Tag: court

court

  • Naushad Siddique: নওশাদ সিদ্দিকি মামলায় বিচারপতি দেবাংশু বসাকের প্রশ্নবাণে বিদ্ধ রাজ্য

    Naushad Siddique: নওশাদ সিদ্দিকি মামলায় বিচারপতি দেবাংশু বসাকের প্রশ্নবাণে বিদ্ধ রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএসএফ (ISF) বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি (Naushad Siddique) মামলায় বিচারপতি দেবাংশু বসাকের প্রশ্নবাণে বিদ্ধ রাজ্য সরকার (West Bengal Govt)। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে জেলে রয়েছেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ। তাঁর নির্দেশেই পুলিশকে মারধর করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) শুনানিতে তাই, নওশাদের বক্তব্যের ভিডিয়ো শুনলেন বিচারপতি দেবাংশু বসাক। তারপরই তিনি রাজ্যকে প্রশ্ন করেন, ‘৬৫ জন মামলাকারি আছেন, ঘটনায় প্রত্যেকের ভূমিকা প্রমাণ করতে পারবেন তো? সবাই গন্ডগোলের সঙ্গে যুক্ত আছে জানলেন কি করে ? যে বক্তব্যগুলি পেশ হয়েছে, তার যৌক্তিকতা কোথায় দাঁড়িয়ে ?’

    নওশাদ-মামলায় রাজ্যকে প্রশ্ন আদালতের

    বুধবার শুনানি চলাকালীন এজলাসে বসেই ল্যাপটপে সিদ্দিকির (Naushad Siddique) ভাষণের ভিডিও দেখেন তিনি। এরপরই বিচারপতি বসাকের প্রশ্ন, “পুলিশকে মারতে বলছে সেই প্রমাণ কোথায়?” গত ২১ জানুয়ারি ভাঙড়ের অশান্তির জের পৌঁছয় ধর্মতলায়। আইএসএফের কর্মী-সমর্থকেরা পথ অবরোধ শুরু করলে তাঁদের সরাতে যায় পুলিশ। তখনই পুলিশের সঙ্গে নওশাদ (Naushad Siddique) শিবিরের কার্যত খণ্ডযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা ধর্মতলা চত্বর। সেদিনই গ্রেফতার করা হয় নওশাদ-সহ ১৮ আইএসএফ কর্মী-সমর্থককে। আপাতত জেলেই রয়েছেন তিনি জামিনের আবেদন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আইএসএফের বিধায়ক।

    আরও পড়ুন: ‘সব ক্রিয়ারই বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে’, উদয়নকে মনে করালেন সুকান্ত 

    নওশাদের আইনজীবীকেও প্রশ্ন বিচারপতির

    এদিন বিচারপতি দেবাংশু বসাক রাজ্যের কাছে জানতে চান, ‘কোনও ব্যক্তি হয়ত পাশ থেকে হেঁটে যাচ্ছিলেন, সেই সময় গণ্ডগোল শুরু হয়েছে। তিনি হয়ত পাশে দাঁড়িয়েছিল। তাঁর এই গণ্ডগোলে কী ভূমিকা থাকতে পারে?’একই সঙ্গে নওশাদের (Naushad Siddique) আইনজীবীকে বিচারপতি প্রশ্ন করেন, যদি রাজ্য দেখায় যে নওশাদ সিদ্দিকির উস্কানিমূলক বক্তব্যের ফলে এই ঘটনা ঘটেছে, তাহলে? মামলাকারীর আইনজীবীর দাবি, এই ধরনের কোনও প্রমাণ পুলিশ দেখাতে পারবে না। এই প্রশাসনের ওপর কোনও ভরসা নেই বলে দাবি করে নওশাদের আইনজীবী বলেন, ‘পুলিশকে মারতে বলা হয়েছে এমন কোনও প্রমাণ নেই। এই ধরনের কোনও আক্রমণের নির্দেশ দেওয়া হয়নি।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gyanvapi row: জ্ঞানবাপীকাণ্ডে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ জমিয়ত-উলেমা-ই-হিন্দ

    Gyanvapi row: জ্ঞানবাপীকাণ্ডে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ জমিয়ত-উলেমা-ই-হিন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপীকাণ্ডে (Gyanvapi mosque case) এবার সুপ্রিম কোর্টের (supreme court) দ্বারস্থ হল জমিয়ত-উলেমা-ই-হিন্দ (jamiat-ulama-i-hind)। তাদের দাবি, ঐতিহাসিক ভুলকে আদালতে ঠিক করা যায় না। ১৯৯১ সালের উপাসনাস্থল আইনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় মসজিদ কমিটির তরফে পার্টি হল জমিয়ত।

    আরও পড়ুন :জ্ঞানবাপী মামলায় বাদী-বিবাদী দুপক্ষের হাতিয়ার ৮০ বছরের পুরনো মামলার রায়!

    বারাণসীর বিশ্বনাথ মন্দির ভেঙে জ্ঞানবাপী মসজিদ তৈরি হয়েছে বলে হিন্দুত্ববাদী একাধিক সংগঠনের দাবি। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের নির্দেশে ভাঙা হয়েছে মন্দির। মসজিদের পশ্চিম দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি খোদাই করা রয়েছে বলেও দাবি হিন্দুদের একাংশের। তাঁদের দাবি, এই এলাকায় পুজো হত শৃঙ্গার গৌরীর।

    এমতাবস্থায় পাঁচ মহিলা ওই এলাকায় উপাসনা করতে দেওয়ার দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়। এর পরেই মসজিদ চত্বরে ভিডিওগ্রাফির নির্দেশ দেয় আদালত। ভিডিওগ্রাফির ফুটেজ ফাঁস হয়ে যায় বলে দাবি স্থানীয় কয়েকজনের। সেই ফুটেজ থেকে জানা যায়, মসজিদের ওজুখানার জলাধারে রয়েছে শিবলিঙ্গ।

    হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, এই শিবলিঙ্গ পুজোর অধিকার দিতে হবে তাঁদের। এর পরেই আদালেতর নির্দেশে সিল করে দেওয়া হয় ওজুখানার জলাধার। যদিও মসজিদে প্রতিদিন পাঁচবার নমাজ পাঠেরও অনুমতি দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন : “মামলা খারিজ করা হোক”, আদালতে আরজি জ্ঞানবাপী মসজিদ কমিটির

    ১৯৯১ সালে উপাসনাস্থল আইন (Places of Worship Act, 1991) আনে নরসিমহা রাওয়ের সরকার। ওই আইন অনুযায়ী, ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার আগে যে ধর্মীয় স্থানের চরিত্র যেমন ছিল, তেমনই থাকবে। সম্প্রতি, এই আইনের সাংবিধানিরক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন অশ্বিনী উপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি। তাঁর দাবি, মুঘল আমলে যেসব মন্দির মসজিদে পরিণত হয়েছিল, তাদের ফের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে হবে।

    এর প্রেক্ষিতেই আইনজীবী ইজাজ মকবুলের মাধ্যমে জমিয়ত জানিয়ে দেয়, ঐতিহাসিক ভুলের সমাধান আদালতে হতে পারে না। এ ব্যাপারে অযোধ্যা মামলার রায়ের উল্লেখ করেছে জমিয়ত। ওই রায়ে বলা হয়েছিল, ইতিহাসে ঘটে যাওয়া বিষয়বস্তু বা ঘটনাবলির সঙ্গে সহমত না হওয়া কোনও ব্যক্তিকে আইনি প্রতিকার দেওয়া বা অতীতে ফিরে যাওয়ার মাধ্যম হতে পারে না আদালত।

     

LinkedIn
Share