Tag: Covid 19

Covid 19

  • Moderna vaccine increase cardiac arrest: কম বয়সীদের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে করোনার এমআরএনএ ভ্যাকসিন

    Moderna vaccine increase cardiac arrest: কম বয়সীদের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে করোনার এমআরএনএ ভ্যাকসিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা ভাইরাস(Covid Virus) প্রতিরোধে এমআরএনএ (Moderna vaccine) ভ্যাকসিন হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিচ্ছে, এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন ফ্লোরিডার শল্য চিকিৎসক জোসেপ এ লাদাপো। তিনি একটি প্রতিবেদনে এই ভ্যাকসিন ব্যবহারের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন। তিনি দাবি করেছেন এমআরএনএ ভ্যাকসিনের ডোজ নেবার পর মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত ঘটেছে।

    এই চিকিৎসক আরও জানিয়েছেন, COVID-19 mRNA ভ্যাকসিনগুলির (Vaccine) বিশ্লেষণ করে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছি। তাতে সাধারণ মানুষের সচেতন হওয়ার সময় এসেছে। এই বিশ্লেষণে দেখা গিয়েছে এমআরএনএ ভ্যাকসিনের জেরে ১৮-৩৯ বছর বয়সীদের হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সম্ভাবনা বেড়ে গিয়েছে। ফ্লোরিডা ডিপার্টমেন্ট অফ হেলথের তরফে করোনা ভ্যাকসিনের উপর পরীক্ষা করা হয়েছে।

    গবেষণায় জানা গিয়েছে এই এমআরএনএ টিকা নেওয়ার ২৮ দিনের মধ্যেই ১৮-৩৯ এর কমবয়সী পুরুষদের মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত (Cardiac arrest) হবার সম্ভাবনা ৮৪ শতাংশ অবধি বাড়িয়ে দিয়েছে। যারা আগে থেকে হৃদরোগের আক্রান্ত তাঁদের ঝুঁকি আরও বেশী।

    আরও পড়ুন: হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণের উপযুক্ত খাদ্য

    গবেষণা অনুসারে চিকিৎসক লাদাপো জানিয়েছেন, এমআরএনএ নয় এমন ভ্যাকসিনগুলোও পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। তবে সেক্ষেত্রে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা সেরকম দেখতে পাওয়া যায়নি। এক্ষেত্রে ভ্যাকসিনগুল আর পাঁচটা ভ্যাকসিনের মতো ব্যবহার করে। লাদাপো জানিয়েছেন, শুধু ভ্যাকসিন উৎপাদন করলেই হল না। ভ্যাকসিনগুলো কতটা নিরাপদ, সেটা যাচাই করে নেওয়া দরকার। তিনি বলেন, করোনার ভ্যাকসিন তৈরির ক্ষেত্রে অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা অবহেলা করা হয়েছে। যা কখনই কাম্য নয়।

    ২০২০ সালে বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারীর সময় মূলত এমআরএনএ প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে ভ্যাকসিন তৈরির ওপর জোর দেওয়া হয়। আমেরিকাতে প্রথম যে দুটি ভ্যাকসিন সাধারণ মানুষকে দেওয়া হয়েছিল, তা এমআরএনএ প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে তৈরি করা হয়েছিল।

    এদিকে, ভারতের প্রথম এমআরএনএ ভ্যাকসিন GEMCOVAC-19 জরুরি ব্যবহারের জন্য শীঘ্রই পাওয়া যাবে।ভারতের ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল এই ভ্যাকসিনের জরুরি ভিত্তিক ব্যবহারে শীঘ্রই অনুমোদন দেবে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে ভারতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল হয়েছে। যেখানে প্রায় চার হাজার স্বেচ্ছাসেবী অংশগ্রহণ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
     
  • Omicron China: চিনে নতুন করে মাথাচাড়া দিল ওমিক্রন

    Omicron China: চিনে নতুন করে মাথাচাড়া দিল ওমিক্রন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৯ সালের শেষ দিক থেকে চিনের উহান ভাইরাস বা করোনাভাইরাস সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছিল। তারপরের ইতিহাসটুকু সকলেরই জানা। এই মুহূর্তে ভারত সহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে করোনার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও চিনে আবার নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে করোনাভাইরাস। এই মুহূর্তে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে চিনে ওমিক্রনের (Omicron China) নতুন সাব ভ্যারিয়েন্ট BF-7 এবং BA.5.1.7। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, করোনার এই ভ্যারিয়েন্টে সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি। স্থানীয় সংবাদপত্র জানিয়েছে, এই ভাইরাস প্রথম সনাক্ত হয়েছে চিনের উত্তর পশ্চিমে। রবিবার ওমিক্রনের এই নতুন ভ্যারিয়েন্টে প্রায় ১৮৭৮ জন সংক্রমিত হয়েছে।

    ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট সরকার ১৬ অক্টোবর থেকে চিনের ২০তম পার্টি কংগ্রেসের বৈঠক অনুষ্ঠিত করাতে চলছে। চিনে ফের ওমিক্রনের (Omicron China) দাপট বাড়ায় চিন্তার ভাঁজ পড়েছে  চিন সরকারের কপালে । যদিও সরকারি তরফে কোন বিবৃতি ঘোষণা করেনি। প্রসঙ্গত, এই পার্টি কংগ্রেসেই চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর (Xi jinping) ক্ষমতা আরও খানিকটা বাড়িয়ে দেওয়া হবে। তিনি আগামী পাঁচ বছরের জন্য চিনের কমিউনিস্ট পার্টির রূপরেখা দেবেন বলে সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে।

    বিজ্ঞানীরা করোনার এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাঁদের আশঙ্কা অচিরেই সারা চিনে ছড়িয়ে পড়বে ওমিক্রনের (Omicron China) এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট। বিজ্ঞানীরা দীর্ঘ দিন ধরেই বলে আসছেন, করোনার নতুন একটি রূপ আসা মানেই, সেটির বিরুদ্ধে টিকা কতটা কার্যকর হবে, সেটি মানুষের শরীরে কীভাবে প্রভাব ফেলবে, সেটির বিরুদ্ধে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কতটা কার্যকর হবে – সব নিয়েই সন্দেহ থাকে।

    শুধু তাই নয়, এই নতুন রূপ ফুসফুস বা শ্বাসনালী সংক্রমণ বাদ দিয়ে আর কোনও ক্ষতি করবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ থেকে যায়। সেই কারণেই, যে কোনও একটি নতুন ভ্যারিয়েন্টই বিজ্ঞানীদের কাছে চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়াতে পারে। আর তাই বিজ্ঞানীরা আপাতত চিনের এই ওমিক্রন (Omicron China) ভাইরাসের উপর কড়া নজরদারি চালাচ্ছেন।

    চিন করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণের জন্য সারা দেশে আগেই জিরো টলারেন্স নীতি (Zero Tolerance Policy) গ্রহণ করেছিল। কিছুদিন আগেও করোনার গ্রাফ নেমে আসায় লকডাউন শিথিল করা হয়েছিল। কিন্তু চিনের ছুটির মরশুম শেষ হবার পরই ওমিক্রনের (Omicron China) হানা সারা দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। পুনরায় দেশে কঠোর লকডাউনের ঘোষণা করেছে চিনা কমিউনিস্ট সরকার। চিনের শানহি প্রদেশে কঠোর লকডাউন (Lockdown) ঘোষণা করা হয়েছে। একেবারে জরুরি কাজ ছাড়া ঘরের বাইরে বের হওয়া নিষেধ। স্কুল, কলেজ, অফিস, ব্যবসা সব বন্ধ। মঙ্গোলিয়া প্রদেশের রাজধানী হোহটে বাইরের গাড়ি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। করোনার প্রকোপ কমাতে মঙ্গলবার থেকে শহরে ঢোকাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। 

    যদিও অর্থনীতিবিদদের মতে, বিশ্বের অন্যতম বড় অর্থনীতির দেশ চিন। তাদের এই জিরো কোভিড টলারেন্স নীতির ফলে ভবিষ্যতে আর্থিক ভাবে পঙ্গু হয়ে পড়বে চিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Khosta-2: ফের নয়া বিপদ, করোনা ভাইরাসের মতো লক্ষণ পাওয়া গেল রাশিয়ান বাদুড়ে!

    Khosta-2: ফের নয়া বিপদ, করোনা ভাইরাসের মতো লক্ষণ পাওয়া গেল রাশিয়ান বাদুড়ে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার সন্ধান মিলল কোভিডের মতো আরও এক মারণ ভাইরাসের। মার্কিন গবেষকরা (USA Scientist) রাশিয়ান বাদুড়ের মধ্যে কোভিডের মতো এক নয়া ভাইরাস শনাক্ত করেছেন। এই ভাইরাসের সংক্রমণ হতে পারে মানব দেহেও। জনপ্রিয় এক সংবাদপত্রের খবর অনুযায়ী, খোস্তা-২ (Khosta-2) নামক এই ভাইরাসটি করোনা ভাইরাসের (SARS-CoV-2) একই উপশ্রেণির অন্তর্গত। এই ভাইরাসটিও মানব কোষকে সংক্রমিত করতে পারে। করোনা ভাইরাসের (Corona Virus) ভ্যাকসিনের কোর্স সম্পূর্ণ করার পরেও খোস্তা-২ ভাইরাস মানব দেহে সংক্রমণ ঘটাতে পারে।

    আরও পড়ুন: কোলেস্টেরলের মাত্রা কত হলে হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারেন জানেন?

    গবেষকেরা ২০২০ সালে রাশিয়ান বাদুড়ের (Russian Bat) শরীরে প্রথম দু ধরণের খোস্তা ভাইরাসের সন্ধান পান। এদের নামকরণ করা হয় খোস্তা-১ ও খোস্তা-২ নামে। খোস্তা-১ ভাইরাস মানুষের জন্য আতঙ্কের কারণ না হলেও, খোস্তা-২ বিপজ্জনক।

    আরও পড়ুন: সাবধান! সংক্রামক রোগের পাশাপাশি ভয় ধরাচ্ছে ‘নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ’

    যদিও প্রথম দিকে বিজ্ঞানীরা (Scientist) মনে করেছিলেন যে, এই ভাইরাস মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর নয়।  কিন্তু পরবর্তীকালে ভাইরাসের ক্ষতিকর দিকগুলিও লক্ষ্য করেন তাঁরা। কোভিড ১৯ (Covid 19) ভ্যাকসিনের (Vaccine) নেওয়া হলেও, মানব শরীরে প্রভাব ফেলতে পারে খোস্তা-২। সেই কারণেই বিজ্ঞানীরা নয়া এই ভাইরাস নিয়ে চিন্তিত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organisation) জানিয়েছে, করোনা মহামারির প্রভাব সারা বিশ্ব এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি। নয়া এই ভাইরাসের সন্ধান মিলতেই চিন্তার ভাঁজ সংশ্লিষ্ট মহলের কপালে। 

    ২০১৯ সালে বিশ্বজুড়ে হয় করোনা সংক্রমণ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মারা গিয়েছেন লাখো লাখো মানুষ। কেবল ভারতেই  করোনা সংক্রমণে মারা গিয়েছেন পাঁচ লক্ষেরও বেশি মানুষ। পরে আবিষ্কার হয় প্রতিষেধক। বিশ্বের প্রতিটি দেশেই জোর কদমে হয় টিকাকরণ। তার জেরে বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে করোনা। তবে চোখ রাঙাচ্ছে খোস্তা-২। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • CAA: সিএএ-র প্রভাব পড়বে ৮ আসনে! রাজ্যের উদ্বাস্তু ভোট যাবে বিজেপির ঝুলিতে, দাবি রিপোর্টে

    CAA: সিএএ-র প্রভাব পড়বে ৮ আসনে! রাজ্যের উদ্বাস্তু ভোট যাবে বিজেপির ঝুলিতে, দাবি রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগরিকত্ব আইন বরাবরই পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। গত ১১ মার্চ থেকে কার্যকর হয়েছে সিএএ। নাগরিকত্ব আইনের (CAA) বাস্তবায়নের প্রয়োজন ঠিক কতটা— এনিয়ে একাধিক সমীক্ষা করা হয় কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিজেপির পক্ষ থেকে। প্রতিটি সমীক্ষাতেই উঠে আসে নাগরিক আইনের বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার কথা। সম্প্রতি, একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তরফে একটি সমীক্ষা চালানো হয়। তাতে উঠে এসেছে চমকপ্রদ তথ্য। সমীক্ষা অনুযায়ী, কেন্দ্রের মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গের ৮ লোকসভা আসনে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে এবং তা বিজেপিকে বিপুল অক্সিজেন জোগাবে।

    কেন সিএএ-র প্রয়োজন ছিল?

    এই আইনকে বাস্তবায়নের প্রয়োজন কেন হল? তার কারণ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বিভিন্ন সমীক্ষা চালায় পশ্চিমবঙ্গের শরণার্থী অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে। ওই সমীক্ষায় উঠে আসে বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয়ভাবে অত্যাচারিত হয়ে আসা সেদেশের সংখ্যালঘু শরণার্থীরা অসম এবং পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাস করছেন। তাঁদের কাছে সবচেয়ে অগ্রাধিকার পায় নিজেদের নাগরিকত্বের বিষয়টি। মতুয়া-নমঃশূদ্র-রাজবংশী, মূলত এই তিন উদ্বাস্তু সমাজের কাছে জীবন-জীবিকার মতোই গুরুত্বপূর্ণ নাগরিকত্ব (CAA)।

    মতুয়া-নমঃশূদ্র-রাজবংশীরা সমর্থন করবে বিজেপিকে

    গেরুয়া শিবিরের আভ্যন্তরীণ সমীক্ষা অনুযায়ী, নদিয়া এবং উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে প্রভাব ফেলবে মোদি সরকারের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের ২টি লোকসভার আসনে বিপুল প্রভাব পড়বে এই আইনের বাস্তবায়ন। এর প্রতিফলন ভোট বাক্সে যে দেখা যাবে তাও ওই অভ্যন্তরীণ সমীক্ষায় উঠে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে বসবাসকারী মতুয়া-নমঃশূদ্র-রাজবংশীরা ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে দু’হাত তুলে ভোট দেবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যার ১০ থেকে ১৫ শতাংশই মতুয়া

    দেশভাগের সময় থেকে ধর্মীয়ভাবে অত্যাচারিত হয়ে দলে দলে মতুয়া সমাজ এবং নমঃশূদ্র সমাজ পশ্চিমবঙ্গে আসতে শুরু করে। ভিটেমাটি ছেড়ে আসা মানুষগুলোর জন্য বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সহযোগিতায় প্রমথ রঞ্জন ঠাকুর তৈরি করেন ঠাকুরনগর। সে সময় উদ্বাস্তু হয়ে আসা মানুষজনদেরকে সীমান্ত অঞ্চলগুলিতে থাকার জায়গার বন্দোবস্ত করতেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন (CAA) প্রমথ রঞ্জন ঠাকুর এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। কিন্তু নির্দিষ্ট কোনও তথ্য এখনও পর্যন্ত নেই যে কত সংখ্যায় মতুয়া ও নমঃশূদ্ররা পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান জনসংখ্যার ১০ থেকে ১৫ শতাংশই হল মতুয়া সমাজের। ৫টি লোকসভা আসনে মতুয়া ভোট নির্ণায়ক শক্তি বলে মনে করা হয়। এর প্রত্যেকটিই দক্ষিণবঙ্গে অবস্থিত। যার মধ্যে ২০১৯ সালে রাণাঘাট ও বনগাঁ আসন ২টি জিততে সমর্থ হয় বিজেপি। অন্যদিকে, মতুয়াদের সাপেক্ষে কম সংখ্যায় বাংলাদেশ থেকে অত্যাচারিত হয়ে এসেছিলেন রাজবংশী এবং নমঃশূদ্র সমাজ। বিগত নির্বাচনগুলিতে এই দুই সমাজও বিজেপিকে দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করেছে। মূলত শরণার্থীদের সমর্থনে ভর করেই উত্তরবঙ্গের তিনটি মতুয়া-নমঃশূদ্র-রাজবংশী অধুষ্যিত লোকসভা আসন জেতে বিজেপি। জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং বালুরঘাট এই তিন লোকসভা কেন্দ্রে উদ্বাস্তুদের মোট জনসংখ্যা হল ৪০ লাখ।

    ২০২৪ সালে বাংলার উদ্বাস্তু ভোট যাবে বিজেপির ঝুলিতে

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী,  তৃণমূল কংগ্রেসের প্রভাব থাকা সত্ত্বেও লোকসভা ভোটে উত্তর ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে ব্যাপক ফলাফল করে বিজেপি। এবং যার কারণ একটাই ছিল, নাগরিকত্ব আইনের প্রতিশ্রুতি। দক্ষিণবঙ্গের নদিয়া জেলাতেও মতুয়া ভোট (CAA) হল বড় ফ্যাক্টর। তৃণমূল কংগ্রেস এই জেলার ১৭টি বিধানসভা আসনের মধ্যে মাত্র ৬টিতে এগিয়ে থাকতে পেরেছিল। অন্যদিকে, বিজেপি বাকিগুলিতে এগিয়ে যায়। এর পাশাপাশি মতুয়ারা উত্তর চব্বিশ পরগনার এবং নদিয়া মিলিয়ে মোট ছ’টি লোকসভা আসনে নির্ণায়ক শক্তি। মনে করা হচ্ছে, ২০২৪ সালের বেশিরভাগ মতুয়া ভোট বিজেপির ঝুলিতেই যেতে চলেছে।

    কী বলছেন কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ আধিকারিক

    এই ৩ উদ্বাস্তু সমাজই দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের নাগরিকত্বের দাবি তুলে আসছিল। বলে রাখা প্রয়োজন, ভারতবর্ষের ক্ষেত্রে কে নাগরিক তা ঠিক করা হয় ভারতের সংবিধান এবং ১৯৫৫ সালের নাগরিক আইন অনুসারে। ভোটার কার্ড, আধার কার্ড কিংবা রেশন কার্ড- এর কোনওটাই নাগরিকত্বের পরিচয় বহন করে না। একজন শীর্ষ বিজেপি নেতা উদ্বাস্তু অধ্যুষ্যিত (CAA) এই আসনগুলিতে সমীক্ষা চালান। তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গের ৩০ থেকে ৩৩টি বিধানসভার এমন আসন রয়েছে, যেগুলোতে মতুয়া ভোট ৪০ শতাংশের উপরে রয়েছে। এর বেশিরভাগটাই উত্তর ২৪ পরগনা এবং নদিয়াতে। এই বিধানসভার আসনগুলিকে যোগ করলে মোট পাঁচ থেকে ছয়টি লোকসভার আসন হয়। কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের এক শীর্ষ আধিকারিকের মতে, ‘‘মাঝখানে অনেকটা সময় কেটে গিয়েছে কিন্তু তবুও নির্বাচনী ইস্তাহারে বিজেপি সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ২০১৯ সালে, তা বাস্তবায়ন করেছে।’’ 

    করোনা মহামারীর কারণে বাস্তবায়নে দেরী

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসেই সংসদের উভয়কক্ষে পাশ হয় নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ ওই আইনে স্বাক্ষরও করেন। কিন্তু তার পরবর্তীকালে করোনা মহামারী চলে আসে। এ কারণে বাস্তবায়ন হতে বেশ কিছুটা বিলম্ব হয় এই আইনের। চলতি সপ্তাহের সোমবারই নাগরিকত্ব আইনকে কার্যকর করা হয়েছে। প্রত্যাশা মতোই এই আইন বাস্তবায়িত হতেই বিরোধিতা শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গ, অসম এবং উত্তরপ্রদেশের বিজেপি বিরোধী শক্তি। নাগরিক আইনের সঙ্গে নাগরিকত্ব হারানোর কোনও সম্পর্ক না থাকলেও, সেকথাই বারবার উঠে আসছে বিরোধীদের ভাষণে। যদিও আইন (CAA) অনুযায়ী, ৩ প্রতিবেশী দেশ – আফগানিস্তান, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয়ভাবে অত্যারিত হয়ে আসা ৬ সংখ্যালঘু (হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি এবং খ্রিস্টান) সম্প্রদায়কে নাগরিকত্ব প্রদানের কথা বলা হয়েছে এখানে।

    ২০১৯ সালে বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহারে ছিল নাগরিকত্ব আইন

    ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের ইস্তাহারে ভারতীয় জনতা পার্টি নাগরিকত্ব আইন চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। মনে করা হচ্ছে সেই প্রতিশ্রুতিতেই ভর করে পশ্চিমবঙ্গের মতুয়া-নমঃশূদ্র-রাজবংশী অধ্যুষিত আসনগুলিতে বিজেপি ব্যাপক ভোট পায়। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় তৎকালীন বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদি আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আগত শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। সেই প্রতিশ্রুতিই পূরণ হল নাগরিকত্ব আইন কার্যকর হওয়ার মধ্য দিয়ে। ২০১৫ সালের ৭ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ‘পাসপোর্ট আইন’ ও ‘বিদেশি আইন’ সংশোধন করে। এর ফলে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে উদ্বাস্তু হয়ে আসা সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব লাভের পথ অনেকটাই প্রশস্ত হয়ে যায়। উদ্বাস্তু মানুষরা যাতে ভারতের নাগরিকত্ব পেতে পারেন তার প্রচেষ্টা করে বিজেপি।

    ২০১৬ সালে সংসদে পেশ হয় সিএএ

    ২০১৬ সালের ১৯ জুলাই ভারতের সংসদে ‘নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল ২০১৬’ পেশ করে মোদি সরকার। লোকসভায় এই বিল পাশ হলেও তা রাজ্যসভায় আটকে যায়। এরই মাঝে বিজেপি সরকার আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আগত ৬ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শরণার্থীদের নাগরিকত্ব প্রদান করার সুবিধার্থে একটি ‘অধ্যাদেশ’ জারি করে। যদিও ছয় মাস পরে নিয়ম অনুসারে ওই ‘অধ্যাদেশ’-এর কার্যকাল শেষ হয়ে যায়। পরবর্তীকালে বিলটিকে আলোচনার জন্য সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানো হয়। ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি সংসদে কমিটির রিপোর্ট জমা পড়ে। পরে ২০১৯ সালের ৮ জানুয়ারি লোকসভায় ফের পাশ হয় ওই বিল। কিন্তু তা থমকে যায় রাজ্যসভায়। এরই মাঝে ১৬তম লোকসভা ভেঙে যায় এবং দেশে নির্বাচন ঘোষণা হয়। নির্বাচনে ফের ক্ষমতায় আসে বিজেপি সরকার এবং পাশ করে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। অর্থাৎ ২০১৯ সালের নির্বাচনে লড়তে যাওয়ার আগে বিজেপি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা নির্বাচনে জেতার পরেই পূরণ করতে সক্ষম হয় মোদি সরকার। প্রয়োজন ছিল নাগরিকত্ব আইনের বাস্তবায়নের এবং ঠিক সেই মতো ২০২৪ সালের লোকসভা ভোট ঘোষণার আগেই তা কার্যকর করল বিজেপি সরকার (CAA)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Winter Disease: তাপমাত্রার ওঠানামায় বাড়ছে রোগের দাপট, শিশুদের বাড়তি ঝুঁকি চিকেন পক্স

    Winter Disease: তাপমাত্রার ওঠানামায় বাড়ছে রোগের দাপট, শিশুদের বাড়তি ঝুঁকি চিকেন পক্স

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ ওঠানামা করছে‌। দুপুর বাড়তেই গরম লাগলেও, রাতে নামছে তাপমাত্রার পারদ। আর নিয়মিত এই তাপমাত্রার ওঠানামার জেরেই বাড়ছে ভোগান্তি। বাতাসে সক্রিয় হচ্ছে একাধিক ভাইরাস (Winter Disease)। আর তার জেরেই দুশ্চিন্তা বাড়ছে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা।‌ বিশেষত শিশুদের নিয়ে বাড়তি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে এই আবহাওয়া। এমনই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    কেন বাড়তি উদ্বেগ? (Winter Disease)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, আবহাওয়ার এই রকমফেরের জেরে বাতাসে একাধিক ভাইরাস সক্রিয় হয়। তার জেরেই জ্বর, সর্দি, কাশির মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে। আট থেকে আশি, সব বয়সীরাই এই ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। ভাইরাসঘটিত জ্বরের জেরেই ভোগান্তি বাড়ছে। তবে, করোনার দাপট দেশ জুড়ে বাড়ছে। তাই এই সময়ে জ্বর-সর্দির মতো সমস্যা দেখা দিলে বাড়তি সতর্ক থাকা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসক মহল। তবে, এই পরিবেশে শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে বাড়তি উদ্বেগ দেখা দিচ্ছে। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, তাপমাত্রার এই ওঠানামার জেরে চিকেন পক্সের মতো রোগের প্রকোপ বাড়ে। বিশেষত শিশুদের খুব দ্রুত এই ধরনের রোগে আক্রান্ত (Winter Disease) হওয়ার ঝুঁকি দেখা দেয়। তাই এই আবহাওয়ায় শিশুদের বাড়তি খেয়াল রাখা জরুরি বলেই পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

    কীভাবে মোকাবিলা হবে? (Winter Disease)

    চিকিৎসকদের পরামর্শ, সতর্ক থাকা জরুরি। না হলে বড় বিপদ এড়ানো‌ মুশকিল হবে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, বছর শেষে নানান উৎসব উদযাপনে অনেকেই ব্যস্ত থাকেন। কিন্তু পোশাকের ক্ষেত্রে নজরদারি জরুরি। গরম পোশাক পরা দরকার। বিশেষত রাতে বাইরে থাকলে গলা, কান ঢেকে রাখা দরকার। যাতে হঠাৎ আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাক ইনফেকশন না হয়। কারণ, হঠাৎ ঠান্ডা হাওয়ার জেরে অনেকের শ্বাসনালীতে সংক্রমণ হয়। তার জেরে কাশি-সর্দি-জ্বরের মতো একাধিক ভোগান্তি হয়। 
    খাওয়ার দিকেও বিশেষ নজরদারি দেওয়া দরকার। বিশেষত শিশুদের খাবারে বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত লেবু, কিউইয়ের মতো ফল খাওয়া দরকার। কমলালেবু, মাল্টা বা কিউই জাতীয় যে কোনও ফল দিনে একটা খেলে, শরীরে ভিটামিন সি-র জোগান পর্যাপ্ত থাকে। ফলে, সর্দি-কাশির মতো সমস্যার সঙ্গে লড়াইয়ের ক্ষমতা বাড়ে। রোগ (Winter Disease) প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। তাই এই ধরনের ফল নিয়মিত খেতে হবে। 
    পাশপাশি এই আবহাওয়ায় একেবারেই আইসক্রিম খাওয়া চলবে না। উৎসবের মরশুমে অনেকেই আইসক্রিম খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু সুস্থ থাকতে হলে এই ধরনের খাবার এড়িয়ে চলতে হবে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। 
    পাশপাশি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত এক চামচ মধু খেলে শরীর ভালো থাকবে। পাশপাশি দুধে হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে খেলেও শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে। পক্সের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি‌ কমবে।
    সবুজ সব্জি ও মাছ নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। কারণ, শরীরে প্রোটিন ও ভিটামিনের জোগান ঠিকমতো থাকলে বড় বিপদ এড়ানো‌ যায় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। 
    তবে, দিন কয়েক টানা জ্বর, সর্দি, কাশির মতো উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো প্রয়োজনীয় শারীরিক পরীক্ষা করা দরকার বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।‌ করোনার গ্রাফ উর্ধ্বমুখী। তাই বাড়তি সতর্কতা জরুরি, মত বিশেষজ্ঞদের।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Covid 19: কলকাতায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৮, কী অবস্থা তাঁদের?

    Covid 19: কলকাতায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৮, কী অবস্থা তাঁদের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় নতুন আরও কয়েক জনের শরীরে মিলল করোনা ভাইরাস (Covid 19)। বৃহস্পতিবারই খবর মিলেছিল তিন জন করোনা আক্রান্তের। এদের মধ্যে একজন ছিল ছয় মাসের শিশু। বাকি দুই জনের মধ্যে একজন কলকাতার মিডল টন রোয়ের বাসিন্দা এবং অপরজন ভবানীপুরের বাসিন্দা। শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে ওই করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা চলছে। ছয় মাসের ওই শিশুকে রাখা হয়েছে কলকাতার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। অন্যদিকে, একটি বেসরকারি হাসপাতালে দুজন করোনা (Covid 19) আক্রান্ত ভর্তি রয়েছেন।

    নতুন করে আক্রান্ত যাঁরা…

    নতুন যে আক্রান্তদের সন্ধান মিলেছে, তাঁদের মধ্যে ৫৮ বছর বয়সি বেহালার এক বাসিন্দা করোনা আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন আলিপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। এছাড়া ঢাকুরিয়ার এক বেসরকারি হাসপাতালে চারজনের দেহে ভাইরাসের সন্ধান মিলেছে। এদের মধ্যে দুজন একই পরিবারের বলে জানা গিয়েছে। বাড়িতে থেকেই প্রত্যেকে করোনা পরীক্ষা করিয়েছিলেন বলে ঢাকুরিয়ার ওই বেসরকারি হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে একজন একটি বিয়ে বাড়ির পার্টির অনুষ্ঠানে যান এবং সেখান থেকেই ফেরেন করোনার উপসর্গ নিয়ে। তবে তাঁরা কি করোনার নতুন সাব ভ্যারিয়্যান্ট জেনএন.১-এ আক্রান্ত কিনা তা এখনও জানা সম্ভব হয়নি। ইতিমধ্যেই তাঁদের নমুনা সংগ্রহ করে জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য কল্যাণীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োমেডিক্যাল জিনোমিক্সে পাঠানো হয়েছে।

    ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় মৃত ৬

    এদিকে, কেন্দ্রের দেওয়া শুক্রবারের তথ্য অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে দেশে ৬ জন করোনা (Covid 19) আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দেখা যাচ্ছে, নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৫৯৪ জন। বৃহস্পতিবার এই সংখ্যা ছিল ৩২৮। তবে যাঁদের মৃত্যু হয়েছে তাঁদের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে প্রত্যেকেই গুরুতর অসুস্থতা নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুসারে, বৃহস্পতিবার সারা দেশে করোনার সক্রিয় কেসের সংখ্যা ছিল ২৩১১। ২৪ ঘণ্টায় তা বেড়ে ২৯৯৭ হয়েছে। দেশে এতদিনে মোট কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪.৫০ কোটি। করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ৫,৩৩,৩২৮।

    রাজ্যগুলিকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ কেন্দ্রের 

    বিশ্বজুড়ে নতুন করে চোখ রাঙাচ্ছে করোনার নতুন সাব ভ্যারিয়েন্ট জেএন১। ইতিমধ্যে আমেরিকা চিন সহ বেশ কয়েকটি দেশে এই ভাইরাসের সন্ধান মিলেছে। এই নয়া উপ প্রজাতির সন্ধান আমেরিকাতে মেলে সেপ্টেম্বর মাসেই। অন্যদিকে গত ১৫ ডিসেম্বর চিনে সন্ধান মেলে জেএন১ এর। চিনেও হাসপাতালগুলিতে বেড়েই চলেছে ভিড়। দেশের মধ্যে করোনা (Covid 19) রোগী সংখ্যা বর্তমানে সব থেকে বেশি দক্ষিণ ভারতের রাজ্য কেরলে। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩০০ জনেরও বেশি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক, রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির জন্য গাইডলাইনও জারি করেছে। বুধবার জরুরি ভিত্তিতে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। করোনা (Covid 19) পরিস্থিতিতে প্রতিটি রাজ্যকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে বেশ কিছু রাজ্যে ইতিমধ্যে লাঘু হয়েছে করোনা বিধিও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Covid 19: অ্যাক্টিভ কেস ৩ হাজার ছুঁইছুঁই! দেশে ক্রমশ বাড়ছে করোনার গ্রাফ

    Covid 19: অ্যাক্টিভ কেস ৩ হাজার ছুঁইছুঁই! দেশে ক্রমশ বাড়ছে করোনার গ্রাফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর শেষে ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা (Covid 19)। নতুন সাব ভ্যারিয়েন্ট জেএন-১ নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে। বাদ নেই আমাদের দেশও। দৈনিক লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনার গ্রাফ। অন্তত পরিসংখ্যান এমনটাই বলছে। মৃত্যুর সংখ্যা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৬ করোনা আক্রান্তের (Covid 19) মৃত্যু হয়েছে।

    দেশে অ্যাক্টিভ কেস দাঁড়িয়েছে ২,৯৯৭

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া বৃহস্পতিবারের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত (Covid 19) হয়েছেন ৩২৮ জন। এ নিয়ে প্রতিটি রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। বেশ কিছু রাজ্যে চালু হয়ে গেছে করোনা বিধি। এতেই ফিরে আসছে আড়াই-তিন বছর আগের সেই আতঙ্কের স্মৃতি। মানুষের মনে প্রশ্ন জাগছে ফের কি মাস্ক-যুগ শুরু হচ্ছে? তবে উদ্বেগ থাকলেও আশার কথা শোনা গিয়েছে চিকিৎসকদের কাছ থেকে। বিজ্ঞানীমহল বলছে, নয়া সাব ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। ওষুধ ছাড়াই সেরে ওঠা যাবে জেএন-১ এর সংক্রমণ থেকে। অন্তত তেমনটাই দেখা গিয়েছে বিভিন্ন রোগীদের ক্ষেত্রে। যদিও কোমর্বিড রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজনীয় বলেই মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ফের ফিরছে মাস্ক-যুগ? কলকাতার তিন হাসপাতালে ভর্তি ৩ করোনা আক্রান্ত

    জিনোম সিকোয়েন্সিং করানোর নির্দেশ

    নতুন সাবভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তদের জিনোম সিকোয়েন্সিং করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। দিল্লি, উত্তরাখণ্ড এবং মহারাষ্ট্রে আরটি-পিসিআর টেস্ট বাড়ানো হয়েছে। প্রত্যেক পজিটিভ করোনা নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের কোভিড টাস্ক ফোর্সের চিকিৎসক রাজীব জয়দেবনের মতে, জেএন-১ সাধারণত প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে গুরুতর হয়ে উঠতে পারে। এদিকে, কেরলের পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তা বেড়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের বৃহস্পতিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নতুন করে আক্রান্ত ৩২৮ জনের মধ্যে মধ্যে ২৬৫ জনই কেরলের বাসিন্দা। দক্ষিণের এই রাজ্যে মোট অ্যাক্টিভ কেস দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬০৬। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Covid 19: কেরলে বৃদ্ধার শরীরে কোভিড উপরূপ জেএন ১, “ভয় নেই’, বলছে সরকার

    Covid 19: কেরলে বৃদ্ধার শরীরে কোভিড উপরূপ জেএন ১, “ভয় নেই’, বলছে সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের এক বৃদ্ধার শরীরে মিলল কোভিড সাব ভ্যারিয়েন্ট জেএন ১ এর জীবাণু (Covid 19)। থিরুভানাথাপুরম জেলার কারাকুলামে টিআর-পিসিআর পজিটিভ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল ৮ ডিসেম্বর। নভেম্বরের ১৮ তারিখে জানা যায়, একজনের শরীরে রয়েছে করোনার জীবাণু। কেরলের এই বৃদ্ধার বয়স ৭৯ বছর। এর আগে তিনি সংক্রমিত হয়েছিলেন করোনায়।

    ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো লক্ষণ

    এবার তাঁর শরীরে ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো লক্ষণ দেখা গিয়েছে। পরে দেখা যায়, তিনি কোভিড সাব ভ্যারিয়েন্ট জেএন ১-এ সংক্রমিত। এদিকে, রাজ্যের হাসপাতালগুলি করোনা (Covid 19) পরিস্থিতির মোকাবিলায় কতটা সক্ষম, তা জানতে মক ড্রিল করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে কোভিডে সংক্রমিতের দেখা মিলছে কেরলে। ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো লক্ষণ দেখে করোনা পরীক্ষা করা হয়েছিল রোগীদের। তখনই জানা যায় বিষয়টি। এই কেসগুলির সিংহভাগেরই মৃদু লক্ষণ দেখা গিয়েছে। কোনও চিকিৎসা ছাড়াই রোগীরা সুস্থ হয়ে উঠছেন বাড়িতে থেকেই। কেরলের এন্ট্রি পয়েন্টে নজর রাখছে স্বাস্থ্য দফতর।

    কী বললেন কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী?

    এদিকে, কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জ রবিবার বলেন, “জেএন ১ চিহ্নিত করা হয়েছে কোভিড ১৯ এর সাব ভ্যারিয়েন্ট হিসেবে। তবে এ নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই।” প্রসঙ্গত, করোনার এই ভ্যারিয়েন্টটির প্রথম খোঁজ মিলেছিল আমেরিকায়। গত সেপ্টেম্বরে তার খোঁজ মেলে। ডিসেম্বরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আমেরিকায় যে ক’জন কোভিড রোগী এই মুহূর্তে রয়েছেন, তাঁদের ১৫-২৯ শতাংশের দেহে রয়েছে জেএন-১ সাব ভ্যারিয়েন্ট। ভারতে এখনও পর্যন্ত একটি এই ধরনের রোগীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। তিনি হলেন কেরলের এই বৃদ্ধা।

    আরও পড়ুুন: চোখ উপড়ে, পুরুষাঙ্গ কেটে খুন পুরোহিতকে, রণক্ষেত্র বিহারের গোপালগঞ্জ

    জর্জ বলেন, “জেএন ১ নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। এটা একটা সাব ভ্যারিয়েন্ট। এটা এই সবে চিহ্নিত হয়েছে। এই দু তিন মাস আগে ভারতে এটা চিহ্নিত হয়েছে। সিঙ্গাপুর বিমানবন্দরে যখন করোনা পরীক্ষা করা হয়, তখনই খোঁজ মেলে এই জীবাণুর।” বীণা বলেন, “এটা ভারতের একটা অংশে রয়েছে। কেরলে এটা চিহ্নিত করা গিয়েছে। যেহেতু কেরলের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা খুব ভাল। জিনোমিক সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে আমরা এটা চিহ্নিত করেছিলাম। তাই এনিয়ে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই।” তিনি অবশ্য জানিয়েছেন, কো-মর্বিডিটি যাঁদের রয়েছে, তাঁরা অবশ্যই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেবেন। সরকারও সতর্ক রয়েছে। পরিস্থিতির ওপর নজরও রাখছে (Covid 19)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Nobel Prize 2023: করোনার টিকা তৈরিতে বিশেষ অবদান, চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল জয় ২ বিজ্ঞানীর

    Nobel Prize 2023: করোনার টিকা তৈরিতে বিশেষ অবদান, চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল জয় ২ বিজ্ঞানীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁদের গবেষণা সাহায্য করেছে কোভিডের এমআরএনএ প্রতিষেধক তৈরিতে। তার জেরে এ যাত্রায় রক্ষা পেয়েছেন বহু মানুষ। যুগান্তকারী এই গবেষণার জন্যই এবার নোবেল পুরস্কার (Nobel prize 2023) পেলেন কাতালিন কারিকো ও ড্রু ওয়াইসম্যান।

    কাতালিন কারিকো ও ড্রু ওয়াইসম্যান

    কাতালিন কারিকো হাঙ্গেরির সেজড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। তিনি পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পেরেলম্যান স্কুল অফ মেডিসিনের সহযোগী অধ্যাপকও। আর ড্রু ওয়াইসম্যান ভাকসিন গবেষণার অধ্যাপক ও পেন ইনস্টিটিউট ফর আরএনএ ইনোভেশনের ডিরেক্টর। এই টিকা নিয়ে পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌথভাবে গবেষণা চালান কাতালিয়া কারিকো এবং ড্রু ওয়াইসম্যান।

    চিকিৎসা বিজ্ঞানে অভূতপূর্ব অবদান

    সোমবার নোবেল (Nobel Prize 2023) কমিটির তরফে চিকিৎসা বিজ্ঞানে পুরস্কার প্রাপকদের নাম ঘোষণা করা হয়। বলা হয়, আমাদের ইমিউন সিস্টেমের সঙ্গে এমআরএনএ কীভাবে সাড়া দেয়, সে সম্পর্কে আমাদের ধারণাকে মৌলিকভাবে পরিবর্তন করেছে তাঁদের যুগান্তকারী অনুসন্ধান। বিজয়ীরা আধুনিক সময়ে মানব স্বাস্থ্যের জন্য সব চেয়ে বড় হুমকির মধ্যে একটি টিকা তৈরিতে অভূতপূর্ব অবদান রেখেছেন।

    নোবেল অ্যাসেম্বলির সেক্রেটারি টমাস পার্লম্যান পুরস্কার ঘোষণা করে বলেন, “পুরস্কার ঘোষণার আগে যখন আমি তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করি, তখন দুই বিজ্ঞানীই পুরস্কারপ্রাপ্তির খবরে অভিভূত হন।” গত বছর মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন সুইডিশ বিজ্ঞানী সভান্তে পাবো। ১৯৮২ সালে চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন তাঁরা বাবা সুনে বার্গস্ট্রমও।

    আরও পড়ুুন: “লুট হয়েছে ১০০ দিনের কাজের টাকা, সিবিআই চাই”, দাবি গিরিরাজের

    নোবেল (Nobel Prize 2023) অ্যাসেম্বলির তরফে জানানো হয়েছে, কাতালিন ও ড্রুয়ের গবেষণার মাধ্যমে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সঙ্গে এমআরএনএর ঠিক কী সম্পর্ক, সেই ধারণাটিই বদলে গিয়েছে। ২০০৫ সালে এই দুই বিজ্ঞানীর গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছিল। ২০২০ সালে তাঁদের গবেষণার ওপর নির্ভর করে তৈরি দুটি এমআরএনএ টিকা লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nipah Virus: মৃত্যুর হার করোনার থেকে বেশি! নিপা ভাইরাস নিয়ে সতর্ক করল আইসিএমআর

    Nipah Virus: মৃত্যুর হার করোনার থেকে বেশি! নিপা ভাইরাস নিয়ে সতর্ক করল আইসিএমআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই আতঙ্ক ছড়াচ্ছে নিপা ভাইরাস (Nipah Virus)। নিপার সংক্রমণে মৃত্যুর হার কোভিডের তুলনায় অনেকটাই বেশি। সতর্কতা জারি করে এই বার্তা দিল কেন্দ্রীয় চিকিৎসা গবেষণা সংস্থা ‘ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ’(ICMR)। আইসিএমআর-এর ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজি) রাজীব বহল শুক্রবার জানিয়েছেন, নিপা ভাইরাসের আক্রান্তদের ক্ষেত্রে মৃত্যুর হার ৪০-৭০ শতাংশ। অন্য দিকে কোভিডে আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর হার নিপার তুলনায় অনেকটাই কম। মাত্র ২-৩ শতাংশ।

    আনা হচ্ছে মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি

    কেরলে নিপা ভাইরাসের (Nipah Virus) সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করেছে। সে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ছ’জন নিপায় আক্রান্ত হয়েছেন। যার মধ্যে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। কেরলের কোঝিকোড়, কান্নুড়, ওয়েনাড় এবং মলপ্পুরমে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নিপা ভাইরাসের চিকিৎসার জন্য অস্ট্রেলিয়া থেকে আনা হচ্ছে মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, আরও অন্তত ২০টি ডোজ আনা হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া থেকে। এর আগে ২০১৮ সালে ওই অ্যান্টবডি আনা হয়েছিল। তার মধ্যে বর্তমানে যতটুকু আছে, তাতে ১০ জন রোগীর চিকিৎসা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। আইসিএমআর-এর ডিরেক্টর জেনারেল জানিয়েছেন, ভাইরাসে আক্রান্ত হলে একেবারে শুরুর দিকেই রোগীকে এই অ্যান্টিবডি দিয়ে চিকিৎসা করা প্রয়োজন। তবেই ফল পাওয়া যায়। এখনও পর্যন্ত ভারতে কাউকে এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা করা হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। রাজীব বাহল তথ্য তুলে ধরে বলেন, দেশের বাইরে ১৪ জন নিপা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীকে মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি দিয়ে চিকিৎসা করা হয়েছে, তাঁরা প্রত্যেকেই সুস্থ রয়েছেন। তবে এই অ্যান্টিবডি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত কেরল সরকার, ডাক্তার এবং রোগীদের পরিবারের উপর ছেড়ে দেওয়া হবে, বলেছেন রাজীব।

    আরও পড়ুন: “সীমান্ত সন্ত্রাস বন্ধ না হলে ভারত-পাক ক্রিকেট নয়”! স্পষ্ট বার্তা অনুরাগ ঠাকুরের

    সতর্কতা বিভিন্ন রাজ্যে

    শুক্রবার কেরলের স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, যাঁরা আক্রান্ত হচ্ছেন, তাঁদের দ্রুত চিহ্নিত করে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। শুধু তাই-ই নয়, যাঁরা ওই সব রোগীদের সংস্পর্শে এসেছেন, এমন ব্যক্তিদেরও চিহ্নিতকরণের কাজ শুরু হয়েছে। তাঁদেরও একান্তবাসে পাঠিয়ে পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। কেরলের পাশাপাশি কর্নাটক এবং রাজস্থানেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রাজস্থান সরকার বৃহস্পতিবার নিপা নিয়ে নির্দেশিকা জারি করেছে। একই সঙ্গে, সমস্ত মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালগুলিকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কর্নাটকেও নিপা ঠেকাতে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

LinkedIn
Share