Tag: counting center

counting center

  • BJP: গণনার আগে বারাকপুরে গণনাকেন্দ্রে বিজেপি-তৃণমূল ধস্তাধস্তি, ভাঙড়ে বোমা বিস্ফোরণ

    BJP: গণনার আগে বারাকপুরে গণনাকেন্দ্রে বিজেপি-তৃণমূল ধস্তাধস্তি, ভাঙড়ে বোমা বিস্ফোরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণনার ঠিক আগেই বারাকপুরে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে বিজেপি (BJP) কর্মীদের ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়। গণনা কেন্দ্রের বাইরে এক দিক থেকে উঠছে “জয় শ্রীরাম” স্লোগান। অন্যদিকে, থেকে উঠছে “জয় বাংলা” স্লোগান। এছাড়াও সোমবার রাতে ভাঙড়ে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। হুগলিতে বিজেপি এজেন্টদের পুলিশ হেনস্থা করছে বলে অভিযোগ ওঠে। ঘাটালেও সোমবার রাতে স্ট্রংরুমে উত্তেজনা তৈরি হয়।

    বারাকপুরে গণনাকেন্দ্রে বিজেপি-তৃণমূল ধস্তাধস্তি (BJP)

    মঙ্গলবার বারাকপুরের সুরেন্দ্রনাথ কলেজের গণনাকেন্দ্রের সামনে বিরাট লাইন দেখা দেয়। ঘটনাস্থলে নিরাপত্তারক্ষী ও দলবল নিয়ে ঢুকে পড়েন বিজেপি (BJP) প্রার্থী অর্জুন সিং। সঙ্গে সঙ্গে চলে আসেন জগদ্দলের তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম। তিনিও এসে হুঙ্কার দেন, “যেখানে যেখানে ফোর্স নিয়ে ঢুকবে অর্জুন, আমিও সেখানে যাব। ” বিজেপির কর্মীদের বক্তব্য, কাউন্টিং এজেন্টদের সঙ্গে গণনাকেন্দ্রে বহিরাগত ঢোকাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। এনিয়ে বিজেপির এজেন্টদের সঙ্গে বহিরাগতদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এই বিষয়ে তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, পায়ের তলায় মাটি নেই বুঝে মিথ্যে অভিযোগ করছে বিজেপি।

    আরও পড়ুন: গণনা চলছে ওড়িশা, অন্ধ্র বিধানসভা ভোটেরও, কোন রাজ্যের কুর্সিতে কে?

    ভাঙড়ে বোমা বিস্ফোরণ!

    মঙ্গলবার গণণা শুরুর আগেই ভাঙড়ে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ভাঙড় ২ নম্বর ব্লকের উত্তর কাশীপুরের চালতাবেড়িয়ায় বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হন ৫ জন। আহতদের মধ্যে একজন আইএসএফের পঞ্চায়েত সদস্য রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বোমা তৈরির সময়ই বিস্ফোরণ হয় বলে অনুমান পুলিশের। বিস্ফোরণে আহত ৫ জনকেই এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

    হুগলিতে বিজেপি এজেন্টদের হেনস্থা পুলিশের

    গণনার আগেই হুগলিতে বিজেপি (BJP) এজেন্টদের ব্যাপক হেনস্থা করছে পুলিশ। এই অভিযোগ তুলে সোমবার রাতে চুঁচুড়া থানায় যান বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, পুলিশ তৃণমূলের দলদাস। পরিকল্পিতভাবে আমাদের এজেন্টদের নানাভাবে হেনস্থা করা হয়েছে। আমি বিষয়টি কমিশনে জানিয়েছি।

    ‘স্ট্রং রুমের ভিতর অস্থায়ী কর্মী!

    সোমবারই ভোটগণনায় অস্থায়ী বা চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। সেই নির্দেশকে অমান্য করেই ঘাটালের স্ট্রংরুমে অস্থায়ী কর্মী ছিলেন। ‘স্ট্রং রুমের ভিতর অস্থায়ী কর্মী কেন?’ প্রশ্ন তোলেন ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়। রাতেই ঘাটাল লোকসভার স্ট্রং রুমের সামনে উত্তেজনা শুরু হয়। মহকুমাশাসকের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bomb Recover: গণনার আগেই মুর্শিদাবাদ থেকে উদ্ধার সকেট বোমা, হুগলিতে ৬৭০টি নিষিদ্ধ শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত

    Bomb Recover: গণনার আগেই মুর্শিদাবাদ থেকে উদ্ধার সকেট বোমা, হুগলিতে ৬৭০টি নিষিদ্ধ শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণনার ঠিক আগে বিপুল পরিমাণ তাজা বোমা উদ্ধার হল মুর্শিদাবাদে। একইসঙ্গে হুগলি জেলায় প্রচুর পরিমাণে নিষিদ্ধ শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত করল পুলিশ। ভোটের আগে এত বাজি এবং বোমা উদ্ধার (Bomb Recover) হওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। দুটি ক্ষেত্রেই পুলিশ সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

    মুর্শিদাবাদ থেকে উদ্ধার সকেট বোমা (Bomb Recover)

    মুর্শিদাবাদের রানিনগর এলাকায় গণনার ঠিক আগে বিপুল পরিমাণ তাজা বোমা উদ্ধার (Bomb Recover) হল। জানা  গিয়েছে,  রানিনগর থানার চুয়াপাড়া এলাকায় রাস্তার পাশের একটি পাটের জমিতে প্লাস্টিকের জার রাখা ছিল। একই সঙ্গে পাশে রাখা ছিল একটি বস্তাও। সেই বস্তার ভিতরে প্রচুর পরিমাণে তাজা সকেট বোমা উদ্ধার হয়েছে। যার জেরে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। এরপর খবর দেওয়া হয় পুলিশে। পুলিশ এসে বোমার জায়গাটি ঘিরে রাখে। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, জঙ্গলের মধ্যে পড়ে ছিল বোমাগুলি। আমরা ওই রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করি। সেই সময়ই দেখতে পাই। যদি ফেটে যেত তাহলে অনেক কিছু হয়ে যেতে পারত। এই ঘটনায় আমরা চরম আতঙ্কিত।

    আরও পড়ুন: “স্বামীকে বেধড়ক মারল তৃণমূল, মাথা ফাটিয়ে দিল আমার,” মুখ খুললেন বিজেপি কর্মীর স্ত্রী

    হুগলিতে ৬৭০টি নিষিদ্ধ শব্দবাজি উদ্ধার

    নির্বাচনের ফলাফলের আগের দিন হুগলির ধনেখালি থেকে প্রায় ৬৭০টি নিষিদ্ধ শব্দবাজি উদ্ধার (Bomb Recover) করা হয়েছে। চলতি কথায় গাছ বোমা হিসেবে পরিচিত। ধনেখালি থানার মির্জানগর গ্রামে বাঁশ ঝাড় থেকে এই বাজি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ধনেখালি থানার মির্জানগর গ্রামে অবৈধ আতশবাজি মজুত করা হয়েছে বলে পুলিশের কাছে খবর আসে। সেই মতো গ্রামে তল্লাশি চালিয়ে একটি বাঁশের ঝোঁপ থেকে ৬৭০ টি গাছ বোমা পুলিশ বাজেয়াপ্ত করে। কে বা কারা বোমগুলি মজুত করল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। গণনার আগেই  এত পরিমাণ শব্দবাজি উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: মেয়ে নির্দল প্রার্থী! গণনা কেন্দ্রে ঢুকতে গিয়ে পুলিশের লাঠি খেলেন তৃণমূল বিধায়ক

    Uttar Dinajpur: মেয়ে নির্দল প্রার্থী! গণনা কেন্দ্রে ঢুকতে গিয়ে পুলিশের লাঠি খেলেন তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরে (Uttar Dinajpur) নিজের মেয়ে নির্দল প্রার্থী। তার হয়ে গণনা কেন্দ্রে ঢোকার সময় পুলিশি বাধার মুখে চোপড়ার তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমান। পুলিশি লাঠিচার্জের অভিযোগ। ঘটনায় গুরুতর আহত চোপড়ার এই তৃণমূল বিধায়ক। অবৈধ জমায়েত ও জোর পূর্বক গণনা কেন্দ্রে প্রবেশের চেষ্টার কারণে পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর মহকুমার ইসলামপুর হাই স্কুল প্রাঙ্গণে।

    কেন ঢুকতে চেয়েছিলেন বিধায়ক (Uttar Dinajpur)?

    উল্লেখ্য, উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলা পরিষদের চার নম্বর আসনে ইসলামপুরের বিদ্রোহী বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী সমর্থিত নির্দল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চোপড়ার তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমানের মেয়ে আর্জুনা বেগম। মঙ্গলবার গভীর রাতে ইসলামপুর হাই স্কুলে গণনা কেন্দ্রে জমায়েত করেছিলেন বিধায়ক হামিদুল রহমান সহ তাঁর অনুগামীরা। জানা গেছে, গণনা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় বিপুল পরিমাণ লোকজন থাকায় পুলিশ প্রবেশে বাধা দেন। সেই সময় পুলিশের সাথে বচসায় জড়িয়ে পড়ে হামিদুল রহমান সহ তাঁর অনুগামীরা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    পুলিশের বক্তব্য

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জোরপূর্বক গণনা কেন্দ্রে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ প্রথমে বাধা দেয় এবং পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশের মারে আহত হন খোদ বিধায়ক সহ তাঁর বেশ কয়েকজন অনুগামীরা। তাঁদের তড়িঘড়ি ইসলামপুর (Uttar Dinajpur) মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বিধায়ক সহ ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে এলাকা জুড়ে।

    বিধায়কের বক্তব্য

    যদিও বিধায়ক হামিদুল রহমানের (Uttar Dinajpur) অভিযোগ, “ইসলামপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে বিনা প্ররোচনায় তার অনুগামীদের ওপরে চড়াও হয় পুলিশ এবং লাঠিচার্জ করে।” তবে গোটা ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলকেই দায়ী করছে রাজনৈতিক মহল। ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে বিরাট পুলিশ বাহিনী সহ কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।

    প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ

    গণনার দিন মঙ্গলবার এই ঘটনা ঘটলে পরের দিন বুধবার সকালে বিধায়ক হামিদুল রহমান সহ তাঁর অনুগামীদের ওপরে পুলিশি লাঠিচার্জের প্রতিবাদে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূলের একাংশ। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মীদের উপযুক্ত শাস্তির দাবিতে চোপড়ার ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয়। বিধায়ক সহ তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের শিলিগুড়িতে একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়েছে। দীর্ঘক্ষণ জাতীয় সড়ক অবরোধের ফলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে চোপড়া থানার পুলিশ। পুলিশি আশ্বাসে প্রায় দুই ঘন্টা পরে অবরোধ তুলে নেয় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • North 24 Parganas: জয়ী নির্দলকে হারাতে ব্যালট পুকুরে ফেলে দিল তৃণমূলের দুষ্কৃতী

    North 24 Parganas: জয়ী নির্দলকে হারাতে ব্যালট পুকুরে ফেলে দিল তৃণমূলের দুষ্কৃতী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের দিন জেলা জুড়ে অনেক জায়গায় ব্যালট বাক্স তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু এবার গণনার পর পুনরায় গণনা করতে গেলে তৃণমূলের এজেন্ট ব্যালট নিয়ে ফেলে দিল পুকুরে। এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় অশোকনগর (North 24 Parganas) বয়েজ স্কুলের গণনা কেন্দ্রে।

    কীভাবে ঘটল এই মারাত্মক ঘটনা (North 24 Parganas)?

    এবার গণনা কেন্দ্রের ভিতর থেকে ব্যালট পেপার নিয়ে পালাল তৃণমূলের এক দুষ্কৃতী। সরাসরি ব্যালট পেপার নিয়ে দৌড়ে ঝাঁপ দিল পাশের পুকুরে‌। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল অশোকনগর বয়েজ সেকেন্ডারি স্কুলের গণনা কেন্দ্রে। ভুরকুন্ডা (North 24 Parganas) পঞ্চায়েতের ১৮ নম্বর বুথে তৃণমূল প্রার্থী জাকির হোসেন, নির্দল প্রার্থী শওকত মণ্ডলের কাছে হেরে যান। কিন্তু গণনায় ভুল হয়েছে বলে দাবি করে দ্বিতীয়বার গণনা করতে বলেন তৃণমূল প্রার্থী। এরপর গণনা শুরু হতেই ব্যালট পেপার নিয়ে পাশের পুকুরে ফেলে দেয় তৃণমূল প্রার্থীর এজেন্ট মুন্না মণ্ডল। এরপর এই নিয়ে গণনা কেন্দ্রের বাইরে শুরু হয় বিক্ষোভ। সিপিআইএম ও আইএসএফ কর্মীরাই ব্যালট পেপারওগুলো উদ্ধার করেন। জয়ী নির্দল প্রার্থী অবশ্য সিপিএম, আইএসএফের সমর্থনে প্রার্থী হয়েছিলেন। নির্দলের জয় আটকাতে ব্যালট ফেলা হল পুকুরে। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ করল নির্দল প্রার্থী।

    নির্দল প্রার্থীর বক্তব্য

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) ভরকুন্ডা পঞ্চায়েতের পুমলিয়া ১৮ নম্বর বুথে নির্দল প্রার্থী আম চিহ্নে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আম চিহ্নের নির্দল প্রার্থীর সওকাত মণ্ডল বলেন, গণনার শেষে তাঁর জয় নিশ্চিত হতেই পুনরায় গণনার দাবি তোলে তৃণমূল প্রার্থী জাকির হোসেন ও তাঁর অনুগামীরা। এরই মধ্যে ব্যালট পেপার ছিনতাই করে একটি পুকুরে ছুড়ে ফেলা হয়।

    স্থানীয়দের বক্তব্য

    স্থানীয় (North 24 Parganas) এক ব্যক্তি আতাউর রহমান জানিয়েছেন, এক যুবক দৌড়ে এসে আমাকে ধাক্কা মেরে ব্যালট পেপারগুলিকে পুকুরে ছুড়ে ফেলে। যে ফেলেছিল তার হাতে অনেকগুলি ব্যালট পেপার ছিল। অনেকেই ধরার জন্য চিৎকার করেছিল, কিন্তু ধাক্কা মারায় আমি ধরতে পারিনি। অপর আরেকজন স্থানীয় সালাম মণ্ডল বলেন, আম প্রার্থী জিতে গিয়েছিল। কিন্তু তৃণমূল ব্যালট নিয়ে পুকুরে ফেলে দেয়। তিনি আরও বলেন, যে ছেলেটা ব্যালট ফেলেছে পুকুরে, তাকে পরে ধরলেও সে আবার পালিয়ে যায়। পরে অবশ্য জল থেকে উদ্ধার করা হয় ব্যালট গুলোকে।

    এছাড়াও আইএসএফ প্রার্থীকে বেরাবেরি পঞ্চায়েতের ৫৬ /৫৭ নম্বর বুথে বুথের গণনা কেন্দ্র থেকে টেনে হিচঁড়ে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। কিন্তু নিঃশ্চুপ প্রশাসন।  ভোট গণনার সময় কেন্দ্র থেকে টেনে বের করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। প্রশাসন নিজেরাই সরে গেছে, পুলিশের কোনও খোঁজ নেই গণনা কেন্দ্রে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share