Tag: court

court

  • Murshidabad: মুর্শিদাবাদ আদালতে বাংলাদেশের সংগীত শিল্পী মমতাজ বেগম, কেন জানেন?

    Murshidabad: মুর্শিদাবাদ আদালতে বাংলাদেশের সংগীত শিল্পী মমতাজ বেগম, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সংগীত শিল্পী তথা বাংলাদেশের আওয়ামী লিগের জাতীয় সংসদের সদস্য মমতাজ বেগম হাজির মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে। তাঁর বিরুদ্ধে চুক্তিভঙ্গ এবং প্রতারণার অভিযোগ তুলে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলা আদালতে মামলা করা হয়।

    আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সংগীত শিল্পীর বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ?

    আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, শক্তিশংকর বাগচী নামে এক ব্যক্তি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ করতেন। মমতাজ বেগমের সঙ্গে ২০০৪ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত কাজ করেছিলেন। কোনও একবার অনুষ্ঠানে কথা দিয়েও তিনি আসেননি বলে শংকরবাবুর অভিযোগ। তিনি এনিয়ে আদালতে মামলা করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, অনুষ্ঠানে আসার জন্য শক্তি শক্তিশংকর বাগচী সংগীত শিল্পী মমতাজ বেগমকে বেশ কিছু টাকা দিয়েছিলেন। সঙ্গীত অনুষ্ঠানে না আসা সত্ত্বেও সেই টাকা ফেরত দেননি। ২০০৯ সালে তিনি সংগীত শিল্পীর বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলা আদালতের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অলকেশ দাস সংগীত শিল্পীকে ৮ সেপ্টেম্বর আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।

    সংগীত  শিল্পীর আইনজীবীর কী বক্তব্য?

    মমতাজ বেগমের আইনজীবী দেবাংশু সেনগুপ্ত বলেন, শংকরবাবু যে অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। টাকা দেওয়ার কথা বলেছেন তার কোনও প্রমাণ আদালতে দেখাতে পারেননি। ওই সময় তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন এবং দুর্ঘটনাজনিত কারণে তাঁর পায়ের হার ভেঙ্গে যায়। তাই, তিনি অনুষ্ঠানে আসতে পারেননি। মামলা করার পর বিদেশে থাকার কারণে তিনি আদালতে আসতে পারেননি। ফলে, বিচারক তাঁর নামে ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছিলেন। ৮ সেপ্টেম্বর সশরীরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশ মতো তিনি মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলা আদালতে হাজির হন। এর আগে তাঁর না আসতে পারার কারণে সমস্ত প্রমাণপত্র কোর্টকে জমা দেওয়া হয়। এরপরই বিচারক মমতাজ বেগমকে জামিন দেন। একইসঙ্গে তাঁকে নির্দেশ দেওয়া হয়, যদি আগামীদিনে আদালত তাঁকে ডেকে পাঠালে তিনি যেন সেই দিনে আদালতে হাজির হন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Raiganj: তৃণমূলের জেলা পরিষদ প্রার্থীর ‘উইনিং সার্টিফিকেট’ বাতিল করল রায়গঞ্জ আদালত, কেন জানেন?

    Raiganj: তৃণমূলের জেলা পরিষদ প্রার্থীর ‘উইনিং সার্টিফিকেট’ বাতিল করল রায়গঞ্জ আদালত, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের এক জেলা পরিষদ প্রার্থীর ‘উইনিং সার্টিফিকেট’ বাতিল করল রায়গঞ্জ (Raiganj) জেলা আদালত। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল রাজনৈতিক মহলে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার হেমতাবাদের ২০ নম্বর জেলা পরিষদ আসনে। এই আসনে জয়ী হন তৃণমূলের প্রার্থী সেলিমা খাতুন। এই আসনের বিজেপি প্রার্থী রমা বর্মন তৃণমূলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।

    কেন তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলা?

    জানা গিয়েছে, তৃণমূল প্রার্থী সেলিমা খাতুন জলসম্পদ দফতরের (গ্রুপ ডি) চুক্তিভিত্তিক কর্মচারি। পঞ্চায়েত আইনে কোনও সরকারি দফতরের গ্রুপ ডি পদে চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা ভোটে দাঁড়াতে পারবে না বলে জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। সেই মতো বিজপির পক্ষ থেকে রায়গঞ্জ (Raiganj) জেলা আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়। শুক্রবার রায়গঞ্জ জেলা আদালতের বিচারপতি পার্থপ্রতিম চক্রবর্তী ওই তৃণমূল প্রার্থীর ‘উইনিং সার্টিফিকেট’ কোথাও দেখাতে কিংবা জমা করতে পারবে না বলে রায় দেন। আইনজীবী উৎপল কুমার বাগচী বলেন, ‘হেমতাবাদ ২০ নং জেলা পরিষদ আসনের তৃণমূল প্রার্থী সেলিমা খাতুন জলসম্পদ দফতরের গ্রুপ ডি ক্যাজুয়াল স্টাফ। সে পঞ্চায়েত নির্বাচনে অংশ নিতে পারে না, এই মর্মে মামলা দায়ের করে রমা বর্মন। জেলা আদালতের বিচারপতি ওই প্রার্থীর উইনিং সার্টিফিকেট কোথাও ব্যবহার করতে পারবে না বলে রায় দিয়েছেন। কার্যত তা বাতিল করা হল।’

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য অভিজিৎ যোশি বলেন, ‘মনোনয়ন জমা করার সময় আমরা জানতে পারি নির্বাচন কমিশনের যে গাইডলাইন, তাতে বলা আছে কোনও সরকারি কর্মচারি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। আমরা জানতে পারি তৃণমূল প্রার্থী একজন গ্রুপ ডি কর্মী। সরকারি কর্মচারি হয়ে নমিনেশন ফাইল করেছেন, তখন আমরা রায়গঞ্জে (Raiganj) আদালতের দ্বারস্থ হই। তারই স্থগিতাদেশ হয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্ক্রুটিনিতেও কি করে বিষয়টি ধরা পড়লো না এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে তৃণমূলের যোগ-সাজসের অভিযোগ আনেন তিনি।

    তৃণমূলের জয়ী প্রার্থীর স্বামী কী বললেন?

    সেলিমা খাতুনের স্বামী মজিবুর রহমান বলেন, আমার কাছে এ ধরনের কোনও তথ্য এখনও পৌঁছায়নি। এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। আমার স্ত্রীর নমিনেশন যদি অবৈধ হত তাহলে তা  স্ক্রুটিনিতেই ধরা পড়ত। তাঁকে উইনিং সার্টিফিকেট নির্বাচন কমিশন দিয়ে দিয়েছে। বিজেপি যেখানে ভোটে লড়াই জিততে পারে না সেখানে হয়তো আমাদেরই কিছু লোক তাদের সঙ্গে মিলে এ সমস্ত অপপ্রচার ছড়াচ্ছে। আর যদি সত্যিই কোর্টের এমন কোনও নির্দেশ আমার কাছে আসে তাহলে আমরাও আইনি পথে লড়ব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ghatal: স্বামী কার? একজনকে নিয়ে দুই বউয়ের টানাটানি ঘাটাল আদালতে, এলাকায় উত্তেজনা

    Ghatal: স্বামী কার? একজনকে নিয়ে দুই বউয়ের টানাটানি ঘাটাল আদালতে, এলাকায় উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বামী কার? এক স্বামীকে নিয়ে দুই বউয়ের টানাটানি আদালত চত্বরেই। আদালত চত্বরেই শাশুড়ি ও বউ মিলে গুণধর স্বামীর জামার কলার ধরে টানা টানাটানি করছে, কখনও আবার দুই বউ এর স্বামীকে নিয়ে টানাটানি।  এমন নাটকীয় ঘটনার সাক্ষী থাকল ঘাটাল (Ghatal) মহকুমা আদালত। আর এই ঘটনা দেখতে আদালত চত্বরে ভিড় জমে যায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘাটাল (Ghatal) মহকুমার চন্দ্রকোণার ছোটবালা গ্রামের প্রশান্ত কয়ারির সঙ্গে ২০১৯ সালে বিয়ে হয় দাসপুরের খেপুত উত্তরবাড়ের মৌসুমী চক্রবর্তীর। বিয়ের কয়েকমাস পরেই তাঁদের ডিভোর্স হয়ে যায়। ডিভোর্সের পর প্রশান্তবাবু আবার বিয়ে করে ঘাটাল থানার হরেকৃষ্ণপুরের বনানী হড়কে। এদিকে বনানী যখন ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা তখন প্রশান্ত মারধর করে বলে অভিযোগ তুলে তিনি বাপের বাড়ি চলে যান। সেখানে তাঁর একটি পুত্র সন্তানও হয়, এখন তার বয়স ৭ মাস। এদিকে ডিভোর্সের পর প্রশান্তর আগের স্ত্রী মৌসুমী চলতি বছরে গত ৭ জুন দাসপুরের সীতাপুরের যুবক প্রসেনজিৎ রায়কে বিয়ে করেন। বিয়ের কিছুদিন পর ২৩ জুন মৌসুমী বাপের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। এদিকে প্রসেনজিৎ এর অভিযোগ  মৌসুমী আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। এমনকী তার প্রাক্তন স্বামী প্রশান্তর কাছে সে চলে যায়। মৌসুমীকে ডিভোর্স দিয়ে দিতে তারা বলে। মঙ্গলবার সেই ডিভোর্সের আবেদনের জন্যই সবাই আদালতে উপস্থিত হয়। খবর পেয়ে প্রশান্তর স্ত্রী বনানী ও তাঁর মা আদালতে হাজির হন। সেখানেই ঘটে এই নাটকীয় ঘটনা। আদালতের ভিতর থেকেই বনানীর মা ও বনানী প্রশান্ত এবং তাঁর প্রাক্তন স্ত্রীকে টেনে নিয়ে গিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

    কী বললেন গুণধর স্বামী?

    প্রশান্তবাবু বলেন, মৌসুমী আমার প্রথম পক্ষের স্ত্রী। সে চলে যাওয়ার পর আমি দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছিলাম। তবে, মৌসুমী ফিরে আসার তাঁর সঙ্গে আমি ফের বিয়ে করি। ও ফের বিয়ে করেছিল তা জানতাম না। তাই, মৌসুমী এদিন ঘাটাল (Ghatal) আদালতে তার স্বামীকে ডিভোর্স দেওয়ার জন্য এসেছিল। আর বনানী এবং তার পরিবার ভাল না। ওর সঙ্গে থাকতে চাই না।

    স্বামীর বিরুদ্ধে কী বললেন বনানীদেবী?

    বনানীদেবী বলেন, আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। আমি ওর শাস্তি চাই। ওর সঙ্গে অভিযুক্ত মহিলারও আমি শাস্তি দাবি করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: পিংলায় ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুন! দোষীদের ফাঁসির সাজা ঘোষণা করল আদালত

    Paschim Medinipur: পিংলায় ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুন! দোষীদের ফাঁসির সাজা ঘোষণা করল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিংলা (Paschim Medinipur) থানা এলাকায় এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের দু’জনের ফাঁসি এবং একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করল মেদিনীপুর আদালত। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ৩ মে এক ২১ বছর বয়সী কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ করার পর, অন্তর্বাস গলায় জড়িয়ে তাঁকে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। ঘটনার দিনেই পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং দু’ বছর পর আজ আদালতে শাস্তি ঘোষণা হল।

    কীভাবে শাস্তি ঘোষণা হল (Paschim Medinipur)?

    ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে খুন করার অভিযোগে দু’জনকে ফাঁসি এবং এক মহিলাকে যাবজীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিলেন মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারপতি কুসুমিকা দে (মিত্র)। ধর্ষণ করে খুনের আসামীদের নাম হল, ঝাড়খণ্ডের পূর্ব সিংভূমের ছোটু মুন্ডা, পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদার বাসিন্দা বিকাশ মুর্মু (তখন বয়স ২৭), পিংলার তেমাথানির তপতী পাত্র। পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণের সাপেক্ষে মঙ্গলবার দোষীদের সাজা শোনানো হয় আদালতের তরফ থেকে।

    পরিবারের বক্তব্য

    দোষীদের শাস্তি ঘোষণা হওয়ায় এই রায়ে খুশি মৃতের পরিবার। পিংলায় (Paschim Medinipur) ধর্ষণকাণ্ডে মৃত তরুণীর বাবা চাষ করেন আর মা আশা কর্মী। তরুণীর মা বলেন, করোনা পরিস্থিতির সময় কলেজ বন্ধ থাকায় বাড়িতে অনলাইনে পড়াশুনা করত মেয়ে। ডেবরা মহাবিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিল আমার মেয়ে। মৃতের মা আরও জানান, মেয়েকে তো আর ফেরত পাব না। কিন্তু দোষীরা শাস্তি পেল, এতে কিছুটা খুশি।

    সরকারি আইনজীবীদের বক্তব্য

    সরকারি আইনজীবী (স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর) দেবাশিষ মাইতি বলেন, “২০২১ সালের পিংলা থানার ঘটনায় ২৭ জন সাক্ষ্য দেন। এই ঘটনায় দুজনের ফাঁসির নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এছাড়াও মামালায় অভিযুক্ত এক মহিলার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। ঘটনাটির দিনই পিংলা (Paschim Medinipur) থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। মূল অভিযোগ ছিল তরুণীকে গণধর্ষণের পর খুন করে দোষীরা” ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ED: শান্তনু ঘনিষ্ঠ অয়ন শীলকে আদালতে তুলে ইডি-র মুখে কৃষ্ণনাম কেন?

    ED: শান্তনু ঘনিষ্ঠ অয়ন শীলকে আদালতে তুলে ইডি-র মুখে কৃষ্ণনাম কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ সোমবার ভোরে শান্তনু ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী অয়ন শীলকে ইডি (ED) গ্রেপ্তার করেছে। ৩৭ ঘণ্টা ধরে তাঁকে জেরা করার পর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি (ED)  তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে এসেছে বলে দাবি ইডি-র তদন্তকারীদের। প্রচুর নথিও উদ্ধার করেছেন তাঁরা। শুধুমাত্র শিক্ষক নিয়োগ নয়, পুরসভা ও দমকলের নিয়োগেও দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। অভিযোগ, তাঁর কাছে থেকে হাজার হাজার প্রার্থীর তথ্য মিলেছে। চাকরি দেওয়ার নামে অয়ন ৫০ কোটি টাকা তুলেছেন বলেও অভিযোগ । সোমবারই তাঁকে পেশ করা হয়েছে আদালতে। কেন্দ্রীয় সংস্থার মতে, দুর্নীতি এত চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে যে একমাত্র শ্রীকৃষ্ণই বাঁচাতে পারে বাংলাকে। কেন্দ্রীয় এজেন্সির আরও দাবি, এখনও পর্যন্ত যা তথ্য তারা অয়নের অফিস ও বাড়ি থেকে পেয়েছে তার ভিত্তিতে এই দাবি করা হচ্ছে। কিন্তু, এর বাইরেও বিপুল পরিমাণ দুর্নীতি হয়েছে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় এজেন্সির গোয়েন্দারা। শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের মোবাইলে এত তথ্য মিলেছিল, যাকে সোনার খনি বলে উল্লেখ করেছিল ইডি। এবার অয়ন শীলকে আদালতে পেশ করার পর ইডির (ED)  বক্তব্য, আমরা সোনার খনির খোঁজ পেয়েছি। এখনও পর্যন্ত যা জানা গিয়েছে, তাতে এই ব্যক্তির হাত গোটা রাজ্য জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, এই ব্যক্তির কোম্পানি ওএমআর শিট ছাপানোর দায়িত্বে ছিল। পুরসভার পরীক্ষায় প্রভাব খাটানো হত প্রভাবশালীদের দিয়ে, এমনটাও অভিযোগ কেন্দ্রীয় সংস্থার। ইডির (ED)  তরফে বলা হয়েছে, এই দুর্নীতি এতটা নীচে নেমেছে যে মজদুর ও টাইপিস্ট পদেও দুর্নীতি হয়েছে। রাজ্যের ৬০ টির বেশি পুরসভার নিয়োগে অয়নের ক্ষমতা ছিল বলেও জানতে পেরেছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। শুধু প্রাইমারি, আপার প্রাইমারি, গ্রুপ ডি নয়, রাজ্যু জুড়ে দুর্নীতির জাল ছড়িয়ে আছে বলে অভিযোগ।

    এদিন আদালতে কী বলেছে ইডি ? ED

     এটা শুধু এসএসসি বা টেটে নিয়োগের দুর্নীতির বিষয় নয়। এই দুর্নীতি রাজ্য সরকারের সব দপ্তরে হয়েছে। এ ব্যাপারে একটি পরিসংখ্যান খোলা আদালতেই বলে ইডি। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, রাজ্যের ৬০টি পুরসভায় অন্তত পাঁচ হাজার বেআইনি নিয়োগ হয়েছে। যার জন্য ৫০ কোটি টাকা তুলেছিলেন এই অয়ন শীল। ইডি এও বলেছে, সবটা এখানে বলা যাচ্ছে না। কেস ডায়েরিতে সবটা রয়েছে। বিচারকের উদ্দেশে ইডি-র আইনজীবী বলেন, সবটা দেখলে আপনি শিউরে উঠবেন। এদিন কেন্দ্রীয় এজেন্সির মুখে কৃষ্ণনামও শোনা গিয়েছে। আদালত কক্ষে ইডি বলে, মহাভারতে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের সময় যেমন অর্জুনকে পথ দেখিয়েছিলেন ভগবান কৃষ্ণ, তেমন এখানেও শ্রীকৃষ্ণ ছাড়া কেউ পথ দেখাতে পারবেন না। এর আগে শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের মোবাইল ফোনকে সোনার খনি বলেছিল ইডি। এদিন সেই প্রসঙ্গ টেনেই কেন্দ্রীয় এজেন্সি বলে, সেই ফোন থেকেই শান্তনু ও অয়নের চ্যাটের সন্ধান পান গোয়েন্দারা। কিন্তু, কেন্দ্রীয় এজেন্সির তরফে এও জানানো হয়, সেই খনি থেকে দুর্নীতি যোগের মাত্র ১০ শতাংশ খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। ৯০ শতাংশ এখনও বাকি।

    কী বলেছেন অয়নের আইনজীবী?

    অয়নের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, একজন অভিযুক্তের কথায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁক মক্কেলকে, কোনও টাকা উদ্ধার হয়নি। আর নিয়োগ প্রক্রিয়ার জন্য পুরসভা অনুমতি দিয়েছিল, সরকার অনুমোদিত কোম্পানি দ্বারা নিয়োগ করা হত।  ইডি-র (ED)  পাল্টা প্রশ্ন, স্যর ওঁদের জিজ্ঞেস করুন ওএমআর শিটে দাগ দেওয়ার অনুমতি ছিল? সরকারের ওপর থেকে নীচ পর্যন্ত দুর্নীতিতে ভরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Scam: দুর্নীতিকাণ্ডে আদালতের নির্দেশে চাকরি হারিয়ে তৃণমূলের জেলা পরিষদের সদস্যা আবার কী পদক্ষেপ নিচ্ছেন?

    Scam: দুর্নীতিকাণ্ডে আদালতের নির্দেশে চাকরি হারিয়ে তৃণমূলের জেলা পরিষদের সদস্যা আবার কী পদক্ষেপ নিচ্ছেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ শিক্ষক দুর্নীতিকাণ্ডে (Scam) জেরবার তৃণমূল। আদালতের নির্দেশে গ্রুপ সি-র যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে তাতে একাধিক তৃণমূলের নেতা কর্মী পরিবারের লোকজন বা তাঁর ঘনিষ্ঠদের নাম সামনে এসেছে। খোদ মুখ্যমন্ত্রীর ভাইঝিও আদালতের নির্দেশে চাকরি হারিয়েছেন। একইসঙ্গে হুগলি জেলা পরিষদের তৃণমূলের সদস্যা টুম্পা মেটে (বাকুলি) চাকরিও বাতিল হয়ে গিয়েছে। তাঁর বাড়ি রিষড়ার বামুনারি এলাকায়। ২০১৮ সালে শ্রীরামপুর নেতাজি বয়েজ স্কুলে তিনি চাকরি পান। পাঁচ বছর সেখানে ক্লার্ক হিসাবে তিনি চাকরি করেছেন। হাইকোর্টের নির্দেশে ৮৪২ জন গ্রুপ সির চাকরি বাতিল হয়।সেই তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে। এই বিষয়ে তিনি বলেন, ২০১৬ সালে আমি পরীক্ষা দিই।তারপর কয়েকটি পরীক্ষা দিয়ে চাকরিতে যোগ দিই। মিডিয়ার মাধ্যমে দেখছি, এই চাকরিতে অনেক টাকা পয়সার লেনদেন হয়েছে।আমি টাকা লেনদেনে যুক্ত নই। এটা সিবিআই, ইডি জিজ্ঞাসা করলেও বলব। চাকরির জন্য কাউকে এক টাকা ঘুষ (Scam)   দিইনি। এমনকি মিষ্টির প্যাকেট পর্যন্ত কাউকে দিতে হয়নি। তাহলে কী করে আমার চাকরি গেল তা আমি বুঝতে পারছি না। বিরোধীরা এটা নিয়ে হয়ত আমাকে, আমার দলকে কালিমালিপ্ত করতে চাইবে। আমি এর বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হব। কারণ, এটা আমি মেনে নিতে পারছি না।

    স্ত্রীর চাকরি চলে যাওয়া নিয়ে কী বললেন টুম্পা মেটের স্বামী? Scam

    টুম্পার স্বামীর নাম মৃত্যুঞ্জয় মেটে। তিনিও স্থানীয় তৃণমূল নেতা। বর্তমানে রিষড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। স্ত্রীর চাকরি যাওয়া প্রসঙ্গে মৃত্যুঞ্জয়বাবু বলেন,চাকরির প্রয়োজন আমাদের মত মধ্যবিত্ত পরিবারের সকলের আছে।কিন্তু স্ত্রীর চাকরির জন্য কাউকে কোনও টাকা দিইনি।এস এস সি পরীক্ষা দিয়ে চাকরি পেয়েছিল আমার স্ত্রী। ও এম আর শিটে কিছু হয়ে থাকলে সেটা মধ্য শিক্ষা পর্ষদ বলতে পারবে।আমাদের জানা নেই।আমরা দুজনেই তৃণমূল করি। তাই, স্ত্রীর এভাবে চাকরি চলে যাওয়ায়  সামাজিক সম্মান নষ্ট হয়েছে। পাঁচ বছর ওই স্কুলে চাকরি করল, তারপর কি করে কি হল আমার মাথায় কিছু ঢুকছে না। টুম্পা পরাশোনায় খুব ভালো ছিল আমি নিজে ওকে পড়াতাম। এখন এই বিষয়টি নিয়ে বিরোধীরা অপপ্রচার করবে।

    বিজেপি  শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি মোহন আদক বলেন, যে ভাবে গোটা রাজ্যে শিক্ষায় দুর্নীতি (Scam)  হয়েছে তা তৃণমূল অস্বীকার করতে পারবে না।হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছে, সেটা যুক্তি সংগত এবং গুরুত্বপূর্ণ।টুম্পা মেটে যতই অস্বীকার করুন আদালত বিবেচনা করেই এই রায় দিয়েছে। এটা প্রমাণিত হয়ে গেল,তৃণমূল আর দুর্নীতি (Scam) সমার্থক।।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: মিথ্যা মামলা দিয়েও মিলল না কোনও তথ্য-প্রমাণ, বেকসুর খালাস বিজেপি নেতা

    Dakshin Dinajpur: মিথ্যা মামলা দিয়েও মিলল না কোনও তথ্য-প্রমাণ, বেকসুর খালাস বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তথ্য প্রামাণ না থাকায় নাবালিকা ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্যকে বেকসুর প্রমাণ করল বালুরঘাট (Dakshin Dinajpur) জেলা আদালত। মিথ্যা মামলা দিয়েও বিজেপি কর্মীকে অভিযুক্ত করতে পারল না তৃণমূল। ফের আরেকবার মুখ পুড়ল তৃণমূলের। ওই বিজেপি নেতাকে সংবর্ধনা দিল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি। বিজেপি নেতা বেকসুর খালাস হতেই তীব্র আক্রমণ করল তৃণমূলকে। বিজেপির দাবি, “বিজেপি কর্মী শান্তুনু চৌধুরী দুইবারের জয়ী পঞ্চায়েত সদস্য তথা বটুন গ্রামপঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতা। তাই তৃণমূল তাঁকে মিথ্যে ধর্ষণের মামলায় ফাঁসিয়েছিল।” অবশ্য তৃণমূলের দাবি, এই মামলায় তৃণমূলের কোনও হাত ছিল না।

    সরকারি আইনজীবীর বক্তব্য (Dakshin Dinajpur)

    গত বছরের অক্টোবর মাসের ওই মামলায় জেল হেফাজতেও ছিলেন ওই বিজেপি নেতা। যা নিয়ে জেলার রাজনীতিতে শোরগোল পড়েছিল। তৃণমূলের তরফেও লাগাতার বিক্ষোভ কর্মসূচি চলছিলই। সেই মামলায় বৃহস্পতিবার রায় দিয়েছে আদালত। আর এই রায়কে ঘিরেই নতুন করে শোরগোল পড়েছে জেলায় (Dakshin Dinajpur)৷ এবিষয়ে বালুরঘাট জেলা আদালতের সরকারি আইনজীবী ঋতব্রত চক্রবর্তী বলেন, “এই মামলায় তথ্য প্রমাণ না থাকায় আদালত অভিযুক্তকে বেকসুর খালাসের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।”

    বিজেপি নেতার আইনজীবীর বক্তব্য

    বিজেপি নেতার আইনজীবী সুদীপ রায় চৌধুরী বলেন, “আমার মক্কেলকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল। পরবর্তীতে আদালতে (Dakshin Dinajpur) কোনও তথ্য প্রমাণ দিতে পারেনি। ফলে এই মামলায় আমার মক্কেলকে বেকসুর খালাস করল আদালত।”

    বিজেপি নেতার বক্তব্য

    এবিষয়ে ওই বিজেপি নেতা শান্তুনু চৌধুরী বলেন, “আমি বটুনের ২ বারের জয়ী পঞ্চায়েত (Dakshin Dinajpur) সদস্য। তাই বটুন অঞ্চলের তৃণমূল নেতৃত্ব এক নাবালিকাকে দিয়ে আমার নামে মিথ্যে মামলায় ফাঁসিয়েছিল। আজ আমি বেকসুর খালাস হয়েছি। খুব ভালো লাগছে।” এবিষয়ে জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, “তৃণমূল সব জায়গাতেই আমাদের দলীয় নেতৃত্বদের এভাবেই মিথ্যে মামলায় ফাঁসায়।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ঘটনায় তৃণমূলের জেলা (Dakshin Dinajpur) সহ সভাপতি সুভাষ চাকী বলেন, “বিচার ব্যবস্থার প্রতি দলের আস্থা রয়েছে। সঠিক বিচার হয়েছে বলেই মনে করছি। তবে এখানে তৃণমূলের কখনও হাত ছিল না। বিচার বিচারের মতই চলবে।”

    ঘটনা কী ঘটেছিল?

    প্রসঙ্গত, গত বছরের অক্টোবর মাসে কুমারগঞ্জের (Dakshin Dinajpur) বটুন গ্রামপঞ্চায়েতের কেশবপুর গ্রামের এক আদিবাসী নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের হয়েছিল পতিরাম থানায়। সেই অভিযোগ পেয়ে পতিরাম থানার পুলিস অভিযুক্ত বিজেপি নেতাকে গ্রেপ্তার করে। সেই ঘটনায় প্রথমে থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূলের আদিবাসী সংগঠন। পরে পতিরামেও বিক্ষোভ সমাবেশ হয়। সেই ঘটনাকে হাতিয়ার করে নানা জায়গায় প্রচার চালায় তৃণমূল। সেই মামলায় রায় বেরতেই ফের আলোড়ন পড়েছে জেলার রাজনীতিতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: প্রায় দেড় কোটি টাকার বিনিময়ে বিক্রি ২৬টি চাকরি! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিস্ফোরক ইডি

    SSC Scam: প্রায় দেড় কোটি টাকার বিনিময়ে বিক্রি ২৬টি চাকরি! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিস্ফোরক ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) কাণ্ডেও কালো টাকা সাদা করার জন্য দিন মজুরদের ভুল বুঝিয়ে চেকে সই করানো হতো। নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে ধৃত হুগলির যুব তৃণমূল নেতা (এখন বহিষ্কৃত) শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামলায় আদালতে বিস্ফোরক দাবি করল ইডি। আদালতে ইডির আইনজীবীরা বলেছেন, একটি ২৬ জনের তালিকা তাঁদের হাতে এসেছে। এই ২৬ জনকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল। তার বিনিময়ে এক কোটি ৪০ লক্ষ টাকা তুলেছিলেন শান্তনু। ইডির দাবি, হুগলির আরামবাগ পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সভাপতি গুণধর খাঁড়ার কাছ থেকেই চাকরি বিক্রি করতে ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা নেন শান্তনু। ২৬ জন প্রার্থীর জন্য গুণধর ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা শান্তনুকে দিয়েছিলেন বলে ইডির তদন্তে উঠে এসেছে। বৃহস্পতিবার নথি নিয়ে ইডি দফতরে আবার গুণধরকে তলব করা হয়।

    ইডির দফতরে গুণধর

    ইডি সূত্রে খবর, প্রায় দেড় কোটি টাকা নিয়েও শান্তনু চাকরি করে দেননি বলে গুণধরের অভিযোগ। শান্তনু গ্রেফতার হওয়ার আগে থেকেই নাকি গুণধরের দেওয়া তালিকায় অনেকের চাকরি না হওয়ার বিষয়ে শান্তনুর সঙ্গে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন গুণধর। কিন্তু তাতেও কোনও সুরাহা হয়নি বলে অভিযোগ গুণধরের। যদিও শান্তনু টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন এবং তাঁকে ফাঁসানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন। ইডির এই দাবি নিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, ‘এবার ভাবুন, শান্তনু যদি এক কোটি ৪০ লক্ষ টাকা পান তাহলে ওর প্রভুদের কাছে কত টাকা গিয়েছে!’

    আরও পড়ুুন: এবার শুভেন্দুর দুটি মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি মান্থা

    গুণধর প্রাইমারিতে চাকরির জন্য ৭ জন এবং আপার প্রাইমারিতে ১৯ জন প্রার্থীর জন্য শান্তনুকে টাকা দিয়েছিলেন বলে ইডি সূত্রে খবর। একটি সূত্রের দাবি, গুণধর তাঁর আত্মীয় এবং ঘনিষ্ঠ কয়েক জনের চাকরির জন্য শান্তনুকে টাকা দিয়েছিলেন। পরে কলকাতা হাই কোর্ট ২৬৯ জনের নিয়োগ বাতিলের যে নির্দেশ দেন, তাতে গুণধরের দুই মেয়ের নাম রয়েছে বলেও শোনা যায়। 

    দিনমজুরের অ্যাকাউন্টে টাকা

    ইডির তরফে বলা হয়, “৩০০ জনের থেকে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়েছেন শান্তনু। এর বাইরে আরও ২৬ জন চাকরিপ্রার্থীর তালিকা হাতে এসেছে গত। এদের প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার জন্য বহিষ্কৃত যুব তৃণমূল নেতা প্রায় ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা আদায় করেছেন। এবং সেই কালো টাকা সাদা করার জন্য একটি নির্মাণ সংস্থার অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করার পাশাপাশি এলাকার বেশ কিছু দিনমজুরদের অ্যাকাউন্টকেও কাজে লাগিয়েছেন শান্তনু।”এমনকী, প্রয়োজনে যাতে টাকা তুলতে পারেন সেজন্য দিন মজুরদের দিয়ে আগাম চেকবুকে সই করিয়ে নেওয়াও হয়েছিল। এধরনের অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে ব্যাঙ্ক কর্মীদের হাত রয়েছে কি না তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Scam: একজনের রোল নম্বরে অন্যকে চাকরি! শুনে কী নির্দেশ দিলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু?

    Scam: একজনের রোল নম্বরে অন্যকে চাকরি! শুনে কী নির্দেশ দিলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ নিয়োগ দুর্নীতিতে (Scam) জেরবার রাজ্য সরকার। আদালতের নির্দেশে একের পর এক শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরি চলে গিয়েছে। এরইমধ্যে নিয়োগ দুর্নীতিতে (Scam)  বড়সড় অনিয়ম সামনে এসেছে। কাউন্সেলিং ছাড়াই নবম-দশমে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। আর সেটা অন্যজনের রোল নম্বর ব্যবহার করেই কাউন্সেলিং ছাড়াই একজন বহাল তবিয়তে ইংরেজি শিক্ষক পদে চাকরি করছেন। জানা গিয়েছে, ১২২১১৬৭৬০০০০০৩-এই রোল নম্বরটি সালমা সুলাতানার। তাঁর বাড়ি বোলপুর। তাঁকে কাউন্সেলিংয়ে কখনও ডাকা হয়নি। অথচ তাঁর এই রোল নম্বরেই অন্য একজনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে।  এসএসসি-র এই নিয়োগ দুর্নীতির (Scam) বিষয়টি সামনে আসতেই খোদ হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু হতবাক হয়ে গিয়েছেন। এই ঘটনার প্রকৃত তথ্য জানতে এসএসসি এবং মধ্য শিক্ষা পর্ষদের কাছে তিনি রিপোর্ট তলব করেছেন। প্রশ্ন উঠেছে, একজনের রোল নম্বরে অন্যজনকে কী করে নিয়োগপত্র দেওয়া হল। ফলে, এর পিছনে বড়সড় চক্র কাজ করেছে। আর এই রোল নম্বর কারচুপি করে নিয়োগপত্র কাকে দেওয়া হয়েছে তা নিয়ে এখন চর্চা শুরু হয়েছে।

    নিজের রোল নম্বর চুরি হওয়া প্রসঙ্গে কী বললেন  সালমা সুলতানা? Scam

    সালমা সুলতানা শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য ২০১৬ সালে পরীক্ষা দিয়েছিলেন। তাঁর পরীক্ষার যে রেজাল্ট প্রকাশিত হয়েছিল, তাতে তাঁর অ্যাকাডেমিক নম্বর ছিল ৩৩। আর লিখিত পরীক্ষায় ওএমআর শিটের নম্বর ছিল ৪৯। ২০১৮ সালে তাঁকে ইন্টারভিউয়ে ডাকা হয়। তারপর তাঁর নাম ওয়েটিং লিস্টে ছিল। কাউন্সেলিংয়ে তাঁকে আর ডাকা হয়নি। পরবর্তীতে আদালত এসএসসি-র কাছে ওএমআর শিট চেয়েছিল। তাতে দেখা যায় তাঁর নম্বর ৪৮। চাকরি না পেয়ে কলকাতায় এসএলএসটি-র যে আন্দোলন চলছে সেই আন্দোলনে তিনি যোগ দেন। সালমা সুলতানা বলেন, কাউন্সেলিংয়ে আমাকে ডাকা হয়নি। তারজন্য আক্ষেপ নেই। কিন্তু, কিছুদিন আগেই জানতে পারি আমার রোল নম্বরে অন্যজন চাকরি করছে। তাঁকে তো কাউন্সেলিংয়ে ডাকা হয়েছে? না হলে সে কী করে চাকরি পেল। আর ওই রোল নম্বর ধরে দপ্তর থেকে ডাকা হলে আমি জানতে পারব। তাহলে বোঝাই যাচ্ছে, কোনও কাউন্সেলিং না করেই নিজের মনের মতো কাউকে চাকরি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ আমি বিষয়টি জানতে পারিনি। আমাকে অন্ধকারে রেখে আমার রোল নম্বর ব্যবহার করে বহাল তবিয়তে একজন শিক্ষকতা করছেন এটা হতে পারে না। এই দুর্নীতির (Scam)  বিরুদ্ধেই আমি সরব হয়েছি। সঠিক বিচার পাওয়ার আশায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। বিচার ব্যবস্থার উপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share