঁছে যান কুমোরটুলিতে, সেখানে মৃৎশিল্পীদের কাজ দেখেন সি ভি আনন্দ বোস। একাধিক শিল্পীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে, তাঁদের হাতে রাজভবনের তরফে উপহারও তুলে দেন তিনি। রাজ্যপালের হাতেও, তাঁদের তৈরি মূর্তি উপহার হিসেবে তুলে দেন শিল্পী পরিবারের সদস্যরা। কুমোরটুলি থেকে বেরিয়ে রাজ্যপাল সোজা চলে যান একডালিয়া এভারগ্রিনে। দর্শনার্থীদের সঙ্গে জনসংযোগও করতে দেখা যায় রাজ্যপালকে।

    আরও পড়ুন: বাংলায় পরিবর্তন আনাই লক্ষ্য! ঝটিকা সফরে কলকাতায় এসে বললেন অমিত শাহ

    কলাক্রান্তি উৎসবের সূচনা

    দুর্গাপুজোর আবহে এদিন কলাক্রান্তি উৎসবের সূচনা করেন রাজ্যপাল। কলাক্রান্তি উৎসবের মূল উদ্দেশ্য হল ভারতের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরা এবং তাঁকে লালন করা। রাজ্যাপালের কথায়, ‘‘ভারতের সেই সংস্কৃতি বিশ্বের কাছে বাংলার নেতৃত্বে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। ’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shah Rukh Khan : ‘জওয়ান’ কংগ্রেস সরকারের দূর্নীতিকে তুলে ধরেছে! শাহরুখকে ধন্যবাদ বিজেপির 

    Shah Rukh Khan : ‘জওয়ান’ কংগ্রেস সরকারের দূর্নীতিকে তুলে ধরেছে! শাহরুখকে ধন্যবাদ বিজেপির 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত শাহরুখ খানের (Shahrukh Khan) ‘জওয়ান’ (Jawan) সিনেমা দূর্নীতিগ্রস্ত কংগ্রেস সরকারের কথা তুলে ধরেছে, অভিমত বিজেপির। এ জন্য বলিউডের বাদশাকে ধন্যবাদ জানিয়েছে পদ্ম শিবির। বিজেপির (BJP) দাবি, কংগ্রেসের দুর্নীতি ভরা ১০ বছরের শাসনকালকেই তুলে ধরা হয়েছে এই সিনেমায়। কেন্দ্রে বিজেপির মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘জওয়ান’ ছবির একটি পোস্টার শেয়ার করে এই অভিমত ব্যক্ত করেন।

    কী বলল বিজেপি

    সোশ্যাল মিডিয়ায় জওয়ান সিনেমার পোস্টারের ছবি পোস্ট করে বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া লেখেন, “আমাদের শাহরুখ (Shahrukh Khan) খানকে ধন্যবাদ জানানো উচিত ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল অবধি কংগ্রেস জমানায় যে দুর্নীতি হয়েছিল, তা জওয়ান সিনেমার মাধ্যমে তুলে ধরার জন্য। এই সিনেমা দর্শকদের ইউপিএ সরকারের দুঃখজনক রাজনৈতিক ইতিহাসকে মনে করায়।” 

    গৌরব ভাটিয়া আরও লেখেন যে ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল অবধি দ্বিতীয়বার ইউপিএ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সিডব্লুজি, ২জি ও কোলগেটের মতো একাধিক দুর্নীতি হয়েছিল। সেখানেই বিগত সাড়ে ৯ বছর ধরে প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকারের নিষ্কলঙ্ক রেকর্ড রয়েছে। কোনও দুর্নীতি হয়নি। বিজেপি মুখপাত্র বলেন, “যেমন শাহরুখ বলেছেন, হাম জওয়ান হ্যায়, আপনি জান হাজার বার দাও পর লাগা সাকতে হ্যায়, লেকিন সির্ফ দেশ কে লিয়ে, তুমহারে জায়সে দেশ বেচনেওয়ালোকে লিয়ে নেহি- এই কথাটা গান্ধী পরিবারের জন্য একদম প্রযোজ্য।”

    আরও পড়ুন: ‘‘আপনার জন্য দেশ গর্বিত’’, জি২০ সম্মেলন নিয়ে মোদি বন্দনায় শাহরুখ

    কৃষক আন্দোলন, সেনা সহায়তা প্রসঙ্গে

    প্রসঙ্গত, যে কৃষকদের দুরবস্থার দৃশ্য দেখানো হয়েছে ‘জওয়ান’ ছবিতে সেটির উল্লেখ করেও কংগ্রেস আমলে প্রায় ২ লক্ষ কৃষক আত্মহত্যার কথা মনে করিয়েছেন বিজেপি মুখপাত্র। অন্যদিকে মোদি সরকারের আমলে যে ১১ কোটি কৃষক কেন্দ্রীয় ভাতার সুবিধা পেয়েছে তাও উল্লেখ করা হয়েছে এই পোস্টে। গৌতম ভাটিয়া লিখেছেন, কংগ্রেস যুগে ১.৬ লক্ষ কৃষক আত্মহত্যা করেছিলেন। অথচ বিজেপি সরকার নূন্যতম সহায়ক মূল্য হিসাবে ২.৫৫ লক্ষ কোটি টাকা ১১ কোটি কৃষককের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছেন পিএম কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার মাধ্যমে। বিজেপি সেনাদের ২.৩ লক্ষ বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট সরবরাহ করেছে।  ১.২ লক্ষ কোটি টাকা বিতরণ করেছে। যেখানে কংগ্রেস আমাদের সৈন্যদের জন্য বুলেটপ্রুফ জ্যাকেটের পরিবর্তে ভিভিআইপি হেলিকপ্টার কিনেছে। গৌতম ভাটিয়ে লিখেছেন, ২৬/১১ মুম্বই হামলার পরে কংগ্রেস প্রাক্তন এয়ার চিফ মার্শাল ফালি হোমি মেজরের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছিল। অথচ যেখানে বিজেপি পুলওয়ামা হামলার সি দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে, বালাকোট বিমান হামলা পরিচালনা করেছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Singur: তৃণমূলের সমবায়ে কোটি কোটি টাকা তছরুপ! গ্ৰেফতার ম্যানেজার ও ক্যাশিয়ার

    Singur: তৃণমূলের সমবায়ে কোটি কোটি টাকা তছরুপ! গ্ৰেফতার ম্যানেজার ও ক্যাশিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিঙ্গুরের খাসেরচক চকগোবিন্দ সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি লিমিটেডে অর্থ তছরুপের ঘটনায় সংস্থার ম্যানেজার ও ক্যাশিয়ারকে গ্ৰেফতার করেছে পুলিশ। ডেপুটি রেজিস্ট্রার অফ কো-অপারেটিভ সোসাইটির (DRCS) পক্ষ থেকে করা লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সমবায়ের (Singur) ম্যানেজার সুখেন্দু দাস ও ক্যাশিয়ার কৌশিক অধিকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হুগলি জেলা গ্ৰামীণ পুলিশ সুপার আমন দীপ। ধৃতদের বিরুদ্ধে সমবায়ের প্রায় ২ কোটি ২৯ লক্ষ টাকা তছরুপের অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও তৃণমুলের মধ্যে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

    কীভাবে ক্ষোভ পরিণত হল বিক্ষোভে?

    উল্লেখ্য, সিঙ্গুরের ওই সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি লিমিটেডে দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকরা তাঁদের জমানো টাকা না পেয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছিলেন। তার পরেই সমবায়ে কোটি টাকা তছরুপের ঘটনা সামনে আসে। তৃণমুল পরিচালিত সমবায়ের (Singur) পরিচালন সমিতির সেক্রেটারি অশোককুমার দাস ম্যানেজার ও ক্যাশিয়ারের বিরুদ্ধে অর্থ তছরুপের অভিযোগ তোলেন। তারপর সমবায়ের ম্যানেজার ও ক্যাশিয়ার অর্থ তছরুপের জন্য একে অপরের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোপালনগর এলাকায় ক্রমেই মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। গরিব মানুষের অর্থ ফিরিয়ে দেবার দাবিতে সমবায় চত্বরে পোস্টার লাগায় বাম কৃষক সংগঠন। পাশাপাশি কয়েকদিন আগে হুগলির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় সমবায় এলাকায় গিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে তাঁদের হয়রানির কথা শোনেন।

    কীভাবে অবশেষে গ্রেফতার?

    ডেপুটি  রেজিস্ট্রার অফ কো অপারেটিভ সোসাইটি গত ১৬ ই জুন সিঙ্গুর থানায় সমবায়ের ওই দুর্নীতি নিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের সূত্র ধরে পুলিশ সমবায়ের ম্যানেজার সুখেন্দু দাস ও ক্যাশিয়ার কৌশিক অধিকারীকে গ্রেফতার করে ২৭ শে জুন চুঁচুড়া স্পেশাল আদালতে পাঠায়। পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত চার দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। বর্তমানে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই ঘটনায় আর কে কে যুক্ত আছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। এ বিষয়ে হুগলি জেলা গ্রামীণ পুলিশ সুপার আমন দীপ জানান, ডিআরসিএস থেকে একটা অভিযোগ করা হয় সমবায়ের (Singur) ম্যানেজার ও ক্যাশিয়ার প্রায় ২ কোটি ২৯ লক্ষ টাকার একটা গরমিল করেছেন। তার প্রেক্ষিতে থানায় আইপিসি ৪০৬ ও ৪২০ ধারায় একটি কেস শুরু করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। কিভাবে তারা এত টাকা গরমিল করল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনায় আর কেউ যুক্ত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    ভোট সামনে বলেই গ্রেফতার? প্রশ্ন বিজেপির

    অন্যদিকে সমবায়ের এই ঘটনা নিয়ে সরাসরি রাজ্যের শাসক দলকে আক্রমণ করতে ছাড়েনি রাজ্যের গেরুয়া শিবির। সিঙ্গুরের বিজেপি নেতা মধুসূদন দাস বলেন, এত বড় ঘটনায় শুধু ম্যানেজার আর ক্যাশিয়ার জড়িত, এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। তৃণমূল পরিচালিত বোর্ড। একটা সিস্টেমে কাজ হয় সমবায়ে। বোর্ডের অনুমতি ছাড়া কোনও কিছু পাশ হয় না। ভোট এসে গেছে বলে এদের গ্রেফতার করে দেখানো হচ্ছে, আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে আছি। তাহলে এতদিন অ্যারেস্ট করা হয়নি কেন? এই ঘটনায় আরও যারা পিছনে আছে, সেই  সমস্ত রাঘববোয়ালদের সামনে আনতে হবে। যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের (Singur) টাকা ফেরত দিতে হবে।

    কী বলছে তৃণমূল?

    বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে সিঙ্গুর (Singur) ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির সভাপতি গোবিন্দ ধারা বলেন, পরিচালন সমিতিকে অন্ধকারে রেখেই এইসব তছরুপ করা হয়েছে। এর সাথে বোর্ড কোনও ভাবে যুক্ত নয়। তদন্তে আইনি পথে যদি বোর্ডের কেউ জড়িত প্রমাণ হয়, তখন সে সাজা পাবে। দল কোনও অন্যায়কে প্রশ্রয় দেবে না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BSNL Corruption Case: ২২ কোটির কারচুপি! ২১ জন বিএসএনএল কর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের সিবিআইয়ের

    BSNL Corruption Case: ২২ কোটির কারচুপি! ২১ জন বিএসএনএল কর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন জেনারেল ম্যানেজার-সহ ২১ বিএসএনএল (BSNL Corruption Case) আধিকারিকদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠল। অভিযুক্ত ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড (BSNL)-এর আধিকারিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। শুক্রবার এই মামলা সংক্রান্ত ২৫টি জায়গায় তল্লাশিও চালান সিবিআই আধিকারিকরা।

    বিএসএনএলের ক্ষতি

    তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, এক ঠিকাদারের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে একটি কাজের জন্য বরাদ্দ টাকায় কারচুপি করেন অভিযুক্ত আধিকারিকরা। যার ফলে বিএসএনএলের (BSNL Corruption Case) প্রায় ২২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। সিবিআই-এর এফআইআরে মূলত বিএসএনএলের অসম সার্কেলের অফিসারদের নাম রয়েছে। প্রাক্তন জেনারেল ম্যানেজার ছাড়াও ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার, অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার, জোড়হাট, শিবসাগর, গুয়াহাটি শাখার চিফ অ্যাকাউন্টস অফিসারদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠেছে। এফআইআরে অভিযুক্ত আধিকারিকরা বাদে এক ঠিকাদারের নাম উল্লেখ রয়েছে যিনি বিসিএনএলের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন বলে সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: অনুব্রতর গড়ে ফের ভাঙন, তৃণমূল সাংসদ অসিত মালের ভাইপো যোগ দিলেন বিজেপিতে

    দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তল্লাশি

    সিবিআই মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, ‘‘এক জন ঠিকাদারকে অপটিক্যাল ফাইবারের কাজ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ ওঠে, ওই ঠিকাদার নিজের কাজ ঠিক ভাবে করেননি। উপরন্তু তিনি বিভিন্ন অছিলায় সংস্থার কাছে অতিরিক্ত টাকা নিয়েছেন। এই ঘটনায় ওই ২১ আধিকারিক যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। এর ফলে বিএসএনএলের (BSNL Corruption Case) প্রায় ২২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।” কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবি, ওই কনট্রাক্টর টেন্ডারের অনেক নিয়ম লঙ্ঘন করেছিলেন। এফআইআর দায়েরের পরে শুক্রবার অসম, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা এবং হরিয়ানায় অভিযুক্তদের অফিস এবং বাসস্থান-সহ ২৫টি স্থানে তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই। এই তল্লাশির ফলে বিভিন্ন নথি সিবিআই-এর হাতে এসেছে। এই সমস্ত তথ্য তদন্ত প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে বলে দাবি, সিবিআই-এর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hilli: মালবোঝাই লরি থেকে তোলাবাজির অভিযোগে সরানো হল আরটিও সন্দীপ সাহাকে

    Hilli: মালবোঝাই লরি থেকে তোলাবাজির অভিযোগে সরানো হল আরটিও সন্দীপ সাহাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিলিতে মালবোঝাই লরি থেকে তোলাবাজি করার অভিযোগে সরানো হল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার আরটিও সন্দীপ সাহাকে। শুক্রবার সরকারি একটি নির্দেশিকা জারি করে ওই পদে আনা হয়েছে সৌমিত্র বিশ্বাসকে।

    কি হয়েছিল ?

    দক্ষিণ দিনাজপুরের আঞ্চলিক পরিবহন দফতরের আধিকারিক ছিলেন সন্দীপ সাহা। জেলার আঞ্চলিক পরিবহন দফতরের ঐ আধিকারিকের বিরুদ্ধে মালবোঝাই লরি থেকে তিন হাজার টাকা করে তোলার অভিযোগ উঠেছিল। এই বিষয়টি জেলাশাসককে লিখিত অভিযোগ জানিয়ে ছিলেন ট্রাক ওনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন। আর এরপর এদিন তাঁর বদলির অর্ডার সামনে আসতেই বেশ শোরগোল পরে যায় জেলা ব্যাপী।

    ট্রাক ওনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের অভিযোগ

    হিলির আন্তর্জাতিক বহিঃবাণিজ্য কেন্দ্র দিয়ে প্রতিদিন গড়ে দু’শোরও বেশি মাল বোঝাই লরি বাংলাদেশে যায়। এই লরিগুলি থেকেই তোলাবাজি চালাবার অভিযোগ প্রায় শোনা যায়। ট্রাক ওনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের অভিযোগ, আমদানি রপ্তানি ব্যবসায় স্লট বুকিং সিস্টেম চালু হবার পর থেকেই কিছুটা বেকায়দায় পড়েছেন লরি মালিকরা। বিগত ছয় মাস ধরে তাঁদের ব্যবসা ভালো না থাকায় চরম দূরাবস্থার মধ্যে পড়েন তাঁরা। অনেকেই ইতিমধ্যে লরি বিক্রি করে ফেলেছেন। ফলে এই তোলাবাজি লরি চালকদের উপর যেন মরার খাঁড়ার ঘা চাপিয়ে দিয়েছিলেন আরটিও। অ্যাসোসিয়েশনের আরও অভিযোগ, মালবোঝাই প্রত্যেকটি লরির ক্ষেত্রে ৩০০০ টাকা এবং পাথর বোঝাই লরির ক্ষেত্রে ১২০০ টাকা করে তুলছিল আরটিও। যার দৌরাত্ম্যে লরির মালিকদের কার্যত নাভিশ্বাস উঠেছিল। টাকা দিতে অস্বীকার করলে মোটা অঙ্কের জরিমানাও করতেন এই সরকারি আধিকারিক-এমনটাই অভিযোগ। আরটিও সন্দীপ সাহা বলেন, এমন তোলাবাজি বন্ধ না হলে আগামীতে লরির মালিকরা তাদের সমস্ত গাড়ির কাগজপত্র সরকারের কাছে তুলে দিয়ে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন।

    প্রশাসনের ভূমিকা

    প্রশ্ন উঠেছিল সরকারি চেয়ারে বসে একজন আধিকারিক কি ভাবে এমন তোলাবাজি করছিলেন। যদিও ওই লিখিত অভিযোগ পাবার পরেই লরি মালিকদের কিছুটা আশ্বস্ত করেছিলেন দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা। আর এরপর শুক্রবার সন্ধ্যায় সরকারি একটি নির্দেশিকায় বদলে দেওয়া হয় ওই আরটিওকে। সন্দীপ সাহার পরিবর্তে দক্ষিণ দিনাজপুরের আরটিওর দায়িত্বে আনা হয়েছে সৌমিত্র বিশ্বাসকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share