Tag: Covid 19 in China

Covid 19 in China

  • Covid in China: করোনায় মৃত্যু মিছিল! চিনে ৩৫ দিনে কোভিডে মৃতের সংখ্যা প্রায় ৬০ হাজার

    Covid in China: করোনায় মৃত্যু মিছিল! চিনে ৩৫ দিনে কোভিডে মৃতের সংখ্যা প্রায় ৬০ হাজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার দাপট যখন ভারত সহ গোটা বিশ্বে কমে গিয়েছে, তখনই চিনে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা রীতিমতো ভয় ধরাচ্ছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, মাত্র ৩৫ দিনে চিনে করোনায় মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৬০ হাজার মানুষের। সম্প্রতি এমনই চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ করেছে চিন সরকার। শনিবার বেজিংয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানিয়েছেন চিনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের (NHC) একজন কর্মকর্তা।

    এক মাসে চিনে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ৬০ হাজার!

    করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘বিএফ.৭’ সংক্রমণের দাপাদাপি চিন জুড়ে। সেই আবহে শনিবার করোনায় মৃত্যুর পরিসংখ্যান প্রকাশ করল শি জিনপিংয়ের সরকার। শনিবার ব্যুরো অফ মেডিক্যাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রধান জিয়াও ইয়াহুই জানিয়েছেন, গত বছরের ৮ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত চিনে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৫৯ হাজার ৯৩৮ জনের। এদের মধ্যে শ্বাসকষ্টজনিত কারণে ৫ হাজার ৫০৩ জন মারা গিয়েছেন। কোভিড ও অন্যান্য অসুস্থতার কারণে মারা গিয়েছেন ৫৪ হাজার ৪৫৩ জন। তবে, এই হিসেবের মধ্যে নেই বাড়িতে মৃত্যু হওয়া লোকজনের সংখ্যা। এই পরিসংখ্যান কেবল স্বাস্থ্য দফতরের নথিভুক্ত পরিসংখ্যান। সুতরাং ৩৫ দিনে চিনে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

    আরও পড়ুন: বেজিংয়ের মিথ্যা ফাঁস! উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়ল চিনের বেলাগাম করোনা পরিস্থিতি

    এর পাশাপাশি দাবি করা হয়েছে যে, মৃত রোগীদের ৯০%ই ৬৫ বয়স বা তার বেশি। শনিবার চিনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যারা মারা গেছেন তাদের গড় বয়স ৮০.৩ বছর, যার ৯০ শতাংশের বেশি মৃত্যু হয়েছে ৬৫ বছরের বেশি বয়সী।

    কোভিডের প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ঢেউয়ের ধাক্কা সামলে ভ্যাকসিন নিয়ে ধীরে ধীরে গোটা বিশ্বে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এলেও গত বছরের শেষে পুনরায় করোনাভাইরাসে জেরবার হয়ে পড়ে চিন। সংক্রমণ মোকাবিলায় প্রথমবারের মত ‘জিরো কোভিড পলিসি’ চালু করে শি জিনপিংয়ের সরকার। কিন্তু দেশের নাগরিকদের একাংশ সেই নীতির তীব্র বিরোধিতা করে। ফলে ওই নীতি প্রত্যাহার করে নেয় বেজিং। আর যার জেরে ফের চিনে মারাত্মক আকার নেয় কোভিড মহামারী। তবে চিন থেকে যে তথ্য বেরিয়েছে, তার পর থেকেই উদ্বেগ বেড়েছে বিশ্বে।

  • China: সামনেই চিনা নববর্ষ, করোনার মধ্যেই ভ্রমণ সংক্রান্ত একাধিক বিধিনিষেধ তুলে নিল জিনপিং সরকার

    China: সামনেই চিনা নববর্ষ, করোনার মধ্যেই ভ্রমণ সংক্রান্ত একাধিক বিধিনিষেধ তুলে নিল জিনপিং সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভ্যন্তরীণ বা বিদেশফেরত ভ্রমণকারীদের জন্য কোয়ারেন্টিন তুলে নিল চিন। আজ, রবিবার থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে সেদেশে। আবার কোভিড অতিমারি শুরুর পর থেকেই আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য চিনের দরজা বন্ধ রেখেছিল জিনপিং সরকার। এর পর বিদেশ থেকে চিনে যাওয়া ব্যক্তিদের গেলে কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশও দিয়েছিল। কিন্তু এবারে কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা তুলে নিল চিন। সামনেই চিনা নববর্ষের সূচনা উৎসব। প্রায় তিন বছর পর সেই উৎসব হবে চিনে। তার আগে পর্যটকদের জন্য বন্ধ দরজাও খুলল চিন। ২০২০ সালের পর এইবার প্রথম কোনও বিধিনিষেধ ছাড়াই দেশের অভ্যন্তরে যেকোনও জায়গায় সফর করতে পারবেন নাগরিকরা।

    করোনা বিধিনিষেধ তুলে নিল চিন

    চিনে যখন কোভিডের বাড়বাড়ন্ত, তখনই এমন সিদ্ধান্ত নিল চিন সরকার। চিনে নতুন করে করোনার দাপট দেখা গেলে জিরো কোভিড নীতি চালু করা হয়েছিল। জিরো কোভিড নীতিতে বাধ্যতামূলক ছিল কোয়ারান্টিন এবং লকডাউন। কিন্তু চিনের নাগরিকদের বিক্ষোভের পর গত ডিসেম্বরে জিরো কোভিড নীতি বাতিলের ঘোষণা করে চিন। এই নীতির বিরুদ্ধে চিনের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ শুরু হয়। তারপরই কঠোর বিধিনিষেধ শিথিল করে চিন। ফলে চিনের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, চিনে আগত অভ্যন্তরীণ যাত্রীদের জন্য কোয়ারেন্টিন তুলে দেওয়া হচ্ছে। কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে বাড়িতেই থাকতে পারবেন। কোয়ারেন্টিন সেন্টারে যেতে হবে না। যদিও, কঠোর নীতি শিথিল করার পরই চিনে কোভিডের বাড়বাড়ন্ত দেখা দিয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২০ সালের মার্চ থেকে, চিনে আগত সকল ব্যক্তিকে কেন্দ্র সরকারের ব্যবস্থাপনায় কোয়ারেন্টিনে থাকতে বাধ্য করা হত। এবার সেই নিয়ম উঠে যাচ্ছে ।

    আরও পড়ুন: করোনার প্রকৃত তথ্য প্রকাশ না করায় এবার চিনের সমালোচনা করল হু-ও

    আগামী ৪০ দিনে ২ বিলিয়ন লোকের যাতায়াত চিনে!

    আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে যাবে চিনা নববর্ষের ছুটি। চিনের বড় উৎসব এই নববর্ষ। ফলে তার আগেই ভ্রমণ সংক্রান্ত একাধিক বিধিনেষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে। এমনকী বিদেশ ভ্রমণের জন্য পাসপোর্ট তৈরি ও ভিসা দেওয়ার জন্য ৮ জানুয়ারি থেকে আবেদন করা যাবে বলে জানা গিয়েছে। এর আগে করোনার কারণে দেশের অভ্যন্তরেই একাধিক জায়গায় সফরে একাধিক নিষেধাজ্ঞা বহাল ছিল। ২০২০ সাল থেকেই সেই নিষেধাজ্ঞা ছিল। এই প্রথম সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, আগামী ৪০ দিনে প্রায় ২ বিলিয়নের বেশি মানুষ চিনের বিভিন্ন প্রান্তে সফর করবেন। তবে চিনে সমস্ত রকমের বিধিনিষেধ তুলে দেওয়ার ফলে পরবর্তীতে বিশ্বব্যাপী এর প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

  • Covid 19 in China: চতুর্দিকে লাশের পাহাড়, চিনের দাবি করোনায় মৃত্যু হয়নি কারও!

    Covid 19 in China: চতুর্দিকে লাশের পাহাড়, চিনের দাবি করোনায় মৃত্যু হয়নি কারও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের প্রকাশ্যে চিনের দ্বিচারিতা! মারণ ভাইরাস (Covid 19 in China) করোনার কবলে পড়ে প্রাণ হারাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। শ্মশানঘাটগুলি উপচে পড়ছে লাশের স্তূপে। তার পরেও শি জিনপিংয়ের দেশের দাবি, চিনে নতুন করে কারও মৃত্যু হয়নি করোনা সংক্রমিত হয়ে। চিন সরকার জানিয়েছে, প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনার (Corona) সংক্রমণের কারণে কেবলমাত্র যাঁরা শ্বাসকষ্টে মারা যাচ্ছেন, তাঁদেরই করোনায় মৃত্যু হয়েছে বলে ধরা হবে। নচেৎ নয়। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এভাবে চিন (China) শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে চাইছে। তাদের মতে, চিন সরকারের ওই বক্তব্যেই স্পষ্ট, করোনার প্রভাবে যাঁদের মৃত্যু হবে, তাঁদের করোনায় মৃত্যু হয়েছে বলে ধরা হবে না। প্রসঙ্গত, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রকাশিত গাইডলাইন অনুযায়ী, যেখানে করোনা ভাইরাসের কারণে মৃত্যু (সেটা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যাই হোক না কেন) হয়েছে, সেখানেই করোনায় মৃত্যু হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে।

    চিনের দাবি…

    চিনের দাবি, ২০ ডিসেম্বর সে দেশে করোনার কারণে মৃত্যু হয়নি একজনেরও। মঙ্গলবার দেশে ৩ হাজার ১০১ জনে করোনা সংক্রমিতের খোঁজ মিলেছে। চিন সরকারের এহেন দাবির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছেন এক দেহ-সৎকার কর্মী। তাঁর দাবি, শ্মশানঘাটগুলিতে দেহ রাখার জায়গা নেই। অনবরত জ্বলছে চুল্লি। দেহ-সৎকার কর্মীদের কয়েকজন সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন শ্মশানঘাটে জমে রয়েছে লাশের পাহাড়। এ ছবিটা হুবহু এক চিনের উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে। চিনের সোশ্যাল মিডিয়ায়ও ছড়িয়েছে, দেহ দাহ করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন সৎকার কর্মীরা।

    আরও পড়ুন:ফের বাড়তে পারে করোনা! পজিটিভ নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করার নির্দেশ কেন্দ্রের

    ন্যাশনাল হেল্থ কমিশনের দাবি, দেশে করোনায় (Covid 19 in China) নতুন করে কারও মৃত্যু হয়নি। তবে সোমবার করোনা সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের। হুয়ের পরামর্শদাতাদের মতে, চিন তড়িঘড়ি করে করোনা পরিস্থিত শেষ বলে ঘোষণা করেছে। এর জেরেই ঘনিয়েছে বিপদ। এরিক ফেইগেল ডিং নামে এক বিজ্ঞানী অবশ্য জানিয়েছেন, আগামী ৯০ দিনের মধ্যে চিনের ৬০ শতাংশ এবং গোটা বিশ্বের ১০ শতাংশ মানুষ করোনা সংক্রমিত হতে পারেন। তার জেরে মৃত্যু হতে পারে কয়েক মিলিয়ন মানুষের। এদিকে, চিনের বিপদে তাদের পাশে দাঁড়াতে রাজি আমেরিকা। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন, চিন সহ গোটা বিশ্বকেই করোনার মোকাবিলা করতে সাহায্য করতে আমরা প্রস্তুত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Asian Games 2022: চিনে ফের মাথা চাড়া দিয়েছে করোনা, স্থগিত হয়ে গেল ১৯তম এশিয়ান গেমস

    Asian Games 2022: চিনে ফের মাথা চাড়া দিয়েছে করোনা, স্থগিত হয়ে গেল ১৯তম এশিয়ান গেমস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনে (China) করোনার (Covid-19) বাড়বাড়ন্তে স্থগিত হয়ে গেল এশিয়ান গেমস (2022 Asian Games)। চলতি বছরেই ১০ ​​থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯তম এশিয়ান গেমসের আসর বসার কথা ছিল চিনের হাংজুতে (Hangzhou)। এএফপি-র রিপোর্ট অনুযায়ী, করোনার প্রকোপে সে প্রতিযোগিতায় স্থগিতাদেশ দিল অলিম্পিক কাউন্সিল অফ এশিয়া (Olympic Council of Asia)।    
     
    [tw]


    [/tw]

    চিনের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের ক্রমবর্ধমান সংক্রমণের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত । তাসখন্দে সংস্থার এক্সিকিউটিভ বোর্ডের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গেমসের আয়োজন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখার কথা জানানো হয়েছে হাংজু প্রশাসনের তরফেও।

    [tw]


    [/tw]

    একটি আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন অনুসারে, অলিম্পিক কাউন্সিল অফ এশিয়া শুক্রবার জানিয়েছে, চিনের হাংজুতে ১৯তম এশিয়ান গেমস অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তা স্থগিত করা হবে। কতদিনের জন্যে স্থগিত করা হয়েছে প্রতিযোগিতাটি সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।  

    করোনার প্রকোপে এশিয়ান গেমস বাতিল হতে পারে এমন জল্পনা বেশ কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল। চিনে করোনা সংক্রমণ ফের ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতিমধ্যে মৃত্যুও হয়েছে বেশ কিছু মানুষের। পরিস্থিতি সামাল দিতে সে দেশের একাধিক শহরে লকডাউন করতে হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে চিনে গিয়ে এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণ করা নিয়ে কিছু দেশ আপত্তি জানিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য গেমস স্থগিত হওয়ায় স্বস্তি পেলেন অনেকেই।
      

LinkedIn
Share