Tag: court order

court order

  • Arvind Kejriwal: এবার ইডির নতুন মামলায় অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আদালতে হাজিরার নির্দেশ

    Arvind Kejriwal: এবার ইডির নতুন মামলায় অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আদালতে হাজিরার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা ইডি নতুন মামলা দায়ের করার পরে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal) আদালতে তলব করা হয়েছে। ইতিপূর্বে বেশ কয়েকবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি ইডি দ্বারা জারি করা মোট ৮টি নোটিশ এড়িয়ে গেছেন। আজ দিল্লির একটি আদালত আম আদমি পার্টি-র এই নেতাকে আগামী ১৬ মার্চ আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে খবর (Arvind Kejriwal)?

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি আজ দিল্লির একটি আদালতে স্পষ্ট করে বলে যে আবগারি দুর্নীতি মামলায় কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal)  জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় তাঁরা। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আর্থিক দুর্নীতির মামলার অধীনে জারি করা একাধিক নোটিশকে এড়িয়ে যাওয়ার পরে আজ নতুন ফের নোটিশ পাঠানো হয়। কেজরিওয়াল অবশ্য ইতিপূর্বে ইডি দ্বারা জারি করা ৮টি নোটিশকে এড়িয়ে গেছেন। তদন্তকারী সংস্থা আরও জানিয়েছে, মামলায় অভিযুক্তরা দিল্লির আবগারি নীতি তৈরির সময় মুখ্যমন্ত্রীর সাথে যোগাযোগ করেছিলেন। তাই ইডি-র দায়ের করা চার্জশিটে কেজরিওয়ালের নাম একাধিকবার উল্লেখ করা হয়েছে।

    ৪ মার্চ হাজিরা দেননি কেজরিওয়াল (Arvind Kekriwal)

    অপর দিকে আপ নেতা কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal), নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী নেতাদের টার্গেট করতে ইডি-র মতো কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে ব্যবহার করার অভিযোগ তুলেছেন। ইডি শেষ নোটিশ গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে জারি করেছিল এবং জিজ্ঞাসাবাদের তারিখ ৪ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছিল। আপ নেতা এই নোটিশকে “অবৈধ” বলে অভিহিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, “ভিডিও-কনফারেন্সিং মাধ্যমে সংস্থার সামনে হাজির হতে প্রস্তুত ছিলাম।” কিন্তু কেন্দ্রীয় সংস্থা অবশ্য শারীরিক ভাবে উপস্থিতির উপর জোর দিয়েছিল। ভিডিও কনফারেন্সিং মাধ্যমে প্রশ্ন করার কোনও বিধান নেই। ইডি এর আগে দিল্লির এখন বাতিল করা আবগারি নীতি সংক্রান্ত অর্থ পাচারের মামলায় দিল্লির প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া এবং রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিং, দুই শীর্ষ আপ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁরা এখন জেলে রয়েছেন।

    কেজরিওয়ালের বক্তব্য (Arvind Kekriwal)

    আজ নতুন মামলায় ইডির নোটিশ সম্পর্কে কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) বলেন, “যাঁরা বিজেপিতে যোগ দিতে অস্বীকার করে তাঁদেরকেই জেলে পাঠানো হয়। সত্যেন্দ্র জৈন, মনীশ সিসোদিয়া এবং সঞ্জয় সিং আজ বিজেপিতে যোগ দিলে কাল জামিন পাবেন। এমনকী আমি এখন বিজেপিতে যোগ দিলে ইডি-র নোটিশ পাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। বেশ কয়েকটি আদালতের রায়ে বলা হয়েছে যে ইডিকে অবশ্যই জানাতে হবে যে কেন কোন ব্যক্তিকে তলব করা হচ্ছে। দুর্ভাগ্যবশত কেন্দ্র সরকার আদালতের আদেশ মানতে অস্বীকার করে। নিজেদের আইনের ঊর্ধ্বে মনে করে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: রাজ্যে ৩৫৫ অথবা ৩৫৬ ধারা জারি করা হোক, নন্দীগ্রামে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    Purba Medinipur: রাজ্যে ৩৫৫ অথবা ৩৫৬ ধারা জারি করা হোক, নন্দীগ্রামে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্যপালের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার নন্দীগ্রামের (Purba Medinipur) নন্দনায়কবাড়ে ৭৭ নম্বর বুথে ভোট দিলেন তিনি। ভোট দিয়ে রাজ্য সরকারের পুলিশ মন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। বলেন, বিরোধীদের মারধরের পাশাপাশি সাংবাদিকদেরও মারধর করল পুলিশ। কোর্টের নির্দেশ মানেনি এই নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি এই রাজ্যে ৩৫৫ এবং ৩৫৬ ধারা প্রয়োগের দাবি জানান তিনি।

    রাজ্য জুড়ে ভোটের দিন সন্ত্রাস চলেছে

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা এবং নন্দীগ্রামের (Purba Medinipur) বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এই ভোটে সন্ত্রাস ছড়িয়েছে তৃণমূল। এই ভোটের দিনেই রাজ্যে প্রাণ গেছে বেশ কয়েক জনের। গণতন্ত্র লুণ্ঠিত হয়েছে সর্বত্র। তিনি যখন নন্দনায়ক বাড়ে ভোট দেন, সেই সময় তৃণমূলের কর্মীরা গন্ডগোল করে বলে বিশেষ অভিযোগ ওঠে।

    কেমন চিত্র ছিল নন্দীগ্রামে (Purba Medinipur)

    ভোটের দিন সকাল থেকেই নন্দীগ্রামের (Purba Medinipur) তারাচাঁদবাড় গ্রামে ৬৭ ও ৬৮ নং বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় ভোটাররা ভোট বয়কট করেন। ওই ভোট কেন্দ্রের ভোটার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তৃণমূলের সহ সভাধিপতি শেখ সুফিয়ান। ওই কেন্দ্রে ভোট দিতে গেলে ভোটাররা তাঁকে ঘিরেও বিক্ষোভ দেখান এবং ভোট যাতে দিতে না পারেন, তাই বিশৃঙ্খলা তৈরি করেন। পরে ঘটনাস্থলে আসে নন্দীগ্রাম থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। এলাকার সাধারণ ভোটাররা পুলিশের সামনে বিক্ষোভ দেখান। পুলিশের পা ধরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি করতে দেখা যায় সাধারণ ভোটারদের। কেন্দ্রীয় বাহিনী না এলে কীটনাশক খেয়ে তাঁরা আত্মহত্যা করার কথাও জানান। পরে পুলিশের আশ্বাসে বুথে বাহিনী মোতায়েন হয় প্রায় আড়াই ঘন্টা পর। আর এর পরেই ভোট শুরু হয় সেখানে। নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ময়নাতেও বেশ কিছু জায়গায় অশান্তির ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে । স্থানীয় ভোট কর্মীদের অভিযোগ, মুখে কালো কাপড় বেঁধে বাহিনীর বেশে এসে বন্দুক ঠেকিয়ে ছাপ্পা ভোট দিয়েছে দুষ্কৃতীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Life Sentence: স্ত্রীকে খুনের দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা আদালতের

    Life Sentence: স্ত্রীকে খুনের দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কের পরিণতি যে কী ভয়াবহ এবং মর্মান্তিক হতে পারে, সেরকমই একটি ঘটনা সামনে এল আদালতের রায়কে ঘিরে। বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে স্ত্রীকে খুন করেও অবশ্য শেষ রক্ষা হল না। স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের (Life Sentence) নির্দেশ শোনাল আদালত। 

    ১০ আগস্ট গভীর রাতে কী ঘটেছিল?

    ২০১৬ সালের ১০ আগস্ট স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে খুন করার অভিযোগ ওঠে মালদার মানিকচকের বাসিন্দা দিলীপ রায়ের বিরুদ্ধে। অভিযোগ ছিল, দিলীপ রায়ের সঙ্গে অপর এক মহিলার বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্কে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে তিনি মারধর ও নির্যাতন করতেন। সেই ঘটনার জেরেই ১০ আগস্ট গভীর রাতে শোবার ঘরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে খুন করেন তিনি। মৃত গৃহবধূর নাম সুপ্রিয়া রায়। বাপেরবাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার ফরাক্কা থানা এলাকায়। ওইদিন প্রতিবেশীদের মাধ্যমে খবর পেয়ে মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে ছুটে আসে পরিবারের লোকজন। বাড়িতে এসে মেয়ের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তাঁরা। তারপরেই মৃত গৃহবধূর বাবা অভিনয় মন্ডল মানিকচক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। 

    পুলিশ কী ব্যবস্থা নিয়েছিল?

    অভিযোগের ভিত্তিতে স্বামী সহ আরও একজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। মালদা জেলা আদালতে শুরু হয় এই মামলা। প্রায় ৮ বছর ধরে চলে শুনানি। অবশেষে একাধিক সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্ত দিলীপ রায়কে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ, ৩০২, ৩০৪বি ও ৩৪ ধারায় মামলা হয়। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ তে দোষী সাব্যস্ত করে তিন বছরের জেল, দুহাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই মাস জেলের সাজা ঘোষণা করে আদালত। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Life Sentence), পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস জেল হেফাজতের সাজা ঘোষণা করে আদালত। 

    সরকারি আইনজীবী কী জানালেন?

    সরকারি পক্ষের আইনজীবী প্রশান্ত কুন্ডু বলেন, এই মামলায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের (Life Sentence) নির্দেশ দিয়েছে আদালত। মোট ১৬ জনের সাক্ষ্যপ্রমাণ নেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে ছয় বছরের সন্তানের বয়ানের উপর ভিত্তি করেই অভিযুক্তকে দোষী প্রমাণিত করেছে আদালত। অবশেষে সাজা ঘোষণা হল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share